জাতীয়

নির্বাচন উৎসবমুখর করতে সেনাবাহিনীর সহায়তা দরকার : প্রধান উপদেষ্টা

আক্তারুজ্জামান নভেম্বর ১৯, ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও আনন্দময় করে তুলতে সেনাবাহিনীর সহায়তা প্রয়োজন।

 

আজ (বুধবার) দুপুরে মিরপুর সেনানিবাসের ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড ও স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত কোর্স-২০২৫ গ্র্যাজুয়েশন সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশবাসীর দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত এই নির্বাচনকে সত্যিকার অর্থে একটি শান্তিপূর্ণ উৎসব এবং আনন্দমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত করতে আমাদের সেনাবাহিনীর সহায়তা একান্তভাবে কামনা করছি।

 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর ভূমিকা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং এই কারণে আমি তাদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করি।’

 

এবারের কোর্সে বাংলাদেশ, চীন, ভারত, তুরস্ক, পাকিস্তানসহ বিশ্বের ২৪টি দেশের ৩১১ জন তরুণ সামরিক অফিসার অংশগ্রহণ করেন। কোর্স সম্পন্নকারী অফিসাররা তাদের অর্জিত জ্ঞান ব্যক্তি ও পেশাগত জীবনে কাজে লাগিয়ে দেশের যে কোনো সংকটময় মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা।


 
অনুষ্ঠানে সরকারের উপদেষ্টারা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং তিন বাহিনীর প্রধানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
দুই বছরেও শুরু হয়নি আবু সাঈদ স্মৃতিস্তম্ভ-জাদুঘর প্রকল্প, ভিত্তিপ্রস্তরেই সীমাবদ্ধ উদ্যোগ

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতি সংরক্ষণে ঘোষিত প্রায় এক হাজার ৯০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প দুই বছর পেরিয়েও বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি। তোরণ, জাদুঘর, স্মৃতিস্তম্ভ ও স্ট্রিট মেমোরি স্ট্যাম্প নির্মাণের জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলেও দৃশ্যমান কোনো নির্মাণকাজ শুরু হয়নি।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আবু সাঈদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং ক্যাম্পাসের অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে মেগা প্রকল্পের ঘোষণা দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী। এর অংশ হিসেবে ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটে ‘আবু সাঈদ তোরণ ও মিউজিয়াম’ এবং পার্ক মোড়ে ‘শহীদ আবু সাঈদ স্মৃতিস্তম্ভ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।   ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কর্মকর্তারা এবং শহীদ আবু সাঈদের বাবা মো. মকবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।   তবে দুই বছর পরও প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ আবু সাঈদের স্মৃতিবিজড়িত স্থান দেখতে এলেও সেখানে স্থায়ী কোনো স্মারক বা জাদুঘর না থাকায় তারা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।   শিক্ষার্থীদের একাংশের দাবি, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শহীদ আবু সাঈদের নাম গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হলেও তার স্মৃতি সংরক্ষণের মূল প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রশাসনের আন্তরিকতার ঘাটতি রয়েছে। তাদের মতে, দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু না হলে এটি ইতিহাসের প্রতি অবহেলার শামিল হবে।   অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, প্রকল্পটি এখন সরকারি অনুমোদনের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করছে। পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক এ.টি.জি.এম. গোলাম ফিরোজ জানান, উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) জমা দেওয়া হয়েছে। ইউজিসির অনুমোদনের পর এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন এবং একনেকে উপস্থাপন করা হবে। অনুমোদন মিললেই প্রকল্পের মূল কাজ শুরু হবে।   বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, প্রকল্পটি বর্তমানে সরকারি প্রক্রিয়ায় রয়েছে। আবু সাঈদ গেট ও জাদুঘর নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে এবং শিগগিরই কাজ শুরু হবে।   উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীও আশা প্রকাশ করে বলেন, মেগা প্রকল্পটি ইউজিসিতে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে এটি একনেকে উপস্থাপন করা হবে। বাজেট অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুত বাস্তবায়ন শুরু করা সম্ভব হবে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ০৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এইচএসসি পরীক্ষা: অভিভাবকদের সুবিধায় কেন্দ্রের বাইরে শেড-চেয়ার রাখার নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত

মাগুরায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদ্বোধনে ফাঁকা আসন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে জমল আয়োজন

সংগৃহীত ছবি

জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার পূর্বাভাস এফএফডব্লিউসির

ছবি: সংগৃহীত
২০ বছর পর নতুন ভিসা নীতি করছে সরকার

বিদেশিদের বাংলাদেশে আগমন ও প্রস্থান আরও সহজ ও সুশৃঙ্খল করা; বিদেশি বিনিয়োগ ও দক্ষ মানবসম্পদ আকৃষ্ট করা; পর্যটন খাতকে গতিশীল করা এবং প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তর উৎসাহিত করতে ২০ বছর পর হচ্ছে নতুন ভিসা নীতি। এর খসড়া পর্যালোচনায় অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার ১১তম বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। ভিসা নীতিতে যেসব পরিবর্তন মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ২০০৬ সালের পর এবার নতুন বাস্তবতা বিবেচনায় ভিসা নীতির খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। নতুন নীতিমালায় ৩৪ ধরনের ভিসা ক্যাটেগরি রাখা হয়েছে। যাতে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আগত বিদেশিদের জন্য প্রক্রিয়াটি আরও স্পষ্ট ও সহজ হয়। তবে নিরাপত্তার প্রশ্নে সরকার কোনো ছাড় দিচ্ছে না। আগে যেসব দেশ ভিসা নীতিতে কালো তালিকাভুক্ত ছিল, নতুন নীতিতেও সেই অবস্থান বহাল রাখা হয়েছে। যেসব লক্ষ্য সামনে রেখে নতুন নীতি এদিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন ভিসা নীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো বিদেশিদের বাংলাদেশে আগমন ও প্রস্থান সহজ ও সুশৃঙ্খল করা; বিদেশি বিনিয়োগ, ব্যবসা ও দক্ষ মানবসম্পদ আকৃষ্ট করা; পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পকে উৎসাহিত করা; প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তর নিশ্চিত করা; জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা; পারস্পরিক নীতির ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা করা; আধুনিক, সেবামুখী ও সময়োপযোগী অভিবাসন কাঠামো গড়ে তোলা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, গত ২০ বছরে বৈশ্বিক ভ্রমণ, বিনিয়োগ ও অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এসেছে। ডিজিটাল ভিসা, দক্ষ কর্মী স্থানান্তর, চিকিৎসা ও শিক্ষা ভ্রমণ এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসার সম্প্রসারণের কারণে পুরোনো নীতিমালাকে যুগোপযোগী করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। নতুন নীতিমালা সেই বাস্তবতার প্রতিফলন হতে পারে। দুদক চেয়ারম্যান-কমিশনার পদে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান এদিকে একই দিনে পৃথক এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের লক্ষ্যে গঠিত বাছাই কমিটি আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুদক আইন, ২০০৪-এর ধারা ৮ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আগ্রহীদের ১৩ জুলাই বিকেল ৪টার মধ্যে বাংলাদেশ সচিবালয়ে নির্ধারিত ঠিকানায় আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। যারা ইতোমধ্যে আবেদন বা জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন, তাদের আবার আবেদন করার প্রয়োজন হবে না।

মারিয়া রহমান জুলাই ০৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বান্দরবানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত, গুজব ও অপপ্রচার এড়িয়ে চলার আহ্বান আইএসপিআরএর

ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি হস্তক্ষেপ মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। ছবি: সংগৃহীত

ঢাবির অনার্স প্রোগ্রাম বন্ধের বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান মাহফুজ আলমের

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে চায় সৌদি আরব

বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সৌদি আরব।   ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফের এইচ. বিন আবিয়াহ সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।   বৃহস্পতিবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।     পুলিশ সদর দফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌহার্দ্যপূর্ণ এ বৈঠকে সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ পুলিশের সাথে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, ব্যবসায়িক নিরাপত্তা কৌশল, গুজব ও ভুয়া তথ্য যাচাইসহ মানবপাচার এবং নিরাপত্তা সহায়তা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পারস্পরিক সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।   আইজিপি উভয় দেশের উচ্চ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত ডায়ালগ, উত্তম চর্চা ও তথ্য বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।    তিনি সাইবার নিরাপত্তা, মানবপাচার ও বাংলাদেশ পুলিশের স্বাস্থ্যখাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কমিউনিটি পুলিশিং ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা করেন।   এ সময় বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ০২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে মাহান এয়ারে ইরানে গেলেন স্পিকার

ছবি: সংগৃহীত

বিস্ফোরক ও হত্যাচেষ্টা মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন

ছবি: সংগৃহীত

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর নিয়ে বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধে যানজট

0 Comments