দক্ষিণী সুপারস্টার ইয়াশ অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেইল ফর গ্রোন-আপস’ ঘিরে দর্শকদের উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই এলো আরও এক বড় চমক। বলিউড সেনসেশন কিয়ারা আদভানি আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হলেন এ ছবিতে। আর তার এই অন্তর্ভুক্তি যেন সিনেমাটি নিয়ে দর্শকের আগ্রহকে পৌঁছে দিল নতুন উচ্চতায়। আসন্ন এ ছবিতে ‘নাদিয়া’ চরিত্রে দেখা যাবে কিয়ারাকে। যে চরিত্র শুধু গল্পের গভীরতা বাড়াবে না, বরং ছবির আবহে যোগ করবে ভয়ংকর ও রোমাঞ্চকর এক নতুন মাত্রা।
বহুমুখী অভিনয় দক্ষতা ও শক্তিশালী রূপে পর্দায় উপস্থিতির জন্য পরিচিত কিয়ারা আদভানি এবার ধরা দিতে চলেছেন একেবারেই ভিন্ন রূপে। আবেগঘন চলচ্চিত্র থেকে শুরু করে উচ্চমাত্রার বাণিজ্যিক সিনেমা—বিভিন্ন ঘরানায় নিজেকে প্রমাণ করা এই অভিনেত্রীর ক্যারিয়ারে ‘টক্সিক’ হতে চলেছে এক গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট।
সম্প্রতি প্রকাশ পাওয়া কিয়ারার ফার্স্টলুক পোস্টার এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন তুলেছে। পোস্টারে কিয়ারাকে দেখা যায় ঝলমলে আলোয় ভরা এক রঙিন সার্কাসের পটভূমিতে—আকর্ষণীয়, রহস্যময় ও বহুস্তরীয় অবতারে। তবে বাহ্যিক আড়ম্বরের আড়ালে পোস্টারে স্পষ্ট হয়ে ওঠে চরিত্রটির ভেতরের গভীর আবেগ। চোখে-মুখে লুকিয়ে থাকা শোক ও বিষণ্নতার ছাপ ইঙ্গিত দেয় এক শক্তিশালী অভিনয়নির্ভর চরিত্রের।
সব মিলিয়ে স্পষ্ট, নাদিয়া কোনো গতানুগতিক চরিত্র নয়; বরং এটি কিয়ারা আদভানির ক্যারিয়ারে এক রূপান্তরমূলক অধ্যায় হয়ে উঠতে চলেছে। ছবিটি পরিচালনা করছেন ভারতের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা গীতু মোহনদাস। ইয়াশ ও কিয়ারা আদভানির পাশাপাশি এতে অভিনয় করছেন নয়নতারা, হুমা কুরেশি, অক্ষয় ওবেরয়সহ আরও একঝাঁক তারকা।
এদিকে কিয়ারাকে সবশেষ দেখা যায় চলতি বছরে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ওয়্যার ২’ সিনেমায়। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন অয়ন মুখার্জি। কিয়ারার পাশাপাশি সিনেমায় অভিনয় করেন হৃতিক রোশন, জুনিয়র এনটিআরসহ আরও অনেকে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না। একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন। গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে। জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে। কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে। প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে। আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’ সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না। এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।
এমন অনেকেই আছেন যারা খাওয়ার পরে অস্বস্তি কিংবা পেট ফাঁপার সমস্যায় ভোগেন। প্রতিদিন এমন সমস্যায় ঘরোয়া সমাধান খোঁজেন তারা। আবার একই সঙ্গে ওজন নিয়ন্ত্রণে অনেকে ঘরোয়া সমাধান পছন্দ করেন। আর এসব ক্ষেত্রে রান্নাঘরের পরিচিত একটি উপাদান আদা হতে পারে সহজ একটি বিকল্প। আদা দিয়ে তৈরি চা হজমে সহায়তা করার পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে এমনটা বিভিন্ন গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। খবর এনডিটিভি সহজ হজমে আদা আদা হজমতন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ওয়ার্ল্ড জার্নাল অব গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি-তে প্রকাশিত একটি ছোট গবেষণায় দেখা যায়, আদা খাবার পাকস্থলী থেকে দ্রুত অন্ত্রে পৌঁছাতে সাহায্য করে। তবে এতে হজমের সব ধরনের উপসর্গ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পেট ফাঁপার সমস্যা স্বস্তি খাওয়ার পর পেট ফুলে থাকা বা ভারী লাগা অনেকেরই নিয়মিত সমস্যা। ২০১১ সালের একটি গবেষণায় আদা ও আর্টিচোকের সমন্বয়ে তৈরি একটি সাপ্লিমেন্ট হজমের অস্বস্তি, পেট ফাঁপা, বমিভাব ও পেট ভরা ভরা অনুভূতি কমাতে সহায়তা করেছিল। তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো গবেষণায় সাধারণ আদা চা নয়, আদা ও আর্টিচোকের সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছিল। তাই এক কাপ ঘরোয়া আদা চা একই ফল দেবে এমন নিশ্চয়তা নেই। ওজন নিয়ন্ত্রণ আদা চা কোনো ‘ফ্যাট বার্নিং’ পানীয় নয়। তবে ওজন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে করা গবেষণায় কিছু ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। ২০২৫ সালের একটি গবেষণা পর্যালোচনায় দেখা যায়, আদার সাপ্লিমেন্ট গ্রহণকারীদের কোমরের পরিধি ও শরীরের চর্বির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে মোট শরীরের ওজন বা বিএমআই কমানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, ওজন কমানোর জন্য শুধু আদা চায়ের ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। স্বাস্থ্যকর খাবার ও নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এটি একটি সাধারণ পানীয় হিসেবে রাখা যেতে পারে। আদা চা পানের সময় আদা চা খাওয়ার জন্য সকালই সেরা বা রাতই সেরা এমন শক্ত প্রমাণ নেই। বরং খাওয়ার পর বা যে সময়ে সাধারণত হজমের অস্বস্তি হয়, সে সময়ে পান করা যেতে পারে। রাতে খেলে কালো চা বা অন্য ক্যাফেইনযুক্ত চায়ের বদলে শুধু আদা ভিজিয়ে তৈরি পানীয় বেছে নেওয়া ভালো, বিশেষ করে ক্যাফেইনে ঘুমের সমস্যা হলে। আদা চা উপকারী হলেও সবকিছু সবার জন্য নাও হতে পারে। তাই সমস্যা দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াই ভালো। চিকিৎসক আপনাকে সঠিক পরামর্শ দেবেন।
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মানকে কমবেশি সবাই চিনে। সর্বশেষ দেখা গেছে মহিদুল মহিমের নাটক ‘প্রিয় পরিবার’-এ। নাটকটি অন্তর্জালে এসেছে জুনে। এতে তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। এদিকে নাম বিভ্রাটের মুখোমুখি সাদিয়া আয়মান। এর মধ্যে অদ্ভুত এক কাণ্ড ঘটে গেছে। আরও একজন আয়মান সাদিক আছেন। পেশায় শিক্ষা ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সে। নামে মিল আছে। একজন সাদিয়া আয়মান, আরেকজন আয়মান সাদিক। নামের এই মিলের কারণে অনেকেই মনে করেন তারা বাস্তবের ভাইবোন কিংবা একই পরিবারের সদস্য। চলার পথে কিংবা বিভিন্ন সময়ে দুজনেই প্রশ্নের সম্মুখীন হন— তারা একই পরিবারের সদস্য কিনা? তাদের ফেসবুক পোস্টের নিচেও এ ধরনের প্রশ্নসূচক মন্তব্য দেখা যায়। যদিও অবাক করার বিষয়— এ দুই আয়মানের মধ্যে এতদিন সরাসরি দেখাই হয়নি! অবশেষে দেখা হলো। সোমবার (১৭ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক পেজে সেই মুহূর্তের ছবি পোস্ট করেছেন সাদিয়া আয়মান। সঙ্গে তিনি লিখেছেন— ‘যে মানুষটির সঙ্গে আমার নামের কারণে এত গুঞ্জন, অবশেষে তার সঙ্গে দেখা হলো। দুই আয়মান, অবশেষে একফ্রেমে।’ সেই ছবিটি পোস্ট করার পর সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে। সাদিয়ার পোস্টে ২০ মিনিটেরও কম সময়ে প্রতিক্রিয়া এসেছে ৪ হাজার। মন্তব্য শতাধিক। বোঝাই যাচ্ছে, দুই আয়মানকে ঘিরে নেটিজেনদের আগ্রহ কতটা প্রবল। দুই আয়মানকে একসঙ্গে দেখে নেটিজেনরা ভীষণ খুশি। এক নেটিজেন পরামর্শ দিয়ে লিখেছেন— ‘আপনারা দুজন ভাইবোন হয়ে যান।' আরেক নেটিজেন লিখেছেন— ‘সামনের দুটো দাঁতেও মিল আছে। পুরাই ভাইবোন লাগে’। অন্য আরেক নেটিজেন লিখেছেন—‘রিউমার আর কী, ভাইবোনই তো ভাবতাম’।
এনবিসির ‘হিরোস’ সিরিজে অভিনয় করে ব্যাপক খ্যাতি পাওয়া হেইডেন প্যানেটিয়েরে মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৩৬ বছর। রোববার হেইডেন প্যানেটিয়েরের প্রতিনিধি এবিসি নিউজ-কে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তার প্রতিনিধি এক বিবৃতিতে বলেন, গভীর শোকের সঙ্গে আমরা আমাদের প্রিয় হেইডেনের মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর জানাচ্ছি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তিনি ছিলেন অসাধারণ এক আলোকবর্তিকা এবং প্রকৃতির এক শক্তিশালী সত্তা, যিনি তাকে যারা চিনতেন তাদের প্রত্যেকের জীবনে অপরিমেয় ভালোবাসা ও আনন্দ এনে দিয়েছেন—এবং পর্দায় তাকে দেখা কোটি কোটি দর্শকের জীবনেও। তার মৃত্যুর কারণ বা কী পরিস্থিতিতে তার মৃত্যু হয়েছে, সে সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। সাবেক এই শিশুশিল্পী ও এক সন্তানের মা সম্প্রতি তার স্মৃতিকথা ‘দিস ইজ মি: এ রেকনিং’-এ শৈশব থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে বেড়ে ওঠা, সন্তান জন্মের পর বিষণ্নতা এবং মাদকাসক্তির সঙ্গে তার লড়াই নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। বইটি মে মাসে প্রকাশিত হয়।