আন্তর্জাতিক

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির শঙ্কায় বাড়ল তেলের দাম

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া  যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

 

মঙ্গলবার গ্রিনিচ মান সময় রাত ১২টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২৭ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯১.১৪ ডলারে উঠেছে। এর আগে আগের সেশনে ব্রেন্টের দাম জুলাইয়ের শেষের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল।

 

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৪২ সেন্ট বেড়ে ৮৫.০৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। দিনের শুরুতে দাম ১ শতাংশেরও বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৫.৩৭ ডলারে উঠেছিল।

 

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ অবসানের কোনো সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসায় তেলের বাজারে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। তেহরান আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর উত্তেজনা বেড়েছে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটনও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে।

 

ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের ওপর পাল্টা নিষেধাজ্ঞার হুমকি ইসরাইলের

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধ ইসরাইলি বসতির ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। এর জবাবে যুক্তরাজ্যের ওপর পাল্টা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার দাবি তুলেছেন ইসরাইলের দুই জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী।   ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ ইসরাইলে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে বের করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কাছে দাবি জানান, ব্রিটেন যেভাবে আর্জেন্টিনার ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ’ দখল করে তেল চুরি করছে, তার প্রতিবাদে যুক্তরাজ্যের ওপর ইসরাইলের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া উচিত।   ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ইসরাইলি অবৈধ বসতির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে ফকল্যান্ড ইস্যুটি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। সূত্র: মিডল ইস্ট আই।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
ফাইল ছবি

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সাবমার্সিবল আটকের দাবি ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের চেয়ে ৩ গুণেরও বেশি বেতন সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিম তীরে বড় ধরনের যুদ্ধের হুঁশিয়ারি ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশসহ কয়েক দেশে ইসরায়েলিদের ভ্রমণে সতর্কতা

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইসরায়েলি নাগরিকদের ওপর হামলার আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল। সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে ইসরায়েলিদের ভ্রমণ ও অবস্থানের বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে সংস্থাটি।   গত রোববার প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় বলা হয়, সামনে ইহুদিদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশে ইসরায়েলিদের লক্ষ্য করে হামলার ঝুঁকি বাড়তে পারে।   ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল সম্প্রতি ইসরায়েলিদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়, ইরান, লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলিদের জন্য নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।   সতর্কবার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালের অক্টোবরে হামাসের হামলার তিন বছর পূর্তি ঘিরে বিভিন্ন দেশে বড় ধরনের বিক্ষোভ হতে পারে। এসব কর্মসূচির কিছু অংশ ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় রূপ নেওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।   ইসরায়েলি নিরাপত্তা সংস্থাটির দাবি, ইউরোপসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ইসরায়েলিদের লক্ষ্য করে হামলার জন্য হামাসের তৎপরতা রয়েছে। একইভাবে আফ্রিকা মহাদেশে ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে হামলার হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের হুতিরা।   যেসব দেশে ঝুঁকি বেশি: জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মূল্যায়নে ইরানের আশপাশের কয়েকটি দেশকে ইসরায়েলিদের জন্য উচ্চঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে আজারবাইজান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।   এ ছাড়া জর্ডান, কাতার, সোমালিল্যান্ড এবং মিসর—সিনাই উপত্যকাসহ—ইসরায়েলিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে সতর্ক করা হয়েছে। এসব দেশে ভ্রমণ না করার পাশাপাশি বর্তমানে অবস্থানরত ইসরায়েলিদের সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   বিমানযাত্রার ক্ষেত্রে এসব দেশে ট্রানজিট থাকলে বিমানবন্দর থেকে বের না হওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।   অন্যদিকে ইরাক, কুর্দিস্তান, ইয়েমেন, ইরান, সিরিয়া, লেবানন ও সৌদি আরবে ইসরায়েলিদের ভ্রমণ আইনগতভাবে নিষিদ্ধ বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল। যৌথ নাগরিকত্বধারীদের ক্ষেত্রেও একই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছে।   এ তালিকায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, লিবিয়া, আলজেরিয়া ও সোমালিয়াকেও ইসরায়েলিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব দেশে ভ্রমণ না করার জন্য ইসরায়েলি নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল।

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

অবৈধ ইসরায়েলি বসতির পণ্যে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে যুক্তরাজ্য

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজে জাহাজ চলাচলে বড় ধস, এক সপ্তাহে কমেছে ২৮%

ছবি: সংগৃহীত

নিরাপত্তার জন্য কেবল যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করা যাবে না : কাতার

ছবি: সংগৃহীত
৩৬ হাজার ফুট ওপরে বিপদ, ইঞ্জিন বন্ধ করে যেভাবে নামল বিমান

৩৬ হাজার ফুট ওপরে উড়ছিল বিমান। গন্তব্য আবুধাবি। হঠাৎ পাইলট দেখতে পান বিমানের এক নম্বর ইঞ্জিনে দ্রুত কমছে তেলের পরিমাণ। একপর্যায়ে তেলের চাপ বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছালে ইঞ্জিনটি বন্ধ করে দেন পাইলট। এরপর গন্তব্যে না গিয়ে বিমান ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটেছে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি বোয়িং ৭৩৭ বিমানে। ভারতের কোচিন থেকে আবুধাবির উদ্দেশে উড্ডয়নের প্রায় ৫০ মিনিট পর বিপত্তি দেখা দেয়। তখন বিমানটি ৩৬ হাজার ফুট উচ্চতায় ছিল।   পাইলট ও সহকারী পাইলট লক্ষ্য করেন, এক নম্বর ইঞ্জিনের তেলের মাত্রা দ্রুত কমছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর ঝুঁকি এড়াতে ইঞ্জিনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর বিমানটির গন্তব্য পরিবর্তন করে কোচিনে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে নিরাপদেই কোচিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বিমানটি। ঘটনার সময় বিমানে কতজন যাত্রী ছিলেন, তা জানা যায়নি। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   এদিকে কয়েকদিন আগেই এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের আরেকটি বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল। দাম্মাম থেকে নয়াদিল্লিগামী একটি বিমানের শৌচাগারে কেবিনকর্মী একটি টিস্যু কাগজে বোম লেখা দেখতে পান। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে পাইলটকে জানানো হয়। এরপর জরুরি ভিত্তিতে বিমানটির গতিপথ পরিবর্তন করে আমদাবাদের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করানো হয়। বিমান অবতরণের পর নিরাপত্তাকর্মীরা সেটিকে মূল টার্মিনাল থেকে দূরে নিয়ে যান। বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলসহ নিরাপত্তাকর্মীরা বিমানে তল্লাশি চালান। ৩২ যাত্রীকে নিরাপদে নামিয়ে টার্মিনাল দুইয়ে নেওয়া হয়।   বিমানের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালিয়েও কোনো বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি। পরে বিমানটিকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। পরপর দুটি ঘটনায় এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বিমানে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলি দূতাবাসের কাছে দুটি ফ্ল্যাট বিক্রির সঙ্গে যেভাবে উঠে এলো মোজতবা খামেনির নাম

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের হামলায় সৌদি জাহাজে ক্ষয়ক্ষতি, ১৬ নাবিককে উদ্ধার করল ওমান

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি ছাত্রীকে নিপীড়নের চেষ্টা, পালাতে গিয়ে ভবন থেকে পড়ে ভারতীয়ের মৃত্যু

0 Comments