সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
মহাসড়কে কোনো থ্রি-হুইলার চলতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মহাসড়কে কোনো ধরণের থ্রি-হুইলার চলতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।   তিনি বলেছেন, ‘থ্রি হুইলারগুলো বাজার এবং ফিলিং স্টেশন ও পিডার রোডে চলাচল করবে। নির্দেশ অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’   মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মেঘনাঘাট এলাকায় অটো সুপার ফাইন সিস্টেম এআই ক্যামেরা উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এখন থেকে মহাসড়কে ওভারস্পিড, অবৈধ পার্কিং কিংবা উল্টোপথে গাড়ি চলাচলের মতো আইন লঙ্ঘন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করবে এআই ক্যামেরা। এরপর গাড়ির নিবন্ধিত মালিকের মোবাইলে মামলার তথ্য ও জরিমানার নোটিশ যাবে এবং ঘরে বসেই জরিমানার অর্থ দেওয়া যাবে।’   তিনি বলেন, ‘মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই ক্যামেরা স্থাপন করায় পরিবহনে চাঁদাবাজির প্রবণতা কমে আসবে। মহাসড়কে যে চাঁদাবাজি হয়- সেটি মালিক পক্ষ বা শ্রমিক পক্ষ যেই হোক ক্যামেরায় রেকর্ড থাকবে।’

১ ঘন্টা আগে
ইনফান্তিনোর সমালোচনার জেরে বরখাস্ত ফিফার শীর্ষ কর্মকর্তা

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিতর্কিত বেসরকারি বিনিয়োগ ও বিশ্বকাপ শেয়ার বিক্রির পরিকল্পনার প্রকাশ্যে বিরোধিতা ও কড়া সমালোচনা করায় সংস্থাটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) কেভিন লামোরকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে লামোরের সঙ্গে ফিফার পেশাগত সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটেছে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। ফিফার এক কর্মকর্তার বরাতে সোমবার এমনটাই জানিয়েছে দ্যা গার্ডিয়ান।   ২০০৭ সালে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা ইউয়েফায় যোগ দেয়া লামোর পরবর্তীতে সংস্থাটির উপ-মহাসচিব হন এবং ২০২৪ সালের নভেম্বরে ফিফায় সিওও পদে যোগ দেন। ইনফান্তিনোর প্রস্তাবিত ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আসার পরই এর তীব্র বিরোধিতা করেন তিনি।   লামোর অভিযোগ করেছিলেন যে, ফিফা প্রশাসনকে এই পরিকল্পনা নিয়ে প্রতারিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ইনফান্তিনো মনে করেন “তিনি নিজেই ফিফার প্রতিচ্ছবি, অথচ তার কাজ ফিফার সেবায় নিয়োজিত থাকা।”   বিতর্কের মুখে গত ৩১ জুলাই পরিকল্পনাটি স্থগিত হওয়ার আগেই লামোর স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, সত্য বলার জন্য চাকরি হারাতেও তার কোনো দ্বিধা নেই। ফিফার মহাসচিব ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রম ই-মেইলের মাধ্যমে লামোরের বিদায়ের কথা জানান।   এক বিবৃতিতে ফিফার মুখপাত্র জানান, কেভিন লামোরের দুই বছরের সেবার জন্য তাকে ধন্যবাদ এবং তার ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করা হচ্ছে। তবে বরখাস্তের সুনির্দিষ্ট কারণ প্রকাশে অস্বীকৃতি জানিয়েছে সংস্থাটি।   বিদায়ের আগে ল্যামুর অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, ফিফার সাধারণ কর্মীরা অবহেলা ও হুমকিস্বরূপ আচরণের চেয়ে ভালো কিছু পাওয়ার দাবিদার।   ইনফান্তিনোর ঠিক দুই স্তর নিচের পদমর্যাদায় থাকা সত্ত্বেও চলতি মাসের শুরুতে মরক্কোয় অনুষ্ঠিত শীর্ষ নির্বাহীদের বৈঠক থেকে লামোরকে বাদ দেয়া হয়েছিল। এর আগে একই পরিকল্পনার প্রতিবাদে ইনফান্তিনোর সিনিয়র উপদেষ্টা কার্লোস কর্ডেইরো পদত্যাগ করেন, যা দীর্ঘদিনের সহকর্মী ইনফান্তিনোর ওপর পদত্যাগের নতুন চাপ তৈরি করেছে।

১ ঘন্টা আগে
ইমরান খানকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কারাগার থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দেশটির সর্বোচ্চ আদালত এই আদেশ প্রদান করেন বলে নিশ্চিত করেছে তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দীর্ঘদিন ধরে ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে দল ও পরিবারের তোলা উদ্বেগের মুখে আদালতের এই সিদ্ধান্ত এল। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।   ক্রিকেটার থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে রূপ নেওয়া ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে বন্দি রয়েছেন। ২০২২ সালে ক্ষমতাচ্যুতির পর তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়, যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন তিনি।   গত বছর ইমরান খানের দুই ছেলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়ে বারবার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। আইনজীবীরা জানান, কারাগারে থাকাকালে তিনি তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে হারিয়েছেন।   জিন্নাহর মরণব্যাধির খবর গোপন রাখায় ২ ভারতীয় চিকিৎসককে সর্বোচ্চ সম্মান দিচ্ছে পাকিস্তানজিন্নাহর মরণব্যাধির খবর গোপন রাখায় ২ ভারতীয় চিকিৎসককে সর্বোচ্চ সম্মান দিচ্ছে পাকিস্তান আদালতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে পিটিআই মুখপাত্র জুলফিকার বুখারি বলেন, এটি অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক একটি আদেশ। এটি যদি আরও আগে হতো, তবে তার চোখ ও সার্বিক স্বাস্থ্যের এত অবক্ষয় ঘটত না। তিনি আরও বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত সব চিকিৎসক সন্তুষ্ট না হবেন, ততক্ষণ তাকে হাসপাতালেই রাখা উচিত।   ইমরান খানের মুখপাত্র নাঈম হায়দার পাঞ্জুথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, আদালত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইমরান খানকে শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন এবং আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাকে সেখানেই রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   অনাস্থা ভোটে ক্ষমতা হারানোর পর থেকে ইমরান খান রাষ্ট্রীয় উপহার ও অবৈধ বিয়ে সংক্রান্ত একাধিক মামলার সম্মুখীন হয়েছেন। অবশ্য কিছু সাজা এরই মধ্যে স্থগিত বা বাতিল করা হয়েছে এবং অন্য মামলাগুলো আপিল পর্যালোচনায় রয়েছে। ইমরান খান শুরু থেকেই কোনও অন্যায় করার কথা অস্বীকার করে আসছেন।   নেপাল সেনাবাহিনীর ‘জেনারেল’ হলেন ভারতের সেনাপ্রধাননেপাল সেনাবাহিনীর ‘জেনারেল’ হলেন ভারতের সেনাপ্রধান চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিশ্বজুড়ে একাধিক ক্রিকেট কিংবদন্তি, যার মধ্যে প্রতিবেশী ভারতের ক্রিকেটাররাও ছিলেন, ইমরান খানের কারাবন্দি অবস্থা নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেন এবং তার সুচিকিৎসার জোর দাবি জানান।   উল্লেখ্য পিটিআই ২০১৮ সালে ক্ষমতায় আসে এবং দেশের প্রধান প্রধান প্রদেশে দলটির এখনও ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে। তবে ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে দলটিকে তাদের নির্বাচনী প্রতীক ‘ব্যাটিং প্রতীক’ থেকে বঞ্চিত করা হয়, যার ফলে তাদের প্রার্থীদের স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়েছিল।

১ ঘন্টা আগে
নারীদের যাত্রা যাত্রীবান্ধব ও নিরাপদ করতে ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ চালু

নগরীর নারী যাত্রীদের যাত্রা যাত্রীবান্ধব ও নিরাপদ করতে ‘মহিলা বাস সার্ভিস (পিংক বাস)’ চালু করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। নারীদের জন্য বিশেষ এই গোলাপি রঙের বাসে চালক ও কনডাক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নারীরা।   মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে মহিলা বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করা হয়। সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এই পিংক বাসের উদ্বোধন করেন।    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মহিলা চালক ও মহিলা কন্ডাক্টর দ্বারা পরিচালিত এই পিংক বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে।’   তিনি বলেন, ‘নারীদের জন্য ১৪টি বাস ১৩টি রুটে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১০টি রুটে ১০টি বাস চলবে। একটি বাস একতলা এবং বাকি নয়টি দ্বিতল। চট্টগ্রামে একটি রুটে দুটি দ্বিতল বাস এবং বগুড়ায় দুটি রুটে দুটি দ্বিতল বাস চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।’   এ সময় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ, সড়ক সচিব জিয়াউল হক, সড়ক সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বিআরটিসি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা প্রমুখ।

১ ঘন্টা আগে
ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসী
লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘদিন আটক থাকার পর আরও ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় বেনগাজীর গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে তাদের নিরাপদ ও মানবিকভাবে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়।   মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর ৬টায় লিবিয়ার বুরাক এয়ারের ইউজেড-২২২ ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। দেশে ফেরা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ৩ নারী, এক শিশু এবং ১৫ জন অসুস্থ ব্যক্তি।   জানা গেছে, এসব বাংলাদেশি উন্নত জীবনের আশায় অনিয়মিত পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে সমুদ্রপথে অভিযানের সময় তারা উদ্ধার বা আটক হন। পরে দীর্ঘ সময় লিবিয়ার গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে মানবেতর পরিবেশে বন্দি জীবন কাটান।   বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, লিবিয়ায় আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আইওএমের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদন এবং আইওএমের সার্বিক সহযোগিতায় সর্বশেষ এই ১৭৪ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।   দূতাবাস আরও জানায়, বেনগাজীর গ্যানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিয়মিত সাক্ষাৎকার গ্রহণ, পরিচয় যাচাই এবং প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে এসব কেন্দ্রে অবস্থানরত অবশিষ্ট বাংলাদেশিদেরও পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।   এর আগে একই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হয়ে গত ৭ আগস্ট লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছিলেন ৩৪০ বাংলাদেশি। সর্বশেষ ১৭৪ জনসহ চলতি মাসে মোট ৫১৪ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হলো।   বাংলাদেশ দূতাবাস সকলকে দালাল ও মানব পাচারকারীদের প্রলোভনে না পড়ে বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসনপথ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে কর্মসংস্থান বা অভিবাসনের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদিত এবং আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ১৮, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
ঢাকায় শুরু ‘পিংক বাস’ সেবা, নারী যাত্রীদের জন্য থাকছে বিশেষ সুবিধা

নারী যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে রাজধানীতে চালু হয়েছে বিশেষ ‘মহিলা বাস সার্ভিস’। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) উদ্যোগে চালু হওয়া ‘মহিলা বাস সার্ভিস (পিংক বাস)’ প্রাথমিকভাবে ঢাকার ১০টি রুটে চলাচল করবে।   মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ বাসসেবার উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   বিআরটিসি জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বগুড়া শহরের ১৩টি রুটে মোট ১৪টি বাস দিয়ে এই বিশেষ সেবা চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১০টি, চট্টগ্রামে দুটি এবং বগুড়ায় দুটি বাস চলবে। রাজধানীর বাসগুলো ১৬০টি স্টপেজে যাত্রীসেবা দেবে। চট্টগ্রামে ১২টি এবং বগুড়ায় ১৬টি স্টপেজ নির্ধারণ করা হয়েছে।   নারী যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত এসব বাসে ই-টিকিটিং, সিসি ক্যামেরা ও জিপিএস সুবিধা রাখা হয়েছে। বাসগুলো নারী চালক ও নারী কন্ডাক্টরের মাধ্যমে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে নারী যাত্রীদের পাশাপাশি বাসে কর্মরত নারী কর্মীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ বলেন, মহিলা বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ফলে নারী যাত্রীরা বাসে ওঠার আগেই সহজে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। এতে কাউন্টারে অপেক্ষার সময় কমার পাশাপাশি গণপরিবহনে প্রযুক্তিনির্ভর সেবাও নিশ্চিত হবে।   সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, নারীদের নিরাপত্তা শুধু বাসে ওঠার পর নয়, বাসের জন্য অপেক্ষা করা এবং গন্তব্যে নামার সময়ও নিশ্চিত করতে হবে। নারীদের নিরাপদ যাতায়াতের পরিবেশ তৈরি করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। নতুন এই সেবাকে শুধু উদ্বোধনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নিয়মিতভাবে এর মান উন্নয়ন করতে হবে।   তিনি জানান, রাজধানীর গণপরিবহনকে পরিবেশবান্ধব করতে ২০০টি বৈদ্যুতিক বাস কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১০০টি বাস নারীদের জন্য বিভিন্ন রুটে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় এসব বাস সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।   মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের কয়েকটি জেলায় নারীবান্ধব বাসসেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য বিভাগেও এ ধরনের সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। নারী যাত্রীদের জন্য চালু হওয়া এই বিশেষ বাসসেবা টেকসই ও আরও বিস্তৃত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারকে এশিয়ার অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র করতে চায় সরকার

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সমুদ্রসৈকত ঘিরে গড়ে উঠেছে আধুনিক পর্যটন নগরী। ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরো, যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি ও পানামা সিটি, স্পেনের বার্সেলোনা, দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান, সিঙ্গাপুর ও দুবাই এর বড় উদাহরণ। এসব নগরীর আদলে কক্সবাজারকে এশিয়ার অন্যতম আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ জন্য ২০ বছর মেয়াদি নতুন মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ চলছে।   সম্প্রতি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কক্সডিএ) এ বিষয়ে মাটি পরীক্ষা করেছে। তবে গবেষণার বিস্তারিত প্রতিবেদন এখনো হাতে পায়নি তারা। এরই মধ্যে সরকারের দুই মন্ত্রী কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন। সরকারের লক্ষ্য, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ানো। গবেষণা বলছে, কক্সবাজার ও কুয়াকাটা অঞ্চলে বালু, পলি ও নরম সামুদ্রিক মাটির আধিক্য রয়েছে। ফলে ৩০ তলা বা তার বেশি ভবন নির্মাণে শক্ত ভারবহনক্ষম স্তর বা শিলা পর্যন্ত গভীর পাইল ফাউন্ডেশন প্রয়োজন হতে পারে। এতে হাইরাইজ ভবন নির্মাণ অসম্ভব নয়, তবে ব্যয় ও প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ দুটিই বেশি।   গত ২৩ জুলাই সচিবালয়ে কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়নে ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের যে বিধিনিষেধ রয়েছে, তা পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্তও হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও এ সময় সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান।   কক্সবাজারের ভূ-প্রকৃতি, বন, পরিবেশ ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এলাকাভেদে নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে সুউচ্চ ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ২০১১-২০৩১ মেয়াদের প্রথম মাস্টারপ্ল্যানে এসব বিধিনিষেধ রাখা হয়। পরে ২০১৬ সালে কক্সডিএ প্রতিষ্ঠিত হলেও আগের মাস্টারপ্ল্যানের শর্ত অনুসরণ করেই নগর উন্নয়নের কাজ চলেছে। তবে ওই বিধিনিষেধের মধ্যেই আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে কক্সবাজারে বহু হোটেল ও স্থাপনা গড়ে ওঠে। সংশ্লিষ্ট পরিবেশ ও বন আইনও উপেক্ষিত হয়েছে। এসব স্থাপনা অপসারণে কক্সডিএ উদ্যোগ নিলেও সফল হয়নি। পরে পুরনো মাস্টারপ্ল্যান সংশোধন করে নতুন ২০ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনা তৈরির উদ্যোগ নেয় সরকার।   গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আবুল বাকের মো. তৌহিদ বলেন, ‘নতুন মাস্টারপ্ল্যানের কাজ শেষ করতে আরও প্রায় এক বছর লাগবে।   কক্সডিএর উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ মো. তানভীর হাসান রেজাউল বলেন, ‘২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। এবার সৈকতসহ বিভিন্ন এলাকা জোনিং করে মাটি পরীক্ষা করা হয়েছে। বিস্তারিত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা আরও বিজ্ঞানসম্মত হবে।’   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ খান বলেন, ‘উপকূলীয় এলাকায় স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি মাটির প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। তাই মাটি পরীক্ষা ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। তবে সুউচ্চ ভবন নির্মাণের উপযোগিতা পাওয়া গেলেও উপকূলীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।’   ১৯৯৯ সালে কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতসহ বিভিন্ন এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে সরকার। এসব এলাকায় ভূমি ও পানির প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন, দূষণকারী শিল্প স্থাপন, আবাসস্থল ধ্বংস, বন ও গাছপালা কাটা এবং বন্যপ্রাণী শিকারসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। অর্থমন্ত্রী বলেন, সীমিত ভূমির দেশে পরিকল্পিত বহুতল উন্নয়ন প্রয়োজন। কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, রেল ও সড়ক যোগাযোগসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর সমন্বয়ে আধুনিক পর্যটন নগরী গড়ে তোলা হবে। ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনে কক্সবাজারকে অন্যতম প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র করার পরিকল্পনা রয়েছে।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কক্সবাজারকে পর্যটন ও বাণিজ্যিককেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পরিবেশবান্ধব পর্যটন এলাকা, মেরিন ড্রাইভ ও উপকূলীয় এলাকার বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র, নিরাপদ পানি, পয়োনিষ্কাশন ও পানি শোধনাগার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন ও বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার করার লক্ষ্য সরকারের।

ছবি: সংগৃহীত
উপজেলা পর্যায়েই মিলবে উন্নত চক্ষু চিকিৎসা, থাকবে অপারেশন সুবিধা - স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশের উপজেলা পর্যায়ে উন্নত চক্ষু চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। নির্মাণাধীন ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালগুলোতে পৃথক চক্ষু বহির্বিভাগ, অন্তর্বিভাগ ও অপারেশন থিয়েটার চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।   মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘স্পেকস ২০৩০’ উদ্যোগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫১ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার কাজ চলছে। দেশের প্রায় ৫০০টি উপজেলায় এসব হাসপাতালের মাধ্যমে উন্নত চক্ষু চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হবে। এর ফলে চোখের চিকিৎসার জন্য প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে জেলা শহর বা রাজধানীতে যেতে হবে না।   তিনি জানান, সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় থাকা প্রায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসাসেবা বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জেলা হাসপাতালগুলোর বিদ্যমান অবকাঠামো কাজে লাগিয়ে দ্রুত অন্তত অর্ধেক জেলায় নিয়মিত ছানি অপারেশন এবং চশমার পাওয়ার নির্ণয়ের মতো সেবা সম্প্রসারণ করা হবে।   ডা. এম এ মুহিত বলেন, দেশে প্রায় ১০ লাখ ছানি অপারেশন, কয়েক কোটি চশমা বিতরণ এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির চিকিৎসা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে একটি সমন্বিত জাতীয় চক্ষু সেবা পরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।   তিনি আরও বলেন, গত ছয় মাসে চক্ষু চিকিৎসাসেবার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়মিতভাবে সমন্বয় করে কাজ করছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ একটি বৈশ্বিক সম্মেলন আয়োজনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতিও পেয়েছে।   অনুষ্ঠানে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এস এম এম কাদির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক উপদেষ্টা ডা. তাশি তবগে এবং বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদসহ দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় ৫ বাংলাদেশিকে পাচারের সময় গ্রেপ্তার, ১৫ ট্রিপের তথ্য দিলেন চালক

মালয়েশিয়ায় পাঁচ বাংলাদেশি কাগজপত্রহীন অভিবাসীকে পরিবহনের অভিযোগে ফাকরি নামে ৩১ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গত জুন থেকে এ ধরনের প্রায় ১৫টি ট্রিপে যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছেন।   রোববার (১৬ আগস্ট) ভোরে দেশটির কোটা বারুর পেন্ডেকে একটি প্রোটন উইরা গাড়িতে পাঁচ বাংলাদেশিকে পরিবহনের সময় তাকে আটক করা হয়।   মালয়েশিয়ার জেনারেল অপারেশনস ফোর্স (জিওএফ) জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তি দূরত্ব ও গন্তব্য অনুযায়ী অবৈধ অভিবাসীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের অর্থ নিতেন। কেলান্তানের মধ্যে যাতায়াতের ক্ষেত্রে জনপ্রতি প্রায় ৩০০ রিঙ্গিত এবং রাজ্যের বাইরে দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রায় জনপ্রতি ৬০০ রিঙ্গিত বা তার বেশি নেওয়া হতো বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।   ফাকরি জিওএফ কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, জুনে এ কাজে যুক্ত হওয়ার পর তিনি প্রায় ১৫টি অভিবাসী পরিবহনের ট্রিপ সম্পন্ন করেছেন। তার যাতায়াতের গন্তব্যের মধ্যে কুয়ালালামপুর, সেলাঙ্গর, জোহর ও কেলান্তান ছিল।   গ্রেপ্তারের পর তার গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৯ থেকে ৪৭ বছর বয়সী পাঁচ বাংলাদেশি পুরুষকে পাওয়া যায়। তাদের কারও কাছে বৈধ পরিচয়পত্র বা ভ্রমণসংক্রান্ত নথি ছিল না বলে জানিয়েছে জিওএফ।   জিওএফ দক্ষিণ-পূর্ব ব্রিগেডের কমান্ডার সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার আহমদ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিবাসীদের গন্তব্য অনুযায়ী জনপ্রতি ৫০ থেকে ৬ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত অর্থ নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।   জিজ্ঞাসাবাদে ফাকরি আরও জানান, প্রতিটি যাত্রা শেষে তিনি নগদ অর্থ গ্রহণ করতেন। থাইল্যান্ডভিত্তিক এক পুরুষ ও এক নারী এজেন্ট কোটা বারুতে তাকে এই অর্থ সরবরাহ করতেন বলে দাবি করেছেন তিনি।   কমিশনার আহমদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বাংলাদেশি অভিবাসীরা থাইল্যান্ডে এক নারী দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রত্যেকে ৬ হাজার রিঙ্গিত দেওয়ার পর কেলান্তান নদী দিয়ে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেন।   এদিকে গ্রেপ্তার ফাকরির মাদক পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। তার বিরুদ্ধে ১৯৫২ সালের বিপজ্জনক মাদকদ্রব্য আইনে আগের একটি মামলার রেকর্ডও রয়েছে বলে জানিয়েছে জিওএফ।   পরবর্তী তদন্তের জন্য গ্রেপ্তার ব্যক্তি ও পাঁচ বাংলাদেশিকে কোটা বারু জেলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে সমঝোতার মেয়াদ বাড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ১৮, ২০২৬

ইরানের সঙ্গে করা সমঝোতা স্মারক বা এমওইউর মেয়াদ আর বাড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১৬ আগস্ট) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ কথা জানিয়েছেন। ইরাকি বার্তাসংস্থা শাফাক নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে।   ট্রাম্পের দাবি, ইরান এখনো সংঘাত শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে নিতে রাজি নয়। এ কারণে সমঝোতার মেয়াদ বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা ওয়াশিংটনের নেই।   এদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে আবারও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তার দাবি, প্রণালিটি ‘খোলা’ রয়েছে এবং প্রতি সপ্তাহে এই জলপথ দিয়ে লাখ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হচ্ছে।   হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করার ইচ্ছার কথাও আবার জানিয়েছেন তিনি।   ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ওমানকে নিয়েও হুমকি দিয়েছেন। হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকাণ্ডে ওমান বাধা দিলে দেশটিতে হামলা চালানোর হুমকি দেন তিনি।   এদিকে ইরান হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাংকার আটক করেছে। সামুদ্রিক পরিবহনবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জাহাজটি আটক করা হয়েছে বলে ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, জাহাজটি থামানোর পর বর্তমানে কেশম দ্বীপের কাছে অবস্থান করছে। তবে জাহাজটির নাম বা লঙ্ঘনের বিস্তারিত জানানো হয়নি।   এদিকে হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ আগস্ট মাত্র পাঁচটি কার্গো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এর আগের দিন কোনো কার্গো জাহাজ চলাচল রেকর্ড হয়নি।   তবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ৬০ দিনের সময়সীমার বিষয়টি মানছে না। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে করা সমঝোতা স্মারকে ৬০ দিনের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ নেই।   তিনি বলেন, তেহরান কোনো সময়সীমার চাপে সিদ্ধান্ত নেবে না। ইরান তার জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

ছবি: সংগৃহীত
ভারতের ভোটার আইডি ব্যবস্থার মতো যুক্তরাষ্ট্রে একই নিয়ম চান ট্রাম্প
মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ১৮, ২০২৬

ভারতের নির্বাচনব্যবস্থা ও ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের নিয়মের উদাহরণ টেনে যুক্তরাষ্ট্রে ‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’ পাসের আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রস্তাবিত এই আইনে ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম আরো কঠোর করার কথা বলা হয়েছে।   ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বক্তব্যের কথা তুলে ধরেন। ট্রাম্পের দাবি, জ্ঞানেশ কুমার সম্প্রতি মার্কিন প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছেন, বৈধ ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে কীভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্প বলেন, নির্বাচনে কারচুপি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যেক ভোটারের জন্য বৈধ ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা উচিত। ভারতের সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে ট্রাম্প বলেন, দেশটির ৬৪ কোটি ৬০ লাখ ভোটারের মধ্যে এক শতাংশেরও কম ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন।   তার দাবি, সেখানে প্রত্যেক ভোটারকে বৈধ ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র দেখাতে হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের এখনই সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাস করতে হবে।’   ট্রাম্পের এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। তিনিও ভারতের ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনকে ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের ক্ষেত্রে একটি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছেন।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গোর বলেন, ট্রাম্পের অবস্থান সঠিক। তার দাবি, ভারতের সর্বশেষ নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লাখ ভোটার ছিল এবং প্রত্যেকের জন্য পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক ছিল। গোর বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচিত ‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’ পাস করা।   রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই এই আইন পাসের পক্ষে কথা বলে আসছেন। তার দাবি, প্রস্তাবিত আইনটি নির্বাচনে কারচুপি ঠেকাতে সাহায্য করবে।   আইনটি পাসের প্রস্তাব গত ২৯ জানুয়ারি উত্থাপন করা হয়। তবে এ নিয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান- দুই দলের মধ্যেই মতভেদ রয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট কোনো কার্যকর পদক্ষেপ ছাড়াই পাঁচ সপ্তাহের জন্য অধিবেশন মুলতবি করেছে। হোয়াইট হাউসের ভাষ্য অনুযায়ী, এই আইনের মূল লক্ষ্য হলো শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ফেডারেল নির্বাচনের ফল নির্ধারণে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা।   প্রস্তাবিত আইনে ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের সময় নাগরিকত্বের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বৈধ পরিচয়পত্র দেখানোর নিয়মও চালু করার প্রস্তাব রয়েছে। হোয়াইট হাউস বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদেরই নির্ধারণ করা উচিত। ‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’-এ ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগও সীমিত করার প্রস্তাব রয়েছে।   প্রস্তাব অনুযায়ী, অসুস্থতা, শারীরিক অক্ষমতা, সামরিক দায়িত্ব বা ভ্রমণের মতো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হবে। এর বাইরে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ কঠোরভাবে সীমিত করার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া অঙ্গরাজ্যগুলোকে ভোটার তালিকা থেকে অ-মার্কিন নাগরিকদের নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে। হোয়াইট হাউসের বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্রে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে হলে একজন ব্যক্তিকে অবশ্যই মার্কিন নাগরিক হতে হবে।   ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনব্যবস্থার সঙ্গে অন্যান্য দেশের ব্যবস্থারও তুলনা করেছে। হোয়াইট হাউসের দাবি, ভোটারদের পরিচয় নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র অন্য কয়েকটি দেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। হোয়াইট হাউস ভারত ও ব্রাজিলের উদাহরণ দিয়ে বলেছে, দেশ দুটি ভোটারদের পরিচয়কে জীবমিতি তথ্যভান্ডারের সঙ্গে যুক্ত করে। অন্যদিকে, নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র মূলত ভোটারের নিজের দেওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করে বলে দাবি করেছে তারা।

ছবি: সংগৃহীত
যৌন নিপীড়ন মামলায় ট্রাম্পের আবেদন ফের নাকচ করল সুপ্রিম কোর্ট
মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ১৮, ২০২৬

লেখক ও সাবেক ম্যাগাজিন কলামিস্ট ই জিন ক্যারলকে যৌন নিপীড়ন ও মানহানির দায়ে অভিযুক্ত করে দেওয়া দেওয়ানি মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আপিলের আবেদন দ্বিতীয়বারের মতো খারিজ করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।   সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রকাশিত আদালতের আগস্টের আদেশ তালিকায় ট্রাম্পের পুনর্বিবেচনার আবেদন নাকচ করা হয়। এর আগে জুন মাসে আদালত ২০২৩ সালের রায়ের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের আপিল শুনতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।    ওই রায়ে একটি জুরি ট্রাম্পকে ১৯৯৬ সালে ক্যারলকে যৌন নিপীড়ন এবং পরে তাকে মানহানি করার জন্য দায়ী করে প্রায় ৫০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।   ক্যারলের আইনজীবী রবার্টা ক্যাপলান এক বিবৃতিতে বলেন, সুপ্রিম কোর্ট আবারও মামলাটি শুনতে অস্বীকৃতি জানানোয় তারা সন্তুষ্ট। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জুরির সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এখন চূড়ান্ত এবং কোনো আদালতে আর চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। তবে আদালত কেন আবেদনটি খারিজ করেছে, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। ওইদিন আদালত মোট ৩৩টি পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে। জুনে ট্রাম্পের আপিল খারিজ হওয়ার পর ক্যারল প্রায় ৫৮ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ ও সুদ পেয়েছেন। ক্যারল ও ট্রাম্পের আইনি লড়াই শুরু হয় ২০১৯ সালে। সে বছর ক্যারল তার স্মৃতিকথার একটি অংশ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, ১৯৯৬ সালে নিউইয়র্কের বার্গডর্ফ গুডম্যানের একটি পোশাক পরিবর্তনকক্ষে ট্রাম্প তাকে ধর্ষণ করেছিলেন। ট্রাম্প অভিযোগ অস্বীকার করে ক্যারলকে ‘পাগল’ এবং ‘তার পছন্দের নারী নন’ বলে মন্তব্য করেন।   ২০২৪ সালে পৃথক মানহানি মামলায় একটি জুরি ক্যারলকে আট কোটি ৩৩ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধেও ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টে আপিল করছেন। তার দাবি, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় করা বক্তব্যের ক্ষেত্রে তিনি সাংবিধানিক দায়মুক্তির অধিকারী।   ৫৮ লাখ ডলারের মামলাটি মূলত ২০২২ সালে সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। সে সময় তিনি ক্যারলের অভিযোগকে ‘ভুয়া’ ও ‘প্রতারণা’ বলে অভিহিত করেছিলেন।   সূত্র: আলজাজিরা

ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির শঙ্কায় বাড়ল তেলের দাম
মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ১৮, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া  যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।   মঙ্গলবার গ্রিনিচ মান সময় রাত ১২টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২৭ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯১.১৪ ডলারে উঠেছে। এর আগে আগের সেশনে ব্রেন্টের দাম জুলাইয়ের শেষের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল।   অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৪২ সেন্ট বেড়ে ৮৫.০৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। দিনের শুরুতে দাম ১ শতাংশেরও বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৫.৩৭ ডলারে উঠেছিল।   ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ অবসানের কোনো সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসায় তেলের বাজারে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। তেহরান আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর উত্তেজনা বেড়েছে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটনও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে।   ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
বিশ্ব
অর্থনীতি