সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
নির্মাণ পরিকল্পনা অনুমোদন ৩০ কর্মদিবসে আনার উদ্যোগ রাজউকের

নির্মাণ পরিকল্পনা অনুমোদনের সময়সীমা ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম।   বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে রাজউকের সঙ্গে রিহ্যাবের উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।   তিনি বলেন, সেবা সহজীকরণ ও হয়রানি কমাতে নির্মাণ পরিকল্পনা অনুমোদনের সময়সীমা ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, আবাসন খাতে শেয়ারভিত্তিক ব্যবসা পরিচালনার জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। যা খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।   তিনি বলেন, এছাড়া ভবন নির্মাণ শেষে অকুপেন্সি সার্টিফিকেট দেওয়ার দায়িত্ব রিহ্যাবকে অর্পণের বিষয়টিও ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যেন যোগ্য ও নিয়ম মেনে নির্মিত ভবনের সনদ প্রদান প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, কার্যকর ও অংশীদারিত্বমূলক করা যায়।

১৫ মিনিট আগে
অনিয়মের অভিযোগে বরখাস্ত কুবি রেজিস্ট্রার হাইকোর্টের আদেশে পুনর্বহাল

আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত মজিবুর রহমান মজুমদার রেজিস্ট্রার পদে ফিরেছেন। অভিযোগের তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে হাইকোর্টের সর্বশেষ স্থগিতাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে পুনরায় দায়িত্ব পালনের অনুমতি দিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) প্রশাসন।   গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার দলিলুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। চিঠিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে রেজিস্ট্রার (সাময়িক বরখাস্ত) মজিবুর রহমান মজুমদারের আবেদন এবং হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে রেজিস্ট্রার পদে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।   তবে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এক কর্মকর্তাকে পুনরায় একই পদে যোগদানের অনুমতি দেওয়ায় চলছে সমালোচনা।   কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন মজিবুর রহমান মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানোগ্রাম ও জাতীয় বেতন স্কেল-২০০৯ অনুযায়ী রেজিস্ট্রার পদটি তৃতীয় গ্রেডভুক্ত। কিন্তু অর্গানোগ্রাম সংশোধন ছাড়াই দ্বিতীয় গ্রেডে পদোন্নতি গ্রহণ করেন তিনি। এই প্রক্রিয়ায় নিজের পদোন্নতির ফাইলে নিজেই স্বাক্ষর করেন। একই সঙ্গে পদোন্নতি-সংক্রান্ত রিভিউ কমিটির সদস্য সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। অথচ প্রশাসনিক বিধান অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি নিজের নিয়োগ, পদোন্নতি বা তদন্ত-সংক্রান্ত কমিটির সদস্য হতে পারেন না। এ ছাড়া শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে দুটি বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের তথ্য উঠে আসে। অডিট মেমো-১০ অনুযায়ী, তৃতীয় গ্রেডের পরিবর্তে দ্বিতীয় গ্রেডের বেতন-ভাতা গ্রহণের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ লাখ ২৭ হাজার ৯৮০ টাকার ক্ষতি হয়েছে, যা ফেরতযোগ্য।   অডিট মেমো-১১তে শিক্ষা ছুটির চুক্তিপত্র ও নীতিমালা লঙ্ঘন করে পিএইচডি সম্পন্ন না করেই চাকরিতে যোগদান এবং ছুটিকালীন বেতন-ভাতা নেওয়ায় আরও ২০ লাখ ১৪ হাজার ১৪০ টাকা ক্ষতির তথ্য উঠে আসে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ছুটি নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষা ছুটি অসম্পূর্ণ রেখে যোগদান করলে ছুটিকালীন বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার বিধান থাকলেও তা পরিশোধ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এসব ঘটনায় ২০২৫ সালের ৩ মার্চ তাঁকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়ে তদন্ত করা হয়। পরে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।   জানা যায়, বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর অফিস আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন করেন মজিবুর রহমান। এর পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত বাধ্যতামূলক ছুটির আদেশের ওপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ দেন। পরে আদালত তাঁর পক্ষে রায় দিলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন না বলে জানা যায়। পরে তিনি পুনরায় উচ্চ আদালতে রিট করে স্থগিতাদেশ নিয়ে আসেন।   আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, তিনি হাইকোর্ট থেকে রায় নিয়ে এলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চাইলে ওই রায়ের বিরুদ্ধে পুনরায় আপিল করতে পারে। তবে পুনরায় আপিল না করা এবং কোন বিবেচনায় তাঁকে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।   উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল বলেন, মজিবুর রহমান এর আগেও দুই দফা হাইকোর্টের রায় নিয়ে এসেছেন। সর্বশেষ হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁকে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

২৮ মিনিট আগে
ইউক্রেনের জন্য প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ন্যাটোর ৪ দেশ

রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদার করতে যুক্তরাষ্ট্রের নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সরাসরি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র কেনার ঘোষণা দিয়েছে ন্যাটোর চার সদস্য দেশ।   কানাডা, ডেনমার্ক, জার্মানি ও নরওয়ে যৌথভাবে এ উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি নরওয়ে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে অতিরিক্ত ৩০ কোটি ৭০ লাখ ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে।   নরওয়ের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। তাই দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করতে যেসব দেশের কাছে ইতোমধ্যে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, সেখান থেকেও তা সংগ্রহ করে ইউক্রেনকে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।   নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইউনাস গার স্তোরে বলেন, ইউক্রেন অধিকাংশ ড্রোন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম হলেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর সক্ষমতা আরও বাড়ানো জরুরি। এটিই এখন ইউক্রেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন।   আঙ্কারায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের পর স্তোরে বলেন, ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে নরওয়ে অতিরিক্ত অর্থায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।   সূত্র : সিএনএন

৩২ মিনিট আগে
ভরাডুবির পর দেশে ফিরলেন শুধু ব্রাজিলের একজন খেলোয়াড়

বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নেওয়ার পর ব্রাজিল দলে নেমেছে ভিন্ন এক বাস্তবতা। নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার পর সেলেসাওদের বহনকারী বিমান ব্রাজিলে ফিরলেও ২৬ সদস্যের স্কোয়াড থেকে দেশে ফিরেছেন মাত্র একজন ফুটবলার।   ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফ্লামেঙ্গোর ডিফেন্ডার দানিলো লুইজই ছিলেন একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) চার্টার্ড বিমানে দেশে ফেরেন। দলের বাকি খেলোয়াড়রা যুক্তরাষ্ট্র থেকেই নিজ নিজ ক্লাব কিংবা ব্যক্তিগত ছুটির গন্তব্যে চলে যান।   রিও ডি জেনিরোতে বিমান অবতরণের প্রায় দুই ঘণ্টা পর প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। দানিলোর সঙ্গে ছিলেন সিবিএফের নির্বাহী সমন্বয়ক রদ্রিগো কায়েতানো এবং টেকনিক্যাল কোঅর্ডিনেটর হুয়ান। তবে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের হতাশায় দানিলো গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।   এদিকে দলের ব্যর্থতার পরও কোচ কার্লো আনচেলত্তির প্রতি আস্থা রেখেছে সিবিএফ। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে কায়েতানো জানান, কোচিং স্টাফের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই নতুন বিশ্বকাপ চক্রের পরিকল্পনা শুরু করা হবে।   তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। ফলাফল অবশ্যই প্রত্যাশিত হয়নি, তবে অনেক তরুণ খেলোয়াড় এই টুর্নামেন্টে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে। সেই অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখেই আগামী সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের প্রীতি ম্যাচগুলোর প্রস্তুতি শুরু করব।’   শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নেওয়াকে হতাশাজনক উল্লেখ করে কায়েতানো বলেন, ‘আমরা অবশ্যই আরও অনেক দূর যাওয়ার আশা করেছিলাম। তবে সামগ্রিকভাবে গত এক বছর চার মাসের কাজকে ইতিবাচক বলেই মূল্যায়ন করছি। যদি তা না হতো, তাহলে আনচেলত্তিকে দায়িত্বে রাখা হতো না।’   বিশ্বকাপ-পরবর্তী বিরতি শেষে আগামী সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে নতুন অধ্যায় শুরু করবে ব্রাজিল। সেই ম্যাচ থেকেই ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে হাঁটবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

৩৩ মিনিট আগে
বগুড়ায় হবে সামরিক ড্রোন কারখানা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জাতীয়
বগুড়ায় হবে সামরিক ড্রোন কারখানা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ৩ বাহিনীর জন্য বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বৃহত্তর বগুড়াতে মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। উন্নত ও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক নজরদারী প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে সামারিক বাহিনীর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।   বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপির প্রশ্নে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে সভাপতিত্ব করেন।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আগামী ১০ বছরে ৮৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে। জাতীয় প্রতিরক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। নৌবাহিনীর জন্য আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ এবং সাবমেরিন সংযোজন করা হবে।   প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সামরিক শিল্পাঞ্চল (ডিআইজি) স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।   অধিকতর উন্নত সামরিক প্রযুক্তি, ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেছেন, বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নের কার্যক্রমও চলছে। নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীন সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তিন বছর এবং সাত বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ০৮, ২০২৬

সংগৃহীত ছবি
ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছাড়লেন জাবের-জুমার

ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী পরিচালক ও বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল জাবের এবং সংগঠনটির বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ফাতিমা তাসনিম জুমা দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।   বুধবার রাতে পৃথক পৃথক ফেসবুক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তারা। তবে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার ছাড়লেও ইনকিলাব মঞ্চের দায়িত্বে থাকবেন তারা।   শহীদ ওসমান হাদির ওয়ারিশদের দাবির প্রেক্ষিতে এবং বিদ্যমান দলিল-দস্তাবেজের ভিত্তিতে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার দাবিদারদের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন জাবের এবং জুমা।   পোস্টে জাবের লেখেন, ‘শহীদ ওসমান হাদি শাহাদাতের আগে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তবে তা শেষ করে যেতে পারেননি।’ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংগঠনটি ‘জনতার আমানত’ হিসেবে পরিচালিত হওয়ার পরিকল্পনা ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ছয় মাস ধরে ওয়ারিশ-সংক্রান্ত বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করা হলেও পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।   ‘আল্লাহ তায়ালা শহীদ ওসমান হাদীকে যে সম্মান দিয়েছেন, সেই সম্মানের স্বার্থে, তার ওয়ারিশদের দাবির প্রেক্ষিতে ও সমস্ত দলিল-দস্তাবেজ সাপেক্ষে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার দাবিকারীদের নিকট হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে’— পোস্টে উল্লেখ করেন জাবের।   অন্যদিকে  ফাতিমা তাসনিম জুমা ফেসবুক পোস্টে লেখেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তিনি বাংলাদেশপন্থী সংস্কৃতির স্বার্থে ইনকিলাবে যুক্ত হয়েছিলেন। তবে সময়ের সঙ্গে সংগঠনটি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিসরে প্রবেশ করতে শুরু করলে তিনি এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।   জুমা জানান, শহীদ ওসমান হাদির শাহাদাতের পর ওয়ারিশ-সংক্রান্ত জটিলতা সামনে আসে। ট্রাস্ট গঠনের চেষ্টা করা হলেও তা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।    পরবর্তী সময়ে ওয়ারিশ-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে নানা আলোচনা, অপপ্রচার ও মানহানিকর মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে মানসিক চাপে পড়েন।   ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা লেখেন, ‘আল্লাহ তায়ালা শহীদ ওসমান হাদীকে যে সম্মান দিয়েছেন, সেই সম্মানের স্বার্থে তার ওয়ারিশদের দাবির প্রেক্ষিতে ও সমস্ত দলিল-দস্তাবেজ সাপেক্ষে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার দাবিকারীদের নিকট হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’   জুমা আরও জানান, শহীদ ওসমান হাদির শাহাদাতের আগে পরিচালিত অ্যাকাউন্টগুলো ফ্রিজ করা হলেও, এরপর থেকে তার দায়িত্বকালীন সময়ের সেন্টারের সব হিসাব দ্রুত প্রকাশ করা হবে।   ‘ইনকিলাবের প্রতি মানুষের বিশ্বাস ও ভালোবাসার মর্যাদা রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে এবং সংগ্রাম অন্য কোনো মাধ্যমে চলবে’— যোগ করেন ডাকসুর এই নেত্রী।

ছবি: সংগৃহীত
উগ্রবাদী সন্দেহে গ্রেপ্তার দুজন ফের তিন দিনের রিমান্ডে, ৪ জন কারাগারে

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার সন্দেহে গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে দুইজনকে আরও তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে অপর চারজনকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।\   বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালত আগামী ১২ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।   রিমান্ডে পাঠানো দুইজন হলেন শাহ আমানত সাবির ও হোসাইন তানিম। অন্যদিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান ও বায়েজিদকে।   এর আগে গত রোববার গ্রেপ্তারের পর ছয়জনকেই তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক এ বি সিদ্দিক দুই আসামির আরও সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।   শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। তারা আদালতকে জানান, অভিযুক্তরা শিক্ষার্থী এবং পূর্ববর্তী রিমান্ডে তদন্তে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ সময় বিচারক বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে রিমান্ড মঞ্জুর করা হচ্ছে এবং জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের সত্যতা না মিললে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদালতে বিচারক জানতে চাইলে রিমান্ডে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেন রিমান্ডে থাকা এক আসামি।   মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ করা হয়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত রোববার ভোরে যাত্রাবাড়ীর মিনি কক্সবাজার এলাকার একটি মাঠে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তারা সেখানে একটি উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণের জন্য জড়ো হয়েছিল। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে এখনো আদালতে বিচার সম্পন্ন হয়নি।   পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে এবং তদন্ত শেষে আদালতে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

কারবালায় নেওয়ার কথা রয়েছে খামেনির মরদেহ

ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ বুধবার ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফে নেওয়ার পর এবার আরেক পবিত্র শহর কারবালায় নেওয়ার কথা রয়েছে। ছয় দিনব্যাপী শেষকৃত্য কর্মসূচির অংশ হিসেবে কারবালায় শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দাফনের জন্য মরদেহ আবার ইরানে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। খবর রয়টার্সের।   নাজাফে খামেনির কফিনবাহী ট্রাক শহরের প্রধান সড়ক অতিক্রম করার সময় হাজার হাজার মানুষ রাস্তার দুই পাশে জড়ো হয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। অনেকের হাতে ছিল খামেনির প্রতিকৃতি, ইরাক ও ইরানের জাতীয় পতাকা এবং ইরান-সমর্থিত বিভিন্ন শিয়া সংগঠনের ব্যানার। মিছিলজুড়ে ‘যুক্তরাষ্ট্র নিপাত যাক’ ও ‘ইসরায়েল নিপাত যাক’ স্লোগানও শোনা যায়।   এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খামেনির কফিন নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি, সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং ধর্মীয় নেতারা তা গ্রহণ করেন।   ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) শীর্ষ কর্মকর্তারাও নাজাফের শোকানুষ্ঠানে অংশ নেন।   নাজাফের পর খামেনির মরদেহ কারবালায় নেওয়া হবে। শিয়া মুসলিমদের কাছে কারবালা অত্যন্ত পবিত্র একটি শহর। সেখানে ইমাম হুসাইনের (রা.) মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর খামেনির মরদেহ ইরানে ফিরিয়ে নিয়ে দাফন করা হবে।

সংগৃহীত ছবি
আর্জেন্টিনাকে টপকে বিশ্বকাপের মাঝপথে এক নম্বরে ফ্রান্স

মিশরের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেও ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারেনি আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপ চলাকালেই লিওনেল মেসিদের হটিয়ে এক নম্বরে উঠে এসেছে ফ্রান্স।   শেষ ষোলোর ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিদিয়ের দেশমের দল মূল্যবান র‍্যাঙ্কিং পয়েন্ট অর্জন করে। ফলে সামান্য ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে ছাড়িয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে তারা।   সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ফ্রান্সের রেটিং পয়েন্ট ১৯২৫.৮৬, আর আর্জেন্টিনার ১৯২৫.১৫। দুই দলের মধ্যে ব্যবধান মাত্র ০.৭১ পয়েন্ট। ফলে বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলোর ফলাফলের ওপর নির্ভর করে আবারও শীর্ষস্থান বদল হতে পারে।   বিশ্বকাপ শুরুর আগে প্রীতি ম্যাচে স্পেনের ড্র এবং ফ্রান্সের পরাজয়ের সুযোগে র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছিল আর্জেন্টিনা। বর্তমানে ১৯১২.৩৪ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে রয়েছে স্পেন। তিন দলই এবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে।   এদিকে ইতিহাস বলছে, ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপ জেতার নজির এখনো নেই। ১৯৯২ সালে ফিফা র‍্যাঙ্কিং চালুর পর ১৯৯৪ বিশ্বকাপে এক নম্বর দল হিসেবে আসর শুরু করেছিল জার্মানি, কিন্তু তারা বিদায় নেয় কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে। শিরোপা জেতে ব্রাজিল।   এরপর ১৯৯৮, ২০০৬, ২০১০ ও ২০২২ বিশ্বকাপে শীর্ষ র‍্যাঙ্কিং নিয়ে খেলেও শিরোপা জিততে পারেনি ব্রাজিল। একইভাবে ২০০২ সালে ফ্রান্স, ২০১৪ সালে স্পেন এবং ২০১৮ সালে জার্মানিও এক নম্বর দল হিসেবে বিশ্বকাপ শুরু করেও ট্রফি জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেনি।

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
সাজাপ্রাপ্ত বিদেশিদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরাতে নতুন উদ্যোগ ইতালির
আক্তারুজ্জামান জুলাই ০৮, ২০২৬

বিদেশি নাগরিকদের অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইতালি। এক বছরের বেশি কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিদেশি নাগরিকদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে তাদের ইতালীয় নাগরিকত্ব বাতিলের প্রক্রিয়া সহজ করতে একটি নতুন খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করেছে দেশটির ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির দল।   বুধবার (৮ জুলাই) ব্রাদার্স অব ইতালি দলের আইনপ্রণেতারা এ প্রস্তাব প্রকাশ করেন। এতে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরের কোনো দেশের নাগরিক এক বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত হলে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে তাকে নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করা হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি বাধ্যতামূলক হবে না।   প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রত্যাবাসনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সীমিত পরিসরে আপিলের সুযোগ থাকবে। তবে কেউ যদি প্রমাণ করতে পারেন যে নিজ দেশে ফিরে তিনি অমানবিক আচরণ, নির্যাতন বা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে পড়বেন, সেক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারবেন।   খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, প্রত্যাবাসনের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ইতালিতে পুনরায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। পাশাপাশি এমন কিছু অপরাধের তালিকা সম্প্রসারণের প্রস্তাব করা হয়েছে, যেগুলোর ক্ষেত্রে বিদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের ইতালীয় নাগরিকত্ব বাতিলের সুযোগ সৃষ্টি হবে।   এদিকে ক্ষমতাসীন জোটের আরেক শরিক দল ‘দ্য লিগ’ নাগরিকত্ব পাওয়ার শর্ত আরও কঠোর করা এবং নাগরিকত্ব বাতিলের বিধান সহজ করতে পৃথক একটি প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে।   আগামী বছর ইতালিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নেওয়া নতুন ডানপন্থী রাজনৈতিক আন্দোলনের চাপে রয়েছে শাসক জোটের দলগুলো। বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, অভিবাসনবিরোধী অবস্থানের কারণে নতুন রাজনৈতিক শক্তির প্রতি ভোটারদের আগ্রহ বাড়ছে।   সূত্র: রয়টার্স।

ছবি: সংগৃহীত
হরমুজে হামলার অভিযোগে ইরানের সমালোচনায় আমিরাত, চুক্তি লঙ্ঘনের দাবি
আক্তারুজ্জামান জুলাই ০৮, ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাত অভিযোগ করেছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার মাধ্যমে ইরান সাম্প্রতিক সমঝোতা চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে। একই সঙ্গে আমিরাতের দাবি, উত্তেজনা কমানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে তা বাস্তবায়নে তেহরান ব্যর্থ হয়েছে।   মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ। ওই পোস্টে তিনি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের অভিযোগ তুলে ইরানের সমালোচনা করেন।   আমিরাতের দাবি, গত ১৮ জুন স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময় পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের অবরোধ বা বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার কথা ছিল ইরানের। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং বন্দরসংক্রান্ত কিছু অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টি চুক্তিতে উল্লেখ ছিল বলে জানানো হয়।   অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৫ জুলাই হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায় এবং তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের ঘোষণা দেয়।   মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, অভিযানে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো, উপকূলীয় রাডার এবং ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।   এর জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনায় পাল্টা হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।   এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি কার্যত শেষ হয়ে গেছে। অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, সমঝোতা চুক্তি ভেঙে যাওয়ার দায় যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই বর্তায়।   সূত্র : সিএনএন

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে সমর্থন ন্যাটো প্রধানের
আক্তারুজ্জামান জুলাই ০৮, ২০২৬

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক হামলাকে ‘খুবই প্রয়োজনীয়’ বলে মন্তব্য করেছেন ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে। তিনি বলেছেন, বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সব সময় খোলা রাখা জরুরি।   বুধবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনে রুটে অভিযোগ করেন, ইরান সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন করেছে। একই সঙ্গে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, ইরানের কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতা অর্জন করা উচিত নয়।   ন্যাটোভুক্ত কয়েকটি দেশ ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন না দেওয়ায় ওয়াশিংটনের অসন্তোষের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে রুটে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হতাশা কেবল ‘কয়েকটি পৃথক ঘটনার’ মধ্যে সীমাবদ্ধ।   এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে ইরানের ৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে ‘শক্তিশালী’ হামলা চালানো হয়েছে।   জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করে, তারা কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি ইরানের বুশেহর প্রদেশের আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করারও দাবি করেছে বাহিনীটি।   আইআরজিসি জানায়, কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তরসহ মোট ৮৫টি সামরিক স্থাপনা তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল।

কারবালায় নেওয়ার কথা রয়েছে খামেনির মরদেহ
আক্তারুজ্জামান জুলাই ০৮, ২০২৬

ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ বুধবার ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফে নেওয়ার পর এবার আরেক পবিত্র শহর কারবালায় নেওয়ার কথা রয়েছে। ছয় দিনব্যাপী শেষকৃত্য কর্মসূচির অংশ হিসেবে কারবালায় শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দাফনের জন্য মরদেহ আবার ইরানে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। খবর রয়টার্সের।   নাজাফে খামেনির কফিনবাহী ট্রাক শহরের প্রধান সড়ক অতিক্রম করার সময় হাজার হাজার মানুষ রাস্তার দুই পাশে জড়ো হয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। অনেকের হাতে ছিল খামেনির প্রতিকৃতি, ইরাক ও ইরানের জাতীয় পতাকা এবং ইরান-সমর্থিত বিভিন্ন শিয়া সংগঠনের ব্যানার। মিছিলজুড়ে ‘যুক্তরাষ্ট্র নিপাত যাক’ ও ‘ইসরায়েল নিপাত যাক’ স্লোগানও শোনা যায়।   এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খামেনির কফিন নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি, সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং ধর্মীয় নেতারা তা গ্রহণ করেন।   ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) শীর্ষ কর্মকর্তারাও নাজাফের শোকানুষ্ঠানে অংশ নেন।   নাজাফের পর খামেনির মরদেহ কারবালায় নেওয়া হবে। শিয়া মুসলিমদের কাছে কারবালা অত্যন্ত পবিত্র একটি শহর। সেখানে ইমাম হুসাইনের (রা.) মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর খামেনির মরদেহ ইরানে ফিরিয়ে নিয়ে দাফন করা হবে।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
বিশ্ব
অর্থনীতি