খেলাধুলা

ভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

মারিয়া রহমান আগস্ট ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিপক্ষে ইব্রাহিম জাদরানকে অধিনায়ক করে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দল ঘোষণা করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)।

 

দলে ফেরানো হয়েছে পেস বোলার নবীন উল হককে। ডান কাঁধের চোটের জন্য কয়েক মাস মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। খেলতে পারেননি গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও। দলে রয়েছেন ফজল হক ফারুকি, আবদুল্লাহ আহমেদজাইয়ের মতো পেসার। অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাইও।

 

 

দলে ফেরানো হয়েছে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার গুলবাদিন নাইবকেও। রশিদ খান, মোহাম্মদ নবি, নুর আহমেদ, নানগেলিয়া খারোতের মতো নিয়মিত ক্রিকেটারেরাও আসছেন ভারতে। প্রথম উইকেটরক্ষক হিসাবে দলে রয়েছেন রহমাউল্লাহ গুরবাজ। দ্বিতীয় উইকেটরক্ষক হিসাবে রয়েছেন নুর রহমান।

 

এসিবির সিইও নাসিব খান জানিয়েছেন, ভারসাম্যযুক্ত দল নির্বাচন করা হয়েছে। ব্যাটিং-বোলিং, স্পিন বোলিং-জোরে বোলিং, অভিজ্ঞতা-তারুণ্য সব কিছুরই ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

 

ভারত-আফগানিস্তান টি-টোয়েন্টি সিরিজের সব ম্যাচই হবে দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে। ম্যাচগুলি হবে ১৩, ১৫ এবং ১৭ সেপ্টেম্বর।

 

আফগানিস্তান দল: ইবরাহিম জাদরান (অধিনায়ক), রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটরক্ষক), নুর রহমান (উইকেটরক্ষক), রশিদ খান, মোহাম্মদ নবি, সেদিকুল্লাহ অটল, দারউইশ রাসুলি, নবিন-উল হক, ফজল হক ফারুকি, আবদুল্লাহ আহমেদজাই, মুজিব-উর রহমান, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, গুলবাদিন নাইব, নুর আহমেদ, নানগেলিয়া খারোত।

 

রিজার্ভ: ইজাজ আহমেদজাই, শহিদুল্লাহ কামাল, ফরিদ আহমেদ মালিক।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
আর্জেন্টাইন ক্লাবের বিশ্ব রেকর্ড এখন রোনালদোর দলের

হোসে ম্যানুয়েল মোরেনো ফার্নান্দেজ। লোকে ডাকত ‘এল চারো’ বা ‘কাউবয়’। প্রথম ফুটবলার হিসেবে চারটি দেশে জিতেছিলেন প্রথম বিভাগের লিগের শিরোপা। কারও কারও চোখে পেলে, ডিয়েগো ম্যারাডোনা, আলফ্রেডো ডি স্টেফানোদের চেয়েও এগিয়ে। ফুটবলের একটু বয়স্ক সমর্থকদের মনে পড়তে পারে, চল্লিশের দশকে রিভার প্লেটের সেই কিংবদন্তিতুল্য ‘লা মাকিনা’ দলের সদস্য তিনি। সোজা কথায়, আর্জেন্টাইন ফুটবলের কিংবদন্তি।   আর্জেন্টিনার হয়ে দুইবার কোপাজয়ী সাবেক এই ইনসাইড ফরোয়ার্ডকে লোকে অন্য কারণেও মনে রেখেছে। কিংবদন্তি আছে, তাঁকে গোলবঞ্চিত রাখতে পারলে গোলরক্ষককে স্বর্ণপদক দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল স্থানীয় পত্রিকা। আরও গুঞ্জন ছিল, শটে জোর বাড়াতে বুটে লোহা ব্যবহার করতেন। তবে আর্জেন্টিনার প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের বছর প্রয়াত হওয়া মোরেনোকে এখন টেনে তোলার কারণটা হুট করে নয়। আল নাসর ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর তাতে ভূমিকা আছে।   সৌদি প্রো লিগে গত পরশু আল খালিজের মাঠে ১–১ গোলে ড্র করে আল নাসর। এর মধ্য দিয়ে ভেঙেছে ৮৭ বছরের পুরোনো বিশ্ব রেকর্ড। সেটা ঘরোয়া শীর্ষ লিগে টানা সর্বোচ্চ ম্যাচে গোলের। ত্রিশের দশকের শেষ দিক থেকে আর্জেন্টিনার ক্লাব রিভার প্লেটের দখলে ছিল রেকর্ডটি।   আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ‘এল গ্রাফিকো’ জানিয়েছে, ১৯৩৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৩৯ সালের ৪ জুন পর্যন্ত স্থানীয় লিগে টানা ৯৩ ম্যাচে গোল করেছিল রিভার প্লেট। গোলসংখ্যা ৩০১। মোরেনো ১৯৩৫ থেকে ১৯৪৪ পর্যন্ত খেলেন রিভার প্লেটে। জুটি বাঁধেন চল্লিশের দশকের আরেক কিংবদন্তি ইনসাইড ফরোয়ার্ড অ্যাডলফো পেদেরনেরার সঙ্গে, লোকে যাঁকে ডাকত ‘এল মায়েস্ত্রো’ নামে। সে যাহোক, ২০১৭ সালে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘এএস’ তাদের প্রতিবেদনে জানায়, রিভার প্লেটের লিগে টানা সর্বোচ্চ ম্যাচে গোলের বিশ্ব রেকর্ড গড়ায় সর্বোচ্চ ৭৭ গোল ছিল মোরেনোর।   আর্জেন্টাইন ক্লাবের সেই বিশ্ব রেকর্ড আল নাসরের ছোঁয়ায় অবদান রোনালদোর। ৯ সেপ্টেম্বর প্রো লিগে আবহার বিপক্ষে আল নাসরের ২–১ গোলের জয়ে প্রথম গোলটি ছিল পর্তুগিজ কিংবদন্তির। এর মধ্য দিয়ে রিভার প্লেটের বিশ্ব রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলে আল নাসর। তারপর গত শনিবার আল খালিজের বিপক্ষে সৌদি ফরোয়ার্ড আবদুল্লাহ আল-হামদানের গোলে রেকর্ডটির একক দখল নেয় ক্লাবটি। ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর আল-রিয়াদকে ৪–১ গোলে হারিয়ে শুরু হয়েছিল আল নাসরের লিগে টানা ম্যাচে গোলের অভিযাত্রা।   ‘এল গ্রাফিকো’ জানিয়েছে, লিগসহ অন্য সব অফিশিয়াল ম্যাচ হিসাবে নিলে রিভার প্লেটের একটি রেকর্ড এখনো টিকে আছে। সেই সময় স্থানীয় টুর্নামেন্ট ও কাপ মিলিয়ে টানা ৯৬টি ম্যাচে গোল করেছিল রিভার প্লেট। এটি টানা সর্বোচ্চ অফিশিয়াল ম্যাচে গোলের বিশ্ব রেকর্ড। এই সময়ে ৯৩টি লিগ ম্যাচ, পেনিয়ারোলের বিপক্ষে এএফএ ও এইউএফের দ্বিপক্ষীয় প্রতিযোগিতায় দুটি ম্যাচ এবং রোজারিও সেন্ট্রালের বিপক্ষে একটি জাতীয় কাপ ম্যাচে গোল করেছে রিভার প্লেট।

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

উইকেটের পর ‘সেন্ড-অফ’, ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা ভারতীয় ক্রিকেটারের

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ জয়ী গোলদাতার গোলে পিএসজির প্রথম জয়

উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ

‘এবছর ব্যালন ডি’অর আমারই প্রাপ্য’, জোর দাবি স্প্যানিশ তারকার

ফুটবল বিশ্বে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ মর্যাদার পুরস্কার–ব্যালন ডি’অর। বছরজুড়ে সেরা পারফরম্যান্সের খেতাব হিসেবে পুরস্কারটি দিয়ে থাকে ফ্রান্স ফুটবল। যার জন্য মরিয়া হয়ে থাকে ফুটবলাররা। মাঠে নিজেদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনে ক্যারিয়ারে অন্তত একটি ব্যালন ডি’অর জেতার।   ইতোমধ্যে ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করেছে আয়োজকরা। সেখানে পুরস্কারটির সর্বোচ্চ মালিক লিওনেল মেসি ছাড়াও আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, জুড বেলিংহ্যাম, লামিন ইয়ামাল, ভিনিসিউস জুনিয়র, হ্যারিকেইনের মতো তারকারা।   তবে দৌড়ে সবার থেকে নিজেকে এগিয়ে রাখছেন ১৯ বছর বয়সী স্প্যানিশ তারকা ইয়ামাল। এমনকি জোর দাবিই জানিয়ে রেখেছেন তিনি। তার মতে, কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে তিনিই বর্তমান বিশ্বের সেরা দুই খেলোয়াড়ের একজন এবং গত মৌসুমে জেতা শিরোপার কারণে এবার পুরস্কারটি তারই প্রাপ্য।   ব্যালন ডি’অর নিয়ে নিজের দাবির কথা স্পষ্ট করে এই ফরোয়ার্ড মনে করেন, চলতি বছর ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারটি জেতার যথেষ্ট যোগ্যতা তার রয়েছে।   স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুভিস্টারকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল বলেন, ‘আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, বিশ্বে দুই জন সেরা খেলোয়াড় আছে। আর এ বছর আমি এটা পাওয়ার যোগ্য, কারণ আমি যা জিতেছি।’   গত মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন ১৯ বছর বয়সী এই উইঙ্গার। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২৪ গোলের পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ১৮টি গোল।   নতুন মৌসুমেও সেই দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রেখেছেন ইয়ামাল। লা লিগার প্রথম পাঁচ ম্যাচেই তার নামের পাশে ছয় গোল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও ফেইনুর্দের বিপক্ষে ৫-১ ব্যবধানে জয়ে গোল পেয়েছেন তিনি।   তবে ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে নিজের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে কিলিয়ান এমবাপ্পেকেই দেখছেন ইয়ামাল।   তিনি বলেন, ‘আমার কাছে এমবাপ্পে এবং আমি বিশ্বের সেরা দুই খেলোয়াড়। এটা আমার কাছে পরিষ্কার। আর যারা ম্যাচ দেখে, তারাও বিষয়টি জানে।’   এমবাপ্পের মতো তারকার সঙ্গে লড়াইয়ে এগিয়ে থাকার কারণ হিসেবে নিজের দলীয় সাফল্যকেই সামনে আনছেন ইয়ামাল। তার দাবি, মৌসুমজুড়ে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি দলকে শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ব্যালন ডি’অরের দাবিদার তিনিই।   তবে ব্যালন ডি’অর শেষ পর্যন্ত কার হাতে উঠবে, সেই উত্তর মিলবে আগামী মাসের শেষ সপ্তাহে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

হালান্ডের গোল নিয়ে ভুল স্বীকার, ম্যানইউকে জানাল প্রো রেফ

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে বিতর্ক, ভিএআর নাটক আর লাল কার্ডের মধ্যেও শেষ হাসি হাসল ম্যানচেস্টার সিটি।

ফোডেনের লাল কার্ডের পরও ইউনাইটেডকে হারিয়ে জয়ী ম্যানসিটি

সংগৃহীত ছবি

শেফালি-স্মৃতির রেকর্ড জুটিতে ভারতের নারী এশিয়া কাপ জয়

ইয়ামালকে আটকে রাখতে পারেনি লেভান্তে। ছবি: রয়টার্স
শেষ সময়ের নাটকীয়তা পেরিয়ে লেভান্তের মাঠে বার্সেলোনার বড় জয়

লেভান্তেকে হারাতে খুব বেশি বেগ পেতে হলো না বার্সেলোনার। তবে শেষ দিকে কিছুটা চাপে পড়েছিল তারা।   লামিনে ইয়ামালের জোড়া গোলের সঙ্গে জাভি এসপার্ত ও করিম আদেয়েমির গোলে লেভান্তেকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়েছে বার্সেলোনা। লা লিগায় টানা পাঁচ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে শীর্ষস্থান আরো মজবুত করেছে হান্সি ফ্লিকের দল।     লেভান্তের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল বার্সেলোনার কাছে। ৫ মিনিটেই রাফিনিয়ার পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এসপার্ত।       ১৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইয়ামাল। রাফিনিয়ার তৈরি করে দেওয়া আক্রমণ থেকে বাঁ পায়ের শটে গোলটি করেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।  বিরতির পরও বার্সেলোনার দাপট অব্যাহত থাকে। ৪৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ইয়ামাল।     তিন গোলে এগিয়ে গিয়ে তখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিয়ে নেয় বার্সা।     তবে শেষ ১৫ মিনিটে ম্যাচ কিছুটা জমে ওঠে। ৭৯ মিনিটে লেভান্তের ইভান রোমেরো ব্যবধান কমান। ৮৮ মিনিটে রজার ব্রুগে গোল করলে ব্যবধান নেমে আসে ৩-২ এ।       শেষ মুহূর্তে সমতা ফেরানোর শঙ্কা তৈরি হলেও তা দূর করেন আদেয়েমি।     যোগ করা সময়ে গোল করে বার্সেলোনার জয় নিশ্চিত করেন তিনি।     এই জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার শীর্ষে বার্সেলোনা। পাঁচ ম্যাচেই ২১ গোল করে ফেলেছে তারা।

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ১৮৪ রানের টার্গেট দিল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

ক্যারিয়ারের সেরা অবস্থায় আছে ভিনিসিউস

0 Comments