বিশ্ব

ইরান ইস্যুতে যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0
ইরানে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের
ইরানে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নৌ অবরোধ (ব্লকেড) বজায় রাখবে।

 

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান তিনি। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ট্রাম্প জানান, তেহরানকে যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি প্রস্তাব দেওয়ার জন্য আরও সময় দিতে যুক্তরাষ্ট্র পরিকল্পিত হামলা স্থগিত রাখছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বুধবার শেষ হওয়ার কথা ছিল।

ট্রুথ স্যোশালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, সামরিক বাহিনীকে অবরোধ চালিয়ে যেতে এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইরান তাদের প্রস্তাব না দেওয়া পর্যন্ত এবং আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হবে।

এদিকে ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরপরই ইরান তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা জানায়, তেহরানের অবস্থান পরে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

আলজাজিরা জানিয়েছে, এ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিরোধিতা করেছিলেন এবং সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে বলে ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন। তবে পরে তিনি অবস্থান পরিবর্তন করেন।

ইরানের কর্মকর্তারা দেশটির বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের তীব্র নিন্দা জানিয়ে এটিকে যুদ্ধের সামিল বলে আখ্যা দেওয়ার পর এ ঘোষণা এসেছে। ফলে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে নির্ধারিত আলোচনায় ইরানের অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, এই অবরোধ যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন এবং সরাসরি ‘যুদ্ধ ঘোষণার সামিল’। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান নিজের স্বার্থ রক্ষা করতে এবং চাপ মোকাবিলা করতে সক্ষম।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে শাহবাজ শরিফ ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
মধ্যরাতে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানালেন শাহবাজ শরিফ

মধ্যরাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। এ সময় তিনি সম্ভাব্য ‘শান্তি চুক্তি’ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে টুইটে একটি পোস্ট করেন তিনি। খবর আলজাজিরার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন শাহবাজ শরিফ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে শরিফ বলেন, আমার পক্ষ থেকে ব্যক্তিগতভাবে এবং ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ অসিম মুনিরের পক্ষ থেকেও, চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এগিয়ে নেওয়ার জন্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর আমাদের অনুরোধ গ্রহণ করায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। তিনি লিখেন, পাকিস্তান একটি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে এবং ইসলামাবাদে নির্ধারিত দ্বিতীয় দফা আলোচনায় একটি পূর্ণাঙ্গ ‘শান্তি চুক্তি’তে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। এর মাধ্য এই সংঘাতের স্থায়ী অবসান ঘটবে। এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নৌ অবরোধ (ব্লকেড) বজায় রাখবে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান তিনি। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ট্রাম্প জানান, তেহরানকে যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি প্রস্তাব দেওয়ার জন্য আরও সময় দিতে যুক্তরাষ্ট্র পরিকল্পিত হামলা স্থগিত রাখছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বুধবার শেষ হওয়ার কথা ছিল। ট্রুথ স্যোশালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, সামরিক বাহিনীকে অবরোধ চালিয়ে যেতে এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইরান তাদের প্রস্তাব না দেওয়া পর্যন্ত এবং আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হবে। এদিকে ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরপরই ইরান তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা জানায়, তেহরানের অবস্থান পরে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।  

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0
ইরানে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

ইরান ইস্যুতে যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

স্থাপনায় ইতালির পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

ইতালির অভিবাসন আইনে বড় পরিবর্তন, আসছে নতুন ‘ইউনিফাইড কোড’

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা, সিদ্ধান্তহীন ইরান

ডানে ছাদে চাষ করা গাঁজা ও বাঁয়ে বসে আছে আটককৃত ইঞ্জিনিয়ার। ছবি : সংগৃহীত
গোপনে ছাদে গাঁজা চাষ, ধরা পড়লেন ইঞ্জিনিয়ার

একটি কথা সমাজে প্রচলন আছে যে, একজন ইঞ্জিনিয়ার তার জীবনে ইঞ্জিনিয়ারিং ছাড়া বাকি সবকিছুই করে। তারই নমুনা এবার দেখা গেল ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের হায়দরাবাদে। রাজ্যটির একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে নিজের বাড়ির ছাদে গাঁজা চাষের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আবগারি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিভাগ।   সোমবার (২০ এপ্রিল) নাচরাম এলাকার ইস্ট গান্ধী নগরের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ মোট ১৭টি গাঁজা গাছ জব্দ করে। পুলিশের মতে, এই গাছগুলো থেকে প্রায় ১০ কেজি গাঁজা উৎপাদন করা সম্ভব। সহকারী কমিশনার আর কিষাণ জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম সি শশীধর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে গাঁজায় আসক্ত ছিলেন এবং তার বেতনের পুরো টাকা মাদকের পেছনেই খরচ করতেন। একপর্যায়ে তিনি তার সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি ছেড়ে দেন। আর্থিক সংকটের কারণে বাইরে থেকে মাদক কিনতে না পেরে নিজের বাড়ির ছাদেই গাঁজা চাষা শুরু করেন। জব্দ করা গাছগুলোর মধ্যে বেশ কিছু গাছে ইতোমধ্যে ফুল এসেছে এবং কোনো কোনোটি প্রায় তিন মিটার পর্যন্ত লম্বা। গ্রেপ্তারের পর শশীধরকে ঘাটকেসর আবগারি স্টেশনে হস্তান্তর করা হয়েছে। সূত্র : দ্য সিয়াসাত ডেইলি

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ইস্যুতে নতুন নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে ইইউ

সের্গেই ল্যাভরভ। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের পক্ষে রাশিয়া, বাড়ছে ভূরাজনৈতিক উত্তাপ

ছবি : সংগৃহীত

বল এখন ইরানের কোর্টে, জানাল পাকিস্তান

বাংলাদেশ ও ভারতের পতাকা। ছবি : সংগৃহীত
অর্থনৈতিক সূচকে ভারতের কাছাকাছি বাংলাদেশ, ছাড়ানোর সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) জানিয়েছে, চলতি বছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ ভারতের চেয়ে বেশি থাকতে পারে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম স্ক্রলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৪ এপ্রিল প্রকাশিত আইএমএফের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপির মূল্য দাঁড়াতে পারে ২ হাজার ৯১১ মার্কিন ডলার। একই সময়ে ভারতের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ হতে পারে ২ হাজার ৮১২ ডলার। উল্লেখ্য, মাথাপিছু জিডিপি একটি দেশের ব্যক্তি প্রতি অর্থনৈতিক উৎপাদনের সূচক। মোট জিডিপিকে জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে এই হিসাব নির্ধারণ করা হয়। আইএমএফের তথ্যে দেখা গেছে, উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলোতে গড় মাথাপিছু জিডিপি প্রায় ৭ হাজার ৫০০ ডলার, যেখানে বৈশ্বিক গড় প্রায় ১৫ হাজার ৬০০ ডলার। এর আগে ২০২৫ সালে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি ছিল ২ হাজার ৬৭৫ ডলার এবং বাংলাদেশের ছিল প্রায় ২ হাজার ৬৩৫ ডলারের কিছু বেশি। তবে ২০২৩ ও ২০২৪ সালেও এই সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে ছিল। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি বেড়ে ৩ হাজার ৭৪ ডলারে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা ৩ হাজার ৪৮ ডলারের বেশি হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে, অন্তত ২০৩১ সাল পর্যন্ত এই সূচকে ভারত এগিয়ে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সামগ্রিক অর্থনীতির আকারে অবশ্য ভারতের অবস্থান অনেক এগিয়ে। ২০২৬ সালে ভারতের মোট জিডিপি প্রায় ৪.১ ট্রিলিয়ন ডলার ধরা হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের জিডিপি হতে পারে প্রায় ৫১০ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফ বছরে দুইবার তাদের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রকাশ করে, যেখানে বৈশ্বিক অর্থনীতির সাম্প্রতিক অবস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রবণতা তুলে ধরা হয়। যদিও সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, পশ্চিম এশিয়ার চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। এর প্রভাবে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৩.২ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের একটি রাস্তায় টহল দিচ্ছে ইসরায়েলি সৈন্যরা। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম নিষ্ঠুর বাহিনী ইসরায়েলি সেনাবাহিনী

যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের পতাকা। ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতি বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পাকিস্তানের আহ্বান

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

‘ইরানকে রক্তপিপাসু’ আখ্যা দিলেন ট্রাম্প

0 Comments