জাতীয়

বিবিএসের দাবি

৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল জিডিপি, মাথাপিছু আয় ৩ হাজার ডলার

মারিয়া রহমান জুন ১১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতির আকার অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ৫০১ বিলিয়ন ডলারে।


অন্যদিকে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয়ও ৩ হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এখন মাথাপিছু গড় আয় ৩ হাজার ২০ ডলার বা ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৮৭৩ টাকা।এ ছাড়া চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ।


বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় ও জিডিপির প্রাক্কলিত সাময়িক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


বিবিএসের তথ্যমতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৫১১ টাকা বা ২ হাজার ৭৬৯ ডলার। এক বছরের ব্যবধানে মাথাপিছু আয় ৩৪ হাজার ৩৬২ টাকা বেড়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এটি ছিল ৩ লাখ ৪ হাজার ১০২ টাকা। অর্থাৎ দুই বছরে বেড়েছে প্রায় ৬৪ হাজার টাকা।


এদিকে বিনিয়োগ ও সঞ্চয় স্থবিরতার মধ্যেও চলতি অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে দশমিক ৬৫ শতাংশ। খাত ভেদে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়েছে সেবা খাতে। এ খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এছাড়া শিল্পে ২ দশমিক ৮৬ এবং কৃষিতে ২ দশমিক ৭৮ শতাংশ।


২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় কৃষি ও সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি কমলেও শিল্প খাতে বেড়েছে।


বর্তমানে প্রচলিত বাজারমূল্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার প্রথমবারের মতো ৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার দাঁড়িয়েছে ৬১ লাখ ২০ হাজার ২০৯ কোটি টাকা, যা প্রায় ৫০১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের অর্থনীতির আকার ছিল ৫৫ লাখ ১৫ হাজার ২৬ কোটি টাকা বা প্রায় ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
বান্দরবানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত, গুজব ও অপপ্রচার এড়িয়ে চলার আহ্বান আইএসপিআরএর

বান্দরবানের দুর্গম রেতলাং এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পরিচালিত নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে অভিযান নিয়ে গুজব, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।   বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর জানায়, গত ২৮ জুন বান্দরবান রিজিয়নের আওতাধীন রেতলাং এলাকায় কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) এবং ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-মূল) একটি যৌথ গোপন আস্তানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে নিরাপত্তা বাহিনী।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে আস্তানায় অবস্থানরত সশস্ত্র সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে আশপাশের এলাকায় সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।   আইএসপিআর আরও জানায়, চলমান অভিযানের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়। অভিযান শেষ হলে যথাসময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হবে।   একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচারমূলক পোস্ট শেয়ার না করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ০৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি হস্তক্ষেপ মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। ছবি: সংগৃহীত

ঢাবির অনার্স প্রোগ্রাম বন্ধের বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান মাহফুজ আলমের

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে চায় সৌদি আরব

ছবি: সংগৃহীত
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে মাহান এয়ারে ইরানে গেলেন স্পিকার

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নিতে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে তেহরানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।   ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের আমন্ত্রণে তিনি এ সফর করছেন। সকাল সাড়ে ৭টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্পিকার ইরানের এই নেতার জানাজার নামাজে অংশ নিতে ঢাকা ত্যাগ করেন। ওমানের রাজধানী মাস্কাট থেকে মাহান এয়ারের একটি ফ্লাইটে তিনি ইরানের রাজধানী তেহরান পৌঁছাবেন বলে জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বাংলাদেশের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সেই আমন্ত্রণের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি তেহরান সফর এবং ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় অংশ নিচ্ছেন। খবরটি নিশ্চিত করে বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেছেন, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য ও জানাজার নামাজ ৪ থেকে ৯ জুলাই তেহরান, কোম ও মাশহাদ শহরে অনুষ্ঠিত হবে। ওই জানাজায় বাংলাদেশ সরকার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অংশ নেবেন। এদিকে, বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে ইরানে যাবার সরাসরি ফ্লাইট নেই। সব রুটে অন্তত ১টি স্টপ (কানেকশন) লাগে। তাই খামেনির জানাজায় অংশ নিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ঢাকা থেকে কানেকশন রুট হিসেবে মাস্কাট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যাবহার করে ইরানের শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন্স 'মাহান এয়ার' এর একটি ফ্লাইটে তেহরান-ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন বলে জানা গেছে। ইরান সম্প্রতি ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব দিয়েছে। বন্ধুপ্রতিম মুসলিম দেশটি বাংলাদেশে বাণিজ্য, পর্যটন ও জনগণের যোগাযোগ বাড়াতে চায়। তবে এখনো সরাসরি ফ্লাইট চালুর সরকারি অনুমোদন মেলেনি। একই কারণে মাহান এয়ারও ঢাকা থেকে সরাসরি ফ্লাইট অপারেশন শুরু করার অপেক্ষায় আছে। মাহান এয়ার সুত্রে জানা যায়, ইরানের শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন্সটি আরও আগেই বাংলাদেশ থেকে ফ্লাইট চালুর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করেছে। এমনকি তারা ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে দুবাই, মাস্কাট, ইসলামাবাদ ও করাচির সাথে সংযোগ ফ্লাইট চালু করার ঘোষণাও দিয়ে রেখেছে। সমস্ত প্রস্তুতি শেষ, শিগগিরই ঢাকা থেকে সরাসরি মাহান এয়ারের কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ৮৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির নতুন রাজনৈতিক কাঠামোতে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮০ সালে কিছু সময়ের জন্য ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।  ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর খামেনি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) তদারকির দায়িত্ব নেন এবং পরে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস আয়াতুল্লাহ খামেনিকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ এ নেতার জানাজায় অংশ নিয়ে আগামী ৪ জুলাই স্পিকারের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। সফরসূচি অনুযায়ী জানা গেছে, তেহরান-ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মাহান এয়ারের একটি ফ্লাইটে মাস্কাট হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি

মোঃ নাহিদ হোসেন জুলাই ০২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বিস্ফোরক ও হত্যাচেষ্টা মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন

ছবি: সংগৃহীত

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর নিয়ে বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধে যানজট

ছবি: সংগৃহীত

কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন দিগন্ত, চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাকৃবির সমঝোতা

ছবি: সংগৃহীত
পটিয়ার কবরস্থান থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার একটি কবরস্থান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাটি আত্মহত্যা, নাকি অন্য কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত—তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।   বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ল্যাংগার দোকানসংলগ্ন কবরস্থান থেকে প্রায় ২৮ বছর বয়সী ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়।   স্থানীয়দের দাবি, উদ্ধারকালে তার পাশ থেকে একটি বিষের বোতল পাওয়া যায়। তবে মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি ঘিরে এলাকায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।   পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবু তৈয়ব জানান, প্রাথমিক পরীক্ষায় মৃত নারীর শরীরে বিষক্রিয়া বা বিষপানের সুস্পষ্ট কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। যদিও ঘটনাস্থলে একটি বিষের বোতল উদ্ধার হয়েছে, তবুও শরীরে বিষক্রিয়ার লক্ষণ না থাকায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। তিনি আরও জানান, মৃত নারীর মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়েছিল।   পটিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সমীর ভট্টাচার্য্য বলেন, এটি বিষপানে আত্মহত্যা, নাকি ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ড—তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং এখন পর্যন্ত নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ০২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

১০ জুলাই ঢাকা মেডিক্যাল পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ফাইল ছবি।

৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

ছবি : সংগৃহীত

সরকারি অফিসে টানা ছুটির সুযোগ, বেসরকারিতেও থাকছে সুখবর

0 Comments