শিক্ষা

শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ায় নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

মারিয়া রহমান আগস্ট ১৮, ২০২৬
ফলাফল পেয়ে কাদির মোল্লা স্কুলছাত্রীদের উল্লাস।
ফলাফল পেয়ে কাদির মোল্লা স্কুলছাত্রীদের উল্লাস।

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জন করা নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

 

 

শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ার ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।

 

 

রোববার (১৬ আগস্ট) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর ড. মো. মাসুদ রানা খানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

 

 

নোটিশে বলা হয়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর নরসিংদী সদর উপজেলার নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রে ‘নিয়ম-বহির্ভূত কৌশল’ অবলম্বনের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর অভিযোগটি শিক্ষা বোর্ডের নজরে আসে।

 

 

অভিযোগের সার্বিক সত্যতা যাচাই ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য জানতে নোটিশে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী, নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত শিক্ষার্থী, এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী এবং এসএসসি পরীক্ষায় ফরম পূরণকারী শিক্ষার্থীদের তথ্য চাওয়া হয়েছে।

 

 

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান, বিভাগ ও অতিরিক্ত শ্রেণি শাখার অনুমতিপত্র প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।

 

 

 

নোটিশ অনুযায়ী, এসব তথ্যসহ প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রে ওঠা অভিযোগের কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

শিক্ষা

আরও দেখুন
ঢাবি শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি
ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অকৃতজ্ঞতার রাজনীতি: ছাত্রদল-বামদের বিরুদ্ধে ঢাবি শিক্ষকের ক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাবি শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি।      সোমবার বিকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মোনামি লেখেন, আমি আমার পারসোনাল প্রোফাইল থেকে, একান্তই পারসোনাল এক্সপিরিয়েন্সের একটা ছবি ও পোস্ট দিলাম; যেটা সম্পূর্ণ জাতীয় ও রাজনৈতিক ইস্যুর সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক। কিন্তু আমার ছবি শেয়ার করে এরকম অমার্জিত ও নির্লজ্জ পোস্ট দেওয়া একমাত্র ছাত্রদল দিয়েই সম্ভব।  অবশ্য আমি এতে অবাক হইনি।      তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলকে অন্যদের চেয়ে ভালো ভাবার কোনো কারণ দেখি না।  যারা সুশীল, তাদের সুশীলতা কেবল লীগ (মায়াকান্না) আর দলের (বিশিষ্ট) শিক্ষকদের জন্যই। আর কোনো শিক্ষক এর আওতায় পড়ে না। আর যদি জামায়াত ট্যাগ থাকে, তাহলে তো হলোই।  যেমন আমি।     ঢাবির এই শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ডাকসুর পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের আর বামদের এসব কেবল চুপ করে দেখে যাচ্ছি। নিজেকে সান্ত্বনা দিই, আমি যেহেতু শিক্ষক, আমি ওদের না হয় ক্ষমাই করে দিই। কিন্তু মানুষ হিসেবে, কষ্ট পাওয়াটা সাভাবিক।      ‘আমি কেবল ভাবি, এতে ওদের কী লাভ হয়? দলের কাছে বাহবা পাওয়া নাকি নিজেকে খুব নির্লজ্জ হিসেবে জাহির করা? করলেই বা কি, এসব উদ্ধত আচরণ দিয়ে জীবনে কেউ খুব বেশি কিছু করতে পারে না। যাগগে, পারিবারিক শিক্ষা না থাকলে আর রাজনীতিকে একমাত্র পেশা বানাতে চাইলে হয়তো এসব করতে হয়’, যোগ করেন তিনি।        মোনামির ওই পোস্টের নিচে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা লিখেছেন, ‘একটা লাইফলেস বাম আছে। বিদেশ গেছে, তাও সভ্য হতে পারে নাই বিন্দুমাত্র।  অযথা এমন ব্যক্তিগত ছবি, অভিব্যক্তি শেয়ার দেয়। ওদের টার্গেট আপনি বেশি, কারণ আপনাকে খারিজ করে দেওয়া যাচ্ছে না কোনো ফ্রেম করে।’       জবাবে মোনামি একটি অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বামের এক বড় নেত্রীর অনেক বড় একটা সাহায্য করেছিলাম, সহকারী প্রক্টর থাকাকালে। সব দরজা যখন তার জন্য বন্ধ, তখন প্রক্টর অফিসে এসে কেঁদেছিল, ব্যবস্থা না করলে ওর পড়ালেখা হয়তো বন্ধ হয়ে যাবে। আমি ওর জন্য কত দৌড়ঝাঁপ দিলাম।  অবশেষে ওকে সাহায্য করতে পারলাম। ওকে বললামও, সবকিছুর পাশাপাশি এবার পড়াশোনাটা শেষ করো কিন্তু।  আমাকে জড়িয়ে ধরলো। সেই একই মেয়ে কিছুদিন পর রাজুতে দাঁড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে ভাষণ দিলো। আমি কী পরিমাণ কষ্ট পেয়েছি, আমি বলে বোঝাতে পারব না। আল্লাহ হয়তো এর উত্তম প্রতিদান আমাকে দেবেন, মানুষ থেকে কৃতজ্ঞতা আশা করা ভুল, এরা অকৃতজ্ঞ এবং কৃতঘ্ন হবে এটাই হয়তো সাভাবিক।’

মারিয়া রহমান আগস্ট ১৮, ২০২৬
ফলাফল পেয়ে কাদির মোল্লা স্কুলছাত্রীদের উল্লাস।

শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ায় নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত

অধিভুক্ত কলেজে ক্যারিয়ার সেন্টার চালুর নির্দেশ দিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

ছবি: সংগৃহীত

২০২৭ সালের আলিম পরীক্ষার প্রশ্ন হবে পরিমার্জিত আরবি বই থেকে

সংগৃহীত ছবি
এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদন ২১ আগস্ট শুরু করার পরিকল্পনা

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদন গ্রহণ আগামী ২১ আগস্ট থেকে শুরু করার পরিকল্পনা করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন মিললে চলতি সপ্তাহেই এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে।       রবিবার (১৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে এক বৈঠকে মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এ বিষয়ে আলোচনা করেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) বিজ্ঞপ্তির আনুষ্ঠানিক খসড়া মন্ত্রণালয়ে জমা দেবে মাউশি।       প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী, ২১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে বদলির আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত। আবেদন জমা নেওয়ার জন্য মোট সাত দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।       এরপর পরবর্তী সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে আবেদনসমূহ যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রক্রিয়াটি শেষ হলেই চূড়ান্তভাবে শিক্ষকদের বদলি কার্যকর করা হবে। নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকরা নির্ধারিত তিনটি এলাকার বাইরে অন্য কোথাও বদলির আবেদন করতে পারবেন না। নির্ধারিত এলাকার বাইরে আবেদন করতে গেলে ‘আবেদন যোগ্য নন’ বলে নোটিফিকেশন দেখাবে সফটওয়্যার।     মাউশি সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা অনুযায়ী নিজ জেলা, স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা এবং স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থলের বাইরে অন্য কোথাও বদলি আবেদন করা যাবে না। এই এলাকাগুলোর বাইরে আবেদন নেবে না সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটি সেভাবেই প্রস্তুত করা হয়েছে।

মারিয়া রহমান আগস্ট ১৬, ২০২৬

নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

সংগৃহীত ছবি

ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর দিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

ছবি: সংগৃহীত

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে ফার্মেসি ও ল শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ

‘সমকামিতার’ অভিযোগে ঢাবির হল থেকে ২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ‘সমকামিতা’র অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাদের উভয়েকে হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হল প্রোভোস্ট ড. মো. আখতারুজ্জামান।   তিনি জানান, ঘটনাটি জানার পরপরই স্থায়ীভাবে শিক্ষার্থীদের সিট বাতিল ও বহিষ্কার করা হয়েছে। হলের পক্ষ থেকে এটাই প্রশাসনিক ব্যবস্থা।   এদিকে এ ঘটনায় মুজিব হলের হাউজ টিউটর ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম সোহাগকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে হল প্রশাসন।   বিষয়টি নিয়ে মুজিব হল সংসদের জিএস আহমেদ আল সাবাহ স্টার নিউজকে জানান, অভিযুক্ত দুইজনই প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তাদের বিভিন্ন কর্মকান্ডের ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে তারা এই বিষয়টির স্বীকারোক্তি দিয়েছে। এ ঘটনায় দুইজন সহকারী প্রক্টরের উপস্থিতিতে তাদের সিট বাতিল করে হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।   প্রশাসনিক ব্যবস্থার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় উভয়কে হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং স্থানীয় অভিভাবকের উপস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।’   বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমে আরও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।   তবে ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী স্টার নিউজকে বলেন, এই ঘটনা অনেকটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি এমন কোন কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত নই। আমার রুমমেট একজন আমাকে বিগত কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রশ্ন করছিল। আর যেহেতু আমার বাসা গোপালগঞ্জ, সে আমাকে গোপালগঞ্জে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন করতো। এখন বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী লীগ আমলের কারণে মানুষের মনে এমন ধারণা হয়েছে যে গোপালগঞ্জ মানে খারাপ কিছু। গোপালগঞ্জ পরিচয় দেওয়ার পরে অনেকে আমার দিকে নেতিবাচকভাবে তাকিয়ে থাকে। যে ভিডিও বা ছবি প্রমাণ হিসাবে দেওয়া হয়েছে সেগুলো আমার সেই রুমমেট করেছে এবং হল সংসদের জিএস এর সাথে তার ভালো সম্পর্ক।   আর সেই রুমমেটই এই ছবি ভিডিওগুলো জিএসকে দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।   রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ঘটনার পরপরই আমাকে ছাত্রদলের কর্মী বলে প্রচার করা হয়েছে। এটা গুজব। আমি কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নই।’

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি আগস্ট ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এসএসসিতে শূন্য পাস ৩১২ প্রতিষ্ঠান: শোকজ বোর্ডে, ঝুঁকিতে এমপিও সুবিধা

ছবি: সংগৃহীত

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র, উঠছে নানা প্রশ্ন

ছবি: সংগৃহীত

এসএসসি ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুরু, চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত

0 Comments