সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করলেন এমপি নজরুলের সহকারী

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলাসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন তার সাবেক গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী ওবায়দুর রহমান।   আজ সোমবার জীবনের নিরাপত্তা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট লিখিত আবেদন জানিয়েছেন তিনি।   লিখিত আবেদনে ওবায়দুর রহমান জানান, গত ১৪ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর পল্লবী থানাধীন উত্তর কালশীর আলীনগরে ‘রোজ গার্ডেন টাওয়ার ২’-এর ডি-২ ফ্ল্যাটে অবস্থান করছিলেন তিনি। সে সময় তাকে হত্যার উদ্দেশে লাঠিসোঁটা নিয়ে মারাত্মক হামলা চালান দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত পুলিশের সাবেক এসআই আমিন এবং ইউনুস সরদারের ছেলে মাসুম বিল্লাহ ও মোক্তাসিম বিল্লাহ। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওবায়দুরের ওপর শারীরিক হামলার শব্দ শুনে পাশের কক্ষ থেকে তার মা ও ছোট বোন এসে অনেক চেষ্টার পর তাকে উদ্ধার করেন। পরবর্তী সময়ে মা ও বোনের সহায়তায় একটি সিএনজিযোগে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। বর্তমানে তিনি আত্মগোপনে আছেন এবং হামলাকারীরা তাকে হত্যা করবে বলে হুমকি দিচ্ছে।   ওবায়দুর রহমানের দাবি, এই হামলার নির্দেশদাতা সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি দীর্ঘদিন গাজী নজরুলের ড্রাইভার ও পিএস হিসেবে কাজ করার সূত্রে তার নানা দুর্নীতি, জমি দখল, বালুমহাল দখল, ঘুষ গ্রহণ এবং নারীঘটিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী। লিখিত আবেদনে এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে একাধিক স্থানে অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণীকে নিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সিসিটিভি ফুটেজে তার প্রমাণ থাকার কথা উল্লেখ করেন ওবায়দুর রহমান। এই অবস্থায়, জীবনের চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিজের ও পরিবারের জীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

১ ঘন্টা আগে
জামায়াত এমপি নজরুলের কাবিননামা নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন কাজী

সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রবীণ সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একাধিক আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি ঢাকার মগবাজার এলাকার একটি শয়ন কক্ষ থেকে সিসিটিভি ও মোবাইল ক্যামেরায় ধারণ করা ওই ভিডিওগুলোতে এক তরুণীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায় তাকে। এ নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সামাজিক ও গণমাধ্যমগুলোতে বিষয়টি ফলাও করে প্রচার করা হয়। গত সোমবার রাতে ভাইরাল হওয়া প্রথম ভিডিওকে দলীয় সমর্থকদের অনেকে এআই দিয়ে তৈরি করা দাবি করলেও পরে এমপি নিজেই তার ব্যাখ্যা দেন। তিনি আলোচিত মরিয়ম খাতুন নামে তরুণীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন।   তবে জামায়াত এমপির বিয়ে ও ভার্চুয়াল জগতে ছড়িয়ে পড়া কাবিননামা নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। ১৭ জুন বিয়ে করেছেন বলে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করলেও কোথায় বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে তা কাবিননামা নিবন্ধনকারী কাজী জানেন না। কাজী জানিয়েছেন তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে গত পরশু (সোমবার) দিবাগত রাতে। তারপরই ঢাকা থেকে ফোনে দেওয়া তথ্য দিয়ে তিনি কাবিননামা প্রস্তুত করেছেন। কাবিননামার তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানার ১২ নং গাবুরা ইউনিয়নের কাজী মাওলানা বি এ এম বাকী বিল্লাহর সঙ্গে গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টায় আমার দেশ-এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়। তিনি মোবাইল ফোনে (০১৯১১৩৩২৬…) স্বীকার করেন বিয়ে কবে, কোথায় হয়েছে তিনি জানেন না। তাকে সোমবার রাতে জানানো হয়েছে, ঢাকায় বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। নিবন্ধন তাকে করতে হবে।   ভাইরাল ও আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠলে আলাদা দুটি ভিডিওতে তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন এবং তার পিতা মাসুম বিল্লাহ একই ধরনের বক্তব্য দেন। সেখানে বলা হয়েছে, পারিবারিকভাবেই তিন লাখ টাকা দেনমোহরে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে মরিয়মের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এটা নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তবে জামায়াতের প্রবীণ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এই এমপির এ ধরনের ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় দলটির অভ্যন্তরে চাপা অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে আরো খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ।   এদিকে গাজী নজরুলের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল এবং তা নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগের এক পর্যায়ে মোবাইল ক্যামেরায় ধারণ করা আরেকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। সেখানে একটি রুমে গাজী নজরুল ইসলাম এমপিকে তরুণীসহ অবরু্দ্ধ করে কয়েকজন ব্যক্তি। ওই ভিডিওতে এমপিকে উদ্দেশ করে লোকজনকে বলতে শোনা যায়Ñ জামায়াত হয়ে এই কাজ কীভাবে করলেন? কদিন এনেছেন? অন্যায় করেছেন কিনাÑইত্যাদি। এ সময় গাজী নজরুল মাথা নেড়ে অন্যায় স্বীকার করে বলেন, ‘বিশ্বাস করেন, আজই প্রথম’।   এ সময় মেয়েটির নাম জিজ্ঞাসা করা হলে অনেকক্ষণ চুপ থেকে সে নাম মাহি বলে জানায়। তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা ভিডিও ডিলিট করে দেন, সবকিছু বলছি। বলেও যা, না বলেও তা। আপনারা এটা নিয়েই তো ঝামেলা করবেন।’   এদিকে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মরিয়মের বিয়ের একটি কাবিননামাও ভার্চুয়াল জগতে ছড়িয়ে পড়ে। তাতে দেখা যায়, মেয়েটির জন্ম ২০০৮ সালের ২২ মে। তবে ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠানটি দ্য ডিসেন্ট মরিয়মের একটি বায়োডাটা সংগ্রহ করেছে, যেটিতে গাজী নজরুল ইসলাম এমপির গত ২২ জুন স্বাক্ষর করা সুপারিশ রয়েছে। বায়োডাটাটিতে এমপির স্বাক্ষরের উপরে সবুজ কালিতে হাতে লেখা রয়েছে, ‘জোর সুপারিশ করছি।’ বায়োডাটাটিতে মরিয়মের বৈবাহিক অবস্থা ‘অবিবাহিত’ লেখা রয়েছে।   ১৭ জুন বিয়ে করে থাকলে ২২ জুন এমপি স্বাক্ষরিত মরিয়মের বায়োডাটাতে ‘অবিবাহিত’ লেখা হয়েছে কেনÑ এ বিষয়ে জানতে পরবর্তীতে গাজী নজরুলকে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি বলে দ্য ডিসেন্ট তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।   কাজী যা বললেন কাজী বাকীবিল্লাহ আমার দেশ-এর প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আমাকে সোমবার রাতে ফোনে সংসদ সদস্য ও মেয়েটির বিয়ের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিয়ের নিবন্ধন ১৭ তারিখ দেখানো হয়েছে। তার ভাষ্য, কনের বাবা সরাসরি তার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় সম্মতি দিয়েছেন এবং কনে ও অভিভাবক মঙ্গলবার সকালে এসে কাবিননামায় স্বাক্ষর করেন। তিনি বলেন, বিয়ের তারিখ ১৭ তারিখ নির্ধারণ করে দিতে তাকে ফোনে জানানো হয়েছিল। মঙ্গলবার সংশ্লিষ্টরা স্বাক্ষর করেন।   কাবিননামায় কনের নাম ও জন্ম তারিখের অসঙ্গতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় তথ্য তাকে ফোনে জানানো হয়েছিল। জন্ম তারিখও সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী লিখেছেন বলে দাবি করেন। তার ভাষ্য, কনের বয়স ১৮ বছর ৩ মাস ছিল।   কথোপকথনের এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ১৭ তারিখকে বিয়ের তারিখ হিসেবে নির্ধারণ করতে তাকে ঢাকা থেকে ফোনে বলা হয়েছিল, আর স্বাক্ষর পরে নেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদকের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি একাধিকবার বক্তব্যে ভিন্নতা দেখান। শেষদিকে তিনি বলেন, ‘আচ্ছা ভাই, আমি যাতে বিপদে পড়ে না যাই, আমাদের বিপদে ফেলেছেন। ঠিক আছে, ঠিক আছে’ বলে সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।

১ ঘন্টা আগে
একাধিক স্থানে অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণীর সঙ্গে এমপি নজরুলের ভিডিও আছে, দাবি ড্রাইভারের

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন তার সাবেক গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারী ওবায়দুর রহমান।   এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি লিখিত আবেদন জানিয়েছেন। এতে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে একাধিক স্থানে অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণীকে নিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সিসিটিভি ফুটেজে তার প্রমাণ থাকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।   সোমবার (২০ জুলাই) জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট লিখিত আবেদন জানিয়েছেন ওবায়দুর রহমান।   ঘটনার বিবরণে ওবায়দুর রহমান জানান, বিগত ১৪ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টায় রাজধানীর পল্লবী থানাধীন উত্তর কালশীর আলীনগরে অবস্থিত ‘রোজ গার্ডেন টাওয়ার ২’-এর ডি-২ ফ্ল্যাটে তিনি অবস্থান করছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সেই সময় তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে লাঠিসোঁটা নিয়ে মারাত্মক হামলা চালায় তিন সন্ত্রাসী- আমিন (দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত পুলিশের সাবেক এসআই), মাসুম বিল্লাহ এবং মোক্তাসিম বিল্লাহ।   আবেদনে উল্লেখ করা হয়, তার উপর এ শারীরিক হামলার শব্দ শুনে পাশের কক্ষ থেকে তার মা ও ছোট বোন এসে অনেক চেষ্টার পর তাকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে মা ও বোনের সহায়তায় একটি সিএনজিযোগে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে ভর্তি হন তিনি। বর্তমানে তিনি আত্মগোপনে আছেন এবং হামলাকারীরা তাকে হত্যা করবে বলে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।   ওবায়দুর রহমানের দাবি, এ হামলার প্রধান নেপথ্য নির্দেশদাতা হলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি দীর্ঘদিন গাজী নজরুলের ড্রাইভার ও পিএস হিসেবে কাজ করার সূত্রে তার নানা দুর্নীতি, জমি দখল, বালুমহাল দখল, ঘুষ গ্রহণ এবং নারীঘটিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী বলে জানান।   লিখিত আবেদনে এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে একাধিক স্থানে অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণীকে নিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সিসিটিভি ফুটেজে তার প্রমাণ থাকার কথা উল্লেখ করেন ওবায়দুর রহমান।   এই অবস্থায়, জীবনের চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে তিনি এ হামলার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিজের ও পরিবারের জীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

৪ ঘন্টা আগে
দ্বিতীয় স্ত্রী নাকি চাকরির সুপারিশ? ভাইরাল ভিডিও নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ডাকসু নেত্রী

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বিতর্কে এবার প্রশ্ন ছুড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ক্যাফেটেরিয়া ও রিডিং রুম সম্পাদক উম্মে সালমা।   মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ফেসবুকে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দিয়েছেন তিনি।   ফেসবুকে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে উম্মে সালমা এমনভাবে প্রশ্ন সাজিয়েছেন যে, পাঠকদের অনেকেই সেটিকে ‘ওপেন বুক পরীক্ষা’ বলেও মন্তব্য করছেন।   পোস্টজুড়ে তিনি ভিডিওর সত্যতা নিয়ে রায় না দিয়ে বরং একের পর এক জবাবদিহির প্রশ্ন তুলেছেন।   উম্মে সালমার প্রথম প্রশ্ন, যদি ভাইরাল ভিডিওতে থাকা তরুণী সত্যিই এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী হন, তবে বিয়ের পরপরই তার চাকরির জন্য সুপারিশের প্রয়োজন পড়ল কেন? আর যদি চাকরির প্রতিশ্রুতি সম্পর্ক তৈরির অংশ হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   এরপর তিনি তরুণীর বয়স নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার ভাষায়, যদি ওই তরুণী সদ্য এসএসসি পরীক্ষার্থী হন, তাহলে তিনি প্রাপ্তবয়স্ক কি না, তা সরকারি নথির মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া উচিত। অন্যথায় বিষয়টি শুধু সামাজিক বিতর্ক নয়, আইনি প্রশ্নও তৈরি করতে পারে।   রাজনৈতিক দিক থেকেও জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ডাকসু নেত্রী। তার দাবি, অন্যান্য রাজনৈতিক দলে গুরুতর অভিযোগ উঠলে অন্তত সাংগঠনিক তদন্ত বা সাময়িক ব্যবস্থা নেওয়ার নজির রয়েছে। কিন্তু এখানে দল যদি শুরু থেকেই নেতার পক্ষে অবস্থান নেয়, তাহলে দলের নৈতিক অবস্থানও প্রশ্নের মুখে পড়বে।   পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির কোনো নেতার ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল হলে তা নিয়ে তুলনামূলক কম আলোচনা হয়, কারণ বিএনপি নিজেদের রাজনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে ধর্মীয় নৈতিকতার দাবি করে না। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী নৈতিকতা ও চরিত্রকে রাজনৈতিক পরিচয়ের অংশ হিসেবে তুলে ধরেছে। ফলে তাদের নেতাদের ক্ষেত্রে জনসাধারণের প্রত্যাশাও বেশি থাকে বলে মত দেন তিনি।   ধর্মীয় প্রসঙ্গ টেনে উম্মে সালমা জানান, ইসলামে বিবাহ প্রকাশ্যে করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গোপন বিয়ে বা সম্পর্ককে কেন্দ্র করে যাতে বিভ্রান্তি না ছড়ায়, সে বিষয়েও তিনি স্বচ্ছতার আহ্বান জানান।   নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি জানান, কাউকে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে দোষী বা নির্দোষ ঘোষণা করতে চান না। তবে ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের জবাবদিহির মান সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক বেশি হওয়া উচিত।   তার মতে, ব্যক্তিগত জীবন ও ক্ষমতার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্নমুক্ত না হলে সমাজকে নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়ার নৈতিক ভিত্তিও দুর্বল হয়ে যায়।

৪ ঘন্টা আগে
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ব
মোদির বাড়ির সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে অবস্থান নেওয়া রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দিল্লিতে মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা ছাড়াও বিরোধী দল ভারতীয় কংগ্রেসের অন্যান্য সদস্যদেরও আটক করা হয়।   প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে শুরু হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল দিল্লিতে তাদের ওপর ব্যাপক হামলা চালায় পুলিশ। ককরোচ পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে আজ দিল্লির লোককল্যাণ মার্গের সামনে অবস্থান নেন কংগ্রেস নেতারা।     সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, গতকাল সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে পুলিশ যে হামলা চালিয়েছে সেটির জবাব নিতে আজ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে যান কংগ্রেস নেতারা।   তারা দীর্ঘক্ষণ অবস্থান নেওয়ার পর মোদি সরকার প্রাথমিক দাবি মেনে নেওয়ার কথা জানায়। এরপরও অবস্থান নেওয়ায় তাদের জোরপূর্বক আটক করা হয়। রাহুল গান্ধীকে যখন পুলিশ সদস্যরা ধরে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখন তার নাক থেকে রক্ত বের হতে দেখা গেছে।   এদিকে গতকাল ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্টের দিকে অগ্রসর হয়েছিলেন। এরপর তাদের ওপর লাঠিচার্জ ও মারধর করা হয়।   এ নিয়ে রাহুল গান্ধী বলেছেন, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জবাব মোদি সরকারকে দিতে হবে এবং ভারতীয় তরুণদের ভবিষ্যত নষ্ট করার জন্য মোদিকে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে হবে।   সূত্র: এনডিটিভি

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ২১, ২০২৬

ছবি : সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে একাধিক তেলবাহী জাহাজে হামলা, বাড়ছে উত্তেজনা

হরমুজ প্রণালিতে একাধিক তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, প্রণালিতে চলাচলরত একটি তেলবাহী জাহাজ অজ্ঞাত একটি প্রক্ষেপণের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে জাহাজটির নাবিকরা জাহাজ ত্যাগ করে লাইফবোটে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। খবর রয়টার্সের।   মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউকেএমটিওর তথ্য অনুযায়ী, ওমানের লিমাহ উপকূল থেকে প্রায় আট নটিক্যাল মাইল পূর্বে এ ঘটনা ঘটে। তবে সংস্থাটি জাহাজটির নাম বা মালিকের পরিচয় প্রকাশ করেনি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।   অন্যদিকে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ দিক দিয়ে অতিক্রমের সময় বিস্ফোরণের পর দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে যায়।   আইআরজিসি জানায়, উদ্ধারকারী দল জাহাজ দুটির নাবিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছে। তবে কোন কোন জাহাজ এতে জড়িত ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।   ইউকেএমটিও যে জাহাজটির কথা বলেছে সেটি আইআরজিসির উল্লেখ করা দুটি জাহাজের একটি কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফাইল ছবি
আকাশপথে বড় চমক, ১০ এয়ারবাস আনছে সরকার

জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হচ্ছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ। আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে এয়ারবাসের সঙ্গে চূড়ান্ত ক্রয়চুক্তি সই করবে সরকার। নতুন উড়োজাহাজগুলো ২০৩১ সাল থেকে ধাপে ধাপে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হবে।    এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় এয়ারলাইন্সটি পূর্ণাঙ্গ মিশ্র বহর (মিক্সড ফ্লিট) বা বোয়িং ও এয়ারবাস—দুই নির্মাতার উড়োজাহাজ নিয়ে পরিচালিত হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিশ্র বহর পরিচালনার সুবিধা থাকলেও একই সঙ্গে পরিচালন ব্যয়ও বাড়তে পারে। তাই চুক্তির আগে পূর্ণাঙ্গ কস্ট-বেনিফিট বিশ্লেষণ করা অপরিহার্য।   এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম যুগান্তরকে বলেন, মিশ্র বহর পরিচালনার সুবিধা রয়েছে। তবে এর জন্য আলাদা পাইলট প্রশিক্ষণ, প্রকৌশলী, যন্ত্রাংশের মজুত এবং রক্ষণাবেক্ষণ অবকাঠামোর প্রয়োজন হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তটি অর্থনৈতিকভাবে যৌক্তিক কিনা এবং পুরো প্রক্রিয়াটি কতটা স্বচ্ছ। বিমানের রুট, যাত্রী চাহিদা, পরিচালন ব্যয় এবং ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই উড়োজাহাজ নির্বাচন করতে হবে।   বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) যুগান্তরকে বলেন, আমরা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিমানকে ধীরে ধীরে মিশ্র বহরে রূপান্তর করার। এতে ভবিষ্যতে উড়োজাহাজ সংগ্রহে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং একটি মাত্র নির্মাতার ওপর নির্ভরশীলতা কমবে। তিনি বলেন, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি হবে। দামসহ অন্যান্য বিষয় চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর জানানো হবে। দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।   সূত্রমতে, বাংলাদেশের কাছে উড়োজাহাজ বিক্রি নিয়ে গত কয়েক বছর ধরেই প্রতিযোগিতায় নেমেছে বিশ্বের দুই বৃহৎ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান,বোয়িং ও এয়ারবাস। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্যিক সমঝোতার অংশ হিসেবে বিএনপি সরকারের সময় বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের পর বাংলাদেশে তৎপরতা বাড়ায় এয়ারবাস। এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি, এয়ারবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর ১০টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে দুই পক্ষ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।   বর্তমানে বিমানের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বহরের আকার বেড়ে ২৯টিতে দাঁড়াবে, যা বর্তমানের তুলনায় প্রায় ৫২ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। বিমানের এই বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনা পৃথকভাবে নেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে বোয়িংয়ের ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাবিত ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তির সরাসরি সম্পর্ক নেই। ওই উড়োজাহাজগুলো ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে সরবরাহ পাওয়ার কথা রয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
টানা দশম রাতে ইরানে মার্কিন হামলা, পাল্টা জবাব তেহরানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর টানা দশম রাতের মতো ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ট্রাম্প বলেন, মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনায় ইরানকে চড়া মূল্য দিতে হবে। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে বিমান হামলা শুরু করে। খবর রয়টার্সের।   ইরানের পশ্চিমাঞ্চলের লোরেস্তান প্রদেশের খোররামাবাদের পার্বত্য এলাকায় হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। খোররামাবাদ শহরের আশপাশের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত একটি স্থাপনায় এ হামলা চালানো হয়। তবে হামলার লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   এর জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে নতুন দফা হামলা চালায়।   এরই মধ্যে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি আন্দোলন সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণার কথা জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে সংঘাতের নতুন ফ্রন্ট খুলতে পারে এবং উপসাগরের বাইরে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।   যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী জাহাজ অজ্ঞাত একটি প্রক্ষেপণের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে নাবিকরা জাহাজ ত্যাগ করে লাইফবোটে আশ্রয় নেন।   অন্যদিকে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ অংশ দিয়ে চলাচলের সময় বিস্ফোরণের পর দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে যায়। তবে ঘটনাগুলো ঠিক কখন ঘটেছে, তা স্পষ্ট করা হয়নি।   এদিকে, ওয়াশিংটনে মঙ্গলবার ব্যস্ত কূটনৈতিক সূচি রয়েছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণ এবং লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন করবেন তিনি।   এ ছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সিনেটের বরাদ্দবিষয়ক কমিটির সামনে উপস্থিত হয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে প্রশ্নের জবাব দেবেন। ওই বাজেটে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ পরিচালনার জন্য ৬০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

নেদারল্যান্ডস ও ইসরায়েলের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত
অবৈধ ইসরায়েলি বসতির পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে নেদারল্যান্ডস

অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে গড়ে ওঠা অবৈধ ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানির ওপর আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে নেদারল্যান্ডস। মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী টম বেরেন্ডসেন পার্লামেন্টে এ ঘোষণা দেন।   ডাচ সংবাদমাধ্যম আরটিএল নিওউস জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে পণ্য আমদানির চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ওই দিন থেকেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   নেদারল্যান্ডস সরকার বলছে, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বসতিগুলো আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। তাই এসব বসতি থেকে আমদানি করা পণ্য বাণিজ্যের মাধ্যমে তাদের টিকিয়ে রাখতে কোনো ধরনের অবদান রাখতে চায় না দেশটি।   নিষেধাজ্ঞার আওতায় মূলত কৃষিপণ্য থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাভোকাডো, খেজুর, কমলা, আঙুর ও বিভিন্ন ধরনের তাজা ভেষজ পণ্য । এছাড়া অধিকৃত গোলান মালভূমি থেকে উৎপাদিত পণ্য, বিশেষ করে সেখানে উৎপাদিত ওয়াইন এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হবে।   সরকারি হিসাবে, এসব অধিকৃত এলাকা থেকে নেদারল্যান্ডসে বছরে কয়েক কোটি ইউরো মূল্যের বাণিজ্য হয়। তবে এর সুনির্দিষ্ট আর্থিক পরিমাণ নির্ধারণ করা কঠিন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন স্থাপনায় আঘাতের দাবি ইরানের
মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২১, ২০২৬

হরমুজ প্রণালির আশপাশে টানা দশম রাতের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের সিরিক, বন্দর আব্বাস, বন্দর লেঙ্গেহ, কেশম দ্বীপ, চাবাহার, কোনারাক ও শিরাজে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসমৃদ্ধ বুশেহরেও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।   এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের হাইমার্স ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এ হামলা চালানো হয়েছে।   অন্যদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সপ্তাহের শেষে তিন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় ইরানকে এর মূল্য দিতে হবে। আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা জানায়, প্রেসিডেন্টের নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চলবে। তবে একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগও অব্যাহত রয়েছে।   এর আগে সোমবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মার্কিন সেনাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্র ২০ গুণ বেশি শক্তি নিয়ে হামলা চালাবে। তিনি বলেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও বর্তমানে নিরাপত্তা ও সামরিক অভিযানই অগ্রাধিকার।   এদিকে আইআরজিসি দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলীয় নৌপথে চলাচলের সময় বিস্ফোরণের পর দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন লেগেছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা জানায়, উদ্ধারকারী দল জাহাজ দুটির নাবিকদের নিরাপদে সরিয়ে নিচ্ছে।   আইআরজিসি আরও সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। সেক্ষেত্রে এই পথ দিয়ে তেল, গ্যাস বা রাসায়নিক সার রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না।   এ ছাড়া আইআরজিসির দাবি, বাহরাইনের মুহাররাক এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমান প্রতিরক্ষা রাডার এবং আল-রিফা এলাকায় একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ধ্বংস করা হয়েছে।   তাদের আরও দাবি, কুয়েতে পৃথক হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘপাল্লার রাডার, টেলিযোগাযোগ কেন্দ্র, স্যাটেলাইট গ্রহণ ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডারে আঘাত হানা হয়েছে। পাশাপাশি আলি আল সালেম বিমানঘাঁটির একটি এমকিউ-৯ ড্রোন হ্যাঙ্গারে হামলা চালিয়ে কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস বা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে।

ছবি : সংগৃহীত
নৌ অবরোধ আরও কঠোর করল যুক্তরাষ্ট্র
মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২১, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে টানা নবম দিনের মতো পাল্টাপাল্টি হামলা হয়েছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ আরও কঠোর করেছে এবং দেশটির ভেতরে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে ইরান বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে।   শাফাক নিউজ জানায়, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানি বন্দরে কোনো জাহাজ প্রবেশ বা বের হতে না দেওয়ার জন্য সাতটি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করা হয়েছে এবং একটি জাহাজ অচল করে দেওয়া হয়েছে। এর আগে সেন্টকম জানিয়েছিল, তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র, নৌ সক্ষমতা এবং অন্যান্য সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।   এদিকে ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, মার্কাজি প্রদেশের খোমেইন এবং শিরাজের কাছে নতুন করে মার্কিন বিমান হামলা হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৭ জুন থেকে শুরু হওয়া মার্কিন হামলায় এখন পর্যন্ত ৫০ জনের বেশি নিহত এবং ৫১৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।   অন্যদিকে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা বাহরাইনের সাখির বিমানঘাঁটির মার্কিন ড্রোন রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, সালমান বন্দরের টিএফ-৫৯ নৌ অবকাঠামো এবং কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজানে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর সহায়তা কেন্দ্র লক্ষ্য করে নতুন দফায় প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে।   জর্ডানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা পেত্রা জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করলে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলো ভূপাতিত করে। এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।   এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের হামলায় যদি আরও কোনো মার্কিন সেনা নিহত হন, তাহলে তেহরানকে ভয়াবহ জবাব দেওয়া হবে। তিনি যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী পিট হেগসেথ, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যানিয়েল কেইন এবং সামরিক কমান্ডারদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।   সেন্টকম ও বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৭ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে জর্ডানে ইরানের হামলায় দুজন এবং ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে ইরানি ড্রোন থেকে উদ্ধার করা বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করার সময় একজন নিহত হন।

ছবি : সংগৃহীত
১৯৮৩ সালের পর সর্বনিম্নে যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত
মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২১, ২০২৬

টানা দুই সপ্তাহ ধরে কমে ১৯৮৩ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেল মজুত (স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ-এসপিআর)।   শাফাক নিউজ জানায়, মার্কিন জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে কৌশলগত তেল মজুত থেকে আরও ৫১ লাখ ব্যারেল তেল কমে মোট মজুত দাঁড়িয়েছে ৩১ কোটি ১৪ লাখ ব্যারেলে। এর আগের সপ্তাহেও মজুত ৩০ লাখ ব্যারেল কমেছিল। ফলে ১৯৮৩ সালের মার্চের পর এটিই সর্বনিম্ন পর্যায়।   প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেল মজুত ১০ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেলের বেশি কমেছে। আন্তর্জাতিক জরুরি তেল ছাড় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মোট ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে ওয়াশিংটন।   ইরানকে ঘিরে সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ ও জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে এই তেল ছাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র।   মার্কিন জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত প্রায় ১৩ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।   এদিকে গত ১০ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত তেল মজুত মিলিয়ে মোট মজুত ছিল ৭২ কোটি ৬২ লাখ ব্যারেল, যা ১৯৮৪ সালের পর সর্বনিম্ন। ১৭ জুলাই শেষ হওয়া সপ্তাহের হালনাগাদ তথ্য আগামী বুধবার প্রকাশ করা হবে।   ১৯৭০-এর দশকের বৈশ্বিক তেল সংকটের পর যুক্তরাষ্ট্র এই কৌশলগত তেল মজুত গড়ে তোলে। বর্তমানে মেক্সিকো উপসাগরীয় উপকূলের ভূগর্ভস্থ লবণ গুহায় তেল সংরক্ষণ করা হয়, যার সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা প্রায় ৭১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল।

ছবি : সংগৃহীত
ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ সফল হয়েছিল, দাবি ইমরান খানের বোনের
মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ২১, ২০২৬

ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী জনগণকে বিভ্রান্ত করেছে বলে অভিযোগ করেছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোন নুরিন নিয়াজি। তার দাবি, এই অভিযানে পাকিস্তান সফল হয়নি, তবে সেনাবাহিনী পরাজয় আড়াল করতে ‘বিজয়ের গল্প’ প্রচার করেছে।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, এক সাক্ষাৎকারে নুরিন নিয়াজি বলেন, চার দিনের এই সংঘাত পাকিস্তানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব যেভাবে তুলে ধরেছে, বাস্তবে পরিস্থিতি তেমন ছিল না। তার মতে, ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ সফল হয়েছিল এবং পাকিস্তানের সেনাবাহিনী নিজেদের ব্যর্থতা গোপন করার চেষ্টা করেছে।   এ মন্তব্যের পর পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ) তাকে তলব করেছে। সংস্থাটির অভিযোগ, তিনি সামাজিক মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা, আপত্তিকর ও উসকানিমূলক’ তথ্য ছড়িয়েছেন।   সাক্ষাৎকারে নুরিন নিয়াজি আরও দুটি দাবি করেন, যদিও এর পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ দেননি। প্রথমত, তার দাবি, পাকিস্তান ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার সম্ভাব্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি নীরব সমঝোতার কারণে ভারত সংঘাত আর বাড়ায়নি।   দ্বিতীয়ত, তিনি বলেন, পাকিস্তান যাকে ‘মারকা-ই-হক’ নামে অভিহিত করেছে, সেই সামরিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হস্তক্ষেপ করেন এবং পাকিস্তানকে পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ করে দেন।   নুরিন নিয়াজির এসব বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পিএমএল-এন। দলটির নেতারা অভিযোগ করেন, তার মন্তব্য পাকিস্তানের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থি।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
বিশ্ব
অর্থনীতি