জাতীয়

বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল জনগণই ঠিক করবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ২৮, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, ভোটের ফল এই দেশের জনগণই নির্ধারণ করবে।


বুধবার (২৮ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, নির্বাচনে যেই জয়ী হোক না কেন, তাদের সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে।


বুধবার সকালে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ে আসে। সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে বৈঠক শুরু হয়।


বৈঠকে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।


মার্কিন রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ডেভিড মু ও ফিরোজ আহমেদ।


উল্লেখ্য, গত ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সংগৃহীত ছবি
বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনই সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: সিপিডি

বর্তমানে সামষ্টিক অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই চাপের মুখে রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সামষ্টিক অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জন করাই সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে রাজধানীর গুলশানে হোটেল লেকশোরে ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: সিপিডির পর্যালোচনা’ অনুষ্ঠানে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এ কথা বলেন।   তিনি বলেন, বর্তমানে সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো স্বস্তিদায়ক নয়। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা বাড়লেও অন্যান্য সূচকে আশানুরূপ উন্নতি হয়নি। রপ্তানি আয় এবং রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হলেও তা লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে যথেষ্ট নয়। ড. ফাহমিদা খাতুন উল্লেখ করেন, আগামী অর্থবছরের জন্য জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬.৫ শতাংশ। অথচ অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রাক্কলন অনুযায়ী বর্তমান অর্থবছরে এটি ৫ শতাংশ এবং বিবিএসের হিসাবে তা ৪ শতাংশের কিছু বেশি।   বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি বিনিয়োগ বাড়লেও বেসরকারি বিনিয়োগে মন্দাভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগে যা ২৩-২৪ শতাংশ ছিল, বর্তমানে তা কমে ২১.৩ শতাংশে নেমে এসেছে। মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ৯.৪ শতাংশের ওপরে থাকলেও আগামী অর্থবছরের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭.৫ শতাংশ। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে উল্লেখ করে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, মূলত খাদ্য ও জ্বালানি খাতের সরবরাহজনিত সমস্যার কারণে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। জ্বালানির উচ্চমূল্য ও বৈশ্বিক সংকট এতে প্রভাব ফেলছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে তিনি সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি এবং কার্যকর বাজার তদারকির ওপর জোর দেন।   বৈদেশিক খাতের কথা উল্লেখ করে সিপিডি জানায়, ২০২৭ সাল নাগাদ রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৭.৯ শতাংশ এবং রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ১৫ শতাংশ ধরা হয়েছে। এ ছাড়া রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, তাকে ‘উচ্চাকাঙ্ক্ষী’ বলে অভিহিত করেছে সংস্থাটি। একইসঙ্গে ডলারের বিনিময় হার ১২৭ টাকা হওয়ার যে সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে, তা টাকার আরো অবমূল্যায়নের ইঙ্গিত দেয়। বাজেট কাঠামো বিশ্লেষণ করে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, জিডিপির তুলনায় ঋণের হার ৩৮.৬ শতাংশ। আইএমএফ-এর মতে এটি এখনও সহনশীল সীমার নিচে থাকলেও ঋণের স্থায়িত্বের ঝুঁকি ‘নিম্ন’ থেকে ‘মাঝারি’র দিকে যাচ্ছে।   তিনি জানান, বাজেট ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর নির্ভরশীলতা গত বছরের তুলনায় ৩১.৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪৭.৭ শতাংশ করা হয়েছে। সিপিডি মনে করে, বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক। তবে বর্তমান বাস্তবতায় এই লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জন করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ। বাজেটের সফল বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা এবং বাস্তবায়নের দক্ষতা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করে সংস্থাটি। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন–সিপিডির সম্মানীয় ফেলো প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান এবং সিনিয়র গবেষণা অ্যাসোসিয়েট হেলেন মাসিয়াত প্রিয়তিসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মারিয়া রহমান জুন ১২, ২০২৬
প্রতীকী ছবি

দেশের ৯০ শতাংশ মানুষের কাছে ‘৫-জি‘ পৌঁছানোর লক্ষ্য সরকারের

সংগৃহীত ছবি

কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম থেকে উদ্ধার ৩৭ বাংলাদেশির দেশে ফেরত

ফাইল ছবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরসহ শীর্ষ পদে বড় রদবদল

ছবি : সংগৃহীত
জাল ভিসায় দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবেশের চেষ্টা, ৯ বাংলাদেশি আটক

নকল ভ্রমণ কাগজপত্র ও জাল ভিসা ব্যবহার করে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির সীমান্ত রক্ষা বাহিনী। গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় জোহানেসবার্গের ওআর তাম্বো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। দক্ষিণ আফ্রিকার সংবাদমাধ্যম আইউইটনেস নিউজের বরাতে জানা যায়, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বপ্রাপ্ত বর্ডার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (বিএমএ) কর্মকর্তারা সন্দেহজনক নথিপত্র পরীক্ষা করে বড় ধরনের অসংগতি খুঁজে পান। পরে যাচাই-বাছাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যায় যে ৯ জন যাত্রীর ভিসাই জাল। ভিসাগুলো ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকমিশন থেকে ইস্যু করা হয়েছে বলে দেখানো হয়েছিল। আটক যাত্রীদের মধ্যে তিনজন নারী এবং ছয়জন পুরুষ ছিলেন। নারীরা সাধারণ বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করছিলেন। অন্যদিকে ছয়জন পুরুষ প্রথমে জাল ভারতীয় পাসপোর্ট দেখালেও পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের আসল বাংলাদেশি পাসপোর্ট উপস্থাপন করেন বলে জানায় বিএমএ। ভিসা জালিয়াতি শনাক্তের পর তাদের দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। অভিবাসন আইন অনুযায়ী তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। বিএমএ মুখপাত্র মেমে মোগোৎসি জানিয়েছেন, এই জালিয়াতির পেছনে কোনো আন্তর্জাতিক মানবপাচার বা সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ভুয়া ভিসা তৈরির উৎস শনাক্তে কাজ চলছে।

মারিয়া রহমান জুন ১২, ২০২৬
দীনেশ ত্রিবেদী

আজ সড়কপথে ঢাকায় আসছেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার

ছবি- সংগৃহীত

বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আজ বিকেলে অর্থমন্ত্রী

ছবি- সংগৃহীত

জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্রের

ছবি: সংগৃহীত
মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা করতে আইনি লড়াই আরও জোরদার হবে

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা প্রণয়নে আইনি লড়াই জোরদার করা হবে।   বুধবার (১০ জুন) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা বিভিন্ন রিট মামলা, চাকরিসংক্রান্ত মামলা, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল মামলা এবং আদালত অবমাননা সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।   উদ্বোধনী বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, অতীতে বিভিন্ন কারণে সরকারি মামলাগুলোতে রাষ্ট্রের স্বার্থ যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয়নি। তবে বর্তমানে পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের দক্ষ আইন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সমন্বিতভাবে রাষ্ট্রের স্বার্থ ও মর্যাদা রক্ষায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন।   তিনি আরও বলেন, এই কর্মশালার মাধ্যমে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়, সলিসিটর উইং এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত হবে। ফলে বিদ্যমান আইনি জটিলতাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের পথ সুগম হবে।   মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম এবং বিভিন্ন মহলের যোগসাজশে রাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য সম্পদ বেহাত হয়েছে। বর্তমান সরকার ও মন্ত্রণালয় এসব সম্পদ পুনরুদ্ধারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।   মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের তালিকা প্রণয়নের বিষয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়গুলোকে তথ্যনির্ভর ও নির্ভুলভাবে সংরক্ষণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। অতীতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও প্রক্রিয়া নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে, তা গবেষণা, তথ্য-উপাত্ত ও আইনি কাঠামোর ভিত্তিতে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।   অমুক্তিযোদ্ধা শনাক্তকরণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক অযোগ্য ব্যক্তি মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মন্ত্রণালয় যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন অথচ তালিকাভুক্ত হয়ে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।   কর্মশালায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সলিসিটর, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তাসহ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা অংশ নেন।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

পোস্টার নয়, ডিজিটাল প্রচারণাতেও কড়াকড়ি; ইসির নতুন আচরণবিধি

ছবি : সংগৃহীত

ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

ছবি : সংগৃহীত

তিন হাজার কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে ও কর্ডলাইন নির্মাণে মহাপরিকল্পনা

0 Comments