প্রবাসী

মালয়েশিয়ার ডিজিটাল নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম বন্ধের দাবি

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বেসরকারি কর্মসংস্থান সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী তিনটি সংগঠন সরকারকে অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য প্রস্তাবিত একটি সর্বজনীন ডিজিটাল নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম চালুর পরিকল্পনা স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেছে, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনা না হওয়া পর্যন্ত এই উদ্যোগ নেওয়া উচিত নয়।

 

এই তিনটি সংগঠন হলো—অ্যাসোসিয়েশন অব এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সিজ মালয়েশিয়া, মালয়েশিয়ান ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সিজ এবং ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব হিউম্যান রিসোর্সেস। সংগঠনগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে অনুরোধ জানিয়েছে, স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ পরামর্শ ছাড়া প্রস্তাবিত প্ল্যাটফর্মকে সমর্থন না করতে।

 

সংগঠনগুলো ১৯৮১ সালের প্রাইভেট এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সিজ আইনের আওতায় নিয়ন্ত্রিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত বেসরকারি নিয়োগ সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের আশঙ্কা, নতুন ব্যবস্থায় লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্টদের নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে, যা ব্যয়ের দিক থেকেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

 

তাদের মতে, এজেন্সিগুলোর ভূমিকা বাতিল করা হলে অনেক প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সংকট দেখা দিতে পারে, কারণ এসব প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগই ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে গড়ে ওঠা ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ।

 

সংগঠনগুলো জানিয়েছে, তারা ধীরে ধীরে একটি নৈতিক নিয়োগ ব্যবস্থা (এথিক্যাল রিক্রুটমেন্ট মোড) বাস্তবায়নের পক্ষে, যা সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হতে ১০ থেকে ১৫ বছর সময় লাগতে পারে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছে, যথাযথ পরামর্শ ছাড়া দ্রুত এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নেওয়া দুঃখজনক।

 

তারা আরও উল্লেখ করেছে, মালয়েশিয়ার বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অপ্রয়োজনীয় স্তর কমানোর প্রয়োজন থাকলেও, বর্তমান কার্যকর আইনব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার পরামর্শই তারা জোরালোভাবে দিচ্ছে।

 

এছাড়া, সংগঠনগুলো জানিয়েছে, তারা গত ৮ এপ্রিল বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে।

 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

প্রবাসী

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
মালয়েশিয়ার কুচিংয়ে যৌথ অভিযানে ৪৫ বিদেশি আটক

মঙ্গলবার ভোরে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম) ৪৫ জন বিদেশিকে আটক করেছে। ইমিগ্রেশন সারাওয়াক শাখার এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন আহমাদ তারমিজি কেমেরি।   অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) দাতো লোকমান এফেন্দি রামলি, অপারেশন বিভাগের পরিচালক হাজি বাসরি ওসমান এবং এনফোর্সমেন্ট প্রধান ইউসদি মরশিদি। তারা সরাসরি মাঠপর্যায়ে অভিযান তদারকি করেন। অভিযানটি কুচিং শহরের আশপাশে দুটি পৃথক নির্মাণস্থলে পরিচালিত হয়।   অভিযানের সময় কয়েকজন বিদেশি আটক এড়াতে আধা-নির্মিত ভবনের কাঠামো বেয়ে ওঠা এবং টিনের বেড়া ভেঙে পালানোর চেষ্টা করে। তবে দ্রুত ও পরিকল্পিতভাবে এলাকা ঘিরে ফেলায় অভিবাসন কর্মকর্তারা তাদের পালানোর সব চেষ্টা ব্যর্থ করেন।   এই অভিযানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়, যাতে তারা সরাসরি অভিযান পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। এর মাধ্যমে বিভাগের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্য রয়েছে।   অভিযানে মোট ৪৫ জন বিদেশিকে আটক করা হয়, যার মধ্যে ৩৯ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী। তাদের বয়স ২১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকা, পাসের অপব্যবহার এবং অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানসহ বিভিন্ন অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করেছেন।   আটক সকলকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিবাসন ডিপোতে নেওয়া হয়েছে।  

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার ডিজিটাল নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম বন্ধের দাবি

ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসীদের সহায়তায় দেশে ফিরল সোহানের মরদেহ

ছবি: সংগৃহীত

কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফেডারেল এমপি নির্বাচিত ডলি বেগম

ছবি : সংগৃহীত
দেশে ফেরার ট্রাভেল পারমিট নিতে গিয়ে মালয়েশিয়ায় প্রবাসী অরুণের মৃত্যু

দীর্ঘ প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে নিজ দেশে ফেরার আকুতি ছিল তার মনে। সেই উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় ট্রাভেল পারমিট (ভ্রমণ অনুমতি) সংগ্রহ করতে স্ত্রীকে নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন দূতাবাসে। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে দেশে ফেরার সেই অনুমতিপত্র আর হাতে নেওয়া হলো না লক্ষ্মীপুরের প্রবাসী অরুণের। তার আগে হাই কমিশন প্রাঙ্গণেই অসুস্থ হয়ে মারা গেলেন তিনি।   স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনের কনস্যুলার সেবা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রবাসী অরুণ (৫০) লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলার চররোহিতা গ্রামের সোলেমান হায়দারের ছেলে।   বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) মো. তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ওইদিন সকালে স্ত্রী মোসাম্মাৎ শাহানাজ শরীফসহ ট্রাভেল পারমিট সংগ্রহের জন্য হাই কমিশনে উপস্থিত হন অরুণ। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় মানবিক বিবেচনায় হাই কমিশন কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে তার ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করার প্রক্রিয়া শুরু করে।   ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে তরিকুল ইসলাম বলেন, “তবে দুপুরের দিকে অরুণ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হলেও চিকিৎসাকর্মীরা তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী, অরুণ দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন এবং সম্প্রতি তিনি একবার মাইল্ড স্ট্রোক করেছিলেন। অসুস্থ শরীর নিয়েও তিনি দেশে ফেরার শেষ চেষ্টাটুকু করতে দূতাবাসে এসেছিলেন।   হাই কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পরপরই মালয়েশিয়ান পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় একটি হাসপাতালে পাঠিয়েছে।   বিদেশে অবস্থানরত কোনো নাগরিকের কাছে বৈধ পাসপোর্ট না থাকলে কিংবা পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে নিজ দেশে ফেরার জন্য দূতাবাস থেকে এই ট্রাভেল পারমিট সংগ্রহ করতে হয়। এটি মূলত একমুখী (ওয়ান-ওয়ে) যাত্রার কাগুজে অনুমতি, যা ব্যবহার করে কেবল নিজ দেশে ফেরা সম্ভব। সাধারণত যারা প্রবাসে অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন কিংবা জরুরি প্রয়োজনে দেশে ফিরতে চান, তাদের জন্যই এই বিশেষ পারমিট ইস্যু করা হয়।   আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অরুণের লাশ দেশে স্বজনদের কাছে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ।

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

আজ থেকে মক্কায় ঢুকতে পারবেন না প্রবাসীরা

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে ভবন থেকে পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু, মরদেহ আনতে দিশেহারা পরিবার

ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়া থেকে ১৭৫ অভিবাসী ফেরত, তালিকায় ২৮ বাংলাদেশি

ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটক বিভিন্ন দেশের ১৭৫ জন অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। এর মধ্যে ২৮ জন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন।   সোমবার (১৩ এপ্রিল) জোহর রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, আটক অভিবাসীদের সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ায় নিয়মিত আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।   ইমিগ্রেশন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে এসব অভিবাসীকে নিজ দেশে পাঠানো হয়। প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৩৬ জনই ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। এছাড়া ২৮ জন বাংলাদেশি, ৪ জন ভারতীয়, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার ২ জন করে এবং ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা ও স্পেনের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।   তাদের ফেরত পাঠাতে ব্যবহার করা হয়েছে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (KLIA-1 ও KLIA-2) এবং স্টুলাং লাউত ও পাসির গুদাং ফেরি টার্মিনাল। যাতায়াতের খরচ অভিবাসীদের নিজস্ব অর্থ, পরিবারের সহায়তা কিংবা সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বহন করেছে।   মালয়েশিয়ার আইন অনুযায়ী, ফেরত পাঠানো এসব অভিবাসীকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়সীমা পর্যন্ত তারা কোনো ধরনের ভিসা নিয়ে পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় নির্মাণস্থলে মাটি ধসে প্রাণ গেল প্রবাসীর, ১০ দিন পর দেশে ফিরল মরদেহ

ছবি: সংগৃহীত

হজে কড়াকড়ি বাড়াল সৌদি আরব: হজ ভিসা ছাড়া অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ

ছবি: সংগৃহীত

কুয়ালালামপুরে আসিয়ানের পরিবহন কার্যদলের ৫০তম বৈঠক অনুষ্ঠিত

0 Comments