জাতীয়

পৃথক হলো দেশের বিচার বিভাগ

মোঃ ইমরান হোসেন নভেম্বর ৩০, ২০২৫

বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিচার বিভাগ সম্পূর্ণভাবে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক হলো।

 

রবিবার (৩০ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির নির্দেশে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই অধ্যাদেশ জারি করে।

এর আগে, গত ২০ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এই অধ্যাদেশের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করে।

বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রধান বিচারপতির উদ্যোগে ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট থেকে একটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। সেই প্রস্তাবে সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের যথাযথ তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। এছাড়া প্রস্তাবে অধ্যাদেশের খসড়া, প্রস্তাবিত সচিবালয়ের অর্গানোগ্রাম এবং রুলস অব বিজনেস ও অ্যালোকেশন অব বিজনেস সংস্কারের সম্ভাব্য খসড়াও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

 

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারির মাধ্যমে বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা আজ বাস্তবে রূপ পেল।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সংগৃহীত ছবি
মধ্যরাত পর্যন্ত সারা দেশে গ্যাসের চাপ কম থাকবে : তিতাস

এলএনজি সরবরাহের একটি এফএসআরইউর জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ জনিত কারণে শনিবার গ্যাসের কম থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। শনিবার (১৩ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের একটি ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটের (এফএসআরইউ) জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ জনিত কারণে এলএনজি হতে প্রাপ্ত গ্যাস সরবরাহ কম থাকবে। এর ফলে আজ (শনিবার) মধ্যরাত পর্যন্ত তিতাস গ্যাস কম্পানির অধিভুক্ত এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের কাছে স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে।   গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

মারিয়া রহমান জুন ১৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

বৈদ্যুতিক ঠিকাদারী লাইসেন্স কার্যক্রমকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে অনলাইনে আবেদন আহ্বান

ছবি : সংগৃহীত

নিত্যপণ্যের দাম কমানো হলেও বিরোধী দল বাজেট নিয়ে সমালোচনা করছে: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

ব্যাংক হিসাব খোলাসহ ৭ সেবায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব

ছবি: সংগৃহীত
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের নয়, প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে: শিশির মনির

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়নি বলে দাবি করেছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হাসপাতালের পরিবর্তে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল করেছে।   শুক্রবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, হাসপাতালের লাইসেন্স নম্বর এইচএসএম-৪৩১০০৫৮ বহাল রয়েছে, তবে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স নম্বর এইচএসএম-৪৩১০০৫৯ বাতিল করা হয়েছে।   শিশির মনির বলেন, হাসপাতাল পরিচালনার জন্য পৃথক লাইসেন্স এবং প্যাথলজি সেন্টার পরিচালনার জন্য পৃথক লাইসেন্স রয়েছে। হাসপাতালের লাইসেন্সে ‘হাসপাতাল বা ক্লিনিক স্থাপন ও পরিচালনা’ এবং প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্সে ‘প্যাথলজি সেন্টার স্থাপন ও পরিচালনা’ উল্লেখ রয়েছে।   তিনি আরও দাবি করেন, গত ৪ জুন জারি করা কারণ দর্শানোর নোটিশে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স নম্বর উল্লেখ করা হয়েছিল এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। পরে অতিরিক্ত সময় চেয়ে জবাব দাখিল করা হয়।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, হাসপাতালের লাইসেন্স ও প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার অবহেলার ফল নাকি পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে—তা সংশ্লিষ্টদের বিবেচনার বিষয়।   তিনি বলেন, হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে বলে যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা নথিপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ বিষয়ে সঠিক তথ্য যাচাই করে প্রচারের আহ্বানও জানান তিনি।   উল্লেখ্য, সম্প্রতি আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ ও আলোচনার পর লাইসেন্স সংক্রান্ত বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নেপালে বাংলাদেশের ‘ম্যাংগো ডিপ্লোমেসি’, বিশিষ্টজনদের কাছে পৌঁছাল ১,৭৫০ কেজি আম

ছবি: সংগৃহীত

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি ধন্যবাদ জানাল সচিবালয় কর্মচারীরা

ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম কক্সবাজার সফরে তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত
আজ কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প

এক দিনের সফরে আজ কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।   আতিকুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার বিমানযোগে কক্সবাজার যাবেন। কক্সবাজার নেমে সড়কপথে চকরিয়ায় পিএমখালীতে পাতলী খাল পুনঃখনন, মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। রাতের ফ্লাইটেই তিনি ঢাকায় ফিরবেন।’   সম্ভাব্য সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৩ জুন সকালে বিমানযোগে কক্সবাজার পৌঁছবেন। তিনি সকাল ১০টায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত সদরের পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলি খাল পুনঃখনন কার্যক্রম পরিদর্শন ও পথসভায় বক্তব্য রাখবেন। দুপুর ১২টায় ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করবেন। সোয়া ১২টায় মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।   সোয়া ১টায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কক্সবাজারের প্রথম শহীদ, পেকুয়ার সন্তান শহীদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর বেলা দেড়টায় প্রধানমন্ত্রী নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। পরে দুপুর ২টায় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করবেন। পরে তারেক রহমান পেকুয়ায় সাঈদ মঞ্জিলে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন।   বিকেল ৪টায় তিনি চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার। চকরিয়া জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে কক্সবাজার গিয়ে সন্ধ্যা ৭টায় মেরিন ড্রাইভ সড়ক হয়ে সাগর সৈকত ঘুরে দেখবেন। রাত ৮টায় হোটেল লং বিচ অডিটরিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। সর্বশেষ রাত ১০টায় তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে বিমানযোগে কক্সবাজার ছেড়ে যাবেন। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে কেন্দ্র করে জেলায় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি এবং উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজারের সদর, চকরিয়া, পেকুয়ায় আগমনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বিএনপি। ওই দিন বিকেল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে অনুষ্ঠিতব্য জনসভাকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজার সফর সরাসরি তদারকি করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দুইদিনের সফরে শুক্রবার (১২ জুন) কক্সবাজার রয়েছেন।   এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় কক্সবাজার পৌঁছেছেন সরকারের ৬ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। তারা কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান দলীয় নেতাকর্মীরা।   প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে কক্সবাজারে অবস্থান করা ৬ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ভূমি ও পার্বত্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৩, ২০২৬

পুশইন’ সমস্যা কূটনৈতিকভাবে সমাধানে কাজ চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আজকের কিশোররাই বাংলাদেশকে উন্নত করবে: মাসুদ সাঈদী

ছবি: সংগৃহীত

ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0 Comments