দখলদার ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত ওই আগ্রাসনের পর তেহরানও সরাসরি প্রতিহত করতে শুরু করেছে। ইরান ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করছে ইসরায়েলি ভূখণ্ড এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন স্বার্থ সংক্রান্ত স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে।
এই পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল—ইরানের সাবেক মিত্র এবং ইসরায়েলের বর্তমান ঘনিষ্ঠ দেশ ভারত কোন অবস্থান নেবে। নয়াদিল্লি কি ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সঙ্গে তেহরানে হামলায় সহযোগিতা করবে, নাকি সংঘাতের বিরোধিতা করবে? এবার ভারত নিজ অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
ভারতীয় বন্দর ব্যবহারের মার্কিন দাবিকে সরাসরি অস্বীকার করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওয়াশিংটন দাবি করেছিল যে ভারত ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে মার্কিন নৌবাহিনীকে ভারতীয় বন্দর ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রতিরক্ষা সচিবের উপদেষ্টা ডগলাস ম্যাকগ্রেগর ‘ওয়ান আমেরিকা নিউজ নেটওয়ার্ক’-এ এ ধরনের মন্তব্য করেছিলেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক চ্যানেল ওয়ান-এ প্রচারিত দাবি যে ভারতীয় বন্দরগুলো মার্কিন নৌবাহিনী ব্যবহার করছে-এটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের বানোয়াট মন্তব্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক করা হচ্ছে।
শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছে একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজে মার্কিন সাবমেরিন হামলার ঘটনা যখন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, ঠিক সেই সময় নয়াদিল্লি থেকে কড়া প্রতিবাদ জানানো হলো।
ক্ষতিগ্রস্ত ইরানি যুদ্ধজাহাজটি ভারতের আয়োজিত একটি সামরিক মহড়া শেষ করে ফেরার পথে হামলার শিকার হয়।