খেলাধুলা

আশুরের গোলে এগিয়ে মিশর

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

শেষ বত্রিশের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এগিয়ে গেছে মিশর। ম্যাচের ১৩ মিনিটে মিশরকে লিড পাইয়ে দিয়েছেন ইমান আশুর। 

 

ফ্রি-কিক থেকে দারুণ এক পরিকল্পিত আক্রমণ সাজায় মিসর। মোহাম্মদ সালাহ সরাসরি শট না নিয়ে আশুরকে ছোট পাস দেন। আশুরের প্রথম শটটি প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে ফিরে আসে।

 

তবে বলটি বিপদমুক্ত করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। আবারও বল ভেসে আসে বক্সে, আর পেছনের পোস্টে ওঁত পেতে থাকা আশুর এবার নিখুঁত হেডে বল জালে জড়ান। 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ছক্কার ঝড়ে পাকিস্তানকে বাঁচালেন রাজাউল্লাহ, ম্যাচ গড়াল চতুর্থ দিনে

পাকিস্তানের অষ্টম উইকেট পড়ল যখন, তারা ইনিংস হার এড়াতে পারবে কি না বা ইংল্যান্ড কত দ্রুত জিতে যাবে, সেটি নিয়েই সবার আগ্রহ তখন বেশি। তিন দিনে ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার মঞ্চ তখনও প্রস্তুত। কিন্তু পাল্টে গেল সবার ধারণা। অভিষেকে পাল্টা আক্রমণে ছক্কার ঝড়ে রেকর্ড বইয়ে নাম লেখালেন রাজাউল্লাহ। ইনিংস হারের শঙ্কা এড়িয়ে ম্যাচ চতুর্থ দিনে টেনে নিল পাকিস্তান।   সিরিজের শুরু থেকে ব্যাটিংয়ে ধুঁকতে থাকা পাকিস্তান এজবাস্টন টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে উপহার দিল দারুণ ব্যাটিং। সিরিজে আগের পাঁচ ইনিংসেই দুইশর নিচে গুটিয়ে যাওয়া দল এবার করল ৪৪৯ রান।   আজান আওয়াইসের ৫৯, শান মাসুদের ৯৫ ও বাবর আজমের ৭৬ রানের পরও একটা সময় পাকিস্তানের সাড়ে তিনশ হওয়া নিয়েই ছিল প্রবল শঙ্কা। রাজাউল্লাহ ৯ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামেন যখন, দলের রান তখন ৭ উইকেটে ৩১২, ইনিংস হার এড়াতে তখনও প্রয়োজন ৮ রান, অষ্টম উইকেট পতনের সময় যা দাঁড়ায় ২ রানে।   সেখান থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের চমকপ্রদ প্রদর্শনীতে নবম উইকেটে মোহাম্মাদ আব্বাসের সঙ্গে ১২৩ বলে ১২১ রানের জুটি গড়েন রাজাউল্লাহ। যেখানে তার একার অবদানই ৭০।   পাঁচ চার ও দুই ছক্কায় ৬৭ বলে টেস্ট ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন আব্বাস।   ৬৩ বলে ৮১ রান করে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন ২১ বছর বয়সী রাজাউল্লাহ। চারটি চারের সঙ্গে তিনি ছক্কা মারেন ৯টি, টেস্ট অভিষেকে কোনো ক্রিকেটারের সর্বোচ্চ ছক্কার যৌথ রেকর্ড এটি।   ২০০৮ সালে অভিষেকে ৯টি ছক্কা মেরেছিলেন ইংল্যান্ডের বর্তমান পেস বোলিং পরামর্শক ও নিউ জিল্যান্ডের সাবেক পেসার টিম সাউদি। তার পাশে বসলেন রাজাউল্লাহ।   প্রথম দুই টেস্টে বাজেভাবে হারের পর সাত ক্রিকেটারকে দেশে পাঠিয়ে পাকিস্তান যে সাত জনকে ইংল্যান্ডে নিয়ে যায়, তাদের একজন রাজাউল্লাহ।   তার বীরত্বেই ইংল্যান্ডকে ১৩০ রানের লক্ষ্য দিতে পেরেছে পাকিস্তান। তিন ম্যাচের সিরিজে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্যে চতুর্থ দিন রান তাড়ায় ব্যাটিংয়ে নামবে জো রুটের দল।   উইকেটে পেসারদের জন্য কিছুটা মুভমেন্ট থাকলেও, ব্যাটিংয়ের জন্য দারুণ। দ্বিতীয় দিন শূন্য রানে ২ উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে ৫২ রানের জুটিতে অবিচ্ছিন্ন ছিলেন আজান ও মাসুদ। তৃতীয় দিন প্রথম ঘন্টায়ও ভাঙা যায়নি তাদের জুটি। সুযোগ যদিও এসেছিল, কিন্তু জশ টাংয়ের বলে মাসুদের ক্যাচ ছাড়েন বদলি ফিল্ডার থিও ওয়াইলি।   ৪০ রানে জীবন পেয়ে ৮১ বলে ফিফটি করেন মাসুদ। পানি পানের বিরতির পর আজান ফিফটি করেন ৭৮ বলে।   জমে যাওয়া জুটি ভাঙতে পার্ট-টাইম স্পিনার ড্যান লরেন্সকে আক্রমণে আনেন অধিনায়ক রুট। কাজে লাগে তার কৌশল। অফ স্পিনারের দ্বিতীয় বলেই লেগ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে খোঁচা দিয়ে কিপারের গ্লাভসে ধরা পড়েন বাঁহাতি ওপেনার আজান। যদিও ইংল্যান্ড উইকেটটি পায় রিভিউ নিয়ে।   ১২৫ রানে থামে জুটি। ১০ চারে ৮৪ বলে ৫৯ রান করেন আজান।   সিরিজে নিজের আগের তিন ইনিংসে দুই অঙ্কে যেতে ব্যর্থ বাবর এবার ইতিবাচক শুরু করেন। লাঞ্চের আগে আর কোনো উইকেট হারায়নি পাকিস্তান। ৮৩ রান নিয়ে বিরতিতে যান মাসুদ।   বিরতি থেকে ফিরে সেঞ্চুরির পথেই ছুটছিলেন তিনি। কিন্তু গাস অ্যাটকিনসনের বলে গালিতে লরেন্সের এক হাতে নেওয়া দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরতে হয় তাকে মাইলফলক থেকে ৫ রান দূরে থাকতে। ১২ চারে গড়া তার ১৪৮ বলের ইনিংসটি।   বাবর ও মাসুদের জুটিতে আসে ৮৯ রান। বাবর এরপর আরেকটি পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি গড়েন সাউদ শাকিলকে নিয়ে। ৭৬ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন পাকিস্তান অধিনায়ক। দেশের পঞ্চম অধিনায়ক হিসেবে দুই হাজার টেস্ট রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন তিনি।   দীর্ঘ সেঞ্চুরি খরা কাটানোর সম্ভাবনা জাগিয়ে বাজে শটে আউট হন বাবর। টাংয়ের লেগ স্টাম্পের বাইরের শর্ট ডেলিভারিতে শেষ মুহূর্তে ব্যাট চালান তিনি। ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্যাচ নেন কিপার জর্ডান কক্স।   টেস্ট ক্রিকেটে বাবরের সেঞ্চুরি খরা পৌঁছে গেল টানা ৪০ ইনিংসে। সবশেষ তিন অঙ্কের দেখা পান তিনি ২০২২ সালের ডিসেম্বরে, করাচিতে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে।   জফ্রা আর্চারের শর্ট ডেলিভারিতে শাকিল বিদায় নেন ২৯ রান করে। নিজের পরপর দুই ওভারে গাজি ঘরি ও মোহাম্মাদ ইমরানকে কিপারের ক্যাচ বানিয়ে বিদায় করেন অ্যাটকিনসন।   তখন ৩১৮ রানে ৮ উইকেট হারানো পাকিস্তান সাড়ে তিনশর আগেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায়। কিন্তু এরপরই শুরু হয় রাজাউল্লাহ ‘শো।’   পরের ওভারে টাংকে ছক্কা মেরে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নামা নিশ্চিত রাজাউল্লাহ। দুই ওভার পর অ্যাটকিনসের চার বলের মধ্যে আরও তিনটি ছক্কা হাঁকান তিনি।   পরে অলি রবিনসনকে ছক্কায় ওড়ান আব্বাস। আর্চারকে পরপর দুটি ছক্কার পথে রাজাউল্লাহ ফিফটি করেন ৪৩ বলে। চলতেই থাকে তার সেই ঝড়।   কিছুতেই জুটি ভাঙতে পারছিল না ইংল্যান্ড। অবশেষ মাথাব্যথার কারণ হয়ে ওঠা জুটি ভাঙেন টাং, পয়েন্টে ধরা পড়েন আব্বাস।   পরের ওভারে লরেন্সের বলে নবম ছক্কা মেরে রেকর্ড স্পর্শ করেন রাজাউল্লাহ। এক বল পর এলবিডব্লিউয়ের আবেদনে তাকে আউট দেন আম্পায়ার। এ যাত্রায় রিভিউ নিয়ে বাঁচলেও, পরের বলেই বেরিয়ে এসে খেলার চেষ্টায় স্টাম্পড হয়ে ফেরেন তিনি। দিনের খেলাও শেষ সেখানেই।   সংক্ষিপ্ত স্কোর: পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ১৩৩ ইংল‍্যান্ড ১ম ইনিংস: ৪৫৩ পাকিস্তান ২য় ইনিংস: ৯৬.৪ ওভারে ৪৪৯ (আগের দিন ৫২/২) (আজান ৫৯, মাসুদ ৯৫, বাবর ৭৬, শাকিল ২৯, ঘরি ১৬, ইমরান ৪, রাজাউল্লাহ ৮১, আব্বাস ৪২, আলি ৪*; রবিনসন ২৩-৮-৫৪-২, আর্চার ২২-১-১২০-১, অ্যাটকিনসন ২৪-৩-১০৯-৩, টাং ২২-১-১০৬-২, লরেন্স ৪.৪-০-১৭-২, ব্রুক ১-০-৪-০)

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

তিন মাসের চুক্তিতে সান্তোসে কুতিনহো

ছবি: সংগৃহীত

এস্তেহেইজেনের সেঞ্চুরিতে সিরিজ জয় দক্ষিণ আফ্রিকার

ছবি: সংগৃহীত

ক্ষমা চাইতে হবে না, গোল করুক আলভারেস

সংগৃহীত ছবি
মেসি-রোনালদোকে ঘিরে লা লিগায় নতুন চমক, বড় ইঙ্গিত সভাপতির

ফুটবল মাঠে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে। খেলোয়াড়ি জীবনের সেই দ্বৈরথ এখন নতুন মাত্রা পেয়েছে স্পেনের ক্লাব ফুটবলে। এবার খেলোয়াড় হিসেবে নয়, বিনিয়োগকারী হিসেবে স্প্যানিশ ফুটবলে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন দুই মহাতারকা।   ৪১ বছর বয়সি রোনালদো গত ফেব্রুয়ারিতে স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব আলমেরিয়ার ২৫ শতাংশ মালিকানা কিনেছেন। অন্যদিকে একই বিভাগের এলদেন্সে বিনিয়োগের পথে এগোচ্ছেন মেসি। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ক্লাবটির সঙ্গে বিনিয়োগের বিষয়ে প্রাথমিক চুক্তিতেও পৌঁছে গেছেন আর্জেন্টাইন তারকা। এর আগে বার্সেলোনা অঞ্চলের পঞ্চম বিভাগের ক্লাব করনেয়ারের মালিকানাও নিয়েছেন মেসি।   তবে এলদেন্সে মেসির বিনিয়োগের বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাস জানান, সংবাদমাধ্যমের খবর থেকেই তিনি বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। মেসি সরাসরি ব্যক্তিগতভাবে বিনিয়োগ করছেন, নাকি কোনো বিনিয়োগকারী গোষ্ঠীর মাধ্যমে ক্লাবটির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন—এ বিষয়েও তার কাছে নিশ্চিত তথ্য নেই বলে জানান তিনি।   তবে চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও স্প্যানিশ ফুটবলে মেসি ও রোনালদোর বিনিয়োগকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন তেবাস। আলমেরিয়ায় রোনালদোর মালিকানার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিশ্বের সাম্প্রতিক সময়ের সেরা দুই ফুটবলার নিজেদের অর্থ স্প্যানিশ ফুটবলে বিনিয়োগ করছেন—এটি স্প্যানিশ ফুটবলের জন্য সম্মানের। একই সঙ্গে তাদের বিনিয়োগ দেশটির ফুটবলকে আরও সমৃদ্ধ করতে ভূমিকা রাখছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   খেলোয়াড় হিসেবে মেসি-রোনালদোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায়। প্রায় এক দশক ধরে বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে নিয়মিত একে অপরের মুখোমুখি হয়েছেন তারা। ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে সম্মিলিতভাবে ৮১টি শিরোপা জিতেছেন দুই তারকা। ৯০০-এর বেশি গোল করার কীর্তি রয়েছে শুধু এই দুজন ফুটবলারেরই।   বার্সেলোনায় ১৭ মৌসুম কাটানোর পর ২০২১ সালের আগস্টে ক্লাবটির আর্থিক সংকটের কারণে বিদায় নেন মেসি। বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনার হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে আটবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।   অন্যদিকে ২০১৮ সালে রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়েন রোনালদো। মাদ্রিদে থাকাকালীন ক্লাবটির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পাশাপাশি ১৩টি শিরোপা জিতেছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ট্রফি। আর পর্তুগালের জার্সিতে তার সবচেয়ে বড় অর্জন ইউরো চ্যাম্পিয়ন হওয়া।   খেলার মাঠের সেই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এবার স্প্যানিশ ক্লাব ফুটবলের পৃষ্ঠপোষক ও বিনিয়োগকারী হিসেবে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছেন—যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে আলোচনা। সূত্র: ইএসপিএন

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

মেসির ৭ কীর্তিতে ভাগ বসানোর দৌড়ে রাফিনিয়া

ছবি: সংগৃহীত

নেইমারের সান্তোসে এবার কৌতিনিয়ো, বন্ধুত্বে মিলল দুই ব্রাজিলিয়ান তারকা

ফাইল ছবি

স্কালোনিকে রাখতে চায় আর্জেন্টিনা, কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ৩ কারণ

ছবি: সংগৃহীত
ড্র দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে এএস রোমার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রত্যাবর্তন

দীর্ঘ ৭ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে ফিরল এএস রোমা। ঘরের মাঠ অলিম্পিকো স্টেডিয়ামে জয়ের খুব কাছে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ফেনেরবাচের সাথে ১-১ গোলে ড্র করে ১ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ইতালিয়ান জায়ান্টদের।     ম্যাচের প্রথমার্ধে রোমা লিড নিলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল শোধ করে ম্যাচে ফেরে তুর্কি ক্লাবটি।     দীর্ঘ অনুপস্থিতির পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরা রোমা ম্যাচের শুরু থেকেই বেশ গোছানো ফুটবল খেলতে থাকে। ৩৯ মিনিটে ক্রিস্তান্তের গোলের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ইতালিয়ান ক্লাবটির হাতে চলে আসে এবং তারা লিড ধরে রেখে প্রথমার্ধ শেষ করে। চ্যাম্পিয়নস লিগে এটি ছিল দীর্ঘ ৮ বছর পর রোমার কোনো খেলোয়াড়ের প্রথম গোল।       দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই ধাক্কা খায় রোমা। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে লেফট-ব্যাক আর্চি ব্রাউনের গোল সমতায় ফেরে ফেনেরবাচের। গোল হজম করার পর রোমার খেলার ছন্দ কিছুটা পতন ঘটে। তুরস্কের ক্লাবটি ম্যাচে সমতা ফেরার পর আরো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এবং রোমার রক্ষণভাগের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে।       ম্যাচের শেষ দিকে খেলার মোমেন্টাম পুরোপুরি ফেনেরবাচের দিকে হেলে পড়েছিল। ফেনেরবাচের নাথান আকে=গোল করার একটি সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু তার হেডটি বারে লেগে ফিরে আসলে নিশ্চিত জয় থেকে বঞ্চিত হয় তুর্কি ক্লাবটি। শেষ পর্যন্ত দুই দলই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণ চালালেও আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচটি ড্র হয়।

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

সেমিফাইনালেই শেষ বাংলাদেশের এশিয়া কাপ স্বপ্ন

সংগৃহীত ছবি

কঠিন সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড

ছবি: সংগৃহীত

ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও ব্যর্থ পাকিস্তান, বড় লিড ইংল্যান্ডের

0 Comments