জাতীয়

ওসমান হাদির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

মোঃ ইমরান হোসেন ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে বহনকারী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় বিমানটি ঢাকায় পৌঁছায়।

 

এরপর তাকে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা ও সাক্ষাতের জন্য বিমানবন্দর থেকে সরাসরি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

পোস্টে সংগঠনটি জানায়, ‘আমাদের জুলাই জজবার প্রাণ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অকুতোভয় বীর শহীদ ওসমান হাদিকে গ্রহণ করতে আমরা সবাই এয়ারপোর্ট থেকে শাহবাগগামী সড়কের দুই পাশে সুশৃঙ্খলভাবে অবস্থান নেব।’

ইনকিলাব মঞ্চ আরও জানায়, সেখান থেকে শহীদ ওসমান হাদিকে সর্বসাধারণের সাক্ষাতের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১০টায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে শুক্রবার সারা দেশে বাদ জুমা বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

 

এর আগে, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে নির্বাচনি প্রচারণা শেষে ফেরার পথে সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সর্বশেষ উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

ছবি: সংগৃহীত
শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন লেগেছে। ঘটনাস্থলে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।   শনিবার (২৫ জুলাই) রাত ৯টা ২০ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, কার্গো ভিলেজে আগুন লাগার সংবাদ আসে রাত ৯টা ২০ মিনিটে। পরে ঘটনাস্থলে দুটি ইউনিট গিয়ে আগুনের কোনো অস্তিত্ব পায়নি। তবে কার্গো ভিলেজের পাশে একটি ময়লার স্তুপে ধোঁয়া দেখা যায়। সেখানে দুটি ইউনিট কাজ করছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোন হতাহতের ঘটনা নেই। আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বৈঠক করতে মন্ত্রী নিজে গেলেন সৌদি দূতাবাসে!

ছবি - সংগৃহীত

কবে বঙ্গভবন ছাড়ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন?

স্ফিয়ার হ্যান্ডবুকের বাংলা সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন

কমিউনিকেশনস পেশাজীবীদের জন্য হাতে-কলমে এআই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বিসিপিএস
কমিউনিকেশনস পেশাজীবীদের জন্য হাতে-কলমে এআই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বিসিপিএস

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্রুত বদলে দিচ্ছে কমিউনিকেশনস পেশার কাজের ধরন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি, প্রতিবেদন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট, গবেষণা, উপস্থাপনা এবং যোগাযোগ পরিকল্পনা তৈরিসহ নানা ক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে। এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় এআইকে কার্যকরভাবে কাজে লাগিয়ে কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতের কর্মপরিবেশের জন্য পেশাজীবীদের রেডি করতে এই বিশেষ মাস্টারক্লাস আয়োজন করছে বাংলাদেশ কমিউনিকেশনস প্রফেশনালস সোসাইটি (বিসিপিএস)। আগামী ৮ আগস্ট ২০২৬ (শনিবার) রাজধানীর বাংলামোটরের উন্নয়ন সমন্বয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে ‘ডেভেলপমেন্ট কমিউনিকেশনসে এআইয়ের ব্যবহার’ শীর্ষক এই মাস্টারক্লাস। মাস্টারক্লাসটি পরিচালনা করবেন নগদ-এর ক্রিয়েটিভ লিড (এআই) মো. আব্দুর রউফ। কমিউনিকেশন, সৃজনশীল পরিকল্পনা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে তাঁর ১২ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এআইভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন। বাংলাদেশ কমিউনিকেশনস প্রফেশনালস সোসাইটির চেয়ারপার্সন টনি মাইকেল গোমেজ বলেন, “এআই কমিউনিকেশনস পেশাজীবীদের বিকল্প নয়; বরং যারা এআই দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতে পারবেন, তারাই ভবিষ্যতে এগিয়ে থাকবেন। এই মাস্টারক্লাসের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা জানতে পারবেন কোন দক্ষতাগুলো মানুষের জন্য অপরিহার্য থাকবে, কোন এআই টুলগুলো দৈনন্দিন কাজে সবচেয়ে কার্যকর এবং কীভাবে এআই ব্যবহার করে আরও দ্রুত, মানসম্মত ও কৌশলগতভাবে কাজ করা যায়।” মাস্টারক্লাসে অংশগ্রহণকারীরা এআইভিত্তিক বিভিন্ন টুলের ব্যবহার, কার্যকর প্রম্পট লেখার কৌশল, প্রেস বিজ্ঞপ্তি, প্রতিবেদন, বক্তব্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট ও কমিউনিকেশন পরিকল্পনা তৈরিতে এআইয়ের প্রয়োগ, গবেষণা, তথ্য বিশ্লেষণ এবং দৈনন্দিন কাজের গতি ও মানোন্নয়নের বিভিন্ন ব্যবহারিক কৌশল সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ পাবেন। মাস্টারক্লাসটি উন্নয়ন সংস্থা, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ফ্রিল্যান্স কমিউনিকেশনস পেশাজীবীদের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। আসন সংখ্যা সীমিত, মাস্টারক্লাসে নিবন্ধনের জন্য এই লিঙ্ক ব্যাবহার করতে হবে: https://tinyurl.com/2dk7b9t8   

আক্তারুজ্জামান জুলাই ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জে বাস-নসিমন সংঘর্ষে চালক ও সহকারী নিহত

ছবি: সংগৃহীত

মাদক ও চোরাচালান দমনে কঠোর অবস্থানের আহ্বান এমপি জয়নাল আবেদিনের

ছবি - সংগৃহীত

২০৫০ সালের মধ্যে ১৯ লাখ গাঁট তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা সরকারের

ছবি: সংগৃহীত
যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: আইজিপি

যুবসমাজকে মাদকাসক্তি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, একটি সুস্থ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সচেতন প্রজন্ম গঠনে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।   শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে ঢাকার পূর্বাচলে নবনির্মিত বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল গ্রাউন্ডের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।   উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচে এপিবিএন ২-১ গোলে ডিএমপিকে পরাজিত করে।   আইজিপি বলেন, বর্তমান সরকার ক্রীড়া উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যদের নিয়ে একটি ফুটবল দলও গঠন করা হয়েছে।   তিনি আশা প্রকাশ করেন, পুলিশ সদস্যদের ক্রীড়া চর্চা দেশের তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আরও উৎসাহিত করবে। লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা একটি সুস্থ ও দায়িত্বশীল জাতি গঠনে সহায়ক হবে।   আইজিপি আরও বলেন, পুলিশের দায়িত্ব অত্যন্ত কঠিন ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ। নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলা পুলিশ সদস্যদের শারীরিক সক্ষমতা, আত্মবিশ্বাস এবং দায়িত্ব পালনের দক্ষতা বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি ফুটবল দলগত সমন্বয়, নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ গুণাবলি বিকাশে সহায়তা করে।   তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের ক্রীড়াঙ্গনে দীর্ঘদিনের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য রয়েছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পুলিশের সদস্যরা বিভিন্ন খেলায় সাফল্য অর্জন করে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন।   নবনির্মিত বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল গ্রাউন্ডকে পুলিশ দলের অন্যতম প্রধান অনুশীলন কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, এই মাঠ থেকে ভবিষ্যতে দক্ষ ও প্রতিভাবান ফুটবলার তৈরি হবে, যারা বাংলাদেশ পুলিশের পাশাপাশি দেশের জন্যও গৌরব বয়ে আনবে।   অনুষ্ঠান শেষে প্রীতি ম্যাচে অংশ নেওয়া দুই দলের খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলাপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ খেলার জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি।   এপিবিএনের অতিরিক্ত আইজি হাসিব আজিজের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজি, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের প্রতিনিধি, আমন্ত্রিত অতিথি ও খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন।   উল্লেখ্য, নবনির্মিত বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল গ্রাউন্ডের চারদিকে ২০ ফুট সার্ভিস এরিয়াসহ মোট আয়তন প্রায় এক লাখ বর্গফুট।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

উন্নতির পথে বন্যা পরিস্থিতি, চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় এখনো জলাবদ্ধতা

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারি: সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে জড়িয়ে বিএফআইইউর প্রতিবেদন

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি রাশেদ প্রধানের

0 Comments