জাতীয়

স্ত্রী হত্যা মামলায় ১২ বছর পর স্বামীর খালাস

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে স্ত্রী ফেরদৌসী আক্তার মেরী হত্যা মামলায় প্রায় ১২ বছর পর স্বামী মো. আব্দুর রহিমকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৫ এর বিচারক এলিনা আক্তার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক।

 

রায় ঘোষণার আগে কারাগার থেকে আব্দুর রহিমকে আদালতে হাজির করা হয়। খালাসের পর তাকে পুলিশ পাহারায় আদালত থেকে বের করে নেওয়া হয়।

 

তবে রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শরীফুল ইসলাম লিটন জানান, এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে।

 

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ২৯ নভেম্বর রাতে মোহাম্মদপুরের বাসায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার ঘটনা ঘটে। পরদিন সকালে ফেরদৌসী আক্তার মেরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
 

ঘটনার পর প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা হয়। পরে মেরীর মা হাসিনা বেগম বাদী হয়ে আব্দুর রহিম ও তার বাবা-মাকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ ২০১৫ সালে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।

 

বাদীপক্ষ নারাজি আবেদন করলে আদালত সিআইডিকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে ২০১৬ সালের ৫ এপ্রিল সিআইডি আব্দুর রহিমকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করে। ২০১৭ সালের ৫ অক্টোবর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়। বিচারকালে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

ছবি: সংগৃহীত
জনগণের আস্থা অর্জন করেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জয় চাই : আমিনুল হক

বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, আমাদের মূল লক্ষ্য এ দেশের সাধারণ মানুষের সত্যিকারের উন্নয়ন করা। জনগণের যে প্রত্যাশা রয়েছে, তা পূরণ করেই আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জয়লাভ করতে চাই।   মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর-১২ নম্বর বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা-১৬ আসন বিএনপির আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‍্যালির আগে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।   নেতাকর্মীদের সতর্ক করে আমিনুল হক বলেন, কোনো দুষ্কৃতকারী বা অন্যায়কারীকে বিএনপি প্রশ্রয় দেবে না। কেউ যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেই বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে।    তিনি বলেন, জনগণের পাশে থাকবেন, প্রতিটি কাজ জনগণের মতামত নিয়ে করবেন। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমাদের প্রতিটি কার্যক্রম পরিচালনা করব।   নিজ এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে আমিনুল হক বলেন, যেসব এলাকায় পানির পাম্প প্রয়োজন, সেখানে দ্রুত পানির পাম্প স্থাপনের কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নকাজও শুরু হয়েছে।   মিরপুরে হাসপাতাল নির্মাণের প্রসঙ্গ তুলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর মিরপুরে একটি হাসপাতাল নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় খুব শিগশিগই পল্লবীসহ বৃহত্তর মিরপুরে একটি হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।    কর্মসংস্থানের বিষয়েও প্রতিশ্রুতি দেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, আপনাদের এখানে কর্মসংস্থান হবে, আপনাদের কাজের প্রয়োজন—সেটিও পূরণ হবে, ইনশা-আল্লাহ। সেটাই আমি করে দেব।   বিএনপির সরকার গঠনের ছয় মাসের কার্যক্রম তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্যসহায়তার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরে এসব কার্যক্রমের সুফল সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।    বক্তব্যের শুরুতে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করেন আমিনুল হক। একই সঙ্গে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকার কথাও স্মরণ করেন তিনি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি জানান, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলনে তার নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ছিলেন।   সমাবেশ শেষে মিরপুর-১২ নম্বর বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ড থেকে বর্ণাঢ্য র‍্যালিটি শুরু হয়। র‍্যালিটি মিরপুর-১১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড, মিরপুরের মূল ১০ নম্বর হয়ে মিরপুর-৬ নম্বর বাজারের সামনে গিয়ে শেষ হয়।   র‍্যালিতে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী রেজাউল হোসেন রিয়াজ ও মাহবুব আলম মন্টু, পল্লবী থানা বিএনপির আনিসুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ আলী গাজী, যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল হক।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বিমান চলাচলে ৪২ বছর পর নতুন বিধিমালা

ছবি: সংগৃহীত

হাসিনার শাসনে গুম-নিপীড়নের ভয়াবহ পরিবেশ তৈরি হয়েছিল : স্পিকার

ছবি: সংগৃহীত

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বড় সুখবর, নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখছেন ট্রাম্প

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও এর  জনগণের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।    গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই প্রত্যাশার কথা জানান।   প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান।   চিঠিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেলেও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এবং এ দেশের জনগণের একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন। চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি তার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার কথাও জানান।   এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত মনোযোগের কথা তিনি সব সময় মনে রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি এক মাসেই দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

দেশের সংকট কাটিয়ে উন্নয়নের পথে নিতে বিএনপিই সক্ষম: আমির খসরু

ছবি: সংগৃহীত

শেখ সেলিম পরিবারে ৩৬ কোটির ‘অবৈধ’ সম্পদের হদিস

ছবি: সংগৃহীত
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি ঘিরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর গলাচিপায় দলটির দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির পাশাপাশি ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। তবে এতে গুরুতর আহত হওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।   মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে গলাচিপা পৌর শহরের কালীবাড়ি, বটতলা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের আশপাশে এসব ঘটনা ঘটে।   স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গলাচিপায় উপজেলা বিএনপির বর্তমান কমিটি এবং সাবেক নেতাদের অনুসারীরা পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করেন। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সোমবার থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।   মঙ্গলবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে উভয় পক্ষ পৃথক মিছিল বের করে পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।   মিছিল দুটি কালীবাড়ি ও বটতলা এলাকায় কাছাকাছি অবস্থানে পৌঁছালে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। এতে ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।   পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গেছে।   দলীয় সূত্র জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির স্থান ও আয়োজন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই মতবিরোধ ছিল। পৃথক কর্মসূচি ঘিরে সেই বিরোধের জেরেই মঙ্গলবার সকালে উত্তেজনা তৈরি হয়।   কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার রহমান কবির বলেন, ‘কেউ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করবেন না। তাহলে আমরাও কিন্তু কঠোর হব।’ তিনি ঘটনার বিষয়ে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।   পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে অল্প কিছু হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে পুলিশ ছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকায় লোডশেডিং বাড়িয়ে গ্রামে বিদ্যুৎ, দ্রুত কমবে সংকট

ছবি: সংগৃহীত

ম্যানচেস্টারে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় তৃতীয় বাংলাদেশের সাদ

ছবি: সংগৃহীত

লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টার থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি

0 Comments