জাতীয়

বুধবার হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল করা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জানুয়ারী ০৫, ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার চার্জশিট আগামী বুধবার আদালতে দাখিল করা হবে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আজ সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শরিফ ওসমান বিন হাদী হত্যা মামলার চার্জশিট চলতি মাসের ৭ জানুয়ারি আদালতে দাখিল করা হবে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ২৬ দিন পরই মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং এই সরকারের মেয়াদেই এ হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করতে যথাযথ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, তদন্ত প্রায় শেষের দিকে। এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ছয়জন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে-মূল পরিকল্পনাকারী ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী শাহেদা পারভিন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু এবং বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা। গ্রেফতারকৃত অন্যান্যরা হচ্ছে- মো. কবির, নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সিবিয়ন ডিও, সঞ্জয় চিসিম, আমিনুল ইসলাম রাজু এবং আব্দুল হান্নান।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল এবং প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সহযোগী আলমগীর শেখ পালিয়ে গেছে। তদন্তকালে পুলিশ দুটি বিদেশি পিস্তল, ৫২ রাউন্ড গুলি, একটি মোটরসাইকেল, জাল নম্বর প্লেট এবং ৫৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২১৮ কোটি টাকার চেক উদ্ধার করেছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত বেশ কয়েকজনকে ইতোমধ্যেই শনাক্ত করা হয়েছে, যদিও তদন্তের স্বার্থে সবার নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। 

এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর সোয়া দুইটার দিকে পল্টন থানার বিজয়নগর বক্স কালভার্ট রোডে হাদিকে গুলি করা হয়।

গুরুতর আহত হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয় এবং ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

হাদির ওপর হামলার পর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানা একটি মামলা দায়ের করেন। গত ২০ ডিসেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ (হত্যা) ধারা অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সাংবাদিক গ্রেপ্তারের ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের দুঃখপ্রকাশ

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তার কিছু অংশকে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর। একই সঙ্গে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ এর চার সাংবাদিককে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতি এবং একজন সাংবাদিকের গ্রেপ্তারের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।   শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে প্রতিমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি মো. আতিকুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বক্তব্য তুলে ধরা হয়।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে নানা ধরনের তথ্য ও দাবি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে তার নাম ব্যবহার করে বা তার সমর্থন আছে—এমন দাবি তুলে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন মামলা, বিবৃতি কিংবা অন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।   প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার কোনো অনুমোদন বা নির্দেশনার সম্পর্ক নেই।   বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ এর চার সাংবাদিককে ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি আশা করেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আলোচনার মাধ্যমে এবং প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সমস্যার গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাবে।   গ্রেপ্তার হওয়া সাংবাদিকের দ্রুত মুক্তির প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।   সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামলার বাদীও পেশায় সাংবাদিক এবং তিনি বগুড়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কোষাধ্যক্ষ। তাই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক সমাজের মধ্যে যেন কোনো ভুল বোঝাবুঝি, বিভাজন বা অস্থিরতা তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।   বর্তমান পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল আচরণ ও সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

নিজ নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণে আপত্তি জানিয়ে ডিও লেটার দেন প্রতিমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীতে ৫ কাঠা বা তদূর্ধ্ব প্লটে এসটিপি স্থাপন বাধ্যতামূলক: রাজউক চেয়ারম্যান

ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বগুড়ার দুই ইউনিয়নের নাম বদলে যাচ্ছে

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ছবি : সংগৃহীত
অপতথ্য ছড়ানো নিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত অপতথ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে বা তার পক্ষে দাবি করে কোনো ব্যক্তি যেন নিজ উদ্যোগে মামলা, বিবৃতি কিংবা অন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন, সে বিষয়ে সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।   শুক্রবার (১৯ জুন) প্রতিমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি মো. আতিকুর রহমানের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   এতে বলা হয়, এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর অনুমোদন বা নির্দেশনার সম্পর্ক নেই।   বিবৃতিতে সম্প্রতি দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের চারজনকে ঘিরে সৃষ্ট ঘটনার প্রসঙ্গও উল্লেখ করা হয়। এতে প্রতিমন্ত্রী ঘটনাটির জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ পারস্পরিক আলোচনা ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাবে এবং গ্রেপ্তার করা সাংবাদিক দ্রুত মুক্তি পাবেন।   একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, মামলার বাদীও একজন সাংবাদিক এবং বগুড়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কোষাধ্যক্ষ। ফলে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক সমাজের দুই পক্ষের মধ্যে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি বা উত্তেজনা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সংযম ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।   বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রতিমন্ত্রী তার সম্পর্কে প্রচারিত বিভিন্ন তথ্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য সম্মানিত সাংবাদিকদের প্রতি আন্তরিক অনুরোধ জানিয়েছেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৯, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

আবারও পরিবর্তন হচ্ছে পুলিশের পোশাক, প্রজ্ঞাপন জারি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

খেলাধুলাই রুখবে মাদক ও মোবাইল আসক্তি: প্রধানমন্ত্রী

ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের স্ক্রিনশট

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পেজে জুয়ার বিজ্ঞাপন, হ্যাকের অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত
‘জামায়াতের পতনের ঘণ্টা বেজে গেছে’: ফেসবুকে রাশেদ খান

বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ও গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।   শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, খুব শিগগিরই জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়বে এবং দলটি ‘বিরোধী দল হিসেবে পতনের মুখে পড়বে’। এই পরিস্থিতির জন্য তিনি দলটির নিজেদের নেতাকর্মীদের আচরণ ও কর্মকাণ্ডকে দায়ী করেন।   রাশেদ খান অভিযোগ করেন, সমালোচনার জবাবে তাকে নিয়মিতভাবে সামাজিক মাধ্যমে গালাগাল করা হয়। তিনি উদাহরণ হিসেবে একটি স্ক্রিনশটও শেয়ার করেন এবং বলেন, গালিগালাজ করে তাকে থামানো যাবে না।   তিনি আরও বলেন, “আমাকে থামাতে গালিকে হাতিয়ার করা হচ্ছে, কিন্তু এতে কোনো লাভ হবে না।” তাঁর মতে, এসব প্রতিক্রিয়া ভবিষ্যতে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়াতে পারে।   পোস্টে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের ‘পতনের ঘণ্টা বাজতে শুরু করেছে’ এবং তাদের অযোগ্যতা ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক অঙ্গনে দৃশ্যমান হচ্ছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, দলটি যত বেশি বক্তব্য দেবে, তাদের দুর্বলতা তত বেশি প্রকাশ পাবে।   সবশেষে তিনি বলেন, ইতিহাসের সবচেয়ে ‘দুর্বল বিরোধী দল’ হিসেবে জামায়াতের দ্রুত পতন ঘটবে বলে তিনি মনে করেন, যার দায় দলটির নিজেদের নেতাকর্মীদের ওপরই বর্তাবে।   এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, যদিও দলটির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ১৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় প্রেসক্লাবে বর্ণিল ফল উৎসব ও গানের আয়োজন

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তিন সংস্থার প্রধানের পরিচয়পত্র পেশ

ছবি: সংগৃহীত

পাকুন্দিয়ায় গরু চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে আতঙ্কে খামারিরা

0 Comments