জাতীয়

জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকে শামা ওবায়েদ

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ১৫, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, টেকসই উন্নয়ন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

 

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের রাজনৈতিক, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিভাগের মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারি–এর সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন। শুক্রবার (১৫ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

 

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নবনির্বাচিত সরকার জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং জনসেবার মানোন্নয়নে কাজ করছে। একইসঙ্গে মানবাধিকার ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার বিষয়েও সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন তিনি।

 

তিনি আরও জানান, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় সরকার “ফ্যামিলি কার্ড” ও “ফার্মার্স কার্ড” কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

 

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ বলেন, চলমান বৈশ্বিক তারল্য সংকটের মধ্যেও শান্তিরক্ষা ম্যান্ডেট অক্ষুণ্ন রাখা জরুরি। পাশাপাশি সংঘাত-পরবর্তী পরিস্থিতিতে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

 

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, Myanmar থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ প্রত্যাবাসনই এ সংকটের একমাত্র দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি এ বিষয়ে অব্যাহত সহযোগিতা ও সমর্থনের আহ্বান জানান।

 

এ সময় সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবদান এবং শান্তি ও নিরাপত্তা উদ্যোগে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
আগস্টের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ কার্যক্রম শুরু করতে চায় সরকার

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, দেশের প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর জন্য ধাপে ধাপে ইউনিফর্ম ও জুতা সরবরাহের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচি হিসেবে একটি পাইলট কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত পোশাক ও জুতা বিতরণের কার্যকারিতা যাচাই করা হবে।   আজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের শীর্ষস্থানীয় ফুটওয়্যার ব্র‍্যান্ড প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও ফুটওয়্যার সামগ্রী বিতরণের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।   প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের শীর্ষ সংগঠনসমূহ ইতোমধ্যে সরকারের এই উদ্যোগে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। তাদের সহযোগিতায় ৪ লাখেরও বেশি ইউনিফর্ম পাইলট প্রকল্পের জন্য পাওয়া যাচ্ছে। একইভাবে দেশের জুতা শিল্পের প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকেও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে সরকার।   সভায় প্রতিমন্ত্রী জানান, পাইলট পর্যায়ে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সাদা রঙের ভেলক্রোযুক্ত (ফিতাবিহীন) কেডস সরবরাহের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে আলোচনা হয়েছে। যেহেতু প্রথম শ্রেণির অধিকাংশ শিক্ষার্থীর বয়স প্রায় ছয় বছর, তাই উপযুক্ত সাইজ, সাইজের বৈচিত্র্য, ছেলে-মেয়েদের চাহিদা এবং সরবরাহযোগ্য সংখ্যা নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর মতামত চাওয়া হয়েছে।   ববি হাজ্জাজ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের সম্ভাব্য অনুদানের পরিমাণ, সরবরাহের সময়সীমা এবং উৎপাদন ব্যয়ের কাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বৃহৎ পরিসরে জুতা সরবরাহের জন্য সরকার ও শিল্পখাতের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা হবে।   তিনি আরও বলেন, সরকার চায় চলতি বছরের আগস্ট মাসের মধ্যেই পাইলট কর্মসূচির দৃশ্যমান অগ্রগতি জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে। বিশেষ করে সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্তির আগেই এই উদ্যোগের বাস্তবায়ন শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে। এসময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং দেশের ফুটওয়্যার কোম্পানিগুলোর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।    স্বাক্ষরিত/- ০৪/০৬/২০২৬ মোঃ তানভীর মিয়া জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়   বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ০৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

প্রতি মঙ্গলবারই বসত কিচেন ক্যাবিনেটের বৈঠক: আলী ইমাম মজুমদার

ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনের আগে তৈরি ‘হাইপ’ বাস্তবে মেলেনি: বিএনপিকে বেছে নেয় জনগণ

ছবি: সংগৃহীত

ভারত-পাকিস্তান নয়, নিজেদের বলয়ে থাকতে চাই: মির্জা ফখরুল

ছবি: সংগৃহীত
রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

রাজধানীর পল্লবী আলোচিত শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আগামী রোববার (৭ জুন) দেয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এ মামলায় যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য ওইদিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।   আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দুই আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী যাবজ্জীবন সাজার আবেদন জানিয়েছেন।   বৃহস্পতিবার এইমামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্ততর্কের শুনানি হয় । এদিনবেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।   বুধবার এ মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজের দায় স্বীকার করে ক্ষমা চায় ঘাতক সোহেল রানা। তবে তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন নিজেকে বাঁচাতে নির্দোষ দাবি করেন।   এর আগে মঙ্গলবার টানা ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা ও মা পারভীন আক্তারসহ সাক্ষীদের জবানবন্দিতে ঘটনার লোমহর্ষক তথ্য উঠে আসে। এ মামলায় গত ১ জুন ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।   এসময় তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ গুম করার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়। এর আগে গত ২৪ মে রানা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। ওইদিনই অভিযোগপত্র আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।   গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হলে সোহেল রানা দম্পতি কৌশলে আট বছরের শিশু রামিসাকে তাদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। এরপর রামিসাকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যা করে সোহেল। পরে লাশ গুম করার জন্য গলা কেটে মস্তক আলাদা করে সে। এ ঘটনায় মামলা করেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ০৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কোরবানির পশুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ, লক্ষ্য এখন মাংস রপ্তানি: প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

যুবদলের ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

জাহাজ নির্মাণ শিল্পে স্বনির্ভরতা আনতে সরকার আন্তরিক: নৌবাহিনী প্রধান

ছবি : সংগৃহীত
ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ও সৃজনশীল অর্থনীতিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল, প্রতিযোগিতামূলক এবং টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা ও সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে অর্থনীতির বহুমুখীকরণ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।   তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় শুধু প্রচলিত শিল্প ও বাণিজ্যের ওপর নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব নয়। এজন্য তথ্যপ্রযুক্তি, উদ্ভাবন, গবেষণা, সংস্কৃতি, ডিজিটাল সেবা, সৃজনশীল শিল্প এবং জ্ঞানভিত্তিক খাতের উন্নয়নে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এসব খাতকে ভবিষ্যৎ অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।   অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে প্রশাসনিক জটিলতা কমানো, ব্যবসা পরিচালনার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ পর্যালোচনার কাজ চলছে। একই সঙ্গে উদ্যোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   তিনি জানান, তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীল উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন তহবিল, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং স্টার্টআপ সহায়তা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।   অর্থনীতিবিদদের মতে, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে পারলে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে। বিশেষ করে প্রযুক্তি, ডিজিটাল কনটেন্ট, সফটওয়্যার, ডিজাইন, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক শিল্পের বিকাশ বৈদেশিক আয় বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।   বিশ্লেষকদের ধারণা, বিনিয়োগবান্ধব নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ আগামী দিনে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক অর্থনৈতিক কাঠামোর দিকে এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে। সরকারের সাম্প্রতিক উদ্যোগগুলো সেই লক্ষ্য অর্জনের পথকে আরও সুগম করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ০৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দেশে ফিরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

রেহানা-ঘনিষ্ঠদের বাদ দিয়ে আ.লীগ পুনর্গঠনে শেখ হাসিনা

ছবি : সংগৃহীত

অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ কমিয়ে অর্থনীতিতে গতি আনতে সরকারের উদ্যোগ

0 Comments