জাতীয়

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জটিল প্রেক্ষাপটে সরকারের পথচলা মসৃণ নয় : মুশফিক ফজল

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ০৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতার জটিল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ প্রেক্ষাপটে এই সরকারের পথচলা মসৃণ নয় বলে মন্তব্য করেছেন মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী। এ সময় তিনি সরকারের কাজের সমালোচনা ও ভুল ধরিয়ে দেওয়া এবং গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগী হওয়ার বিষয়েও জোর দেন।

 

বুধবার (৮ এপ্রিল) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। গত বুধবার (১ এপ্রিল) দেশে ফিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন সাবেক ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সহকারী প্রেস সচিব।

 

পোস্টে মুশফিকুল ফজল আনসারী লেখেন, ‘পাহাড়সম সমস্যার ভার এবং মানুষের আকাশচুম্বী প্রত্যাশার মাঝখানে দাঁড়িয়ে যাত্রা শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন জনগণের সরকার। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতার জটিল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ প্রেক্ষাপটে এই সরকারের পথচলা মসৃণ নয়। অনেকেই আমার মতামত জানতে চান, তবে অনেক ক্ষেত্রেই মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।’

 

‘এটা সত্য যে মানুষ দৃশ্যমান পরিবর্তনের প্রত্যাশা করে, আর এই প্রত্যাশা একেবারেই স্বাভাবিক ও যৌক্তিক। সেই জায়গায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। তার বিনয়, রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী হয়েও সহজ ও সাধারণ জীবনযাপন, একাগ্রতা ও সময়ানুবর্তিতা মানুষের মধ্যে আস্থা ও আশার সঞ্চার করেছে।’

 

‘মানুষ এটিও প্রত্যাশা করে যে, মন্ত্রীসভার অন্য সদস্যরাও প্রধানমন্ত্রীর পদাঙ্ক অনুসরণ করবেন এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে একই ধরনের সংবেদনশীলতা, দায়িত্ববোধ ও সংযত আচরণ প্রত্যাশিত।’

 

সরকারের শীর্ষস্থানীয়দের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যারা প্রধানমন্ত্রীর আস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন, তাদের জন্য এটি শুধু সুযোগ নয়, বরং একটি বড় দায়। প্রতিটি কথা ও আচরণে প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন যে তারা এসেট, কেউই লাইবিলিটি নন। সময় বদলেছে, মানুষের সচেতনতা ও ভাবনার পরিধি বিস্তৃত হয়েছে। এখন জবাবদিহিতা, সংবেদনশীলতা ও দক্ষতার মাধ্যমেই মানুষের আস্থার জানান দিতে হবে।’

 

নাগরিকদের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সমাজের একটি সচেতন অংশ দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে অভ্যস্ত এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশে এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে তাদেরও মনে রাখা উচিত যে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী এই সরকার ও সংসদ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত। সরকারের কাজের সমালোচনা এবং ভুল ধরিয়ে দেয়া যেমন জরুরি, তেমনি গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগী হওয়াও নাগরিক সমাজের দায়িত্বের অংশ।’

 

‘গণতন্ত্রে ফেরা আজকের বাংলাদেশে যেখানে আলোচনার পথ প্রশ্বস্ত, সেখানে হুমকি-ধমকি অনাহূত। শান্তি, স্থিতি, মানবিক মর্যাদা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এই সময়ের সবচেয়ে অগ্রাধিকার। আন্দোলনের মাঠ নয় বরং ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে পড়ার টেবিল হউক আমাদের ছেলেমেয়েদের গন্তব্য।’

 

সবশেষে সাংবাদিক ও কূটনীতিক মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, ‘বাংলাদেশে এসে এটি আমার দুই আনার চিন্তা।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
যুদ্ধ বন্ধে বিশ্বনেতাদের জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান ড. ইউনূসের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটাতে এখনই জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশ্বনেতাদের প্রতি দৃঢ় আহ্বান জানিয়েছেন সদ্য সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।   বুধবার (৮ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।   বিবৃতিতে ড. ইউনূস বলেন, ‌‘মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে এখনই জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমি বিশ্বনেতাদের প্রতি দৃঢ় আহ্বান জানাচ্ছি। ইতোমধ্যেই যুদ্ধের ক্ষতে জর্জরিত বিশ্বকে এই চলমান সংঘাত আরও গভীর অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আমরা আজ মানবতার এক কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি, যেখানে বেসামরিক নাগরিক, বিশেষ করে শিশুরা, প্রাণ হারাচ্ছে; বাড়িঘর, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হচ্ছে এবং মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো উপেক্ষিত হচ্ছে।’   দরিদ্র দেশগুলোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি কোনো আঞ্চলিক সংকট নয়; এটি সমগ্র মানবজাতির জন্য এক গভীর নৈতিক চ্যালেঞ্জ। এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এর সবচেয়ে বড় মূল্য দিচ্ছে দরিদ্র দেশগুলো। দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন আরও বিপন্ন হয়ে উঠছে।’ ড. ইউনূস বলেন, ‘সাহস, সহমর্মিতা ও সুস্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে বৈশ্বিক ঐক্য গড়ে তোলা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রয়োজন। বিশ্বনেতাদের এই পৃথিবীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসতে হবে। আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখতে দৃঢ় ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সামরিক উত্তেজনার পরিবর্তে কূটনৈতিক সংলাপকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করতে হবে।’   সাবেক প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এটি কেবল ভূরাজনীতি বা ক্ষমতার প্রতিযোগিতা নয়; এটি মানব সভ্যতার ভবিষ্যতের প্রশ্ন। আমাদের যুদ্ধ নয়, শান্তিকে বেছে নিতে হবে। হামলা নয়, সংলাপকে বেছে নিতে হবে। বিভাজন নয়, ঐক্যকে বেছে নিতে হবে।’   এদিকে পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধে আপাতত বিরতি নিতে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শেষ মুহূর্তে ইরানের ওপর পূর্বঘোষিত বড় ধরনের হামলা দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানও ১০টি শর্ত দিয়ে এ প্রস্তাব মেনে নিয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দেশটির সামরিক বাহিনীকে গুলি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন।  

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ০৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জটিল প্রেক্ষাপটে সরকারের পথচলা মসৃণ নয় : মুশফিক ফজল

ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফর চূড়ান্ত নয়, গুজব না ছড়ানোর আহ্বান

সংগৃহীত ছবি

ওসমান হাদি হত্যার দুই আসামিকে ফেরত দিতে সম্মত ভারত

ছবি : সংগৃহীত
সংসদে আরও ১৩টি বিল পাস

‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন)’ অধ্যাদেশ এবং ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ)’ অধ্যাদেশসহ অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোর ১৩টি বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১১তম দিনে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া বিলগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও মন্ত্রীর পক্ষে প্রতিমন্ত্রীরা উত্থাপন করেন। সকালের অধিবেশনে পাস হওয়া বিলগুলো হচ্ছে, ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, ‘সরকারি হিসাব নিরীক্ষা আইন, ২০২৬’, ‘প্রোটেকশন অ্যান্ড কনসারভেশন অব ফিস (এমেনমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’, ‘শেখ হাসিনা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি জামালপুর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ বিল সংসদে পাস করা হয়। ‘পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাষণ কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’। বিকেলে অধিবেশনে পাস হওয়া বিলগুলো হচ্ছে, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা রহিতকরণ আইন, ২০২৬’, স্থানিক পরিকল্পনা আইন, ২০২৬’ এবং পরিত্যাক্ত বাড়ি (সম্পূরক বিধানাবলী) আইন, ২০২৬’। বিকেলে দ্বিতীয় দফায় পাস হওয়া বিলগুলে হচ্ছে, ‘বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (সংশোধন) আইন, ২০২৬,’ ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬,’ ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (রহিতকরণ) আইন, ২০২৬’ এবং কোড অব সিভিল প্রসিডিউর (এমনমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ০৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদন নিয়ে ১৩ দেশের সতর্কতা

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আইএমএফের সভায় যোগ দিতে ১১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

মাদক প্রতিরোধে বিজ্ঞানভিত্তিক সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি—প্রতিমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত
সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হলেন ৪০ বিচারক

৪০ জন জেলা ও দায়রা জজকে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জুডিশিয়াল সার্ভিসের ৪০ জন জেলা ও দায়রা জজ পদে যোগদানের তারিখ হতে ৫ বছর চাকরির পূর্তিতে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে বেতনক্রম প্রদান করা হলো। পদোন্নতিপ্রাপ্তরা হলেন এ এন এম মোরশেদ খান, আবু সালেহ মো. সালাহউদ্দিন খাঁ, মো. আবদুল মজিদ, কনিকা বিশ্বাস, মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান, মাসুদ করিম, মোহাম্মদ ওসমান গণি, মোহাম্মদ সাইদুর রহমান গাজী, মেহেরুন্নেসা, জান্নাতুল ফেরদাউস চৌধুরী, মো. আবুল কাশেম, এজিএম আল মাসুদ, মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সিদ্দিক, এ ই এম ইসমাইল হোসেন, মো. তারিক মোর্শেদ সিদ্দিকী। তালিকায় আরো আছেন মো. গোলাম আযম, মো. তহিদুল ইসলাম, ফেরদৌস আরা, মোহাম্মদ রেজাউল করিম, প্রদীপ কুমার রায়, শরীফ এ এম রেজা জাকের, মো. হায়দার আলী খোন্দকার, মোহা. বজলুর রহমান, মোহাম্মদ ওসমান হায়দার, এ এম জুলফিকার হায়াত, মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, মো. রেজাউল করিম, মো. রাশেদ কবির, নুরুল আলম মোহাম্মদ লিপু, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. জিয়াউর রহমান, নাজমুল হক শ্যামল, এম এ হামিদ, মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সৈয়দ হাবিবুল ইসলাম, এস এম জিললুর রহমান, মো. আয়েজ উদ্দিন, মোহা. রকিবুল ইসলাম, এস কে এম তোফায়েল হাসান এবং মাকসুদা পারভীন।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ০৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সুখবর দিল ভারত

ছবি : সংগৃহীত

অপরাধ দমনে পুলিশকে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ হওয়ার আহ্বান আইজিপির

ছবি : সংগৃহীত

রাজশাহীতে জাল সার্টিফিকেট চক্রের দুই সদস্য আটক, উদ্ধার সরঞ্জাম

0 Comments