বিশ্ব

ফিলিপাইনে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সিনেটে গুলির ঘটনায় চাঞ্চল্য

মোঃ ইমরান হোসেন মে ১৩, ২০২৬
পরিস্থিতি দ্রুতই উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। ছবি : সংগৃহীত
পরিস্থিতি দ্রুতই উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিপাইনের সিনেট ভবনে গুলির শব্দ শোনা গেছে। এ সময় সেখানে উপস্থিত লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরিস্থিতি দ্রুতই উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। তবে কে বা কারা গুলি চালিয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খবর রয়টার্সের।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সেনাবাহিনীর পোশাক পরা ১০ জনের বেশি সদস্য সিনেট ভবনে প্রবেশ করেন। তাদের কয়েকজনের হাতে ছিল অ্যাসল্ট রাইফেল।

সেনাসদস্যদের সেখানে মোতায়েনের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। এ বিষয়ে সামরিক কর্মকর্তাদের মন্তব্যও পাওয়া যায়নি। ভবনের ভেতরে অন্য কোনো নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ছিলেন কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।

এই ঘটনার মধ্যে দেশটির সিনেটর রোনাল্ড দেলা রোসা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দাবি করেন, তাকে শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রকাশ করার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তার দিকে এগিয়ে আসছে।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রেসিডেন্ট দুতার্তের মাদকবিরোধী অভিযানে হাজারো মানুষ নিহত হওয়ার অভিযোগে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। এ নিয়ে আইসিসি দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত চালিয়ে আসছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। ছবি : সংগৃহীত
এরদোয়ানের প্রশংসায় ট্রাম্প: ‘আমার অনুরোধে যুদ্ধে জড়াননি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ইরানের পক্ষে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারতেন, কিন্তু তার অনুরোধে তিনি সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। আর এরজন্য এরদোয়ানের প্রশংসা করে তাকে মহান নেতা বলেছেন ট্রাম্প। দিয়েছেন উপহারের প্রতিশ্রুতি।   বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য জেরুজালেম পোস্ট।   হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, এরদোয়ান ইরানের পক্ষে যুদ্ধে নামার অন্যতম সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন। কারণ তিনি ইসরায়েলের বড় ভক্ত নন। আমি তাকে বাইরে থাকতে বলেছিলাম। তাই তিনি যুদ্ধের বাইরে ছিলেন।   এরদোয়ানের প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, তিনি একজন মহান নেতা, অত্যন্ত শক্তিশালী ব্যক্তি। আমি তার কাছে যা চেয়েছি, তিনি সবই করেছেন।   আগামী ন্যাটো সম্মেলনকে সামনে রেখে তুরস্কের জন্য বড় ধরনের অস্ত্র বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, সম্ভবত আমি এমন কিছু করব, যা তাকে খুবই খুশি করবে।   তবে তুরস্ক কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ইঙ্গিত দেয়নি যে তারা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতে সরাসরি অংশ নিতে যাচ্ছে। বরং যুদ্ধ চলাকালে ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া দেশগুলোর মধ্যেও তুরস্ক ছিল।   সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চলতি মাসে জেরুজালেমকে মুক্ত করার আহ্বান জানান। এছাড়া এরদোয়ান অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের আগ্রাসন পুরো বিশ্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলা তুরস্কের নিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকি তৈরি করছে।   একসময় মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক গত এক দশকে ক্রমেই অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর শুরু হওয়া গাজা যুদ্ধের পর দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছায়।   এদিকে তুরস্ককে অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির সম্ভাবনা নিয়ে হোয়াইট হাউসে আলোচনা হয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আইনি শর্ত পূরণ হলে বিষয়টি এগোতে পারে।   উল্লেখ্য, রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে ২০১৯ সালে তুরস্ককে এফ-৩৫ কর্মসূচি থেকে বাদ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন আইন অনুযায়ী, এস-৪০০ ব্যবস্থা বজায় রেখে তুরস্ক এফ-৩৫ প্রকল্পে ফিরতে পারবে না।   তবে তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাক বলেছেন, ট্রাম্প ও এরদোয়ানের ব্যক্তিগত সুসম্পর্কের কারণে এফ-৩৫ ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

মারিয়া রহমান জুন ২৫, ২০২৬
প্রতীকী ছবি

জব্দকৃত সম্পদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মানবে না ইরান

ছবি : সংগৃহীত

ভূমিকম্পের আগেই সতর্কবার্তা, ভেনেজুয়েলায় হাজারো প্রাণ বাঁচাল গুগল

ছবি : সংগৃহীত

ইউরোপে এল নিনোর প্রভাব কতটা পড়ছে, জানালেন বিশেষজ্ঞরা

ছবি: সংগৃহীত
বজ্রপাতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ সদস্য নিহত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে টহল দেওয়ার সময় বজ্রপাতে এক বিএসএফ (বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স) সদস্য নিহত হয়েছেন।   নিহত ভিনীত কুমার দুবে (৪৬) বিএসএফের ৭১ ব্যাটালিয়নের একজন হেড কনস্টেবল ছিলেন। তিনি উত্তর প্রদেশের কান্নৌজ জেলার বাসিন্দা এবং মুর্শিদাবাদের বাবুরা ঘাট সীমান্ত চৌকিতে কর্মরত ছিলেন।   মঙ্গলবার রাতে প্রবল বৃষ্টি, ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের মধ্যে তিনি মিঠিপুর এলাকার অরক্ষিত সীমান্ত অংশে টহল দিচ্ছিলেন। সীমান্তের শূন্যরেখার (জিরো লাইন) কাছে খোলা আকাশের নিচে দায়িত্ব পালন করার সময় বজ্রপাতের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন।   সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ক্যাম্পে এবং পরে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   এর আগে একই দিন মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান এলাকায় গঙ্গা নদী পার হওয়ার সময় বজ্রপাতে আরও চারজনের মৃত্যু হয় এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন।   সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইরান আলোচনায় উপসাগরীয় মিত্রদের স্বার্থ রক্ষার আশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রের

ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সে প্রচণ্ড গরম, পানিতে নেমে ৪০ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন ডলারে তেল বিক্রি করতে পারে ইরান : যুক্তরাষ্ট্র

তীব্র গরমেও ইউরোপে কেন এসি এত বিরল

ইউরোপজুড়ে সম্প্রতি ঘন ঘন তীব্র তাপপ্রবাহ আঘাত হানছে, যার ফলে রেকর্ড ভাঙা গরমে নাকাল হচ্ছেন লাখ লাখ মানুষ। কিন্তু এই তীব্র গরমেও ইউরোপের বাড়িগুলোতে এসি বা এয়ার কন্ডিশনার দেখা যায় খুবই কম। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৯০ শতাংশ বাড়িতে এসি রয়েছে, সেখানে ইউরোপে এই হার মাত্র ২০ শতাংশের কাছাকাছি। বেশির ভাগ ইউরোপীয় বৈদ্যুতিক ফ্যান, আইস প্যাক কিংবা ঠান্ডা পানিতে গোসল করেই এই অসহ্য গরম পার করছেন।   ধনী ইউরোপীয় দেশগুলোর এসি ব্যবহারে এই অনিহার পেছনে কিছু ঐতিহাসিক ও কাঠামোগত কারণ রয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার কর্মকর্তা ব্রায়ান মাদারওয়ে জানান, ইউরোপে ঐতিহ্যগতভাবেই এসির চল নেই, কারণ এতদিন এর কোনও প্রয়োজনই ছিল না। ফলে এসিকে প্রয়োজনীয় জিনিসের চেয়ে বিলাসিতা হিসেবেই দেখা হতো। তা ছাড়া ইউরোপে জ্বালানি খরচ যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি, কিন্তু গড় আয় কম। ফলে এসির খরচ চালানো অনেকের সাধ্যের বাইরে।   এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে স্থাপত্যশৈলীও। দক্ষিণ ইউরোপের কিছু দেশের বাড়িগুলোর দেয়াল বেশ পুরু এবং জানালা ছোট, যা প্রাকৃতিকভাবে ঘর ঠান্ডা রাখে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের মতো দেশে অনেক বাড়ি ১৯০০ সালের আগে তৈরি, যেখানে সেন্ট্রাল কুলিং সিস্টেম বসানো বেশ কঠিন।   যুক্তরাজ্যের এয়ার কন্ডিশনার কোম্পানি’র পরিচালক রিচার্ড স্যালমন জানান, ঐতিহ্যবাহী বা সংরক্ষিত ভবনের বাইরের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার অজুহাতে কর্তৃপক্ষ প্রায়ই এসি বসানোর অনুমতি দেয় না।   এর পেছনে পরিবেশগত নীতিও বড় কারণ। ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপ ‘জলবায়ু নিরপেক্ষ’ হওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে। এসি প্রচুর বিদ্যুৎ অপচয় করে এবং ঘরের ভেতরের গরম বাতাস বাইরে ছাড়ে।   এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্যারিসে এসির ব্যবহারের কারণে বাইরের তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। পরিবেশ সুরক্ষায় ২০২২ সালে স্পেন সরকারি স্থানে এসি ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামানো নিষিদ্ধ করেছিল।   তবে বিশ্ব গড়ের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে উত্তপ্ত হতে থাকা ইউরোপের মানুষের মনোভাব এখন পাল্টাচ্ছে। শেষ ৫ বছরে এসির চাহিদা তিন গুণের বেশি বেড়েছে। ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে এসির সংখ্যা বেড়ে ২৭৫ মিলিয়নে দাঁড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক রাধিকা খোসলা সতর্ক করেছেন, এসি সাময়িক স্বস্তি দিলেও এর জন্য ব্যবহৃত জীবাশ্ম জ্বালানি বৈশ্বিক উষ্ণতা আরও বাড়িয়ে এক দুষ্টচক্রের সৃষ্টি করছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো পরিবেশের ক্ষতি না করে কার্যকর কুলিং সিস্টেমের সঠিক নীতিমালা তৈরি করা।   সূত্র: সিএনএন

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় পরপর শক্তিশালী ভূমিকম্প, ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা

নরেন্দ্র মোদি ও আয়াতুল্লাহ খামেনি। ছবি : সংগৃহীত

খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় মোদিকে আমন্ত্রণ ইরানের

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি : সংগৃহীত

পারমাণবিক শক্তির ভারসাম্যই শান্তি বজায় রেখেছে : রাশিয়া

0 Comments