বিশ্ব

সৌদি আরব, আমিরাতে শ্রমিক ভিসায় যাওয়া নিয়ে সুখবর

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫ 0

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্রুত বিস্তার লাভ করলেও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও সৌদি আরবের চাকরির বাজারে মানবশ্রমের চাহিদা কমছে না। বরং ২০৩০ সালের মধ্যে এই দুই দেশে অতিরিক্ত দেড় মিলিয়নেরও বেশি কর্মীর প্রয়োজন হবে, এমন তথ্য উঠে এসেছে ২০২৫ সালে প্রকাশিত একটি বৈশ্বিক কর্মশক্তি গবেষণায়। খবর জিও নিউজের।

গবেষণায় বলা হয়েছে, এআই ব্যবসা পরিচালনার ধরন বদলে দিচ্ছে ঠিকই, তবে উপসাগরীয় অঞ্চলে সামগ্রিক কর্মসংস্থানের চাহিদা এতে কমছে না। শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বড় উন্নয়ন প্রকল্প এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতের বিস্তারই নতুন কর্মসংস্থানের প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে।

সৌদি আরবে কর্মী চাহিদা বাড়ার পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে দেশটির ‘ভিশন ২০৩০’ সংস্কার কর্মসূচি। এই পরিকল্পনার আওতায় নির্মাণ, অবকাঠামো, পর্যটন, উৎপাদন, লজিস্টিকস ও নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলে ব্যাপক বিনিয়োগ হচ্ছে। গবেষণা অনুযায়ী, যদি এআইয়ের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা না বাড়ত, তাহলে সৌদি আরবের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ অতিরিক্ত কর্মীর প্রয়োজন হতো। স্বয়ংক্রিয়তা বিবেচনায় নেওয়ার পরও আগামী বছরগুলোতে দেশটিতে উল্লেখযোগ্য শ্রমঘাটতির আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মশক্তির চাহিদা আরও দ্রুত বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ইউএইর মোট কর্মশক্তি ১২ দশমিক ১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সৌদি আরবে যেখানে কর্মশক্তি বৃদ্ধির হার ১১ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রে এই হার মাত্র ২ দশমিক ১ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যে ২ দশমিক ৮ শতাংশে সীমাবদ্ধ থাকবে।

এই গবেষণা পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান সার্ভিসনাও এবং যুক্তরাজ্যভিত্তিক বৈশ্বিক শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন সংস্থা পিয়ারসন।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, প্রযুক্তি, এআই এবং ডিজিটাল সেবার ওপর ইউএই’র জোরালো মনোযোগ কর্মসংস্থান কমানোর বদলে নতুন চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করবে। সরকারি দপ্তর ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যক্রম আধুনিকায়নের সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদন, শিক্ষা, খুচরা বাণিজ্য, স্বাস্থ্যসেবা, আর্থিক সেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়ছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকারের শপথের তারিখ ঘোষণা বিজেপির

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নবনির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আগামী ৯ মে অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দলটির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বুধবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। খবর দ্য হিন্দুর। শমীক ভট্টাচার্য কলকাতার কেন্দ্রীয় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সকাল ১০টায় এই শপথ অনুষ্ঠান শুরু হবে। তিনি বলেন, নতুন বিজেপি সরকার ৯ মে সকাল ১০টায় শপথ নেবে। শপথ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। বিধানসভা নির্বাচনে বড় জয় পেয়ে পশ্চিমবঙ্গে ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনের অবসান ঘটিয়েছে বিজেপি। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর নতুন সরকার গঠনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যজুড়ে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে। এই অস্থির পরিস্থিতিতে এক ওসি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলায় একাধিক প্রাণহানি ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটছে। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। সেই ভিডিও পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, মধ্য কলকাতায় নিউ মার্কেটের কাছে, পুলিশের অনুমতিসাপেক্ষেই, মাংসের দোকান ভাঙতে বুলডোজার আনা হয়েছে। জয়ের উদ্‌যাপন হিসাবেই তা করা হয়েছে। সিএপিএফ কাছেই দাঁড়িয়ে ছিল। আপনাদের জন্য বিজেপি। সারা দুনিয়া দেখুক এই ছবি। এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিজয় মিছিলের জন্য পুলিশের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। তবে বুলডোজার নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। পুলিশ তা দেয়নি। তার ভাষায়, আমরা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। ভাঙচুর করার কোনও খবর নেই। বিষয়টি পুলিশ দেখছে।  

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ০৬, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

প্রায় ৩ কোটি ক্রেতাকে ২৫ কোটি ডলার জরিমানা দেবে অ্যাপেল

ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়ার পর এবার চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

দেশদ্রোহীদের সম্পদ জব্দ করল ইরান

ছবি : সংগৃহীত
স্বর্ণের দামে বড় লাফ

আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ঊর্ধ্বগতি স্বর্ণের দামে। মার্কিন ডলারের দরপতন এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা ঘিরে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিমুক্ত সম্পদের দিকে ঝোঁকার কারণে বুধবার (৬ মে) একদিনেই স্বর্ণের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বুধবার (০৬ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে এসব তথ্য। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,৬৪৭.০৯ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে জুন মাসে সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪,৬৫৮ ডলারে। বিশ্লেষকদের মতে, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে স্বর্ণের দামে এই ঊর্ধ্বগতি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতার অগ্রগতির খবরে বাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ডলারের দুর্বলতা স্বর্ণকে আরও আকর্ষণীয় করেছে। এদিকে মঙ্গলবার (০৫ মে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে সামরিক অভিযান তিনি সাময়িকভাবে স্থগিত করছেন। ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য সমঝোতার পথে অগ্রগতির কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা থামানোর ইঙ্গিতে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা কমেছে। সাধারণত তেলের দাম ও ভূরাজনীতির এমন সমীকরণ স্বর্ণের বাজারকে চাঙা করে তোলে। বাজার বিশ্লেষক সংস্থা ওয়ান্ডার সিনিয়র মার্কেট অ্যানালিস্ট কেলভিন ওংয়ের মতে, অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকি কিছুটা হ্রাস পাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে আবারও স্বর্ণে মনোনিবেশ করছেন। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও বেড়েছে। বুধবার বিশ্ববাজারে রূপার দাম ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৬ দশমিক ৯৫ ডলারে পৌঁছেছে। প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও যথাক্রমে ৩ দশমিক ৪ এবং ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ০৬, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বহর থামিয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে রাস্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমেছে তেলের দাম। ছবি : সংগৃহীত

ট্রাম্পের শান্তি বার্তায় স্বস্তি, কমল তেলের দাম

ছবি : সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে চাপে যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে দুশ্চিন্তায় রিপাবলিকানরা

ছবি : সংগৃহীত
তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনে বিজয়ের পাশে কংগ্রেস

তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভের পর অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয় থালাপতির দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগমকে (টিভিকে) সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে কংগ্রেস। দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিষয়টি রাজ্য ইউনিটের ওপর ছেড়ে দিয়েছে। বুধবার (৬ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, কংগ্রেস সভাপতি মাল্লিকার্জুন খারগের বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তামিলনাড়ুর নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। এতে অংশ নেন কংগ্রেস সংসদ সদস্য রাহুল গান্ধীসহ দলের শীর্ষ নেতারা। বৈঠক শেষে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে সি ভেনুগোপাল জানান, টিভিকে সরকার গঠনের জন্য কংগ্রেসের সমর্থন চেয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনের রায় বিবেচনায় রেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব তামিলনাড়ু প্রদেশ কংগ্রেসকে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, তামিলনাড়ুতে যে সরকারই গঠিত হোক, সেখানে বিজেপির অংশগ্রহণ চায় না কংগ্রেস। উল্লেখ্য, ২৩৪ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভায় বিজয়ের নেতৃত্বাধীন টিভিকে ১০৮টি আসন পেয়ে এককভাবে বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা তারা অর্জন করতে পারেনি।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ০৬, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

মানবিকতার দৃষ্টান্ত, ভারতীয় নাবিকদের বাঁচাল পাকিস্তান নৌবাহিনী

ছবি : সংগৃহীত

গৃহকর্মী থেকে বিধায়ক বিজেপির চমকপ্রদ প্রার্থী!

ছবি : সংগৃহীত

‘নাছোড়বান্দা’ মমতা, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে

0 Comments