অন্যান্য

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির সংঘর্ষ

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং চিকিৎসা চলছে।

 

সংঘর্ষটি শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের দরবেশ বাজার এলাকায় ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নদীতীরবর্তী করিম বাজার–দরবেশ বাজার এলাকার একটি পিচঢালাই রাস্তা নিয়ে বিএনপির কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে এনসিপির এক নেতা ফেসবুকে পোস্ট দেন। ওই পোস্টের কারণে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এরপর সন্ধ্যার পর এনসিপির ওই নেতা ও তার সহযোগীরা দরবেশ বাজারে লিফলেট বিতরণ করতে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। সংঘর্ষে এনসিপির ৭ জন এবং বিএনপির ২ জন আহত হন। এনসিপির আহতরা হলেন: চানন্দী ইউনিয়ন এনসিপির আহ্বায়ক জাকের হোসেন, হাতিয়া উপজেলা জাতীয় যুবশক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফ হোসেন, ছাত্রশক্তির রবিন, এনসিপি নেতা জাফের, দুলাল ও শাহাদাত। বিএনপির আহতরা হলেন: সারওয়ার ও শারীরিক প্রতিবন্ধী সাইফুল ইসলাম সারু।

এনসিপি পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, স্থানীয় বিএনপির নেতা ও ছাত্রদলের কয়েকজন করিম বাজারের পিচঢালাই রাস্তা কেটে ইট, বালু ও পাথর বিক্রি করছিলেন। প্রতিবাদ জানিয়ে বাসায় ফেরার পথে বিএনপির সশস্ত্র লোকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। সংঘর্ষের সময় এনসিপির অন্তত ৮টি মোটরসাইকেল লুট করা হয়েছে।

অন্যদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দরবেশ বাজার এলাকায় বালু পরিবহন করতে গিয়ে রাস্তার ক্ষতিপূরণ করা হচ্ছিল। এনসিপি সমর্থিত লোকজন ভিডিও ধারণ করে বিএনপির নেতাকর্মীরা মাটি বিক্রি করছে এমন মিথ্যা প্রচারণা চালায়। প্রতিবাদ করলে এনসিপির লোকজন স্থানীয় মুরুব্বিদের ওপর মরিচের গুঁড়া নিক্ষেপ করে। পরে বিএনপির নেতৃত্বে পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এনসিপির নেতা নূর আলম রিপনের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে বিএনপির নেতাকর্মীদের আহত করা হয়।

 

হাতিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অন্যান্য

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
ওয়ালটনের পণ্য কিনলেই মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ

ঢাকা: আসছে ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশজুড়ে ওয়ালটন ঘোষণা দিয়েছে তাদের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪। এবারের সিজনে ওয়ালটন পণ্য ক্রয়ে গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিশেষ সুবিধা ও উপহার।   ওয়ালটনের ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন বা বিএলডিসি ফ্যান ক্রয়ে গ্রাহকদের আবারও মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ রয়েছে বা ১০ লাখ টাকা জেতার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগের কয়েকটি সিজনে দেশের ৪৪ জন গ্রাহক মিলিয়নিয়ার হয়েছেন। এছাড়া ক্রেতারা লাখ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার, আর্জেন্টিনার ফ্যান জার্সিসহ নিশ্চিত উপহার পাবেন।   ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ ৮ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে ঈদুল আযহা পর্যন্ত দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম বা অনলাইন প্লাটফর্ম ‘ই-প্লাজা’ থেকে অংশগ্রহণ করা যাবে।   সিজন-২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম এই ক্যাম্পেইনের সূচনা ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন ফ্রিজের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা সাহা মীম এবং ‘ফেস অব ওয়ালটন এসি’ জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মোঃ নাহিদ হোসেন এপ্রিল ০৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু

চব্বিশের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেন আবু সাঈদ। ছবি: সংগৃহীত

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় জানা যাবে বৃহস্পতিবার

ছবি : সংগৃহীত

সংসদে তারেক রহমানকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি

ছবি : সংগৃহীত
বিপ্লবীদের সঙ্গে প্রতারণা করলে পতন অনিবার্য—ডাকসু ভিপি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, ছাত্র-জনতার রক্তে অর্জিত বিপ্লবের সঙ্গে কোনো ধরনের প্রতারণা মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিপ্লবীদের সঙ্গে প্রতারণা করলে সংশ্লিষ্টদের পতন অনিবার্য।   বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে ডাকসু প্রাঙ্গণে ‘জুলাই সনদ ও সংস্কার: শহীদ পরিবারের আকাঙ্ক্ষা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ডাকসুর উদ্যোগে এই ‘সংস্কার আলাপ’ সভার আয়োজন করা হয়।   ভিপি বলেন, আমরা আবারও রক্ত দিতে প্রস্তুত, কিন্তু বাংলাদেশে আর কখনোই হাসিনার তৈরি করা ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো ফিরে আসতে দেওয়া হবে না। গত ১৬ বছর ধরে যে নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, তা ভেঙে জুলাই সনদ ও নতুন অধ্যাদেশগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।   বক্তব্যে তিনি বিএনপির কঠোর সমালোচনা করে বলেন, অতীতে ৭৫ ও ৯০-এর বিপ্লবের সুফল ভোগ করলেও তারা বিপ্লবীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। বর্তমান জুলাই বিপ্লবের ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষার সঙ্গেও একই ধরনের আচরণ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।   ডাকসু ভিপি আরও বলেন, যারা বিপ্লবীদের সঙ্গে প্রতারণা করছেন, এই পন্থাই ভবিষ্যতে তাদের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তিনি দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।  

মোঃ নাহিদ হোসেন এপ্রিল ০৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে আলোচনায় কোন দলে কার অবস্থান

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা সিটি বিভক্ত করা হয়েছিল শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে: ড. আসাদুজ্জামান রিপন

ছবি : সংগৃহীত

আল-আকসা মসজিদ উন্মুক্তের দাবি জানাল জমিয়ত

ছবি : সংগৃহীত
চীন সফরে যাচ্ছে বিএনপির ২০ সদস্যের প্রতিনিধিদল

বিএনপির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল চীন সফরে যাচ্ছে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আমন্ত্রণে যাওয়া ২০ সদস্যের প্রতিনিধিদলে বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নেতৃত্ব দেবেন।   কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলটি আগামী ১৬ এপ্রিল ঢাকা থেকে চীনের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন এবং আগামী ২১ এপ্রিল প্রতিনিধিদলটি দেশে ফিরে আসবেন। সফরকালে বিএনপির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বেইজিংয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লি’র সঙ্গে বিএনপি নেতৃবৃন্দের নানা বিষয়ে সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় হবে।   গত ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর এই প্রথম বন্ধুপ্রতিম কোনো দেশের আমন্ত্রণে দলটির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বিদেশ সফরে যাচ্ছে। প্রতিনিধিদলে যারা থাকছেন, তাদের অধিকাংশই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য বলে জানা গেছে।   চীন সফরে বিএনপি নেতাদের মধ্যে রয়েছেন—বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, ড.আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা নাজমুল হক নান্নু, বেবী নাজনীন, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিবুন নবী খান সোহেল, বিএনপির সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন উজ্জ্বল, সহজলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সাবেক এমপি রাশেদা বেগম হীরা, সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, সাবেক এমপি নিলুফার চৌধুরী মনি, সংসদ সদস্য সাইদ আল নোমান, সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন, মায়ের ডাকের সানজিদা ইসলাম তুলি, কামাল আনোয়ার আহমেদ, এলজিআরডি মন্ত্রীর একান্ত সহকারী ইউনুস আলী, ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান।

মোঃ নাহিদ হোসেন এপ্রিল ০৭, ২০২৬ 0

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইকোনমিকস সামিট’ শুরু

ছবি : সংগৃহীত

জামায়াতের দুঃখ আমির হামজা, এনসিপির দুঃখ নাসীরুদ্দীন

সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। ছবি : সংগৃহীত

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন দীর্ঘদিন কোথায় লুকিয়ে ছিলেন

0 Comments