জাতীয়

স্বল্পআয়ের তরুণদের কর্মসংস্থানে বাংলাদেশকে ১৫০.৭৫ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫

স্বল্পআয়ের তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশকে ১৫০.৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এ সহায়তায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে নারী এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত জনগোষ্ঠীর ওপর।

রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট (রেইজ) প্রকল্পের আওতায় এই অতিরিক্ত অর্থায়নের মাধ্যমে সারা দেশে আরও প্রায় ১ লাখ ৭৬ হাজার যুবকের জন্য কর্মসংস্থান ও আয়বর্ধক সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর আগে এ প্রকল্পের আওতায় ২ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ উপকৃত হয়েছেন।

বিশ্বব্যাংকের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রকল্পে অংশগ্রহণকারীরা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, শিক্ষানবিশ (অ্যাপ্রেন্টিসশিপ), উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্রঋণের সুযোগসহ একটি সমন্বিত সেবা প্যাকেজ পাবেন। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে যুবক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা কর্মসংস্থান ও ব্যবসা সম্প্রসারণের বাধাগুলো অতিক্রম করতে পারবেন।

এ প্রকল্পের আওতায় নারীর ক্ষমতায়নে উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে মানসম্মত শিশুযত্ন (চাইল্ডকেয়ার) সেবার সুযোগ সৃষ্টি। পাশাপাশি জলবায়ু সহনশীল জীবিকাভিত্তিক কার্যক্রম চালু করা হবে, যাতে জনগোষ্ঠী জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা করতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় পরিচালক গেইল মার্টিন বলেন, 'একটি ভালো চাকরি একটি জীবন, একটি পরিবার ও একটি সমাজকে বদলে দিতে পারে। অথচ প্রতি বছর শ্রমবাজারে প্রবেশ করা বহু বাংলাদেশি তরুণ কাজের সুযোগ পায় না। পাশাপাশি দেশে কাজের মান, দক্ষতার ঘাটতি ও পেশাগত অমিলের মতো চ্যালেঞ্জও রয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'এই অতিরিক্ত অর্থায়ন স্বল্পআয়ের পরিবারের আরও বেশি যুবক-যুবতী, বিশেষ করে নারী ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষের জন্য বাজারভিত্তিক দক্ষতা, প্রয়োজনীয় সম্পদ ও প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করবে, যা তাদের ভালো কর্মসংস্থান ও জীবিকার পথ সুগম করবে।'

এই অর্থায়নের ফলে প্রকল্পটির কার্যক্রম শহরকেন্দ্রিক সীমা ছাড়িয়ে গ্রামীণ এলাকাতেও সম্প্রসারিত হবে, যাতে সারা দেশের প্রান্তিক যুবক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা পেতে পারেন।

এছাড়া নারীদের জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী ঘর-ভিত্তিক শিশুযত্ন সেবার একটি পাইলট কার্যক্রম চালু করা হবে। এ লক্ষ্যে নারীদের প্রশিক্ষণ ও প্রারম্ভিক অনুদান দেওয়া হবে। শিশুযত্ন সেবার চাহিদা ও সরবরাহ—উভয় দিক বিবেচনায় নিয়ে এসব উদ্যোগ নারী শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ বাড়াবে এবং পরিচর্যা খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। একই সঙ্গে শিশুদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও বিকাশও উন্নত হবে।

নারীদের আত্মবিশ্বাস ও ক্ষমতায়ন বাড়াতে জীবনদক্ষতা প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে। অতিরিক্ত অর্থায়নের আওতায় চাকরির মধ্যস্থতা কার্যক্রম জোরদার করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে চাকরি মেলা আয়োজন, সম্ভাব্য নিয়োগদাতাদের সঙ্গে প্রার্থীদের সংযুক্ত করা এবং বিপণন ও চুক্তি আলোচনায় সহায়তা প্রদান।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র সামাজিক সুরক্ষা অর্থনীতিবিদ ও প্রকল্পের টিম লিডার আনিকা রহমান বলেন, ‘রেইজ প্রকল্প প্রমাণ করেছে যে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, 'এই নতুন অর্থায়নের মাধ্যমে আমরা কার্যকর উদ্যোগগুলো আরও সম্প্রসারণ, ক্ষুদ্রঋণের সুযোগ বাড়ানো এবং মানসম্মত শিশুযত্নের মতো উদ্ভাবনী সমাধান চালু করতে পারব—যার ফলে আরও বেশি যুবক ও নারী তাদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারবে।'

প্রকল্পটি ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা শিক্ষানবিশদের ৮০ শতাংশের বেশি তিন মাসের মধ্যেই কর্মসংস্থান পেয়েছেন। পাশাপাশি তরুণ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা আয় বৃদ্ধি ও উন্নত ব্যবসায়িক সাফল্যের কথা জানিয়েছেন।

২০২১ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে রেইজ প্রকল্প কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ হাজারের বেশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে পুনরুদ্ধার ঋণ ও প্রশিক্ষণ সহায়তা দিয়েছে, ২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি প্রত্যাবর্তনকারী প্রবাসীকে পুনঃএকত্রীকরণ সহায়তার জন্য নিবন্ধন করেছে এবং ১ লাখ ২২ হাজারের বেশি উপকারভোগীকে অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিমূলক সেবা প্রদান করেছে। যাদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ নারী।

এই অতিরিক্ত অর্থায়নের ফলে রেইজ প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের মোট সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াল ৩৫০.৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

ছবি: সংগৃহীত
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন প্রবাসীরা

প্রবাসে থেকেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট আসনের ভোটাররা। আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় এ উপনির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে আগ্রহী প্রবাসীদের ‘Postal Vote BD’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ১২ থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন করতে হবে।   শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমের কাছে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)।   ইসি জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো এবারও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে আইটি-সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা চালু থাকবে। বিদেশে বসবাসরত এ আসনের ভোটাররা নতুন করে নিবন্ধনের মাধ্যমে এ সুবিধা নিতে পারবেন।   কারা পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর সর্বশেষ সংশোধন অনুযায়ী চার শ্রেণির ভোটার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।   এর মধ্যে রয়েছেন- বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি ভোটার; নিজ নির্বাচনি এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী; কারাগারে বা আইনগত হেফাজতে থাকা ভোটার; নিজ ভোটকেন্দ্রের বাইরে নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী। তবে প্রবাসী ভোটারদের ক্ষেত্রে ‘Postal Vote BD’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনের সুযোগ প্রযোজ্য হবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংশ্লিষ্ট ভোটারদের জন্য। গতবার ৩৩ দেশ থেকে ভোটার নিবন্ধিত নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ৩৩টি দেশ থেকে ৩৮৬ জন প্রবাসী ভোটার পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধিত হয়েছিলেন। এবার প্রবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সর্বোচ্চ ৫০০ জনের জন্য প্রস্তুতি রাখা হয়েছে বলে ইসি জানিয়েছে।   গতবার দেশের ভেতরে থেকেও বিভিন্ন শ্রেণির ভোটার পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধিত হয়েছিলেন। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি ও কারাবন্দিদের জন্য এবারও পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।   পুরোনো নিবন্ধিতদেরও যোগাযোগ করবে ইসি গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে পোস্টাল ভোটের জন্য যারা প্রবাসী হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছিলেন, তাদের ক্ষেত্রেও ইসি যোগাযোগ করবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ই-মেইল, হোয়াটসঅ্যাপ বা ‘Postal Vote BD’ অ্যাপের মাধ্যমে উপনির্বাচনে ভোট দেওয়ার বিষয়ে তাদের সম্মতি নেওয়া হবে। এরপর নির্ধারিত বর্তমান ঠিকানায় ব্যালট পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।   অন্যদিকে, যারা আগে নিবন্ধিত ছিলেন না, তারাও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন করে নিবন্ধন করে পোস্টাল ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।   অ্যাপে নিবন্ধনে ঠিকানা দিতে হবে সতর্কভাবে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ‘Postal Vote BD’ অ্যাপে প্রবাসী ভোটারকে বিদেশে বর্তমানে যে ঠিকানায় অবস্থান করছেন, সেটিই দিতে হবে। বাংলাদেশের কোনো ঠিকানা ব্যবহার করা যাবে না। ঠিকানার তথ্য ইংরেজিতে পূরণ করতে হবে এবং রাস্তা, ভবন, ব্লক, শহর, স্টেট বা প্রভিন্সসহ প্রয়োজনীয় অংশ সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে। পোস্টাল বা জিপ কোডও নির্ভুলভাবে দিতে হবে।   ২৯ অক্টোবর ভোট, ভোটার ৫ লাখ ১৫ হাজারের বেশি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হওয়ায় উপনির্বাচনের আয়োজন করছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৯ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আসনটিতে বর্তমানে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৫ হাজার ৫২৫ জন। ভোটের জন্য ১৮৫টি কেন্দ্র ও ৯৮৯টি ভোটকক্ষ রাখা হয়েছে।   ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৭ সেপ্টেম্বর। ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে। মনোনয়ন নিয়ে আপিলের সুযোগ থাকবে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ৬ অক্টোবর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ৮ অক্টোবর।   উল্লেখ্য, প্রবাসী ভোটারদের জন্য পোস্টাল ভোটের এই ব্যবস্থা চালু হওয়ায় নির্বাচনের দিন দেশে ফিরতে না পারলেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের যোগ্য ভোটাররা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

চলমান সংকট মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান রিজভীর

ছবি: সংগৃহীত

দেশে পর্যাপ্ত সার আছে, মজুতদারদের কারসাজিতে সংকট: কৃষিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মধুখালীতে তিন কার্টন থেকে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় মেলেনি

ছবি: সংগৃহীত
মুক্তাগাছায় পেট্রোল ঢেলে যুবককে হত্যার অভিযোগ, অজ্ঞাত দুজনের বিরুদ্ধে মামলা

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ফরহাদ হোসেন জনি (৩৫) নামে এক যুবককে শরীরে দাহ্য পদার্থ ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছে। নিহতের বাবা মো. আব্দুল সাত্তার (৬৬) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তিকে আসামি করে মুক্তাগাছা থানায় মামলাটি করেন।   এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফরহাদের মৃত্যু হয়। পরদিন শুক্রবার বাদ মাগরিব মুক্তাগাছা পৌরসভার লক্ষিখোলা পৌর গোরস্তানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।   হামলার বর্ণনা: মামলার এজাহার অনুযায়ী, ফরহাদ পেশায় সবজি বিক্রেতা ছিলেন। পাশাপাশি বেকার মুক্তি আন্দোলন, মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ড ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে তিনি যুক্ত ছিলেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১০টা ৫ মিনিটে ফরহাদ বাড়ি থেকে বের হন। প্রায় ১৬ মিনিট পর রাত ১০টা ২১ মিনিটের দিকে মুক্তাগাছা পৌরসভার মধ্যহিস্যা এলাকায় নিজের বাড়ির সামনে টিনের সীমানাপ্রাচীরের বাইরের ফাঁকা জায়গায় পৌঁছালে দুই ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা প্রথমে ফরহাদের মুখ চেপে ধরে পাউডারজাতীয় কোনো পদার্থ ছিটিয়ে দেয়। এরপর তার শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।   আগুন নেভাতে ডোবার পানিতে গড়াগড়ি: শরীরে আগুন জ্বলতে থাকায় ফরহাদ নিজেকে রক্ষার জন্য পাশের একটি ডোবার কাদাপানিতে গড়াগড়ি করেন। কিন্তু আগুন পুরোপুরি না নেভায় তার পোশাক পুড়ে যায়। পরে দগ্ধ অবস্থায় তিনি প্রধান সড়কের দিকে দৌড়ে যান এবং শাকির কম্পিউটারের পাশের একটি সেলুনের সামনে পাকা রাস্তায় পড়ে যান। তার চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। গুরুতর দগ্ধ ফরহাদকে উদ্ধার করে প্রথমে মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।   মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ে বিরোধের অভিযোগ: নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, ফরহাদের বাড়ির আশপাশে নিয়মিত মাদকসেবীদের আড্ডা বসত। তিনি মাদকবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় মাদকসেবী ও স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়েছিল। এজাহারেও এ ধরনের বিরোধের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, সামাজিক ও মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে ফরহাদকে হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে। এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার রাতে হাসপাতালেও এক অজ্ঞাত ব্যক্তি ফরহাদের কাছে এসেছিল। বিষয়টি নিয়েও পরিবারের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়।   পুলিশের তদন্ত চলছে: মামলার বিষয়ে মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম জানান, নিহতের বাবার দেওয়া এজাহারের ভিত্তিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান এবং তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এদিকে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের পর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ১১ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলে পরে পারিবারিক ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

৭৫ কোটি টাকায় নতুন রূপে ধানমন্ডি লেক, থাকছে ‘নজরুল সরোবর’

ছবি: সংগৃহীত

তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রস্তুতি

ছবি: সংগৃহীত

১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে থাকা অনেকেই দেশ ছেড়েছেন: স্পিকার

ছবি: সংগৃহীত
দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে জনগণ: রফিকুল ইসলাম খান

বাংলাদেশ কীভাবে পরিচালিত হবে, সে সিদ্ধান্ত দেশের জনগণই নেবে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।   তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের সম্পত্তি নয়; দেশের মালিক জনগণ। কেউ জনগণের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভিন্ন কোনো ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে।   শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   রফিকুল ইসলাম খান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা বিভিন্ন অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি বাতিল করা হয়েছে। তার মধ্যে গুম-খুনের অভিযোগ তদন্তসংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশও ছিল বলে দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, দলটি দেশে আবারও গুম-খুনের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়।   গুম ও হত্যার অভিযোগ তদন্তের প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার দাবি, আগের ব্যবস্থায় কোনো সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে সেই সংস্থাকে তদন্তের দায়িত্ব না দেওয়ার বিধান ছিল। কিন্তু পরবর্তী পরিবর্তনের মাধ্যমে একই সংস্থার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তের দায়িত্বও তাদের ওপর পড়েছে। অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হলে অভিযোগকারীর শাস্তির বিধান নিয়েও আপত্তি জানান তিনি।   রফিকুল ইসলাম খান বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থা মানুষের মধ্যে অভিযোগ করার ক্ষেত্রে ভয় তৈরি করতে পারে। তার মতে, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশকে আবার কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের দিকে নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   তিনি আরও বলেন, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, সততা ও চরিত্র গঠনের জন্য পর্যাপ্ত কার্যক্রম নেই। ইসলামী ছাত্রশিবির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আদর্শ ও যোগ্য মানুষ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি।   অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী আবাসিক সুবিধার বাইরে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নিতে হবে।   তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। শিক্ষার্থীদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।   রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল, সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।   অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় চার হাজার নিবন্ধিত নবীন শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথি অংশ নেন।

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে সব পক্ষকে দায়িত্বশীল হতে হবে: চসিক মেয়র

ছবি: সংগৃহীত

‘শেখ হাসিনা আর বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন না’—রাশেদ খাঁন

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

0 Comments