খেলাধুলা

ভক্তদের দুঃসংবাদ দিলেন জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ১৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

২০২৪ ইউরো কাপের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলেছিলেন ম্যানুয়েল নয়্যার। কিন্তু কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যানের অনুরোধ এবং দেশের প্রতি টান তাকে আবারও ফিরিয়ে আনে জাতীয় দলে। দীর্ঘ দুই বছর পর ফের গ্লাভস হাতে জার্মানির জার্সিতে দেখা যায় এই কিংবদন্তিকে।

 

৪০ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক এবার নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন—২০২৬ বিশ্বকাপই হবে জার্মানির হয়ে তার শেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। ফলে ফুটবল ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তিনি বিশ্বমঞ্চেই।

 

বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে সংবাদ সম্মেলনে নয়্যার স্পষ্ট করে বলেন, জাতীয় দলে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো দ্বিধা নেই। তার ভাষায়, এটি তার শেষ টুর্নামেন্ট এবং এরপর আর ইউরো বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় খেলার পরিকল্পনা নেই।

 

নয়্যার আরও জানান, ২০২৪ ইউরোর পর অবসরের সিদ্ধান্তটি ছিল সঠিক—কারণ দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের চাপ ও দায়িত্ব সামলানো তার জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে কঠিন হয়ে উঠছিল।

 

দল থেকে বিরতি ভেঙে ফিরে আসার পরই নিজের পুরনো ছন্দে ফিরেছেন এই জার্মান তারকা। ফেরার ম্যাচেই কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ৭-১ গোলের বড় জয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেন তিনি, যা আবারও প্রমাণ করেছে কেন তিনি আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক।

 

এখন ফুটবল বিশ্ব তাকিয়ে আছে—২০২৬ বিশ্বকাপে নয়্যার কি পারবেন নিজের ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়টি রাঙিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে?

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
পাকিস্তান ইস্যুতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে স্পষ্ট অবস্থানের তাগিদ মদন লালের

এশিয়া কাপের ট্রফি বিতর্কে সরব হলেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার মদন লাল। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) চেয়ারম্যান ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির কাছ থেকে ভারতীয় নারী দলের ট্রফি না নেওয়ার ঘটনার পর পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যাওয়া উচিত কি না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী এই সাবেক পেসার।     রোববার শ্রীলংকাকে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নাকভির কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ করেননি হারমানপ্রিত কৌরের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। গত বছর পুরুষদের এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়েও একই অবস্থান নিয়েছিল ভারতীয় দল। সেবারও নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নেয়নি তারা।       এই ঘটনার পর সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রতিক্রিয়া জানান মদন লাল। তার বক্তব্য, ভারত যদি পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন অবস্থানই ধরে রাখে, তাহলে ক্রিকেটেও একই নীতি অনুসরণ করা উচিত।     মদন লাল লিখেছেন, আবারও সেই একই পুরনো গল্প। আমরা যদি এভাবেই আচরণ করতে থাকি, তাহলে কোনো ট্রফিতেই পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের খেলা উচিত নয়। আমি জানি এটা বোর্ডের সিদ্ধান্ত।      ভারতীয় দলের ট্রফি না নেওয়ার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যাও এসেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে। নারী এশিয়া কাপের ফাইনালের পর ভারতীয় দলের সঙ্গে মাঠে ছিলেন বিসিসিআই সচিব দেভাজিৎ সাইকিয়া ও সহ-সভাপতি রাজিব শুক্লা। পরে সাইকিয়া সংবাদ সংস্থা আইএএনএসকে জানান, পহেলগাম হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের পরিস্থিতি বদলে গেছে এবং দেশের মানুষের পক্ষ থেকেও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখার চাপ রয়েছে।     তবে বহুজাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের সরকারি নীতি অনুযায়ী প্রতিটি দলের বিপক্ষেই খেলতে হয় বলে জানান সাইকিয়া। কিন্তু ট্রফি গ্রহণের বিষয়টি আলাদা বলে ব্যাখ্যা করেন তিনি।     সাইকিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, আমাদের পুরুষ দল দেড় বছর আগে এশিয়া কাপ জিতেছিল... তবে গত বছরের এপ্রিলে পহেলগাম হামলার পর থেকে পুরো পরিস্থিতিটাই পাল্টে যায়। আমাদের নাগরিকদের পক্ষ থেকে আমাদের ওপর চাপ আছে যে, আমরা যেন আমাদের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না রাখি এবং তাদের সঙ্গে ক্রিকেট না খেলি। যদিও আমাদের সরকারের একটি নীতি আছে যে, বহুজাতিক টুর্নামেন্টগুলোতে আমাদের অবশ্যই প্রতিটি দেশের বিরুদ্ধে খেলতে হবে।”      তিনি আরও বলেন, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমাদের জন্য রাখা প্রতিটি শর্ত আমরা মেনে চলব। আমাদের সামরিক সংঘাত এখনও চলছে। আমাদের দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করা প্রধান নেতাদের একজনের কাছ থেকে আমরা ট্রফি গ্রহণ করতে পারি না। গত বছর পুরুষ দলের নেওয়া সিদ্ধান্তের সঙ্গে এবার নারী দলও সংহতি প্রকাশ করেছে।

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
ছবি : আইসিসি

টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়লেন জ্যোতি, দায়িত্বে থাকছেন ওয়ানডে ফরম্যাটে

ছবি: সংগৃহীত

জায়গা পাওয়ার লড়াইয়ে দারুণ আলো ছড়াচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী জায়ান

ছবি: সংগৃহীত

নেইমারের দলে যোগ দিলেন কৌতিনিয়ো

ছবি: সংগৃহীত
জেসুসের চোখেও ইয়ামালের ব্যালন দ’র প্রাপ্য

বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার ব্যালন দ’রের এবারের সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে যে কয়েকজনের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে, তাদের একজন লামিন ইয়ামাল। তরুণ এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডের পক্ষে বাজি ধরেছেন তার নতুন ক্লাব সতীর্থ গাব্রিয়েল জেসুসও।   এবারের গ্রীষ্মের দলবদলের শেষ দিনে আর্সেনাল ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দেন জেসুস। ইতোমধ্যে দলটির হয়ে গোলের খাতাও খুলেছেন এই ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার।   স্প্যানিশ ক্রীড়া পত্রিকা স্পোর্তে সোমবার জেসুসের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ হয়েছে। সেখানে নানা বিষয়ে কথার ফাঁকে এবারের ব্যালন দ’র ইয়ামালের জয়ের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, অবশ্যই। তার ফুটবল সামর্থ্য ও (গত) মৌসুমে তার পারফরম্যান্স বিবেচনায় আমার মনে হয়, তার এটা জেতার ভালো সম্ভাবনা আছে।”   গত মৌসুমে বার্সেলোনার লা লিগা জয়ের অভিযানে লিগের সেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি পান ইয়ামাল। বিশ্বকাপে যদিও প্রত্যাশা পুরোপুরি পূরণ করতে পারেননি তিনি, তারপরও স্পেনের শিরোপা জয়ে তার ছিল উল্লেখযোগ্য অবদান।   গত মৌসুমে বার্সেলোনার জার্সিতে মোট ৪৫টি ম্যাচ খেলে ২৪ গোল ও ১৮টি অ্যাসিস্ট করেন ইয়ামাল।   ২০২৬ ব্যালন দ’রের লড়াইয়ে অনেকে আবার এগিয়ে রাখছেন বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে গত মৌসুমে মোট ৭৩টি গোল করা হ্যারি কেইন, রেয়াল মাদ্রিদের হয়ে মৌসুমজুড়ে ও ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ড গড়া কিলিয়ান এমবাপে, স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের পথে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হওয়া রদ্রি এবং পিএসজির চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা উসমান দেম্বেলেকে।   তবে জেসুসের চোখে ইয়ামালই সেরা। বার্সেলোনায় এই অল্প কদিনেই ১৯ বছর বয়সী উইঙ্গারকে কাছ থেকে দেখে মুগ্ধ তিনি। “মাঠে সে যা কিছু করে, সাবলীলভাবে করে- সে এমনভাবে খেলে যেন সবকিছু খুব সহজ মনে হয়।   “দুর্দান্ত সব খেলোয়াড়দের সঙ্গে অনুশীলন করার সুযোগ হয়েছে আমার, ইয়ামাল সেই পর্যায়ের একজন।”   এবারের ব্যালন দ’র পুরস্কারজয়ীর নাম জানা যাবে আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে। গত বছর পুরস্কারটি জিতেছিলেন উসমান দেম্বেলে। ইয়ামাল হয়েছিলেন দ্বিতীয়, এমবাপে তৃতীয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি

শচীনের রেকর্ড ভেঙে ওডিআইতে দীর্ঘতম ক্যারিয়ারের মালিক ব্রেন্ডন টেলর

শচীনের রেকর্ড ভেঙে ওডিআইতে দীর্ঘতম ক্যারিয়ারের মালিক ব্রেন্ডন টেলর

সংগৃহীত ছবি

রিয়াল মাদ্রিদের রিজার্ভ বেঞ্চের বাজারমূল্য ৫৩৭ মিলিয়ন ইউরো

কার্লো আনচেলত্তি ও নেইমার জুনিয়র। ফাইল ছবি
নেইমার অধ্যায়ের অবসান: তরুণদের নিয়ে নতুন দল গড়ছেন আনচেলত্তি

ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলে সুপারস্টার নেইমারের অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন সেলেসাওদের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। বিশ্বকাপে দলের আশানুরূপ ফল না পাওয়ার পর এবার তরুণ প্রজন্মের ফুটবলারদের সমন্বয়ে ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দল নতুন করে ঢেলে সাজানোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।       আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ‘সিএনএন এস্পোর্তেস’কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি জানান, নেইমার নিজেই জাতীয় দলে আর না ফেরার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নেইমারের অনন্য দক্ষতার প্রশংসা করে কোচ বলেন, ‘তার মানের কারণেই তার সেখানে (বিশ্বকাপে) থাকা উচিত ছিল। নেইমার নিজেই নিশ্চিত করেছে যে সে জাতীয় দলে আর ফিরতে চায় না। নেইমারের বিকল্প পাওয়া সম্ভব নয়, কারণ সে এক অসাধারণ ও অনন্য প্রতিভা।’     নেইমার-পরবর্তী যুগে ব্রাজিল দলকে আবারও বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষস্থানে ফিরিয়ে নিতে বয়স ও প্রতিভাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আমাদের ধাপে ধাপে এগোতে হবে। এখন আমাদের এমন তরুণ খেলোয়াড়দের দিকে মনোযোগ দিতে হবে যারা ভবিষ্যৎ হতে পারে, যেমন ২০০৪, ২০০৫ ও ২০০৬ সালে জন্ম নেওয়া খেলোয়াড়েরা। আমাদের ২০০৮ সালে জন্ম নেওয়া কিছু মানসম্পন্ন তরুণ আছে যারা এখনো খেলছে না, তবে খেলতে পারবে। এখন তাদের বয়সকে গুরুত্ব দিয়ে এবং সম্মান জানিয়ে তাদের দিকে তাকানোর সময়। এটা সত্যি যে একজন খেলোয়াড় ৩৬ বা ৩৭ বছর বয়সেও খুব ভালো খেলতে পারে। তবে এখন তরুণদের অগ্রাধিকার দেওয়ার সময়।’       ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের চেয়ে আধুনিক দলগত ফুটবলের সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে আনচেলত্তি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আধুনিক ফুটবলে দলগত কাজটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ব্যক্তিগত প্রতিভা নয়। আপনার যদি দারুণ ব্যক্তিগত প্রতিভা থাকে, তবে জয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকে, কিন্তু আধুনিক ফুটবলে দলগত কাজটা জরুরি। আমরা ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী দল গড়তে কাজ করছি, কোনো একক দুর্দান্ত ব্যক্তিগত প্রতিভার ওপর নির্ভর করার জন্য নয়।’

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইংল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশের পর আইসিসির জোড়া শাস্তিতে বাবর আজমরা

ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টাইন ক্লাবের বিশ্ব রেকর্ড এখন রোনালদোর দলের

ছবি: সংগৃহীত

উইকেটের পর ‘সেন্ড-অফ’, ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা ভারতীয় ক্রিকেটারের

0 Comments