আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশের নাম ব্যবহার করে সুপারি আমদানি চক্র ভেঙে দিল ভারত, গ্রেপ্তার ৯

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ১৬, ২০২৬
জব্দ করা সুপারি। ছবি : সংগৃহীত
জব্দ করা সুপারি। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের নাম ব্যবহার করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সুপারি ভারতে আমদানি করে হাজার হাজার কোটি রুপির শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার এক বড় সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ পর্যায়ের অ্যান্টি-স্মাগলিং (চোরাচালান প্রতিরোধ) গোয়েন্দা ও তদন্ত সংস্থা ডিরেক্টরেট অব রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই)। মাসব্যাপী গোয়েন্দা অভিযানে এ চক্রের অপকর্ম উন্মোচিত হয়েছে।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়।

 

বিজ্ঞপ্তির তথ্যানুসারে, ডিআরআই মাসব্যাপী গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান চালিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সুপারি বাংলাদেশি উৎপন্ন বলে মিথ্যা ঘোষণা করে সাফটা চুক্তির আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা নেওয়ার এক বড় সিন্ডিকেটকে ধ্বংস করেছে। তদন্তে এখন পর্যন্ত সরকারের কোষাগার থেকে আড়াই হাজার কোটি রুপির বেশি রাজস্ব ক্ষতির প্রমাণ মিলেছে। এ ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতে সুপারি আমদানিতে সাধারণত ১০০ শতাংশ বেসিক কাস্টমস ডিউটি দিতে হয়। তবে সাফটা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ থেকে উৎপন্ন সুপারি আমদানিতে নির্ধারিত রুলস অব অরিজিন মেনে চললে পূর্ণ শুল্ক মওকুফ পাওয়া যায়। এ সুবিধা অপব্যবহার করে সিন্ডিকেটটি কাজ করছিল।

 

ডিআরআই কর্মকর্তারা কলকাতা ও বিশাখাপত্তনমে আমদানিকারক, কাস্টমস ব্রোকার ও আইইসি ধারকদের সঙ্গে যুক্ত একাধিক স্থানে একযোগে তল্লাশি চালায়। তল্লাশিতে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় উৎপত্তির সুপারির প্রমাণসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ উদ্ধার হয়। এ ছাড়া অবৈধ আমদানির বিক্রয়লব্ধ অর্থ বলে সন্দেহ করা প্রায় ৭৫ লাখ রুপি নগদ এবং প্রায় ১৬০ টন সুপারির একটি চালান জব্দ করা হয়।

 

তদন্তে জানা গেছে, চক্রের মূল হোতারা ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশ থেকে সুপারি এনে বাংলাদেশের একটি এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনে (ইপিজেড) নিয়ে যেত। সেখানে শুধু কন্টেইনার ও ব্যাগ পরিবর্তন করে সেগুলোকে ‘বাংলাদেশি উৎপন্ন’ সুপারি হিসেবে দেখিয়ে ভারতে পাঠাত।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জাল সাফটা সার্টিফিকেট অব অরিজিন সংগ্রহ করে শুল্কমুক্ত সুবিধা নিত। ভারতীয় আমদানিকারকদের কাছ থেকে মোটা কমিশন ও নগদ অর্থ আদায় করা হতো। অর্থ পাচারের জন্য হাওয়ালা চ্যানেল ও ডামি প্রতিষ্ঠানও ব্যবহার করা হতো। অধিকাংশ প্রতারণামূলক আমদানির কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের দায়িত্বে থাকা এক কাস্টমস ব্রোকার ফার্মের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে।

 

ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, এ ধরনের অবৈধ আমদানি দেশীয় সুপারি চাষিদের ক্ষতি করে, ন্যায্য মূল্য বিকৃত করে এবং বৈধ ব্যবসার জন্য অসম প্রতিযোগিতা তৈরি করে। একই সঙ্গে সীমান্ত অঞ্চলের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়ে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
জানা গেল ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ

জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য দিনক্ষণ জানা গেছে। সৌদি আরবের হিজরি ক্যালেন্ডার ভিত্তিক একটি ওয়েবসাইট এই তথ্য প্রকাশ করেছে।   ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার প্রথম রমজান শুরু হতে পারে। আগামী ২৯ শাবান (শনিবার) সন্ধ্যায় রমজানের নতুন চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হবে। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা, এবার শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করবে এবং ৭ ফেব্রুয়ারি রোববার শেষ হবে। ফলে এর পরদিন সোমবার থেকেই রোজা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।   অন্যদিকে, এবারের রমজান মাসটি ২৯ দিনে শেষ হতে পারে। সেই অনুযায়ী ২০২৭ সালের ৮ মার্চ সোমবার রমজানের শেষ দিন হবে এবং পরদিন ৯ মার্চ মঙ্গলবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।   উল্লেখ্য, ১৪৪৮ হিজরি সনের প্রথম দিন নির্ধারণ নিয়ে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে কিছুটা পার্থক্য দেখা যায়। কিছু দেশে ১৬ জুন মঙ্গলবার নতুন বছর শুরু হলেও, অন্যান্য দেশে ১৭ জুন বুধবার থেকে হিজরি সন গণনা করা হয়।   সূত্র: জর্ডান নিউজ।

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে কৌশলগত পাহাড় লক্ষ্য করে ইসরায়েলি হামলা

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজের রক্ষকরা আপনার পা ভেঙে দেবে’: ট্রাম্পকে ইরানের সেনাপ্রধান

জব্দ করা সুপারি। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের নাম ব্যবহার করে সুপারি আমদানি চক্র ভেঙে দিল ভারত, গ্রেপ্তার ৯

ছবি: সংগৃহীত
ঘুমন্ত মেরু ভাল্লুককে হর্ন, জরিমানা ৭ লাখ টাকা

জাহাজের ফগ হর্ন বাজিয়ে ঘুমন্ত ভাল্লুককে জাগিয়ে তোলায় নরওয়েতে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার ক্রোনার জরিমানা করা হয়েছে। বাংলাদেশি অর্থে যা প্রায় ৭ লাখ টাকার সমান। গত বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম বিবিসি। চলতি মাসের শুরুতে সেলবার্দ উপকূলে এ ঘটনা ঘটে। যা নরওয়ের একটি প্রত্যন্ত দ্বীপপূঞ্জ এবং উত্তর গোলার্ধ থেকে ৬২০ মাইল দূরে অবস্থিত। সেখান দিয়ে জাহাজ নিয়ে যাওয়ার সময় জাহাজে থাকা ব্যক্তিরা একটি মেরু ভাল্লুককে শুয়ে থাকতে দেখেন। তখন এটিকে ভালো মতো দেখতে একজন জাহাজের উচ্চস্বরের ফগ হর্ন বাজান। এতে ভাল্লুকটি তীব্র আতঙ্ক নিয়ে জেগে ওঠে এবং সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়। এরপর তারা দ্রুত সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। সেলবার্দের গভর্নর লার্স ফওস এক বিবৃতিতে এ নিয়ে বলেছেন, “জাহাজে থাকা ব্যক্তিরা একটি মেরু ভাল্লুককে স্থলে ঘুমিয়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাহাজের এক ব্যক্তি ফগ হর্ন বাজান। এতে ভাল্লুকটি জেগে ওঠে এবং অন্য জায়গায় চলে যায়।” সেলবার্দের পরিবেশ সুরক্ষা আইন অনুযায়ী, বিনা প্রয়োজনে কোনো মেরু ভাল্লুককে কোনো ধরনের বিরক্ত বা উস্কানি দেওয়া যাবে না। সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় পর্যটক বা জাহাজের ব্যক্তিদের অত্যন্ত সাবধানে চলতে হবে। যেন সেখানকার কোনো প্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। ওই ব্যক্তি তার কৃতকর্মের জন্য জরিমানা দিতে রাজি হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তার নাম ও জাতীয়তা প্রকাশ করেনি। সূত্র: বিবিসি

মারিয়া রহমান আগস্ট ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের পার্কে গুলি, হতাহত ৫

ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনকে তুরস্কের মাধ্যমে অস্ত্র দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র, বিরোধিতা রাশিয়ার

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে ওমানের সঙ্গে ইরানের সমঝোতা

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবি: সংগৃহীত
উচ্চ মূল্যস্ফীতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

ইরানে অর্থনৈতিক সংকট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এবং তেল বিক্রির আয় কমে যাওয়াকে দায়ী করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।  শুক্রবার (১৪ আগস্ট) প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।  খবর আল জাজিরার   তিনি বলেন, ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধের কারণে পণ্য আমদানি করতে বেশি সময় ও খরচ হচ্ছে। ফলে বাজারে পণ্যের দামও বেড়ে যাচ্ছে।   পেজেশকিয়ান বলেন, ‘জীবনযাত্রার ব্যয় ও পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিক। আগে আমরা জাহাজে করে পণ্য আনতাম। এখন পণ্যগুলোকে আমাদের কাছে পৌঁছাতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। এতে উৎপাদিত পণ্যের খরচ বেড়ে গেছে।’   তিনি আরও বলেন, ইরানের আয়ও কমে গেছে। আগে তেল বিক্রি করে আয় করা হতো, কিন্তু এখন সেই সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে।   পেজেশকিয়ানের ভাষ্য অনুযায়ী, শিল্পকারখানায় বোমা হামলার কারণেও সরকারের রাজস্ব কমেছে।    তিনি বলেন, ‘তারা (যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল) বেশ কয়েকটি কারখানা ধ্বংস করেছে। ফলে আগের মতো সেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কর আদায় করাও সম্ভব হচ্ছে না। ’ তবে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ১৬, ২০২৬
পানিতে ডুবে যাওয়া বাড়িঘর থেকে মানুষকে নৌকা ব্যবহার করে উদ্ধার করা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

ভয়াবহ ঝড়-বন্যায় বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, নিহত ৫

সংগৃহীত ছবি

ভূমিকম্পের ক্ষতি কাটাতে ট্রাম্পের কাছে শুল্কছাড় চাইল কলম্বিয়া

সংগৃহীত ছবি

রেস্তোরাঁয় খাবার না পেয়ে বাইরে আত্মহত্যা, চাঞ্চল্যকর ঘটনা

0 Comments