সর্বশেষ

সর্বশেষ সংবাদ
ইনকিলাব মঞ্চের আহতদের কেউ গুলিবিদ্ধ নয় : ঢামেক পরিচালক

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে অবস্থান করা ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। এ ঘটনায় আহত হয়ে প্রায় ৬০ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে কোনো গুলিবিদ্ধ বা পিলেট ইনজুরির রোগী পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।   শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি। ঢামেক পরিচালক বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের যারা কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মী আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে এসেছেন। এখন পর্যন্ত আমরা ৬০ জনের মতো রোগী রিসিভ করেছি। এখনো রোগী আসছে। এই রোগীগুলোর মধ্যে ৩০ জন রোগী পেয়েছি, যাদের এক্সটারনাল ইনজুরি আছে। তবে কোনো গুলিবিদ্ধ অথবা পিলেটের রোগী পাইনি। ঢামেক পরিচালক আরও বলেন, তাদের (আহতদের) স্কাল্প ইনজুরি, ফেস ইনজুরি, পায়ের ইনজুরি, এ ছাড়া শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ইনজুরি আছে, যেটা লাঠির আঘাতে হয়েছে। এ ছাড়া অনেকের ইনহেলেশন ইনজুরি আছে, যেটা টিয়ারসেলের কারণে হয়েছে। আমরা অক্সিজেন দিয়ে তাদের মোটামুটি সুস্থ করেছি। তবে কোনো রোগী আমরা এখনো ভর্তি করি নাই। হাসপাতালের প্রস্তুতি সম্পর্কে পরিচালক বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অনেক রোগী ছেড়ে দিয়েছি। আমাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে। তবে সমস্যা হলো, ক্রাউড কন্ট্রোল। আমাদের ২০০ চিকিৎসক উপস্থিত আছে, আমি নিজে উপস্থিত আছি। আমাদের চিকিৎসক, নার্সের কোনো স্বল্পতা নাই। ক্রাউড ম্যানেজ করা খুবই মুশকিল। কেউ কথা শুনতে চায় না; এটা একটা বড় সমস্যা। পরিচালক বলেন, জরুরি বিভাগ আমরা বৃদ্ধি করেছি। যাতে আমরা ২৫ জন রোগী একসাথে চিকিৎসা দিতে পারি, সেটা কোনো সমস্যা না। কিন্তু সমস্যা হলো, এক রোগীর সাথে ১০ থেকে ১৫ জন চলে আসে। তখন দিতে সমস্যায় পড়তে হয়। আমরা চেষ্টা করছি এর মধ্যে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে। আমরা জুলাইয়ে অসংখ্য রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছি। আমাদের যে চিকিৎসক, নার্স, স্টাফ রয়েছে চিকিৎসা দিতে আমাদের কোনো সমস্যা হবে না। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের অধীনে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। এ কারণে পুলিশ ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ের সামনে ব্যারিকেড স্থাপন করে। শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন-বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমাসহ কয়েকজন যমুনার দিকে অগ্রসর হতে চাইলে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরে যমুনার দিকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হলেও পথে মারধরের অভিযোগ তুলে তাঁরা ফিরে আসেন। এরপর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে অবস্থানরত ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে এগিয়ে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ প্রথমে জলকামান থেকে পানি ছোড়ে। পরে সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ এবং লাঠিপেটা করা হয়। এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে বোতল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র ও ডাকসু নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমাসহ একাধিক ব্যক্তি আহত হন। পরে তাঁদের অনেকেই ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নেন। ঘটনার পরপরই ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজ থেকে জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন; এমন দাবি করা হয়। তবে পুলিশ ও অন্তর্বর্তী সরকার উভয় পক্ষই এই দাবি অস্বীকার করেছে।   গত বছর ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেল থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তাঁকে মাথায় গুলি করার পর আততায়ীরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর মারা যান তিনি।

১ ঘন্টা আগে
নতুন লুকে মালাইকা, বয়স নিয়ে ‘অবিশ্বাস’ নেটিজেনদের

নতুন বছর, নতুন লুক—এ বার্তাই দিলেন বলিউড অভিনেত্রী ও মডেল মালাইকা অরোরা। ২০২৬ সালের শুরুতেই নতুন হেয়ারকাটে ধরা দিলেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে নিজের কয়েকটি ছবি শেয়ার করে মালাইকা লেখেন, ‘চপ চপ… নয়া সাল, নয়া বাল’—অর্থাৎ নতুন বছর, নতুন চুল। নতুন লুকে মালাইকাকে দেখে মুহূর্তেই মন্তব্যে ভরে যায় নেটদুনিয়া। কেউ লিখেছেন, ‘ওয়াও ওয়াও, ফায়ার’, কেউ বলেছেন, ‘স্টানিং’। আবার অনেক ভক্তই বয়সের প্রসঙ্গ টেনে মন্তব্য করেন—‘এজ ইজ জাস্ট অ্যা নাম্বার’ কিংবা ‘বিশ্বাসই হচ্ছে না, উনি ৫০-এর ওপরে।’ ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর জমকালো আয়োজনে নিজের ৫০তম জন্মদিন উদযাপন করেন মালাইকা অরোরা। সে অনুষ্ঠানের ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন তার বোন অমৃতা অরোরা, ঘনিষ্ঠ বন্ধু কারিনা কাপুরসহ অনেকে। জন্মদিনের কেকের ওপর বড় করে লেখা ছিল ‘৫০’, আর সে ছবি ছড়িয়ে পড়ে দ্রুতই। তবে এ নিয়েই পরে তৈরি হয় বিতর্ক। রেডিটে একটি পোস্টে দাবি করা হয়, মালাইকার বয়স ২০১৯ সালে ৪৬ ছিল। সে হিসেবে তার ৫২তম জন্মদিন হওয়ার কথা। যদিও এসব অনলাইন জল্পনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি মালাইকা। বরং জন্মদিনের ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘আমার হৃদয় ভরে গেছে। এত ভালোবাসা আর শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ। আমার ৫০-কে এতটা বিশেষ করে তোলার জন্য সবাইকে কৃতজ্ঞতা।’ ক্যারিয়ার সংক্ষেপ মালাইকা অরোরা তার ক্যারিয়ার শুরু করেন টেলিভিশন হোস্ট হিসেবে—ক্লাব এমটিভি, লাভ লাইন ও স্টাইল চেক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। পরে মডেলিং জগতে প্রবেশ করে বাল্লি সাগুর জনপ্রিয় অ্যালবাম গান গুর নালো ইশক মিঠা -তে দেখা যায় তাকে।  বলিউডে তার অভিষেক হয় শাহরুখ খান ও মানিশা কৈরালার ছবি ‘দিল সে’-এর আইকনিক গান ছাইয়া ছাইয়া -এর মাধ্যমে। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি দীপাবলিতে মুক্তি পাওয়া ছবি থামেলা-তে একটি নৃত্য পরিবেশনেও অংশ নেন।

১ ঘন্টা আগে
‘ম্যায় হু না’-এর সিক্যুয়েলে থাকছেন শাহরুখ খান!

জনপ্রিয় বলিউড ছবি ‘ম্যা হু না’-এর মাধ্যমে পরিচালনায় অভিষেক করেন নৃত্য পরিচালক ফারাহ খান। কেন্দ্রীয় চরিত্রে থাকা শাহরুখ খান অভিনীত ২০০৪ সালের এ ছবিটি বক্স অফিসে ব্লকবাস্টার হিট হয়। বলিপাড়ায় নতুন গুঞ্জন, দুই দশক পর এবার এর সিক্যুয়েল বানাতে যাচ্ছেন ফারাহ। শোনা গেছে, প্রথম সিনেমার পর এর দ্বিতীয় কিস্তিতেও কেন্দ্রীয় চরিত্রে থাকতে পারেন শাহরুখ।  সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম এ সম্পর্কে জানায়, ‘ম্যায় হু না’-র দ্বিতীয় কিস্তির চিত্রনাট্যের প্রাথমিক খসড়া নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা সেরেছেন শাহরুখ ও ফারাহ। তবে শাহরুখ এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি। আগামী মে মাসে ‘কিং’ ছবির শুটিং শেষ করার পরই এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন অভিনেতা।  শোনা যাচ্ছে, সিক্যুয়েলে শাহরুখকে দ্বৈত চরিত্রে দেখা যেতে পারে। একেবারে ভিন্নধর্মী দুটি চরিত্রে তাকে হাজির করার পরিকল্পনা করেছেন ফারাহ খান। এই ডাবল-রোল ভাবনাই নাকি অভিনেতাকে বেশ আগ্রহী করে তুলেছে।  দেশাত্মবোধক গল্পের ছোঁয়ায় ছবির কাহিনি আবর্তিত হবে, যেখানে অ্যাকশন ও হালকা কমেডিও থাকবে। ভারতের বিরুদ্ধে নতুন এক হুমকিকে কেন্দ্র করেই এগোবে ‘ম্যা হু না’-এর গল্প। নির্মাতা মূল ছবির আবহ বজায় রেখেই গল্পকে আধুনিকভাবে উপস্থাপনের পরিকল্পনা করছেন বলে জানা যায়। তবে সিক্যুয়েলে এবার আগের মতো কলেজ চত্বর নয়, বরং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে দেশপ্রেমের গল্প তুলে ধরা হবে।  উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত শাহরুখ-ফারাহ জুটি একসঙ্গে মোট তিনটি ছবি করেছেন। সবগুলোই বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। ২০০৪ সালে ‘ম্যা হু না’-র পর ২০০৭ সালে ‘ওম শান্তি ওম’ এবং ২০১৪ সালে ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ ভালো আয় করেছে।  কিছুদিন আগে নিজের ইউটিউব ভ্লগেও কিং খানকে নিয়ে আবারও ছবি বানানোর ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছিলেন ফারাহ। তাই ভক্তরাও এখন দুইয়ে দুইয়ে চার মেলানোর চেষ্টা করছে।     

১ ঘন্টা আগে
যেভাবে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন ব্র্যাড পিট

হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা ব্র্যাড পিট।  দীর্ঘ সময় ধরে তিনি নিজেকে ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষস্থানে ধরে রেখেছেন। প্রায় ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সম্পত্তির মালিক এই তারকা কেবল অভিনয়ের মাধ্যমেই এত সম্পদের পাহাড় গড়েননি। তার বর্তমান অবস্থার পেছনে অভিনয়, প্রযোজনা ও ব্যবসায়িক বুদ্ধিমত্তাই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।   ব্র্যাড পিট ১৯৯০-এর দশক থেকে হলিউডে সক্রিয় আছেন। তখন থেকে শুধুমাত্র অভিনয় দক্ষতা ও দর্শকপ্রিয়তার মাধ্যমেই নয়, ব্যক্তিগত আর্থিক সিদ্ধান্ত ও ব্যবসায় বিনিয়োগের মাধ্যমেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য পান ‘ফিউরি’খ্যাত এই তারকা।  পিট ক্যারিয়ারে দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন ব্লকবাস্টার সিনেমায় কাজ করেছেন এবং তার পারিশ্রমিকের পরিমাণও বেশ মোটা অঙ্কের। জানা যায়, সাম্প্রতিক কিছু সিনেমায় এ অভিনেতা ৩০ মিলিয়ন থেকে ৩৫ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিয়েছেন।  এর মধ্যে অ্যাপেল টিভির ‘এফ১’ ও ‘উলফ্স’ ছবিগুলো অন্যতম।  পরিচালনা ও প্রযোজনা ব্যবসা  ব্র্যাড পিট ‘প্ল্যান বি এন্টারটেইনমেন্ট’ নামে একটি প্রযোজনা কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা বেশকিছু বক্স অফিস হিট ছবি উপহার দিয়েছে।  ২০২২ সালে তিনি এই কোম্পানির ৬০ ভাগ মালিকানা একটি বড় ফরাসি মিডিয়া গ্রুপের কাছে বিক্রি করে দেন, যা তার সম্পদ বৃদ্ধিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে।  রিয়েল এস্টেট ও বিনিয়োগ  ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও বিনিয়োগেও পিট উল্লেখযোগ্য আয় করেছেন। তার সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বিলাসবহুল বাড়ি ও স্থাপনা, যার মূল্য কোটি ডলারের ওপর বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। মূলত ক্যারিয়ার ভিত্তিক সফলতার কারণেই ব্র্যাড পিট আজকে হলিউডের অন্যতম সম্পদশালী ও বিচক্ষণ ব্যবসায়ী অভিনেতা হিসেবে বিবেচিত।  সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া 

১ ঘন্টা আগে
ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। ছবি : সংগৃহীত
অন্যান্য
ইনকিলাব মঞ্চের আহতদের কেউ গুলিবিদ্ধ নয় : ঢামেক পরিচালক

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে অবস্থান করা ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। এ ঘটনায় আহত হয়ে প্রায় ৬০ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে কোনো গুলিবিদ্ধ বা পিলেট ইনজুরির রোগী পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।   শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি। ঢামেক পরিচালক বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের যারা কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মী আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে এসেছেন। এখন পর্যন্ত আমরা ৬০ জনের মতো রোগী রিসিভ করেছি। এখনো রোগী আসছে। এই রোগীগুলোর মধ্যে ৩০ জন রোগী পেয়েছি, যাদের এক্সটারনাল ইনজুরি আছে। তবে কোনো গুলিবিদ্ধ অথবা পিলেটের রোগী পাইনি। ঢামেক পরিচালক আরও বলেন, তাদের (আহতদের) স্কাল্প ইনজুরি, ফেস ইনজুরি, পায়ের ইনজুরি, এ ছাড়া শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ইনজুরি আছে, যেটা লাঠির আঘাতে হয়েছে। এ ছাড়া অনেকের ইনহেলেশন ইনজুরি আছে, যেটা টিয়ারসেলের কারণে হয়েছে। আমরা অক্সিজেন দিয়ে তাদের মোটামুটি সুস্থ করেছি। তবে কোনো রোগী আমরা এখনো ভর্তি করি নাই। হাসপাতালের প্রস্তুতি সম্পর্কে পরিচালক বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অনেক রোগী ছেড়ে দিয়েছি। আমাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে। তবে সমস্যা হলো, ক্রাউড কন্ট্রোল। আমাদের ২০০ চিকিৎসক উপস্থিত আছে, আমি নিজে উপস্থিত আছি। আমাদের চিকিৎসক, নার্সের কোনো স্বল্পতা নাই। ক্রাউড ম্যানেজ করা খুবই মুশকিল। কেউ কথা শুনতে চায় না; এটা একটা বড় সমস্যা। পরিচালক বলেন, জরুরি বিভাগ আমরা বৃদ্ধি করেছি। যাতে আমরা ২৫ জন রোগী একসাথে চিকিৎসা দিতে পারি, সেটা কোনো সমস্যা না। কিন্তু সমস্যা হলো, এক রোগীর সাথে ১০ থেকে ১৫ জন চলে আসে। তখন দিতে সমস্যায় পড়তে হয়। আমরা চেষ্টা করছি এর মধ্যে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে। আমরা জুলাইয়ে অসংখ্য রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছি। আমাদের যে চিকিৎসক, নার্স, স্টাফ রয়েছে চিকিৎসা দিতে আমাদের কোনো সমস্যা হবে না। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের অধীনে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। এ কারণে পুলিশ ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ের সামনে ব্যারিকেড স্থাপন করে। শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন-বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমাসহ কয়েকজন যমুনার দিকে অগ্রসর হতে চাইলে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরে যমুনার দিকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হলেও পথে মারধরের অভিযোগ তুলে তাঁরা ফিরে আসেন। এরপর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে অবস্থানরত ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে এগিয়ে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ প্রথমে জলকামান থেকে পানি ছোড়ে। পরে সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ এবং লাঠিপেটা করা হয়। এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে বোতল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র ও ডাকসু নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমাসহ একাধিক ব্যক্তি আহত হন। পরে তাঁদের অনেকেই ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নেন। ঘটনার পরপরই ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজ থেকে জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন; এমন দাবি করা হয়। তবে পুলিশ ও অন্তর্বর্তী সরকার উভয় পক্ষই এই দাবি অস্বীকার করেছে।   গত বছর ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেল থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তাঁকে মাথায় গুলি করার পর আততায়ীরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর মারা যান তিনি।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে টানা পতন এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে, যেখানে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে স্বর্ণের দাম।   শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪৩ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮৯৩ দশমিক ৫৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৯১৪ দশমিক ১০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এদিকে স্পট মার্কেটে রুপার দাম ৪ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৪ দশমিক ৩৭ ডলারে পৌঁছেছে। সাপ্তাহিক হিসাবে স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়লেও রুপার ক্ষেত্রে চিত্র ভিন্ন। গত সপ্তাহে ১৮ শতাংশ দরপতনের পর চলতি সপ্তাহে রুপার দাম আরও ১২ শতাংশের বেশি কমেছে, যা ২০১১ সালের পর নির্দিষ্ট এক সপ্তাহে সর্বোচ্চ পতন। অন্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৯৯৯ দশমিক ১৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৬৭৩ দশমিক ০৯ ডলারে পৌঁছেছে। এদিকে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামও ঊর্ধ্বমুখী। বর্তমানে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকা।

রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার ঘোষণা করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান | ছবি : সংগৃহীত
রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ঘোষণা তারেক রহমানের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে দলটি। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার ঘোষণা করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ‘জুলাই সনদ’ অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ ঘুচিয়ে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশ পরিচালনা করেছেন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আজ একটি নতুন ইতিহাসের সূচনা হয়েছে। নতুন নেতৃত্বের আবির্ভাব ঘটেছে। জাতি আজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। তার নেতৃত্বে দেশ একটি নতুন বার্তা পাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণসহ মোট ৯টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়।


শাহবাগ অবরোধ। ছবি : সংগৃহীত
সবাইকে নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার অনুরোধ জানাল ইনকিলাব মঞ্চ

চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই নতুন বার্তা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ১৩ মিনিটে সংগঠনটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ-সংক্রান্ত একটি পোস্ট প্রকাশ করা হয়।   পোস্টে ইনকিলাব মঞ্চ জানায়, ‘লীগ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে পরিস্থিতি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচারকে ভিন্নদিকে নেওয়া এবং নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা চলছে। এ অবস্থায় সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।’ এদিকে, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহিদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলনরত নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকেই শাহবাগে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা ‘ব্লকেড, ব্লকেড, শাহবাগ ব্লকেড’, ‘হাদি তোমায় দেখা যায়, ইনকিলাবের পতাকায়’, ‘কে বলেরে হাদি নাই, হাদি সারা বাংলায়’, ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’, ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘তুমি কে আমি কে, জাবির জাবির’, ‘বাংলাদেশের জনগণ, নেমে আসুন, নেমে পড়ুন’—এমন নানা স্লোগান দেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে রাজু ভাস্কর্য থেকে একটি মিছিল নিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা শাহবাগ মোড়ে পৌঁছান। সেখানে পৌঁছেই তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শাহবাগের ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলসংলগ্ন সড়ক থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। একই সঙ্গে জলকামান ব্যবহার করা হয়। পরিস্থিতি আরও জটিল হলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং কয়েক রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। আন্দোলনকারীদের দাবি, এ সময় পুলিশ ছররা গুলিও নিক্ষেপ করে।   সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হন বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এছাড়া ডাকসুর নেত্রী ফাতেমা তাসনিম জুমা, জকসুর নেত্রী শান্তা আক্তার, রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

ছবি : সংগৃহীত
তারেক রহমানের পক্ষে কাজ করার প্রতিশ্রুতি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা।   শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মহাখালীতে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়ক আব্দুস সালামের সাথে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মতবিনিময় সভায় এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণার অংশ হিসেবে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নির্বাচনে তারেক রহমানের পক্ষে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের কাছে সহযোগিতা চান আবদুস সালাম। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে সব ধর্ম-সম্প্রদায়ের মানুষের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে। বিএনপি সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। আব্দুস সালাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন কখনো কোনো ধর্মীয় বা সম্প্রদায়কে ক্ষতি করেনি। তবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন অতীতের নানা দুর্যোগের সময় অন্য ধর্মাবলম্বীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাই দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা তাদের কল্যাণেও প্রভাব ফেলবে। আর দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। তখন হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা ধানের শীষে ভোট দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।   মতবিনিময় সভায় উপস্থিত স্থানীয় হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের কাছে ধানের শীষে ভোট চান বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বিজন কান্তি সরকার। এ সময় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি : সংগৃহীত
মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র তার নাগরিকদের দ্রুত ইরান ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। শুক্রবার ইরানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ভার্চ্যুয়াল দূতাবাস এ সংক্রান্ত নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে।   একই দিনে ওমানের মাস্কাটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বৈঠক হয়। গত গ্রীষ্মের ১২ দিনের সংঘাতের পর এটি দুই দেশের প্রথম সরাসরি আলোচনা। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, নতুন কোনো চুক্তি না হলে সামরিক পদক্ষেপের বিকল্প খোলা আছে। ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ‘শূন্য পারমাণবিক সক্ষমতা’ নিশ্চিত করতে চায় এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ধ্বংসের দাবি জানাচ্ছে। আলোচনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থনের বিষয়ও উঠতে পারে। ইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত দাবির বিরুদ্ধে তারা আত্মরক্ষায় প্রস্তুত, তবে কূটনৈতিক পথও বন্ধ করতে চায় না। চীন তেহরানের অবস্থান সমর্থনের কথা জানিয়েছে। এরই মধ্যে ইরানের আশপাশে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়া হামলার চিত্র। ছবি: সংগৃহীত
নারী শিক্ষক প্রেম প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় শিক্ষার্থীর কাণ্ড

ভারতের উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরিতে স্কুলের এক নারী শিক্ষককে প্রকাশ্য রাস্তায় আক্রমণ করে তার ঠোঁট কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।  প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়া অখণ্ড প্রতাপ নামের ওই শিক্ষার্থী ঠোঁট কেটে দেয়। ঘটনার পর ওই শিক্ষক আগ্রার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অখণ্ড প্রতাপ নামের ওই শিক্ষার্থী দীর্ঘ দিন ধরেই ওই শিক্ষককে হেনস্তা করছিল। আগ্রা রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে পড়ার সময় থেকেই অখণ্ড ওই শিক্ষককে হেনস্তা করতে শুরু করে। শিক্ষকের ভাইয়ের অভিযোগ, হেনস্তার কারণে সেই শিক্ষক ওই স্কুল ছাড়তে বাধ্য হন। পরে তিনি অন্য একটি বেসরকারি স্কুলে যোগ দেন।  আগেই ওই শিক্ষার্থীর মায়ের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। তারপরেও অখণ্ড তাকে অনুসরণ করে নানাভাবে বিরক্ত করত। অভিযোগে বলা হয়, গত ২৬ জানুয়ারি অখণ্ড ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই শিক্ষককে আক্রমণ করে। জোর করে তার সঙ্গে কথা বলার সময়েই ওই আক্রমণ করা হয়। আক্রমণের একপর্যায়ে সে তার ঠোঁট কেটে দেয়। জ্যোতি তিহারা এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার ছবি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। বৃহস্পতিবার কোতোয়ালি থানার কর্মকর্তা ফতে বাহাদুর সিং জানান, এ  ঘটনায় গত ১ ফেব্রুয়ারি ওই শিক্ষকের পরিবার থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শিক্ষককে যৌন হেনস্তা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্তকে ধরার জন্য অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি। সূত্র: এই সময়

নিউজ ক্লিপস

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়া হামলার চিত্র। ছবি: সংগৃহীত
নারী শিক্ষক প্রেম প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় শিক্ষার্থীর কাণ্ড
মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬ 0

ভারতের উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরিতে স্কুলের এক নারী শিক্ষককে প্রকাশ্য রাস্তায় আক্রমণ করে তার ঠোঁট কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।  প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়া অখণ্ড প্রতাপ নামের ওই শিক্ষার্থী ঠোঁট কেটে দেয়। ঘটনার পর ওই শিক্ষক আগ্রার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অখণ্ড প্রতাপ নামের ওই শিক্ষার্থী দীর্ঘ দিন ধরেই ওই শিক্ষককে হেনস্তা করছিল। আগ্রা রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে পড়ার সময় থেকেই অখণ্ড ওই শিক্ষককে হেনস্তা করতে শুরু করে। শিক্ষকের ভাইয়ের অভিযোগ, হেনস্তার কারণে সেই শিক্ষক ওই স্কুল ছাড়তে বাধ্য হন। পরে তিনি অন্য একটি বেসরকারি স্কুলে যোগ দেন।  আগেই ওই শিক্ষার্থীর মায়ের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। তারপরেও অখণ্ড তাকে অনুসরণ করে নানাভাবে বিরক্ত করত। অভিযোগে বলা হয়, গত ২৬ জানুয়ারি অখণ্ড ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই শিক্ষককে আক্রমণ করে। জোর করে তার সঙ্গে কথা বলার সময়েই ওই আক্রমণ করা হয়। আক্রমণের একপর্যায়ে সে তার ঠোঁট কেটে দেয়। জ্যোতি তিহারা এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার ছবি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। বৃহস্পতিবার কোতোয়ালি থানার কর্মকর্তা ফতে বাহাদুর সিং জানান, এ  ঘটনায় গত ১ ফেব্রুয়ারি ওই শিক্ষকের পরিবার থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শিক্ষককে যৌন হেনস্তা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্তকে ধরার জন্য অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি। সূত্র: এই সময়

ছবি: সংগৃহীত
জাপানে ভারী তুষারপাতে ৩০ জনের মৃত্যু
মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬ 0

জাপানে অস্বাভাবিক ভারী তুষারপাতে গত দুই সপ্তাহে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৯১ বছর বয়সি এক বৃদ্ধাও রয়েছেন, যার মরদেহ নিজ বাড়ির সামনে তিন মিটার উঁচু তুষারের স্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল আওমোরিতে উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে।   দুর্গম এলাকাগুলোতে এখনো প্রায় ৪.৫ মিটার (প্রায় ১৫ ফুট) পর্যন্ত তুষার জমে আছে।   মঙ্গলবার সকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এক জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে তুষারপাতজনিত দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।   ফায়ার অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি জানায়, ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই তুষারপাতে মঙ্গলবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ জনে। মূলত জাপান সাগর উপকূলজুড়ে শক্তিশালী শীতল বায়ুপ্রবাহের কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অনেক এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ তুষার জমেছে।   পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আওমোরির আজিগাসাওয়া এলাকায় ৯১ বছর বয়সি বৃদ্ধা মরদেহটি তুষারের নিচে পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির ছাদ থেকে তুষার ধসে পড়ায় তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, আবহাওয়া উষ্ণ হলে জমে থাকা তুষার গলে পড়ে। তুষারের পরিমাণ ও তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে ছাদের নিচে থাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।   সোমবার আওমোরির গভর্নর সোইচিরো মিয়াশিতা জানিয়েছেন, তুষার সরাতে এবং একা বসবাসকারী বয়স্কদের সহায়তার জন্য তিনি সামরিক বাহিনীর সাহায্য চেয়েছেন।

ছবি: সংগৃহীত
ভারতের ‘চিকেনস নেক’ করিডোরে হঠাৎ পাতাল রেল তৈরির পরিকল্পনা
মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬ 0

জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের টানাপড়েন চলছেই। পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা এবং তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ঢাকা চীনের দিকে ঝুঁকায় ভারত নতুন মাত্রার উদ্বেগে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার নিজেদের কৌশলগত অঞ্চল ‘চিকেনস নেক’ ঘিরে বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।   সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘোষণা দিয়েছেন, এই সংবেদনশীল এলাকায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ ভূগর্ভস্থ রেল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।   ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য বা ‘সেভেন সিস্টার্স’-এর সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র যোগাযোগ পথ হলো শিলিগুড়ি করিডোর। এই করিডোরের প্রশস্ততা কিছু জায়গায় মাত্র ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার, যা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে অবরুদ্ধ হলে উত্তর-পূর্ব ভারত সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। চারপাশে অবস্থান করছে বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান, আর কয়েকশ কিলোমিটার দূরে চীনের সীমান্ত।   রেলমন্ত্রী বৈষ্ণব বলেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে দেশের বাকি অংশের সাথে যুক্ত করার জন্য ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই কৌশলগত করিডোরে বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে ভূগর্ভস্থ রেললাইন স্থাপন এবং বর্তমান লাইনগুলোকে চার লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।   নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের (এনএফআর) জেনারেল ম্যানেজার চেতন কুমার শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, ভূগর্ভস্থ অংশটি পশ্চিমবঙ্গের তিন মাইল হাট ও রাঙাপানি স্টেশনের মধ্যে বিস্তৃত হবে এবং নিরাপত্তার দিক থেকে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অংশের একটি লাইন বাগডোগরার দিকে যাবে, যা ভারতের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।   রেললাইনগুলো সমতল ভূমি থেকে প্রায় ২০-২৪ মিটার গভীরে স্থাপন করা হবে। বিদ্যমান দুই লেনের রেললাইনকে চার লেনে উন্নীত করা হবে। সব মিলিয়ে এই কৌশলগত করিডোরে মোট ছয়টি রেললাইন থাকবে—চারটি মাটির উপরে, দুটি মাটির নিচে।   ভারতের জন্য এই করিডোর দীর্ঘকাল ধরে দুর্বল জায়গা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। কোনো বিঘ্ন ঘটলে উত্তর-পূর্বাঞ্চল মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে, যা জরুরি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং সেনা চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি করবে।

ছবি: সংগৃহীত
আরব সাগরে মার্কিন রণতরীর পাশে আগ্রাসী ইরানি ড্রোন ভূপাতিত
মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬ 0

আরব সাগরে অবস্থিত মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর দিকে ‘আগ্রাসীভাবে ধেয়ে আসা’ ইরানের একটি ড্রোনকে গুলি করে ভূপাতিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।   ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টম হকিনস- এর বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন থেকে উড্ডয়ন করা একটি এফ-৩৫ স্টেলথ ফাইটর জেট ড্রোনটিকে গুলি করে ভূপাতিত করে।   মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ওই প্রতিবেদনে বিবিসি আরও জানায়, ড্রোনটি যখন এর দিকে অজানা উদ্দেশ্য নিয়ে উড়ে আসছিল তখন মার্কিন রণতরীটি ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ৫০০ মাইল দূরে অবস্থান করছিল বলে জনান ক্যাপ্টেন হকিনস। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় মার্কিন বাহিনীর কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।   ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে এখনও পরিস্থিতি উত্তপ্ত। এমন সময় মার্কিন রণতরীর আশপাশে ইরানের ড্রোনের আনাগোনা নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।   ইরান যদি এর চলমান পারমাণবিক প্রকল্প সীমিত করতে চুক্তিতে রাজি না হয় তবে দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি প্রয়োগের হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

বিশ্ব
অর্থনীতি
সারাদেশ
টেলিকম ও প্রযুক্তি