বিনোদন

হার্টে জটিল অসুখ, কেমন আছেন প্রেম চোপড়া?

আক্তারুজ্জামান ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা প্রেম চোপড়া অসুস্থতার কারণে গত কয়েকদিন ধরেই সংবাদ শিরোনামে। গত ৮ নভেম্বর তাকে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তবে মাত্র সাত দিনের মধ্যেই হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছে।

 

ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিনেতা মূলত হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছিলেন। বিশেষ এক পদ্ধতির মাধ্যমে তার হার্টের ভালভ বদলানো হয়। কিন্তু বর্তমানে কেমন আছেন অভিনেতা? এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন তার জামাতা এবং অভিনেতা শরমন জোশী।

 

শরমন জোশী তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে প্রেম চোপড়ার স্বাস্থ্যের সর্বশেষ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন, বর্ষীয়ান এই অভিনেতার ‘ট্রান্সক্যাথেটার অ্যাওর্টিক ভালভ ইমপ্লান্টেশন’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এটি এমন একটি আধুনিক পদ্ধতি, যার মাধ্যমে ওপেন হার্ট সার্জারি ছাড়াই অ্যাওর্টিক ভালভ প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হয়।

 

শ্বশুর প্রেম চোপড়ার বিষয়ে শরমন লিখেছেন, ‘হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নীতিন গোখলে এবং ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডাক্তার রবীন্দ্র সিং রাওয়ের প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। বাবার খুব ভালো চিকিৎসা করেছেন তারা। তাদের জন্যই আমরা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছি। বাবা এখন বাড়ি ফিরে এসেছেন এবং এখন আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ।’

 

উল্লেখ্য, প্রেম চোপড়া ‘অ্যাওর্টিক স্টেনোসিস’ নামক এক ধরনের হৃদরোগে ভুগছিলেন, যাকে ‘ভালভুলার হার্ট ডিজিজ’ও বলা হয়। এই রোগে অ্যাওর্টিক ভালভ সংকুচিত হয়ে যায়। এর ফলে হৃদপিণ্ডের ভালভ সরু হয়ে যায় এবং ঠিকমতো খুলতে পারে না। ফলস্বরূপ, হৃদপিণ্ড থেকে শরীরের অন্যান্য অংশে রক্তপ্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। এই ধরনের সমস্যায় রোগীর শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা এবং কখনও কখনও অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

বিনোদন

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
পুরুষসঙ্গ নিয়ে মানুষের আগ্রহ, যা বললেন পরীমনি

চিত্রনায়িকা পরীমনি অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও প্রায়ই আলোচনায় থাকেন। সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপ চলাকালেও তার বিয়ে নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এবার এসব বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।   বুধবার রাজধানীর শুটিং ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পরীমনি তার ব্যক্তিগত জীবন, চলমান আইনি লড়াই, গ্রেফতারের অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে আবারও বিয়ে করার সম্ভাবনা নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে স্পষ্টভাবে নিজের মতামত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন নীরব থাকার কারণ ছিল সত্য একদিন না একদিন প্রকাশ পাবে—এই বিশ্বাস।   পরীমনি বলেন, আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই। মানুষ আমাকে কোনো পুরুষের সঙ্গে দেখতে চায় না। আমাকে সিঙ্গেল এবং আমার সন্তানদের সঙ্গে দেখতে চায়। কেন এমনটা হয়, আমি জানি না।   গ্রেফতারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জেল থেকে আসার পর এ বিষয়ে আমি একবারও কথা বলিনি। আমার শুধু মনে হয়েছে, সত্য একদিন ব্লাস্ট করে। আপনি যতই চাপা দিয়ে রাখেন, কোনো না কোনোভাবে তা বেরিয়ে আসে। যেমন কোনো অপরাধই নিখুঁত নয়, তেমনি কোনো সত্যও চিরদিন চাপা থাকে না।   তিনি দাবি করেন, তাকে গ্রেফতারের সময় আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। তিনি জানান, তখন গ্রেফতারের কোনো ওয়ারেন্ট ছিল না। এমনকি আমার বাসায় তল্লাশি চালানোর অনুমতিও তাদের কাছে ছিল না।   পরীমনি জানান, পরে পুরো ঘটনার বর্ণনা শুনে তার মনে হয়েছে, অনেক কিছুই পরিকল্পিত ছিল। তবে তিনি ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেছেন।   তিনি বলেন, এই ছয় বছরে ধৈর্যই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। আমি যে কী পরিমাণ হ্যাপি, মনে হয়েছে যে আমার দুইটা পাখা হয়েছে, আমি অনেক রিলিফ হয়ে গেছি, আমার মনে হয় ঘাড় থেকে সমস্ত বোঝা নেমে গেছে।   মামলার বিষয়ে পরীমনি বলেন, মামলাটি কোনো ব্যক্তি করেননি। বলা হয়েছিল, আমি নাকি বিভিন্ন মানুষকে বিরক্ত করি, ব্ল্যাকমেইল করি—এ ধরনের নানা অভিযোগ আনা হয়েছিল।   চলমান আইনি প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি কখনো রাষ্ট্রকে চাপ দিইনি বা আহাজারি করিনি। আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী। যতদিন সময় লাগুক, যত বছর হাজিরা দিতে হোক, আমি দেব। আমার বিশ্বাস, একদিন আদালত আমাকে নির্দোষ ঘোষণা করে সম্মান ফিরিয়ে দেবে। দেশে শিল্পীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, শুধু শিল্পী নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, শিল্পী, রিকশাচালক বা অন্য যে-ই হোক, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া উচিত। আমরা সবাই হেনস্তা থেকে মুক্তি চাই।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ৩০, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

রাজকীয় সাজে মোহময়ী অপু বিশ্বাস, মুগ্ধ ভক্তরা

দক্ষিণী অভিনেত্রী সাই পল্লবী। ছবি: সংগৃহীত

সাই পল্লবীর অনন্য সিদ্ধান্ত, ফেয়ারনেস ক্রিমের বড় অঙ্কের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

পাকিস্তানের জনপ্রিয় দুই তারকা দানানির মোবিন ও আহাদ রাজা মীর। ছবি: সংগৃহীত

‘হিডেন ট্যাগে’ চলছে প্রেমের গল্প, আলোচনায় পাকিস্তানি দুই তারকা!

মিলানা মমিন। ছবি - সংগৃহীত
নতুন গানে নতুন চমক নিয়ে ফিরলেন মিলানা

কণ্ঠের জাদু আর ভিন্নধর্মী গায়কী দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে আগেই জায়গা করে নিয়েছিলেন মিলানা মমিন। তবে ব্যক্তিগত ও নানাবিধ কারণে গত কয়েক বছর নতুন কোনো মৌলিক গানে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে সুরের ভুবন থেকে যে তিনি একচুলও দূরে সরে যাননি, তার প্রমাণ মিলল তার ফেরার মাধ্যমে।   দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে আবারও মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়িয়েছেন কণ্ঠশিল্পী মিলানা মমিন। সম্প্রতি গায়িকার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে ‘তোমার কলরব’ শিরোনামের নতুন একটি গান। সোমেশ্বর অলির কথায় গানটির সংগীতায়োজন করেছেন সাজিদ সরকার।   নতুন গান প্রসঙ্গে মিলানা মমিন বলেন, ‘সংগীত আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মাঝে কিছুটা সময় বিরতি নিয়েছিলাম ঠিকই, কিন্তু সবসময় মনের ভেতর সুর লালন করেছি। শ্রোতারা আমার কাছে যে ধরনের মানসম্মত গান প্রত্যাশা করেন, ঠিক তেমনই একটি কাজ নিয়ে ফিরেছি। আশা করি, গানটি সবার মন ছুঁয়ে যাবে।’   মিলানা ছায়ানটে নজরুল সংগীত বিভাগেও ৬ বছর গান শিখেছেন। এ পর্যন্ত তার হাফ ডজনের বেশি মৌলিক গান প্রকাশিত হয়েছে। এখন থেকে নিয়মিত তাকে গানে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন এই গায়িকা।   তার বেশ কয়েকটি মৌলিক গান প্রশংসিত হয়েছে। লুৎফর হাসানের কথায় ও সুরে তার চতুর্থ মৌলিক গান ‘অপেক্ষার নাম’ ২০২২ সালে রিলিজ হয়, যা শ্রোতামহলে সাড়া ফেলে। এছাড়া তার অন্যান্য গানের মধ্যে ‘গল্প থেকে গল্প’ ও ‘মনের দরজা’ অন্যতম।   মাত্র সাত বছর বয়সে মিলানা প্রথম মঞ্চে গান গেয়েছিলেন। পরবর্তীতে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার চাপের কারণে গানের ভুবনে সাময়িকভাবে পদচারণা কিছুটা কমিয়ে দিলেও বর্তমানে তিনি পুরোদমে গান নিয়েই ব্যস্ত হচ্ছেন।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ৩০, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

‘কাউকে নিয়ে মাথা ঘামাই না’—ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তায় তৃষা

ছবি : সংগৃহীত

যে কারণে বাংলাদেশি যুবককে জীবনসঙ্গী বানালেন পাকিস্তানি ভ্লগার

আজমেরী হক বাঁধন । ছবি: সংগৃহীত

‘গুলশানের চামেলি’তে মানবাধিকারকর্মী রূপে বাঁধন

শাকিব ও সাবিলা। ছবি - সংগৃহীত
শাকিবের সঙ্গে রোমান্সে স্বাচ্ছন্দ্যের কথা জানালেন সাবিলা নূর

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর বড়পর্দায় অভিষেকের পর অল্প সময়েই দর্শকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছেন। ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘তাণ্ডব’ সিনেমায় প্রথমবার ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেন তিনি। সেই সিনেমার ‘লিচুর বাগানে’ গানটিতে তাদের রসায়ন দর্শকমহলে বেশ প্রশংসিত হয়। এরপর চলতি বছরে মুক্তি পাওয়া ‘রকস্টার’ সিনেমায় দ্বিতীয়বারের মতো জুটি বাঁধেন এই দুই তারকা।   সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শাকিব খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা এবং তাদের পর্দার রসায়নের রহস্য নিয়ে কথা বলেন সাবিলা নূর। তিনি বলেন, "এই কৃতিত্ব পুরোপুরি শাকিব খানের। উনি নিজেকে যেভাবে পরিবর্তন করেছেন, সেটা সত্যিই অসাধারণ। ‘প্রিন্স’-এর ট্রেইলার ও লুক দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম।"   মালয়েশিয়ায় ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিংয়ের একটি স্মৃতিও ভাগ করে নেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, শুটিংয়ে যোগ দিতে এসে শাকিব খানকে দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন। সাবিলা বলেন, 'মালয়েশিয়াতে শুটিংয়ের জন্য শাকিব ভাই যখন এলেন, কয়েক মুহূর্তের জন্য আমি চমকে গিয়েছিলাম। মাত্র সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে নিজেকে এমনভাবে বদলে ফেলেছিলেন যে, তাকে একেবারে তরুণ, টিনেজারদের মতো লাগছিল। এটার কৃতিত্ব পুরোপুরি তার এবং তার টিমের। আমাদের পুরো টিমই ছিল ভীষণ প্রাণবন্ত। সেই পরিবেশ থেকেই পর্দার রসায়নটা এত সুন্দর হয়েছে।'   সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে একাধিক রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করেছেন সাবিলা। এমন দৃশ্যে অভিনয়ের সময় কোনো অস্বস্তি হয়েছিল কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "ক্যামেরা রোল হওয়ার পর উনি আর শাকিব খান থাকেন না, আমিও সাবিলা নূর থাকি না। তখন উনি ‘আগুন’ আর আমি ‘মীরা’। চরিত্রের সম্পর্কটাই তখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই কোনো দ্বিধা বা অস্বস্তি কাজ করেনি। বরং উনি আমাকে এমন একটি কমফোর্ট জোন দিয়েছেন, যেখানে আমি খুব স্বস্তি নিয়ে রোমান্টিক দৃশ্যগুলো করতে পেরেছি।"   শাকিব খানের পেশাদারিত্বেরও প্রশংসা করেন সাবিলা। তিনি জানান, প্রতিটি দৃশ্যের শট দেওয়ার পর শাকিব তা মনোযোগ দিয়ে প্রিভিউ দেখেন এবং কোথায় কী উন্নতি করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেন।   সাবিলা বলেন, 'উনার এই বিষয়টা আমার সবচেয়ে ভালো লাগে। প্রতিটি শটের পর উনি নিজের কাজ বিশ্লেষণ করেন, কোথায় পরিবর্তন দরকার তা খুঁজে বের করেন। এটা আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে। তাই উনার সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করাটা কখনোই বড় কোনো চ্যালেঞ্জ মনে হয়নি।'   উল্লেখ্য, ‘রকস্টার’ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আজমান রুশো। এতে শাকিব খান ও সাবিলা নূরের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, তানজিয়া জামান মিথিলা, সুনিধি নায়েক, পান্থ কানাই এবং তারিক আনাম খান। সিনেমাটি গত ২৮ মে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ২৮, ২০২৬
জয়া আহসান। ছবি: সংগৃহীত

রিয়েলিটি শোতে অভিষেক হচ্ছে জয়া আহসানের

সাকিব ও পরীমনি। ছবি - সংগৃহীত

সাকিবের দীর্ঘদিনের রেকর্ড ভাঙলেন পরীমনি

গায়ক সৈয়দ অমি ও আঁচল আঁখি। ছবি: সংগৃহীত

আঁচল-অমির জুটিতে আসছে ‘আতা গাছে তোতা পাখি’

0 Comments