সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির সময় অন্তর্বর্তী সরকার জামায়াতকে কিছুই জানায়নি: জামায়াতের আমির

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আমেরিকার সঙ্গে হওয়া চুক্তির বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কেউ জামায়াতের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি বলে দাবি করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এখনো আমি অত্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে বলছি, তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো একজন মানুষ এই বিষয় নিয়ে আমাদের সঙ্গে একটা শব্দ উচ্চারণ করেনি।’ শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে রংপুর শিল্পকলা একাডেমিতে মহানগর জামায়াত আয়োজিত সুধী সমাবেশে যোগ দেওয়ার আগে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের এসব কথা বলেন। তিস্তা মহাপরিকল্পার বিষয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা পদ্মা ব্যারাজের উদ্যোগকে অভিনন্দন জানাই। কিন্তু এটা তিস্তার বিনিময়ে নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘তিস্তার জায়গায় তিস্তাকে অবশ্যই তার পাওনা দিতে হবে এবং এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতেই হবে। এর ভিন্ন আমরা কিছু চাই না। আমি সংসদের ভেতরেও একই কথা বলেছি, আপনারা দেখেছেন। আমাদের অবস্থান এই ব্যাপারে একদম ক্লিয়ার।’ স্থানীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, ‘আমরা একটা নির্বাচনমুখী দল। আমরা গণতান্ত্রিক পন্থায় এই দেশের নেতৃত্বের পরিবর্তন চাই। কাজেই আমরা সব নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। এবারও আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সব স্তরে অংশগ্রহণ করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের পরে দুটি উপ-নির্বাচন হয়েছে। একটা শেরপুরে, আরেকটা বগুড়ায়। আপনারা সেখানকার চিত্র, কাণ্ড-কারখানা সবই দেখেছেন। আমরা এই ব্যাপারে শঙ্কিত যে, আদৌ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কি না। তবে আমরা জনগণকে অনুরোধ করব, জনগণ নিজের অধিকারের পক্ষে আরেকবার যেন সজাগ হয়, সোচ্চার হয়। একটা জিনিস মনে রাখবেন সব রোগের ওষুধ হচ্ছে জনগণের ম্যান্ডেট। জনগণ জাগলে সব ঠিক হয়ে যায়।’ জামায়াতের আমির আরও বলেন, ‘গণভোটের পক্ষে দেশের মানুষ রায় দিয়েছে। সরকার সেই গণভোটের রায়কে অপমান-অগ্রাহ্য করেছে। গণভোটের রায়কে বাদ দেয়া বা পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে দেয়া হবে না। আমরা গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য সংসদ ও সংসদের বাহিরে লড়াই চালিয়ে যাব। গণভোটের রায় একদিন বাস্তবায়ন হবে।’ আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘বর্তমান সরকার গণভোটকে আগ্রাহ্য করার পাশাপাশি দেশের গভর্ণর পরির্বতন করে বিতর্কিত মানুষকে আমানতের জায়গায় বসিয়েছে। ৪২ জেলায় প্রশাসক বসিয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক উপায়ে যখন দেশ এগিয়ে যাচ্ছিলো, তখন কেন দলীয় লোকজনকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসাতে হবে। বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচন করে জনগণ যাদের প্রত্যাখ্যান করেছে, তাদের আবার বড় বড় জায়গায় বসিয়ে রাখা হয়েছে। এটি জনগণের সাথে এক ধরনের তামাশা করা হয়েছে।’

৫ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশি রোগীদের বিমান ভাড়াসহ বিভিন্ন সুবিধা দিতে চায় শ্রীলংকা

শ্রীলংকার সবচেয়ে বড় বেসরকারি হাসপাতাল ‘আইসিরি সেন্ট্রাল হাসপাতালের’ মূল প্রতিষ্ঠান সফট লজিক হোল্ডিংয়ের চেয়ারম্যান অশোক পাথিরেইজ বলেছেন, প্রাথমিকভাবে বিশেষ প্যাকেজে বাংলাদেশ থেকে রোগী নিয়ে ভারতের চেয়ে কম মূল্যে ভালো চিকিৎসা দেওয়া হবে।  গত সপ্তাহে রাজধানী ঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। অশোক পাথিরেইজ বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন সেবা খাতে বিনিয়োগের প্রচুর সুযোগ আছে। প্রাথমিকভাবে শ্রীলংকার সফট লজিক গ্রুপ বাংলাদেশে একটি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর সফট লজিকের প্রতিষ্ঠানই হচ্ছে আইসিরি হাসপাতাল। যেটি শ্রীলংকায় উন্নত সেবার জন্য বেসরকারি খাতে সবচেয়ে বড় হাসপাতাল।  তিনি আরও বলেন, শ্রীলংকায় হাসপাতালটির ৬টি শাখা আছে। এখানকার সব চিকিৎসক বিদেশে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। ক্যানসার, নিউরো, কার্ডিয়াক, আইভিএফসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য এ হাসপাতাল সবচেয়ে জনপ্রিয়। হাসপাতালের এই কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বছরে ৩৫০ কোটি ডলার বিদেশে চিকিৎসায় ব্যয় করেন। তারা চিকিৎসা নিতে ভারত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড যান। এখন সেই রোগীদের একটি অংশ যাতে শ্রীলংকা যান তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইসিরি চাচ্ছে, বাংলাদেশের রোগীদের এক আকর্ষণীয় প্যাকেজ দিয়ে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে। তিনি আরও বলেন, শ্রীলংকার মানুষ শান্ত। ভিসাও একেবারে সহজ। প্রাকৃতিকভাবে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় দেশ। ধর্মীয় উগ্রতা নেই। এ কারণে প্রতিবছর অনেক মানুষ বাংলাদেশ থেকে শ্রীলংকায় ঘুরতে যান। বাংলাদেশ থেকে এখন থেকে রোগীরা গেলে তাদের পরিবারের সদস্য এবং বিমান ভাড়াসহ বিভিন্ন প্যাকেজ দেওয়া হবে। যাতে তারা উন্নত চিকিৎসা পান এবং খরচও ভারতের চেয়ে কম হয়। তিনি বলেন, ওপেনহার্ট সার্জারি করলে আইসিরি হাসপাতালে সব মিলিয়ে ৬ হাজার ডলার খরচ হয়। কিন্তু বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের চেয়ে কম মূল্যে এই সার্জারির সেবা দিতে প্রস্তুতি চলছে। মতবিনিময় সভায় আইসিরি হাসপাতালের প্রধান অফিসার কেভিন হিয়ানকি চেং এবং চিফ অপারেটিং অফিসার ডাক্তার সামান্তি ডি সিলভা উপস্থিত ছিলেন।

৫ ঘন্টা আগে
টানা কমছে স্বর্ণের দাম, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিজনিত মূল্যস্ফীতির আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম টানা চতুর্থ দিনের মতো কমেছে। একইসঙ্গে বিনিয়োগকারীদের নজর রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠক পরবর্তী প্রভাবের দিকে। যদিও দুই দেশ বড় কোনো চুক্তির ঘোষণা দেয়নি।   শুক্রবার (১৫ মে) দ্বিতীয় দফায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ২.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৫৫১.৮১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অপরদিকে জুন মাসের ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার ২.৮ শতাংশ কমে ৪,৫৫৬.৪০ ডলারে নেমেছে। এদিকে বাংলাদেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনটি। শুক্রবার (১৫ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

৫ ঘন্টা আগে
নবজাতকের রোগ শনাক্তে পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করল ইরান

ইরানে জন্ম নেওয়া প্রতিটি নবজাতকের জন্য উন্নত পারমাণবিক প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালু রয়েছে। দেশটির বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মাধ্যমে ৫৮ ধরনের বংশগত বিপাকজনিত রোগ শনাক্ত করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।   প্রেসটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান প্রায় দুই দশক ধরে এই কর্মসূচি পরিচালনা করছে। শুরুতে মাত্র তিনটি রোগ শনাক্তের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হলেও বর্তমানে এতে অ্যামিনোঅ্যাসিডজনিত রোগ, অর্গানিক অ্যাসিডেমিয়া, ফ্যাটি অ্যাসিড অক্সিডেশনজনিত সমস্যা এবং ইউরিয়া সাইকেল ত্রুটিসহ বিস্তৃত রোগ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই পরীক্ষায় ব্যবহৃত ট্যান্ডেম ম্যাস স্পেকট্রোমেট্রি প্রযুক্তি পারমাণবিক বিজ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং কিটও দেশীয়ভাবে তৈরি করছেন ইরানি গবেষকরা, যা বিশ্বের খুব অল্প কয়েকটি দেশের সক্ষমতার মধ্যে পড়ে। ইরানের দাবি, তাদের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে জীবনরক্ষাকারী রেডিওআইসোটোপ উৎপাদন করা হচ্ছে, যা চিকিৎসা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, জন্মের পর দ্রুত এসব রোগ শনাক্ত করা গেলে শিশুদের স্থায়ী মস্তিষ্কের ক্ষতি, প্রতিবন্ধকতা বা মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক কমানো সম্ভব।

৫ ঘন্টা আগে
ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসী
শ্রম আইন লঙ্ঘনে ৭২০০-এর বেশি ওয়ার্ক ভিসা বাতিল করল সৌদি আরব

শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সাত হাজার ২০০-এর বেশি ওয়ার্ক ভিসা বাতিল করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে অভিযুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়।   মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে পরিচালিত বিশেষ অভিযান ও ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে প্রায় ৯১ হাজার সন্দেহভাজন ঘটনার তদন্ত করা হয়। এতে ১৩ হাজার ৫০৯টি অবৈধ কর্মসংস্থানের তথ্য শনাক্ত হয়। পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়ার্ক ভিসা বাতিলের পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন সেবাও সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।   এছাড়া সৌদির কর্মসংস্থান কর্মসূচি ‘নিতাকাত’ থেকেও অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাদ দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের শুরু থেকে বেসরকারি খাতে পরিচালিত পরিদর্শনে প্রায় এক লাখ ৬৮ হাজার শ্রম আইন লঙ্ঘনের ঘটনাও শনাক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।   শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, কর্মী নিয়োগকারী বিভিন্ন এজেন্সির বিরুদ্ধেও তিন হাজার ৫২২টি নিয়মভঙ্গের অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধভাবে গৃহকর্মী নিয়োগের প্রচারণা চালানোর দায়ে ২৩৮টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।   সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শ্রমবাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং মানব পাচার প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

আক্তারুজ্জামান মে ১৫, ২০২৬

ছবি : সংগৃহীত
টানা কমছে স্বর্ণের দাম, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিজনিত মূল্যস্ফীতির আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম টানা চতুর্থ দিনের মতো কমেছে। একইসঙ্গে বিনিয়োগকারীদের নজর রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠক পরবর্তী প্রভাবের দিকে। যদিও দুই দেশ বড় কোনো চুক্তির ঘোষণা দেয়নি।   শুক্রবার (১৫ মে) দ্বিতীয় দফায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ২.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৫৫১.৮১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অপরদিকে জুন মাসের ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার ২.৮ শতাংশ কমে ৪,৫৫৬.৪০ ডলারে নেমেছে। এদিকে বাংলাদেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনটি। শুক্রবার (১৫ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। ছবি : সংগৃহীত
হামের সংক্রমণ ও মৃত্যু রোধে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার

হামের সংক্রামণ ও মৃত্যু ঠেকাতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, রোগীদের সেবা নিশ্চিত করাসহ দালালের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।’ শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে রাজধানীর মহাখালী ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘এখন হামের চেয়ে বেশি দেখা দিয়েছে নিউমোনিয়া। সংক্রামণ এবং মৃত্যু ঠেকাতে সরকার দ্রুত হামের টিকা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে টিকার সুফল পেতে সময় লাগছে।’ তিনি বলেন, ‘রুটিন ওয়ার্ক হিসেবে প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করছি। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, রোগীদের সেবা নিশ্চিত করা এবং দালালের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে নিয়মিত তদারকি করছি।’ স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পরিস্থিতি অবনতি হলে বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো হবে। হাসপাতালের প্রয়োজনে যে কোনো যন্ত্রাংশ সরবরাহ করা হবে। যেসব হাসপাতালে ভেন্টিলেশন সংকট ছিল, সেই জায়গাগুলোতে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।’  

ছবি: সংগৃহীত
টাঙ্গাইলে শিশুকে ভুল টিকা প্রয়োগ: হাইকোর্টের তীব্র উদ্বেগ, তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক শিশুকে ভুল করে হামের টিকার পরিবর্তে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন দেওয়ার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন এবং ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিচারপতি আহমেদ সোহেলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পাশাপাশি শিশুটির যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।   আদালত ভুক্তভোগী পরিবারকে কেন ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না—এ বিষয়ে রুল জারি করেছেন।   ঘটনাটি ঘটে বুধবার (১৩ মে) দুপুরে। রিট আবেদনে বলা হয়, ৩৪ মাস বয়সি এক শিশুকে হামের টিকার বদলে ভুলক্রমে দুই ডোজ র্যাবিক্স ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। পরে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।   শিশুটির পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, টিকা প্রদান করেন স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম। তবে দায়িত্বে থাকা আরেক স্বাস্থ্য পরিদর্শক নুরুল ইসলাম নুরু বিষয়টির সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন বলে জানা যায়।   এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান আজাদের নির্দেশে পিআরএলে থাকা এক কর্মীকে ডেকে এনে টিকা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছে পরিবার।   ভুল টিকা প্রয়োগের ঘটনায় প্রতিবাদ করলে হাসপাতালের কিছু কর্মীর অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীরা। এতে হাসপাতালে উপস্থিত অন্যান্য অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়।   রিটকারীর আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব জানান, আদালত শিশুটির চিকিৎসা নিশ্চিতের পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত রুল জারি করেছেন।   স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পুরো ঘটনা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক পর্যায়ে নজরদারি চলছে।

যুদ্ধজাহাজের পুরোনো ছবি
হরমুজের পথে ফ্রান্সের যুদ্ধজাহাজ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ফ্রান্স তাদের বিমানবাহী রণতরী শার্ল দ্য গোলকে হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি এলাকায় পাঠাচ্ছে। ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি অ্যালিস রুফো শুক্রবার ফরাসি সংবাদমাধ্যম বিএফএমটিভিকে বলেন, যুদ্ধজাহাজটি আরব সাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে ওই অঞ্চলে পৌঁছে গেছে।   তিনি বলেন, এটি আরব সাগরের দিকে এগোচ্ছে, ইতোমধ্যে এলাকায় রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকেই উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়ে যায়। এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের লক্ষ্য করে পাল্টা পদক্ষেপ নেয়। একই সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় হরমুজ প্রণালি। পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনা স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ান। এদিকে ১৩ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে ইরানি সামুদ্রিক চলাচল লক্ষ্য করে নৌ অবরোধ কার্যকর করছে। এ নিয়ে প্রায় ছোটখাটো সংঘাত লেগেই রয়েছে।

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আরাগচির
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১৫, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা ‘পরস্পরবিরোধী বার্তা’ চলমান আলোচনাকে জটিল করে তুলছে।   শুক্রবার (১৫ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রচারিত বক্তব্যে আরাগচি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট বিঘ্নের জন্য ইরান দায়ী নয়। তিনি দাবি করেন, তেহরান যুদ্ধ শুরু করেনি; বরং তারা কেবল আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর’ জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রয়েছে। তবে সেগুলোকে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে চলতে হবে। এই পথ কেবল ইরানের ‘শত্রুদের’ জন্য বন্ধ রয়েছে। এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেয়ি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু রহস্যময় বার্তা পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি একটি প্রাচীন আরবি প্রবাদ উদ্ধৃত করে লেখেন, ‘যে গোপনে বিশ্বাসঘাতকতা করে, সে প্রকাশ্যেই উন্মোচিত হবে।’ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির এক কঠোর মন্তব্যের পর তার এমন বার্তা এসেছে। তবে বার্তায় কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী হামলার সময় তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি গোপন সফর করেছিলেন। এরপরই আরাগচি বলেন, ইরানের মহান জনগণের সঙ্গে শত্রুতা করা এক ধরনের বোকামি। আর এ কাজে ইসরায়েলের সঙ্গে যোগসাজশ ক্ষমার অযোগ্য। যারা বিভেদ তৈরিতে ইসরায়েলের সহযোগী হবে, তাদের জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে।

নতুন তেল পাইপলাইন নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে আমিরাত। ছবি : সংগৃহীত
হরমুজ নির্ভরতা কমাতে নতুন তেল পাইপলাইন নির্মাণে আমিরাত
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১৫, ২০২৬

হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমাতে নতুন তেল পাইপলাইনের নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। দেশটির সরকার জানিয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে তেল রপ্তানির সক্ষমতা দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।   শুক্রবার (১৫ মে) রয়টার্সের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ এক বৈঠকে আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানিকে (এডনক) ওয়েস্ট-ইস্ট পাইপলাইন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে পাইপলাইনটির নির্মাণকাজ চলছে এবং এটি ২০২৭ সালে চালু হওয়ার কথা রয়েছে। বর্তমানে আমিরাতে বিদ্যমান আবুধাবি ক্রুড অয়েল পাইপলাইন (এডিসিওপি) প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৮ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করতে পারে। ওমান উপসাগরীয় উপকূল দিয়ে সরাসরি তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে সৌদি আরব ও আরব আমিরাত দুটি দেশেরই হরমুজ প্রণালির বাইরে পাইপলাইনের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল রপ্তানির সুযোগ আছে। উল্লেখ্য, ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের জবাবে ইরান প্রণালিটি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে বিশ্বে সরবরাহ হওয়া মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন ব্যাহত হয়। কুয়েত, ইরাক, কাতার ও বাহরাইন প্রায় পুরোপুরি হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় দেশগুলো বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়েছে। সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামও বেড়েছে। এতে বিভিন্ন দেশ জ্বালানি মজুত শুরু করেছে এবং মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কাও বাড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ছবি : সংগৃহীত
চীন সফরে ট্রাম্পের অর্জন কী
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১৫, ২০২৬

চীনে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্র ফিরে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের এই সফর তার দ্বিতীয় মেয়াদের ক্ষমতায় আসার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সফর শেষে ট্রাম্প কী নিয়ে ফিরলেন সেটিই বোঝার চেষ্টা করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল জাজিরা।   শুক্রবার (১৫ মে) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প চেয়েছিলেন ইরানের তেল ও গ্যাসের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন যেন তেহরানের ওপর নিজেদের প্রভাব খাটায়। তার ধারণা ছিল, বেইজিংকে চাপ দিয়ে ইরানকে আবার আলোচনার টেবিলে আনা যেতে পারে। এমনকি হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে পরিচালিত কার্যক্রমেও চীনকে যুক্ত করা সম্ভব হতে পারে বলে তিনি মনে করেছিলেন। গত রাতে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও দ্রুত এই যুদ্ধের অবসান চান বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করেছে। বেইজিংয়ের বক্তব্য, এই যুদ্ধ কখনোই শুরু হওয়া উচিত ছিল না এবং আর সংঘাত নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমেই সমাধানে পৌঁছানো দরকার। চীন সফর শেষে ট্রাম্প আশা করছেন, বেইজিং হয়তো ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা আলোচনায় ভূমিকা রাখবে। তবে বাণিজ্য ইস্যুর মতো এখানেও এখন পর্যন্ত এমন কোনো লিখিত সমঝোতা নেই, যা থেকে বোঝা যায় চীন সরাসরি মধ্যস্থতায় নামছে। যদিও এই সফরে ট্রাম্পকে বিশেষ সম্মান দেখিয়েছে চীন। প্রেসিডেন্টের জন্য ছিল ব্যতিক্রমধর্মী আতিথেয়তা। তিনি সফর শেষ করেছেন ঝংনানহাই কমপ্লেক্সে, যা চীনের ক্ষমতার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। অত্যন্ত গোপনীয়, রহস্যময় এবং বিশ্বের সবচেয়ে কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত স্থাপনাগুলোর একটি এই কম্পাউন্ডে বসবাস করেন শি জিনপিং এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতারা। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির বাইরের খুব কম মানুষই সেখানে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং নেদারল্যান্ডসের রাজা। ট্রাম্পকে সম্মানিত ও গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করানো ছিল চীনের বৃহত্তর কৌশলের অংশ। ভবিষ্যৎ সম্পর্কের পরিবেশ তৈরি করতেই এমন আয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। চীনের সরকারি সামাজিক মাধ্যমগুলোতে এই সফরকে ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরা হলেও বিস্তারিত খুব কমই জানানো হয়েছে। অবশ্য এটিই চীনের স্বাভাবিক কূটনৈতিক ধরন। শি জিনপিং সাধারণত খুব বেশি তথ্য প্রকাশ করেন না। বেইজিংয়ের দৃষ্টিতে এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলা। সাম্প্রতিক উত্তেজনা ও বৈরিতা কমিয়ে আগামী তিন বছরের জন্য একটি নতুন কাঠামো তৈরি করার চেষ্টা করেছে চীন। জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য তদারকির জন্য একটি বোর্ড অব ট্রেড গঠনের বিষয়েও আলোচনা করেছে। তবে এ নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তা সত্ত্বেও, ট্রাম্প মনে করছেন তিনি এই সফরে নিজের অনেক লক্ষ্য পূরণ করতে পেরেছেন। তিনি চীনের কাছে আরও বিমান বিক্রির বিষয়টি জোর দিয়ে তুলেছেন। ট্রাম্পের দাবি, বোয়িং দুইশ উড়োজাহাজ সরবরাহের একটি চুক্তি পেতে যাচ্ছে। এছাড়া আগামী তিন বছরে চীনে আরও বেশি কৃষিপণ্য রপ্তানির আশাও করছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে কয়েক বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব অর্জন ট্রাম্পের জন্য বড় সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, চীনের বাজার আরও উন্মুক্ত করার বিষয়েও অগ্রগতি হয়েছে। এ কারণেই সফরে তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক বড় কোম্পানির প্রতিনিধিরাও ছিলেন। সব মিলিয়ে, চীনে প্রায় চল্লিশ ঘণ্টার সফরকে সফল বলেই মনে করছেন ট্রাম্প। তবে এটিই দুই নেতার শেষ বৈঠক নয়। চলতি বছরে আরও অন্তত তিনটি বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হবে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ফাঁকে, আর সেপ্টেম্বরে ওয়াশিংটন ডিসিতে শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য রাষ্ট্রীয় সফর।

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল। ছবি: এআই জেনারেটেড
বারমুডার ‘রহস্য’ উন্মোচন, গবেষণায় মিলল অবিশ্বাস্য তথ্য
মারিয়া রহমান মে ১৫, ২০২৬

দশকের পর দশক ধরে ভূতত্ত্ববিদদের ভাবিয়ে তুলেছে আটলান্টিক মহাসাগরের এক রহস্যময় ধাঁধা। আশপাশের সমুদ্রতলের তুলনায় বারমুডা দ্বীপ এত উঁচুতে অবস্থান করছে কেন, যদিও এর আগ্নেয়গিরিগুলো ৩ কোটিরও বেশি বছর ধরে নিস্তব্ধ? অবশেষে, এই রহস্যের সমাধান খুঁজে পেয়েছেন বলে মনে করছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা। আর সেই উত্তর লুকিয়ে আছে দ্বীপটির গভীর ভূগর্ভে। গবেষণায় জানা গেছে, বারমুডা এমন এক ধরনের ভূতাত্ত্বিক গঠনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যা পৃথিবীর আর কোথাও দেখা যায়নি। কার্নেগি সায়েন্সের ভূকম্পবিদ উইলিয়াম ফ্রেজার এবং ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের জেফ্রি পার্কের নেতৃত্বে পরিচালিত নতুন গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। হাওয়াইয়ের মতো বেশিরভাগ আগ্নেয় দ্বীপমালা বিজ্ঞানীদের ভাষায় ‘ম্যান্টল প্লুম’-এর ওপর গঠিত হয়। এটি হলো পৃথিবীর গভীর ম্যান্টল স্তর থেকে উঠে আসা উত্তপ্ত ও হালকা শিলার এক বিশাল স্তম্ভ। এই গরম পদার্থ ওপরের দিকে ধাক্কা দিতে থাকলে আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয় এবং সমুদ্রতলও ফুলে ওঠে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে টেকটোনিক প্লেটগুলো যখন ওই প্লুম থেকে সরে যায় এবং আগ্নেয় কার্যকলাপ ধীরে ধীরে কমে আসে, তখন সাধারণত এই স্ফীত সমুদ্রতল আবার নিচে নেমে যায়। কিন্তু বারমুডার ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। কার্নেগি সায়েন্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বারমুডা এখনও একটি বিস্তৃত স্ফীত অঞ্চলের ওপর অবস্থান করছে, যা আশপাশের সমুদ্রতলের তুলনায় প্রায় ১ হাজার ৬০০ ফুট উঁচু। এই রহস্য অনুসন্ধানে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্ট বড় ভূমিকম্প থেকে উৎপন্ন ভূকম্পীয় তরঙ্গ ব্যবহার করেন ফ্রেজার ও পার্ক। এই তরঙ্গ পৃথিবীর ভেতর দিয়ে চলার সময় যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, সেগুলোর ঘনত্ব ও গঠনের ওপর নির্ভর করে কখনও দ্রুত, কখনও ধীরগতিতে অগ্রসর হয়। বারমুডার একটি ভূকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকরা দ্বীপটির নিচে প্রায় ২০ মাইল গভীর পর্যন্ত পৃথিবীর অভ্যন্তরের একটি চিত্র তৈরি করতে সক্ষম হন। তারা সমুদ্রীয় ভূত্বকের ঠিক নিচে ১২ মাইলেরও বেশি পুরু একটি শিলাস্তর খুঁজে পান। এই শিলার ঘনত্ব আশপাশের ম্যান্টলের তুলনায় কম, ফলে এটি অস্বাভাবিকভাবে ভাসমান। নিচ থেকে কোনো প্লুম ওপরে ঠেলে দেওয়ার পরিবর্তে, এই হালকা শিলাস্তর অনেকটা ভেলার মতো কাজ করছে, যা সমুদ্রতল ও বারমুডাকে ভাসিয়ে রাখতে সহায়তা করছে। গবেষকদের ধারণা, ‘আন্ডারপ্লেটিং’ নামে পরিচিত এই স্তরটি বারমুডার কয়েক কোটি বছর আগের আগ্নেয় অতীতের সময় গঠিত হয়েছিল। তখন কার্বনসমৃদ্ধ গলিত ম্যান্টল শিলা ভূত্বকের নিচের অংশে প্রবেশ করে সেখানেই ঠান্ডা হয়ে জমাট বেঁধে যায়। এই পদার্থের উৎস সম্ভবত পৃথিবীর গভীরে কয়েকশ কোটি বছর আগের, যখন সুপারমহাদেশ প্যাঞ্জিয়া গঠিত হচ্ছিল। আবিষ্কারের গুরুত্ব সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ফ্রেজার বলেন, ‘বারমুডা গবেষণার জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি স্থান। কারণ এর বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য ম্যান্টল প্লুম মডেলের সঙ্গে মেলে না, যা সাধারণত গভীরের পদার্থকে ভূপৃষ্ঠে নিয়ে আসার প্রচলিত ব্যাখ্যা।’ ‘আমরা এখানে ঘন আন্ডারপ্লেটিং দেখতে পেয়েছি, যা অধিকাংশ ম্যান্টল প্লুম অঞ্চলে দেখা যায় না। সাম্প্রতিক ভূ-রাসায়নিক পর্যবেক্ষণের সঙ্গে মিলিয়ে এটি ইঙ্গিত দেয় যে পৃথিবীর ম্যান্টলের ভেতরে আরও কিছু প্রবাহগত প্রক্রিয়া রয়েছে, যেগুলো এখনো পুরোপুরি বোঝা যায়নি।’ প্রসঙ্গত, ফ্লোরিডা, বারমুডা এবং পুয়ের্তো রিকোর মধ্যবর্তী অঞ্চলে জাহাজ ও উড়োজাহাজের রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাগুলোর কারণে ব্যাপকভাবে পরিচিতি পায় বারমুডা ট্রায়াঙ্গল। আর এই রহস্যকে আরও উসকে দিয়েছে এসব ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্যকর সংবাদ এবং বিভিন্ন লোককথা। যদিও বিভিন্ন মিথ বা প্রচলিত ধারণা এসবের পেছনে অলৌকিক শক্তির ইঙ্গিত দেয়, তবে বিজ্ঞানীদের মতে এই ঘটনাগুলোর মূল কারণ হলো ওই অঞ্চলের অত্যধিক যানচলাচল, গালফ স্ট্রিমের মতো চরম প্রতিকূল আবহাওয়া এবং মানুষের ভুল। সূত্র: এনডিটিভি

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
বিশ্ব
অর্থনীতি