সর্বশেষ

সর্বশেষ সংবাদ
আমেরিকার অ‍্যারিজুনার ফিনিক্স শহরে ২ রা/উন্ড গুলিতেই শেষ এক বাংলাদেশি পরিবারের ১৮ বছরের স্বপ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের ফিনিক্স শহরে বন্দুক হামলায় মুহূর্তেই ভেঙে গেল এক বাংলাদেশি পরিবারের ১৮ বছরের স্বপ্ন ও সংগ্রামের গল্প। মাত্র দুই রাউন্ড গুলির শব্দে শেষ হয়ে যায় দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে গড়ে তোলা একটি নিরাপদ ভবিষ্যতের আশা।   পরিবারটি প্রায় ১৮ বছর আগে উন্নত জীবনের স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিল। দীর্ঘ সংগ্রাম, কঠোর পরিশ্রম এবং অসংখ্য ত্যাগের মাধ্যমে তারা ফিনিক্সে ধীরে ধীরে নিজেদের একটি স্থায়ী ঠিকানা গড়ে তুলেছিলেন। ছোট একটি ব্যবসা, সন্তানের পড়াশোনা এবং পরিবারের নিরাপদ ভবিষ্যৎ—সবকিছুই ধীরে ধীরে স্বপ্ন থেকে বাস্তবে রূপ নিচ্ছিল।   কিন্তু হঠাৎ ঘটে যাওয়া বন্দুক হামলা সেই স্বপ্নকে মুহূর্তেই ধ্বংস করে দেয়। স্থানীয় সময় রাতের একটি সহিংস ঘটনায় পরিবারের এক সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন এবং পরে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। মাত্র দুটি গুলিই পুরো পরিবারকে শোক, আতঙ্ক এবং অনিশ্চয়তার গভীর অন্ধকারে ঠেলে দেয়।   স্থানীয় পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। হামলার কারণ, হামলাকারীর পরিচয় এবং এটি পরিকল্পিত ছিল কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সব তথ্য প্রকাশ না হলেও বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও শোক নেমে এসেছে।   প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলছেন, বিদেশের মাটিতে বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করে একটি পরিবার যখন স্থিতি খুঁজে পায়, তখন এমন একটি সহিংস ঘটনা শুধু একটি জীবনই কেড়ে নেয় না—এটি পুরো পরিবারের ভবিষ্যৎ, স্বপ্ন এবং মানসিক নিরাপত্তাকেও ধ্বংস করে দেয়।   ফিনিক্সের বাংলাদেশি কমিউনিটি নিহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। সামাজিক সংগঠনগুলোও সহায়তার উদ্যোগ নিচ্ছে। অনেকেই বলছেন, দুটি গুলির শব্দ শুধু একজন মানুষকে নয়, একটি পরিবারের ১৮ বছরের ইতিহাসকেই থামিয়ে দিয়েছে।

২ ঘন্টা আগে
গরমে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতা এড়াতে করণীয় সহজ কিছু উপায়

দেশজুড়ে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতার ঝুঁকিও বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং শ্রমজীবী মানুষের জন্য এই সময়টি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।   বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রচণ্ড গরমে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হলে হিটস্ট্রোক হতে পারে, যা সময়মতো চিকিৎসা না পেলে প্রাণঘাতীও হতে পারে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত পানি না পেলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়, যা দুর্বলতা, মাথা ঘোরা এবং অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে।   পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি গরমে শরীর সুস্থ রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পর্যাপ্ত পানি পান করা। দিনে অন্তত ৮–১০ গ্লাস পানি পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। পাশাপাশি ডাবের পানি, লেবুর শরবত এবং ওআরএস শরীরের পানিশূন্যতা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।   রোদ এড়িয়ে চলা ও হালকা পোশাক পরা দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সরাসরি রোদে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাইরে বের হলে হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতি পোশাক পরা উচিত, যা শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।   খাবার ও বিশ্রামের প্রতি গুরুত্ব গরমে ভারী ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। বেশি ফলমূল ও পানি সমৃদ্ধ খাবার যেমন শসা, তরমুজ, আনারস খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।   হিটস্ট্রোকের লক্ষণ জানুন হঠাৎ মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত ঘাম, বমি বমি ভাব, শরীর লাল হয়ে যাওয়া বা জ্ঞান হারানোর মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ঠান্ডা স্থানে নিতে হবে এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।   সচেতনতা জরুরি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরমে সচেতনতা ও সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে চললেই হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব। বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষ ও শিশুদের প্রতি বাড়তি নজর রাখা জরুরি। তাদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে, তাই এখন থেকেই সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।

২ ঘন্টা আগে
মঠবাড়িয়ায় ট্রান্সমিটার চুরির চেষ্টায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

  পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার চুরির চেষ্টাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. রাসেল হাওলাদার (৩৬) নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (দিনগত রাত) গভীর রাতে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায়।   নিহত রাসেল হাওলাদার ওই এলাকার দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের মনসুর হাওলাদারের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ১২টার পরে রাসেল বৈদ্যুতিক খুঁটিতে উঠে ট্রান্সমিটার চুরির চেষ্টা করেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং ঘটনাস্থলেই নিচে পড়ে মারা যান। পরদিন সকালে স্থানীয়রা খুঁটির নিচে তার দগ্ধ ও আহত দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।   খবর পেয়ে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।   ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ট্রান্সমিটার চুরির সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েই তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।   এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, বৈদ্যুতিক খুঁটিতে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ চুরির ঘটনা প্রতিরোধে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

২ ঘন্টা আগে
আজ বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস, ম্যালেরিয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে দেশের ১৩ জেলা

দেশে আবহাওয়ার অস্বাভাবিক পরিবর্তন এবং জলবায়ুগত প্রভাবের কারণে মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাচ্ছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ম্যালেরিয়াসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি। বিশেষ করে পার্বত্য ও সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে পরিস্থিতি বেশি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।   স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিসবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ—এই তিন মাসে অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে ৪৬০ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। অর্থাৎ গড়ে প্রতি মাসে ১৫৩ জন এবং প্রতিদিন পাঁচজনের বেশি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।   বর্তমানে বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজারসহ দেশের ১৩টি জেলা ম্যালেরিয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে বান্দরবান, যেখানে প্রথম তিন মাসেই ২১৪ জন শনাক্ত হয়েছেন। রাঙামাটিতে ১৭৯ জন, কক্সবাজারে ৪৯ জন, খাগড়াছড়িতে ১৩ জন এবং চট্টগ্রামে ৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন।   এই বাস্তবতায় আজ (২৫ এপ্রিল) দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস-২০২৬। এবারের প্রতিপাদ্য—“Driven to End Malaria: Now We Can. Now We Must।” প্রতিপাদ্যের মূল বার্তা হলো নতুন প্রযুক্তি, দ্রুত শনাক্তকরণ এবং জরুরি পদক্ষেপের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া নির্মূলে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একসময় ম্যালেরিয়া ছিল বাংলাদেশের অন্যতম বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। তবে সরকারের ধারাবাহিক উদ্যোগ, স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় গত দেড় দশকে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সরকারের লক্ষ্য ২০২৪ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে স্থানীয়ভাবে ম্যালেরিয়া সংক্রমণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা।   তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশে মোট ১০ হাজার ১৬২ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হন এবং ১৬ জনের মৃত্যু হয়। যদিও এই সংখ্যা আগের তুলনায় নিয়ন্ত্রিত, তবুও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নতুন করে ঝুঁকি বাড়ছে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।   তাদের মতে, বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, দীর্ঘসময় পানি জমে থাকা এবং অপরিকল্পিত পরিবেশ ব্যবস্থাপনা—এসব কারণে মশার বংশবিস্তার দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলে ঘন বন, পাহাড়ি জলাধার এবং দুর্গম বসতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।   অন্যদিকে, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যেও ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ও জঙ্গলে চলাচল, অস্বাস্থ্যকর বসবাস এবং চিকিৎসা গ্রহণে অনীহা—এসব কারণে তারা বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত হলেও সময়মতো চিকিৎসা না নেওয়ায় মৃত্যুঝুঁকিও বাড়ছে।   জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু ওষুধ বা চিকিৎসা নয়—মশা নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত কর্মসূচি, উন্নত নগর পরিকল্পনা, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা এবং জনসচেতনতা বাড়ানো ছাড়া ম্যালেরিয়া নির্মূল সম্ভব নয়। তারা বলছেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

৫ ঘন্টা আগে
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক
ইসলামাবাদে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি, দ্বিতীয় দফা শান্তি সংলাপের জোর প্রস্তুতি

দ্বিতীয় দফার গুরুত্বপূর্ণ সংলাপকে সামনে রেখে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। শুক্রবার একটি ছোট প্রতিনিধি দল নিয়ে তিনি ইসলামাবাদে অবতরণ করেন।   বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি। ইরানি প্রতিনিধিদলের সফরকে ঘিরে রাজধানীতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।   ইসলামাবাদে পৌঁছে আরাগচি সরাসরি সেরেনা হোটেলে যান এবং সেখানে ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। ধারণা করা হচ্ছে, আসন্ন সংলাপের কৌশল নির্ধারণেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।   উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। এর পর ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলে প্রথম দফা সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানের পক্ষ থেকে পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ অংশ নেন।   তবে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনার পরও কোনো স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় সেই বৈঠক।   দ্বিতীয় দফার সংলাপ ঘিরে এবার নতুন চিত্র দেখা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, আসন্ন আলোচনায় ভ্যান্স ও ঘালিবাফ—দুজনেই অনুপস্থিত থাকতে পারেন।   এদিকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোন আলাপে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকে পূর্ণ সমর্থন জানানোর কথা জানিয়েছে দোহা। এতে বোঝা যাচ্ছে, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই সংলাপকে ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ২৫, ২০২৬ 0

ছবি: সংগৃহীত
পূর্বধলায় এমপির গাড়িতে হামলা, সংসদে নোটিশ দেওয়ার হুঁশিয়ারি

নেত্রকোনার পূর্বধলায় তেলের পাম্পে জ্বালানি নিতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তাফা। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি সংসদে নোটিশ দেওয়ার পাশাপাশি হামলাকারীদের নাম উল্লেখ করার ঘোষণা দিয়েছেন।   শুক্রবার সন্ধ্যায় শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের গিরিপথ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, এমপির গাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় এবং তাকে কিছু সময়ের জন্য অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।   ঘটনার পর প্রতিক্রিয়ায় মাছুম মোস্তাফা বলেন, একজন সংসদ সদস্যের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে এবং এর পেছনে বিএনপির কর্মীরা জড়িত।   তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি মাগরিবের নামাজ আদায়ের সময় দুর্বৃত্তরা তার গাড়িতে হামলা চালায় এবং মসজিদের দরজা ভাঙারও চেষ্টা করে। পরে তিনি পুলিশ ও জরুরি সেবা নম্বরে যোগাযোগ করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়।   অন্যদিকে, বিএনপির পক্ষ থেকে এ অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু তাহের তালুকদার জানান, তাদের কোনো নেতাকর্মী হামলায় জড়িত নয়। তার দাবি, পাম্প বন্ধ থাকায় এমপির লোকজনের সঙ্গে পাম্প কর্তৃপক্ষের বাকবিতণ্ডা থেকে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।   পুলিশ জানায়, পেট্রোল পাম্পে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে কিছু লোক এমপির গাড়িতে হামলা চালায়। তবে এখনো এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম।   ঘটনার পর এলাকায় পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

ছবি: সংগৃহীত
নাটোরে বাসার টয়লেটে লুকানো ১০৮ লিটার ডিজেল উদ্ধার, জরিমানা

নাটোরের বড়াইগ্রামে একটি ভাড়া বাসার টয়লেট থেকে অবৈধভাবে মজুত রাখা ১০৮ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে র‌্যাব ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ দল।   বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার ধানাইদহ এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুবায়ের জাহাঙ্গীর।   অভিযান সূত্রে জানা যায়, ধানাইদহ সমবায় ফিলিং স্টেশনের পেছনে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন মনমোহন টোব্যাকোর ম্যানেজার সজিব হোসেন। তার বাসার টয়লেটে কনটেইনারে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ১০৮ লিটার ডিজেল পাওয়া যায়।   পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত করার অপরাধে সজিব হোসেনকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।   জব্দ করা ডিজেল তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় কৃষকদের কাছে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে এবং বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।   নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুবায়ের জাহাঙ্গীর বলেন, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ছবি: সংগৃহীত
ন্যাটো ইস্যুতে চাপের মুখেও নিশ্চিন্ত সানচেজ, স্পেনকে বললেন ‘নির্ভরযোগ্য সদস্য’

ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানে অংশ না নেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য শাস্তির হুমকির মুখে পড়লেও স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ জানিয়েছেন, এ নিয়ে তিনি মোটেও উদ্বিগ্ন নন। তিনি স্পেনকে ন্যাটোর একটি ‘নির্ভরযোগ্য সদস্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।   শুক্রবার সাইপ্রাসের নিকোসিয়ায় অনুষ্ঠিত এক শীর্ষ সম্মেলনে সানচেজ বলেন, পেন্টাগনের একটি অভ্যন্তরীণ ইমেইল ঘিরে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, সেটিকে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন না। তার মতে, স্পেন আন্তর্জাতিক আইন মেনেই সব দায়িত্ব পালন করছে।   আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী অভিযানে সহযোগিতা না করা ন্যাটো সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তা করছে ওয়াশিংটন। এমনকি স্পেনকে ন্যাটো থেকে স্থগিত করার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।   তবে এ বিষয়ে সানচেজ স্পষ্ট করে বলেন, ‘স্পেন ন্যাটোর একটি নির্ভরযোগ্য সদস্য এবং আমরা আমাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছি। তাই আমি মোটেও উদ্বিগ্ন নই।’   তিনি আরও বলেন, কোনো অনানুষ্ঠানিক ইমেইলের ভিত্তিতে নয়, বরং আনুষ্ঠানিক নথি ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ঘোষিত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করেই তারা সিদ্ধান্ত নেয়।   সানচেজের ভাষ্য অনুযায়ী, স্পেন জোটের সঙ্গে সহযোগিতায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে সব সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যেই নেওয়া হবে।   উল্লেখ্য, ন্যাটো চুক্তিতে কোনো সদস্য দেশকে স্থগিত বা বহিষ্কারের স্পষ্ট বিধান নেই। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে কয়েকটি ন্যাটো দেশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্পেন, ফ্রান্স ও ইতালি ইরান ইস্যুতে মার্কিন সামরিক কার্যক্রমে সরাসরি সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।   এই প্রেক্ষাপটে জোটের অভ্যন্তরে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় অভিযানে ৫৬ বাংলাদেশিসহ ৬২ অবৈধ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যে বিশেষ অভিযানে ৫৬ জন বাংলাদেশিসহ মোট ৬২ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।   মঙ্গলবার শাহ আলাম ও পুচং এলাকায় ‘অপস মাহির’ নামের সমন্বিত অভিযান চালানো হয়। উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ শিল্প ও লজিস্টিক খাতে অবৈধ শ্রমিক শনাক্তের লক্ষ্যেই এই অভিযান পরিচালিত হয়।   অভিযানে অভিবাসন বিভাগের ৬৬ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। তাদের সঙ্গে সহায়তায় ছিলেন মালয়েশিয়ার জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের (জেপিএন) আরও ১২ জন কর্মকর্তা। অভিযান চলাকালে দুটি প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালিয়ে ১১২ জন কর্মীর কাগজপত্র যাচাই করা হয়।   যাচাই শেষে ৬২ জনকে অবৈধ হিসেবে শনাক্ত করে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৫৬ জন বাংলাদেশি, চারজন নেপালি, একজন ভারতীয় এবং একজন ইন্দোনেশীয় নাগরিক রয়েছেন।   প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা অন্য প্রতিষ্ঠানের নামে ইস্যু করা অস্থায়ী কর্ম ভিসা ব্যবহার করে ভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছিলেন, যা ভিসার অপব্যবহার হিসেবে বিবেচিত। তাদের বিরুদ্ধে বৈধ কাগজপত্র না থাকা, নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান এবং পাসপোর্টের অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে।   অভিবাসন বিভাগ ধারণা করছে, এ ঘটনায় নিয়োগকর্তাদের যোগসাজশসহ একটি বড় চক্র জড়িত থাকতে পারে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।   আটক ব্যক্তিদের সেমেনিহ ইমিগ্রেশন ডিপো ও কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (কেএলআইএ) রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান।   মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, দেশের আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অবৈধ অভিবাসন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম দমনে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: রয়টার্স
ট্রাম্প প্রশাসনের কার্যকারিতায় অসন্তুষ্ট ৫৬% আমেরিকান: ফক্স নিউজ জরিপ
মারিয়া রহমান এপ্রিল ২৫, ২০২৬ 0

ফক্স নিউজের এক জরিপ অনুযায়ী, ৫৬ শতাংশেরও অধিকাংশ ভোটার মনে করেন, ট্রাম্প প্রশাসন সরকার পরিচালনায় দক্ষ ছিল না। বুধবার জরিপটি প্রকাশ পায়। প্রতি ১০ জন রিপাবলিকানের মধ্যে ২ জন এই মতের সঙ্গে একমত। অন্যদিকে, স্বতন্ত্রদের মধ্যে প্রতি ১০ জনে ৭ জন এবং ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে প্রতি ১০ জনে ৯ জন একই মত পোষণ করেন। এ ছাড়া, নন-ম্যাগা রিপাবলিকানদের মধ্যে প্রতি ১০ জনে ৪ জনও এই মতের পক্ষে রয়েছেন। সার্বিকভাবে, ৪৩ শতাংশ মানুষের মতে, হোয়াইট হাউস সরকার পরিচালনায় দক্ষতা দেখিয়েছে। এই ধরনের পরিসংখ্যানকে অস্বাভাবিক বলা যায় না। ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর এই মূল্যায়ন ২০১৫ সালে বারাক ওবামা প্রশাসনের মূল্যায়নের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যখন সর্বোচ্চ ৪৪ শতাংশ মানুষ সরকারকে দক্ষ বলেছিল। একইভাবে, জো বাইডেন প্রশাসনের সাম্প্রতিক মূল্যায়নের সঙ্গেও এটি মিলে যায়, ২০২২ সালে ৩৮ শতাংশ এটিকে দক্ষ বলেছিল, যেটি ২০২১ সালের ৫১ শতাংশ থেকে কম। রিপাবলিকান জরিপকারী ড্যারন বলেন, ‘এটি হোয়াইট হাউসের জন্য খুব সান্ত্বনাদায়ক নাও হতে পারে, তবে ভোটারদের মধ্যে সব প্রেসিডেন্টের প্রতিই কঠোর হওয়ার একটি প্রবণতা দেখা যায়।’ তিনি আরো বলেন, ‘এই পরিসংখ্যান দেখায়, একজন রাষ্ট্রপতির জন্য স্বতন্ত্র ভোটার এবং নিজ দলের সমর্থকদের কাছ থেকেও সমর্থন পাওয়া কতটা কঠিন।’ অভিবাসন ইস্যুতে ৪৬ শতাংশ সমর্থন এবং ৫৪ শতাংশ অসমর্থন পেয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ছাড়া চীন নীতিতে (৪২ শতাংশ সমর্থন, ৫৭ শতাংশ অসমর্থন), পররাষ্ট্রনীতিতে (৪০-৬০), ইরান ইস্যুতে (৩৭-৬৩), অর্থনীতিতে (৩৪-৬৬), সরকারি ব্যয়ে (৩৩-৬৭) এবং মুদ্রাস্ফীতিতে (২৮-৭২) তিনি নেতিবাচক রেটিং পেয়েছেন। তার একমাত্র ইতিবাচক রেটিং এসেছে সীমান্ত সুরক্ষার ক্ষেত্রে, যেখানে ৫৩ শতাংশ সমর্থন এবং ৪৭ শতাংশ অসমর্থন রয়েছে। এই রেটিংগুলোর বেশির ভাগই তার সামগ্রিক কর্মক্ষমতার চেয়ে কম। সামগ্রিকভাবে ৪২ শতাংশ ভোটার তার কাজকে সমর্থন করেন, আর ৫৮ শতাংশ অসমর্থন করেন। গত মাসে (২০-২৩ মার্চ, ২০২৬) এই অনুপাত ছিল ৪১ শতাংশ সমর্থন বনাম ৫৯ শতাংশ অসমর্থন। এ ছাড়াও, মন্ত্রিসভার কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাও নেতিবাচক রেটিং পেয়েছেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের কাজের অনুমোদন ১১ শতাংশ পয়েন্ট কমে ৪৪ শতাংশে নেমেছে, যেখানে ৫৫ শতাংশ অসমর্থন করেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর অনুমোদন ১২ পয়েন্ট কমে ৪৪-৫৬ হয়েছে এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের অনুমোদন ১৭ পয়েন্ট কমে ৪১-৫৮ হয়েছে। নতুন এই জরিপে ভোটারদের প্রেসিডেন্টের বিভিন্ন গুণের ওপর মূল্যায়ন করতে বলা হয়েছে এবং এক্ষেত্রেও ইতিবাচক ফলাফলের চেয়ে নেতিবাচক ফলাফলই বেশি। অর্ধেকেরও বেশি মানুষ বলেছেন, ট্রাম্প তাদের মতো সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না এবং দেশের নেতা হিসেবে কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য তার যথাযথ বিচারবুদ্ধি, মানসিক সুস্থতা ও মেজাজের অভাব রয়েছে। জরিপে দেখা গেছে, ৬০ শতাংশ মানুষের মতে ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সঠিক মেজাজের অভাব রয়েছে। এটি ২০২৪ সালের নির্বাচনের ঠিক আগের সময়ের ৫২ শতাংশ থেকে বেড়েছে, তবে ২০১৬ সালের তার নির্বাচনী প্রচারণার সময়কার অবস্থার সঙ্গে প্রায় মিল রয়েছে। একইভাবে, ৫৭ শতাংশ মানুষ মনে করেন তার সঠিক বিচারবুদ্ধির অভাব রয়েছে। বিপরীতে, প্রায় ৪২ শতাংশ বিশ্বাস করেন তার যথেষ্ট বিচারবুদ্ধি আছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় অপরিবর্তিত এবং ২০১৬ সালের সর্বনিম্ন ৩৬ শতাংশ থেকে কিছুটা উন্নত। দশজনের মধ্যে ছয়জনেরও বেশি বলেছেন, ট্রাম্প সাধারণ মানুষের মতো মানুষদের নিয়ে চিন্তা করেন না। মাত্র ৩৭ শতাংশ মনে করেন তিনি পরোয়া করেন, যা ২০২৪ সালের সর্বোচ্চ ৪৪ শতাংশ থেকে কমেছে। এ ছাড়া, ৫৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, দায়িত্ব পালনের জন্য তার মানসিক সুস্থতা পর্যাপ্ত নয়। ২০২৪ সালের শেষের দিক থেকে এই হার ৭ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে এবং ২০২৩ সালের সর্বোচ্চ ৫৬ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। তুলনামূলকভাবে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যখন জো বাইডেন তার পুনর্নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ করেন, তখন ৬৫ শতাংশ মানুষ বলেছিলেন, তার প্রেসিডেন্ট হওয়ার মতো মানসিক সক্ষমতা নেই। দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জন বা তারও বেশি মনে করেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য ট্রাম্পের প্রয়োজনীয় গুণাবলীর অভাব রয়েছে। বিপরীতে, ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন (এমএজিএ)’ রিপাবলিকানদের মধ্যে প্রতি ১০ জনে অন্তত ৯ জন মনে করেন তার যথাযথ গুণাবলী রয়েছে। তবে এমএজিএ-এর বিরোধী রিপাবলিকানদের মধ্যে এই সমর্থন কমে প্রতি ১০ জনে প্রায় ৬ জন বা তারও কমে নেমে আসে। অন্যদিকে, স্বতন্ত্র ভোটাররা ট্রাম্পকে বিচারবুদ্ধি, মেজাজ, মানসিক সুস্থতা এবং সহানুভূতির ক্ষেত্রে ঘাটতিযুক্ত হিসেবে দেখার প্রবণতা বেশি।

ছবি: সংগৃহীত
শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে ফের পাকিস্তানে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল
আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ২৫, ২০২৬ 0

ইরানের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে আবারও পাকিস্তান যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার শনিবার ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা দেবেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।   স্থানীয় সময় শুক্রবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আলোচনায় অংশ নিতেই তারা পুনরায় পাকিস্তানে যাচ্ছেন এবং পরিস্থিতি ইতিবাচক হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও সফরে যেতে পারেন।   এদিকে একই সময়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যে ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানি প্রতিনিধিরা দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও শান্তি প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করবেন।   তবে ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ইরানের অবস্থান পাকিস্তানের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হবে।   এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, তেহরানের সামনে এখনো একটি ‘ভালো চুক্তি’র সুযোগ রয়েছে, তবে তার জন্য পারমাণবিক কর্মসূচি পরিত্যাগ করতে হবে।   উল্লেখ্য, দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর গত ১১ ও ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রথম দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ সময় আলোচনার পরও কোনো সমঝোতা ছাড়াই তা শেষ হয়।   বর্তমানে দ্বিতীয় দফার আলোচনা সফল করতে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
ন্যাটো ইস্যুতে চাপের মুখেও নিশ্চিন্ত সানচেজ, স্পেনকে বললেন ‘নির্ভরযোগ্য সদস্য’
আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ২৫, ২০২৬ 0

ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানে অংশ না নেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য শাস্তির হুমকির মুখে পড়লেও স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ জানিয়েছেন, এ নিয়ে তিনি মোটেও উদ্বিগ্ন নন। তিনি স্পেনকে ন্যাটোর একটি ‘নির্ভরযোগ্য সদস্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।   শুক্রবার সাইপ্রাসের নিকোসিয়ায় অনুষ্ঠিত এক শীর্ষ সম্মেলনে সানচেজ বলেন, পেন্টাগনের একটি অভ্যন্তরীণ ইমেইল ঘিরে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, সেটিকে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন না। তার মতে, স্পেন আন্তর্জাতিক আইন মেনেই সব দায়িত্ব পালন করছে।   আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী অভিযানে সহযোগিতা না করা ন্যাটো সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তা করছে ওয়াশিংটন। এমনকি স্পেনকে ন্যাটো থেকে স্থগিত করার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।   তবে এ বিষয়ে সানচেজ স্পষ্ট করে বলেন, ‘স্পেন ন্যাটোর একটি নির্ভরযোগ্য সদস্য এবং আমরা আমাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছি। তাই আমি মোটেও উদ্বিগ্ন নই।’   তিনি আরও বলেন, কোনো অনানুষ্ঠানিক ইমেইলের ভিত্তিতে নয়, বরং আনুষ্ঠানিক নথি ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ঘোষিত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করেই তারা সিদ্ধান্ত নেয়।   সানচেজের ভাষ্য অনুযায়ী, স্পেন জোটের সঙ্গে সহযোগিতায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে সব সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যেই নেওয়া হবে।   উল্লেখ্য, ন্যাটো চুক্তিতে কোনো সদস্য দেশকে স্থগিত বা বহিষ্কারের স্পষ্ট বিধান নেই। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে কয়েকটি ন্যাটো দেশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্পেন, ফ্রান্স ও ইতালি ইরান ইস্যুতে মার্কিন সামরিক কার্যক্রমে সরাসরি সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।   এই প্রেক্ষাপটে জোটের অভ্যন্তরে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ছবি: সংগৃহীত
ইসলামাবাদে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি, দ্বিতীয় দফা শান্তি সংলাপের জোর প্রস্তুতি
আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ২৫, ২০২৬ 0

দ্বিতীয় দফার গুরুত্বপূর্ণ সংলাপকে সামনে রেখে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। শুক্রবার একটি ছোট প্রতিনিধি দল নিয়ে তিনি ইসলামাবাদে অবতরণ করেন।   বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি। ইরানি প্রতিনিধিদলের সফরকে ঘিরে রাজধানীতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।   ইসলামাবাদে পৌঁছে আরাগচি সরাসরি সেরেনা হোটেলে যান এবং সেখানে ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। ধারণা করা হচ্ছে, আসন্ন সংলাপের কৌশল নির্ধারণেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।   উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। এর পর ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলে প্রথম দফা সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানের পক্ষ থেকে পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ অংশ নেন।   তবে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনার পরও কোনো স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় সেই বৈঠক।   দ্বিতীয় দফার সংলাপ ঘিরে এবার নতুন চিত্র দেখা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, আসন্ন আলোচনায় ভ্যান্স ও ঘালিবাফ—দুজনেই অনুপস্থিত থাকতে পারেন।   এদিকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোন আলাপে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকে পূর্ণ সমর্থন জানানোর কথা জানিয়েছে দোহা। এতে বোঝা যাচ্ছে, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই সংলাপকে ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার হয়েছে।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

বিশ্ব
অর্থনীতি
সারাদেশ
টেলিকম ও প্রযুক্তি