বিশ্ব

পুলিশি বাধায় সংসদ অভিমুখে আর মিছিল করবে না ‘ককরোচ পার্টি’

মোঃ নাহিদ হোসেন জুলাই ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) জানিয়েছে, তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবে, তবে ভবিষ্যতে আর সংসদ অভিমুখে মিছিল করবে না। পুলিশের বাধার মুখে সোমবারের কর্মসূচিতে বহু মানুষ আহত হওয়ার পর এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় সংগঠনটি। খবর রয়টার্সের।

 

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, সোমবার দিল্লিতে সংসদ অভিমুখে মিছিল ঠেকাতে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। দিল্লি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় প্রায় ১৮০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১৮ জন নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ সদস্য এবং ৬০ জন বিক্ষোভকারী রয়েছেন।

 

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, আমরা গতকালের কর্মসূচি বাতিল করেছি, কারণ আমরা আর কোনো তরুণকে আহত হতে দিতে চাই না।

 

তিনি আরও বলেন, পুলিশ আবারও তরুণদের আঘাত করবে, তাই আমরা আর মিছিল করব না।

 

তবে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি। দীপকের দাবি, বর্তমানে ১৫০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে এই সংখ্যা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি রয়টার্স।

 

সোমবার দিল্লি ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো মানুষ সংসদ অভিমুখে মিছিলে অংশ নেন। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে গড়ে ওঠা এই আন্দোলন প্রথমে অনলাইন ব্যঙ্গ প্রচারণা হিসেবে শুরু হলেও পরে বড় আকারের যুব আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

 

আন্দোলনকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছেন। তাদের অভিযোগ, মে মাসে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এদিকে, সোমবারের সংঘর্ষের ঘটনায় ৭০ জনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

 

মঙ্গলবারও দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ বিক্ষোভকারী জড়ো হন। হালকা বৃষ্টির মধ্যেও তারা স্লোগান দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বন্ধ হতে পারে আরেকটি প্রণালি। সংগৃহীত ছবি
সৌদির তেল রপ্তানি বন্ধের শঙ্কা, বাড়তে পারে বিশ্ববাজারে তেলের দাম

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বাব আল-মান্দেব প্রণালি অবরোধের হুমকি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এতে শঙ্কায় পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার।     বিশ্লেষকদের মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ হয়ে গেলে সৌদির তেল রপ্তানি বড় ধরনের বাধার মুখে পড়তে পারে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।     ব্রিটিশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের (আরইউএসআই) জ্যেষ্ঠ গবেষক মাইকেল স্টিফেন্স বলেছেন, সামরিক হামলা চালিয়ে বাব আল-মান্দেব প্রণালিকে পুরোপুরি নিরাপদ করা সহজ হবে না।     স্টিফেন্স বলেছেন, যদি বোমা হামলা চালিয়ে প্রণালিটি সহজে খুলে দেওয়া যেত, তাহলে হরমুজ প্রণালির বর্তমান অচলাবস্থাও থাকত না। বাব আল-মান্দেব এখন আরও বেশি অনিরাপদ।     বিশ্লেষকদের মতে, হুথিদের ঘোষিত অবরোধ কার্যকর হলে সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন থেকে ইয়ানবু বন্দরের মাধ্যমে তেল রপ্তানির পথ কার্যত বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এর ফলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল উৎপাদক দেশটির সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।     এ অবস্থায় সৌদি তেলের ওপর নির্ভরশীল পশ্চিমা ও এশীয় দেশগুলো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও সক্রিয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।     স্টিফেন্স সতর্ক করে বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭০ ডলারে দেখতে চান, বর্তমান পরিস্থিতিতে তা সম্ভব নয়।     ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান সংঘাতের পর অনেক দেশ তাদের কৌশলগত তেল মজুদের বড় অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। ফলে নতুন করে সরবরাহ সংকট দেখা দিলে বৈশ্বিক অর্থনীতি আরও বড় চাপের মুখে পড়তে পারে।

মারিয়া রহমান জুলাই ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বিশ্বজুড়ে কড়াকড়ি

সিকিমে দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত

সিকিমে তিস্তার জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে ধস, ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার

লেবাননের যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকা। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন চুক্তির প্রভাব: জাওতার আল-গারবিয়েহ ছেড়ে সরছে ইসরায়েলি সেনাদল

ছবি : সংগৃহীত
জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে সামরিক মহড়া চালাল চীন

রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (ইইজেড) চীনের একটি যুদ্ধজাহাজ গোলাবর্ষণ মহড়া চালিয়েছে বলে জানিয়েছে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।   বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, জাপানের ইইজেডের ভেতরে চীনের সরাসরি গোলাবর্ষণ মহড়ার ঘটনা এবারই প্রথম প্রকাশ্যে জানালো টোকিও।   প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের ওকিনোটোরি দ্বীপ থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে চীনের লুয়াং-৩ শ্রেণির একটি ক্ষেপণাস্ত্রবিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ এ মহড়া চালায়।   এর আগে রোববার ভোরে ওই দ্বীপ থেকে প্রায় ৩৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে চারটি জাহাজের একটি বহর শনাক্ত করা হয়। বহরটিতে তিনটি চীনা যুদ্ধজাহাজ এবং একটি রুশ নৌবাহিনীর ফ্রিগেট ছিল। জাহাজগুলো উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছিল।   জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, চীনের গোলাবর্ষণ মহড়ার সময় রুশ ফ্রিগেটটিও কাছাকাছি অবস্থান করছিল। ঘটনার পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি জোরদার করতে ওই এলাকায় একটি নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করেছে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুলাই ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

পুলিশি বাধায় সংসদ অভিমুখে আর মিছিল করবে না ‘ককরোচ পার্টি’

ছবি : সংগৃহীত

নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ানকে আরও শক্তিশালী করা হবে: ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত

একাধিকবার প্রবেশের সুযোগসহ ১ বছরের ওমরাহ ভিসা চালু করল সৌদি আরব

জোহরান মামদানি।
নেতানিয়াহু নিউ ইয়র্কে এলে গ্রেপ্তারের আইনি পথ খুঁজছেন মেয়র মামদানি

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যদি আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্ক সফর করেন, তাহলে তাকে গ্রেপ্তার করার মত কোনো আইনি এখতিয়ার নিউ ইয়র্ক নগর প্রশাসনের আছে কি না, তা খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন শহরের মেয়র জোহরান মামদানি। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের আদেশের প্রসঙ্গ টেনে তিনি নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর স্থান হেগে (আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত) হওয়া উচিত।” মেয়র বলেন, “তিনি একজন যুদ্ধাপরাধী, যার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) অভিযোগ এনেছে। “আর আপনি দেখবেন, গত কয়েক বছরে তার কর্মকাণ্ড যে পরিণতি ডেকে এনেছে, সে কারণে অনেকেই এমন মত পোষণ করেন।” মামদানি বলেন, কোনো বিদেশি নেতাকে গ্রেপ্তারে নিউ ইয়র্ক পুলিশকে নির্দেশ দেওয়ার এখতিয়ার তার আছে কি না, তা যাচাই করতে আইন বিভাগের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ হচ্ছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসকে তিনি বলেন, “আইন আমাকে যা করার অনুমতি দেয়, আমরা সেটাই করব। তবে সেজন্য আমরা নতুন কোনো আইন তৈরি করব না।” মামদানি এর আগে তার নির্বাচনি প্রচারের সময় নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেছিলেন, গাজায় আগ্রাসনের জেরে নেতানিয়াহুর ওপর আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে, নির্বাচিত হলে সে অনুযায়ী ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ তিনি পুলিশকে দেবেন। মামদানি এবং জাতিসংঘের একটি কমিশন গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে বর্ণনা করে আসছেন। তবে সম্প্রতি এক রেডিও সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য গ্রেপ্তারের বিষয়টি উড়িয়ে দেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, এ নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন। বরং তিনি মামদানির বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে হামলা করার পরই গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। রেডিও হোস্ট সিড রোজেনবার্গকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, “আমার মনে হয়, তার দেখা উচিত সে কার নিন্দা করছে আর কার প্রশংসা করছে।” তিনি এও বলেন, “তিনি ইসরায়েলের নিন্দা করছেন, যেটি একমাত্র গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে আমেরিকার মূল্যবোধের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এবং সত্যি বলতে আমার মনে হয়, তিনি মনে মনে আমেরিকাকে ঘৃণা করেন।” জাতিসংঘে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন মামদানির বিরুদ্ধে নিউ ইয়র্ক সিটিতে বাড়তে থাকা ইহুদি-বিদ্বেষ মোকাবিলায় যথাযথ ভূমিকা না রাখার অভিযোগ এনেছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অভিযোগ অস্বীকার করে মামদানি বলেছেন, তার প্রশাসন ঘৃণা ছড়ানোর অপরাধ দমনে সিটির বিশেষ দপ্তরের বাজেট বা অর্থায়ন বাড়িয়েছে। মামদানি ইসরায়েলের ওপর হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন, একইসঙ্গে ইসরায়েলের সমালোচনা করাকে তার রাজনৈতিক প্রচারের অন্যতম অংশ করে তুলেছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, মামদানির ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা বলছেন, তিনি ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকে তার প্রজন্মের অন্যতম প্রধান নৈতিক লড়াই হিসেবে দেখেন।

মারিয়া রহমান জুলাই ২০, ২০২৬
বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছে নৌ চলাচল। ছবি: রয়টার্স

রেড সি রুটে নতুন উত্তেজনা, সৌদির বিরুদ্ধে হুতিদের নৌ-অবরোধ

ছবি - সংগৃহীত

লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও অর্থনীতি রক্ষায় সহযোগিতার আশ্বাস সৌদির

ছবি: সংগৃহীত

ওয়াংচুককে সরানোর পর আরও উত্তাল বিক্ষোভ

0 Comments