সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
পেশি গঠনে সহায়ক ৭ খাবার, রাখুন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়

অনেকেই পেশি শক্তিশালী করতে নিয়মিত শরীরচর্চা করেন। কেউ কেউ নিয়ম করে জিমেও যান। তবে পেশি মজবুত করতে শুধু শরীরচর্চা বা জিমেই যাওয়া যথেষ্ট নয়। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিছু খাবারও যোগ করা জরুরি। পেশির ক্লান্তি দূর করতে, খিঁচুনি রোধ করতে এবং পেশিকে মজবুত ও শক্তিশালী রাখতে পটাশিয়াম একটি অপরিহার্য খনিজ।    এটি আপনার শরীরে তরল ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা সচল রাখে। শরীরে পটাশিয়ামের পরিমাণ কমে গেলে পেশির দুর্বলতা, ক্র্যাম্প বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ কারণে পেশি মজবুত করতে খাদ্যতালিকায় পটাশিয়ামযুক্ত খাবার প্রয়োজন হয়।   চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন খাবারগুলো পেশি শক্তিশাল করে— আলু আলুতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। বিশেষ করে খোসাসহ আলু খেলে এর গুণাগুণ আরও বেড়ে যায়। এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট ওয়ার্কআউটের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায় এবং ব্যায়ামের পর পেশির গ্লাইকোজেন স্টোর রিকভার করতে সাহায্য করে। আর ডিম, মাছ, মুরগির মাংস বা ডালের মতো প্রোটিন যুক্ত খাবারের সঙ্গে সেদ্ধ আলু খেতে পারেন।   পালংশাক পালংশাকে পটাশিয়ামের পাশাপাশি ফোলেট, ভিটামিন কে এবং অন্যান্য মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট থাকে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পুষ্টির পরিমাণ বাড়াতে ডাল, সবজির তরকারি, স্যুপ বা অমলেটে পালং শাক মিশিয়ে নিতে পারেন। নিয়মিত ডায়েটে এই ধরনের শাকপাতা রাখলে শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি মেটে।   কলা কলা পটাশিয়াম ও কার্বোহাইড্রেটের দারুণ একটি উৎস। এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট আপনার শরীরে শক্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। অন্যদিকে পটাশিয়াম পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কাজ বজায় রাখে। এ কারণে ওয়ার্কআউট শুরু করার আগে একটি কলা খেলে শরীরে ভরপুর শক্তি পাবে।    টকদই টকদইয়ে প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি পটাশিয়ামও থাকে। ব্যায়ামের পর ভারি খাবার বা স্ন্যাকস হিসেবে এটি খেতে পারেন। চিনি ছাড়া টকদইয়ের সঙ্গে ফল, ওটস বা বাদাম মিশিয়ে খেলে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির দারুণ ভারসাম্য তৈরি হয়।    ডাল ডাল, ছোলাসহ অন্যান্য শস্যদানায় পটাশিয়াম, উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, ফাইবার এবং কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়। যারা নিরামিষ খান, তাদের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি পেশি ঠিক রাখতে এ খাবারগুলো ভালো কাজ করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডাল কিংবা ছোলার মতো খাবার রাখলে শরীর পর্যাপ্ত পটাশিয়াম ও প্রোটিন পায়।   ডাবের পানি ডাবের পানিতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও তরল থাকে। ব্যায়ামের পর আপনার শরীরে পানির ঘাটতি থাকে। সেই ঘাটতি মেটাতে ও ক্লান্ত পেশিকে আরাম দিতে ডাবের পানি খুব ভালো কাজ করে।   অ্যাভোকাডো অ্যাভোকাডোতে পটাশিয়াম, ফাইবার ও আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। সালাদ, স্যান্ডউইচ বা অন্য যেকোনো সুষম খাবোরের সঙ্গে অ্যাভোকাডো খেতে পারেন। 

৩৫ মিনিট আগে
টানা চার মাস বাড়ছে তেলের দাম, হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উদ্বেগ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে টানা চার মাস ধরে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম। এর মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারে নতুন করে হামলার ঘটনায় সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা বেড়েছে। এতে শুক্রবারও বেড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম।   শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দেড়টার দিকে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের ডিসেম্বরের চুক্তির দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার ৭১ সেন্ট বা ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেড়ে ১১৬ ডলার ৫৯ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে জানুয়ারির চুক্তিতে ব্রেন্টের দাম বেড়ে হয়েছে ১১২ ডলার ৫১ সেন্ট।   অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার ৪৫ সেন্ট বা ১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে ১০৩ ডলার ৪৫ সেন্টে পৌঁছেছে।   চলতি মাসে ব্রেন্টের দাম প্রায় ১৩ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম প্রায় ১৪ শতাংশ বাড়তে যাচ্ছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, শুক্রবার হরমুজ প্রণালিতে একটি ছোট নৌকা থেকে বিস্ফোরক লাগিয়ে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছে।    তবে কারা এ হামলার পেছনে রয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।   হরমুজ প্রণালি উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। ফলে এ পথে নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়লে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।   এ বিষয়ে এমএসটি মার্কির জ্বালানি গবেষণা বিভাগের প্রধান শল কাভোনিক বলেন, হরমুজ প্রণালির আশপাশে সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় আগামী কয়েক সপ্তাহে সংঘাত আরও বাড়তে পারে। এ আশঙ্কায় তেলের দাম চড়া অবস্থানে রয়েছে।   এর আগে বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের একাধিক স্থাপনায় হামলার দাবি করে। এর মধ্যে দেশটির বৃহত্তম তেল শোধনাগার রাস তানুরা, রাবিগ শোধনাগার এবং সৌদি আরামকোর আবকাইক উৎপাদনকেন্দ্র রয়েছে। অন্যদিকে হুথিদের ছোড়া একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।   এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চিকিৎসাসামগ্রী পাঠানোর বিষয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স দেশটির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরুর উদ্যোগের অংশ হিসেবে তেহরানে চিঠিও পাঠিয়েছেন ভ্যান্স। তবে ইরান এখনো চিঠির জবাব দেয়নি।   সাক্সো ব্যাংকের পণ্যবাজার কৌশল বিভাগের প্রধান ওলে হ্যানসেনের মতে, ইসরাইলের পার্লামেন্ট নির্বাচন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচন ঘিরেও আগামী কয়েক সপ্তাহে তেলের বাজারে অস্থিরতা বাড়তে পারে।

৩৮ মিনিট আগে
এআই খাতে বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে ফের বড় দরপতন

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল আর্থিক ফল প্রকাশের পর শুক্রবার বিশ্ববাজারে প্রযুক্তি খাতের শেয়ারে আবারও বড় দরপতন হয়েছে।    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিপুল বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগে থেকেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে উদ্বেগ ছিল, নতুন আর্থিক প্রতিবেদন তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।   খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।   এদিকে বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিময় প্ল্যাটফর্মে বড় ধরনের সাইবার হামলার খবরের পর বিটকয়েনের দরও ব্যাপকভাবে কমেছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এটি এ ধরনের হামলার মধ্যে বিশ্বের অন্যতম বড় ঘটনা হতে পারে।   এআই-সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারে বড় ধরনের দরপতন দেখা গেছে। অ্যামাজনের সর্বশেষ প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনে মুনাফা ও আয়—দুটিই বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল। অন্যদিকে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের প্রসেসরের চাহিদা কমে যাওয়া এবং সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যার কারণে ইন্টেলের সম্ভাব্য আয়ও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।   এর একদিন আগে গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট বিজ্ঞাপন ও সার্চ ব্যবসায় প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল আয় বৃদ্ধির তথ্য প্রকাশ করে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি এআইসহ বিভিন্ন খাতে মূলধনি ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানায়।   এর পর যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে লেনদেন-পরবর্তী সময়ে অ্যালফাবেটের শেয়ারের দাম ১২ শতাংশের বেশি কমে যায়। অ্যামাজনের শেয়ার কমে ৭ শতাংশের বেশি। এর আগে নিয়মিত লেনদেন শেষ হওয়ার আগেই প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমেছিল। ইন্টেলের শেয়ারের দরপতন হয় প্রায় ২৩ শতাংশ। সব মিলিয়ে নাসডাক সূচক ১ শতাংশের বেশি কমে লেনদেন শেষ করে।   এশিয়ার বাজারেও শুক্রবার এই দরপতনের প্রভাব অব্যাহত ছিল। দক্ষিণ কোরিয়ার চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এসকে হাইনিক্সের শেয়ারের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী স্যামসাংয়ের শেয়ার কমেছে ৬ শতাংশের বেশি।   জাপানের সেমিকন্ডাক্টর প্রতিষ্ঠান কিওক্সিয়া ও অ্যাডভানটেস্টের শেয়ারের দাম ৯ শতাংশের বেশি কমেছে। সফটব্যাংকের শেয়ার কমেছে প্রায় ৭ শতাংশ। তাইওয়ানের টিএসএমসির শেয়ারের দাম কমেছে ১ শতাংশের বেশি।   ফ্লাডলাইনস রিসার্চের বিশ্লেষক আনা উ বলেন, ‘এবারের আর্থিক ফল প্রকাশের মৌসুম এআই খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে। এআই খাতে বুদ্বুদের আশঙ্কা এবং মূল্যস্ফীতির উদ্বেগের কারণে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানকেই শেয়ারবাজারে বড় দরপতনের মুখে পড়তে হচ্ছে।’   তিনি আরও বলেন, ‘উদ্বেগের বিষয় এই নয় যে এআইয়ের চাহিদা ইতোমধ্যে কমে গেছে, বরং ঋণের ব্যয় বৃদ্ধি এবং ঋণঝুঁকির কারণে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো শেষ পর্যন্ত এআই অবকাঠামো সম্প্রসারণের গতি কমিয়ে দিতে বাধ্য হতে পারে।’   এই বিক্রির চাপ এশিয়ার অন্যান্য শেয়ারবাজারেও ছড়িয়ে পড়ে। দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল বাজারের সূচক ৫ শতাংশের বেশি, জাপানের টোকিও বাজার ২ শতাংশের বেশি এবং তাইওয়ানের তাইপে বাজার ৩ শতাংশের বেশি কমেছে।   এছাড়া সাংহাই, সিঙ্গাপুর ও ম্যানিলার শেয়ারবাজারেও দরপতন হয়েছে। তবে হংকং, সিডনি ও ওয়েলিংটনের বাজারে সূচক বেড়েছে।   সপ্তাহের শুরুতে বাজারে যে আশাবাদ দেখা গিয়েছিল, শুক্রবারের এই দরপতন ছিল তার সম্পূর্ণ বিপরীত। এর আগে এসকে হাইনিক্স জানিয়েছিল, তাদের পরিচালন মুনাফা ৬৩২ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিক তাদের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও আবেদনে জানিয়েছিল, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে তাদের আয় প্রায় ১ হাজার ৩০০ শতাংশ বেড়েছে।   এআই খাতে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিপুল বিনিয়োগের বিপরীতে কবে পর্যাপ্ত মুনাফা আসবে, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ কাটেনি। পাশাপাশি ঋণ গ্রহণের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা নিয়েও শঙ্কা বাড়ছে।   এখন বিনিয়োগকারীদের নজর আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকে। এ নির্বাচনের ফল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতার মেয়াদের শেষ দুই বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।   কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, নির্বাচনের পর ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে পারেন। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও ব্যাপকভাবে বেড়ে যেতে পারে।   এমসিএইচ মার্কেট ইনসাইটসের বিশ্লেষক মাইকেল হিউসন বলেন, ‘নির্বাচন শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে পারে—এমন আলোচনা চলছে। তবে ট্রাম্প যদি কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারান, তাহলে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল এ ধরনের সিদ্ধান্তে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিশ্চিত নয়।’   তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের ফল শেয়ারবাজারের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার ছাড়িয়ে গেলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। বাজারের জন্য এটি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের চেয়েও বড় ঝুঁকি।’   ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা বাড়ার আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনের পর। এতে বলা হয়, ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক শীর্ষ সামরিক কমান্ডার তাঁকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের বিভিন্ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেছেন।   এর পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দুই প্রধান বেঞ্চমার্কের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম গত এপ্রিলের পর প্রথমবারের মতো ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।   ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিময় প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্স বড় ধরনের সাইবার হামলার শিকার হয়েছে—এমন খবর প্রকাশের পর বিটকয়েনের দাম প্রায় ৫ শতাংশ কমে এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। প্রতি বিটকয়েনের দাম দাঁড়ায় প্রায় ৭৬ হাজার ৪০০ ডলার।   বাইন্যান্স জানিয়েছে, সম্ভাব্য বড় ধরনের অর্থ চুরি ঠেকাতে ২৫০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ আটকে রাখা হয়েছে।   দৈনিক লেনদেনের পরিমাণের হিসাবে বিশ্বের বৃহত্তম এই ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিময় প্ল্যাটফর্মটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একাধিক বার্তা প্রকাশ করেছে। এসব বার্তার কোনো কোনো বক্তব্যে অসংগতি থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, ব্যবহারকারীদের অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে। একই সঙ্গে চুরি বা ক্ষতির ঘটনায় সব ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে তারা।   হামলার প্রকৃত ব্যাপ্তি তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে ব্লকচেইন বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান চেইনঅ্যানালাইসিসের ধারণা, এ ঘটনায় প্রায় ৫৯১ কোটি ২০ লাখ ডলারের ক্রিপ্টো সম্পদ চুরি হয়েছে। গত বছর বাইবিট থেকে রেকর্ড ১৫০ কোটি ডলারের সম্পদ চুরির ঘটনার তুলনায় এই চুরির পরিমাণ প্রায় চার গুণ।

৪৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৩ জনের

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যে মাঝ আকাশে দুটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর)  বিকেলে একটি ছোট বিমানবন্দরের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর বিবিসির   কর্তৃপক্ষ জানায়, ম্যাকমিনভিল মিউনিসিপ্যাল বিমানবন্দরের কাছে রবিনসন আর২২ এবং এয়ারবাসের একটি হেলিকপ্টারের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরপর দুটি হেলিকপ্টারই মহাসড়কের পাশের একটি খোলা মাঠে বিধ্বস্ত হয়।   নিহতদের মধ্যে একজন ২২ বছর বয়সি ফ্লাইট প্রশিক্ষক ছিলেন। তার সঙ্গে একই হেলিকপ্টারে ছিলেন যুক্তরাজ্যের এক শিক্ষানবিশ পাইলট। অন্য হেলিকপ্টারটিতে থাকা একমাত্র আরোহীও প্রাণ হারিয়েছেন।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রবিনসন আর২২ হেলিকপ্টারে থাকা ফ্লাইট প্রশিক্ষকের নাম ম্যাডি আসবো। তবে যুক্তরাজ্যের শিক্ষানবিশ পাইলটের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তার স্বজনদের দুর্ঘটনার খবর জানাতে কনস্যুলেট ও এফবিআইয়ের সঙ্গে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।   অন্য হেলিকপ্টারটির একমাত্র আরোহীর নাম টাইলার ডেলেন স্টারডেভ্যান্ট (৩৮)। তিনি ওরেগনের নিউবার্গ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।   এ দুর্ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) এবং ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে।   বিবিসি জানিয়েছে, দুর্ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে এফএএর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।   দুর্ঘটনাকবলিত একটি হেলিকপ্টার পরিচালনা করত জেরি ট্রিম্বল হেলিকপ্টারস নামের একটি ফ্লাইট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান ম্যাকমিনভিল মিউনিসিপ্যাল বিমানবন্দরে।   এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তাদের একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় জড়িত হওয়ায় তারা গভীরভাবে শোকাহত। তদন্তকারীদের সঙ্গে তারা পূর্ণ সহযোগিতা করছে।   এদিকে উদ্ধার ও তদন্ত কার্যক্রম চলাকালে সাধারণ মানুষকে দুর্ঘটনাস্থল এড়িয়ে চলার অনুরোধ জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

৪৪ মিনিট আগে
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়
তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার, জিজ্ঞাসাবাদে দীপের চাঞ্চল্যকর তথ্য

ঢাকার উত্তর খানের তুরাগের নদের রাজবাড়ী ঘাট থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কেএম তাহসিফ সাউরির (২৮) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, এর কাছের এলাকায় একটি মোটরসাইকেল পাওয়া গেছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) হেফাজাতে আছেন তাহসিফের ‘বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই’ আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন তিনি।   নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, দীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তাকে নিয়ে বেশ কয়েকটি স্পটে গিয়েছি। জিজ্ঞাসাবদে দীপ জানিয়েছেন, তারা ঘটনাস্থলে কথা বলছিলেন। এ সময় পুলিশের কিছু সদস্য তাহসিফকে ধাওয়া করলে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন। আর দীপ পালিয়ে আসেন।   তবে দীপের এই বক্তব্য যাচাই বাচাই করা হচ্ছে জানান তিনি। ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।    গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি বলছে, লাশ উদ্ধারের স্থান থেকে ৫০ গজ দূরে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় মোটরসাইকেল পাওয়া যায়।   পিবিআই কর্মকর্তারা বলছেন, রাজবাড়ী ঘাট এলাকাটি মাদকের স্পট হিসেবে পরিচিত। মাদক কারবারিদের ধাওয়া খেয়ে তাহসিফ নদে পড়ে ডুবে যেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।   পিবিআই সদর দপ্তরের আইন ও গণমাধ্যম শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ আজ শুক্রবার সকালে গণমাধ্যমকে বলেন, উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটি তাহসিফের কিনা, তা যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে তারা ধারণা করছেন, মোটরসাইকেলটি তারই হবে।   উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটি রাজধানীর উত্তরখান থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার তদন্তে নৌ পুলিশকে সহায়তা করছে পিবিআই।   তাহসিফ গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরার বাসা থেকে বের হন। সেদিন দিবাগত রাত ১টা ৩৫ মিনিটে মাকে মুঠোফোনে বার্তা (ভয়েস মেসেজ) পাঠিয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, বাসায় ফিরছেন। কিন্তু আর ফেরেননি।   তাহসিফের মৃত্যু নিয়ে তার বাবা কেএম এনায়েতুল করিম সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, এটা আত্মহত্যা নয়। সরকার তদন্ত করলে প্রকৃত অপরাধীদের বের করতে পারবে।

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ৩০, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
নিষেধাজ্ঞার জাল ভেদ করে মিসাইলের কাঁচামাল সংগ্রহ করছে ইরান

পশ্চিমা বিশ্বের টানা নিষেধাজ্ঞা এবং যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নৌ-অবরোধকে পুরোপুরি বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ইরান এক বিশাল ও গোপন সামরিক ক্রয় নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে আসছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পাঁচ হাজারের বেশি সামরিক সংলগ্ন সংস্থার মাধ্যমে তেহরান কোটি কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম, বিস্ফোরক এবং ক্ষেপণাস্ত্র তৈরীর কাঁচামাল আমদানি করেছে। আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও তেহরান দাবি করেছে যে, বিগত যুদ্ধগুলোর চেয়ে বর্তমানে তাদের সামরিক প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অনেক বেশি শক্তিশালী।   রয়টার্সের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, এই নেটওয়ার্কের কেবল একটি সংস্থাই ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত অর্থাৎ মাত্র ১৮ মাসে ২৩০০ কোটি (২.৩ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার সমপরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম আমদানি করেছে। এসব আমদানিকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে রকেট জ্বালানির উপাদান, বিমানের যন্ত্রাংশ, উন্নত শিল্পযন্ত্র এবং শত শত ভারী ট্রাক।   অনুসন্ধানে ‘এমওডি’ দিয়ে নাম শুরু হওয়া এমন ৫০০০টিরও বেশি সংস্থার সন্ধান মিলেছে। এটা মূলত ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ করে। এসব প্রতিষ্ঠানের সবকটিই তেহরানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনীর লজিস্টিক বিভাগের ঠিকানায় নিবন্ধিত। এর মধ্যে কয়েকটি শক্তিশালী ব্যবসায়িক সংগঠন বা বোনিয়াদ এবং ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সাথে সম্পর্কিত। নথি অনুযায়ী ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সংস্থাগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠাকাল উল্লেখ করা হলেও অধিকাংশ সংস্থাই তৈরি হয়েছিল ২০১৩ সালে। তখন মূল ইরান চরম আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছিল।   ইসরায়েলি-আমেরিকান ঝুঁকি বিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান '২৪০ অ্যানালিটিক্স'-এর সহযোগিতায় রয়টার্স ইরানের প্রায় ১৯ হাজার আমদানির তথ্য, ব্যাংকিং রেকর্ড ও কর্পোরেট নথি বিশ্লেষণ করে দেখেছে যে, তেহরান আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান এবং তেল বিক্রির অর্জিত অর্থ ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী এই লেনদেনগুলো সম্পন্ন করেছে। পর্যালোচনা করা মোট চালানের ৯৭ শতাংশ ক্ষেত্রেই কোনো সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রা স্থানান্তর ছাড়াই লেনদেন নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যার ফলে ইরানের বাইরে রক্ষিত তহবিল থেকে সহজেই অর্থ পরিশোধ করা সম্ভব হয়। তবে এই নির্দিষ্ট সংস্থাগুলোর ওপর পশ্চিমাদের পৃথক নিষেধাজ্ঞা ছিল না।   নির্দিষ্টভাবে ‘এমওডি ৩৪৬৪২৮’ নামের সংস্থাটি ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে বিপুল পরিমাণ রকেট জ্বালানির রাসায়নিক, বিস্ফোরক, পেসিশন মেশিনারি এবং ৪৩৫টি ইভেকো ট্রাক আমদানি করেছে। এর মধ্যে অনেক ট্রাকই ছদ্মবেশী মোবাইল ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকারী হিসেবে ব্যবহারযোগ্য। এছাড়া হাজার হাজার টয়োটা হিল্যাক্স, ল্যান্ড ক্রুজার এবং টুন্ড্রা ট্রাক আমদানির তথ্যও নথিতে রয়েছে। যদিও গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, থার্ড পার্টির মাধ্যমে এসব গাড়ি পুনঃবিক্রি হওয়ায় তাদের কিছু করার ছিল না। নথিতে আরও দেখা যায়, যুদ্ধ শুরুর ঠিক পূর্বে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইরান চীন থেকে ৯৩ মেট্রিক টন টাইটানিয়াম ও শত শত টন রাসায়নিক পদার্থ আমদানি করে। তাছাড়া রাশিয়া থেকে মোট ৭৬ লাখ ডলারের ৫টি চালানে ডেটোনেটর আনা হয়, যার একটি চালান পৌঁছেছিল ২০২৬ সালের জুনেই। যুদ্ধ শুরুর পর মার্চ মাসে আমদানি কিছুটা কমলেও মে মাসেই তা আবার উর্ধমুখী হয়। রাশিয়া থেকে কাস্পিয়ান সাগর পাড়ি দিয়ে, মধ্য এশিয়া হয়ে ট্রাকে এবং চীন থেকে কার্গো বিমানে করে এসব সরঞ্জাম ইরানে পৌঁছায়।   এই কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক চরম উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদরেজা আরেফ নিশ্চিত করেছেন যে, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং দেশটি খুব সহজেই এটি পরিচালনা করছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি এখন শত্রুর জন্য ভীতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এই প্রণালী ইরানেরই অংশ। তেহরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অতীতের ১২ দিনের বা ৪০ দিনের যুদ্ধের চেয়েও বহুগুণ শক্তিশালী বলে তিনি দাবি করেন। আরেফের এই কঠোর বক্তব্য এমন সময়ে এলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আবারও ইরানের ওপর সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে আঞ্চলিক দেশগুলো কূটনৈতিক উপায়ে বড় ধরনের যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।   ইরানের বিরুদ্ধে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে শুরু করে ২০০৬ সালের জাতিসংঘ পারমাণবিক নিষেধাজ্ঞা, ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়া এবং সর্বশেষ ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানির স্ন্যাপব্যাক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ জাতিসংঘ নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের মতো দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ২০২৬ সালে মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাত ও নৌ-অবরোধ সত্ত্বে তেহরান যেভাবে এই সরবরাহ লাইন সচল রেখেছে, তা বিশ্বজুড়ে বিদ্যমান সামরিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা নিয়ে বড় ধরণের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।   সূত্র: গালফ নিউজ

ছবি: সংগৃহীত
ইউরোপের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি রয়েছে রাশিয়ার: পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধে রাশিয়া পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে মস্কো এমন কোনো সংঘাত চায় না।   যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এ খবর জানিয়েছে।   খবরে বলা হয়, নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে ফোনালাপের পর বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এসব মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। ফোনালাপের পর পুতিন বলেন, ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে নেয়া উদ্যোগকে তিনি সমর্থন করেন।   তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইউরোপের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য রাশিয়া প্রস্তুত। উত্তেজনা যদি এমন পর্যায়ে পৌঁছায়, যেখানে যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে ওঠে, তাহলে কোনো পক্ষই জয়ী হবে না। পশ্চিমা দেশগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে পুতিন বলেন, ‘আমরা প্রস্তুত, তবে ইউরোপের সঙ্গে কোনো যুদ্ধ চাই না। তবে তাদের মধ্যে কেউ যদি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে চায়, তাহলে তারা তা নিতে পারে।’   ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেও একই ধরনের অবস্থান জানিয়েছিলেন পুতিন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধ করার পরিকল্পনা করছি না। তবে ইউরোপ যদি হঠাৎ আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং তা শুরু করে, তাহলে আমরা এখনই প্রস্তুত।’   বৃহস্পতিবার পুতিন আরও বলেন, রাশিয়ার কৌশলগত পরাজয় নিশ্চিত করার লক্ষ্য অর্জনে পশ্চিমারা ব্যর্থ হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে কোনো পক্ষই জয়ী হবে না’। আর ইউরোপীয় দেশগুলোকে এই বিষয়টি ‘ভুলে না যাওয়ার’ আহ্বান জানান তিনি।   এর আগে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাব এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোরের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন পুতিন। রুশ নেতা জানান, ইউরোপীয় নেতারাই এই ফোনালাপের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি আলোচনাটিকে সঠিক পথে এগিয়ে যাওয়ার একটি পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন।   সূত্র: টেলিগ্রাফ

জ্বালানি তেলের দাম আরও বেড়েছে। সংগৃহীত ছবি
টানা চার মাস বাড়ছে তেলের দাম, হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উদ্বেগ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে টানা চার মাস ধরে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম। এর মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারে নতুন করে হামলার ঘটনায় সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা বেড়েছে। এতে শুক্রবারও বেড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম।   শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দেড়টার দিকে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের ডিসেম্বরের চুক্তির দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার ৭১ সেন্ট বা ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেড়ে ১১৬ ডলার ৫৯ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে জানুয়ারির চুক্তিতে ব্রেন্টের দাম বেড়ে হয়েছে ১১২ ডলার ৫১ সেন্ট।   অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার ৪৫ সেন্ট বা ১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে ১০৩ ডলার ৪৫ সেন্টে পৌঁছেছে।   চলতি মাসে ব্রেন্টের দাম প্রায় ১৩ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম প্রায় ১৪ শতাংশ বাড়তে যাচ্ছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, শুক্রবার হরমুজ প্রণালিতে একটি ছোট নৌকা থেকে বিস্ফোরক লাগিয়ে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছে।    তবে কারা এ হামলার পেছনে রয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।   হরমুজ প্রণালি উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। ফলে এ পথে নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়লে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।   এ বিষয়ে এমএসটি মার্কির জ্বালানি গবেষণা বিভাগের প্রধান শল কাভোনিক বলেন, হরমুজ প্রণালির আশপাশে সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় আগামী কয়েক সপ্তাহে সংঘাত আরও বাড়তে পারে। এ আশঙ্কায় তেলের দাম চড়া অবস্থানে রয়েছে।   এর আগে বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের একাধিক স্থাপনায় হামলার দাবি করে। এর মধ্যে দেশটির বৃহত্তম তেল শোধনাগার রাস তানুরা, রাবিগ শোধনাগার এবং সৌদি আরামকোর আবকাইক উৎপাদনকেন্দ্র রয়েছে। অন্যদিকে হুথিদের ছোড়া একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।   এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চিকিৎসাসামগ্রী পাঠানোর বিষয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স দেশটির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরুর উদ্যোগের অংশ হিসেবে তেহরানে চিঠিও পাঠিয়েছেন ভ্যান্স। তবে ইরান এখনো চিঠির জবাব দেয়নি।   সাক্সো ব্যাংকের পণ্যবাজার কৌশল বিভাগের প্রধান ওলে হ্যানসেনের মতে, ইসরাইলের পার্লামেন্ট নির্বাচন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচন ঘিরেও আগামী কয়েক সপ্তাহে তেলের বাজারে অস্থিরতা বাড়তে পারে।

ছবি: সংগৃহীত
বসনিয়ায় ইইউ মিশনে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ইতালির হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে নিহত ৪

সনিয়া ও হার্জেগোভিনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত ইতালির একটি সামরিক হেলিকপ্টার বৃহস্পতিবার বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে চারজন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।    এক বিবৃতিতে ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হেলিকপ্টারটিতে চালকসহ মোট ১৫ জন ছিলেন এবং তারা সবাই ইতালির নাগরিক। নিহত ৪ জনের মধ্যে ২ জন ইতালির সেনাবাহিনীর সদস্য এবং বাকি ২ জন ইতালীয় রেডক্রসের স্বেচ্ছাসেবী সামরিক বাহিনীর সদস্য।     আহত ১১ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা-সেবা দেওয়া হচ্ছে। তাদের কারোরই অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।   ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো বলেন, “এই গভীর শোকের মুহূর্তে, আমার প্রথম ভাবনা নিহতদের পরিবারের প্রতি। আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং পুরো প্রতিরক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে নিহতদের স্বজনদের গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।"   ইতালীয় সংবাদ সংস্থা আনসা জানিয়েছে, বসনিয়া অ্যান্ড হার্জিগোভিনার ব্রকো জেলার গোরিচে গ্রামে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, একটি সামরিক পরিবহন হেলিকপ্টার মাটিতে উল্টে পড়ে আছে এবং সেটি টুকরো টুকরো হয়ে গেছে।   হেলিকপ্টারটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ফোর্সের ‘অপারেশন আলথিয়া’ এর অংশ হিসেবে মোতায়েন করা হয়েছিল। এই মিশনটি ডেটন শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন তদারকি করে।   ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ঠিক কী পরিস্থিতিতে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।   ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিও শোক প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় তিনি বলেছেন, “আমার ভাবনা নিহত ব্যক্তি, তাদের পরিবার এবং সেই সব মানুষের সঙ্গে রয়েছে, যারা এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার মিশনে যুক্ত থেকে বর্তমানে চরম যন্ত্রণাময় মুহূর্ত পার করছেন।"   সূত্র : রয়টার্স

জাতীয়

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
জ্বালানি তেলের দাম আরও বেড়েছে। সংগৃহীত ছবি
টানা চার মাস বাড়ছে তেলের দাম, হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উদ্বেগ
মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ৩০, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে টানা চার মাস ধরে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম। এর মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারে নতুন করে হামলার ঘটনায় সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা বেড়েছে। এতে শুক্রবারও বেড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম।   শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দেড়টার দিকে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের ডিসেম্বরের চুক্তির দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার ৭১ সেন্ট বা ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেড়ে ১১৬ ডলার ৫৯ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে জানুয়ারির চুক্তিতে ব্রেন্টের দাম বেড়ে হয়েছে ১১২ ডলার ৫১ সেন্ট।   অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার ৪৫ সেন্ট বা ১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে ১০৩ ডলার ৪৫ সেন্টে পৌঁছেছে।   চলতি মাসে ব্রেন্টের দাম প্রায় ১৩ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম প্রায় ১৪ শতাংশ বাড়তে যাচ্ছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, শুক্রবার হরমুজ প্রণালিতে একটি ছোট নৌকা থেকে বিস্ফোরক লাগিয়ে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছে।    তবে কারা এ হামলার পেছনে রয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।   হরমুজ প্রণালি উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। ফলে এ পথে নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়লে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।   এ বিষয়ে এমএসটি মার্কির জ্বালানি গবেষণা বিভাগের প্রধান শল কাভোনিক বলেন, হরমুজ প্রণালির আশপাশে সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় আগামী কয়েক সপ্তাহে সংঘাত আরও বাড়তে পারে। এ আশঙ্কায় তেলের দাম চড়া অবস্থানে রয়েছে।   এর আগে বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের একাধিক স্থাপনায় হামলার দাবি করে। এর মধ্যে দেশটির বৃহত্তম তেল শোধনাগার রাস তানুরা, রাবিগ শোধনাগার এবং সৌদি আরামকোর আবকাইক উৎপাদনকেন্দ্র রয়েছে। অন্যদিকে হুথিদের ছোড়া একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।   এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চিকিৎসাসামগ্রী পাঠানোর বিষয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স দেশটির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরুর উদ্যোগের অংশ হিসেবে তেহরানে চিঠিও পাঠিয়েছেন ভ্যান্স। তবে ইরান এখনো চিঠির জবাব দেয়নি।   সাক্সো ব্যাংকের পণ্যবাজার কৌশল বিভাগের প্রধান ওলে হ্যানসেনের মতে, ইসরাইলের পার্লামেন্ট নির্বাচন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচন ঘিরেও আগামী কয়েক সপ্তাহে তেলের বাজারে অস্থিরতা বাড়তে পারে।

বিমানবন্দরের কাছে রবিনসন আর২২ এবং এয়ারবাসের একটি হেলিকপ্টারের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৩ জনের
মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ৩০, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যে মাঝ আকাশে দুটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর)  বিকেলে একটি ছোট বিমানবন্দরের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর বিবিসির   কর্তৃপক্ষ জানায়, ম্যাকমিনভিল মিউনিসিপ্যাল বিমানবন্দরের কাছে রবিনসন আর২২ এবং এয়ারবাসের একটি হেলিকপ্টারের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরপর দুটি হেলিকপ্টারই মহাসড়কের পাশের একটি খোলা মাঠে বিধ্বস্ত হয়।   নিহতদের মধ্যে একজন ২২ বছর বয়সি ফ্লাইট প্রশিক্ষক ছিলেন। তার সঙ্গে একই হেলিকপ্টারে ছিলেন যুক্তরাজ্যের এক শিক্ষানবিশ পাইলট। অন্য হেলিকপ্টারটিতে থাকা একমাত্র আরোহীও প্রাণ হারিয়েছেন।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রবিনসন আর২২ হেলিকপ্টারে থাকা ফ্লাইট প্রশিক্ষকের নাম ম্যাডি আসবো। তবে যুক্তরাজ্যের শিক্ষানবিশ পাইলটের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তার স্বজনদের দুর্ঘটনার খবর জানাতে কনস্যুলেট ও এফবিআইয়ের সঙ্গে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।   অন্য হেলিকপ্টারটির একমাত্র আরোহীর নাম টাইলার ডেলেন স্টারডেভ্যান্ট (৩৮)। তিনি ওরেগনের নিউবার্গ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।   এ দুর্ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) এবং ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে।   বিবিসি জানিয়েছে, দুর্ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে এফএএর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।   দুর্ঘটনাকবলিত একটি হেলিকপ্টার পরিচালনা করত জেরি ট্রিম্বল হেলিকপ্টারস নামের একটি ফ্লাইট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান ম্যাকমিনভিল মিউনিসিপ্যাল বিমানবন্দরে।   এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তাদের একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় জড়িত হওয়ায় তারা গভীরভাবে শোকাহত। তদন্তকারীদের সঙ্গে তারা পূর্ণ সহযোগিতা করছে।   এদিকে উদ্ধার ও তদন্ত কার্যক্রম চলাকালে সাধারণ মানুষকে দুর্ঘটনাস্থল এড়িয়ে চলার অনুরোধ জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

দুর্ঘটনাস্থলে অভিযান চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। ছবি: সংগৃহীত
তুরস্কে পাহাড়ধসে প্রাণহানি, ক্যাপাডোসিয়ায় নিহত ৩
মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ৩০, ২০২৬

তুরস্কের পর্যটনকেন্দ্র ক্যাপাডোসিয়ায় ভারি বৃষ্টির কারণে ভূমিধসের পর বিশাল পাথরের স্তম্ভ ধসে তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিক এবং বাকি দুজন তুরস্কের নাগরিক। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।   বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে ক্যাপাডোসিয়ার গোরেমে শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। শহরটির উন্মুক্ত জাদুঘরের কাছে একটি গাড়ি পার্কিং এলাকার পাশে থাকা পাথরের স্তম্ভটি ভূমিধসের কারণে ভেঙে পড়ে।   তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় দুজনের মৃত্যু এবং পাঁচজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। পরে উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও একজনের লাশ  উদ্ধার করেন। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনে দাঁড়ায়।   নেভশেহির প্রদেশের গভর্নর হুসেইন কোক জানান, নিহতদের মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিক। বাকি দুজন তুরস্কের নাগরিক।   প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাথরের স্তম্ভটি ধসে পড়ার সময় বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তেই চারপাশ ধুলায় ঢেকে যায়।    দুর্ঘটনার পরপরই নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকাটি সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। উদ্ধারকর্মীরা শক্তিশালী আলোর ব্যবস্থা করে সারা রাত ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালান। এ কাজে খননযন্ত্রও ব্যবহার করা হয়।   উদ্ধার অভিযান শেষে গভর্নর হুসেইন কোক জানান, উদ্ধার ও তল্লাশির সব কার্যক্রম শেষ হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ সম্পন্ন করার পর উদ্ধারকারী দলগুলোকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আপাতত সেখানে আর অভিযান চালানোর প্রয়োজন নেই।   তিনি আরও জানান, শুক্রবার থেকে প্রধান সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয়ের উদ্যোগে ঘটনার তদন্ত শুরু হবে। পাশাপাশি বিশেষজ্ঞরা দুর্ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন।   উল্লেখ্য, তুরস্কের ক্যাপাডোসিয়া অঞ্চল বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত এই অঞ্চলটি আগ্নেয়গিরির প্রাচীন কার্যকলাপে তৈরি শঙ্কু আকৃতির পাথুরে স্তম্ভের জন্য বিখ্যাত। স্থানীয়ভাবে এসব গঠনকে ‘ফেরি চিমনি’ বলা হয়। তথ্যসূত্র: সিএনএ

ছবি: সংগৃহীত
সৌদিতে ন্যূনতম মজুরি ৬ হাজার রিয়াল নির্ধারণের ঘোষণা
মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ৩০, ২০২৬

সৌদি আরবে কর্মসংস্থান সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ন্যূনতম মজুরি দুই ধাপে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল। ২০২৭ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে এই মজুরি ৪ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার সৌদি রিয়াল করা হবে। পরের বছর একই তারিখ থেকে তা বেড়ে দাঁড়াবে ৬ হাজার রিয়ালে।   বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সৌদি প্রেস এজেন্সির বরাতে আরব নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।   মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিলের (এইচআরডিএফ) এ উদ্যোগের লক্ষ্য দেশটির নাগরিকদের দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো। পাশাপাশি বেসরকারি খাতে সৌদি নারী-পুরুষের নিয়োগ উৎসাহিত করা এবং শ্রমবাজারে তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোও এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য।   দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের ‘নিতাকাত’ কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় করে এ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নিতাকাতের আওতায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌদি নাগরিকদের নিয়োগের হার বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রেণিবিন্যাস করা হয়।   মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল জানিয়েছে, প্রথম ধাপে ২০২৭ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে নতুন আবেদনকারীদের জন্য ন্যূনতম সহায়তাপ্রাপ্ত মজুরি ৪ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার রিয়াল করা হবে। বিদ্যমান আবেদনগুলোর ক্ষেত্রেও ২০২৭ সালের মে মাসের সহায়তার অর্থ থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে।   দ্বিতীয় ধাপে ২০২৮ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে নতুন আবেদনকারীদের জন্য ন্যূনতম মজুরি ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৬ হাজার রিয়াল করা হবে। বিদ্যমান আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে এ পরিবর্তন কার্যকর হবে ২০২৮ সালের মে মাসের সহায়তার অর্থ থেকে।   কর্মসূচির আওতায় যোগ্য সৌদি কর্মীদের মাসিক বেতনের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ দেবে মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল। তবে এ সহায়তার পরিমাণ মাসে সর্বোচ্চ ৩ হাজার রিয়াল নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুমোদিত বিধি ও শর্ত অনুযায়ী এ অর্থ দেওয়া হবে।   তহবিলের মতে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সৌদি নাগরিকদের নিয়োগে আরও উৎসাহিত হবে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থানের স্থিতিশীলতা বাড়বে এবং দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগ আরও কার্যকর হবে।   কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য ও যোগ্যতার শর্ত জানতে সুবিধাভোগীদের মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিলের সরকারি ওয়েবসাইট দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
সারাদেশ

চাকরি
ব্যাবসা-বাণিজ্য
বিনোদন
শিক্ষা