সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
হরমুজে জ্বালানি পরিবহনে ইরানের সঙ্গে চুক্তি করল ইরাক ও পাকিস্তান

হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পরিবহনে নতুন সহযোগিতা চুক্তিতে পৌঁছেছে ইরাক ও পাকিস্তান—এমন একটি খবর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   জানা গেছে, পারস্য উপসাগরের কৌশলগত নৌপথ Strait of Hormuz ব্যবহার করে জ্বালানি পরিবহন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে এই সমঝোতা হয়েছে। চুক্তির মাধ্যমে আঞ্চলিক জ্বালানি সরবরাহ আরও স্থিতিশীল ও নিরাপদ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।   এই উদ্যোগে অংশ নিয়েছে Iraq এবং Pakistan। দুই দেশই জ্বালানি আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহ নিশ্চিত করতে চাইছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী হয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবহন হওয়ায় এই রুটকে কেন্দ্র করে ঝুঁকি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা দীর্ঘদিন ধরেই একটি বড় উদ্বেগের বিষয়।   চুক্তির আওতায় নৌপথে জ্বালানি পরিবহনের নিরাপত্তা, সমন্বিত নজরদারি ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় যৌথ সহযোগিতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প রুট ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডরগুলোর একটি। তাই এই অঞ্চলে যেকোনো নতুন চুক্তি বৈশ্বিক তেল বাজার ও দামের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।   সব মিলিয়ে ইরাক–পাকিস্তানের এই উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১ ঘন্টা আগে
ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে ডিএসইউ ভিপি সাদিক কায়েমের আকদ সম্পন্ন

  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে ডিএসইউ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসংসদ সংশ্লিষ্ট সংগঠন) ভিপি সাদিক কায়েমের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজনদের উপস্থিতিতে এই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।   জানা গেছে, বুধবার ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে সরল ও ধর্মীয় পরিবেশে আকদের অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই পরিবারের নিকটাত্মীয়রা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে কোনো বড় আয়োজন বা আনুষ্ঠানিকতা না রেখে সীমিত পরিসরে বিষয়টি সম্পন্ন করা হয়।   ডিএসইউ ভিপি সাদিক কায়েমের এই আকদ সম্পন্ন হওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সহপাঠী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায়।   অনুষ্ঠানটি ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কোনো ধরনের ভিড় বা আনুষ্ঠানিক সমাবেশ হয়নি বলে জানা গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকেও বিষয়টি ব্যক্তিগত ও ধর্মীয়ভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সাধারণ সরলতা বজায় রাখা হয়েছে।   সব মিলিয়ে ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে অত্যন্ত ঘরোয়া পরিবেশে সাদিক কায়েমের আকদ সম্পন্ন হয়, যা নিয়ে ক্যাম্পাসে ইতিবাচক আলোচনাও দেখা গেছে।

২ ঘন্টা আগে
মওলানা ভাসানীর ধানের শীষ চুরি হয়ে গেছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

রাজধানীর বাংলামোটরে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে দেশের কৃষি সংকট, ধান উৎপাদন পরিস্থিতি ও সরকারি নীতিমালা নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা।   সেমিনারটি আয়োজন করে এনসিপির কৃষি সেল, শিরোনাম ছিল— “ধান কেনার মৌসুমে সরকারি শর্ত ও অসময়ের অতিবৃষ্টিতে কৃষকের হাহাকার: সংকট ও উত্তরণের পথ”। এতে কৃষি অর্থনীতিবিদ, রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।   এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, দেশের কৃষিভিত্তিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও প্রতীক নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তিনি দাবি করেন, কৃষকের স্বার্থ ও ঐতিহাসিক কৃষিভিত্তিক রাজনৈতিক ভাবনা বাস্তবে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না। তার ভাষায়, কৃষকের উৎপাদিত ধান এখন বাজার ও সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে, ফলে প্রকৃত কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।   তিনি আরও বলেন, কৃষি ব্যবস্থায় মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেটের প্রভাব বাড়ায় গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত ধান বণ্টন ও মূল্য নির্ধারণে বৈষম্য তৈরি হচ্ছে।   সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এনসিপির কৃষিবিষয়ক সম্পাদক গোলাম মর্তুজা সেলিম। তিনি বলেন, দেশের ধান উৎপাদন ব্যাহত হলে তা শুধু খাদ্য নিরাপত্তা নয়, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি উন্নত দেশের মতো আগাম আবহাওয়া সতর্কতা ব্যবস্থা কৃষকের জন্য আরও কার্যকর করার দাবি জানান।   একুশে পদকপ্রাপ্ত কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চলতি মৌসুমে সেচ সংকট ও অতিবৃষ্টির কারণে বোরো ধানের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা ভবিষ্যতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বাড়াতে পারে।   এনসিপির আরেক নেতা ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, কৃষি শুধু ধাননির্ভর নয়; আলু ও অন্যান্য ফসলের বাজারেও সংকট তৈরি হয়েছে। তার মতে, ন্যায্য মূল্য না পেয়ে অনেক কৃষক চরম হতাশায় পড়ছেন।   অন্যদিকে সারোয়ার তুষার কৃষি নীতিতে পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কৃষককে সরাসরি সহায়তা, কৃষি বীমা চালু এবং মধ্যস্বত্বভোগী কমিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি।   সেমিনারে বক্তারা একমত হন যে, কৃষি খাতের সংকট মোকাবিলা না করা গেলে তা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা ও জাতীয় অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তারা কৃষকের পাশে আরও কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক সরকারি উদ্যোগের আহ্বান জানান।   সব মিলিয়ে সেমিনারে কৃষি খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ, নীতি দুর্বলতা এবং কৃষকের দুরবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং সমাধানের জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

২ ঘন্টা আগে
একজন পরীক্ষার্থী, তবু কেন্দ্রে ৮ কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন

বগুড়ার শিবগঞ্জে চলতি এসএসসি পরীক্ষার এক কেন্দ্রে দেখা গেল এক ব্যতিক্রমী চিত্র। হিসাব বিজ্ঞান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন মাত্র একজন পরীক্ষার্থী। তবে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দায়িত্ব পালন করেছেন শিক্ষক, পুলিশসহ মোট ৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।    আজ বুধবার উপজেলার গুজিয়া উচ্চবিদ্যালয় এসএসসি কেন্দ্রে এ ঘটনা। পরীক্ষাকেন্দ্রে কক্ষজুড়ে ছিল নীরবতা। একটি বেঞ্চে বসে একাই পরীক্ষা দেন ওই পরীক্ষার্থী।   গুজিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব শাহিনুর আলম জানান, হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষায় এ কেন্দ্রে মাত্র একজন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। পরীক্ষাটি সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সম্পন্ন করতে দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান।   প্রধান শিক্ষক আরও জানান, ইউএনও ছাড়াও পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন ট্যাগ অফিসার, কেন্দ্র সচিব, কক্ষ পরিদর্শক, সহকারী শিক্ষক, পুলিশ সদস্য এবং দু’জন অফিস সহায়ক ছিলেন।  

২ ঘন্টা আগে
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা

তারেক রহমান এর সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।   বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।   প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আক্তারুজ্জামান মে ১৩, ২০২৬ 0

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত
২০২৭ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সময় জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

আগামী বছর থে‌কে এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে এবং এইচএসসি পরীক্ষা জুন মাসের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত হ‌বে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।   বুধবার (১৩ মে) বিকেলে গাজীপুরের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির (আইইউটি) এক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা ব‌লেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত কয়েক বছরে করোনাসহ বিভিন্ন কারণে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় যে সেশনজট তৈরি হয়েছে, তা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো এবং পাঠদান কার্যক্রমকে সুশৃঙ্খল রাখতে সরকার বাস্তবসম্মত সময়সূচি নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া, পরবর্তী বছরগুলোতে সেশনজট পুরোপুরি নিরসন করে পরীক্ষাগুলো নির্ধারিত সময়ে আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও নীতিনির্ধারকদের কারণে কোনো শিক্ষার্থীর জীবন থেকে যেন অতিরিক্ত দুই বছর ঝরে না পড়ে, সে জন্য আমরা ধীরে ধীরে সবকিছু সমন্বয় (সিংক্রোনাইজ) করছি। তিনি আরও বলেন, সেশনজট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম নিয়মিত করা হবে। অনুষ্ঠা‌নে আই ইউ টি'র ভাইস চ‌্যা‌ন্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ র‌ফিকুল ইসলাম, প্রো- ভাইস চ‌্যা‌ন্সেলর হিসাইন আরবী নুরসহ আইইউটির বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর ও শিক্ষার্থীগণ অনুষ্ঠানে উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি : নিউইয়র্ক টাইমস

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি বলে দাবি করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। বরং দেশটি এখনো উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধরে রেখেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাসের শুরুতে প্রস্তুত করা গোপন গোয়েন্দা মূল্যায়নে দেখা গেছে, হরমুজ প্রণালির আশপাশে থাকা ইরানের ৩৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির মধ্যে ৩০টিই আবার কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা ফিরে পেয়েছে।   এতে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল হামলার পরও ইরান যুদ্ধের আগের প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও মোবাইল লঞ্চার এখনো ধরে রেখেছে। এছাড়া দেশজুড়ে থাকা ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ আংশিক বা পুরোপুরি সচল রয়েছে।   তবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস এই মূল্যায়নকে খারিজ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরান এখনো আগের সামরিক সক্ষমতা ফিরে পায়নি। তার মতে, যারা মনে করে ইরান তার সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করেছে, তারা হয় বিভ্রান্ত, নয়তো আইআরজিসির পক্ষ নিচ্ছে।   গত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চলা সংঘাতে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করেছিলেন, হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।   তবে সংঘাত চলাকালে ইরানও পাল্টা অন্তত ১০০ দফা হামলা চালায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল অঞ্চলজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা।   এর আগে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, দেশটির উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখনো ব্যবহারই করা হয়নি।   এদিকে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি সম্প্রতি দাবি করেন, যুদ্ধবিরতির সময় ইরান যে হারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লঞ্চার পুনরায় প্রস্তুত করেছে, তা যুদ্ধের আগের সময়ের চেয়েও বেশি।   তিনি আরও বলেন, ইরানের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো এখন পারস্য উপসাগর অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও জাহাজকে লক্ষ্য করে প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
একনেকে উঠছে ১৬ উন্নয়ন প্রকল্প, অগ্রাধিকার পাচ্ছে ভোটার ডেটাবেজ সুরক্ষা ও পদ্মা ব্যারেজ

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় আজ ১৬টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। এর মধ্যে ভোটার ডেটাবেজের নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ প্রকল্প সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।   রাজধানীর সচিবালয়ে অনুষ্ঠিতব্য এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন একনেক চেয়ারম্যান তারেক রহমান।   সভায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রায় ৪৯৩ কোটি টাকার একটি প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে, যার লক্ষ্য দেশের নির্বাচনী ডেটাবেজের নিরাপত্তা ও অবকাঠামো শক্তিশালী করা। ‘উপজেলা/থানা, জেলা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয় এবং নির্বাচনী ডেটাবেজের জন্য সার্ভার স্টেশন নির্মাণ’ শীর্ষক এ প্রকল্পে একটি আঞ্চলিক, তিনটি জেলা ও ৪৫টি উপজেলা পর্যায়ে সার্ভার স্টেশন ও কার্যালয় নির্মাণ করা হবে।   বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তথ্যভান্ডারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। ইভিএম, ব্যালট বাক্স ও ভোটার তালিকা সংরক্ষণেও এ প্রকল্প সহায়ক হবে।   এদিকে আজকের সভার সবচেয়ে বড় প্রকল্প হিসেবে আলোচনায় রয়েছে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ। প্রায় ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজবাড়ীর পাংশায় পদ্মা নদীর ওপর ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।   পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, সুন্দরবন এলাকায় লবণাক্ততা কমানো এবং কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া এখান থেকে ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনাও রয়েছে।   এছাড়া একনেক সভায় আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদনের জন্য তোলা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণ, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন উন্নয়ন, মাতৃ ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র উন্নীতকরণ, হাই-টেক সিটি-২ অবকাঠামো নির্মাণ, বিমসটেক সচিবালয় ভবন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবন এবং সাভার ক্যান্টনমেন্ট এ আবাসন কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প।   পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের নকশা পুনর্বিন্যাস ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে প্রস্তাবগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
হরমুজের পাশে ৩০ মিসাইল সাইট পুনরুদ্ধার করেছে ইরান

ইরান হরমুজ প্রণালির আশপাশে থাকা নিজেদের ৩৩টি মিসাইল সাইটের মধ্যে ৩০টি পুনরুদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। এতে ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলো নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকিতে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান এসব সাইটে মোবাইল লঞ্চার ব্যবহার করছে, যার মাধ্যমে দ্রুত বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা সম্ভব। এছাড়া কিছু সাইটে স্থায়ী লঞ্চ প্যাডও রয়েছে, যেখান থেকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে মিসাইল নিক্ষেপ করা যায়।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩টি সাইটের মধ্যে মাত্র তিনটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে মার্কিন গোয়েন্দাদের ধারণা।   অন্যদিকে রয়টার্স এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার সময় সৌদি আরব গোপনে ইরানের ভেতরে হামলা চালিয়েছে।   রয়টার্সকে দেওয়া পশ্চিমা দুই কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ মাসে সৌদি আরব ইরানের কয়েকটি স্থাপনায় গোপন হামলা চালায়। তাদের দাবি, ইরানের হামলার জবাব হিসেবেই সৌদি এই পদক্ষেপ নেয়।   তবে সৌদি আরব ঠিক কোন স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস, রয়টার্স

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
এআই নির্মিত ছবি
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতায় এগোতে পারে চীন
মোঃ ইমরান হোসেন মে ১৪, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনা ও সংঘাত নিরসনে চীন গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন চীনের বিশ্লেষক ও সেন্টার ফর চায়না অ্যান্ড গ্লোবালাইজেশনের সভাপতি হেনরি ওয়াং। তিনি বলেছেন, বেইজিং চাইলে দুই পক্ষের মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য সমঝোতার পথ তৈরি করতে সক্ষম হতে পারে। কাতারভিত্তিক আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেনরি ওয়াং বলেন, হরমুজ প্রণালীতে কঠোর বিধিনিষেধ ও অস্থিরতা অবসান যুক্তরাষ্ট্র ও চীন- উভয় দেশের স্বার্থের সঙ্গে জড়িত। কারণ, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়েই চীনের প্রায় ৪০ শতাংশ তেল আমদানি হয়ে থাকে। তিনি বলেন, “আমাদের অবশ্যই যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে এবং এমন একটি ফলাফল নিশ্চিত করতে হবে, যা ন্যায্য ও গ্রহণযোগ্য হয়।” ওয়াংয়ের মতে, দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান- দুই পক্ষই এখন অনেকটা ক্লান্ত অবস্থায় রয়েছে। তবে সরাসরি পিছু হটার বদলে এমন একটি কূটনৈতিক পথ প্রয়োজন, যা উভয় পক্ষকে সম্মানজনকভাবে সংকট থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ দেবে। তিনি বলেন, “দুই পক্ষেরই এখন একটি ‘সিঁড়ি’ প্রয়োজন, যার মাধ্যমে তারা মর্যাদা রক্ষা করে সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসতে পারে। চীন সেই পথ তৈরি করে দিতে পারে।” চীনের সম্ভাব্য ভূমিকা সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, “প্রয়োজন হলে চীন এই যুদ্ধের অবসানে একটি কার্যকর মধ্যস্থতাকারী হতে পারে।” বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে অনিশ্চয়তা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। এমন পরিস্থিতিতে চীন কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় হলে তা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে বেইজিংয়ের সঙ্গে তেহরান ও ওয়াশিংটনের কৌশলগত যোগাযোগ থাকায় চীনকে সম্ভাব্য ‘নিরপেক্ষ সেতুবন্ধনকারী’ হিসেবেও দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। সূত্র: আল-জাজিরা

ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ সংকট নিরসনে জাতিসংঘের প্রস্তাব, সফলতার কতটা আশা
মোঃ ইমরান হোসেন মে ১৩, ২০২৬ 0

হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করতে বাহরাইন ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সামরিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।    সমুদ্র আইন বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষক আলেকজান্দ্রু  হুদিস্টিয়ানুর মতে, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য চীন ও রাশিয়া এই প্রস্তাবে ভেটো দেওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে এটি কার্যকর হওয়ার আগেই মুখ থুবড়ে পড়তে পারে। বিশ্লেষকদের ধারণা, বিগত সময়ের মতো এবারও চীন বা রাশিয়া যুক্তি দিতে পারে যে, এই প্রস্তাবটি যুদ্ধের সাথে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতি যথেষ্ট সংবেদনশীল নয়। যদিও হরমুজ প্রণালির সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার পেছনে ইরানকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবুও বেইজিং ও মস্কোর অবস্থান ইরানের পক্ষেই যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।  তবে হুদিস্টিয়ানু একটি বিকল্প সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি তার চীনা সমকক্ষ শি জিনপিংয়ের ওপর যথেষ্ট কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করতে পারেন, তবে চীন ভোটদান থেকে বিরত থাকতে পারে। যদি চীন ভোটদান থেকে বিরত থাকে, তবে সেটি হবে একটি বড় ইঙ্গিত যে ইরানের এই অবরোধ চীনের ওপরও অর্থনৈতিকভাবে নেতিবাচক চাপ সৃষ্টি করেছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে নিশ্চিত করে কিছু বলার সময় এখনো আসেনি। এদিকে এই সংকটপূর্ণ জলপথে চলমান উত্তেজনা নিরসনে অন্যান্য প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোও সরাসরি হস্তক্ষেপের কথা ভাবছে।  হুদিস্টিয়ানু জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্য ইতোমধ্যেই তাদের যুদ্ধজাহাজগুলো হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি অবস্থানে মোতায়েন করতে শুরু করেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর এই তৎপরতা ওই অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক উত্তজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি : নিউইয়র্ক টাইমস
আক্তারুজ্জামান মে ১৩, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি বলে দাবি করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। বরং দেশটি এখনো উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধরে রেখেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাসের শুরুতে প্রস্তুত করা গোপন গোয়েন্দা মূল্যায়নে দেখা গেছে, হরমুজ প্রণালির আশপাশে থাকা ইরানের ৩৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির মধ্যে ৩০টিই আবার কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা ফিরে পেয়েছে।   এতে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল হামলার পরও ইরান যুদ্ধের আগের প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও মোবাইল লঞ্চার এখনো ধরে রেখেছে। এছাড়া দেশজুড়ে থাকা ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ আংশিক বা পুরোপুরি সচল রয়েছে।   তবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস এই মূল্যায়নকে খারিজ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরান এখনো আগের সামরিক সক্ষমতা ফিরে পায়নি। তার মতে, যারা মনে করে ইরান তার সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করেছে, তারা হয় বিভ্রান্ত, নয়তো আইআরজিসির পক্ষ নিচ্ছে।   গত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চলা সংঘাতে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করেছিলেন, হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।   তবে সংঘাত চলাকালে ইরানও পাল্টা অন্তত ১০০ দফা হামলা চালায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল অঞ্চলজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা।   এর আগে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, দেশটির উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখনো ব্যবহারই করা হয়নি।   এদিকে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি সম্প্রতি দাবি করেন, যুদ্ধবিরতির সময় ইরান যে হারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লঞ্চার পুনরায় প্রস্তুত করেছে, তা যুদ্ধের আগের সময়ের চেয়েও বেশি।   তিনি আরও বলেন, ইরানের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো এখন পারস্য উপসাগর অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও জাহাজকে লক্ষ্য করে প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানে গোপন হামলা চালায় সৌদি আরব, দাবি রয়টার্সের
আক্তারুজ্জামান মে ১৩, ২০২৬ 0

রয়টার্স জানিয়েছে, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরব গোপনে ইরান-এর ভেতরে একাধিক হামলা চালিয়েছে।   প্রতিবেদনে পশ্চিমা দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়, গত মার্চে সৌদি আরব ইরানের বিভিন্ন স্থানে গোপন হামলা চালায়। এর আগে ইরানের পক্ষ থেকে হামলার জবাবেই এই পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।   প্রথমবারের মতো সৌদি আরব ইরানের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালিয়েছে বলেও ওই কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন। তবে কোন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   আরেক পশ্চিমা কর্মকর্তা জানান, মার্চের শেষ দিকে সৌদি আরব ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। পরবর্তীতে কূটনৈতিক তৎপরতা ও চাপের মাধ্যমে উত্তেজনা কিছুটা কমে আসে।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন, যার পর আঞ্চলিক উত্তেজনা কমতে শুরু করে।   তবে এ বিষয়ে সৌদি আরব ও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।   সূত্র: রয়টার্স

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
বিশ্ব
অর্থনীতি