খেলাধুলা

এমবাপ্পের অনুপস্থিতিতে ভিনিসিয়ুস প্রসঙ্গে বিতর্ক এড়ালেন কোচ

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ০৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কিলিয়ান এমবাপে মাঠে না থাকলে অন্য সময়ের তুলনায় বেশি ভালো খেলেন ভিনিসিউস জুনিয়র- রেয়াল মাদ্রিদের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণে পূর্বে অনেকবার এমন আলোচনা হয়েছে। সবশেষ ম্যাচে ভিনিসিউস দারুণ পারফরম্যান্সে ব্যবধান গড়ে দেওয়ার পরও, নতুন করে তা শুরু হয়েছে আবার। তবে দলটির কোচ আলভারো আরবেলোয়া এই বিতর্কিত বিষয়ে কোনো মন্তব্যই করলেন না।

 

চোটের কারণে বর্তমানে মাঠের বাইরে আছেন এমবাপে। তার অনুপস্থিতিতে রোববার রাতে লা লিগায় এস্পানিওলের বিপক্ষে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন ভিনিসিউস। তার দারুণ দুই গোলেই ২-০ ব্যবধানে জিতে লিগ শিরোপা লড়াইয়ে নিজেদের ক্ষীণ আশা বাঁচিয়ে রাখে রেয়াল মাদ্রিদ।

 

একের পর এক আক্রমণ শাণিয়ে ম্যাচজুড়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণকে ব্যস্ত রাখেন ভিনিসিউস। এর ফল তিনি পান দ্বিতীয়ার্ধে, ১১ মিনিটের ব্যবধানে গোল দুটি করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।

 

ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে আরবেলোয়ার দিকে ছুটে গেল সরাসরি ওই প্রশ্ন, সত্যিই কি এমবাপে মাঠে না থাকলে ভালো খেলেন ভিনিসিউস? স্প্যানিশ কোচ অবশ্য সেই বিষয়ে কিছু না বলে জয়ের নায়কের প্রশংসাই করলেন কেবল।

 

(ভিনিসিউসের পারফরম্যান্সের) মূল্যায়ন করাটা সহজ: সে আরেকটি চমৎকার ম্যাচ খেলল, দারুণ দুটি গোল করল এবং আক্রমণভাগকে নেতৃত্ব দিল। ম্যাচজুড়েই সে প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ঙ্কর ছিল, খুবই আগ্রাসী এবং বুদ্ধিদীপ্ত ফুটবল খেলেছে। সাহসী ও ধারাবাহিক।

 

সে অসাধারণ খেলেছে, আরও একবার। সে রক্ষণেও দলকে সাহায্য করেছে, এই দিকটা আমার খুব ভালো লেগেছে। আর হ্যাঁ, যেমনটা আমি এই কয় মাস ধরে বলে আসছি: সে চমৎকার এক খেলোয়াড়, সহজাত নেতা, এমন এক সতীর্থ যাকে সবাই ভালোবাসে, দারুণ একজন মানুষ…তার মতো খেলোয়াড় দলে পেয়ে আমি খুব খুশি। আমি সত্যিই ভাগ্যবান।

 

চলতি মৌসুমের শুরুতে ভিনিসিউসের পারফরম্যান্স খুব একটা ভালো ছিল না। তবে দ্বিতীয়ভাগে নিজেকে যেন ফিরে পেয়েছেন তিনি। এই নিয়ে লিগে সবশেষ তিন ম্যাচে জালের দেখা পেলেন ২০২৪ সালের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার। আসরে তার মোট গোল হলো ১৫টি।

 

চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ভিনিসিউসের গোল ২১টি, সঙ্গে ১৪টি অ্যাসিস্টও করেছেন তিনি।

 

রক্ষণে অবদান রাখার বিবেচনায় এমবাপের চেয়ে ভিনিসিউস ভালো কিনা- হলো এমন প্রশ্নও। এখানেও অনেকটা একইরকম উত্তর দিলেন কোচ।

 

না…ওকে, আমি খেলোয়াড়দের মধ্যে তুলনা করি না। এবং… আমার মতে, সবাইকেই প্রয়োজন আমাদের। এই পজিশনে যখন থেকে আছি, সেই থেকে আমি বলে আসছি, কোনো ম্যাচ জিততে আমাদের সব খেলোয়াড়েরই নিবেদন দরকার।

 

৩৪ ম্যাচে ২৪ জয় ও পাঁচ ড্রয়ে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে রেয়াল মাদ্রিদ। ১১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা।

 

আগামী রাউন্ডে মুখোমুখি লড়াইয়ে নামবে দল দুটি। ঘরের মাঠের আসছে ক্লাসিকোয় হার এড়াতে পারলেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে বার্সেলোনা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উন্মাদনা, শুরু হচ্ছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬

দেশের তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করার পাশাপাশি  বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পেশাদার ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ (এবিজি)। সে লক্ষ্যে এবিজির চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর উন্মোচন করেছেন ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’-এর লোগো। টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক আয়োজনকে সামনে রেখে শনিবার রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এবিজির চেয়ারম্যানের বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য ‘ক্যাপ্টেনস মিট অ্যান্ড গ্রিট’।   এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হলো। ক্রীড়াবিদদের প্রতিভা বিকাশ এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করার এই উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের জন্য তৈরি করছে সম্ভাবনাময় মঞ্চ।   প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’, যেখানে রাতের ফ্লাডলাইটের আলোয় একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেট ও ফুটবল টুর্নামেন্ট।    আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে এবিজি স্পোর্টস সিটিতে শুরু হতে যাওয়া এই মেগা আসরে অংশ নেবে দেশের শীর্ষস্থানীয় ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ক্রিকেট ও ফুটবলে পৃথক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দলগুলো লড়বে শিরোপা জয়ের জন্য।   এবিজি চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং তরুণদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া পরিবেশ তৈরির ধারাবাহিকতায় এই টুর্নামেন্টকে দেখা হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে। বসুন্ধরা কিংসের আন্তর্জাতিক সাফল্য থেকে শুরু করে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এবিজি স্পোর্টস সিটি গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে যে অগ্রযাত্রা সূচিত হয়েছে, ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ সেই প্রচেষ্টাকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আরও বিস্তৃত করবে।   টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় হলো—আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (AIUB), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (IUB), ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ULAB), সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (UIU), ফেয়ারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।   টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক আয়োজনকে সামনে রেখে শনিবার রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এবিজির চেয়ারম্যানের বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য ‘ক্যাপ্টেনস মিট অ্যান্ড গ্রিট’। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবিজি স্পোর্টস সিটির ডিরেক্টর ইমরুল হাসান, অ্যাডভাইজার বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক, টি স্পোর্টসের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তাসভির উল ইসলাম, অপারেশন্স ম্যানেজার সালমান হাসান এবং ইকরাম হোসেন রাফি। এ ছাড়া ক্রিকেট ও ফুটবলের ২০টি দলের অধিনায়ক এবং শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।   তরুণদের পেশাদার ক্রীড়া চর্চায় উৎসাহিত করতে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬-এ চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য ১০ লাখ টাকা এবং রানার্স-আপ দলের জন্য ৫ লাখ টাকা প্রাইজমানি ঘোষণা করা হয়েছে। এই আকর্ষণীয় প্রাইজমানি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও টুর্নামেন্টটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।   অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অধিনায়কেরা জানান, পেশাদার পরিবেশে নিজেদের মেধা ও দক্ষতা প্রমাণের এমন সুযোগ তাঁদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। তাঁরা মনে করেন, এবিজি চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের নেতৃত্বে এ ধরনের উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্রীড়া সংস্কৃতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের ভবিষ্যৎ তারকা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে রোনালদোকে সাময়িক নিষিদ্ধ করল পর্তুগাল

ছবি: সংগৃহীত

রেনশর ১৯০ ও রেকর্ড জুটিতে ধ্বংসস্তূপ থেকে অস্ট্রেলিয়ার ৩৯০

ছবি: সংগৃহীত

আবু ধাবিতে বাংলাদেশের হতাশার দিন

ছবি: সংগৃহীত
ক্লাব মালিকের বিরুদ্ধে সমর্থকদের প্রতিবাদে পণ্ড লা লিগার ম‍্যাচ

কর্নারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল আথলেতিক বিলবাও। হঠাৎ গ্যালারি থেকে একের পর এক কাগজের বিমান ছুড়তে শুরু করলেন রায়ো ভাইয়েকানোর সমর্থকরা! তাদের বাগড়ায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি স্থগিত করতে বাধ্য হলেন রেফারি।   ভাইয়েকানোর ঘরের মাঠ এস্তাদিও দে ভায়েকাসে এটি ছিল চলতি মৌসুমের প্রথম লিগ ম্যাচ।   নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়ার পর স্টেডিয়ামটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ভাইয়েকানোর সমর্থকরা এর জন্য ক্লাবের মালিক রাউল মার্তিন প্রেসার অবহেলাকে দায়ী করছেন। আর প্রেসা আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তার ক্লাবকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ তুলেছেন।   শনিবার ম্যাচের শুরু থেকেই প্রেসার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকে ভাইয়েকানোর সমর্থকরা। ‘প্রেসা, এবার বিদায় হও’, স্লোগান দিতে থাকে তারা।   তবে পরিস্থিতি খারাপ হয় ত্রয়োদশ মিনিটে। তখন দর্শকরা কাগজের বিমান ছুড়তে শুরু করেন। সঙ্গে বিভিন্ন রংয়ের রাবারের বলও ছোড়েন তারা।   তখন প্রায় ১৫ মিনিট খেলা বন্ধ রাখেন রেফারি। এ সময় মাঠকর্মীরা দ্রুত মাঠ থেকে বিভিন্ন বস্তু সরিয়ে নেন। তখন স্টেডিয়ামের লাউডস্পিকারে দর্শকদের মাঠে কোনো কিছু না ফেলার আহ্বান জানানো হয়।   কিছুক্ষণ পর খেলা পুনরায় শুরু হলে দক্ষিণ স্ট্যান্ডের দর্শকরা আবারও মাঠের ঘাসের ওপর বিভিন্ন বস্তু ছুড়ে মারেন এবং রেফারি ম্যাচ বাতিল করে দেন।   ভক্তদের এই কাণ্ডের কড়া সমালোচনা করেছে লা লিগা। তারা বলেছে, শিগগির এই ম‍্যাচ আয়োজনের নতুন তারিখ ও সময় ঘোষণা করা হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ১০, ২০২৬

২০৩৪ পর্যন্ত চেলসিতেই থাকছেন পালমার

ছবি: সংগৃহীত

পিছিয়ে পড়েও লিডসকে ২-১ গোলে হারাল আর্সেনাল

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের জন্য জিম্বাবুয়ের স্কোয়াড ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত
আল নাসরে ফিরেই গোল রোনালদোর, পেশাদার ক্যারিয়ারে ৯৮০তম মাইলফলক

পর্তুগাল জাতীয় দলকে ঘিরে নানা আলোচনার মধ্যেই ক্লাব ফুটবলে ফিরেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের হয়ে মাঠে নেমেই গোলের দেখা পেয়েছেন এই পর্তুগিজ তারকা। আল দিরিয়াহর বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে দলের প্রথম গোলটি করেন তিনি। এটি পেশাদার ফুটবলে রোনালদোর ৯৮০তম গোল।   সৌদি প্রো লিগের ম্যাচে কিংসলে কোম্যানের নেওয়া শট গোলরক্ষক ওয়ালিদ আলী পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। ফিরতি বল পেয়ে সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি রোনালদো। সহজ ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।   ম্যাচের ৩৫ মিনিটে আরেক পর্তুগিজ ফুটবলার সামু কস্তা আল নাসরের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। পরে ৭৭ মিনিটে কোম্যান গোল করলে ৩-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয়।   এই জয়ের ফলে লিগের শীর্ষে থাকা আল কাদসিয়ার সমান ১৯ পয়েন্ট অর্জন করেছে আল নাসর। তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রোনালদোর দল।   ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের গোল উদ্‌যাপনের ছবি প্রকাশ করেন রোনালদো। সেখানে তিনি লেখেন, ‘কাজ শেষ। এবার পরের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে!’   ক্লাবের হয়ে গোল পেলেও পর্তুগাল জাতীয় দলকে ঘিরে তৈরি হওয়া আলোচনা এখনও শেষ হয়নি। কোচ জর্জে জেসুসের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে আসার ঘটনায় বিতর্কে জড়িয়েছেন রোনালদো। তাঁর অভিযোগ, কোচ তাঁকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি। গত মৌসুমে জেসুসের অধীনেই সৌদি আরবের শিরোপা জিতেছিল আল নাসর।   পর্তুগালের হয়ে এখন পর্যন্ত ২৩৪ ম্যাচে ১৪৬ গোল করেছেন রোনালদো, যা আন্তর্জাতিক ফুটবলে পুরুষদের মধ্যে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। চলতি সপ্তাহের শুরুতে দেওয়াএক বিবৃতিতে তিনি জানান, জাতীয় দলের হয়ে খেলার জন্য এখনও প্রস্তুত। তবে দলের ক্যাম্প ছেড়ে আসার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।   জাতীয় দলকে ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যেও ক্লাবের হয়ে গোল করে নিজের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার বার্তা দিলেন ৪১ বছর বয়সী এই তারকা।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ১০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

হোপের শতকে ভারতের বিপক্ষে রেকর্ড রান তাড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়

ছবি: সংগৃহীত

ভিসা জটিলতায় ওমানযাত্রা পেছাল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের

ছবি: সংগৃহীত

হোপের সেঞ্চুরিতে ভারতের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দাপুটে জয়

0 Comments