সারাদেশ

দুই দল গ্রামবাসীর মাঝে তুমুল সংঘর্ষে আহত ২০

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৮, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই দল গ্রামবাসীর মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে।

 

রোববার (২৮ জুন) সকাল থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মহেশ্বরদী গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, হামিরদী ইউনিয়নের মহেশ্বরদী গ্রামের কালাম কাজীর বাড়িতে শুক্রবার মাদকবিরোধী মিটিং হয়, দ্বিতীয় মিটিং শনিবার হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদে হয়। মাদকবিরোধী মিটিং নিয়ে দুই দল গ্রামবাসীর মাঝে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়।

 

সেই জেরে রোববার সকালে দুই দলের সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় দলের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত আকতার মাতুব্বর, রিয়াদ মাতুব্বর ও মামুন মাতুব্বরকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্যদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

 

এ বিষয়ে হামিরদি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খোকন মিয়া জানান, মাদকবিরোধী মিটিংয়ে যোগদান করায় দেলোয়ার মাতুব্বরের বাড়ি ভাঙচুর ও তাকে মারধর করেছে, এ নিয়ে সংঘর্ষ চলছে।

 

বিপক্ষ দলের ছিরু মিয়া জানান, মাদকবিরোধী মিটিংয়ের নামে মাদক কারবারীরা এক হয়েছে খোকন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এজন্য সংঘর্ষ হয়।

 

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়েই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এলাকায় আমাদের পুলিশ কাজ করছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই

উজানের ঢল আর ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় নীলফামারীর ডিমলার ডালিয়া পয়েন্ট তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার, (বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার)।   যা বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় পানির একই প্রবাহ রেকর্ড করা হয়‌।   ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পানি বৃদ্ধির শঙ্কা নেই।   ২ থেকে ৩ ঘন্টার মধ্যে পানি বিপদসীমার আরও নিচে নেমে যাবে।   উল্লেখ্য, চলতি বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদীর পানি প্রথম বিপৎসীমা অতিক্রম করে ২৩ জুন। সেসময় বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। এরপর পানি নেমে যায়।   দ্বিতীয় দফায় ২৮ জুন বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহিত হয়েছিল। যার ১২ ঘণ্টা পর পানি কমে বিপৎসীমার নিচে নেমে আসে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এলএনজি ও পাইপলাইনে ভোলার গ্যাস সরবরাহের বড় পরিকল্পনা সরকারের

ছবি: সংগৃহীত

উজানের ঢলে বাড়ছে তিস্তার পানি, বিপৎসীমার ১ সেমি নিচে

ছবি: সংগৃহীত

জামায়াত এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী বয়সে ৫৭ বছর ছোট

ছবি: সংগৃহীত
প্রকল্পের সাশ্রয়ী অর্থ ৪২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিলেন ইউএনও

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার নাকাই খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ শেষ করে অব্যয়িত ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৮২৮ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সঠিক পরিকল্পনা, ব্যয়ের স্বচ্ছতা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে বরাদ্দের তুলনায় কম ব্যয়ে মানসম্মতভাবে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এ অর্থ সাশ্রয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম বুলবুল।   উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের নাকাই খাল পুনঃখননের জন্য সরকার মোট ২ কোটি ৬ লাখ ৩ হাজার ৮০ টাকা বরাদ্দ দেয়। এর মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৬৪ লাখ ১২ হাজার ২৫২ টাকা। অবশিষ্ট ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৮২৮ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।   প্রকল্পের আওতায় ৪ দশমিক ৯২০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে খালে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক করা, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করা, কৃষিজমির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি খালের দুই পাড়ে নারিকেল, জাম, আম ও নিমগাছসহ মোট ১ হাজার ৪৪০টি গাছ রোপণ করা হয়েছে।   চলতি বছরের ১২ মে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। প্রকল্প চলাকালে উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত কাজের অগ্রগতি ও মান তদারকি করে।   সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্প বাস্তবায়নের পুরো সময়জুড়ে ব্যয়ের বিভিন্ন খাত এবং কাজের গুণগত মান নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। ফলে নির্ধারিত মান বজায় রেখেই তুলনামূলক কম ব্যয়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করা সম্ভব হয়। প্রায় তিন মাসব্যাপী খননকাজ শেষে শ্রমিকদের মজুরি, যন্ত্রপাতি ব্যবহার, পরিবহনসহ সব ধরনের বিল পরিশোধের পরও ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৮২৮ টাকা অব্যয়িত থাকে। বিধি অনুযায়ী ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়।   প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) একাধিক সদস্য জানান, সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহমেদ নিয়মিত প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। তিনি কাজের স্থান পরিদর্শনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন, যাতে নির্ধারিত মান বজায় রেখে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা যায়। তাঁর তদারকি ও পরামর্শে প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।   সরেজমিনে দেখা যায়, পুনঃখননের ফলে খালটিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি দখল ও ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল। এতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচসংকট দেখা দিত। খাল পুনঃখননের ফলে কৃষিকাজে সুবিধা বাড়বে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।   এলাকাবাসীর দাবি, এই খাল দিয়ে অন্তত ২০টির বেশি বিলের পানি নিষ্কাশন হয়। আগে জলাবদ্ধতার কারণে অনেক বিলে আমন ধান চাষ করা সম্ভব হতো না। খাল পুনঃখননের পর পানিপ্রবাহ বেড়েছে এবং জলাবদ্ধতা কমেছে। খালটি সচল থাকলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি মাছের প্রাকৃতিক আবাসস্থলও পুনরুদ্ধার হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।   উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। তাই এ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন। প্রতিটি প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়। প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করার পর যে অর্থ অবশিষ্ট ছিল, তা বিধি অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।   তিনি আরও বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। জনগণের কল্যাণে বরাদ্দকৃত প্রতিটি টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করাই প্রশাসনের অঙ্গীকার।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২২, ২০২৬
মতলব উত্তর থানা। ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসী ছেলের জন্য ওষুধ পাঠিয়ে আর ঘরে ফেরা হলো না মায়ের

ভাইরাল ভিডিওর দৃশ্য। ছবি : সংগৃহীত

একাধিক স্থানে অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণীর সঙ্গে এমপি নজরুলের ভিডিও আছে, দাবি ড্রাইভারের

ছবি: সংগৃহীত

নতুন ফুটেজে প্রশ্নের মুখে এমপির বক্তব্য, ‘নীলার বাড়ি’ বিতর্কে নতুন মোড়

হঠাৎ দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
দেশি পেঁয়াজের তীব্র সংকট, ভারত থেকে আমদানির দাবি ব্যবসায়ীদের

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।   মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সরেজমিনে দেখা গেছে, কেজিপ্রতি ২০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০ টাকা। হঠাৎ দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।      বিক্রেতাদের দাবি, দেশের বাজারে পেঁয়াজের সংকট দেখা দেওয়ায় দাম বেড়েছে। তবে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হলে দাম কমে আসবে বলে মনে করছেন তারা।     হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, গত কয়েক মাস ধরে হিলির বাজারে পেঁয়াজের দাম ২৫ থেকে ৩০ টাকার মধ্যেই ছিল। হঠাৎ করে কেজিপ্রতি ২০ টাকা বেড়ে গেছে। এতে সাধারণ মানুষকে বাড়তি কষ্ট করতে হচ্ছে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা প্রয়োজন।     হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা শাকিল মাহমুদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। এত দিন দেশি পেঁয়াজই বিক্রি করছি। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন মোকামে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। আমরা বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করছি। তবে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হলে দাম কমে আসবে।      হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক ফেরদৌস রহমান বলেন, দেশের কৃষকদের কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশ সরকার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রেখেছে। এজন্য হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকেরা পেঁয়াজ আমদানি করতে পারছেন না। সরকার যদি পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়, তাহলে আমরা দ্রুত আমদানি শুরু করব। এ বিষয়ে হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা সব সময় প্রস্তুত রয়েছেন।

মারিয়া রহমান জুলাই ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ, টেকনাফে মিয়ানমারের ৩ সেনাকর্মী আটক

ছবি: সংগৃহীত

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ৩০ কেজি হরিণের মাংসসহ পাচারকারী আটক

ছবি: সংগৃহীত

সততা ও স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত: প্রকল্প শেষে ৬৪ লাখ টাকা ফেরত দিল আশুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন

0 Comments