বিশ্ব

এলিয়েনের অস্তিত্ব বাস্তব—দাবি ওবামার

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬

 

এলিয়েন ‘বাস্তব’, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এমন দাবি করায় আবারও ভিনগ্রহী প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। তবে তিনি আরো বলেন, তারা কোথায় আছে তা তিনি জানেন না। শনিবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ইউটিউবার ব্রায়ান টাইলার কোয়েনের এলিয়েনের অস্তিত্বসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে ওবামা এ মন্তব্য করেন।

ওবামা বলেন, এলিয়েন বাস্তব, তবে দ্রুতই তিনি এলিয়েনদের নেভাদায় অবস্থিত গোপন মার্কিন বিমানঘাঁটি এরিয়া ৫১-তে রাখা হয়েছে, সেই ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নাকচ করেন।


তিনি বলেন, ‘তারা বাস্তব,’ এবং আরো যোগ করেন, ‘...কিন্তু আমি তাদের দেখিনি, এবং তাদের এরিয়া ৫১-তে রাখা হয়নি।’

তিনি আরো বলেন, ‘কোনো ভূগর্ভস্থ স্থাপনা নেই, যদি না এটি কোনো বিশাল ষড়যন্ত্র হয়, এবং তারা সেটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকেও গোপন রেখেছে।’

এরিয়া ৫১ দীর্ঘদিন ধরেই এলিয়েন ও যাচাইবিহীন ইউএফও দেখার ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে ২০১৩ সাল পর্যন্ত মার্কিন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘাঁটির অস্তিত্ব স্বীকার করেনি।


এটি উন্নত সামরিক বিমান পরীক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
ওবামার এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন অশনাক্ত অস্বাভাবিক ঘটনা (ইউএপি)—যা ইউএফওর জন্য সরকারের ব্যবহৃত পরিভাষা—নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। ইউএপি সংক্রান্ত ঘটনাগুলো তদন্তে পেন্টাগন অল-ডোমেইন অ্যানোমালি রেজল্যুশন অফিস প্রতিষ্ঠা করেছে এবং কংগ্রেস এসব ঘটনার বিষয়ে সরকারকে আরো তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতা আরোপ করে আইন পাস করেছে।

পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব নিশ্চিত করার মতো কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ নেই।


তবুও বিজ্ঞানীরা কোনো সূত্রের সন্ধানে মহাকাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছেন। তবে ভিনগ্রহী বুদ্ধিমত্তা অনুসন্ধানে পরিচালিত একটি গণঅংশগ্রহণমূলক প্রকল্পের কারণে সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পেয়েছেন।
১৯৯৯ সালে চালু হওয়া ‘সেটি@হোম’ নামের প্রকল্পটিতে বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেন, যার লক্ষ্য ছিল পুয়ের্তো রিকোর আরেসিবো মানমন্দিরের তথ্য থেকে অস্বাভাবিক রেডিও সংকেত শনাক্ত করা।

২০২০ সালে তারের ত্রুটির কারণে বিশাল রেডিও দূরবীনটি ধসে পড়ে এবং প্রকল্পটি হঠাৎ শেষ হয়ে যায়। তবে নাগরিক বিজ্ঞানীরা ২১ বছরের তথ্য থেকে ১২ বিলিয়নের বেশি সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত শনাক্ত করেছেন।


গবেষকরা এখন ফলাফল যাচাই ও বিশ্লেষণ করছেন। ২১ বছর পর দলটি সংকেতগুলোকে ১০০টি সম্ভাবনাময় প্রার্থীতে সীমিত করেছে, যা বর্তমানে চীনের ফাস্ট রেডিও টেলিস্কোপ ব্যবহার করে পুনরায় পরীক্ষা করা হচ্ছে।

সূত্র : এনডিটিভি

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সংগৃহীত ছবি
ইরান ও বাংলাদেশের স্পিকার-পর্যায়ে বৈঠক; গালিবাফকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ

ইরানের ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলির স্পিকার মোহাম্মদ  বাঘের গালিবাফের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।   শুক্রবার (৩ জুলাই) ইরানের রাজধানী তেহরানে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিতে তেহরান সফরে রয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।   বৈঠকে স্পিকার গালিবাফ বাংলাদেশের স্পিকার ও প্রতিনিধি দলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তার হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানান। তিনি জাতীয় শোকের এই সময়ে ইরান সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের সংহতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।   দুই দেশের স্পিকার বাংলাদেশ ও ইরানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং জনগণের মধ্যে বিদ্যমান যোগাযোগ আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের বিষয়েও মতবিনিময় করেন।   স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ সবসময় শান্তি, সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর টেকসই সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংযম, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আলোচনার পথ অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।   এ সময় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক শান্তি সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে স্পিকার গালিবাফের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন বাংলাদেশের স্পিকার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ ইরানের জনগণসহ পুরো অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।   বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সুবিধাজনক সময়ে মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে ইরানের স্পিকার বাংলাদেশ-ইরান সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।   রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যে অংশ নিতে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার তেহরানে পৌঁছান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বিমানবন্দরে ইরানের ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলির ডেপুটি স্পিকার হামিদ রেজা হাজী বাবাই তাকে স্বাগত জানান

মোঃ নাহিদ হোসেন জুলাই ০৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হয়েছে খামেনির মরদেহ

সংগৃহীত ছবি

দাবদাহে পুড়ছে ইউরোপ, এটাই কি নতুন বাস্তবতা?

আধুনিক ড্রোন যুদ্ধে ভারতের ব্যাপক প্রস্তুতি

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আলী খামেনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের কফিনের পাশ দিয়ে হেঁটে যান স্থানীয় ও বিদেশি অতিথিরা। শুক্রবার তেহরানে।
আলী খামেনিকে শেষ বিদায় জানানো শুরু, সাতদিনে যা থাকছে

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ বিদায় জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। জানাজা, শোকযাত্রা ও দাফনের প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে কয়েক ধাপে। ইরানের পাশাপাশি ইরাকেও বিভিন্ন সংস্কার পালন হবে।   শুক্রবার প্রথম দিনের কর্মসূচি মূলত আমন্ত্রিত বিদেশি অতিথিদের নিয়ে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, তেহরানে খামেনি ও তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিদেশি অতিথিরা। কফিন রাখা হয়েছে রাজধানীর গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে। এর বাইরে ভিড় করা সমর্থকদের আর্তনাদ করতে দেখা গেছে ছবিতে।    শনিবার সাধারণ মানুষ আলী খামেনিকে বিদায় জানাবেন। রোববার অনুষ্ঠিত হবে জানাজা ও দোয়া। সোমবার শোকযাত্রার পর মঙ্গলবার অনুসারীরা জড়ো হবেন শিয়াদের কাছে পবিত্র নগরী হিসেবে পরিচিত কোমে। বুধবার আলী খামেনির কফিন পাঠানো হবে ইরাকে। সেখানে নাজাফ ও কারবালায় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার ইরানের মাশহাদে হবে দাফন পর্ব।     সাতদিনের এই কর্মসূচি নিয়ে ইরানের সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, আয়োজনটি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম জাতীয়, ধর্মীয় ও আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। এই আয়োজনে জনসমাগমের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থার প্রতি মানুষের আনুগত্যকেও তুলে ধরতে চাইবেন শাসকরা।    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হন আলী খামেনি। কোম শহরের জুমার নামাজের খতিব আয়াতুল্লাহ মোহাম্মদ সাইদি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেছেন, শহীদ নেতা ও অন্যান্য শহীদদের জানাজার মিছিলে জনগণের বিশাল উপস্থিতিকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পক্ষে আরেকটি গণভোট হিসেবে গণ্য করা হবে।   শাসকদের প্রতি সমর্থনের প্রতীক হতে যাওয়া সাতদিনের এই কর্মসূচি ঘিরে কর্তৃপক্ষ লাখ লাখ অনুসারীকে ইরানের শহরগুলোতে জড়ো করার পরিকল্পনা করছে। এজন্য সরকারিভাবে যাতায়াত, আবাসন ও খাবারের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে।    তবে আলী খামেনির পর সর্বোচ্চ নেতা হওয়া তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনির প্রকাশ্যে আসার ব্যাপারে এখনও কিছু জানা যায়নি। যুদ্ধ শুরু এবং সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি অন্তরালে আছেন। বিভিন্ন সময় রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তাঁর বক্তব্য পড়ে শুনিয়েছেন উপস্থাপকরা। 

মারিয়া রহমান জুলাই ০৩, ২০২৬
ছবি : রয়টার্স

খামেনির শেষকৃত্যকে শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ বানাচ্ছে ইরান

প্রতীকী ছবি

৬.২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া

ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প: ৮ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ১ জন জীবিত উদ্ধার

ছবি-সংগৃহীত
ইসরায়েলে আজান নিষিদ্ধের বিতর্কিত বিল পাস, ওআইসির তীব্র নিন্দা

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে লাউডস্পিকারে আজান প্রচারে বিধিনিষেধ আরোপ সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত বিল পাসের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মুসলিম দেশগুলোর বৃহত্তম সংগঠন অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি)। সংস্থাটি এই পদক্ষেপকে মুসলিমদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং ইসলামের পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছে। ওআইসির মতে, এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে নিশ্চিত করা ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং ইবাদতের মৌলিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ওআইসি এই বিলটিকে ‘অকার্যকর ও বাতিলযোগ্য একটি পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। একই সঙ্গে একে বৈষম্যমূলক ও বর্ণবাদী প্রকৃতির একটি আইনগত অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি। ওআইসি আরও উল্লেখ করেছে যে ফিলিস্তিনিদের উপস্থিতি সীমিত করা এবং ওই অঞ্চলের আরব ও ইসলামি পরিচয়কে মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরে যে ধারাবাহিক বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নিয়ে আসছে, এই বিলটি তারই একটি বিপজ্জনক সম্প্রসারণ। ১২০ সদস্যবিশিষ্ট ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটে বিলটি ৫০-৩৬ ভোটের ব্যবধানে প্রাথমিক অনুমোদন পায়। এই বিলে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো মসজিদে শব্দবর্ধক যন্ত্র বা লাউডস্পিকার স্থাপন কিংবা ব্যবহার করা যাবে না। তবে বিলটি এখনই চূড়ান্ত আইনে পরিণত হচ্ছে না। ইসরাইলি আইন অনুযায়ী এটিকে কার্যকর আইন হিসেবে কার্যকর করতে হলে পার্লামেন্টে আরও তিনটি পর্যালোচনার (রিডিং) ধাপ পার হতে হবে এবং প্রতিটিতেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হবে।

মারিয়া রহমান জুলাই ০৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

গাজায় ১ হাজার দিনের যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ২১ হাজার শিশু

ছবি : সংগৃহীত

সিরিয়ায় ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ, নিহত ৫, আহত অন্তত ১৬

স্টেশন বাজার এলাকায় মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিতে কালো কাপড় । সংগৃহীত

মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিতে কালো কাপড় পরানোকে ঘিরে উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ

0 Comments