খেলাধুলা

গোপনে ক্যাম্প ন্যুতে ফিরলেন মেসি!

আক্তারুজ্জামান নভেম্বর ১০, ২০২৫

বার্সেলোনার সঙ্গে লিওনেল মেসির সম্পর্ক যেন শেষ হয়েও শেষ হয় না। কাতালান ক্লাবটির সঙ্গে দীর্ঘ সময়ের মধুর সম্পর্ক ছিন্ন করে তিনি পিএসজি ও পরে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিয়েছেন। তবুও বার্সা সমর্থকদের মনে এখনো একটাই আশা—“কখন ফিরবেন মেসি?”

 

সম্প্রতি সেই আশার আগুনে যেন নতুন করে হাওয়া লাগল। কারণ, গোপনে ক্যাম্প ন্যু ঘুরে গিয়েছেন মেসি!

 

২০২১ সালে ক্লাব ছাড়ার পর প্রথমবার বার্সেলোনার ঘরের মাঠে পা রাখলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজ প্রায় শেষ, এবং ম্যাচ আয়োজনের জন্য সব প্রস্তুত। নতুন রূপে সাজানো ক্যাম্প ন্যু ঘুরে দেখে আবেগাপ্লুত হয়েছেন মেসি।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন “গত রাতে এমন এক জায়গায় ফিরেছিলাম, যা হৃদয় দিয়ে মিস করি। সেখানে আমি খুব খুশি ছিলাম। আশা করি, একদিন আবার ফিরতে পারব—শুধু বিদায় জানাতে নয়, সেইভাবে বিদায় জানাতে, যেভাবে জানাতে পারিনি…”

 

এই বার্তার সঙ্গে মেসি দিয়েছেন নতুন করে সাজানো স্টেডিয়ামের ভেতর-বাহিরের ছবি ও ভিডিও, যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, বার্সেলোনা থেকে বিদায়ের পর মেসি পিএসজিতে যোগ দেন, এরপর ২০২৩ সালে ইন্টার মায়ামির জার্সি গায়ে মাঠে নামেন। যুক্তরাষ্ট্রে পা রাখার পরও থেমে নেই তার সাফল্যের ধারা—লিগস কাপ ও সাপোর্টার্স শিল্ড জিতেছেন, আর সর্বশেষ অষ্টম ব্যালন ডি’অর জিতে ইতিহাস গড়েছেন।

 

 

তবুও ক্যাম্প ন্যুর প্রতি মেসির টান যেন আগের মতোই অটুট। গুঞ্জন উঠেছে, ভবিষ্যতে তিনি হয়তো ক্লাবটিতে প্রশাসনিক বা বিশেষ দূত হিসেবে ফিরবেন।

 

ইন্টার মায়ামির প্রেসিডেন্ট হোর্হে মাস বলেছেন, “মেসি যেমনভাবে নিজের ক্লাবকে বিদায় জানাতে চেয়েছিলেন, তা করতে পারেননি। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—আগামী বছরগুলোতে তাকে সেই সুযোগ করে দেব। ইন্টার মায়ামি বার্সেলোনায় একটি বিশেষ ম্যাচ আয়োজন করবে।”

 

বার্সা সভাপতি হুয়ান লাপোর্তাও জানিয়েছেন, “ক্যাম্প ন্যুর নতুন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেসির জন্য থাকবে বিশেষ সম্মাননা ম্যাচ। আমরা চাই, বার্সেলোনায় মেসিকে তার প্রাপ্য শ্রদ্ধা জানানো হোক।”

 

তবে খেলোয়াড় হিসেবে বার্সার হয়ে আবার মাঠে নামার সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ, মেসি ইতিমধ্যেই ২০২৮ সাল পর্যন্ত ইন্টার মায়ামির সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেছেন, যা তাকে নিয়ে যাবে ৪০ বছর বয়সের ওপারে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
জুভেন্টাসের রাডারে আছেন এমি মার্টিনেজ। ছবি: রয়টার্স
এমি মার্টিনেজের দিকে নজর ইতালিয়ান জায়ান্টের

বিশ্বকাপের পর কি ইংল্যান্ড ছাড়বেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ? ইতালির গণমাধ্যমের খবরে তেমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। দেশটির গণমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, এমি মার্টিনেজকে দলে ভেড়ানোর ব্যাপারে আগ্রহ দেখাচ্ছে ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্টাস। সম্প্রতি অ্যাস্টন ভিলার হয়ে ইউরোপা লিগ জয় করা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এখন তুরিনের ক্লাবটির নজরে রয়েছেন। বর্তমানে ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙুলের ভাঙা হাড়ের চোট থেকে সেরে উঠতে লড়াই করছেন মার্টিনেজ। লক্ষ্য, ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচের আগেই পুরোপুরি ফিট হয়ে ওঠা। এই পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যেই ইতালিতে তার সম্ভাব্য দলবদল নিয়ে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। ইতালির ট্রান্সফার বিশেষজ্ঞ জিয়ানলুকা ডি মারজিওর তথ্য অনুযায়ী, ৩৩ বছর বয়সী মার্টিনেজকে নতুন গোলরক্ষক খোঁজার তালিকায় রেখেছে জুভেন্টাস। গত মৌসুমে সেরি আতে হতাশাজনক পারফরম্যান্স করে পঞ্চম স্থানে শেষ করে দলটি, ফলে আগামী মৌসুমে তাদের খেলতে হবে ইউরোপা লিগে। জুভেন্টাসের সম্ভাব্য গোলরক্ষকের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আরও রয়েছেন আলিসন বেকার (লিভারপুল) এবং গুইলিয়ের্মে ভিকারিও (টটেনহ্যাম)। তবে অ্যাস্টন ভিলার সঙ্গে চুক্তি ও ক্লাবের বর্তমান অবস্থানের কারণে মার্টিনেজকে দলে আনা সবচেয়ে কঠিন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ছয় বছর ধরে অ্যাস্টন ভিলায় খেলার পর অবশেষে সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে ক্লাবটির হয়ে বড় কোনো শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছেন মার্টিনেজ। ইউরোপা লিগ জয়ের মাধ্যমে ভিলা আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে, যা তারা প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ স্থান অর্জনের মাধ্যমেও নিশ্চিত করেছিল। অন্যদিকে, জুভেন্টাস আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে পারবে না। ইগর তুদর এবং পরে লুসিয়ানো স্প্যালেত্তির অধীনে হতাশাজনক মৌসুম কাটানোর পর তাদের ইউরোপা লিগেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে।  

মারিয়া রহমান জুন ০৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ফাইনালে ভারতকে পেল বাংলাদেশ

ছবি : সংগৃহীত

৬৫ হাজার ভলান্টিয়ারের ভিড়ে একমাত্র বাংলাদেশি ফারজিন গনি

ছবি : সংগৃহীত

বড় চমক দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের দল ঘোষণা

ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপে ‘আজব সিদ্ধান্ত’—সঙ্গে যাচ্ছে ৩০০ কেজি কাঁচা মাছ!

সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপে খেলেছিল নরওয়ে। এরপর কেটে গেছে ২৮ বছর। মাঝের ছয়টি বিশ্বকাপের একটাতেও যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি তারা। সেই খরা কাটিয়ে এবারের বিশ্বকাপে নামতে যাচ্ছে হালান্ডের দল। ইতোমধ্যেই আমেরিকায় পৌঁছে গেছে নরওয়ে ফুটবল দল। কিন্তু মাঠে নামার আগেই আলোচনার তুঙ্গে এসেছে নরওয়ে ফুটবল টিম। বিশ্বকাপ খেলার জন্য সঙ্গে করে ৩০০ কেজি মাছ নিয়ে গেছে হালান্ডরা। যেখানে রয়েছে ১১৬ কেজি ব্রাউন চিজও। কেন এই আজব পথে হাঁটল নরওয়ে? বিশ্বকাপে যাতে ফুটবলাররা নিজেদের সেরা পারফর্ম্যান্স মেলে ধরতে পারেন তার জন্য খাবারকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে নরওয়ে শিবির। তাই দলের সঙ্গে গেছেন দুই খ্যাতনামা শেফ অ্যারন এসপেল্যান্ড ও এইরিক তুফতে। ২০২০ সালে অলিম্পিকে সফল নরওয়ে দলের সঙ্গেও গিয়েছিলেন অ্যারন। দীর্ঘদিনের টিম শেফের সঙ্গে মিলে তারা হালান্ড-ওডেগার্ডদের জন্য বিশেষ খাদ্যতালিকা তৈরি করবেন। কেন ৩০০ কেজি মাছ নিয়ে গেছেন হালান্ডরা? তাদের বিশ্বাস, সেরা খাবারের জন্য প্রয়োজন সেরা নরউইজিয়ান উপকরণ। তাই আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে নরওয়ের নিজস্ব মাছ ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী। তাই অন্তত ৩০০ কেজি লাল মাছ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুধু মাছই নয়, ১১৬ কেজি বিখ্যাত নরউইজিয়ান ব্রাউন চিজও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন অ্যারন এসপেল্যান্ড। তিনি বলেন, ‘আমেরিকায় দাঁড়িয়ে যদি বলতে পারা যায় ব্যবহৃত টম্যাটোটা কে চাষ করেছেন বা এই হ্যালিবাট মাছ কে ধরেছেন, সেটা দারুণ ব্যাপার। আমরা সব সময় সেরা নরউইজিয়ান উপকরণই ব্যবহার করতে চাই। বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেই খাবার পরিবেশন করতে পারাটা আমাদের কাছে গর্বের।’ তিনি আরও জানান, নরওয়ে থেকে আমেরিকায় আধা টন মাছ পাঠানো মোটেই সহজ নয়। তাই একেবারে এই ব্যবস্থা করেছেন তারা। বিশ্বকাপে নরওয়ের সূচি ১৬ জুন ইরাকের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে নরওয়ে। তার আগে ৭ জুন মরক্কোর বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে তারা। I গ্রুপে ইরাক ছাড়াও নরওয়ের সঙ্গে আছে ফ্রান্স ও সেনেগাল।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ০৩, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

প্রথম অনুশীলনেই ঘাম ঝরালেন রোনালদো

ছবি: সংগৃহীত

রোনালদোর অপূর্ণতা ঘোচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে পর্তুগাল

ছবি: সংগৃহীত

৬ সেঞ্চুরি আর রেকর্ড ফিফটির দিনে রহস্য স্পিনারের ৬ উইকেট

ছবি: সংগৃহীত
সর্বোচ্চ বয়স্ক ফুটবলারের ইতিহাস গড়বে ২০২৬ বিশ্বকাপ

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য ইতোমধ্যে চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে প্রতিযোগী ৪৮টি দেশ। যেখানে ১২৪৮ ফুটবলার ডাক পেয়েছেন। এর মধ্যে ৮ জনেরই বয়স ৪০ বছর বা তারও অধিক। যা ফিফার এই মেগা ইভেন্টের এক আসরে সর্বোচ্চসংখ্যক ৪০ বছর বয়সী খেলোয়াড় উপস্থিতির রেকর্ড। অথচ ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ৪০ বা এরবেশি বয়সী কেবল ৮ জন ফুটবলার বিশ্বকাপ খেলেছেন।    ১৯৩০ সাল থেকে ফুটবলভক্তদের বুঁদ করে আসছে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ। এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ২২ আসরে সবমিলিয়ে কেবল ৮ ফুটবলারের বয়স ন্যূনতম ৪০ বছর ছিল। বিগত সকল আসরকে ছাড়িয়ে কেবল ২৩তম আসরেই ৮ জন ওই বয়সী ফুটবলার মাঠে নামবেন। যেখানে বয়সের দিক থেকে বাকিদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক ক্রেইগ গর্ডন। এবারের বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া ৪০ বা এরবেশি বয়সী ৮ ফুটবলারের মধ্যে পাঁচজনই গোলরক্ষক– ক্রেইগ গর্ডন, গুইলার্মো ওচোয়া, ম্যানুয়েল নয়্যার, জোসিমার দিয়াজ ও ফার্নান্দো মুসলেরা। এর মধ্যে গর্ডন ও দিয়াজ দুজনেই প্রথম কোনো বিশ্বকাপ খেলবেন। কিছুটা বিস্ময়কর হলেও মজার বিষয় হচ্ছে, স্কটিশ গোলরক্ষক প্রথম এই মেগা ইভেন্টে খেলার সুযোগ পেলেন ৪৩ বছর বয়সে। ১৯৯৮ আসরের পর তার দেশ এবারই বিশ্বকাপে ফিরেছে। আসন্ন ২৩তম বিশ্বকাপ আসরের ‘সি’ গ্রুপে রয়েছে স্কটল্যান্ড, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিল, মরক্কো ও হাইতি। নিজেদের তৃতীয় ম্যাচেই স্কটিশ গোলরক্ষক গর্ডন পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মোকাবিলার সুযোগ পেতে পারেন। এই আসরের দ্বিতীয় বয়োজ্যষ্ঠ খেলোয়াড় পর্তুগিজ সুুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ৪১ বছর বয়সী এই তারকা নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ আসর খেলতে নামবেন, যা যৌথভাবে সর্বোচ্চ আসরে নামার রেকর্ডও।  রোনালদোর মতো মেক্সিকোর ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ওচোয়াও ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলবেন এবার। বিশ্বকাপের বয়োজ্যষ্ঠ খেলোয়াড়দের মধ্যে কেবল লুকা মদ্রিচ (ইন্টার মিলান) ও ম্যানুয়েল নয়্যার (বায়ার্ন মিউনিখ) ইউরোপের শীর্ষ লিগে আছেন।    ২০২৬ বিশ্বকাপের বয়োজ্যষ্ঠ ফুটবলাররা   ক্রেগ গর্ডন (স্কটল্যান্ড) – ৪৩ বছর (জন্ম : ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৮২) ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল) – ৪১ বছর (জন্ম : ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৫) গুইলার্মো ওচোয়া (মেক্সিকো) – ৪০ বছর (জন্ম : ১৩ জুলাই, ১৯৮৫) লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া) – ৪০ বছর (জন্ম : ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫) এডিন ডিজেকো (বসনিয়া) – ৪০ বছর (জন্ম : ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫) ম্যানুয়েল নয়্যার (জার্মানি) – ৪০ বছর (জন্ম : ২৭ মার্চ, ১৯৮৬) জোসিমার দিয়াজ (কেপ ভার্দে) – ৪০ বছর (জন্ম : ৩ জুন, ১৯৮৬) ফার্নান্দো মুসলেরা (উরুগুয়ে) – ৪০ বছর (জন্ম : ১৬ জুন, ১৯৮৬)

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার চেয়ে আনন্দের আর কিছু নেই: দেশম

ছবি: সংগৃহীত

লর্ডসে শেষ অধ্যায়ের আগে রোমাঞ্চিত উইলিয়ামসন

ছবি: সংগৃহীত

মেসির রুম নম্বর ঘিরে নতুন আলোচনা, বিশ্বকাপ জয়ের ইঙ্গিত দেখছেন সমর্থকরা

0 Comments