জাতীয়

বেতন-ভাতাসহ ১১ বছরের পদোন্নতি পেলেন এসপি কোহিনুর

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

পুলিশের আলোচিত কর্মকর্তা মো. কোহিনূর মিয়ার বরখাস্তের আদেশ বাতিল করে চাকরিতে ফেরানোর এক মাসের মাথায় তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিল সরকার। তাকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) পদ দেওয়া হয়েছে।

 

প্রায় ১১ বছর আগে ২০১৫ সালের ৭ এপ্রিল থেকে এই পদোন্নতি কার্যকর হবে। বিধি অনুযায়ী এই সময়ের বকেয়া বেতন ভাতাও তিনি পাবেন।

 

রোববার (১২ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদের স্বাক্ষরিত জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের এই কর্মকর্তার পদোন্নতির বিষয়টি জানানো হয়।

 

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মো. কোহিনুর মিয়াকে অতিরিক্ত উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (চতুর্থ গ্রেড) পদে উন্নীত করা হয়েছে। তার এ পদোন্নতি কার্যকর ধরা হয়েছে ৭ এপ্রিল ২০১৫ তারিখ থেকে। ফলে বিধি অনুযায়ী তিনি ওই সময় থেকে প্রাপ্য সব বকেয়া বেতন-ভাতা পাবেন।

 

২০০৯ সালের ৪ অক্টোবর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোহিনূর মিয়াকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই বরখাস্তের আদেশ গত ৯ মার্চ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তাতে তিনি সব সুযোগ সুবিধাসহ সরকারি চাকরি ফিরে পান।

 

রাজধানী ঢাকা ও ময়মনসিংহে দেড় যুগ আগে পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে বিভিন্ন ঘটনায় আলোচিত হন কোহিনুর মিয়া। সর্বশেষ তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন

 

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার (এসপি) থাকা অবস্থায় একটি জোড়া খুনের মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছিল। পরে সেই মামলা থেকে তিনি খালাস পান।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ফাইল ছবি
১৬ জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ, পহেলা বৈশাখে থাকবে রোদ-বৃষ্টি

দেশের ১৬ জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে, যা আগামী দিনে আরও বিস্তার লাভ করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ রোববার কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে, আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা আরও বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জসহ খুলনা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এটি আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ রয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে। এদিকে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখে দেশের তিন বিভাগের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।  আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান, ভারতের মেঘালয় পাহাড়ে স্বাভাবিক মেঘ বাধাগ্রস্ত হয়ে এ ধরনের বৃষ্টি হতে পারে, যা এই মৌসুমে স্বাভাবিক। সোম ও মঙ্গলবার দেশের কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও সারাদেশে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। পহেলা বৈশাখের দিন ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুয়েকটি স্থানে এবং কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর সঙ্গে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, বুধবার সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় এবং বৃহস্পতিবার রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তাপমাত্রা নিয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, সোমবার দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। মঙ্গলবার দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বুধবার সারাদেশে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, আর বৃহস্পতিবার আবার কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ

সংগৃহীত ছবি

সেন্ট যোসেফে জাতীয় সাহিত্য উৎসবে তরুণদের সৃজনশীলতার মিলনমেলা

ছবি : সংগৃহীত

লেবাননে বাংলাদেশ দূতাবাসের কূটনীতিকরা ঝুঁকিতে—পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১১ প্রস্তাবনা

ঢাকা শহরের যানজট নিরসনকল্পে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর ১১ দফা প্রস্তাবনা দিয়েছে ঢাকা যানজট নিরসন কমিটি। রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব প্রস্তাবনা তুলে ধরেন সংগঠনের সভাপতি মো. ইছহাক দুলাল। যানজট নিরসন কমিটির প্রস্তাবনাগুলো হলো- ঢাকা শহরের চারদিকে যে খালগুলো সংস্কার করে স্পিডবোট, ওয়াটার বাস ও ছোট লঞ্চ চালু করা; ঢাকা শহরের চারপাশে নদী ঘেঁষে একটি ট্রাম রোড (মিনি রেলপথ) স্থাপন করা; মিনি রেলপথ ঘেঁষে একটি রিং রোড তৈরি করা; সায়দাবাদ বাস স্ট্যান্ডকে কাচপুরে, মহাখালী বাস স্ট্যান্ডকে টঙ্গীতে, বাবুবাজার বাস স্ট্যান্ড কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর করাসহ মতিঝিল, আরামবাগ, ফকিরাপুল, বাবুবাজার, সায়দাবাদ, মহাখালি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে বাসস্ট্যান্ডগুলো স্থানান্তর করা; কমলাপুর থেকে বাইপাস রেললাইন টঙ্গীর সাথে সংযুক্ত করা অথবা উড়াল সেতু নির্মাণ করা; জেল ও আদালত ভবন একই স্থানে স্থাপন করা; ঢাকার চারদিকে ১০০ কিলোমিটার ট্রেন চালু করা; ফুটপাত দখল মুক্ত করা; ট্রাফিক ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো; ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে নগর পরিবহণ চালু করা; এবং সিএনজি অটোরিকশা ছাড়া অন্য কোনো গাড়িতে গ্যাস না দেওয়া। লিখিত বক্তব্যে আবু ইছহাক দুলাল বলেন, প্রতিদিন কমলাপুর থেকে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন জেলার উদ্দেশ্যে কমপক্ষে ৫২টি কমবেশি ট্রেন ছেড়ে যায় এবং ৫২টি কমবেশি ট্রেন প্রবেশ করে। কমলাপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত ২৪টি লেভেল ক্রসিং আছে এর মধ্যে ১১টি স্পেশাল ১৩টি বি ক্লাস। ১১টি কন্ট্রোল করে স্টেশন মাস্টার আর ১৩টি কন্ট্রোল করে গেইটম্যান। ১১টিতে সময় লাগে ১০ থেকে ১১ মিনিট আর ১৩টিতে সময় লাগে ৬ থেকে ৭ মিনিট সুতরাং আমরা যদি ১০৪টি ট্রেনের জন্য গড়ে ৭ মিনিট করে হিসাব করি তাহলে দেখা যায়, প্রতিদিন ৭২৮ মিনিট অর্থাৎ ১২ ঘণ্টা ১৪ মিনিট প্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয় শুধুমাত্র ট্রেন চলাচলের কারণে। যেহেতু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যানজট সৃষ্টি হয় সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত, সেই সময়টাকে অর্ধেক তথা ৬ ঘণ্টা ১০ মিনিট ধরতে পারি। এই সময়টাকে অন্যান্য যানবাহন হতে যে পরিমাণ জ্বালানি তেল-গ্যাস ও সময় অপচয় হয়ে থাকে তা একটি দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে কতটা অন্তরায় তা সরকারের জানা থাকার কথা। কমলাপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত বাইপাস রেলপথ অথবা উড়াল সেতু নির্মাণ করলে এই সমস্যার অনেকাংশই লাঘব হবে। তিনি বলেন, ট্রাফিকের এসআই থেকে সহকারী কমিশনার পর্যন্ত পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। কস্টেবলদেরকে এসএই প্রশিক্ষণ দেবে। প্রয়োজনে বুয়েটের মাধ্যমে সহযোগিতা নেওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে, গাড়ির ড্রাইভার, সিএনজি ড্রাইভার, রিক্সার ড্রাইভার ও বাইক চালকদের অন্তত মাসে একবার ট্রাফিক দিক নির্দেশনামূলক প্রশিক্ষণ করাবে। প্রচার মাধ্যমের মাধ্যমে সচেতন করবে। এতে করে সড়কে শৃঙ্খলা আসবে। যানজট নিরসনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। নগর পরিবহণ চালু করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে নগর পরিবহণ চালু করতে হবে। এতে নন এসি গাড়ি ও এসি দুই ধরনের গাড়িই থাকবে। নন এসি গাড়ি ভাড়া ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা অর্থাৎ ভর্তুকি দেওয়া হবে। আর এসি গাড়ি থেকে যে পরিমাণ লাভ আসবে তা নন এসিতে ভর্তুকি দিবে। এই সুবিধা সাধারণ মানুষ ভোগ করবে। নগর পরিবহণ চালু করলে প্রতিযোগিতা হবে না।  প্রতিযোগিতার কারণে রাস্তায় যানজট ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে না। এতে করে মানুষ নাগরিক সুবিধা অধিকার ভোগ করবে। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে আবু ইছহাক দুলাল বলেন, গাড়িতে গ্যাস না দিয়ে বরং যেসব রপ্তানিমুখি শিল্প ফ্যাক্টরিতে গ্যাসের অভাবে উৎপাদনের বিঘ্ন ঘটেছে, সেসব ফ্যাক্টরিতে এই অতিরিক্ত গ্যাসকে সংযোজন করে উৎপাদন সচল করে সম্প্রসারণ করা উচিত। এতে করে আমাদের শিল্প ফ্যাক্টরিগুলো বেঁচে যাবে, উৎপাদন বাড়বে এবং আমাদের রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়ে যাবে। কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ইমরান হোসেন হিমেলের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ, সহ-সভাপতি হাজি আব্দুস ছামাদ, ইকবাল আহমেদ রেজা, সালাউদ্দিন খন্দকার, মুখ্য সমন্বয়ক- আ.শ. ম. সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক হোসেন পাটোয়ারী, কোষাধ্যক্ষ ইমতিয়াজ উদ্দিন, সদস্য রেজাউল করিম শিপন, আরাফাত হোসাইন মিনাল প্রমুখ।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ

ছবি : সংগৃহীত

বেতন-ভাতাসহ ১১ বছরের পদোন্নতি পেলেন এসপি কোহিনুর

ছবি : সংগৃহীত

হজযাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

ছবি : সংগৃহীত
আটকে থাকা বাংলাদেশি জাহাজ দ্রুত হরমুজ প্রণালী পার হবে—ইরানি রাষ্ট্রদূত

হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ দ্রুতই পার হতে পারবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি। তিনি বলেছেন, ‘যুদ্ধের কারণে অনেক জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের জাহাজও রয়েছে। আমরা বাংলাদেশের জাহাজগুলো দ্রুত ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করব, ইনশাআল্লাহ।’   রোববার (১২ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।   একই দিন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজ চলাচলে সহায়তা করার আশ্বাসের কথা জানান ইরানের রাষ্ট্রদূত।   সাক্ষাতে প্রতিমন্ত্রী ইরানের রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন, যেন হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজ চলাচল সহজ করার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়। রাষ্ট্রদূত তাকে এ বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।   মার্কিন ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের শিশুদের স্মরণ ও যুদ্ধাপরাধ বিরোধী ছবি প্রদর্শনীর অনুষ্ঠানটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ। ইরানের রাষ্ট্রদূত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন।   অনুষ্ঠানে জলিল রহিমি জাহানাবাদি বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো। বাংলাদেশকে আমরা ভাইয়ের দেশ মনে করি। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের কোনো শত্রুতা নেই।’   ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনার প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা এর আগেও আলোচনা করেছিলাম, তার মধ্যেও আমেরিকা আমাদের ওপর হামলা করেছে। তারা মূলত বিশ্বের কাছে দেখাতে চেয়েছে যে তারা শান্তি চায় আর ইরান যুদ্ধ চায়। আসলে আমেরিকা কখনও শান্তি চায় না। তারা ইরানের ওপর এজন্য অন্যায়ভাবে হামলা করেছে। আমেরিকার ভাষ্য হলো বিশ্বের সব দেশ পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হতে পারবে, কিন্তু ইরান পারবে না।’   এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইরানের কালচারাল কাউন্সেলর সাইয়্যেদ রেজা মির মোহাম্মদি, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক নেত্রী মরিয়ম জামিলা তামান্না।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

সব দেশের শ্রমবাজার খুলতে কাজ করছে সরকার—প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

‘সিন্ডিকেট ভেঙে’ কম খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সরকার ‘আন্তরিক’: মাহ্‌দী আমিন

১৪ মে হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি

0 Comments