সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
নাগরিক সেবার মান বাড়াতে কঠোর হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের

নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, দায়িত্ব পালনে অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে চাকরিচ্যুতির মতো সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হবে।   সোমবার রাজধানীর বাসাবো এলাকায় আয়োজিত এক গণশুনানি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নিয়ে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও নাগরিক সেবা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।   গণশুনানিতে জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়ক সংস্কার, পরিচ্ছন্নতা, জনস্বাস্থ্য, ট্রেড লাইসেন্স এবং হোল্ডিং ট্যাক্স সংক্রান্ত নানা অভিযোগ ও পরামর্শ উঠে আসে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নাগরিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন।   ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করা সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তবে এ ক্ষেত্রে জনগণের সচেতনতা ও অংশগ্রহণও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।   জলাবদ্ধতা সমস্যার বিষয়ে তিনি জানান, বৃষ্টির সময় পানি জমে থাকার সমস্যা সমাধানে চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে বর্জ্য অপসারণ, রাস্তার আলোর ব্যবস্থা এবং মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।   কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন, মশক নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্ট্রিট লাইটসহ মৌলিক সেবাগুলো প্রদানে কোনো ধরনের অবহেলা গ্রহণযোগ্য হবে না। দায়িত্বে শৈথিল্য দেখা গেলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি নাগরিকদের বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব এবং পানি জমতে পারে এমন স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করারও অনুরোধ করেন।

১ ঘন্টা আগে
পাবনায় ছেলেকে মাদ্রাসায় দিতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত বাবা

পাবনা শহরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে হোসেন আলী (৫৩) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় শহরের একটি মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় নিহতের মাদ্রাসাপড়ুয়া ছেলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল বলে জানা গেছে।   নিহত হোসেন আলী পাবনা সদর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার কর্মচারী ছিলেন।   পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ছেলে‌কে মাদ্রাসায় পৌঁছে দিতে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। এ সময় কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   ঘটনার পরপরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেন এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন।   পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।   এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রাও দ্রুত হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

১ ঘন্টা আগে
সিরাজগঞ্জে সওজের জমি উদ্ধার অভিযান, একদিনে উচ্ছেদ ৫০ অবৈধ স্থাপনা

সিরাজগঞ্জে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের অধিগ্রহণকৃত জমি দখলমুক্ত করতে ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। নলকা-সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে একদিনেই প্রায় ৫০টি অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে।   সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা অভিযানে মহাসড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠা দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। প্রশাসনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমি দখল করে এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল।   অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফিফান নজমু। এ সময় সড়ক ও জনপথ বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নলকা থেকে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ পর্যন্ত মহাসড়কের উভয় পাশে অধিগ্রহণকৃত জমিতে প্রায় ২০০ অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। সড়ক সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে পর্যায়ক্রমে সব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।   প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিযানের আগে একাধিকবার নোটিশ প্রদান, গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং মাইকিংয়ের মাধ্যমে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। এরপরও যারা নির্দেশনা অনুসরণ করেননি, তাদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।   সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফিফান নজমু বলেন, সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয়েছে। এখন উন্নয়নকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে সরকারি জমি পুরোপুরি দখলমুক্ত করা হচ্ছে।   তিনি আরও জানান, শহরকে পরিকল্পিত ও আধুনিকভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

৪ ঘন্টা আগে
উত্তরবঙ্গের প্রথম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হতে যাচ্ছে বগুড়ায়

উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বগুড়া বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে রানওয়ে সম্প্রসারণ, আধুনিক যাত্রী টার্মিনাল নির্মাণ এবং আন্তর্জাতিক মানের নেভিগেশন সুবিধা স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।   সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হবে। পাশাপাশি রানওয়ে, টার্মিনাল ভবন, পেভমেন্ট এবং অন্যান্য অবকাঠামোর নকশা ও কারিগরি সহায়তার জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-কে পরামর্শক হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে।   বর্তমানে বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া এলাকায় অবস্থিত বিমানবন্দরটিতে ৪ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে রয়েছে, যা মূলত সামরিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হচ্ছে। উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে রানওয়ের দৈর্ঘ্য ১০ হাজার ফুটে উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি নতুন ট্যাক্সিওয়ে, এপ্রোন, আধুনিক যাত্রী টার্মিনাল, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক মানের লাইটিং ও নেভিগেশন সিস্টেম স্থাপন করা হবে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, বিমানবন্দরটি চালু হলে বগুড়ার পাশাপাশি জয়পুরহাট, নওগাঁ, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ ও রাজশাহীর মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। কৃষিপণ্য, সবজি ও কৃষিযন্ত্রপাতি দ্রুত দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবহন করা সম্ভব হবে।   স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তারা মনে করছেন, বিমানবন্দর চালু হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।   সম্প্রতি বিমানবন্দর এলাকা পরিদর্শনের পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে বগুড়াকে উত্তরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি একটি ফ্লাইং একাডেমি স্থাপনের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।   স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ী নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, দ্রুত প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু হলে বগুড়ার মানুষের বহুদিনের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে এবং উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

৪ ঘন্টা আগে
ছবি: সংগৃহীত
সর্বশেষ
পাবনায় ছেলেকে মাদ্রাসায় দিতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত বাবা

পাবনা শহরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে হোসেন আলী (৫৩) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় শহরের একটি মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় নিহতের মাদ্রাসাপড়ুয়া ছেলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল বলে জানা গেছে।   নিহত হোসেন আলী পাবনা সদর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার কর্মচারী ছিলেন।   পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ছেলে‌কে মাদ্রাসায় পৌঁছে দিতে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। এ সময় কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   ঘটনার পরপরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেন এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন।   পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।   এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রাও দ্রুত হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

আক্তারুজ্জামান জুন ০৮, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
নাগরিক সেবার মান বাড়াতে কঠোর হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের

নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, দায়িত্ব পালনে অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে চাকরিচ্যুতির মতো সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হবে।   সোমবার রাজধানীর বাসাবো এলাকায় আয়োজিত এক গণশুনানি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নিয়ে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও নাগরিক সেবা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।   গণশুনানিতে জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়ক সংস্কার, পরিচ্ছন্নতা, জনস্বাস্থ্য, ট্রেড লাইসেন্স এবং হোল্ডিং ট্যাক্স সংক্রান্ত নানা অভিযোগ ও পরামর্শ উঠে আসে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নাগরিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন।   ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করা সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তবে এ ক্ষেত্রে জনগণের সচেতনতা ও অংশগ্রহণও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।   জলাবদ্ধতা সমস্যার বিষয়ে তিনি জানান, বৃষ্টির সময় পানি জমে থাকার সমস্যা সমাধানে চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে বর্জ্য অপসারণ, রাস্তার আলোর ব্যবস্থা এবং মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।   কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন, মশক নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্ট্রিট লাইটসহ মৌলিক সেবাগুলো প্রদানে কোনো ধরনের অবহেলা গ্রহণযোগ্য হবে না। দায়িত্বে শৈথিল্য দেখা গেলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি নাগরিকদের বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব এবং পানি জমতে পারে এমন স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করারও অনুরোধ করেন।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলা

ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। হামলার পর ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় মাহশাহর শহরের কারুন পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনা থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। এ ঘটনার ভিডিও দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।   সোমবার (৮ জুন) সকালে স্থাপনাটিতে দুটি হামলা চালানো হয় বলে জানানো হয়েছে। হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ও আর্থিক লোকসানের পরিমাণ এখনো মূল্যায়ন করা হচ্ছে। পরিস্থিতির বিবেচনায় পেট্রোকেমিক্যাল কর্তৃপক্ষ দিনের শিফটে কর্মরত কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছে। এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করে, তারা ইসরায়েলের হাইফায় অবস্থিত একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনা এবং দুটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ইরানের তথ্য অনুযায়ী, এটি ছিল ইসরায়েলি হামলার পাল্টা জবাব।     তবে হাইফার ওই স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলার ফলে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট জানা যায়নি। আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে উভয় পক্ষের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও শিল্প অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।   সূত্র : আল জাজিরা

ছবি: সংগৃহীত
উত্তরবঙ্গের প্রথম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হতে যাচ্ছে বগুড়ায়

উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বগুড়া বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে রানওয়ে সম্প্রসারণ, আধুনিক যাত্রী টার্মিনাল নির্মাণ এবং আন্তর্জাতিক মানের নেভিগেশন সুবিধা স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।   সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হবে। পাশাপাশি রানওয়ে, টার্মিনাল ভবন, পেভমেন্ট এবং অন্যান্য অবকাঠামোর নকশা ও কারিগরি সহায়তার জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-কে পরামর্শক হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে।   বর্তমানে বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া এলাকায় অবস্থিত বিমানবন্দরটিতে ৪ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে রয়েছে, যা মূলত সামরিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হচ্ছে। উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে রানওয়ের দৈর্ঘ্য ১০ হাজার ফুটে উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি নতুন ট্যাক্সিওয়ে, এপ্রোন, আধুনিক যাত্রী টার্মিনাল, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক মানের লাইটিং ও নেভিগেশন সিস্টেম স্থাপন করা হবে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, বিমানবন্দরটি চালু হলে বগুড়ার পাশাপাশি জয়পুরহাট, নওগাঁ, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ ও রাজশাহীর মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। কৃষিপণ্য, সবজি ও কৃষিযন্ত্রপাতি দ্রুত দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবহন করা সম্ভব হবে।   স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তারা মনে করছেন, বিমানবন্দর চালু হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।   সম্প্রতি বিমানবন্দর এলাকা পরিদর্শনের পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে বগুড়াকে উত্তরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি একটি ফ্লাইং একাডেমি স্থাপনের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।   স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ী নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, দ্রুত প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু হলে বগুড়ার মানুষের বহুদিনের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে এবং উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

ছবি: সংগৃহীত
দোকানপাট খোলার সময় বাড়ানোর দাবি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যবসায়ীদের চিঠি

রাজধানীসহ দেশের সব দোকানপাট দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।   সোমবার (৮ জুন) গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি নাজমুল হাসান।   চিঠিতে বলা হয়, আমরা বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির পক্ষ থেকে দেশের কোটি কোটি ভোক্তা এবং প্রায় ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহের স্বার্থে এ আবেদন। বাংলাদেশের খুচরা ব্যবসা দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। দেশের শহর, মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলের অসংখ্য দোকান, মার্কেট ও শপিংমলকে কেন্দ্র করে লখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সময়ে ব্যবসায়িক ব্যয়, দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, ব্যাংক ঋণের কিস্তি, কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য খরচ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত সংকটের মধ্যে রয়েছেন। সন্ধ্যা ৭টার পর দোকান বন্ধ রাখার বর্তমান সিদ্ধান্ত দেশের খুচরা ব্যবসার ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’   এতে বলা হয়, অনেক ক্রেতা কর্মব্যস্ততার কারণে দিনের বেলায় কেনাকাটা করতে পারেন না এবং বিকেল বা সন্ধ্যার পর বাজারে আসেন। ফলে দোকান ও শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সুযোগ না থাকলে ব্যবসায়ীরা তাদের প্রত্যাশিত বিক্রয় থেকে বঞ্চিত হন। এতে ব্যবসার পরিমাণ কমে যায়, কর্মসংস্থান হুমকির মুখে পড়ে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেশের অর্থনীতি সচল রাখা, ব্যবসায়ীদের জীবিকা রক্ষা করা এবং সাধারণ জনগণের কেনাকাটার সুবিধার কথা বিবেচনা করে আমরা বিনীতভাবে আবেদন জানাচ্ছি যে, সরকারের বিবেচনায় নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রতিদিন দুপুর ১২টা বা সরকারের উপযুক্ত মনে হওয়া যেকোনো সময় থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দেশের সব দোকান, শপিং মল, মার্কেট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অনুমোদন প্রদান করা হোক।   চিঠিতে আরও বলা হয়, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে প্রায় ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী ও কর্মচারীর জীবিকা সুরক্ষিত হবে, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে; সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে; সাধারণ জনগণ সুবিধাজনক সময়ে কেনাকাটার সুযোগ পাবেন; দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে। অন্যথায় বিপুলসংখ্যক ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় ব্যবসায়ী আর্থিক সংকটে পড়ে ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারেন, যার নেতিবাচক প্রভাব জাতীয় অর্থনীতির ওপর পড়বে।

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী যুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিল, ইসরায়েলকে নতুন হুঁশিয়ারি
মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০৮, ২০২৬

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে এবার যোগ দিয়েছে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ইসরায়েলের কোনো জাহাজ লোহিত সাগর দিয়ে চলাচল করতে পারবে না।   সোমবার (৮ জুন) হুতি সামরিক শাখার মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি লোহিত সাগরে ইসরায়েলি সামুদ্রিক যানের চলাচলে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন।   তিনি বলেন, আমরা লোহিত সাগরে ইসরায়েলি নৌচলাচলের ওপর পূর্ণ ও চূড়ান্ত নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করছি। এই বিবৃতি জারির মুহূর্ত থেকে আমরা শত্রুপক্ষের সকল গতিবিধিকে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করব।   উল্লেখ্য, ইরানের সমর্থনে ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর হুতি সামরিক শাখা থেকে এই ঘোষণা আসলো   সূত্র: আল জাজিরা।

ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৯ লেবানিজ সেনা
মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০৮, ২০২৬

ইসরায়েলি হামলায় মোট ২৯ জন লেবানিজ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। গত ২ মার্চ থেকে ইসরায়েলি বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। লেবাননের তথ্যমন্ত্রী পল মরকোসের বরাতে সোমবার আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।   তথ্যানুযায়ী, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন তিনজন পুলিশ সদস্য, একজন সাধারণ নিরাপত্তা অধিদপ্তরের সদস্য এবং ১৩ জন রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।   এই তথ্য প্রকাশের দুই দিন আগে দক্ষিণ লেবাননে একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে চালানো ইসরায়েলি বিমান হামলায় লেবানিজ সেনাবাহিনীর তিন সদস্য নিহত হন। নিহতদের মধ্যে একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও একজন ক্যাপ্টেন ছিলেন। একই হামলায় লেবাননের পার্লামেন্টের নিরাপত্তা দলের একজন সদস্যও প্রাণ হারান।   এদিকে, দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত লেবাননে মোট ৩,৬১৩ জন নিহত হয়েছেন। সংঘাতের বিস্তার এবং হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও গভীর হচ্ছে।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলা
মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০৮, ২০২৬

ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। হামলার পর ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় মাহশাহর শহরের কারুন পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনা থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। এ ঘটনার ভিডিও দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।   সোমবার (৮ জুন) সকালে স্থাপনাটিতে দুটি হামলা চালানো হয় বলে জানানো হয়েছে। হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ও আর্থিক লোকসানের পরিমাণ এখনো মূল্যায়ন করা হচ্ছে। পরিস্থিতির বিবেচনায় পেট্রোকেমিক্যাল কর্তৃপক্ষ দিনের শিফটে কর্মরত কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছে। এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করে, তারা ইসরায়েলের হাইফায় অবস্থিত একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনা এবং দুটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ইরানের তথ্য অনুযায়ী, এটি ছিল ইসরায়েলি হামলার পাল্টা জবাব।     তবে হাইফার ওই স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলার ফলে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট জানা যায়নি। আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে উভয় পক্ষের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও শিল্প অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।   সূত্র : আল জাজিরা

ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করল ইরান
মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০৮, ২০২৬

ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র ও পাল্টা হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে ইরান।   সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি দায় রয়েছে। তার দাবি, ওয়াশিংটনের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়া ইসরায়েল কোনো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদক্ষেপ নেয় না। বাঘাই আরও বলেন, সর্বশেষ হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা আরও জটিল হয়ে পড়বে। এতে দুই দেশের মধ্যে অবিশ্বাসও বাড়বে। ইরানের মতে, এই পরিস্থিতি চলমান শান্তি প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলছে।   সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
বিশ্ব
অর্থনীতি