জাতীয়

দেশব্যাপী ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে: গণপূর্ত মন্ত্রী

মারিয়া রহমান জুলাই ১৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, পার্ক, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের তীব্র সংকট নিরসনে সারা দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।

 

আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

 

জাকারিয়া তাহের বলেন, ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমানে দেশব্যাপী প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।

 

গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, রাজধানীর ফার্মগেটে আনোয়ারা উদ্যানে একটি পার্ক নির্মাণ, রামপুরা, খিলগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় এলাকা এবং খিলগাঁও পুনর্বাসন এলাকায় তিনটি খেলার মাঠ উন্নয়ন, পাশাপাশি খিলগাঁওয়ে ঈদগাহ, পার্ক ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

 

মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে দুটি এবং কক্সবাজারে দুটি পার্ক নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ঢাকার রমনা পার্ক আধুনিকায়নের কাজ শেষ করে তা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

 

গণপূর্ত মন্ত্রী আরও জানান, ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দায় আরও একটি পার্ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

 

জাকারিয়া তাহের বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সরকার সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

 

মন্ত্রী বলেন, যথাযথ পরিকল্পনা ও গবেষণার মাধ্যমে ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে বহুতল ভবন নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া নগর উন্নয়ন প্রকল্পে আধুনিক নির্মাণ প্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব নির্মাণ সামগ্রী, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, স্বতন্ত্র পয়ঃশোধনাগার (এসটিপি) এবং পর্যাপ্ত সবুজায়নের ব্যবহারে সরকার উৎসাহিত করছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও অংশজনের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে চট্রগ্রাম বোর্ড ছাড়া দেশের সব বোর্ডের কেন্দ্রগুলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার জন্য উপযোগী বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।    শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষা সরকারের অগ্রাধিকার বলেও জানান তিনি। মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা তার ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান।   মাহদী আমিন বলেন, দেশজুড়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা-২০২৬ চলমান রয়েছে। বিরূপ আবহাওয়ার মধ্যে কেন এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, এ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শুভানুধ্যায়ীদের উদ্বেগ ও প্রশ্ন রয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও যথেষ্ট ভেবেছে।   প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, পারিপার্শ্বিক সব পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং অন্যান্য অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে, বর্তমানে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল। তবে জানা গেছে, দেশজুড়ে পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে।   মাহদী আমিন বলেন, পরীক্ষার্থীরা আমাদের সন্তানতুল্য। তাদের ভবিষ্যৎ, স্বপ্ন ও মানসিক অবস্থার গুরুত্ব সরকার গভীরভাবে উপলব্ধি করে। জনগণের নির্বাচিত সরকার হিসেবে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশে পরীক্ষা নিশ্চিত করা একটি দায়বদ্ধতা। পরীক্ষার্থীদের যেন কোনো দুর্ভোগ না হয় সেটি যেমন সরকারের লক্ষ্য, ঠিক তেমনি তাদের দীর্ঘদিনের পাঠ্যক্রম ও মানসিক প্রস্তুতিকে মূল্যায়ন করে যথাসময়ে ও সুষ্ঠুভাবে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সম্পন্ন করাও দায়িত্ব। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষাই অগ্রাধিকার।   এ কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিগত কয়েকদিন ধরেই আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছে উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, আজ সকালেও বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করেছে। সর্বসম্মত মতামত এসেছে যে, চট্টগ্রাম বোর্ড ব্যতীত দেশের সব বোর্ডের আওতাধীন এলাকায় পরীক্ষা নেওয়ার অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান।    তবে একইসঙ্গে সীমিতসংখ্যক হলেও, যেকোনো শিক্ষার্থীর ভোগান্তি কোনোভাবেই কাম্য নয় এবং সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে।   প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই উপদেষ্টা বলেন,  চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২,৬৯৭টি কেন্দ্রে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি- এই পাঁচ জেলায় ইতোমধ্যে ১৬ জুলাই পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। অন্যান্য জেলায় পরীক্ষা আয়োজনে অনুকূল পরিবেশ থাকায়, বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনায় পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সর্বস্মতিক্রমে গৃহীত হয়।   সামনের দিনগুলোতেও বিরূপ আবহাওয়ার জন্য একদিকে দেশজুড়ে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীবান্ধব যে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   মাহদী আমিন বলেন, একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, কোথাও যাতায়াত বা জলাবদ্ধতার কারণে সমস্যা হলে প্রয়োজনে কেন্দ্র পরিবর্তন, পরীক্ষা স্থগিত, কিংবা পরীক্ষার সময় বৃদ্ধিসহ যে কোনো প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত তারা নিতে পারবেন। যদি বিরুপ আবহাওয়ার কারনে দেশের কোথাও কোন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে না পারে, তবে তারা চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত হওয়া পরীক্ষার সঙ্গে একই দিনে অংশগ্রহণ করতে পারবে। পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নে দুটি ভুল পাওয়ার তথ্য এসেছে। এ প্রশ্নের জন্য সবাইকে ফুল মার্কস দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত, সেটি শিক্ষার্থীবান্ধব নীতিরই প্রতিফলন।   প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, গতকাল কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে নৌকায় পরীক্ষার্থী পারাপারের ছবি বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ১৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে আকস্মিক জলাবদ্ধতার কারণে, মূলত এই একটি কেন্দ্রের ৯৮৭ জন পরীক্ষার্থী সাময়িক সমস্যায় পড়ে। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার, সিটি করপোরেশন এবং শিক্ষা বোর্ডের সমন্বিত সিদ্ধান্তে ওই কেন্দ্রের পরীক্ষা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হয় এবং পরীক্ষার পূর্ণ সময় নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি যাতায়াতের জন্য আলোচিত সেই ছবির মতো বহুমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশাসনিক পদক্ষেপে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহন নিশ্চিত করা হয়। কেবল একটি কেন্দ্রের এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও, কুমিল্লা বোর্ডের বাকি ১৯২টি কেন্দ্রের প্রায় সকল শিক্ষার্থীর পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।   সারা দেশে ২,৬৯৭টি পরীক্ষা কেন্দ্রে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, তার মধ্যে মুষ্টিমেয় কিছু কেন্দ্রের ছবি ও ভিডিও নিশ্চয়ই পুরো পরীক্ষা ব্যবস্থার প্রতিনিধিত্ব করে না। মিথ্যা-পুরনো ছবি ও ভিডিও দিয়ে অপপ্রচার চালানো, কিংবা রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল ও উস্কানি প্রদান গণ-আকাঙ্ক্ষার সাথে সাংঘর্ষিক। এ বিষয়ে কোমলতি শিক্ষার্থীরা নিশ্চয় সজাগ রয়েছে।   তিনি জানান, গণতান্ত্রিক যে মূল্যবোধ আমরা ধারণ করি, সেখানে গঠনমূলক ও ইতিবাচক সমালোচনা অবশ্যই থাকবে। মতের পার্থক্যও থাকবে, কিন্তু দেশের বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের ঐকমত্য থাকতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে শিক্ষার্থীবান্ধব প্রতিটি মানুষের ঐক্য প্রয়োজন। কারণ দেশটা আমাদের সবার। এই শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের সবার। এই শিক্ষার্থীরাই আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাদের সহযোগিতা করা ও প্রেরণা যোগানো আমাদের সবার সমন্বিত দায়িত্ব।   মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রবল দায়বদ্ধতা ও অবারিত দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে দেশ পরিচালনায় বর্তমান সরকার ব্রত রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা বিপুলসংখ্যক জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও চাহিদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাঝে পরীক্ষা দিতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থীর কষ্ট হয়েছে, এটি যেমন সত্য; তেমনি বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী নির্বিঘ্নে পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছে, এটিও সত্য। কিছু পরীক্ষা কেন্দ্রে অনেক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে, এটি যেমন সত্য; দেশের বিরাট অংশের শিক্ষার্থীরা কোনো ধরনের বন্যা, জলাবদ্ধতার বা দুর্ভোগে পড়েনি, এটিও সত্য।   প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার্থীরাই আগামীর দেশ বিনির্মাণের কারিগর। প্রধানমন্ত্রী সবসময় তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের সুযোগ ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দায়বদ্ধ। তাই সব ধরনের দ্বিধা ও অস্থিরতা পেছনে ফেলে, নিজের মেধা ও যোগ্যতার ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে, দেশের সকল পরীক্ষার্থীদের মূল মনোযোগ হওয়া উচিত পড়ালেখায় মনোনিবেশ করে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জন করা। এই পরীক্ষা কেবল একটি সার্টিফিকেট পাওয়ার লড়াই নয়, বরং নিজের লক্ষ্যে পৌঁছার এবং দেশকে এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।   প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব, এমন পরিবেশ অটুট রাখা, যেন শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত না হয় বা তাদের আত্মবিশ্বাস কোনভাবেই ক্ষুণ্ন না হয়। আগামী দিনের পরীক্ষাগুলোতে শিক্ষার্থীরা সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে অংশগ্রহণ করবে, নিজেদের সাফল্যে নিশ্চিত করবে বাংলাদেশের সমৃদ্ধি, ইনশাআল্লাহ।

মারিয়া রহমান জুলাই ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সংসদ ভবনের সামনে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের দ্বিতীয় দফা অবরোধ, চরম ভোগান্তি

ছবি : সংগৃহীত

হাইকোর্টে রিট নিষ্পত্তি, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি

ছবি : সংগৃহীত

দেশব্যাপী ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে: গণপূর্ত মন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম ছাড়া সব শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা চলবে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী

চট্টগ্রাম বিভাগের স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো ছাড়া দেশের বাকি সব শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি।   মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু বলেন, পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়ে নতুন কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সূচিতেই পরীক্ষা চলবে এবং শিক্ষা বোর্ডগুলো সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে।   এর আগে সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় দেশের সার্বিক পরীক্ষা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা, শিক্ষা সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।   সভায় জানানো হয়, জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে শুধু চট্টগ্রাম বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে পরীক্ষা নেওয়ার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। গতকালের পরীক্ষাও একটি কেন্দ্র ছাড়া প্রায় সব কেন্দ্রেই নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানান।   সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সভায় সিদ্ধান্ত হয়, চট্টগ্রাম বিভাগ ব্যতীত দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অব্যাহত থাকবে।   অন্যদিকে, চলমান এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে মঙ্গলবারও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একদল শিক্ষার্থী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। টানা বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে পরীক্ষা আয়োজনের প্রতিবাদ জানিয়ে তারা দুর্যোগপূর্ণ এলাকার পরীক্ষা স্থগিত, ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন।   এসব দাবিতে ঢাকার সায়েন্স ল্যাব, উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের কর্মসূচি পালন করা হয়।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত না করার কারণ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে সেই হরিদাস হয়ে যান তৌহিদ ইসলাম

ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল

  রাজধানীতে অল্প বা ভারী বৃষ্টি হলেই ডুবে যায় সড়ক। প্রধান সড়কের পানি কয়েক ঘণ্টায় সরলেও অলিগলিতে পানি নামতে সময় লাগে কয়েক দিন। সম্প্রতি টানা বৃষ্টিতে এই ভোগান্তি আরো বেড়েছে। সিটি করপোরেশন বলছে, নগরবাসী ড্রেনে অতিরিক্ত বাসাবাড়ির কঠিন বর্জ্য ফেলার কারণে ড্রেনগুলো সচল থাকছে না। এতে পানি সরতে সময় লাগছে। অন্যদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ড্রেনেজের পাশাপাশি রাজধানীর জলাবদ্ধতার বড় কারণ পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অকার্যকারিতা। খাল, স্লুইসগেট, পাম্পস্টেশন ও ড্রেনেজ অবকাঠামোর বড় অংশ ঠিকমতো কাজ করছে না। ফলে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রপাতির অচলাবস্থা এবং বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীনতার কারণে প্রতি বছর একই দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছে নগরবাসীকে।   ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টির পানি নদীতে নিষ্কাশনের অন্যতম প্রধান অবকাঠামো ৪১টি স্লুইসগেটের মধ্যে মাত্র ১৯টি কার্যকর রয়েছে। বাকি ২২টির মধ্যে ছয়টি সম্পূর্ণ অচল ও ১৫টি আংশিক সচল থাকলেও কার্যকরভাবে পানি নিষ্কাশনে ভূমিকা রাখতে পারছে না। আবার এসব স্লুইসগেট পরিচালনার জন্য সিটি করপোরেশনের নিজস্ব পর্যাপ্ত জনবলও নেই। একই সঙ্গে রাজধানীর আটটি প্রধান পানি নিষ্কাশন আউটলেটের তিনটি বড় পাম্পের মধ্যে একটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল রয়েছে। অন্য পাম্পগুলোও পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করতে পারছে না। ড্রেনে জমে থাকা বর্জ্য দ্রুত অপসারণের জন্য দুই সিটি করপোরেশনের পাঁচটি সাকার মেশিনের মধ্যে একটি দীর্ঘদিন ধরে অচল। অন্যদিকে দুই সিটির আওতায় থাকা ২৬টি খালের বড় অংশ পানিপ্রবাহের জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা হারিয়েছে।   দুই সিটি করপোরেশন সূত্র বলছে, প্রায় ৩০৬.৩৮ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ১২৯টি ওয়ার্ডে প্রায় আড়াই কোটি মানুষের বসবাস। অথচ এই বিশাল এলাকার বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য কার্যকরভাবে নির্ভর করতে হয় মাত্র আটটি আউটেলেটে। মালিবাগ, শান্তিনগর, পল্টন ও মতিঝিল এলাকার পানি টিটিপাড়া পাম্প স্টেশনের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়। পুরান ঢাকা, আজিমপুর, গুলিস্তান ও হাজারীবাগ এলাকার পানি ধোলাইখাল-সূত্রাপুর হয়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে যায়। গ্রিন রোড, তল্লাবাগ ও পান্থপথ এলাকার পানি হাতিরঝিল হয়ে রামপুরা পাম্প স্টেশনে পৌঁছে। আশুলিয়া এলাকার পানি গোড়ান চটবাড়ি এলাকা দিয়ে, এয়ারপোর্ট এলাকার পানি আব্দুল্লাহপুর আউটলেট, শ্যামলী মোহাম্মদপুর এলাকার পানি কল্যাণপুর এলাকা দিয়ে। আর যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর, জুরাইন ও ডিএনডি এলাকার কিছু অংশের পানি শিমরাইল পাম্প স্টেশনের মাধ্যমে শীতলক্ষ্যা নদীতে নিষ্কাশন করা হয়। এর মধ্যে হাতিরঝিল পরিচালনা করে রাজউক। কল্যাণপুর ও রামপুরা আউটলেট পরিচালনা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। ধোলাইখাল ও কমলাপুর-টিটিপাড়া আউটলেট পরিচালনা করে ডিএসসিসি। আব্দুল্লাহপুর ও গোড়ান-চটবাড়ি এলাকার আউটলেট পরিচালনা করে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং শিমরাইল আউটলেট নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন পরিচালনা করে। এদিকে, কমলাপুর স্টেডিয়ামসংলগ্ন টিটিপাড়া পাম্পস্টেশন দিয়ে প্রতি মিনিটে প্রায় ৮ লাখ ৫৫ হাজার লিটার পানি অপসারণের সক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু তিনটি বড় পাম্পের মধ্যে একটি প্রায় দেড় বছর ধরে বিকল। সম্প্রতি নতুন পাম্প কেনার জন্য দরপত্র সম্পন্ন হলেও চলমান বর্ষা মৌসুমে সেটি সচল করা সম্ভব হয়নি।   করপোরেশনের প্রকৌশলীদের দাবি, মেগাসিটি ঢাকার জলবদ্ধতা নিরসনে এত কম সংখ্যক আউটলেট পর্যাপ্ত নয়। কিন্তু পাঁচ দশক আগেও নগরীতে যে কয়টি আউটলেট ছিল, এখনো সে কয়টি আউটিলেটের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন হচ্ছে। নগরপিতা পরিবর্তন হলেও কেউ এই বিষয়ে নজর দেয়নি। ডিএসসিসির বিদ্যুত্ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদ বলেন, ধোলাইখালের তিনটি পাম্প সচল থাকলেও টিটিপাড়ার তিনটি পাম্পের মধ্যে একটি নষ্ট রয়েছে। এর জন্য দরপত্র সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী সপ্তাহে নতুন পাম্প সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে।   সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অধিকাংশ স্লুইসগেটের যান্ত্রিক অংশ নষ্ট হয়ে গেছে। নদীতে জোয়ারের সময় ব্যাক-ফ্লো ঠেকাতে অনেক সময় স্লুইসগেট বন্ধ রাখতে হয়। তখন পাম্পিংয়ের ওপর নির্ভরতা বেড়ে যায়। কিন্তু পাম্পও পুরোপুরি সচল না থাকায় পানি দীর্ঘ সময় আটকে থাকে। ডিএসসিসির প্রকৌশলীদের দাবি, ওয়াসা থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডে হস্তান্তরের পর দীর্ঘদিন যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় স্লুইসগেটগুলোর বর্তমান অবস্থা তৈরি হয়েছে।   বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসান বলেন, ‘বর্তমান বাস্তবতায় এই মেগাসিটির জন্য মাত্র সাতটি আউটলেট কোনোভাবেই পর্যাপ্ত নয়। বর্তমানে যে স্লুইসগেটগুলো আছে, সেগুলো দ্রুত কার্যকরের পাশাপাশি আরো স্লুইসগেট বাড়াতে হবে। এছাড়া আমাদের কেবল সাময়িক বা আপত্কালীন পাম্পিংয়ের ওপর নির্ভর না করে, দীর্ঘমেয়াদি নগর-পরিকল্পনার দিকে যেতে হবে।’   ডিএসসিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রাজিব খাদেম বলেন, রাজধানীর জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ ড্রেনেজ লাইনে জমে থাকা বর্জ্য ও ব্লকেজ। মানুষ নিয়মিত পলিথিন, প্লাস্টিক, রাবার ও স্পঞ্জ ফেলায় ড্রেন দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়। অনেক এলাকার পানি দীর্ঘ পথ ঘুরে নদীতে পৌঁছায় বলেও জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, পানি নিষ্কাশনের পথ সংক্ষিপ্ত করা, অকার্যকর স্লুইসগেট মেরামত, পাম্পের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং নতুন সাকার মেশিন সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে।   ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ড্রেন, নালা ও পানি নিষ্কাশনের পথ সচল রাখতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পানি জমে থাকা এলাকায় দ্রুত অপসারণে প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে এবং পাম্পগুলো সচল রাখা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ১৪, ২০২৬

সংশোধনীর মাধ্যমেই সংবিধানে বড় পরিবর্তন সম্ভব: তথ্য উপদেষ্টা

শেখ হাসিনা ফিরলে স্বচ্ছ বিচার হবে: তথ্য উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

অনেক ধৈর্য পরীক্ষার পর আজ একটা জায়গায় আমি এসেছি: প্রধানমন্ত্রী

0 Comments