কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রশিক্ষণ ও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ডিজিটাল ‘এজেন্ট’ পরিচালনার জন্য নতুন প্রজন্মের টেনসর প্রসেসিং ইউনিটস (টিপিইউ) উন্মোচন করেছে গুগল।
গুগল ও অ্যামাজনসহ বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন নিজেদের উন্নত এআই চিপ তৈরি করছে। এতে চিপ ডিজাইনের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ছে। একই সঙ্গে বাজারে প্রভাবশালী এনভিডিয়ার গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিটস (জিপিইউ)’র ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা চলছে।
লাস ভেগাস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
বুধবার লাস ভেগাসে গুগলের বার্ষিক ক্লাউড কম্পিউটিং সম্মেলনে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টিপিইউসহ বিভিন্ন নতুন প্রযুক্তি তুলে ধরা হয়।
গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই এক ব্লগ পোস্টে বলেন, ‘এআই এজেন্টের যুগে সবচেয়ে জটিল কাজ সামলাতে অবকাঠামোকে আরও উন্নত হতে হবে।’
তিনি জানান, ‘এ বছর আমরা ডুয়াল চিপ পদ্ধতিতে আমাদের টেনসর প্রসেসিং ইউনিটের অষ্টম প্রজন্ম নিয়ে আসছি।’
নতুন টিপিইউগুলোর একটি বড় ভাষা মডেল প্রশিক্ষণের জন্য অপ্টিমাইজড। আরেকটি তৈরি করা হয়েছে ‘ইনফারেন্স’ বা যুক্তি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার জন্য, যা এআই এজেন্টে ব্যবহৃত হয়।
এআই এজেন্ট হলো এমন ডিজিটাল সহকারী, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন কম্পিউটিং কাজ সম্পন্ন করতে পারে।
গুগল ক্লাউড বিভাগের প্রধান থমাস কুরিয়ান জানান, সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা ব্রডকমের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি এ সব টিপিইউ চলতি বছরের শেষ দিকে বাজারে আসবে।
এর আগে, চলতি বছরের শুরুতে এনভিডিয়া এআই চালাতে নতুন ভেরা ও রুবিন জিপিইউ উৎপাদনের ঘোষণা দেয়।
এর কিছুদিন পর ক্লাউড কম্পিউটিং জায়ান্ট অ্যামাজন তাদের নিজস্ব ট্রেনিয়াম প্রসেসরের সর্বশেষ সংস্করণ উন্মোচন করে।
গুগল, অ্যামাজন ও মাইক্রোসফট- তিন প্রতিষ্ঠানই তাদের কম্পিউটিং অবকাঠামোয় এনভিডিয়ার জিপিইউ ব্যবহার অব্যাহত রেখেছে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রশিক্ষণ ও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ডিজিটাল ‘এজেন্ট’ পরিচালনার জন্য নতুন প্রজন্মের টেনসর প্রসেসিং ইউনিটস (টিপিইউ) উন্মোচন করেছে গুগল। গুগল ও অ্যামাজনসহ বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন নিজেদের উন্নত এআই চিপ তৈরি করছে। এতে চিপ ডিজাইনের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ছে। একই সঙ্গে বাজারে প্রভাবশালী এনভিডিয়ার গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিটস (জিপিইউ)’র ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা চলছে। লাস ভেগাস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। বুধবার লাস ভেগাসে গুগলের বার্ষিক ক্লাউড কম্পিউটিং সম্মেলনে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টিপিইউসহ বিভিন্ন নতুন প্রযুক্তি তুলে ধরা হয়। গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই এক ব্লগ পোস্টে বলেন, ‘এআই এজেন্টের যুগে সবচেয়ে জটিল কাজ সামলাতে অবকাঠামোকে আরও উন্নত হতে হবে।’ তিনি জানান, ‘এ বছর আমরা ডুয়াল চিপ পদ্ধতিতে আমাদের টেনসর প্রসেসিং ইউনিটের অষ্টম প্রজন্ম নিয়ে আসছি।’ নতুন টিপিইউগুলোর একটি বড় ভাষা মডেল প্রশিক্ষণের জন্য অপ্টিমাইজড। আরেকটি তৈরি করা হয়েছে ‘ইনফারেন্স’ বা যুক্তি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার জন্য, যা এআই এজেন্টে ব্যবহৃত হয়। এআই এজেন্ট হলো এমন ডিজিটাল সহকারী, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন কম্পিউটিং কাজ সম্পন্ন করতে পারে। গুগল ক্লাউড বিভাগের প্রধান থমাস কুরিয়ান জানান, সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা ব্রডকমের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি এ সব টিপিইউ চলতি বছরের শেষ দিকে বাজারে আসবে। এর আগে, চলতি বছরের শুরুতে এনভিডিয়া এআই চালাতে নতুন ভেরা ও রুবিন জিপিইউ উৎপাদনের ঘোষণা দেয়। এর কিছুদিন পর ক্লাউড কম্পিউটিং জায়ান্ট অ্যামাজন তাদের নিজস্ব ট্রেনিয়াম প্রসেসরের সর্বশেষ সংস্করণ উন্মোচন করে। গুগল, অ্যামাজন ও মাইক্রোসফট- তিন প্রতিষ্ঠানই তাদের কম্পিউটিং অবকাঠামোয় এনভিডিয়ার জিপিইউ ব্যবহার অব্যাহত রেখেছে।
বিশ্বজুড়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জায়ান্ট মেটা (ফেসবুকের মাতৃপ্রতিষ্ঠান)। এখন থেকে ফেসবুকে রিলস ও পোস্ট শেয়ার করে প্রতি মাসে ৩ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকার বেশি) পর্যন্ত আয় করার সুযোগ পাবেন ব্যবহারকারীরা। ‘ক্রিয়েটর ফাস্ট ট্র্যাক’ নামে নতুন একটি প্রোগ্রামের আওতায় এই বিশাল অঙ্কের অর্থ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি। সম্প্রতি মেটার অফিশিয়াল নিউজরুমে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।মূলত অন্য প্ল্যাটফর্মে জনপ্রিয় এমন ক্রিয়েটরদের ফেসবুকে নিয়মিত করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কারা পাবেন এই অর্থ? সবাই এই প্রোগ্রামের সুবিধা পাবেন না। মেটা নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতার কথা জানিয়েছে। যারা এরই মধ্যে ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বা ইউটিউবে জনপ্রিয় এবং বড় অনুসারী বেজ রয়েছে, তারাই এই প্রোগ্রামে অগ্রাধিকার পাবেন। মেটার ঘোষণা অনুযায়ী : প্রথমত, যাদের ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বা ইউটিউবে অন্তত ১ লাখ ফলোয়ার রয়েছে, তারা ফেসবুকের এই প্রোগ্রামে যুক্ত হয়ে মাসে ১ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। দ্বিতীয়ত, যাদের উল্লিখিত প্ল্যাটফর্মগুলোর যেকোনো একটিতে ১০ লাখ বা তার বেশি ফলোয়ার রয়েছে, তারা মাসে ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত নিশ্চিত আয় করতে পারবেন। কিভাবে কাজ করবে এই প্রোগ্রাম? এই প্রোগ্রামের অধীন থাকা ক্রিয়েটররা টানা তিন মাস মেটার পক্ষ থেকে নিশ্চিত পেমেন্ট পাবেন। এর জন্য তাদের ফেসবুকে নিয়মিত ‘এলিজিবল রিলস’ বা মানসম্মত ছোট ভিডিও শেয়ার করতে হবে। এ ছাড়া ফেসবুক এসব ক্রিয়েটরের কনটেন্টের রিচ বা দর্শক সংখ্যা বাড়িয়ে দিতে বিশেষ কারিগরি সহায়তা দেবে, যাতে তারা দ্রুত ফেসবুকেও নিজেদের বিশাল দর্শকগোষ্ঠী তৈরি করতে পারেন। আয়ের অন্যান্য সুযোগ : ক্রিয়েটর ফাস্ট ট্র্যাক প্রোগ্রামের পাশাপাশি ফেসবুক তাদের ‘কনটেন্ট মনিটাইজেশন’ ব্যবস্থায় আরো পরিবর্তন এনেছে। মেটা জানিয়েছে, ২০২৫ সালে তারা ক্রিয়েটরদের প্রায় ৩০০ কোটি ডলার পেমেন্ট করেছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি। এখন থেকে শুধু ভিডিও নয়; বরং রিলস, স্টোরি, ছবি এমনকি টেক্সট বা লেখা পোস্ট থেকেও টাকা আয়ের সুযোগ থাকছে। মেটা আরো জানায়, ফেসবুকে বর্তমানে মোট আয়ের ৬০ শতাংশই আসছে রিলস থেকে।বাকি অংশ আসছে ছবি এবং লেখা থেকে। যারা বড় পরিসরে ভিডিও তৈরি করতে পারেন না, তাদের জন্য ছবি বা টেক্সট পোস্টের মাধ্যমে আয়ের এই সুযোগ বড় একটি সম্ভাবনা তৈরি করেছে। কিভাবে আবেদন করবেন? মেটার এই বিশেষ প্রোগ্রামটি বর্তমানে আমন্ত্রণভিত্তিক। তবে আগ্রহী ক্রিয়েটররা তাদের ফেসবুক অ্যাপের ‘প্রফেশনাল ড্যাশবোর্ড’ থেকে ‘মনিটাইজেশন’ ট্যাবে গিয়ে ‘কনটেন্ট মনিটাইজেশন’ অপশনে নিজেদের আগ্রহ প্রকাশ করতে পারেন। যোগ্য বিবেচিত হলে মেটা কর্তৃপক্ষ সরাসরি আবেদনকারীকে ই-মেইল বা নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউটিউব ও টিকটকের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং সৃজনশীল মানুষদের ফেসবুকমুখী করতেই মেটা এই বিশাল অঙ্কের বোনাস ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের অনেক তরুণ ক্রিয়েটর, যাদের অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে ভালো ফলোয়ার রয়েছে, তারা এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের সুবিধা বাড়াতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ নামে একটি নতুন মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখা জানিয়েছে, অ্যাপটি বর্তমানে গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটাররা ঘরে বসেই নিজেদের ভোটকেন্দ্রের নাম, কেন্দ্র নম্বর ও অবস্থান জানতে পারবেন। অ্যাপটিতে ভোটকেন্দ্রের জিও লোকেশন, কেন্দ্রের ছবি, কেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্ব এবং ম্যাপসহ বিস্তারিত তথ্য দেখা যাবে। পাশাপাশি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের তথ্য, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের হলফনামা, নির্বাচনসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য এবং নির্বাচনের ফলাফল জানার সুবিধাও এতে রাখা হয়েছে। অ্যাপটি ব্যবহারের জন্য প্রথমে মোবাইলে ইনস্টল করতে হবে। এরপর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর ও জন্মতারিখ প্রদান করলে ভোটারের ভোটার আইডি নম্বর, নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রের নাম ও ঠিকানা, ভোট প্রদানের সিরিয়াল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় সব তথ্য প্রদর্শিত হবে।