খেলাধুলা

রদ্রিগোর আবেগঘন বিবৃতি: জীবন হয়তো আমার প্রতি একটু নির্মম হয়েছে

আবরার আল মামুন সাহাফ মার্চ ০৫, ২০২৬ 0

ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রদ্রিগো হাঁটুর গুরুতর চোটের কারণে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার পর আবেগঘন একটি বিবৃতি দিয়েছেন। বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্নভঙ্গের বেদনায় পুড়ছেন তিনি। হাঁটুর চোটের দিনটিকে তার জীবনের “সবচেয়ে খারাপ দিনগুলোর একটি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রেয়াল মাদ্রিদ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রদ্রিগোর ডান পায়ের সামনের অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট এবং বাইরের মেনিস্কাস ছিঁড়ে গেছে। এর ফলে তিনি ক্লাবের হয়ে বাকি মৌসুম এবং দেশের হয়ে বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন না।

সামাজিক মাধ্যমে রদ্রিগো লিখেছেন,
“আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ দিনগুলোর একটি, আমি সবসময় এই চোটকে অনেক ভয় পেতাম… জীবন হয়তো ইদানিং আমার প্রতি একটু নির্মম হয়েছে… জানি না এটা আমার প্রাপ্য কি না, কিন্তু আমি কি অভিযোগ করতে পারি? কত দারুণ অভিজ্ঞতা আমি অর্জন করেছি, এসবও হয়তো আমার প্রাপ্য ছিল না।”

 

তিনি আরও বলেন,
“আমার জীবনে, আমার কর্মজীবনে একটি বড় বাধা তৈরি হয়েছে, যা আমাকে কিছুদিনের জন্য আমার সবচেয়ে ভালোবাসার কাজটা করা থেকে দূরে রাখছে। ক্লাবের হয়ে বাকি মৌসুম এবং আমার দেশের হয়ে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়েছি, সবাই জানে এই স্বপ্নটা আমার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আমি যা করতে পারি তা হলো সবসময়ের মতো শক্তিশালী থাকা, যা আমার জন্য নতুন নয়।”

রদ্রিগো কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং শক্তভাবে ফিরে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের পোস্টে ফুটবল কেরিয়ার ও বিশ্বকাপ না খেলতে পারার হতাশা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপে খেলার বিষয়ে ক্রিকেটাররা জোর গলায় কিছু বলেননি

মোস্তাফিজুর রহমানকে নিরাপত্তা ইস্যুতে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার কারণে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এজন্য তৎকালীন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ডকে দায়ী করছেন অনেকে।   তবে বিসিবির সাবেক সভাপতি আমিনুল বলেছেন, ‘এখন যদি বাংলাদেশে একটা ভূমিকম্প হয়ে যায়, সেটা কি তারেক রহমানের ব্যর্থতা হবে? টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলা ছিল সরকারের সিদ্ধান্ত, নিরাপত্তার কারণে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া হয়নি।’     জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ খেলার জন্য তার বোর্ড রীতিমতো লড়াই করেছে। তিনি বলেন, ‘শুধু লড়াই–ই করিনি, রীতিমতো যুদ্ধ করেছি। কিন্তু এটা তো আমি মানুষকে দেখিয়ে করব না। আসিফ নজরুল (তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা) সাহেবদের সঙ্গে যেদিন বৈঠক হয়, ক্রিকেট বোর্ডের ঢাকায় থাকা ১৪–১৫ জন পরিচালক কিন্তু সিদ্ধান্ত দিয়ে এসেছিলেন। আমাদের যুদ্ধ কিন্তু সহজ ছিল—কেন মোস্তাফিজকে আইপিএল খেলতে দেওয়া হবে না, এটা ছিল নিরাপত্তা শঙ্কার কারণ।’   তিনি আরও বলেন, ‘মোস্তাফিজকে দলে নেওয়া যাবে না, বাংলাদেশের সমর্থকেরা জার্সি পরে ঘুরতে পারবে না, এগুলোর নিরাপত্তা না দিলে হলো? আমাদের বাগ্‌বিতণ্ডা যা–ই বলেন, তা ভারতের সঙ্গে ছিল না, আমাদের অনুরোধ ছিল আইসিসির কাছে। সাধারণ একটা অনুরোধ ছিল ভারত থেকে সরিয়ে যেন শ্রীলঙ্কায় ম্যাচগুলো দেয়।’   আমিনুল বলেন, ‘মজার ব্যাপার হলো আইসিসিকে যখন লিখলাম, তখন আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড কিন্তু ই–মেইল দিয়েছিল যে আমরা তোমাদের সমর্থন দিতে তৈরি। গ্রুপ বদলাতে সমস্যা নেই। তারা আমাদের শুধু কথা দেয়নি, লিখিত দিয়েছে।’   তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটারদের জানানো হয়েছে। যারা বলছে, তারা তাদের নিজেকে নিজে প্রশ্ন করুক, তারা সব জানে। ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে কেউ বলেনি যে খেলতে যাবে। শুধু আফসোস করছিল। একটা লোকও বলেনি যেতে চাই।’   বিসিবির সাবেক এই অধিনায়ক আরও বলেন, ‘আমরা বোর্ডটা স্বাধীনভাবে চালাতাম। ক্রিকেটারদের সব দায়িত্ব ক্রিকেট অপারেশনসের কাছে ছিল। যত দূর জানি, তারা ক্রিকেটারদের জানানোর কাজটা করেছে। এখন এসব কথা বললে তো হবে না। তারা তো উপদেষ্টার সামনে জোর গলায় বলেনি যেতে চাই, আপনারা ব্যবস্থা করেন। ক্রিকেটার, দেশের সাংবাদিক ও যারা খেলা দেখতে যাবে, সবার নিরাপত্তার কথা ভেবেই সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে আমরা কখনো বলিনি বিশ্বকাপ খেলব না। বলেছি খেলব, তবে ম্যাচগুলো ভারতের বদলে শ্রীলঙ্কায় হতে হবে।’

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

৪৬২ রানের মহাযুদ্ধে রোহিত-কোহলির চোটের শঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

আলকারাসকে হারিয়ে শিরোপা জিতে সিনারের সিংহাসন পুনরুদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

চেলসির বিপর্যয়, আর্সেনালের সঙ্গে সিটির ব্যবধান কমাল

ছবি: সংগৃহীত
সাফ জয়ের পর এশিয়া জয়ের লক্ষ্য, বয়সভিত্তিক দলে জোর দিচ্ছে বাফুফে

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের সাফল্য ধরে রেখে এবার বড় লক্ষ্য নিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল। দক্ষিণ এশিয়ায় সাফল্যের পর এখন এশিয়ান পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চায় দলটি। সেই লক্ষ্যেই বয়সভিত্তিক দলগুলোর উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।   রোববার বাফুফে ভবনে ডেভেলপমেন্ট কমিটির বৈঠক শেষে চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদী জানান, বয়সভিত্তিক দলের জন্য নতুন কোচ নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগের কোচ মার্ক কক্সের স্বল্পমেয়াদি দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর এবার স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কোচ নির্বাচন করা হবে।   তিনি বলেন, আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।   আগামী ২৫ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে দলকে প্রস্তুত করতে ইতোমধ্যে পরিকল্পনা শুরু করেছে বাফুফে।   ডেভেলপমেন্ট কমিটির পরিকল্পনায় রয়েছে, টুর্নামেন্টের আগে অন্তত তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজন করা। পাশাপাশি অনূর্ধ্ব-১৭ দলকে ইউরোপে বিভিন্ন একাডেমি কাপ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে, যাতে খেলোয়াড়রা আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।   নাসের শাহরিয়ার জাহেদী আরও জানান, এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টে ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি নেওয়া হবে। অন্তত ছয় সপ্তাহের নিবিড় অনুশীলন ক্যাম্প আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা ঢাকা বা যশোরে অনুষ্ঠিত হতে পারে।   বাফুফের এই উদ্যোগকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের ম্যাচ অফিশিয়াল যারা

শারমিন সুলতানা (বাঁয়ে) ও জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। ছবি : সংগৃহীত

৭ বছর পর ওয়ানডে দলে শারমিন, নতুন মুখ জুয়াইরিয়া

ছবি : সংগৃহীত

তামিমের উদ্যোগে অবনমন বাতিলের সিদ্ধান্তে ক্লাবগুলোর সম্মতি

ছবি : সংগৃহীত
যোগ্যতা প্রমাণের চ্যালেঞ্জ, নেইমারকে দুই মাসের সময় দিলেন আনচেলত্তি

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নেইমার। তবে কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাকে সবশেষ দুই ম্যাচের দলে রাখেননি, যা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়—হয়ত নেইমারের জন্য বিশ্বকাপের দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবে কোচ এখনো সেই সম্ভাবনা খোলা রেখেছেন।   আগামী মে মাসের মাঝামাঝি ব্রাজিল তাদের ২৬ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করবে। আনচেলত্তি জানিয়েছেন, দলে জায়গা পেতে হলে নেইমারকে আগামী দুই মাসের মধ্যে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।   ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে জাতীয় দলের বাইরে থাকা নেইমারকে নিয়ে কোচের অবস্থান স্পষ্ট—সম্পূর্ণ ফিট না হলে তাকে দলে নেওয়া হবে না। গত মাসে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচেও ফিটনেসের ঘাটতির কারণে তিনি দলে জায়গা পাননি।   ফ্রান্সের বিপক্ষে ২-১ গোলে হারের পর বোস্টনে সমর্থকদের কাছ থেকে নেইমারের নামে স্লোগান উঠেছিল। তবে সে সময় আনচেলত্তি বর্তমান স্কোয়াডের খেলোয়াড়দের দিকেই মনোযোগ দেওয়ার কথা বলেন।   সম্প্রতি এক ফরাসি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি বলেন, নেইমার অত্যন্ত প্রতিভাবান এবং বিশ্বকাপে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন। তিনি আরও জানান, ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের সঙ্গে মিলে তারা নেইমারের পারফরম্যান্স পর্যবেক্ষণ করছেন।   হাঁটুর চোট কাটিয়ে ফিরে নেইমার ভালো খেলছেন এবং গোলও করছেন বলে উল্লেখ করেন আনচেলত্তি। তবে দলে জায়গা নিশ্চিত করতে হলে তাকে এই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ফিটনেস আরও উন্নত করতে হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

নাহিদের ২ উইকেট, শরিফুলের একটি

ছবি : সংগৃহীত

ব্যর্থতার পর রূপকথার ইনিংস: সেঞ্চুরি করলেন স্যামসনের

ছবি : সংগৃহীত

গোলের রেকর্ড গড়ে শিরোপার আরও কাছে বায়ার্ন মিউনিখ

0 Comments