জাতীয়

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৩,৩৪৩ মামলায় আইনি সহায়তা প্রদান

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ডিসেম্বর ২১, ২০২৫

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে সরকারি খরচে অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের ৩ হাজার ৩৪৩ টি মামলায় আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

২০০৯ সাল থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড)  অফিসের মাধ্যমে দেওয়া সহায়তা সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

সারাদেশে সরকারি খরচে অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের ৪ লাখ ৫১ হাজার ৮৮৬ মামলায় আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে বলে এ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস এর মাধ্যমে ৩ হাজার ৩৪৩টি মামলা, দেশের ৬৪ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৯৯৯টি মামলা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে ৪ হাজার ৫৪৪টি মামলায় আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল, সরকারি আইনি সহায়তা জাতীয় হেল্পলাইন কলসেন্টারে (টোল ফ্রি-‘১৬৬৯৯’), কারাবন্দিদের এই আইনি সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস স্থাপিত হয় ২০১৫ সালে। তখন থেকে সরকারি খরচে অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের সেবা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়।

দেশে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের’ অধীনে সরকারি খরচে এ সেবা দেওয়া হয়।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
বিমানবন্দরে আটকে রাখার প্রতিবাদে ভারতে প্রবেশ করিনি: জাহেদ উর রহমান

ঢাকা: দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় রাখা এবং প্রবেশে জটিলতার মুখে পড়ার অভিযোগ তুলে ভারতে প্রবেশ না করে দেশে ফিরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।   মঙ্গলবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।   উপদেষ্টা বলেন, বিমানবন্দরে তাকে যথাযথভাবে গ্রহণ না করা এবং অপেক্ষায় রাখা “অসন্তোষজনক ও অগ্রহণযোগ্য” মনে হয়েছে। এ কারণেই তিনি উচ্চপর্যায়ের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও ভারতে প্রবেশ না করে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।   তিনি আরও জানান, “আমার সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, সেটা ভালো লাগেনি। যেখানে বসতে দেওয়া হয়েছে, সেটাও উপযুক্ত মনে হয়নি।”   তবে তিনি স্পষ্ট করেন, বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা ও সৌজন্যে কোনো ঘাটতি ছিল না। সফরকালীন সময়ে হাইকমিশন যথাযথ সহায়তা দিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।   জানা গেছে, ভারত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট (আইওআরএ)-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের বৈঠকে অংশ নিতে তিনি দিল্লি গিয়েছিলেন। বাংলাদেশ আগেই সফরের বিষয়টি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছিল। পরে উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও তিনি তা গ্রহণ না করে ফিরে আসেন।   ঘটনার পর বিষয়টি কূটনৈতিক পর্যায়েও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ সরকার দিল্লিতে নিযুক্ত ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে।   এদিকে উপদেষ্টা মন্তব্য করেন, এই ঘটনার কোনো নেতিবাচক প্রভাব দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে পড়বে না বলে তিনি আশাবাদী, তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতিতে সতর্কতা অবলম্বন করা হবে

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ১৬, ২০২৬
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: মির্জা ফখরুল

ইন্টারপোল।ছবি: সংগৃহীত

ইন্টারপোলের ‘ওয়ান্টেড’ তালিকায় ৫৯ বাংলাদেশি

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা। ছবি: সংগৃহীত

চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন

ছবি: সংগৃহীত
আদ-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা কার্যক্রমে কোনো বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা: রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হলেও একই প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শাখায় স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।   মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে হাম চিকিৎসা প্রোটোকল ও ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।   মন্ত্রী বলেন, “শুধু প্যাথলজির নয়, মগবাজার আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। তবে এটি একটি নির্দিষ্ট শাখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। একই ব্র্যান্ডের অধীনে পরিচালিত অন্য হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো নিয়মনীতি মেনে চললে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারবে।”   তিনি আরও জানান, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বদ্ধ ঘরে অক্সিজেনের অভাবে শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসক, নার্স এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা ছিল বলে অভিযোগ উঠে। এ ধরনের দায়িত্বহীনতার দায় প্রতিষ্ঠানকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।   স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “স্বাস্থ্যসেবা খাতে অবহেলা বা গাফিলতির কোনো সুযোগ নেই। রোগীর জীবন নিয়ে দায়িত্বহীন আচরণ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আসতেই হবে। সরকার এ ধরনের ঘটনায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।”   হাম প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতি হচ্ছে। তবে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ১৬, ২০২৬
ফেসবুক লাইভ থেকে নেওয়া

দিল্লি এয়ারপোর্টে অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন ডা. জাহেদ

ছবি: সংগৃহীত

উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের শীর্ষ পদে রাজনৈতিক নিয়োগ নিয়ে তীব্র সমালোচনা

ছবি: সংগৃহীত

পাঁচ নদীর নাব্যতা ফেরাতে একনেকে উঠছে ২৬৩৬ কোটি টাকার প্রকল্প

সংগৃহীত ছবি
৩ মাসের মধ্যে চীনে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস: আশিক চৌধুরী

শিগগিরই দেশের বাইরে বিডার প্রথম অফিস চালু করা হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এটি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। সম্প্রতি চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এ কথা বলেছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে চীনা গণমাধ্যম সিজিটিএন। আশিক চৌধুরী বলেন, এই অফিসের মাধ্যমে চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া আরো সহজ ও দ্রুত হবে। এতে তাদের যোগাযোগ, তথ্য সংগ্রহ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ অনেক বেশি সুবিধাজনক হবে। তিনি বলেন, গত পাঁচ বছরে চীনা বিনিয়োগ বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় বিদেশি বিনিয়োগের উৎসগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। এই গুরুত্ব বিবেচনায় বিডা চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষভাবে আলাদা সেবা কাঠামো গড়ে তুলেছে এবং তাদের জন্য পৃথকভাবে কাজ করছে। আশিক চৌধুরী জানান, গত বছরের শেষ দিকে বিডার অধীনে একটি বিশেষ ‘চায়না ডেস্ক’ চালু করা হয়েছে। এই ডেস্কে নিয়োজিত কর্মকর্তারা শুধুর চীনা বিনিয়োগকারীদের সহায়তা ও সেবা প্রদানের কাজ করছেন। চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য আলাদা ফোকাসড সাপোর্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের ১৮০ দিনের সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। গত মার্চে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছিলেন, চীনে বাংলাদেশের উপস্থিতি আরো দৃশ্যমান করা এবং বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ দ্রুত সমাধানের সুযোগ তৈরি করবে এই কার্যালয়। তখন তিনি আগামী ছয় মাসের মধ্যেই অফিসটির কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) প্রথমবারের মতো দেশের বাইরে একটি অফিস স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। চীনা বিনিয়োগের একটি অংশ বাংলাদেশে আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন জটিলতা উৎস পর্যায়েই সমাধান করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এদিকে, এই উদ্যোগকে সামনে রেখে অবকাঠামো খাতে বিডা ১৩টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্প চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল (চাইনিজ ইকোনমিক জোন) বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিডার ধারণা, প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। বিডার বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশে বেসরকারি প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) ক্ষেত্রে সৌদি আরবের পরই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীন। এ সময়ে মূল ভূখণ্ড চীন থেকে ৪ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার এবং হংকং থেকে ১৭৩ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এসেছে।

মারিয়া রহমান জুন ১৬, ২০২৬
ফাইল ছবি

রামিসা হত্যা মামলায় হাইকোর্টের নতুন নির্দেশ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। ফাইল ছবি

আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

শপিং মলে ডেকে বেনজীরকে ধরিয়ে দেন এমপি বন্ধু

0 Comments