শিক্ষা

জাবি শিক্ষার্থী কনিস্ক মাঝি | ছবি : সংগৃহীত
জাবির আবাসিক হলে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের ৪১৩ নম্বর কক্ষ থেকে কনিস্ক মাঝি নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।   বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে এ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের (৫০তম আবর্তন) শিক্ষার্থী। জানা গেছে, হলের ওই কক্ষে মৃত শিক্ষার্থী কনিস্ক মাঝিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তার সহপাঠীরা তাৎক্ষণিকভাবে হল প্রশাসনকে অবহিত করে। পরে প্রশাসন পুলিশে খবর দেয়। ঘটনার কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. রাশিদুল আলম বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। পুলিশের উপস্থিতিতে মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে। তবে এখনই ঘটনার বিস্তারিত জানানো সম্ভব নয়।’

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম
ঢাবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (সাময়িক) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন গতকাল জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩’-এর আর্টিকেল ১১(২) অনুযায়ী অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামকে উপাচার্য পদে সাময়িকভাবে নিয়োগ দেওয়া হলো। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে এ নিয়োগ কার্যকর হবে। উপাচার্য হিসেবে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজন মনে করলে যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন। উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এর আগে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। নতুন দায়িত্বে তিনি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেবেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইউজিসি’র চেয়ারম্যান হলেন অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন আইন, ১৯৭৩’-এর ধারা ৪ (১) (এ) অনুযায়ী অধ্যাপক তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, চেয়ারম্যান হিসেবে তার মেয়াদ হবে চার বছর। তিনি প্রচলিত বিধি অনুযায়ী বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা পাবেন। তার যোগদানের তারিখ থেকে এ নিয়োগ কার্যকর হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) আলিফ রুদাবা।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
‘বিগতদের ছাড় দেইনি, বর্তমানকেও দেব না’—রাকসু জিএস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রশাসনের প্রতি কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার।   সোমবার (১৬ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ ও প্রশাসনের প্রতি তার অনড় মনোভাবের কথা তুলে ধরেন। সালাউদ্দিন আম্মার তার পোস্টে উল্লেখ করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী অস্থিতিশীল সময়ে যারা বিভিন্ন ক্যাম্পাসের হাল ধরেছিলেন, তাদের প্রতি তিনি আজীবন কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে রাকসু সভাপতি ও রাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীবের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তিনি (উপাচার্য) নির্বাচন আয়োজন এবং ফান্ডের স্বচ্ছ হিসাব বুঝিয়ে দিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।   আগামী দিনগুলোতে প্রশাসনের প্রতি দুটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে রাকসু জিএস বলেন, আগামী বছর যথাসময়ে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে এবং কোনোভাবেই ‘পোষ্য কোটা’ ফেরত আনা যাবে না। এই দুটি বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না। নতুন প্রশাসনের উদ্দেশ্যে তিনি কিছুটা সতর্কবার্তাও প্রদান করেন। আম্মার লিখেন, ভিসি মহোদয়গণ যদি সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেন, তবে অচিরেই হয়তো তাদের ওপর ‘জামায়াতী ভিসি’ তকমা সেঁটে দেওয়া হতে পারে। তাদের জন্য আগাম অভিনন্দন রইল।   প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়ে নিজের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, রাবির বিগত প্রশাসনকে আমি ন্যূনতম ছাড় দেইনি, আর বর্তমান প্রশাসনকেও কোনো ছাড় দেওয়া হবে না— এটি আমার ওয়াদা। স্ট্যাটাসের শেষে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে নিজের দৃঢ় অবস্থানের জানান দেন।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য ও ইউজিসির চেয়ারম্যান নিয়োগের সিদ্ধান্ত

সরকার ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রামসহ দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান পদে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আজ সোমবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিগগিরই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে।’ মন্ত্রী মিলন জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যানের পদ থেকে অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করায় সরকার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, আরও ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হচ্ছেন অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়টির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক রইস উদ্দিন। আর বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. নুরুল ইসলামকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) নতুন উপাচার্য অধ্যাপক মো. মাসউদ আর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক মো. আল ফোরকানকে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য মনোনীত করেছে সরকার। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিগগিরই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। উল্লেখ্য, গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর থেকে শীর্ষ পদটি শূন্য হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উচ্চশিক্ষার প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে এই নিয়োগগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিগগিরই এ-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’ সাংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। 

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
লটারি প্রথা বাতিল করে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা চালু হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সরকার শিক্ষা ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন ও মেধা যাচাইয়ের লক্ষ্যে বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে উপরের সব শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বিদ্যমান লটারি প্রথা বাতিল করে পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  তিনি বলেন, ‘আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে স্কুলে ভর্তিতে আর লটারি থাকছে না।’ আজ সোমবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, ‘লটারি কোনো শিক্ষা ব্যবস্থার মানদণ্ড হতে পারে না। আমরা গত এক মাস ধরে ব্যাপক আলোচনার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি প্রথা তুলে দেওয়া হবে। স্কুলে ছাত্রছাত্রী ভর্তিতে লটারির মাধ্যমে মেধা যাচাই করার কোনো সুযোগ নেই।’  তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সব স্তরে লটারি চলতে থাকলে শিক্ষার্থীদের মেধার অবমূল্যায়ন করা হবে। ভর্তিতে লটারিকে অনেকটা ‘জুয়া খেলা’র সঙ্গে তুলনা করে শিক্ষামন্ত্রী মিলন বলেন, লটারি কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা হতে পারে না। তবে ভর্তি পরীক্ষা যেন শিশুদের জন্য মানসিক চাপের কারণ না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হবে।  তিনি বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষায় আমরা শিক্ষার্থীদের নিউরোসার্জন বানানোর চেষ্টা করছি না; অত্যন্ত সহজ ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মেধা যাচাই করা হবে।’ ভর্তি পরীক্ষা ফিরলে কোচিং বাণিজ্য বাড়বে কি না-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘ইন-হাউস’ কোচিং-এর ব্যবস্থা করা হবে। যাতে শিক্ষার্থীরা স্কুলের ভেতরেই প্রয়োজনীয় সহায়তা পায় এবং বাইরের কোচিং সেন্টারের ওপর নির্ভরশীল হতে না হয়। কেউ কোচিং বাণিজ্য করতে চাইলে সরকার বসে থাকবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, ভর্তি পদ্ধতি নির্ধারণের বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। প্রয়োজনে সামনে আরও আলোচনা করা হবে। সবার সঙ্গে কথা বলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হলেন ছিদ্দিকুর রহমান

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।   সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, বর্তমান ভিসি অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হওয়ায় তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন ছিদ্দিকুর রহমান। অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান এর আগে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির দুই বারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ব্যক্তিজীবন থেকে জানা যায়, ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের জন্ম কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার গলাচিপা গ্রামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে তিনি স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তার গবেষণার শিরোনাম ‘নবাবী বাংলার রাজনীতি ও অভিজাত শ্রেণী: একটি সমাজতাত্ত্বিক অধ্যয়ন’। ক্যারিয়ার জীবনী থেকে যায়, ড. খান ১৯৯৫ সালে বি এ এফ শাহীন কলেজ, ঢাকায় লেকচারার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে যোগদান করেন এবং বর্তমানে এ বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। ড. ছিদ্দিকুর রহমান খানের গবেষণার প্রধান অধিক্ষেত্র আধুনিক মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক ক্রমবিকাশ। দক্ষিণ এশিয়া বিশেষ করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিকাশধারা সম্পর্কিত পাঠ ও গবেষণা তার বিশেষ আগ্রহের বিষয়। এতদবিষয়ে ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি গবেষণা জার্নালে তার ৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থ সংখ্যা ৬টি।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে নতুন ভিসি, দায়িত্বে অধ্যাপক নুরুল ইসলাম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপ-উপাচার্য **ড. মো. নুরুল ইসলাম**কে **ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি**র নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।   সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৪টার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়-এ আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-এর ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি যুক্তরাজ্যের নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং Flood Risk Management Research Consortium-এ পোস্টডক্টোরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন। এছাড়া তিনি অস্ট্রিয়ার সালজবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়, ভারতের বোস ইনস্টিটিউট এবং থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (AIT) থেকে যথাক্রমে জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম (GIS), রিমোট সেন্সিং (RS) এবং পরিবেশ প্রভাব বিশ্লেষণ (EIA) বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। শিক্ষকতা জীবনে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-এর ভূগোল বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি অনারারি শিক্ষক হিসেবে নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন স্বনামধন্য জার্নালে ড. নুরুল ইসলামের প্রকাশিত গবেষণাধর্মী প্রবন্ধের সংখ্যা অর্ধশতাধিক।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি

ঢাকা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন এ তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক রইস উদ্দিন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিদ্দিকুর রহমান খান, ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক নুরুল ইসলাম এবং খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাসুদ ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক মো. আল ফোরকান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম।

মারিয়া রহমান মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পুরোনো ছবি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়ে সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে বিশেষ সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। জানা গেছে, স্কুল স্তরে দীর্ঘদিনের ‘লটারি প্রথা’ বাতিল করে পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন শিক্ষামন্ত্রী। একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগের বিষয়টিরও সুরাহা হতে যাচ্ছে আজ। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিকেল ৪টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এই প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে। এতে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন উপস্থিত থাকবেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বার্তায় গণমাধ্যমকর্মীদের এই ব্রিফিং কভারেজ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, লটারি পদ্ধতিতে মেধার সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে না—এমন দাবির প্রেক্ষিতে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা পুনরায় চালু করার বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা চলছিল। আজকের ব্রিফিংয়ে এই প্রক্রিয়ার রূপরেখা ঘোষণা করা হতে পারে। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ তিনটি প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিনের শূন্য থাকা শীর্ষ প্রশাসনিক পদে নতুন উপাচার্য নিয়োগের বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়েছে, যা আজ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। এর আগে, সকালে শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস. এম. এ. ফায়েজ।

মারিয়া রহমান মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
অধ্যাপক ড. এসএমএ ফায়েজ। ছবি : সংগৃহীত
ইউজিসি চেয়ারম্যান ড. এসএমএ ফায়েজের পদত্যাগ

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এসএমএ ফায়েজ পদত্যাগ করেছেন।   সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র পাঠান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো চিঠিতে ড. ফায়েজ উল্লেখ করেন, বর্তমান শারীরিক অবস্থার কারণে কমিশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনা করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি জানান, শারীরিক ও মানবিক দিক বিবেচনায় তাকে যেন দ্রুত ইউজিসি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধও জানান। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তার পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলছে। বিষয়টি পর্যালোচনা করে শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তিনি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসেরও কম সময়ের মধ্যে অসুস্থতার কারণে তাকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে হলো। ড. এসএমএ ফায়েজ ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষকতা জীবনের সূচনা করেন। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি ২০০২ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬তম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ষষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তাকে ইউজিসি চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের তিন মাস মেয়াদি শর্ট কোর্সের পরীক্ষা ৩ এপ্রিল শুরু

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জাতীয় দক্ষতামান বেসিক সার্টিফিকেট কোর্স (৩৬০ ঘণ্টা) শিক্ষাক্রমের জানুয়ারি-মার্চ, ২০২৬ সেশনের চূড়ান্ত লিখিত পরীক্ষা আগামী ৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। আজ রোববার বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৩ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে নির্ধারিত ১৭টি কেন্দ্রে একযোগে এই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে এবং পরবর্তী দিন ৪ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২৫ সালের নতুন প্রবিধান অনুযায়ী এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। লিখিত পরীক্ষায় মোট ৫২টি প্রশ্ন থাকবে, যার মধ্যে ইংরেজি বিষয়ের ওপর থাকবে ১০টি প্রশ্ন। পরীক্ষার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ ঘণ্টা এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য ৩ ঘণ্টা। সকল অংশে পাসের ন্যূনতম নম্বর ৬০ শতাংশ। পরীক্ষার্থীদের আলাদা কোনো প্রবেশপত্র ইস্যু করা হবে না; বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন কার্ডকেই প্রবেশপত্র হিসেবে গণ্য করা হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ১৫ থেকে ৩০ মার্চের মধ্যে শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক ধারাবাহিক (টিসি ও পিসি) নম্বর অনলাইনে এন্ট্রি সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পরীক্ষা শেষে ওই দিনই (৩ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে সিলগালাকৃত উত্তরপত্র ডাকযোগে বোর্ডে পাঠাতে হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার পোস্ট অফিসগুলো শুক্রবারও খোলা রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত কেন্দ্র তালিকা এবং নির্দেশনা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (িি.িনঃবন.মড়া.নফ)-এ প্রকাশ করা হয়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে পাঁচটি প্রকল্প চলমান : মিলন

 শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন চলমান প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা খাতকে শক্তিশালী করতে মোট পাঁচটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (ডিইপিডি-৪), যা জুলাই ২০১৮ সাল থেকে জুন ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং চাহিদাভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প (প্রথম পর্যায়), যা জুলাই ২০১৬ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত চলমান। মন্ত্রী আরও জানান, ঢাকা মহানগর ও পূর্বাচলে নান্দনিকতা বৃদ্ধিসহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প জানুয়ারি ২০২০ থেকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া সরকার কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় এবং নোয়াখালীর ভাসানচরে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প জুলাই ২০২৪ থেকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত বাস্তবায়ন করছে। মন্ত্রী বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫০টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মাধ্যমে দেশের ৫৮টি জেলায় ‘কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ (প্রাক-বৃত্তিমূলক স্তর)’ শীর্ষক একটি কোর্স বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশুদের বিকল্প শিক্ষার সুযোগ দিতে দেশের ৬৪টি জেলার প্রতিটিতে একটি করে উপজেলায় ‘স্কুলবহির্ভূত শিশুদের জন্য বিকল্প শিক্ষা কার্যক্রম (এএলও)’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্পটি ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেয়েছে এবং এটি জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে : মিলন

নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা জোরদার করার লক্ষ্যে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি আজ সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৬ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বলেন, নবনির্বাচিত সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মিলন বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ও প্রাথমিক শিক্ষা খাতে উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং বর্তমান সরকারও আবার এই খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার জন্য সরকার ইতোমধ্যেই নির্দেশনা পেয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় সচেতনতা জোরদারের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের একটি প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।’ তবে তিনি জানান, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা রয়েছে, বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসা থেকে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের সনদ স্বীকৃতি নিয়ে। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, কওমি মাদ্রাসার অনেক শিক্ষার্থী কিরাত (কোরআন তেলাওয়াত) বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হলেও মূলধারার মাদ্রাসা শিক্ষাক্রমে এই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত না থাকায়, তাদের সনদ স্বীকৃতির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘যোগ্য প্রার্থীদের ইসলাম শিক্ষা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে এসব সনদ-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’ আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, ‘ধর্মীয় শিক্ষা শুধু ইসলাম ধর্মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।’ শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, ‘সব ধর্মের অনুসারীদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’ এর আগে মো. মনিরুল হক চৌধুরী গত ১৫ থেকে ১৭ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থার অবনতি হয়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।  যদিও এই সময়ে স্কুলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
অস্ট্রেলিয়ার পোস্টস্টাডি ফি ভিসা বৃদ্ধি, খরচ এখন কানাডা–নিউজিল্যান্ড–যুক্তরাজ্যের চেয়ে বেশি

অস্ট্রেলিয়ার সরকার পড়াশোনা-পরবর্তী কাজের (পোস্টস্টাডি) জন্য ওয়ার্ক ভিসার আবেদন ফি দ্বিগুণ করেছে। এতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষা খাতের বিভিন্ন সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, এতে ক্রমবর্ধমান খরচের কারণে দেশটি বিদেশি গ্র্যাজুয়েটদের কাছে কম আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। শিক্ষাবিষয়ক সংস্থা আইসিইএফ মনিটরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দ্বিগুণ হলো টেম্পোরারি গ্র্যাজুয়েট ভিসার ফি ১ মার্চ থেকে টেম্পোরারি গ্র্যাজুয়েট ভিসার (সাবক্লাস ৪৮৫) আবেদন ফি ৪ হাজার ৬০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার করা হয়েছে। আগে এ ফি ছিল ২ হাজার ৩০০ ডলার। এই ভিসার মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করার পর অস্ট্রেলিয়ায় ১৮ মাস থেকে ৩ বছর পর্যন্ত বসবাস ও কাজ করতে পারেন। অনেকের জন্য এটি স্থায়ী বসবাসের পথেও সহায়ক।সাম্প্রতিক এই ফি বৃদ্ধির ফলে অস্ট্রেলিয়ার পোস্টস্টাডি ওয়ার্ক ভিসা এখন বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল। একই ধরনের ভিসার তুলনায় এর খরচ কানাডা, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের তুলনায় অনেক বেশি। নির্ভরশীলদের ফিও বৃদ্ধি ভিসার সঙ্গে থাকা নির্ভরশীল ব্যক্তিদের জন্যও খরচ বেড়েছে। সঙ্গী বা ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী নির্ভরশীলদের ফি ২ হাজার ৩০০ ডলার করা হয়েছে। ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্যও ফি বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষার্থী ভিসা ও জীবনযাপনের খরচ বেড়েছে এর আগে অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন খাতে খরচ বাড়ানোর প্রবণতা দেখা গেছে। স্টুডেন্ট ভিসার (সাবক্লাস ৫০০) আবেদন ফি ২ হাজার ডলার, যা বড় শিক্ষাগন্তব্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। জীবনযাপনের প্রমাণ হিসেবে বছরে ২৯ হাজার ৭১০ ডলার দেখানোর বাধ্যবাধকতাও চালু করা হয়েছে। বেসরকারি স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়ামও বাড়তে পারে। শিক্ষাবিদদের সতর্কতা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ধারাবাহিক খরচ বৃদ্ধি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা ও কাজের পরিকল্পনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।

মারিয়া রহমান মার্চ ১১, ২০২৬ 0
প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা জারি

প্রাথমিক শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬’ জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা মোট ৪০০ নম্বরে হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত নীতিমালা গতকাল মঙ্গলবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। এ নীতিমালা ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে। নতুন নীতিমালার আলোকে ২০২৬ সাল থেকে বৃত্তি সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে বিশেষ ব্যবস্থায় ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষাও এই নীতিমালার আলোকেই অনুষ্ঠিত হবে। যোগ্যতা ও হার:  নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের চতুর্থ শ্রেণির সামষ্টিক মূল্যায়নের ফলাফলের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে বেসরকারি বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এনসিটিবি’র পাঠ্যক্রম অনুসরণ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অনলাইন সিস্টেম ‘আইপিইএমআইএস’-এ সক্রিয় থাকা বাধ্যতামূলক। পরীক্ষার বিষয় ও মানবণ্টন: নীতিমালা অনুযায়ী, এ বছর বৃত্তি পরীক্ষা মোট ৪০০ নম্বরে হবে। এর মধ্যে বাংলা, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় আর প্রাথমিক বিজ্ঞান (সমন্বিত) বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ নম্বর করে বরাদ্দ থাকবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবেন। বৃত্তি পাওয়ার জন্য প্রতিটি বিষয়ে একজন শিক্ষার্থীকে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। বৃত্তির ধরন ও কোটা: নীতিমালা অনুযায়ী, দুই ধরনের বৃত্তি প্রদান করা হবে— ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ। উভয় ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ ছাত্র এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রী নির্বাচিত হবেন। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, ট্যালেন্টপুল বৃত্তি প্রদান করা হবে উপজেলা বা থানাভিত্তিক মেধার ক্রমানুসারে। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডপর্যায়কে ইউনিট হিসেবে ধরা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডে দুজন ছাত্র, দুজন ছাত্রী এবং একজন মেধা কোটাসহ মোট ৫টি সাধারণ বৃত্তি দেওয়া হবে। বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি স্টিয়ারিং কমিটি কাজ করবে, যার উপদেষ্টা থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবং সভাপতি থাকবেন সচিব। এ ছাড়া জেলাপর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলাপর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) নেতৃত্বে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। পরীক্ষাসংক্রান্ত যে কোনো অনিয়ম বা অবহেলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কঠোর নির্দেশনার বিধান রয়েছে নীতিমালায়। এ নীতিমালা জারির পূর্বে ২০০৮ সালে জারিকৃত প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তি নীতিমালাসহ এ সংক্রান্ত জারিকৃত সকল নীতিমালা রহিত বলে গণ্য হবে।

মারিয়া রহমান মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনা, ঢাবির ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় দুই নারীসহ চারজনকে লাঞ্ছনার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে তাদের ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়।   মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে টিএসসি এলাকায় দুজন পুরুষ ও দুজন নারীকে লাঞ্ছনার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের আলোকে তিন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্ডারে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ তাদের ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করেন।   বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন— থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শাহরিয়ার ইসলাম তুষার, বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের রাকিব আহমেদ এবং নৃবিজ্ঞান বিভাগের শাহরিয়ার তানজিল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে কর্তৃপক্ষ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ঈদের ছুটিতে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটিকালীল সময়ে দেশের সকল কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। ছুটির সময়ে প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান ল্যাবরেটরি, ওয়ার্কশপ ও সামগ্রিক স্থাপনার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) প্রকৌশলী মো. জয়নাল আবেদীন স্বাক্ষরিত এক আদেশে গতকাল এ নির্দেশনা জারি করা হয়। আদেশে বলা হয়, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত কারিগরি অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এই ছুটিকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠানের ভবন, ওয়ার্কশপ, ল্যাবরেটরি ও অন্যান্য স্থাপনার সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এতে আরও বলা হয়, নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জনবলের সুনির্দিষ্ট ‘ডিউটি রোস্টার’ প্রস্তুত করে তা বাস্তবায়নের করতে হবে। একই সঙ্গে প্রস্তুতকৃত রোস্টার অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণপূর্বক অধিদপ্তরকে দ্রুত অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
দেশের সব মেডিকেল কলেজে আজ থেকে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ

দেশের সব সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ক্লাস ও পরীক্ষা আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) থেকে বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।   সোমবার (৯ মার্চ) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১০ মার্চ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের সরকার ঘোষিত ছুটি চলাকালে দেশের সকল মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিটসমূহের ক্লাস এবং অভ্যন্তরীণ পরীক্ষাসমূহ বন্ধ থাকবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ১০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ঢাবি শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় সাংবাদিককে হুমকির অভিযোগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে এক সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত হিসেবে জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।   জানা গেছে, ‘ছাত্রলীগ’ করার অভিযোগ তুলে জাতীয় ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতাকর্মী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলকে মারধর করেন। এ ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে বাংলা নিউজ২৪.কমের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার শাহাদাত হোসেন কিফাত হুমকির মুখে পড়েন। রোববার (৯ মার্চ) ভোররাতে সেহরির সময় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় কিফাতকে মোটরসাইকেলে এসে কয়েকজন ব্যক্তি পথরোধ করে থামান এবং তাকে বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদ ও হুমকি দেন। এ সময় ধমকের সুরে তাকে বলা হয়— ‘কেন চেনো না আমাকে’, ‘এখানে কী করছ’—সহ নানা প্রশ্ন করা হয়।   জানা গেছে, সাইফুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ছাত্র সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক। ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিক শাহাদাত হোসেন কিফাত জানান, বুয়েটে সেহরি করতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেহরি শেষে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিতে শাহবাগ থানার দিকে যান। তিনি বলেন, “শাহবাগে পৌঁছানোর পরই একটি মোটরসাইকেল এসে আমার পথ আটকায়। তারা বিভিন্নভাবে প্রশ্ন করতে থাকে এবং এমন কিছু প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে যেন আমি ছাত্রলীগের কাউকে উদ্ধার করতে সেখানে গিয়েছি।”   কিফাত আরও জানান, পরিচয় জানতে চাইলে মোটরসাইকেলে থাকা তিনজন নিজেদের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বলে পরিচয় দেন। কিছুক্ষণ পর জাতীয় ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ ঘটনাস্থলে এসে তার সেশন সম্পর্কে জানতে চান। “আমি পরিচয় দেওয়ার পর তিনি উচ্চস্বরে ধমক দিয়ে জানতে চান আমি তাকে চিনি কি না। তার আচরণে আমি স্পষ্টভাবে বলি যে আমি তাকে চিনি না। তখন তিনি আবারও ‘কেন চেনো না আমাকে’, ‘এখানে কী’—এ ধরনের প্রশ্ন করতে থাকেন,” বলেন কিফাত।   পরে মহিউদ্দিন নামে আরেক ব্যক্তি এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে সাইফুল্লাহ সেখান থেকে চলে যান বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে সাইফুল্লাহর বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে হোয়াটসঅ্যাপেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ০৯, ২০২৬ 0
জ্বালানি সংরক্ষণ ও ঈদুল ফিতরের জন্য বেরোবি ছুটি ঘোষণা

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনা অনুযায়ী ঈদুল ফিতরের ছুটি এগিয়ে এনে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) আজ (সোমবার) থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বেরোবি'র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।  গতকাল (রবিবার) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক বিশেষ নির্দেশনার প্রেক্ষিতে জ্বালানি সংরক্ষণ নিশ্চিতের জন্য সকল একাডেমিক এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার এই সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নির্দেশনায় আরও বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এবং পবিত্র রমজান মাস এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় রেখে ৯ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস, পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে ঈদুল ফিতরের নির্ধারিত ছুটি আগামী ২৮ মার্চ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই আদেশ বলবৎ থাকবে। এই সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ, ইনস্টিটিউট এবং সরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে, জরুরি পরিষেবা এই ছুটির আওতায় পড়বে না। বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে এই নির্দেশা অনুসরণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ০৯, ২০২৬ 0
Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সপ্তাহের সেরা

ছবি : সংগৃহীত
বিশ্ব

ইরানের শীর্ষ ব্যক্তিদের তথ্য দিলে পুরস্কার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১৪, ২০২৬ 0