বিশ্ব

ঘূর্ণিঝড় কালমেগির আঘাতে ভিয়েতনামে হতাহত ১২

খবর৭১ ডেস্ক, নভেম্বর ০৭, ২০২৫

ঘূর্ণিঝড় কালমেগি  ভিয়েতনামের  মধ্যাঞ্চলের উপকূলে আঘাতে অন্তত পাঁচ জনের মৃত্যু ও সাত জন আহত হয়েছে  বলে জানা গেছে। 

ভিয়েতনামের পরিবেশ মন্ত্রণালয় শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে,  কোয়াং এনগাই, গিয়া লাই ও ডাক লাক প্রদেশে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ভাঙনের মুখে পড়া তৃণমূলকে চাঙা করতে জনসভার ডাক মমতার

তৃণমূল কংগ্রেসে যখন প্রতিদিন ভাঙন তীব্র হচ্ছে, সেসময় ২১ জুলাই ধর্মতলায় জমায়েতের ডাক দিলেন দলটির সভানেত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার কলকাতার আচার্য্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় রোডে অবস্থিত রামমোহন লাইব্রেরিতে আয়োজিত এক কর্মীসভায় এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তিনি।   তৃণমূল কংগ্রেসের উত্তর কলকতা সাংগঠনিক জেলা শাখার সভাপতি কুণাল ঘোষের আহ্বানে আয়োজন করা হয়েছিল এই কর্মীসভা। সেখানে অনলাইন মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ১২ মিনিটের ভাষণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাষণের বক্তব্যের মধ্যেই এ কর্মসূচির ডাক দেন তিনি।   মমতা বলেন, “২১ জুলাই আশা করি অনুমতি পাব। আমরা একটা দিনই মিটিং করি। সে দিন বিস্তারিত বলব। পাঁচ জন কর্মী থাকলেও সেই মিটিংয়ে থাকব। আপনারা ওই দিন সমবেত হোন।’’   উল্লেখ্য, হাই কোর্টের নির্দেশ উপেক্ষা করে ২০১৮ সালের ২১ জুলাই সভা হয়েছিল বলে ইতিমধ্যেই আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এক জনস্বার্থ মামলাকারী। যার প্রেক্ষিতে মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তার মধ্যেই ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর প্রথম বার ২১ জুলাইয়ের সমাবেশের প্রস্তুতির ডাক দিলেন মমতা। রাজনৈতিক মহলের অনেকের মতে, উত্তর কলকাতার কর্মীসভায় এ কথা বললেও, আসলে মমতা গোটা রাজ্যের সংগঠনের মধ্যেই একুশের বার্তা দিতে চেয়েছেন।   বামপন্থি সিপিএমের শাসনামলে তৃণমূল যখন বিরোধী পরিসরে ছিল, তখনও ২১ জুলাই বড় জমায়েত হত মমতার ডাকে। কিন্তু দেড় দশক ক্ষমতায় থাকার পর এখন বিরোধী তৃণমূল দৃশ্যতই খানখান। ফলে এ বার ২১ জুলাই মমতার ডাকে জমায়েতের বহর কেমন হবে, তা একটি প্রশ্ন। নেতারা মমতার থেকে দূরত্ব রচনা করলেও তৃণমূল স্তরের কর্মীদের মধ্যে এখনও মমতা-আবেগ কাজ করে কি-না, প্রশ্ন সেটিও।   বৃহস্পতিবারের ভাষণে এক দিকে নেতাদের শিবির বদল, অপর দিকে দলের কর্মীদের উপর হামলা নিয়ে বক্তৃতায় সরব হন মমতা। উল্লেখ করেন তার পরিবারের উপর ‘আক্রমণের’ কথাও।   মমতা বলেন, ‘‘কেউ কেউ নিজেকে বাঁচাতে, পরিবার বাচাতে বেইমানি করেছে। মা আপনাকে মানুষ করল, আর আজ যখন মা অসুস্থ তখন তাকে দেখবেন না?’’ মমতার এ কথা বলামাত্র করতালিতে ফেটে পড়ে রামমোহন লাইব্রেরি। সংসদীয় দল থেকে পরিষদীয় দলের বিদ্রোহীদের উদ্দেশে বার্তাও দিয়েছেন মমতা। তিনি বলেন, ‘‘যাদের সুবুদ্ধি আছে, তারা ফিরে আসুন। আর যাঁরা ভাবছেন এই ভাবে চলবেন, তারা কিন্তু না ঘর কা না ঘাট কা হয়ে থাকবেন।”   তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডি, সিআইডির তলব, প্রতিটি বিষয়ে আদালতে যাওয়ার প্রসঙ্গও তোলেন তৃণমূলের নেত্রী। মমতা বলেন, “আজকে ভাবুন তো আমাদের পরিবারের উপর দিয়ে কী যাচ্ছে! আমার দুই ভাইকে আগেই আমি তাড়িয়ে দিয়েছি। সব পরিবারে সবাই সমান হন না; কিন্তু অভিষেকের বাবা-মা আমার সঙ্গে থাকেন। আজকে অভিষেককে রেগুলার কোর্টে যেতে হচ্ছে। রোজ সিআইডি, ইডি ডাকছে।”   সম্প্রতি বিধানসভায় পরিষদীয় দল ভাঙাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন পূর্ব উলুবেড়িয়ার বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার নির্দেশ নস্যাৎ করে, প্রবীণ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দিয়ে ঋতব্রতই এখন বিরোধী দলনেতা। নাম না-করে মমতা আক্রমণ করেন ঋতব্রতকেও। তিনি বলেন, “বিজেপি স্পন্সর্ড সিপিএমের নেতা। তবে সিপিএম একটা কাজ ভাল করেছিল। এটাকে বহিষ্কার করেছিল।’’   এদিকে মমতার আক্রমণে প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “কুণালবাবু তো আমায় বলেছেন চারআনার নকুলদানা। তা হলে আমায় নিয়ে নেত্রী এত সময় নষ্ট করছেন কেন?”   সূত্র : আনন্দবাজার

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২৬, ২০২৬

দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধের পরিকল্পনা নিয়েছে ডেনমার্ক

৬ দেশের দর্শনার্থীদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা দেবে আমিরাত

হাইতি ও সিরীয় অভিবাসীদের সুরক্ষা বাতিলের রায় দিল যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট

ইউরোপজুড়ে নজিরবিহীন দাবদাহ, হাসপাতালগুলোতে সতর্কতা

ইউরোপজুড়ে জেঁকে বসা প্রাণঘাতী নজিরবিহীন দাবদাহের কারণে হাসপাতালগুলো রোগী ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে উন্মুক্ত স্থানে মদ্যপান নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার তীব্র গরমে পুড়তে থাকা ইউরোপের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষগুলোর সতর্কবার্তার প্রতিধ্বনি করে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।   বর্তমানে অন্তত ১০ কোটি ১০ লাখ ইউরোপীয় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার মুখোমুখি হচ্ছেন। রেকর্ড ভাঙা এই দাবদাহে ইতোমধ্যে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ জানিয়েছে, তীব্র গরমে বিশেষ করে বয়োবৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা বেশি আক্রান্ত হওয়ায় জরুরি চিকিৎসাসেবার ডাক ও হাসপাতালে রোগী আসার সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়েছে।   তীব্র এই তাপমাত্রার কারণে ফ্রান্স ও স্পেনে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। প্যারিস পুলিশের প্রিফেক্ট প্যাট্রিস ফোরে বলেন, আমরা হাসপাতালগুলোতে ধারণক্ষমতার শেষ সীমায় পৌঁছে যাচ্ছি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।   স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টিফানি রিস্টের কার্যালয় জানিয়েছে, বুধবার প্যারিসে ২৪ ঘণ্টায় ২৫টি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে স্বাভাবিক সময়ে এই সংখ্যা থাকে ১০টিরও কম। জাতীয় পর্যায়ে গরমজনিত কারণে জরুরি বিভাগে রোগী আসার সংখ্যা চার গুণ বেড়েছে।   লন্ডন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস জানিয়েছে, বুধবারের তীব্র গরমের কারণে এক দিনে তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জীবনঝুঁকিপূর্ণ জরুরি কল এসেছে।   জার্মান আবহাওয়া দফতর ও ইউরোপীয় জয়েন্ট রিসার্চ সেন্টারের ২০২৫ সালের জনসংখ্যার পূর্বাভাসের ওপর ভিত্তি করে করা হিসাবে দেখা গেছে, ৩৮ কোটিরও বেশি মানুষ ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। জাতিসংঘের জলবায়ু প্রধান সাইমন স্টিল বলেন, এই দাবদাহের পরতে পরতে জলবায়ু সংকটের ছাপ স্পষ্ট। অনুপযোগী ভবন ও অবকাঠামোর কারণে এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যতক্ষণ না মানবজাতি বিপুল পরিমাণে কয়লা, তেল এবং গ্যাস পোড়ানো বন্ধ করবে, ততক্ষণ চরম গরমের এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হতেই থাকবে।   উত্তর ফ্রান্সের পাস-ডি-ক্যালাইস অঞ্চলে তিনজনের মৃত্যু সম্ভবত গরমের কারণেই হয়েছে। একজন প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, প্যারিসের শহরতলিতে একটি গাড়ির ভেতর থেকে তিন বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যেখানে বুধবার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এই সপ্তাহে ফ্রান্সে একই পরিস্থিতিতে আরও দুটি শিশু মারা গেছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে পুলিশ প্রিফেক্ট ফোরে জানিয়েছেন, শুক্রবার থেকে ফরাসি রাজধানীতে উন্মুক্ত স্থানে মদ্যপান এবং মদ বিক্রি নিষিদ্ধ থাকবে।   স্পেনে জুন মাসের তাপমাত্রার আগের সব রেকর্ড ভেঙে গেছে। সেখানকার মৃত্যুহার পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা মোমো জানিয়েছে, রবিবার থেকে বুধবারের মধ্যে ২১২টি মৃত্যুর পেছনে এই গরমের সম্পর্ক থাকতে পারে। ইতালীয় দৈনিক পত্রিকা কোরিয়ারে ডেলা সেরা দাবদাহে পাঁচজনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে।   জার্মানিতে তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে এবং সপ্তাহান্তে তা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছানোর পূর্বাভাস থাকায় বেশ কয়েকটি উন্মুক্ত স্থানের অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। রেল অপারেটর ডয়চে বান দাবদাহের কারণে সৃষ্ট দাবানল, ভারী বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের ফলে রেল পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার উচ্চ ঝুঁকির কথা জানিয়ে গ্রাহকদের ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। সুইজারল্যান্ডে জুনের রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, অন্যদিকে নেদারল্যান্ডস ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গরমের কারণে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তানে সেনা হত্যা মামলায় নারী অধিকারকর্মীর যাবজ্জীবন

ছবি : সংগৃহীত

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল

ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধের আবহে ইরান-লেবাননে পবিত্র আশুরা পালন

ছবি : সংগৃহীত
ভেনেজুয়েলায় বিলাসবহুল হোটেল ধস, ভেতরে খেলোয়াড়দের স্বজনরা

ভেনেজুয়েলায় ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি লা গুয়াইরা। সেখানে একটি বিলাসবহুল হোটেল ধসে বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন এবং নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডায়ামান্তে২৩-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের সময় বিলাসবহুল এডুয়ার্ড’স হোটেলে অবস্থান করছিলেন গুয়েরেরোস দে লারা ও ডেলফাইনেস দে লা গুয়াইরা দলের খেলোয়াড়দের স্বজন এবং সাবেক বেসবল খেলোয়াড় গোর্কিস হার্নান্দেজ ও এলিয়েজার আলফোনজোর পরিবারের সদস্যরা।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোটেলটি সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। তবে সাবেক জেনরি মেহিয়া ওই সময় হোটেলে থাকলেও তিনি জীবিত উদ্ধার হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ধসে পড়া হোটেলের বাইরে খেলোয়াড়রা উদ্বিগ্ন হয়ে তাদের স্বজনদের খোঁজ করছেন। নিখোঁজদের মধ্যে কয়েকজনের মৃত্যুর আশঙ্কাও করা হচ্ছে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৬, ২০২৬

চীনের ‘সালামি স্লাইসিং’ কৌশল কী

ইরান পুনর্গঠনে ৩০ হাজার কোটি ডলার আসবে কোথা থেকে

ছবি : সংগৃহীত

নিউইয়র্কে নির্বাচনী ভূমিকম্প: ইসরায়েলপন্থীদের হারিয়ে ফিলিস্তিনপন্থী অধিকারকর্মীদের ঐতিহাসিক জয়

0 Comments