খেলাধুলা

বিশ্বকাপের আগে বড় ঘোষণা, আনচেলত্তিকে ২০৩০ পর্যন্ত রাখল ব্রাজিল

মোঃ ইমরান হোসেন মে ১৫, ২০২৬
কার্লো আনচেলত্তি। ছবি : সংগৃহীত
কার্লো আনচেলত্তি। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বড় একটা চমক উপহার দিল ব্রাজিল। জাতীয় ফুটবল দলের কোচ কার্লো আনচেলত্তির সঙ্গে ২০৩০ সাল পর্যন্ত চুক্তি নবায়ন করেছে সেলেসাওরা। এর ফলে পরের বিশ্বকাপ পর্যন্ত ব্রাজিলের সঙ্গেই থাকছেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এই তারকা কোচ।

নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের পর ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বার্তায় আনচেলত্তি বলেন, ‘এক বছর আগে আমি ব্রাজিলে এসেছি। প্রথম মুহূর্ত থেকেই আমি বুঝতে পেরেছি, এই দেশের জন্য ফুটবল কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত এক বছর ধরে আমরা ব্রাজিল জাতীয় দলকে আবারও বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি। তবে সিবিএফ এবং আমি আরও বেশি কিছু চাই। আরও জয়, আরও সময়, আরও পরিশ্রম।’

সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ কোচ আনচেলত্তি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি, আরও চার বছর একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব। আমরা একসঙ্গে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত এগিয়ে যাব। সিবিএফকে তাদের আস্থার জন্য ধন্যবাদ জানাই। ধন্যবাদ ব্রাজিল, উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং অসংখ্য ভালোবাসার জন্য।’

গত বছরের ১২ মে ব্রাজিল ফুটবল দলের দায়িত্ব নেন আনচেলত্তি। এর আগে রিয়াল মাদ্রিদ, এসি মিলান, চেলসির মতো বাঘা বাঘা ক্লাবগুলোর ডাগআউটে দাঁড়ালেও কখনও কোনও জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। ব্রাজিলকে দিয়েই প্রথমবারের জাতীয় দলের কোচিংয়ে পা রাখেন তিনি। ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ শিরোপা জেতানোটাই আনচেলত্তির সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
মুসলিম ফুটবলারদের সম্মানে বিশ্বকাপে নিয়ম পরিবর্তন করল ফিফা

বিশ্বকাপের মঞ্চে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা একজন ফুটবলারের জন্য বিশেষ গৌরবের মুহূর্ত। ম্যাচ শেষে আলো ঝলমলে মঞ্চে পুরস্কার হাতে সেই ছবি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে সেই পরিচিত দৃশ্যেই এসেছে একটি সূক্ষ্ম কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন।   মুসলিম ফুটবলারদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রে নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ফিফা। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো মুসলিম খেলোয়াড় ম্যাচসেরা নির্বাচিত হলে পুরস্কার গ্রহণের সময় মঞ্চে অ্যালকোহল ব্র্যান্ডের লোগো বা সংশ্লিষ্ট স্পন্সরশিপ প্রদর্শন করা হচ্ছে না।   বিশ্বকাপের একাধিক ম্যাচে ইতোমধ্যে এই পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। মুসলিম খেলোয়াড়দের পুরস্কার প্রদানের সময় মঞ্চের পেছনের স্পন্সর বোর্ড থেকে অ্যালকোহল-সংশ্লিষ্ট ব্র্যান্ডিং সরিয়ে রাখা হয়েছে। তবে অন্য খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে প্রচলিত ব্যবস্থাই বহাল রয়েছে।   ফিফার এই পদক্ষেপকে অনেকেই বৈশ্বিক ফুটবলের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বৈচিত্র্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। বিশ্বকাপ এখন শুধু ফুটবলের প্রতিযোগিতা নয়, বরং ভিন্ন সংস্কৃতি, বিশ্বাস ও পরিচয়ের মানুষের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। ফলে খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও মূল্যবোধের বিষয়টিও ক্রমশ গুরুত্ব পাচ্ছে।   বর্তমান বিশ্ব ফুটবলে মুসলিম খেলোয়াড়দের উপস্থিতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। ফ্রান্স, মরক্কো, সেনেগাল, তিউনিসিয়া, আলজেরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি ইউরোপের শীর্ষ দলগুলোতেও নিয়মিত খেলছেন মুসলিম ফুটবলাররা। তাদের অনেকেই প্রকাশ্যে নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় ও বিশ্বাসের চর্চা করে থাকেন।   ফিফার নতুন এই উদ্যোগ সেই বাস্তবতারই প্রতিফলন। মাঠের পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি যেন কোনো খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি না করে, সেটিই নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।   বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আসরে এমন পদক্ষেপ আবারও মনে করিয়ে দেয়, আধুনিক ফুটবল শুধু গোল, জয়-পরাজয় বা ট্রফির গল্প নয়; এটি পারস্পরিক সম্মান, বৈচিত্র্যের স্বীকৃতি এবং সহাবস্থানেরও এক শক্তিশালী প্রতীক।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের পদ ছাড়লেন রায়ান কুক

ভিনিসিয়ুসের গোলে বিশ্বকাপে রিয়াল মাদ্রিদের রেকর্ড

ছবি: সংগৃহীত

হ্যাডলির পর ৩৬ বছর, টেস্ট বোলিংয়ে শীর্ষে হেনরি

ছবি: সংগৃহীত
জোড়া গোলে রোনালদোর ছয় রেকর্ড, নকআউটে পর্তুগাল

বিশ্বকাপের চলতি আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছিল পর্তুগাল। সেই ম্যাচে গোল না পাওয়ায় দলটির অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করেছিলেন, বয়সের কারণে আগের ধার হারিয়ে ফেলেছেন তিনি।   তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই সমালোচকদের জবাব দিলেন পর্তুগিজ মহাতারকা। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ৫-০ গোলের বড় জয়ে জোড়া গোল করে দলকে নকআউট পর্বে তুলেছেন তিনি। একই সঙ্গে গড়েছেন একাধিক রেকর্ড।   রোনালদোর জোড়া গোলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়টি ভিন্ন আসরে গোল করার কীর্তি গড়ে ওঠে। ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬—প্রতিটি বিশ্বকাপেই গোলের দেখা পেয়েছেন তিনি।   এ ছাড়া ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ও বিশ্বকাপ মিলিয়ে ১১টি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে গোল করার রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করেছেন রোনালদো। ইউরোপের অন্য কোনো খেলোয়াড় তার ধারেকাছেও নেই।   ৪১ বছর ১৩৮ দিন বয়সে গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বাধিক বয়সী গোলদাতা হয়েছেন তিনি। এই তালিকায় তার ওপরে রয়েছেন শুধু ক্যামেরুনের কিংবদন্তি রজার মিলা।   উজবেকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় গোলটি করে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন রোনালদো। ২৪ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা এখন ১০, যা ইউসেবিওর রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।   এছাড়া বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে জোড়া গোল করা ফুটবলারের কীর্তিও এখন রোনালদোর দখলে। এর আগে এই রেকর্ড ছিল আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির।   আরেকটি অনন্য অর্জনে তিনি বিশ্বকাপে পর্তুগালের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী ও সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতা—দুই রেকর্ডেরই মালিক হয়েছেন। ২০০৬ সালে ২১ বছর বয়সে নিজের প্রথম বিশ্বকাপ গোল করেছিলেন তিনি, আর ২০২৬ বিশ্বকাপে ৪১ বছর বয়সে এসে সেই রেকর্ডের অন্য প্রান্তেও নিজের নাম লিখিয়েছেন।   উজবেকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে রোনালদো আবারও প্রমাণ করলেন, বয়স শুধু একটি সংখ্যা। বড় মঞ্চে তিনি এখনো পর্তুগালের সবচেয়ে বড় ভরসার নাম।

আক্তারুজ্জামান জুন ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মেসির জন্মদিনে আর্জেন্টিনাজুড়ে ভক্তদের ব্যতিক্রমী উদযাপন

ব্রাজিল দলের অনুশীলনে নেইমার ও ভিনিসিয়ুস।

ব্রাজিল সমর্থকদের ভয় দেখাচ্ছে রাউন্ড অব ৩২-এর সমীকরণ; সামনে জাপান, নেদারল্যান্ডস নাকি জার্মানি?

ছবি : সংগৃহীত

ক্লোসার রেকর্ড ভেঙে শীর্ষে মেসি, পেছনে এমবাপ্পে-হালান্ড; জমজমাট গোল্ডেন বুটের লড়াই!

ছবি : সংগৃহীত
লেগো ব্লকে ৯০০ হীরা! দুবাইতে উন্মোচিত হলো অনন্য এক বিশ্বকাপ ট্রফি

দুবাইয়ের একটি গয়নার প্রতিষ্ঠান ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফির একটি বিশেষ সংস্করণ উন্মোচন করেছে, যা তৈরি করা হয়েছে লেগো ব্লক দিয়ে এবং সাজানো হয়েছে ৯০০টিরও বেশি হীরা ও ১৮ ক্যারেট সোনার অংশ দিয়ে। এই ট্রফির দাম ধরা হয়েছে ৮২ হাজার মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ৮৫ হাজার টাকা।   বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মূল ট্রফিটি আসলে ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল লেগো সংস্করণের আদলে তৈরি। ২৮৪২টি লেগো ব্লক দিয়ে বানানো এই মডেলটি সাধারণত ২০০ ডলারে (প্রায় ২৫ হাজার টাকা) বিক্রি হয়।   তবে দুবাইয়ের গয়নার কারিগর হেমন্ত করমচাঁদানি এটিকে বিলাসী শিল্পকর্মে রূপ দিয়েছেন। করমচাঁদানির ১০ বছর বয়সী ছেলে যশ তিন দিনে লেগো ট্রফিটি তৈরি করেছে।   এরপর সেটিকে নতুন রূপ দিতে কারিগরদের প্রায় ৩৫ দিন সময় লেগেছে। প্রতিটি অংশে হাতে বসানো হয়েছে হীরা। অনেক জায়গায় প্ল্যাস্টিকের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে সোনা।   দুবাইয়ের বিখ্যাত গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড পার্কে অবস্থিত প্যাশন জুয়েলার্সের ৬৫ জন কারিগর এই ট্রফি বানিয়েছেন।   ট্রফিটি বানানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল লেগোর প্রতিটি অংশের সঙ্গে মিল রেখে সোনার অংশ তৈরি করা এবং সেগুলো নিখুঁতভাবে বসানো। জনসাধারণের দেখার জন্য ট্রফিটি বর্তমানে প্যাশন জুয়েলার্সের শোরুমে রাখা হয়েছে। দর্শনার্থীদের মধ্যে এটি ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে ফুটবল ও লেগোপ্রেমীদের কাছে।   বিলাসী পণ্যের নতুন উদাহরণ হিসেবে হীরাখচিত এই বিশ্বকাপ ট্রফিকে এরই মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে দামী লেগো ট্রফিগুলোর একটি বিবেচনা করা হচ্ছে।

মারিয়া রহমান জুন ২৪, ২০২৬
তাসকিন আহমেদ।

রোববার থেকে শুরু জিম্বাবুয়ে মিশন, সমালোচনার জবাব দিতে চান তাসকিন

ছবি : সংগৃহীত

উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে রোনালদোর হুংকার ‘আই অ্যাম ব্যাক’, ইব্রাহিমোভিচের দ্বিমত

নিষিদ্ধ হতে পারেন আলভারেজ, খেলোয়াড় কেনার দুয়ার বন্ধ হবে বার্সার

0 Comments