স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের স্থাপত্য বিভাগে পুনরায় যোগদান করেছেন স্থপতি, গবেষক ও কণ্ঠশিল্পী বুশরা শাহরিয়ার। নগর স্থিতিস্থাপকতা ও বন্যা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে তাঁর দীর্ঘ গবেষণা ও একাডেমিক অভিজ্ঞতা যেমন স্বীকৃত, তেমনি সংগীতাঙ্গনেও তিনি সুপরিচিত একটি নাম।
এর আগে ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের স্থাপত্য বিভাগে প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় স্নাতক পর্যায়ে পাঠদান, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক মেন্টরিং এবং পাঠ্যক্রম উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ভারতের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, রুর্কি থেকে নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর অসামান্য একাডেমিক কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি সেখানে পূর্ণাঙ্গ বৃত্তি লাভ করেন।
জানা গেছে, ২০১৯ সাল থেকে তিনি আইআইটি রুর্কিতে পূর্ণকালীন পিএইচডি গবেষক হিসেবে গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় ‘ঢাকার কমিউনিটি-ভিত্তিক বন্যা স্থিতিস্থাপকতা’।
বর্তমানে তিনি পিএইচডি গবেষণার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছেন এবং থিসিস জমাদানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
বুশরা শাহরিয়ারের গাওয়া ‘উৎসবের বাংলাদেশ’, ‘খেলাধুলার বাংলাদেশ’, ‘একশো নালিশ’, ‘তোমায় যদি’ এবং ‘গল্প হবেই আয়’সহ একাধিক গান শ্রোতামহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না। একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন। গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে। জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে। কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে। প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে। আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’ সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না। এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।
নিউইয়র্কের জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের প্রথম আসরে নির্মাতা আসাদুজ্জামান সবুজ পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নিখোঁজ (Lost)’ অর্জন করেছে **শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র (Best Short Film) ও শ্রেষ্ঠ পরিচালক (Best Director) পুরস্কার। বাংলা ভাষার চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই উৎসবে বাংলাদেশের ও বাংলা ভাষায় নির্মিত বিভিন্ন চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। পাশাপাশি চলচ্চিত্রের বিভিন্ন শাখায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। ‘নীলচে দিন’ ছোটগল্প থেকে অনুপ্রাণিত ১৩ মিনিট দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র ‘নিখোঁজ (Lost)’ একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনে ঘটে যাওয়া রহস্যময় ঘটনার প্রেক্ষাপটে নির্মিত। মানবিক সম্পর্ক, নীরবতা, অপরাধবোধ এবং অদৃশ্য সত্যের অনুসন্ধান—এই চারটি বিষয়কে চলচ্চিত্রটি সংবেদনশীল ও নান্দনিক ভাষায় উপস্থাপন করেছে। চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন আসাদুজ্জামান সবুজ। প্রযোজনা করেছেন মো. জি. রাব্বানী। এতে অভিনয় করেছেন শাহেদ আলী, ফারিহা শামস সেঁওতি, রিপা রঞ্জনা, অপু আহমেদসহ আরও অনেক শিল্পী। পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি জানিয়ে নির্মাতা আসাদুজ্জামান সবুজ বলেন, ‘যেকোনো স্বীকৃতি একজন নির্মাতার জন্য আনন্দের এবং ভালো কাজ করার প্রেরণা। এই সম্মাননার জন্য আমি উৎসবের আয়োজক, সম্মানিত জুরি বোর্ড এবং দর্শকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’ প্রযোজক মো. জি. রাব্বানী বলেন, ‘এই অর্জন শুধু ‘নিখোঁজ’ চলচ্চিত্রের নয়; এটি বাংলা ভাষার স্বাধীন মৌলিক গল্পের জন্যও অনুপ্রেরণা। আমাদের আরও সাহিত্যনির্ভর ভালো ছবি নির্মাণ করতে হবে।’ উৎসবের আয়োজকরা জানান, বাংলা সংস্কৃতি ও বাংলা ভাষার চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাওয়াই এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে উৎসবে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, তথ্যচিত্র এবং পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র—এই তিনটি বিভাগে প্রদর্শনী ও পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। উৎসবটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিল আমেরিকান বাংলাদেশী প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন (ABPA)।
ঢালিউডের একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর অনেক বছর ধরেই অভিনয়ে অনিয়মিত। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় তিনি। নিয়মিতই নিজের নতুন ছবি, ব্যক্তিগত মুহূর্ত এবং জীবনের নানা ভাবনা-অনুভূতি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে চারটি নতুন ছবি পোস্ট করেন এই অভিনেত্রী। কমলা রঙের স্টাইলিশ ব্লেজারে ক্যামেরাবন্দি শাবনূরের হাস্যোজ্জ্বল উপস্থিতি ভক্তদের দৃষ্টি কাড়ে। ছবিগুলোর পেছনে ছিল রঙিন ফুলের মনোরম সাজ, যা তার লুককে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। ছবিগুলোর সঙ্গে একটি অর্থবহ বার্তাও শেয়ার করেন তিনি। শাবনূর লেখেন, ‘বিবেচনাহীন মানুষ যেমন না ভেবে যা খুশি বলে, তেমনি অবিবেচক মানুষ যাচাই না করেই তা বিশ্বাস বা গ্রহণ করে।’ তার এ পোস্টটিতে অধিকাংশ ভক্তই অভিনেত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন এবং মন্তব্যের ঘরে তার প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থনের বার্তা জানান। কেউ আবার শাবনূরের প্রশংসায় লিখেছেন, তুমি হাজার ফুলের মাঝে একটি গোলাপ, তুমি হাজার তাঁরার মাঝে একটি যে চাঁদ, তুমি হাজার নায়িকার মাঝে একটি যে নাম শাবনূর, শাবনূর, শাবনূর। একজন ভক্ত লিখেছেন, দূর কে কি বলবে বলুক, আমরা জানি শাবনূর আপু অনেক ভালো মানুষ। প্রায় দুই বছর আগে ‘রঙ্গনা’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে ফেরার ঘোষণা দিয়েছিলেন শাবনূর। তবে সিনেমাটির কাজ শেষ হয়নি। এরই মধ্যে সিনেমার কিছু অসম্পাদিত ফুটেজ ও শুটিং ক্লিপ প্রকাশ্যে এলে তা নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে নতুন কোনো চলচ্চিত্রে এখনও দেখা যায়নি জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে।
ঢাকাই সিনেমার কুইন খ্যাত অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। সাবলীল অভিনয়ে দর্শকের মন জয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিয়মিত নিজের নতুন নতুন ছবি ও স্টাইলের মাধ্যমে নজর কাড়তে দেখা যায় তাকে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজকীয় লুকে একগুচ্ছ আকর্ষণীয় ছবি শেয়ার করে ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন এই অভিনেত্রী। ছবিগুলোতে ঐতিহ্যবাহী অলঙ্কার ও সোনালি রঙের মেটালিক শাড়ির সাজে নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে ক্যাপশনে অপু বিশ্বাস তার পেছনের কারিগরদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। স্টাইলিস্ট মাহফুজ কাদরীর প্রশংসা করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘আজকের এই লুকের প্রতিটি সূক্ষ্ম ছোঁয়া, প্রতিটি ডিটেইল আর প্রতিটি সৌন্দর্যের পেছনে রয়েছে আমার অসাধারণ স্টাইলিস্ট মাহফুজ কাদরীর নিবেদন, রুচি আর শিল্পীসত্তা।’ এরপর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে অভিনেত্রী লেখেন, ‘আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকেই নতুন করে আবিষ্কার করার অনুভূতিটা সত্যিই ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। সৌন্দর্য যখন সঠিক হাতে ধরা দেয়, তখন সেটাই হয়ে ওঠে শিল্প।’ ছবিগুলোতে অপু বিশ্বাসের পোজ, চোখের চাহনি এবং আভিজাত্যের ছোঁয়া ভক্ত-অনুরাগীদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ফটোশুট প্রকাশের পর থেকেই ভক্ত-অনুরাগীরা মন্তব্যের ঘরে তার সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব ও রুচিশীল উপস্থাপনার প্রশংসা করছেন।