ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি রাজধানীর বিজয়নগরে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। ঘটনার পর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাদির ওপর হামলার সঙ্গে শিবির জড়িত—এমন দাবি ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার এক প্রতিবেদনে জানায়, ‘দশেরলাঠি – Dosherlathi’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে চারটি ভিন্ন গণমাধ্যমের আদলে তৈরি ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে এ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।রিউমর স্ক্যানার জানায়, কালবেলার আদলে তৈরি একটি ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, ওসমান হাদির ওপর হামলায় জামায়াত-শিবির জড়িত। বাংলাদেশ টাইমসের আদলে তৈরি আরেকটি ফটোকার্ডে বলা হয়, হাদির ওপর গুলির ঘটনায় জামায়াত ‘শিশির’ জড়িত থাকতে পারে—এমন কথা জানিয়েছে ডিএমপি। দ্যা ঢাকা ডায়েরির আদলে তৈরি ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, হামলার হুকুমদাতা ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম এবং তারেক রহমানের দেশে আসা ঠেকাতেই এ হামলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরটিভির আদলে তৈরি একটি ফটোকার্ডে বলা হয়, হাদির ওপর গুলি বর্ষণকারীরা জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত—এমন বক্তব্য দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার এবং একই দাবিতে সমাবেশে বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।রিউমর স্ক্যানার জানায়, এসব ভুয়া ফটোকার্ডে প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত সম্মিলিতভাবে ৬৬ হাজারের বেশি রিয়্যাক্ট পড়েছে এবং ১৩ হাজারের বেশি বার পোস্টগুলো শেয়ার করা হয়েছে।তবে রিউমর স্ক্যানারের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় কালবেলা, বাংলাদেশ টাইমস, দ্যা ঢাকা ডায়েরি ও আরটিভি—এই কোনো গণমাধ্যমই এমন কোনো ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি। বাস্তবে, সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোর ফটোকার্ড ডিজাইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নকল ফটোকার্ড তৈরি করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে।প্রতিবেদনের শেষে রিউমর স্ক্যানার জানিয়েছে, চারটি ভিন্ন গণমাধ্যমের নামে ভুয়া ফটোকার্ড তৈরি করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হয়েছে। ‘দশেরলাঠি – Dosherlathi’ নামের ফেসবুক পেজটি ২০২৩ সালের ২০ এপ্রিল চালু হয় এবং এরপর থেকে নাম পরিবর্তন করা হয়নি। ফলে, ওসমান হাদিকে নিয়ে শিবিরকে জড়িয়ে ওই পেজ থেকে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানোয়াট বলে নিশ্চিত করেছে রিউমর স্ক্যানার।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
ময়মনসিংহের ভালুকায় মাদক কারবারির অভিযোগে এক যুবক ও তার মাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের আওলাতলী মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়ার পর আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ একত্রিত হন। পরে আওলাতলী গ্রামের বাসিন্দা পারভেজ মিয়া (২৫) এবং তার মা পারভীন আক্তারকে আটক করে ভালুকা মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ জানায়, পারভেজের বাবা জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ভালুকা মডেল থানায় পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে। প্রায় এক মাস আগে তাকে একটি মাদক মামলায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। একাধিকবার সতর্ক করার পরও তারা এ কার্যক্রম বন্ধ না করায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মা-ছেলেকে হেফাজতে নেয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে পুলিশের আগমনের আগেই বিক্ষুব্ধ জনতা বাড়িটিতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং পরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে তিনটি আধাপাকা বসতঘর, চারটি টিনশেড ঘর, একটি রান্নাঘর এবং একটি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাস্থলে থাকা কিছু মাদকও আগুনে পুড়ে গেছে। আওলাতলী মধ্যপাড়া জামে মসজিদের ইমাম শফিকুল ইসলাম বলেন, মাদকবিরোধী অবস্থানের অংশ হিসেবে এলাকাবাসী একত্রিত হয়েছিল। তবে বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি পরে ঘটে। ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা-ছেলেকে আটক করে এবং তাদের কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। তিনি জানান, পুলিশের পৌঁছানোর আগেই জনতা বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে এবং আটক দুজনের বিরুদ্ধে আগের কোনো মামলা রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।
বিএনপি সংবিধান সংশোধন করতে চায় বলে জানিয়েছে দলটির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি দাবি করেন, বিএনপি কখনও সংবিধান সংস্কারের কথা বলেনি। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণসভায় এই কথা জানান তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, 'আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করব। প্রত্যেকটি অক্ষর আমরা পালন করব। এটা হচ্ছে আমাদের কমিটমেন্ট।' সংবিধান সংস্কার বা সংশোধন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, 'আমরা বরাবরই বলে এসেছি, আমরা সংবিধান সংশোধন করতে চাই। আমরা সংবিধান সংস্কারের কথা কখনোই বলিনি।' তিনি বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলন দীর্ঘকাল ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যে লড়াই হয়েছে সেই লড়াইয়ের ফলশ্রুতি। বিরোধীদলের অনেকে বিভিন্ন রকম মুখরোচক কথা বলে জনগণকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করছেন বলে দাবি করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
দেশের যুবসমাজকে শুধু দক্ষ করে তুললেই হবে না, তাদের নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সমাজে নীতি-নৈতিকতা ও মূল্যবোধের ঘাটতি ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। শিশু-কিশোরদের কথাবার্তা ও আচরণেও উগ্রতার প্রবণতা বাড়ছে। এ বাস্তবতায় দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের পাশাপাশি নৈতিকতা বিষয়ে একটি পৃথক সেশন অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের দাবি। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন ‘ইকোনমিক অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ফর নিট (আর্ন) (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের সার্ভিস প্রোভাইডার নিয়োগের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) আমেনা বেগম। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে প্রকৃত অর্থে নৈতিক শিক্ষা প্রায় অনুপস্থিত। তাই নিয়মিত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি যদি এই প্রকল্প দেশের যুবক-যুবতীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, তবে সেটিই হবে প্রকল্পটির সবচেয়ে বড় সাফল্য। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী যুবসমাজকে কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করাই অন্যতম অগ্রাধিকার। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আর্ন প্রকল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৯ লাখ নীট যুবক-যুবতীকে, যার মধ্যে ৬০ শতাংশই নারী, বাজারের চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ ও স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি দেশের সৃজনশীল শিল্প ও ক্রীড়া শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ এবং বিশ্বব্যাংকের অনাপত্তির ভিত্তিতে ব্র্যাক, সেভ দ্য চিলড্রেন, কেয়ার বাংলাদেশ এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশন সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। এর মধ্যে ব্র্যাক ঢাকা ও রংপুর বিভাগে, সেভ দ্য চিলড্রেন বরিশাল বিভাগ এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায়, কেয়ার বাংলাদেশ তিন পার্বত্য জেলা, খুলনা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগে এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশন কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর জেলা ও সিলেট বিভাগে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের জয়েন্ট ভেঞ্চার অংশীদারদের নিয়ে ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের ৬৪ জেলার ২৫০ উপজেলায় পাঁচ হাজার গ্রামভিত্তিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করবে। এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে ৯ লাখ যুবক-যুবতীকে সমসাময়িক ও চাহিদাভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যা তাদের আত্মকর্মসংস্থান ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জনাব মোঃ মোতাহার হোসেন, প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কাজী মোখলেছুর রহমান, বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র ইকোনমিস্ট ও টাস্ক টিম লিডার সৈয়দ রাশেদ আল-জায়েদ জশ, অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) ড. মেরিনা নাজনীনসহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কনসালটেন্টবৃন্দ। সার্ভিস প্রোভাইডারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত, ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর এ. এস. এম. রহমত উল্লাহ ভূঁইয়া ও অন্তর্বর্তীকালীন সেক্টর ডিরেক্টর মিস নিশাত আফরোজ মির্জা। কেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাম দাস, হেড অব পিপল অ্যান্ড কালচার কাজী রিজওয়ানা রহমান, সিনিয়র ডিরেক্টর-ফাইন্যান্স সাজিয়া তারিন, হেড অব গভর্ণমেন্ট রিলেশনস ডিপার্টমেন্ট ফজলুল হক ও সিনিয়র কোঅর্ডিনেটর শাহরিয়ার আলম, ঢাকা আহছানিয়া মিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. এস এম খলিলুর রহমান, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) কে এম জাহিদুজ্জামান ও টিম লিডার মোসাম্মৎ কনক লতা এবং ব্র্যাক এডুকেশনের ডিরেক্টর সাফি রহমান খান, হেড অব প্রোগ্রামস ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) গোলাম ফারুক ও টিম লিডার কাজী জাহাঙ্গীর আলম।