খেলাধুলা

দুই ম্যাচে দুই জয় শেষে টেস্ট স্কোয়াডের অপেক্ষায় বাংলাদেশের হাসান

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৩, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

আগের ম্যাচের মতো এবার বল হাতে ততটা জ্বলে উঠতে পারেননি হাসান মাহমুদ। তবে খানিকটা অবদান রাখলেন ঠিকই। মিডলসেক্সকে ৪৯ রানে হারিয়ে দারুণ এক জয়ের দেখা পেল কেন্ট। হাসান এখন হারারেতে যোগ দেবেন বাংলাদেশ টেস্ট দলের সঙ্গে।

 

হাসান যোগ দেওয়ার আগে টানা দুই ম্যাচ হেরেছিল কেন্ট। বাংলাদেশের পেসারকে নিয়ে টানা দুই জয়ে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন টু-তে দলটি এখন পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে।

 

প্রথম ইনিংসে দুটি উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে হাসানের উইকেট একটি। আগের ম্যাচে কাউন্টি অভিষেকে ৯ উইকেট শিকার করেছিলেন ২৬ বছর বয়সী পেসার।

 

ক্যান্টারবুরিতে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে কেন্ট ৪১৬ রান করার পর মিডলসেক্স করেছিল ৪৪৩ রান। ২৭ রানে পিছিয়ে থাকা কেন্ট দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয় ২৫৭ রানে।

 

শেষ ইনিংসে সোমবার ২৩১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে মিডলসেক্স গুটিয়ে যায় ১৮১ রানে।

 

শুরু থেকেই নিয়মিত উইকেট হারিয়ে এক পর্যায়ে মিডলসেক্সের রান ছিল ৭ উইকেটে ৯৩। জাফার গোহার ৬৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ব্যবধান কমান।

 

হাসানের একমাত্র শিকার ক্যালেব ফ্যাকোনার। ভেতরে ঢোকা বলে স্টাম্প উপড়ে যায় ডানহাতি ব্যাটসম্যানের। প্রথম ইনিংসেও একইরকম ডেলিভারিতে তরুণ এই ব্যাটসম্যানের স্টাম্প উড়িয়ে দিয়েছিলেন হাসান।

 

কেন্টের অভিজ্ঞ পেসার ম্যাট মিল্নস উইকেট নেন ৫টি, কিথ ডাজন ৩টি।

 

দুই ম্যাচে দুই জয়ে প্রথম ধাপের কাউন্টি অভিযান শেষ হাসানের। চোট কাটিয়ে জিম্বাবুয়ে সফরের বাংলাদেশ টেস্ট দলে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। আগামী রোববার শুরু হারারে টেস্ট।

 

বিসিরি ছাড়পত্র পেলে আগামী সেপ্টেম্বরে আবার কাউন্টিতে ফিরে চারটি ম্যাচ খেলার কথা তার।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ফ্রান্স-স্পেন লড়াই: ‘ফাইনালের আগে ফাইনাল’

মাঠে দাপুটে পারফরম্যান্স আর টুর্নামেন্টে পথচলায়, স্পেন ও ফ্রান্সের সমর্থকদের মনে বিশ্বাস জন্মাতেই পারে, এই ম্যাচের জয়ী দলই জিতবে এবারের বিশ্বকাপ।   আরেক সেমি-ফাইনালের দুই দল ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা যৌক্তিকভাবেই এতে জানাতে পারে আপত্তি। তবে, স্পেনকে ইউরো জেতানো কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে কোনোরকম রাখঢাক না করেই বলে দিয়েছেন, “ফাইনালের আগে এই ম্যাচটিকে ফাইনাল বললে, মোটেও বাড়িয়ে বলা হবে না।”   বর্তমান ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দল ফ্রান্স, তিন নম্বরে আছে স্পেন। দুইয়ে আর্জেন্টিনা এবং চার নম্বরে ইংল্যান্ড। এই দলগুলোর এখন পর্যন্ত সফল যাত্রায় ফুটবল ইতিহাসে একটা প্রথমের জন্ম হয়েছে; এবারই প্রথম র‌্যাঙ্কিংয়ের প্রথম চার দল উঠেছে বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে।   ফাইনালে ওঠার প্রথম লড়াইয়ে ডালাসে মুখোমুখি হবে স্পেন ও ফ্রান্স। ১৫ জুলাই ১টায় (এএম) শুরু হবে ম্যাচটি।   স্কোয়াডের শক্তি, ফুটবল ঐতিহ্য, ডাগআউটে সফল মুখ- সব মিলিয়ে কোনো এক দলকে এগিয়ে রাখার সুযোগ খুব একটা নেই। তবে, বাড়তি আত্মবিশ্বাস খুঁজে নেওয়ার চেষ্টায় স্পেন কিছুটা হলেও এগিয়ে থাকতে পারে। কারণটা আর কিছু না, সবশেষ দুইবারের মুখোমুখি লড়াই।   দুটিই সেমি-ফাইনাল: ২০২৪ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পথে শেষ চারে ফরাসিদের ২-১ গোলে হারিয়েছিল স্পেন, আর গত বছর উয়েফা নেশন্স লিগে ফাইনালে ওঠার ম্যাচে ৯ গোলের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৫-৪ ব্যবধানে জিতেছিল দে লা ফুয়েন্তের দল।   ওই দুই সাফল্যের স্মৃতি আওড়ে স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিও শোনালেন জয়ের আশাবাদ।   “এখানে সেরা দলগুলোর একটি ফ্রান্স, যারা দুর্দান্ত ছন্দে আছে, অবশ্য আমরাও ফর্মে আছি। আমরা তাদের হারাতে পারি। ইউরো ও নেশন্স লিগে আমরা তা করে দেখিয়েছি।”   ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় তারকা কিলিয়ান এমবাপেও একইভাবে জয়ের স্বপ্ন দেখছেন। তবে টুর্নামেন্ট ফেভারিট হওয়ার চাপটাও অনুভব করছেন তিনি। তাই সতীর্থদের দিচ্ছেন বাড়তি সতর্ক থাকার তাগিদ।   “এটাকে একটা মিশন বলব কি না, জানি না। তবে আমরা সবাই জানি, শিরোপা জয়ের পরই কেবল আমরা নির্ভার হতে পারি। এর আগে আমরা অসাবধান হতে পারি না। ‘অজেয় দল’ হিসেবে পরিচিত হতে আমাদের এখনও অনেক কিছুর প্রমাণ দিতে হবে।”   তৃতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে ওঠার অভিযানে ছুটছে ফরাসিরা। ২০১৮ সালে দ্বিতীয়বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর, গতবার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে টাইব্রেকারে হেরেছিল দিদিয়ে দেশোঁর দল।   আর স্পেন তাদের একমাত্র বিশ্বসেরার মুকুট জিতেছিল ২০১০ আসরে। তবে টানা ৩৬ ম্যাচের অপরাজেয় ধারায় ছুটছে দলটি, সেমি-ফাইনালে হার এড়ালেই তারা ছুঁয়ে ফেলবে ইতালির ৩৭ ম্যাচের অপরাজেয় রেকর্ড।   স্পেন সবশেষ হেরেছিল ২০২৪ সালের মার্চে, কলম্বিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে। সুখকর পথচলায় এবারই হয়তো সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে দলটি। রদ্রির কথাতেও যেটা পরিষ্কার।   “ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচই হয়তো আমাদের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। আমরা দারুণ অনুপ্রাণিত এবং শিরোপা জিততে মরিয়া হয়ে আছি। আমাদের নিজেদের শক্তি অনুযায়ী খেলতে হবে। ফ্রান্স দারুণ শক্তিশালী দল, তবে আমরাও তাই।”   স্প্যানিশদের শক্তির জায়গা ইতোমধ্যে পরিষ্কার হয়ে গেছে। আর সেটা হলো তাদের জমাট রক্ষণ; ছয় ম্যাচে কেবল একটি গোল হজম করেছে তারা, সবচেয়ে কম। বিপরীতে ফ্রান্সের শক্তির জায়গা তাদের ভয়ঙ্কর আক্রমণ; দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬টি গোল করেছে দলটি।   জমাট রক্ষণের সামনে ভয়ানক আক্রমণভাগ- সত্যিই যেন সেয়ানে সেয়ানে লড়াই হতে যাচ্ছে।   আর শুরুর ওই ‘ফাইনালের আগে ফাইনাল’ প্রসঙ্গে উত্তরটা তো সময়েই মিলবে। তবে ফুটবল বোদ্ধাদের অনেকের ইঙ্গিত এমনই।   কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকে বিদায়ের পর বেলজিয়ামের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক তিবো কোর্তোয়াও যেমন বলেন, “ফ্রান্স ও স্পেনের সেমি-ফাইনালের জয়ী দলই হবে বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন।”

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১৪, ২০২৬
মুখোমুখি আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের দুই তারকা। ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে কে জিতবে? ভবিষ্যদ্বাণী করলেন জ্যোতিষী

ছবি: সংগৃহীত

ফাইনালে যেতে মেসিকেই থামাতে হবে ইংল্যান্ডকে

ছবি: সংগৃহীত

হালান্ডের আবেগঘন বার্তা, জানালেন মনের কথা

ছবি: সংগৃহীত
ইংল্যান্ড ম্যাচে জার্সি বদলাতে চায় আর্জেন্টিনা, কারণ কী?

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনাল। তার একদিন পর বুধবার অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। যে ঐতিহাসিক ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আটলান্টায় এই ম্যাচ সামনে রেখে জার্সি নিয়ে ফিফাকে বিশেষ অনুরোধ করেছে আলবিসেলেস্তেরা। ঐতিহ্যগত হোম কিটের পরিবর্তে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের নীল অ্যাওয়ে জার্সি পরতে চায় আর্জেন্টিনা। এজন্য ফুটবলের বিশ্ব সংস্থার অনুমতি চেয়েছে তারা। আর্জেন্টাইন সাংবাদিক গাস্তন এদুল গতকাল রোববার সন্ধ্যায় এনিয়ে তথ্য দিয়েছেন। তিনি এক্স-এ লিখেছেন, ‘ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নীল জার্সিতে খেলার জন্য ফিফার কাছে অনুমতি চেয়েছে আর্জেন্টিনা।’   এখনো ফিফা আর্জেন্টিনাকে এই অ্যাওয়ে জার্সিতে খেলার অনুমোদন দেয়নি। তবে এদুল জানিয়েছে, মঙ্গলবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে যাচ্ছে, ‘মঙ্গলবার এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ চলতি বিশ্বকাপে কেবল একবার এই নীল জার্সি পরে খেলেছে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে তারা সেটি পড়েছিল। ম্যাচটি ৩-১ গোলে জিতেছিল মেসিরা।   নীল জার্সি কি সৌভাগ্যের প্রতীক? অ্যাওয়ে কিট পরে খেলার জন্য আর্জেন্টিনার অনুরোধের কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা যায়নি। খুব সম্ভবত এটি কুসংস্কার ও সৌভাগ্য সম্পর্কিত, যেটা আর্জেন্টিনায় ‘কাবালা’ নামে পরিচিত।   আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ইতিহাসে পাঁচবার থ্রি লায়নদের মুখোমুখি হয়েছে। তিনবার নকআউটে। ইংল্যান্ড তিন ম্যাচ জিতে কিছুটা এগিয়ে, আর্জেন্টিনার জয় দুটি। এর মধ্যে ১৯৮৬ সালের বিখ্যাত কোয়ার্টার ফাইনাল রয়েছে, যেখানে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ ছিল আলোচিত। আরেকটি জয় এসেছিল ১৯৯৮ সালের শেষ ষোলোতে, পেনাল্টিতে।   উল্লেখ্য, আর্জেন্টিনা যে দুইবার ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে, প্রত্যেকবার তারা ডোরাকাটা নীল ও সাদা হোম জার্সির বদলে তাদের আকাশী নেভি বা গাঢ় নীল রঙয়ের অ্যাওয়ে জার্সি পরেছিল।   সম্ভবত এই কারণেই আর্জেন্টিনা এবারও নীল জার্সি পরে মাঠে নামতে চাইছে। আর যখন ফুটবলের ব্যাপার আছে, তখন আর্জেন্টাইন সংষ্কৃতিতে কাবালা গোপন কোনো বিষয় নয়।   কুসংস্কারের বিষয়টি একপাশে সরিয়ে রাখলে আর্জেন্টিনার এই জার্সি পরে খেলার অনুরোধ স্বাভাবিক। কারণ ফিফা সেমিফাইনালের জন্য ইংল্যান্ডকে হোম টিম হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। তাতে করে স্বাভাবিকভাবে আর্জেন্টিনাকে অ্যাওয়ে কিট পরতে হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ফেরার সিরিজে নজরকাড়া মোসাদ্দেক, আইসিসির সেরা হওয়ার লড়াইয়ে

কেপ ভার্দে তারকাকে নিলো ব্রাজিলের ক্লাব

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা, বাড়তি নিরাপত্তা

ছবি: সংগৃহীত
শ্বকাপে গোলের সুযোগ নষ্ট, প্রাণনাশের হুমকিতে আত্মগোপনে কলম্বিয়ার ফুটবলার

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ একটি গোলের সুযোগ হাতছাড়া করার পর প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন কলম্বিয়ার উইঙ্গার হামিন্তন কাম্পাস। নিরাপত্তাজনিত কারণে ২৬ বছর বয়সী এই ফুটবলার আত্মগোপনে গেছেন বলে জানা গেছে।   সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে নিশ্চিত গোলের সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি কাম্পাস। পরে ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ালে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে সুইজারল্যান্ড, আর বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় কলম্বিয়া।   ম্যাচ শেষে দলের সঙ্গে বোগোতাগামী বিমানে না ওঠায় তার অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। পরে কলম্বিয়ান ফুটবল ফেডারেশন জানায়, হুমকির কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন এবং হুমকিদাতাদের আচরণের নিন্দা জানায় সংস্থাটি।   এরপর ইনস্টাগ্রামে এক আবেগঘন বার্তায় কাম্পাস লেখেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি কলম্বিয়ার জার্সি পরে বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখতেন। দেশের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, জাতীয় দলের প্রতি তার ভালোবাসা ও প্রতিশ্রুতিতে কোনো ঘাটতি ছিল না এবং দেশের জন্য তিনি সবসময় সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।   উল্লেখ্য, চলতি বিশ্বকাপে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে একটি গোল করেছিলেন কাম্পাস। তবে শেষ ষোলোর সেই মিস করা সুযোগের পর থেকেই তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়েন।   ঘটনাটি ১৯৯৪ বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোল করার পর দেশে ফিরে নিহত হওয়া কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার আন্দ্রেস এসকোবারের মর্মান্তিক ঘটনার স্মৃতিও আবার সামনে নিয়ে এসেছে।   এক বিবৃতিতে কলম্বিয়ান ফুটবল ফেডারেশন বলেছে, দেশের প্রতিনিধিত্ব করার কারণে কোনো ক্রীড়াবিদ বা তার পরিবারের সদস্যদের কখনোই হুমকি বা সহিংসতার শিকার হওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে কাম্পাস ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দুই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পক্ষে-বিপক্ষে যত বিতর্ক

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পরই কোচকে ছাঁটাই করল সেনেগাল

ছবি: সংগৃহীত

বেঞ্চের শক্তিতে স্বস্তিতে স্কালোনি

0 Comments