শেষ পর্যন্ত সিরিজ জিতল পাকিস্তানই। লো স্কোরিং এই সিরিজের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। লাহোরে ১৫৭ রান তাড়ায় ১১২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়েছিল শাহিন আফ্রিদির দল।
তবে শাদাব খানের ২৯ রানের ইনিংসে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে জয়ের হাসি নিয়েই মাঠ ছেড়েছে তারা। তাতে ৩ ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছে পাকিস্তান।
বোলিং সহায়ক উইকেটে ১৫৮ রানের লক্ষ্য ছুঁতে পাকিস্তানের লেগেছে ৪১.৫ ওভার। দলীয় ২৭ রানে সাহিবজাদা ফারহানকে হারানোর পর থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে গেছে দলটি। সর্বোচ্চ ৪০ রান এসেছে বাবর আজমের ব্যাট থেকে।
শাদাবের পাশাপাশি আবদুল সামাদও কৃতিত্ব পাবেন। অপরাজিত ছিলেন ১৮ রানে। সপ্তম উইকেট জুটিতে দুজনে মিলে গড়েছেন অবিচ্ছিন্ন ৪৯ রানের জুটি।
বল হাতে নিজেদের কাজটা করেছেন পাকিস্তানের বোলাররাও। পাকিস্তানের মাটিতে ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে গুটিয়ে দিয়েছে তাদের সর্বনিম্ন রানে। টসে জিতে ব্যাটিং নেওয়া অস্ট্রেলিয়া আজও উইকেট হারিয়েছে শূন্য রানে।
শাহিন আফ্রিদির করা ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই আউট হয়েছেন ম্যাথু শর্ট। এরপর অধিনায়ক জশ ইংলিস ও মারনাস লাবুশেন গড়েন ৪৬ রানের জুটি। তবে ১৯ রানে লাবুশেন রানআউট হলে ভাঙে সেই জুটি। এরপর অ্যালেক্স ক্যারির সঙ্গে ৫২ রানের জুটি গড়েন ইংলিস।
একপর্যায়ে অস্ট্রেলিয়ার রান ছিল ২ উইকেটে ৯৮। সেই অস্ট্রেলিয়াই ১৩৭ রানে হারায় ৮ উইকেট। মূলত দলীয় ১১৯ রানে ইংলিস আফ্রিদির বলে ৬৫ রানে আউট হলে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধসে পড়ে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান এসেছিল ওই লাবুশেন ও ক্যারির ব্যাট থেকেই। ৩ উইকেট নিয়েছেন আফ্রিদি। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন আবরার আহমেদ ও শাদাব খান।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না। একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন। গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে। জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে। কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে। প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে। আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’ সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না। এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।
এমনটা হয়তো ঘুণাক্ষরেও ভাবেননি হামজা চৌধুরী। নিজের জন্মদিনে এমন হারের সাক্ষী হবেন তিনি। গতকাল ২৯ বসন্তে পা দিয়েছেন বাংলাদেশি মিডফিল্ডার। তার জন্মদিনই ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলের বড় পরাজয় দেখেছে বাংলাদেশ। এর আগে মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরের বিপক্ষেও হেরেছে বাংলাদেশ। সবমিলিয়ে আসিয়ান কাপের ৩ ম্যাচে মোট ১৩ গোল হজম করেছে। বিপরীতে বাংলাদেশের নামের পাশে ২ গোল। এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর স্বাভাবিকভাবেই খেলোয়াড়রা সমালোচনার মুখে পড়েছে। সমর্থকদের হতাশ করার বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন হামজাও। তাই হামজার উপলোব্ধি, কোনো না কোনো দিক থেকে আমরা দেশকে হতাশ করেছি। আসিয়ান কাপের পারফরম্যান্স নিয়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘লাতিন বাংলাকে’ তিনি বলেছেন, ‘ভারতের বিপক্ষে ওই মুহূর্তগুলো কিংবা সিঙ্গাপুর ম্যাচ—সবই শুধু প্রতিযোগিতার ছিল না; শেষদিকের কিছু অংশ এবং বিশেষ করে শেষ ম্যাচটি ছিল বেশ কঠিন। স্থানীয় ক্যাম্পের কারণে সবাই মানসিক এবং শারীরিকভাবে ক্লান্ত ছিল, তাই এমন পরিস্থিতিতে খেলা অত্যন্ত কঠিন ছিল। আমরাও খুব হতাশ, কারণ আমাদের মনে হয়েছে কোনো কোনো দিক থেকে আমরা দেশকে হতাশ করেছি।’ প্রতিপক্ষ দলের অনেকেরই ইউরোপে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। তাই এবারের সফরটা অভিজ্ঞতার মনে করেন হামজা। ২৯ বছর বয়সী শেফিল্ড ইউনাইটেডের মিডফিল্ডার বলেছেন, ‘তবে দেখুন, আমরা খুব ভালো কিছু খেলোয়াড়ের বিপক্ষে খেলেছি যাদের অনেকেই ইউরোপে খেলেন। তাই এটি আমাদের জন্য একটি ভালো অভিজ্ঞতা ছিল। এই সফরটি অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্যই ছিল এবং আমার মনে হয় আমরা কিছু অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পেরেছি। সামনে ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলবে বাংলাদেশ। এই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ইতিবাচক থাকার কথাই জানান হামজা। তিনি বলেছেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আগামী মাসে আমাদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ রয়েছে। তাই আমাদের ইতিবাচক থাকতে হবে। একটি পরিবারের মতো একতাবদ্ধ থাকাটা সবচেয়ে জরুরি। এটিই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই ইনশাআল্লাহ, আমরা পারব।’ সাফে সকলের সমর্থনও চেয়েছেন হামজা। মিডফিল্ডার বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমাদের সমর্থন প্রয়োজন এবং ইতিবাচক থাকতে হবে। বাংলাদেশ থেকে আমরা যে ভালোবাসা ও সমর্থন পাই, আমি বারবার সে কথাই বলি। আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন সমর্থনের আরও বেশি প্রয়োজন। ইনশাআল্লাহ, আমরা সাফে গিয়ে নিজেদের চেনা মাঠে জয়লাভ করতে পারব।’
বৃহস্পতিবার ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। যার যৌথ আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া। ২ অক্টোবর উইন্ডহোকে তিন দলের সুপার সিরিজ দিয়ে শুরু হবে টুর্নামেন্ট। এই সিরিজ থেকেই নির্ধারিত হবে গ্রুপ পর্বের শেষ দল। বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পাওয়া বাকি ১২ দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। প্রতিটি গ্রুপে থাকবে ছয়টি করে দল। সুপার সিরিজ (৩ ম্যাচ) তারিখ ম্যাচ ভেন্যু শনিবার, ২ অক্টোবর কোয়ালিফাইড ১ বনাম কোয়ালিফাইড ৩ উইন্ডহোক সোমবার, ৪ অক্টোবর কোয়ালিফাইড ১ বনাম কোয়ালিফাইড ২ উইন্ডহোক বুধবার, ৬ অক্টোবর কোয়ালিফাইড ২ বনাম কোয়ালিফাইড ৩ উইন্ডহোক গ্রুপ পর্ব (৩০ ম্যাচ) তারিখ ম্যাচ ভেন্যু বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া কেপটাউন শুক্রবার, ৮ অক্টোবর পাকিস্তান বনাম আফগানিস্তান তশোয়ানে শুক্রবার, ৮ অক্টোবর ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ উইন্ডহোক শনিবার, ৯ অক্টোবর জিম্বাবুয়ে বনাম কোয়ালিফায়ার ‘এ’ বুলাওয়ে শনিবার, ৯ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম নিউজিল্যান্ড কেপটাউন রবিবার, ১০ অক্টোবর ভারত বনাম পাকিস্তান জোহানেসবার্গ রবিবার, ১০ অক্টোবর শ্রীলঙ্কা বনাম কোয়ালিফায়ার ‘বি’ উইন্ডহোক সোমবার, ১১ অক্টোবর জিম্বাবুয়ে বনাম আফগানিস্তান বুলাওয়ে মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া বনাম কোয়ালিফায়ার ‘এ’ পার্ল মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর নিউজিল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ কুগোম্পো সিটি বুধবার, ১৩ অক্টোবর ইংল্যান্ড বনাম শ্রীলঙ্কা উইন্ডহোক বুধবার, ১৩ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম কোয়ালিফায়ার ‘বি’ পার্ল বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর ভারত বনাম আফগানিস্তান তশোয়ানে শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর পাকিস্তান বনাম কোয়ালিফায়ার ‘এ’ ব্লুমফন্টেইন শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর জিম্বাবুয়ে বনাম অস্ট্রেলিয়া হারারে শনিবার, ১৬ অক্টোবর শ্রীলঙ্কা বনাম বাংলাদেশ ডারবান শনিবার, ১৬ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম ইংল্যান্ড গ্যাবেরা রবিবার, ১৭ অক্টোবর ভারত বনাম কোয়ালিফায়ার ‘এ’ ব্লুমফন্টেইন রবিবার, ১৭ অক্টোবর নিউজিল্যান্ড বনাম কোয়ালিফায়ার ‘বি’ হারারে সোমবার, ১৮ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া বনাম আফগানিস্তান কুগোম্পো সিটি মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর জিম্বাবুয়ে বনাম পাকিস্তান হারারে মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম বাংলাদেশ ডারবান বুধবার, ২০ অক্টোবর নিউজিল্যান্ড বনাম শ্রীলঙ্কা জোহানেসবার্গ বুধবার, ২০ অক্টোবর ইংল্যান্ড বনাম কোয়ালিফায়ার ‘বি’ হারারে বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর আফগানিস্তান বনাম কোয়ালিফায়ার ‘এ’ কুগোম্পো সিটি শুক্রবার, ২২ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া বনাম পাকিস্তান পার্ল শুক্রবার, ২২ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম শ্রীলঙ্কা জোহানেসবার্গ শনিবার, ২৩ অক্টোবর ইংল্যান্ড বনাম নিউজিল্যান্ড গ্যাবেরা শনিবার, ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ বনাম কোয়ালিফায়ার ‘বি’ তশোয়ানে রবিবার, ২৪ অক্টোবর জিম্বাবুয়ে বনাম ভারত ভিক্টোরিয়া ফলস সুপার সেভেন (২১ ম্যাচ) তারিখ ম্যাচ ভেন্যু সোমবার, ২৫ অক্টোবর এ২ বনাম বি৩ জোহানেসবার্গ মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর বি১ বনাম এ৩ গ্যাবেরা বুধবার, ২৭ অক্টোবর বি২ বনাম এবি৪ তশোয়ানে বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর এ১ বনাম এ২ ভিক্টোরিয়া ফলস শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর বি১ বনাম বি৩ কুগোম্পো সিটি শনিবার, ৩০ অক্টোবর এ৩ বনাম এবি৪ ভিক্টোরিয়া ফলস রবিবার, ৩১ অক্টোবর বি২ বনাম এ১ জোহানেসবার্গ সোমবার, ১ নভেম্বর এ২ বনাম বি১ ভিক্টোরিয়া ফলস মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর বি৩ বনাম এবি৪ কেপটাউন বুধবার, ৩ নভেম্বর বি২ বনাম এ৩ ডারবান বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর এ১ বনাম বি১ পার্ল শুক্রবার, ৫ নভেম্বর এ২ বনাম এবি৪ ডারবান শনিবার, ৬ নভেম্বর বি২ বনাম বি৩ ব্লুমফন্টেইন রবিবার, ৭ নভেম্বর এ১ বনাম এ৩ কেপটাউন সোমবার, ৮ নভেম্বর বি১ বনাম এবি৪ ডারবান মঙ্গলবার, ৯ নভেম্বর বি২ বনাম এ২ গকেবেরহা বুধবার, ১০ নভেম্বর এ৩ বনাম বি৩ ব্লুমফন্টেইন বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর এ১ বনাম এবি৪ গ্যাবেরা শুক্রবার, ১২ নভেম্বর বি২ বনাম বি১ কেপটাউন শনিবার, ১৩ নভেম্বর এ২ বনাম এ৩ ব্লুমফন্টেইন রবিবার, ১৪ নভেম্বর এ১ বনাম বি৩ ডারবান সেমিফাইনাল তারিখ ম্যাচ ভেন্যু বুধবার, ১৭ নভেম্বর সেমিফাইনাল ১ কেপটাউন বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর সেমিফাইনাল ২ তশোয়ানে ফাইনাল তারিখ ম্যাচ ভেন্যু রবিবার, ২১ নভেম্বর ফাইনাল জোহানেসবার্গ
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ। আজ কেপটাউনে বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক ক্ষণগণনা ও সূচি প্রকাশ অনুষ্ঠানে গ্রুপ পর্ব ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে টিকিটের জন্য ব্যালট প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। ‘এ’ ও ‘বি’ গ্রুপে ছয়টি করে মোট ১২টি দল খেলবে। বাংলাদেশ প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কাকে। আরেক প্রতিপক্ষ বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা দল, যেটি এখনো নির্ধারিত হয়নি। ‘এ’ গ্রুপে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান, আফগানিস্তান, টুর্নামেন্টের আরেক স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে ও বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা একটি দল। আগামী বছরের ২ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় বসতে যাচ্ছে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৪তম আসর। তিন দেশের ১২ ভেন্যুতে মোট ৫৭ ম্যাচ হবে। ফাইনাল হবে জোহানেসবার্গে। ২০২৭ বিশ্বকাপ গ্রুপ পর্ব গ্রুপ ‘এ’ ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান, জিম্বাবুয়ে ও বাছাই পেরিয়ে আসা একটি দল গ্রুপ ‘বি’ বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও বাছাই পেরিয়ে আসা একটি দল