সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
র‌্যাগিংয়ের ঘটনায় ববির ৪ বিভাগের ৪৮ শিক্ষার্থীর শাস্তি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) নবীন শিক্ষার্থীদের র‌্যাগিং ও আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে চার বিভাগের ৪৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের সভায় অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে শাস্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মঙ্গলবার থেকে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও শিক্ষার্থীদের পৃথক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আবদুল আলিম বছির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের তিন ক্যাটাগরিতে শাস্তি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে এক বছরের একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা জরিমানা, ছয় মাসের একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা।   বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল জানান, শিক্ষার্থীরা যাতে প্রথমবারের ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ পায়, সে জন্য বহিষ্কারের পাশাপাশি জরিমানার বিকল্প রাখা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে একই ধরনের অপরাধ হলে সরাসরি বহিষ্কারাদেশ কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।   শাস্তির আওতায় আসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আইন বিভাগের ৫ জন, মার্কেটিং বিভাগের ১৯ জন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৪ জন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ১০ জন রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে দ্বিগুণ হারে জরিমানা প্রযোজ্য হবে।   বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, র‌্যাগিংয়ের ঘটনায় মোট ৪৮ শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেয়া হয়েছে। ‘র‌্যাগিংয়ের বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। প্রাথমিকভাবে চারটি বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। ওই চার বিভাগের শিক্ষার্থীদের শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।’   আরেকটি বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে শিক্ষার্থীদের নাম উল্লেখ না থাকায় পুনরায় তদন্ত করতে বলা হয়েছে জানিয়ে প্রক্টর বলেন, নামসহ পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

১৪ মিনিট আগে
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৬৩

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৬৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনকে আগের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এছাড়া ৯ জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে বাকি ১৫২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।   বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, মঙ্গলবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।   পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলার বিভিন্ন থানায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসব অভিযান চালিয়ে ১৬৩ জনকে আটক করা হয়।   থানাভিত্তিক অভিযানের মধ্যে সুধারাম মডেল থানায় ২৮ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনকে ৩৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে বাকি ২৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ থানায় তিনজন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ৩৭ জন, সেনবাগ থানায় ৯ জন, চরজব্বর থানায় ৭ জন, সোনাইমুড়ী থানায় ৫ জন এবং কবিরহাট থানায় ৫ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।   এছাড়া হাতিয়া থানায় ৬৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনকে পূর্বের মামলায় গ্রেফতার  পাঁচজনকে ৩৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বাকি ৬২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।   নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

১৮ মিনিট আগে
বরিশালে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ৭ দিনে ৪ জনের মৃত্যু

বরিশালে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে ডেঙ্গু। মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে গত সাত দিনে এই বিভাগে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত প্রায় ১ হাজার ৪০০ রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া রোগীরা এ হিসাবের বাইরে রয়েছেন।   ফলে ডেঙ্গু আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণ করতে পারছে না স্বাস্থ্য বিভাগ। বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত চলতি বছরে বিভাগের সরকারি হাসপাতালগুলোতে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ১১ হাজার ৬৩৭ জন ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১০ হাজার ৯৫০ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬৬৯ জন। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১৮ জন।   পিরোজপুরে বেশি আক্রান্ত বিভাগের মধ্যে ডেঙ্গুর প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে পিরোজপুরে। এরপর রয়েছে ঝালকাঠি, পটুয়াখালী ও বরিশাল। পিরোজপুরে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৯৭০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ হাজার ৮০৫ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৬৪ জন। মারা গেছেন একজন।   ঝালকাঠিতে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ২৩৪ জন। এর মধ্যে ২ হাজার ১৮০ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। মারা গেছেন একজন। পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৭৩৯ জন। ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৬২৫ জন। চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১১৩ জন। মারা গেছেন একজন।   শেবাচিমে মৃত্যু ১৫ বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১৫ জন। হাসপাতালটিতে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত ১ হাজার ২৭৬ জন ভর্তি হয়েছেন। ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ১০৬ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৫৫ জন।   বরিশাল জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে এ পর্যন্ত ১ হাজার ১৭০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৯০ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৮০ জন। গত বছর ডেঙ্গুর প্রকোপে থাকা বরগুনায় এ বছর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৪৫ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৭০ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭৫ জন।   ভোলায় এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭০৩ জন। ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬৭৪ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৯ জন।   সাত দিনে গড়ে ২০০ রোগী ভর্তি বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত সাত দিনে সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সর্বনিম্ন ১৫১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর সর্বোচ্চ ২৫৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে দৈনিক গড়ে প্রায় ২০০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।   পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. রেফায়াতুল হায়দার বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আরও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। আক্রান্তদের চিকিৎসায় কোনো ধরনের ঘাটতি নেই। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।   এদিকে বরিশাল নগরীতে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন কর্মসূচি চালাচ্ছে সিটি করপোরেশন। মশক নিধনে ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি ড্রেন, ডোবা-নালা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুইজন শ্রমিক নিয়ে ৩০টি কমিটি করা হয়েছে। তারা প্রতিদিন নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।   তিনি জানান, প্রতি শনিবার সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের নিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে প্রতিদিন মশক নিধনের ওষুধ ছিটানো হচ্ছে।

২০ মিনিট আগে
কোচের সঙ্গে মতবিরোধে ক্যাম্প ছাড়লেন রোনালদো

উয়েফা নেশনস লিগে ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচের আগে পর্তুগালের ক্যাম্প ছেড়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এ নিয়ে তিনি মুখ খুলেছেন। তার কথায় বিদায়ের সুর পাওয়া গেছে। ক্যাম্প ছাড়ার সিদ্ধান্তের কারণও তিনি যথাসময়ে জানাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।   পর্তুগাল অধিনায়ক নিজের অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্টে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। দলের ঘাঁটি ছাড়ার পর তিনি এটি প্রকাশ করেন। তখন তার ব্যক্তিগত বিমান মাদ্রিদে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।   রোনালদো বিবৃতিতে লিখেছেন, ‘জাতীয় দলের কোচের সংবাদ সম্মেলনের পর এবং পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির সঙ্গে কথা বলার পর আমি জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’   তিনি আরও লিখেছেন, ‘যথাসময়ে আমি সব পর্তুগিজকে সত্যিটা জানাব। কেন আমি সেই জাতীয় দল ছাড়তে গেলাম, যার জন্য আমি সব সময় নিজেকে উজাড় করে দিয়েছি।’   বিবৃতির শেষে পর্তুগাল অধিনায়ক লিখেছেন, ‘পর্তুগাল এবং আমার সব সতীর্থকে, কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই, শুভকামনা জানানোর এটাই সঠিক সময়।’   এর আগে রোনালদো টানা তৃতীয় দিন পর্তুগালের অনুশীলনে অনুপস্থিত ছিলেন। এতে দলের ভেতরের উত্তেজনা আরও বেড়েছে। কোচ জর্জ জেসুস কোপেনহাগেনে ওই অনুশীলনে অধিনায়কের থাকার কথা বলেছিলেন। এর কয়েক মিনিট পরই রোনালদোর না থাকার খবর আসে।   পর্তুগিজ পত্রিকা আ বোলার খবর অনুযায়ী, বুধবার রোনালদো কোপেনহাগেনের পার্কেন স্টেডিয়াম ছেড়ে যান। তিনি পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের একটি গাড়িতে করে বের হন। তখন ফ্রান্সিসকো কনসেইসাওঁ ছাড়া দলের বাকি সবাই মাঠে আসছিলেন।   ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনের কয়েক মিনিট পরই তিনি বের হয়ে যান। সেখানে জেসুস বলেছিলেন, ৪১ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার অনুশীলন করবেন। তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, রোনালদো শুরুর একাদশে নাও থাকতে পারেন।   জেসুস বলেছিলেন, ‘গতকাল সে অনুশীলনে অস্বীকৃতি জানায়নি। ফ্রান্সিসকো কনসেইসাওঁ চোটের কারণে অনুশীলন করেনি। জোয়াও ফেলিক্সের ক্লান্তি কমানোর চেষ্টা করছিলাম, তাই সে করেনি। ক্রিশ্চিয়ানো জিমে কাজ করেছে। আজ সে অনুশীলন করবে। এটি চতুর্থ দিন, তাই সে অনুশীলন করবে।’   একাদশে রোনালদোর ভূমিকা নিয়েও কোচ কথা বলেছেন। তিনি পরিষ্কার করেছেন, একাদশ ঠিক করার শেষ কথা তারই। তিনি বলেছেন, ‘আমি যা খুশি প্রতিশ্রুতি দিতে পারি। আমি কোচ। আমি তাকে বলেছি, সে ম্যাচটি শুরু করবে না। সে থাকবে বদলি বেঞ্চে। ৩০ মিনিটের জন্য দরকার হলে সে খেলবে। দরকার না হলে খেলবে না। কোনো খেলোয়াড় আমার মত বদলাতে পারবে না। সে পারবে না, ফুটবলের অন্য কেউও পারবে না। কোনো সভাপতিও না। এটা কখনো হবে না।’

২২ মিনিট আগে
সংগৃহীত ছবি
জাতীয়
প্রবীণদের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে সরকার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রবীণ নাগরিকদের আর্থিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ জন্য বয়স্ক ভাতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।   বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে বুধবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ‘দীর্ঘায়ুর যুগ: দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে ব্যবস্থাপনায় নতুন ভাবনা’।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতি ও অগ্রগতির ফলে বিশ্বের দেশে দেশে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। দীর্ঘায়ু মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে; একই সঙ্গে দীর্ঘ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও পারিবারিক সহায়তার ব্যবস্থাগুলোকে সময়োপযোগী করে তোলার প্রয়োজনীয়তাও সামনে নিয়ে আসছে।   তিনি বলেন, প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় সরকার সচেতন ও সতর্ক। একটি কল্যাণমুখী ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রবীণ নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, জীবনচক্রের প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার পাশাপাশি প্রবীণ বয়সে নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টি, বয়স্ক ভাতা সম্প্রসারণ এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লিখিত কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের ধারণার আলোকে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা শক্তিশালী করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। প্রবীণদের অবহেলা না করে তাদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রাখা এবং সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে।   দেশের প্রবীণ জনগোষ্ঠীর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বয়স্ক ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি এবং উপকারভোগীর সংখ্যা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী শক্তিশালী করার কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে।   প্রবীণ ব্যক্তিদের পরিবার ও সমাজের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার ওপর দাঁড়িয়েই আজকের বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। তাই একটি কল্যাণমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর প্রতি যত্নশীল দৃষ্টিভঙ্গি অপরিহার্য।   তিনি বলেন, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র- তিন স্তরেই প্রবীণদের প্রতি সম্মান, সহানুভূতি ও দায়িত্বশীলতার চর্চা অব্যাহত রাখা জরুরি। প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রবীণ নাগরিকদের স্বার্থরক্ষায় সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তবে রাষ্ট্র ও সমাজে আবহমান কালের ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ যত বেশি বজায় থাকবে, সমাজে প্রবীণদের যত্ন, সম্মান ও মর্যাদা তত বেশি সুরক্ষিত থাকবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।   আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের এ শুভক্ষণে দেশের সব প্রবীণ নাগরিকের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা তার সরকারের লক্ষ্য, যেখানে বয়সে তরুণ কিংবা প্রবীণ প্রতিটি মানুষ তার সর্বোচ্চ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও পরিপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে।   তিনি ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস, ২০২৬-এর সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ০১, ২০২৬

সংগৃহীত ছবি
অক্টোবরে কোন তেল কত দামে, জানাল মন্ত্রণালয়

অক্টোবর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার। ঘোষণা অনুযায়ী অক্টোবরে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকছে।    সেপ্টেম্বর মাসে নির্ধারিত দামেই আগামী ১ অক্টোবর থেকে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিন বিক্রি হবে।   বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।   প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি হবে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে অক্টোবর ২০২৬ মাসের জন্য এসব মূল্যহার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ফলে সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্য আগামী ১ অক্টোবর থেকেও বহাল থাকবে।   জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. এনামুল হক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের গত ২০ সেপ্টেম্বরের প্রজ্ঞাপনমূলে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ডিজেল ১৩৫.০০ টাকা/লিটার, অকটেন ১৬৫.০০ টাকা/লিটার, পেট্রোল ১৬০.০০ টাকা/লিটার এবং কেরোসিন ১৫৫.০০ টাকা/লিটার-এ নির্ধারণ করা হয়।’   প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ‘যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে উক্ত মূল্যহার অক্টোবর ২০২৬ মাসের জন্য অপরিবর্তিত রাখা হলো অর্থাৎ, সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্যহার আগামী ০১ অক্টোবর ২০২৬ থেকেও বলবৎ থাকবে।’   এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ বেড়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে গত ২০ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হয়।   ওইদিন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. এনামুল হকের সই করা প্রজ্ঞাপনে নতুন দাম জানানো হয়। দাম বাড়ানোর পর ডিজেলের মূল্য প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

ছবি: সংগৃহীত
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রাথমিক কাজ শুরু, সমীক্ষায় ২৩ কোটি টাকার প্রস্তাব

উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের বন্যা, নদীভাঙন ও পানিসংকট মোকাবিলায় আলোচিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রশাসনিক ও কারিগরি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রকল্পের মূল কাজ শুরুর আগে এর কারিগরি ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে প্রায় ২৩ কোটি টাকার একটি সমীক্ষা প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়।   সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষার মাধ্যমে প্রস্তাবিত প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের কারিগরি সক্ষমতা, অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করা হবে। প্রস্তাব অনুমোদনের পর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।   প্রস্তাবিত মহাপরিকল্পনায় তিস্তা নদীর তীর রক্ষা, নদী ড্রেজিং, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি সংরক্ষণ ও নদীশাসনের মতো বিভিন্ন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।   পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ১১০ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৬৭টি গ্রোয়েন বা স্পার নির্মাণ ও সংস্কার এবং প্রায় ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রায় ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ এবং বাঁধের ওপর সড়ক তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।   এ ছাড়া নদীশাসনের মাধ্যমে প্রায় ১৭০ বর্গকিলোমিটার নতুন জমি পুনরুদ্ধার করে কৃষি ও শিল্প খাতে ব্যবহারের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।   বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন বলেন, সমন্বিত এই পরিকল্পনার মাধ্যমে নদী ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি আঞ্চলিক যোগাযোগ ও সেচব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানোর সুযোগ রয়েছে। প্রস্তাবিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও এর ওপরের সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায়ও ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।   নদী বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ এজাজ বলেন, তিস্তার পলি ব্যবস্থাপনা ও নদীর গতিপ্রকৃতি বিবেচনায় নিয়ে ড্রেজিং পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। বুয়েটের পানিসম্পদ কৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আতাউর রহমানও উজান-ভাটির পানিপ্রবাহ এবং অবকাঠামোর নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন।   পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ কে এম সাহাবুদ্দিন জানান, সম্ভাব্যতা সমীক্ষার মাধ্যমে ব্যারেজ, নদীশাসন, ড্রেজিং, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি সংরক্ষণসহ প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের কারিগরি ও অর্থনৈতিক দিক যাচাই করা হবে।   পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার বলেন, প্রস্তাবটি বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে পরবর্তী ধাপে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।   তিস্তা অববাহিকার রংপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন, বন্যা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানিসংকটের মুখোমুখি হয়ে আসছে। এসব সমস্যা মোকাবিলার পাশাপাশি কৃষি, যোগাযোগ ও স্থানীয় অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনার লক্ষ্যেই মহাপরিকল্পনাটি নিয়ে কাজ করছে সরকার।   এর আগে চলতি বছরের জুনে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছিলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে এবং প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বিশেষজ্ঞদের কারিগরি পর্যালোচনা চলছে।   তবে বর্তমানে যে ২৩ কোটি টাকার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, সেটি মূল মহাপরিকল্পনার পূর্ণ বাস্তবায়ন ব্যয় নয়; এটি প্রকল্পের কারিগরি ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রস্তাবিত সমীক্ষার ব্যয়।

সংগৃহীত ছবি
৮১১ রানের মহাকাব্য, ভারতের ঐতিহাসিক জয়

গুয়াহাটিতে রেকর্ডের পর রেকর্ড। বর্ষাপাড়া ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রেকর্ডের বৃষ্টি হয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে একগাদা রেকর্ড গড়ে ৮১১ রানের ম্যাচে ভারতকে জিতিয়েছেন শুবমান গিল।   বুধবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের তিন সেঞ্চুরিয়ানের সৌজন্যে ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪০৫ রান করেছিল। এই রানকেও ছেলেখেলা বানিয়ে ভারত মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ৩৯ বল হাতে রেখে জিতে গেল। ৮ উইকেটের জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ তে নিশ্চিত করে ফেলল স্বাগতিকরা।   আগে ব্যাটিংয়ে নেমে জন ক্যাম্পবেল, শাই হোপ, আমির জাঙ্গু সেঞ্চুরি করেন। তাতে ৭ উইকেটে চারশ পার করে ক্যারিবিয়ানরা। এনিয়ে তৃতীয়বার চারশ রান দিয়েছিল ভারত। কিন্তু যেমন শুরু দরকার, তেমনই করে তারা।   ৭০ বলে দলীয় স্কোর ১০০, ১৩০ বলে দুইশ, আর ১৭৮ বলে তিনশ! গিল ও রোহিত শর্মা ওপেনিংয়ে ২৫৫ রানের জুটি গড়ে দেন। ৭২ বলে সেঞ্চুরি করার তিন বল পর বিদায় নেন রোহিত। তার ১০১ রানের ইনিংসে ছিল ১০ চার ও ৬ ছয়।   নির্ভার থেকে ব্যাটিংয়ে নেমে বিরাট কোহলি ১৯ বলে ২৯ রান করে ফিরে যান। ততক্ষণে ৩২০ রান স্কোরবোর্ডে। হেসেখেলে জিতে যাওয়ার কথা। তবে চ্যালেঞ্জ ছিল গিল দুইশ করতে পারেন কি না। সেটা তিনি করেছেন মাত্র ১১৭ বল খেলে। ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির পর ২২৩ রানে অপরাজিত ছিলেন ভারতের অধিনায়ক।   ৬২ বলে ভারতের অধিনায়ক হিসেবে দ্রুততম সেঞ্চুরি করেছিলেন। এবার রান তাড়ায় নেমে সর্বোচ্চ ইনিংসও খেলেন ডানহাতি ব্যাটার। ১৩৩ বলে ২২৩ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ২৬ চার ও ৮ ছয়। জয়ের বন্দরে পৌঁছানোর সময় গিলের সঙ্গী ছিলেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। ৩১ রানে খেলছিলেন তিনি। ৪৩.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৪০৬ রান করে ভারত।   এর আগে কখনও এত রান তাড়া করে জিততে সফল হয়নি ভারত। সর্বোচ্চ ৩৬০ রানের লক্ষ্য তারা ছুঁয়েছিল। এবার সেটা ছাপিয়ে গেল। এনিয়ে দ্বিতীয়বার চারশর বেশি রান তাড়া করে জেতার ঘটনা ঘটল। ২০০৬ সালে শেষবার ওয়ান্ডারার্সে দক্ষিণ আফ্রিকা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪৩৮ রান করেছিল।

সংগৃহীত ছবি
ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতায় উদ্বেগ, নিন্দা সুইজারল্যান্ডের

অধিকৃত পশ্চিম তীরের জালুদ গ্রামে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের হামলার নিন্দা জানিয়েছে সুইজারল্যান্ড। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতার মাত্রা ‘নজিরবিহীন’ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   সুইস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবার প্রায় ১০০ ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারী জালুদ গ্রামে হামলা চালায়। একই সময়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা ও চলাচলের ওপর বিধিনিষেধও বাড়ছে বলে উল্লেখ করেছে তারা।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সুইস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসরায়েলকে অবশ্যই ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে হবে এবং হামলার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।   মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পশ্চিম তীরে বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতার এমন মাত্রা গ্রহণযোগ্য নয় এবং পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।   সূত্র: আল জাজিরা

জাতীয়

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতায় উদ্বেগ, নিন্দা সুইজারল্যান্ডের
মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

অধিকৃত পশ্চিম তীরের জালুদ গ্রামে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের হামলার নিন্দা জানিয়েছে সুইজারল্যান্ড। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতার মাত্রা ‘নজিরবিহীন’ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   সুইস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবার প্রায় ১০০ ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারী জালুদ গ্রামে হামলা চালায়। একই সময়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা ও চলাচলের ওপর বিধিনিষেধও বাড়ছে বলে উল্লেখ করেছে তারা।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সুইস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসরায়েলকে অবশ্যই ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে হবে এবং হামলার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।   মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পশ্চিম তীরে বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতার এমন মাত্রা গ্রহণযোগ্য নয় এবং পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।   সূত্র: আল জাজিরা

সংগৃহীত ছবি
মোদি-ট্রাম্পের বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা, সামনে এলো যেসব তথ্য
মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফোনে দুই দেশের বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মোদি জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে তার ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। দুই নেতা বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা পর্যালোচনা করেন।   মোদি বলেন, দুই দেশ তাদের বিস্তৃত বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও এগিয়ে নিতে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হয়েছে। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও তারা মতবিনিময় করেন।   এদিকে, এই ফোনালাপের কয়েকদিন আগেই রাশিয়ার তেল ও গ্যাস ক্রয়কারী দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের সুযোগ রেখে নতুন আইন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আইনটি নিয়ে ভারতের উদ্বেগ রয়েছে।   এর মধ্যেই ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন। দুই দেশের বাণিজ্য বিরোধ মেটাতে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি আলোচনা করবেন।   গত ফেব্রুয়ারিতে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বিরোধ নিরসনে একটি অন্তর্বর্তী কাঠামো নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর কথা জানিয়েছিল। এর আগে ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করায় দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরি হয়।   ২০২৫ সালে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৪৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার।   সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ছবি: সংগৃহীত
আর্কটিক অভিযান শেষে শাংহাইয়ে ফিরল চীনের দুই গবেষণা জাহাজ
আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

প্রায় তিন মাসের আর্কটিক মহাসাগর অভিযান শেষে চীনের দুই গবেষণা জাহাজ ‘সুয়েলং’ ও ‘সুয়েলং-২’ বুধবার শাংহাই বন্দরে ফিরেছে। ‘স্নো ড্রাগন’ ও ‘স্নো ড্রাগন-২’ নামে পরিচিত জাহাজ দুটি চীনের ১৬তম আর্কটিক মহাসাগর অভিযানে অংশ নেয়।   অভিযানটিতে জলবায়ু ও পরিবেশ পর্যবেক্ষণ, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের অভিযানের গবেষণার পরিধি ও সম্পন্ন হওয়া কার্যক্রমের সংখ্যার দিক থেকে নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে।   অভিযান চলাকালে বেশ কিছু নতুন বৈজ্ঞানিক তথ্য ও আবিষ্কার সামনে এসেছে। পাশাপাশি তাত্ত্বিক গবেষণা, প্রযুক্তিগত পরীক্ষা এবং আধুনিক বৈজ্ঞানিক সরঞ্জামের ব্যবহারেও অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।   গবেষকদের মতে, এসব গবেষণার ফলাফল বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আরও ভালোভাবে বোঝার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং আর্কটিক অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন নিয়েও গবেষণার সুযোগ বাড়বে।   চীনের প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পরিচালিত এবারের অভিযানে মোট চারটি গবেষণা জাহাজ অংশ নেয়। এগুলো হলো—‘সুয়েলং’, ‘সুয়েলং-২’, ‘চিতি’ ও ‘থানসো-৩’।   এর মধ্যে ‘চিতি’ ও ‘থানসো-৩’ এখনো আর্কটিক অঞ্চলে গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। জাহাজ দুটি অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে চীনে ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।   চীন নিয়মিত আর্কটিক অঞ্চলে বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন, সামুদ্রিক পরিবেশ ও মেরু অঞ্চলের পরিবর্তন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে। এসব কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের গবেষকদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সহযোগিতাও জোরদার করা হচ্ছে।   সূত্র: সিএমজি

ছবি: সংগৃহীত
গাজা সিটিতে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫
আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার গাজা সিটির তেল আল-হাওয়া এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।   বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেল আল-হাওয়া এলাকায় একটি গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এতে পাঁচজন প্রাণ হারান। তবে নিহত ব্যক্তিরা সবাই গাড়ির ভেতরে ছিলেন, নাকি হামলার সময় গাড়ির বাইরে অবস্থান করছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   হামলায় আহত ব্যক্তিদের অবস্থা এবং ঘটনার বিস্তারিত বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আরও তথ্য পাওয়া যায়নি।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
সারাদেশ
অর্থনীতি

স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
সর্বশেষ
বিশ্ব