অন্যান্য

শাকসু নির্বাচন স্থগিত

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছে হাই কোর্ট।


ভিপি পদপ্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভসহ তিনজনের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার এ আদেশ দেন বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চ।

দীর্ঘ ২৮ বছর পর মঙ্গলবার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ভোটের প্রস্তুতি পুরোপুরি গুছিয়ে আনার মধ্যেই শিক্ষালয়টি নির্বাচনের স্থগিত হওয়ার খবর পায়।

রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রুহুল কুদ্দুস কাজল, রাশনা ইমাম ও মনিরুজ্জামান আসাদসহ আরও কয়েকজন আইনজীবী। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন মোহাম্মদ হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অন্যান্য

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ভুল পজিশনে ঘুমাচ্ছেন না তো? জেনে নিন পিঠের ব্যথা এড়ানোর সঠিক উপায়

সুস্থ শরীরের জন্য সুষম খাদ্যের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ও আরামদায়ক ঘুম অত্যন্ত জরুরি।    পর্যাপ্ত ঘুম কেবল মানসিক দক্ষতা বৃদ্ধি করে না, বরং এটি আবেগীয় ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং শরীরের হারানো শক্তি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে।  চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, ভালো ঘুম হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।     তবে শোয়ার ভুল অভ্যাসের কারণে অনেক সময় শরীরে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, যার মধ্যে পিঠে বা কোমরে ব্যথা অন্যতম।   বিশেষজ্ঞদের মতে, উপুড় হয়ে শোয়ার অভ্যাস মেরুদণ্ড ও ঘাড়ের ওপর অনাবশ্যক চাপ সৃষ্টি করে, যা পেশিতে খিঁচুনি বা ব্যথার কারণ হতে পারে।  পিঠের ব্যথা প্রতিরোধে চিকিৎসকরা সাধারণত চিৎ হয়ে বা কাত হয়ে শোয়ার পরামর্শ দেন।  চিৎ হয়ে শুলে শরীরের ওজন সমানভাবে বিন্যস্ত থাকে, ফলে মেরুদণ্ডের ওপর চাপ কমে।   এক্ষেত্রে হাঁটুর নিচে একটি পাতলা বালিশ রাখলে কোমরের স্বাভাবিক বক্রতা বজায় থাকে।  অন্যদিকে, যারা কাত হয়ে শুতে পছন্দ করেন, তারা দুই হাঁটুর মাঝখানে একটি বালিশ ব্যবহার করলে কোমর ও হিপের হাড়ের ওপর চাপ কম পড়ে এবং মেরুদণ্ড সঠিক অবস্থানে থাকে।   সঠিক পজিশনের পাশাপাশি সঠিক তোশক ও বালিশ নির্বাচনও ঘুমের মানের ওপর প্রভাব ফেলে।  মেরুদণ্ডের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় খুব নরম বা খুব শক্ত তোশকের বদলে মাঝারি শক্ত তোশক ব্যবহার করা শ্রেয়।  একইসাথে বালিশের উচ্চতা এমন হওয়া উচিত যা ঘাড়কে অস্বাভাবিক অবস্থানে ঠেলে দেবে না।  যারা চিৎ হয়ে শোন তাদের জন্য পাতলা বালিশ এবং যারা কাত হয়ে শোন তাদের জন্য তুলনামূলক মোটা বালিশ আরামদায়ক হতে পারে।   ঘুমের গুণগত মান বাড়াতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করা এবং শোয়ার ঘরটি অন্ধকার ও শীতল রাখা প্রয়োজন। বিশেষ করে ঘুমানোর আগে মোবাইল বা ল্যাপটপের নীল আলো পরিহার করা এবং হালকা স্ট্রেচিং বা বই পড়ার মতো অভ্যাসগুলো গভীর ঘুমে সহায়তা করে। দিনের বেলা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং রাতে হালকা খাবার গ্রহণ করার মাধ্যমে পিঠের ব্যথা মুক্ত এক প্রশান্তিদায়ক ঘুম নিশ্চিত করা সম্ভব।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া | ছবি : সংগৃহীত

টাকা উদ্ধারের নামে ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ চলছে : আসিফ মাহমুদ

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

লাইলাতুল গুজব চলছে : জামায়াত আমির

মেঘনা আলম। ছবি : সংগৃহীত

নিরাপত্তা শঙ্কায় মেঘনা আলমের জিডি

ছবি : সংগৃহীত
বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা আরো সুসংহত ও আধুনিকায়ন করতে ১৯৯০ সালের সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। নতুন আইনে শিক্ষক ও কর্মচারীদের সংজ্ঞায় স্পষ্টতা আনার পাশাপাশি ট্রাস্টের তহবিল ব্যবস্থাপনা ও বোর্ড গঠনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে গতকাল নতুন এই অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম এ তথ্য জানান। এই অধ্যাদেশ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬, নামে অভিহিত হবে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। সংশোধিত অধ্যাদেশে ‘শিক্ষক’ ও ‘কর্মচারী’ বলতে সুনির্দিষ্টভাবে ‘এমপিওভুক্ত’ শিক্ষক-কর্মচারীদের বোঝানো হয়েছে। এছাড়া, উচ্চ পর্যায়ের মাদ্রাসার সাথে সংযুক্ত ‘ইবতেদায়ি মাদ্রাসা’কেও এই কল্যাণ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠন বিষয়ে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ট্রাস্টের কার্যাবলি পরিচালনার জন্য শিক্ষা সচিবকে চেয়ারম্যান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে ভাইস-চেয়ারম্যান করে ট্রাস্টের একটি শক্তিশালী বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ডে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এবং জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি রাখা হয়েছে। ট্রাস্টি বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে আইনের ৬(১)(ড) ধারায় একজন পরিচালক রাখার কথা বলা হয়, যিনি পদাধিকারবলে বোর্ডের ‘সদস্য-সচিব’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া সরকার মনোনীত ১১ জন শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন, যাদের মেয়াদ হবে ৩ বছর। তবে শর্ত থাকে যে, সরকার নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে কোনো কারণ না দর্শানো ছাড়াই যেকোনো সময় যেকোনো সদস্যের মনোনয়ন বাতিল করতে পারবে বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। অধ্যাদেশে চাকরিরত অবস্থায় কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী অক্ষম হয়ে পড়লে, মৃত্যু বরণ করলে কিংবা দীর্ঘদিন গুরুতর অসুস্থ থাকলে, তাদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য ‘অনুমোদনের’ বিষয়টি আরো সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। জরুরি ব্যবস্থার বিষয়ে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো কারণে ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা সম্ভব না হলে, শিক্ষকদের কল্যাণ সুবিধা যেন থমকে না যায়, সেজন্য বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারের অনুমোদনক্রমে ‘অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা’ হিসেবে সুবিধা প্রদান করা যাবে। তহবিল ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ বিষয়ে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ট্রাস্টের তহবিলের অর্থ এখন থেকে সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে কেবল রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, সরকারি বন্ড বা বিলে বিনিয়োগ করা যাবে। স্থায়ী ও চলতি তহবিল পরিচালনার জন্য প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। আর ট্রাস্টের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য সরকার অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতা বোর্ডকে দেওয়া হয়েছে। সরকার কর্তৃক প্রেষণে নিযুক্ত একজন ‘পরিচালক’ বোর্ডের সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অধ্যাদেশে বলা হয়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

রাবি বিজ্ঞান অনুষদের ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৬ শিক্ষক ও ৩০ শিক্ষার্থী

বিএনপির মিডিয়া সেলের সৌজন্যে

রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন তারেক রহমান

ছবি : সংগৃহীত

কেউ কেন্দ্র দখল করলে আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখব না : আসিফ মাহমুদ

২১০০ সালের মধ্যে গরু-ছাগলের ঘাসের জমি অর্ধেক কমতে পারে

জলবায়ু পরিবর্তন   জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের গবাদি পশু পালনের জন্য উপযোগী জমির পরিমাণ ২১০০ সালের মধ্যে অর্ধেক পর্যন্ত কমতে পারে। জার্মানির পটসডাম ইনস্টিটিউট ফর ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট রিসার্চের (পিআইকে) নতুন গবেষণায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। গবেষণা অনুযায়ী, বর্তমানে পৃথিবীর এক-তৃতীয়াংশ জমি আচ্ছাদন করে আছে গরু, ছাগল ও ভেড়ার জন্য ব্যবহৃত ঘাসভিত্তিক খামার জায়গা। ভবিষ্যতে এসব জমি তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সংকুচিত হবে। এতে প্রায় ১০ কোটিরও বেশি পশুপালনকারী এবং প্রায় ১৬০ কোটি গবাদি পশু সরাসরি প্রভাবিত হবে। গবেষকরা বলছেন, বর্তমানে এ ধরনের খামারে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাত প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খামারের জন্য ‘নিরাপদ জলবায়ু স্থান’ কমে যাবে। গবেষণায় বিশেষভাবে আফ্রিকাকে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে খামারের জমি ১৬ শতাংশ থেকে ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। এটি ভবিষ্যতের কার্বন নির্গমনের ওপর নির্ভর করছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে আফ্রিকার উচ্চভূমি, ইস্ট আফ্রিকান রিফ ভ্যালি এবং কঙ্গো বেসিনের মতো প্রধান ঘাসভিত্তিক অঞ্চল দক্ষিণ দিকে সরতে পারে। গবেষকরা সতর্ক করেছেন, পরিবেশ দূষণ কমানো ও জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার দ্রুত কমানোই একমাত্র কার্যকর উপায়। এটি গবাদিপশু পালনকে সুরক্ষিত রাখতে পারে।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপি-জামায়াতের পরিবেশ ও জলবায়ু ভাবনা

শব্দদূষণকারী মানুষের যন্ত্রণায় পাখিদেরও শান্তি নেই

ভোটকেন্দ্রে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে শান্তভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলুন | ছবি : সংগৃহীত

আপনার ভোট আগেই কেউ দিয়ে ফেললে করণীয় কী, জেনে নিন

0 Comments