সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
বিএনপি এমপির অভিযোগের জবাবে সংসদে পদত্যাগের চ্যালেঞ্জ হাসনাতের

এক টাকার দুর্নীতিও প্রমাণ করতে পারলে সংসদ থেকে পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। আজ বৃহস্পতিবার বিএনপির এক সংসদ সদস্যের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি জাতীয় সংসদে এই ঘোষণা দেন।   এর আগে আজ জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান অভিযোগ করে বলেন, অনেকেই জুলাই চেতনা বিক্রি করেন। তাঁদের অনেকে আগে রিকশায় চড়তেন। আর এখন প্রাডো গাড়িতে চড়েন।   সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদে ব্যক্তিগত কৈফিয়ত দেন হাসনাত আবদুল্লাহ। এ সময় তিনি আক্তারুজ্জামানের আনা অভিযোগেরও জবাব দেন। তিনি বলেন, ‘আজকেও এ সংসদে জুলাই-সংশ্লিষ্ট আমাদের উদ্দেশ করে বলা হয়েছে—আমরা আগে রিকশায় চড়তাম, এখন আমরা গাড়িতে চড়ি।’   সরকারি দলের উদ্দেশে হাসনাত বলেন, ‘গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আপনাদের নিয়ন্ত্রণে। ডিজিএফআই, এনএসআই, পুলিশ, মিলিটারি সবাই আপনাদের নিয়ন্ত্রণে। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, আপনাদের মতো দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এলিগেশনের টোনে এলিগেশন না দিয়ে আপনারা তদন্ত করে যদি এক টাকার দুর্নীতি, এক টাকার কোনো ধরনের অসাধু উপায়ের কোনো ধরনের প্রমাণ করতে পারেন, আমি এই সংসদ থেকে ইস্তফা দেব।’

২ মিনিট আগে
বসুন্ধরার সঙ্গে ‘আন্ডারটেবিল’ সমঝোতা হয়েছে কি না, সংসদে প্রশ্ন হাসনাতের

বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলার বিষয়ে ‘আন্ডারটেবিল’ কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না, সংসদে এমন প্রশ্ন তুলেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই সংসদ সদস্য বলেছেন, যদি সমঝোতা না হয়ে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধা কোথায়, সেটা মানুষের সামনে প্রকাশ করতে হবে।   আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে হাসনাত আাবদুল্লাহ এ কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, বসুন্ধরার বিরুদ্ধে যাঁরা কথা বলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে মিডিয়া (সংবাদমাধ্যম) লেলিয়ে দেওয়া হয়।   একই সঙ্গে ঋণখেলাপি, অর্থ পাচারকারী ও ‘ফ্যাসিবাদের পক্ষে বয়ান উৎপাদনকারীদের’ বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান হাসনাত আবদুল্লাহ। বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি করনীতি, মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন।   অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অর্থনৈতিক অবস্থার ওপর প্রকাশ করা শ্বেতপত্রের কথা উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সেখানে দেখানো হয়েছে, ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। যাঁরা পাচার করেছেন, তাঁরা এখন সদর্প দেশে বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করেন।   হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা দেখেছি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বসুন্ধরার পুত্র সুবহান দেশে ঢুকার সাহস পায় নাই। আমরা দেখেছি, আনভির দেশে ঢুকার সাহস পায় নাই। কিন্তু এই সরকার নির্বাচিত হয়ে আসার পরে আমরা দেখেছি, সদর্পে এই সুবহানের পুত্র, এই ধর্ষক, দেশে ঢুকেছে।’   বসুন্ধরার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দুর্নীতি দমন কমিশন বসুন্ধরার বিরুদ্ধে মামলা করেছে আমরা দেখেছি। এই মামলার কী অগ্রগতি হয়েছে, সেটা আমরা জানতে চাই। আমরা জানতে চাই, আন্ডারটেবিল কোনো ধরনের সমঝোতা হয়েছে কি না। যদি সমঝোতা না হয়ে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধাটা কোথায়, সেটা বাংলাদেশের মানুষের সামনে প্রকাশ করতে হবে।’   হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, ‘এই বসুন্ধরা গ্রুপ, যারা বিদেশে টাকা পাচার করেছে, মানুষের সম্পদ দখল করেছে এবং মিডিয়ার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের গুম–খুন–হত্যাকে যারা বৈধতা দিয়েছে, তাদের খুঁটির জোর কোথায়, সেটা আমরা জানতে চাই।’   এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, সরকারি দলের অনেকে তাঁদের কাছে এসে দুঃখ প্রকাশ করেন। তাঁদের দলের কিছু মানুষ বসুন্ধরার পরামর্শক হিসেবে কাজ করেন। যে মিডিয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেশদ্রোহী হিসেবে ফ্রেমিং করেছে, সেই মিডিয়ার পরামর্শক হিসেবে, বসুন্ধরা গ্রুপে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের অনেকেই সেখানে যুক্ত।   ঋণখেলাপি, ব্যাংক দখলকারী, গুম ও খুনের বৈধতা উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ দেখতে চান উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশোধপরায়ণ হননি, সে জন্য সাধুবাদ। কিন্তু প্রতিশোধপরায়ষ না হওয়া আর সুবিচার নিশ্চিত না করা এক নয়।   হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা এটা উনার (প্রধানমন্ত্রী) কাছ থেকে শুনতে চাই, উনার দলের কাছ থেকে শুনতে চাই, গুম–খুনের–হত্যার উনি সুবিচার নিশ্চিত করবেন। উনি আইনের শাসন নিশ্চিত করবেন। এত দিন ধরে যারা মিডিয়াকে, নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ার মাধ্যমে এই ফ্যাসিবাদের পক্ষে যারা বয়ান উৎপাদন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে উনি সুবিচার নিশ্চিত করবেন।’   এনবিআরের সক্ষমতা বিবেচনায় রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা কতটা অর্জিত হবে, কীভাবে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে আনা হবে, এসব স্পষ্ট নয়।   বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তুলনা করে করপোরেট কর কমানোর দাবি জানান হাসনাত। কর প্রস্তাবের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিদেশিরা বাংলাদেশে ব্যবসা করতে আসবে না। আশা করা হয়েছিল, এ বাজেট বিনিয়োগবান্ধব হবে, করপোরেট কর সহনশীল মাত্রায় কমানো হবে। তা না হওয়ায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।   অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আপনি একই সাথে বলছেন, আপনি মাছ মুচমুচে করে ভাজবেন। আবার একই সাথে বলছেন, আপনি তেলটা কম দেবেন। এই যে স্ববিরোধী অবস্থানটা, এটা আমাদের সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্ট হতে হবে।’   নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানে কর আরোপের পরিকল্পনা নিয়ে এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, দিন শেষে ক্রেতাদের কাছ থেকেই এই কর আদায় করা হবে। একদিকে বলা হয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমানো হবে, আবার বলা হচ্ছে ট্যাক্স বাড়ানো হবে; এটি সাংঘর্ষিক।   বিএনপি পাঁচ বছরে এক কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সে হিসাবে এই চার মাসে ছয় লাখ কর্মসংস্থান বাড়ার কথা। আদৌ কি ছয় লাখ কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে? যদি হয়ে থাকে, সেসব কর্মসংস্থান কোথায়? ‘ঋণ করে ঘি খাওয়া’র কথা উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, সরকারি দলের কিছু সদস্য এটিকে খুব ‘সিরিয়াসলি’ নিয়েছেন। কীভাবে ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়, তা বর্ণনা করে তিনি বলেন, জনগণের টাকা নিয়ে এই বিলাসিতা বন্ধ করতে হবে। ঋণখেলাপিদের ঋণখেলাপি বলতে হবে।   ঋণখেলাপিদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা লজ্জা পাই একই সংসদ একসাথে শেয়ার করার জন্য। কারণ, তারা জনগণের টাকা মেরে, যারা জনগণের টাকা ব্যাংক থেকে তুলে নিয়ে ঋণখেলাপি হয়ে আবার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে আসে।’   একজন প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথা বলায় একজন সম্পাদককে জেলে নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, তাঁরাও কথা বলতে ভয় পান। কারণ তাঁরা সরকার বা মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো কথা বললে তাঁর এলাকার বাজেট যে বন্ধ করে দেওয়া হবে না, তার নিশ্চয়তা নেই।

৮ মিনিট আগে
বেইজিংয়ে বাংলাদেশ-চীন দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

“মিডিয়ার ক্ষেত্রে কীভাবে দুই দেশের কোলাবোরেশন বাড়ানো যায়, থিংক ট্যাংক ফোরাম নিয়ে আমরা কীভাবে সামনের দিকে আগাতে পারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত টিভি চ্যানেল এবং নিউজ পেপারের ভেতরে চারটা এমওইউ হয়েছে।”   বিনিয়োগ সহযোগিতাসহ ১৩টি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ ও চীন।   স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকালে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের উপস্থিতিতে এসব স্মারক সই হয়। এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।   সমঝোতা স্মারকে সই করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ বহুপাক্ষিক অর্থনৈতিক বিষয় অনুবিভাগের মহাপরিচালক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।   সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেন, “১৩টি মোমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যাডিংয়ের মধ্যে রয়েছে—ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেশন কীভাবে আমরা গ্রিন ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে প্রমোট করতে পারি, জয়েন্ট অ্যাকশন প্লানের বিষয়ে কথা হয়েছে।   “বাংলাদেশের এক্সপোর্ট ক্যাপাসিটি বাড়িয়ে যেন চীনে আমরা রপ্তানি পারি এবং বিভিন্ন ডেভেলপমেন্টাল কো-অপারেশন নিয়ে কথা হয়েছে। কনসেশনাল লোন অর্থাৎ বাংলাদেশে যে ঋণটা চীন থেকে যাচ্ছে, সেখানে কীভাবে আমরা ইন্টারেস্ট রেট কমাতে পারি, গ্রেস পিরিয়ড বাড়াতে পারি—সেটি নিয়ে কথা হয়েছে।”   তিনি বলেন, “আমাদের গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ অর্থাৎ যার অধীনে স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং সামগ্রিক এলাইনমেন্ট রিলেটেড ম্যানপাওয়ার ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট রিলেটেড যে কাজগুলো আছে, সেগুলো নিয়ে এমইউ হয়েছে।   “একই সাথে হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্টের একটা ডিফারেন্ট কো-অপারেশন প্লান সাইন করা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে আমাদের জাতীয় ফল কাঠালের রপ্তানি বিষয়ে একটা এমইউ হয়েছে।”   মাহ্দী আমিন বলেন, “একই সাথে চীনের ভাষা ম্যান্ডারিন বাংলাদেশে আমরা শুরু করতে যাচ্ছি…আমাদের স্কুল কারিকুলামের সেটি এবং টেকনিক্যাল এবং ভোকেশনাল এডুকেশনে কো-আপরেশনে দুটো পৃথক এমইউ হয়েছে।   “মিডিয়ার ক্ষেত্রে কীভাবে দুই দেশের কোলাবোরেশন বাড়ানো যায়, থিংক ট্যাংক ফোরাম নিয়ে আমরা কীভাবে সামনের দিকে আগাতে পারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত টিভি চ্যানেল এবং নিউজ পেপারের ভেতরে চারটা এমওইউ হয়েছে।”   বিনিয়োগ সংক্রান্ত সমঝোতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিনিয়োগ বোর্ড বিডার সাথে এর পাশাপাশিভাবে পৃথকভাবে আমাদের চিটাগাংয়ের আনোয়ারাতে এবং মোংলাতে কীভাবে বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, সেখানে ইকোনমিক জোন দিয়ে আমরা কীভাবে বাংলাদেশের নতুন চীনা ফ্যাক্টরি, চীনা প্রোডাকশন ফ্যাসিলিটি…এবং তার মাধ্যমে এমপ্লয়মেন্ট জেনারেট করতে পারি, সেগুলো নিয়ে পৃথক এমইউ হয়েছে।”   এর আগে সকালে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘তিয়াওইউথাই’-এ চীনা কমিউনিস্ট পার্টি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মধ্যে সমঝোতা স্বারক সই হয়।   বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এ সমঝোতায় সই করেন দলের যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং এই সমঝোতায় সই করেন।   সমঝোতার আওতায় দুই দলের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে গণমাধ্যম, থিংক ট্যাংক, জনগনের মধ্যে যোগাযোগ এবং জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির এ নেতা।   দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘তিয়াওইউথাই’ থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে গ্রেট হল অব পিপলে পৌঁছান। সেখানে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।   ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর তারেক রহমান প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে গত ২১ জুন মালয়েশিয়া যান। ওই সফরের আনুষ্ঠানিকতা সেরে সোমবার তিনি পৌঁছান চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর তালিয়ানে।   সেখানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে বুধবার বিকালে তারেক রহমানের বেইজিংয়ে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরু হয়।   শুক্রবার গ্রেট হল অব পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়া চীনা কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হওয়ার কথা রয়েছে। স্থানীয় সময় বিকাল ৫টায় বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করবেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা।

১৫ মিনিট আগে
এরদোয়ানের প্রশংসায় ট্রাম্প: ‘আমার অনুরোধে যুদ্ধে জড়াননি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ইরানের পক্ষে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারতেন, কিন্তু তার অনুরোধে তিনি সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। আর এরজন্য এরদোয়ানের প্রশংসা করে তাকে মহান নেতা বলেছেন ট্রাম্প। দিয়েছেন উপহারের প্রতিশ্রুতি।   বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য জেরুজালেম পোস্ট।   হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, এরদোয়ান ইরানের পক্ষে যুদ্ধে নামার অন্যতম সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন। কারণ তিনি ইসরায়েলের বড় ভক্ত নন। আমি তাকে বাইরে থাকতে বলেছিলাম। তাই তিনি যুদ্ধের বাইরে ছিলেন।   এরদোয়ানের প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, তিনি একজন মহান নেতা, অত্যন্ত শক্তিশালী ব্যক্তি। আমি তার কাছে যা চেয়েছি, তিনি সবই করেছেন।   আগামী ন্যাটো সম্মেলনকে সামনে রেখে তুরস্কের জন্য বড় ধরনের অস্ত্র বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, সম্ভবত আমি এমন কিছু করব, যা তাকে খুবই খুশি করবে।   তবে তুরস্ক কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ইঙ্গিত দেয়নি যে তারা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতে সরাসরি অংশ নিতে যাচ্ছে। বরং যুদ্ধ চলাকালে ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া দেশগুলোর মধ্যেও তুরস্ক ছিল।   সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চলতি মাসে জেরুজালেমকে মুক্ত করার আহ্বান জানান। এছাড়া এরদোয়ান অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের আগ্রাসন পুরো বিশ্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলা তুরস্কের নিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকি তৈরি করছে।   একসময় মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক গত এক দশকে ক্রমেই অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর শুরু হওয়া গাজা যুদ্ধের পর দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছায়।   এদিকে তুরস্ককে অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির সম্ভাবনা নিয়ে হোয়াইট হাউসে আলোচনা হয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আইনি শর্ত পূরণ হলে বিষয়টি এগোতে পারে।   উল্লেখ্য, রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে ২০১৯ সালে তুরস্ককে এফ-৩৫ কর্মসূচি থেকে বাদ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন আইন অনুযায়ী, এস-৪০০ ব্যবস্থা বজায় রেখে তুরস্ক এফ-৩৫ প্রকল্পে ফিরতে পারবে না।   তবে তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাক বলেছেন, ট্রাম্প ও এরদোয়ানের ব্যক্তিগত সুসম্পর্কের কারণে এফ-৩৫ ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

৩২ মিনিট আগে
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়
চীনে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ অফিস স্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

চীনে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ অফিস (বিনিয়োগ অফিস) চালুর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বাংলাদেশে শিল্পায়ন ও ভ্যালু চেইন সম্প্রসারণে চীনা বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।   বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বিনিয়োগ ফোরামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুব শিগগিরই চীনে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ অফিস চালু করা হবে, যাতে চীনা বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সহায়তা দ্রুত ও সহজে পেতে পারেন। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে।   তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এখন নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে শিল্প ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হচ্ছে।   সরকারপ্রধান জানান, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে এবং নতুন ব্যবসার লাইসেন্স অনুমোদনের সময়সীমা ১৫ দিনে নামিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   তিনি আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বৈষম্যহীন পরিবেশ, মূলধন ও মুনাফা প্রত্যাবাসনের সুবিধা এবং শক্তিশালী আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।   চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য চট্টগ্রামের আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং মোংলায় দ্বিতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে বলেও জানান তিনি। এসব অঞ্চলে বন্দর সুবিধা, লজিস্টিকস, দক্ষ জনবল ও শিল্পবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।   নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, উন্নত বস্ত্রশিল্প এবং ওষুধ শিল্পে বিনিয়োগের জন্য বিশেষ নীতিগত সহায়তা ও প্রণোদনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।   বক্তব্যের শেষাংশে তিনি চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আক্তারুজ্জামান জুন ২৫, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
নতুন নিয়মে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদন যেভাবে করবেন

দীর্ঘ প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর চালু হচ্ছে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন। ঢাকায় নিযুক্ত নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশিদের জন্য আবার পর্যটন ভিসা চালুর ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। ২৮ জুন থেকেই ভিসা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে।’   তবে এবার ভারতের ভিসা আবেদনে বেশকিছু নিয়ম পরিবর্তন করা হয়েছে। জানা গেছে, আবেদনের একদিন আগেই নিতে হবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট। দেশের ৫টি ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে পর্যটন ভিসার আবেদন করা যাবে। এগুলো হলো, ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনা।   ভিসা আবেদনের নিয়ম ভারতের ভিসা আবেদনের ইউআরএল - https://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/Registration । অনলাইনে এই ঠিকানায় প্রবেশ করে আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। সঠিকভাবে পূরণের পর ভিসা আবেদন ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে। এরপর অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বুক করতে হবে।   যেভাবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করবেন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার আগের দিন অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বুক করতে হবে। পরবর্তী কার্যদিবসের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট পূর্ববর্তী কার্যদিবসে প্রকাশ করা হয়। দুপুর ২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সাইন-আপ এবং ওয়েবফাইল আপলোড করা যাবে। শুধু যেসব আবেদনকারী সফলভাবে তাদের ওয়েবফাইল আপলোড করেছেন, তাদের জন্য একই দিন বিকাল ৫টা থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং শুরু হবে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিংয়ের জন্য https://appointment.ivacbd.com/ সাইনআপ বাটনে ক্লিক করে ভিসার ওয়েব ফাইলে থাকা ইমেইল অ্যাড্রেস দিয়ে সাইনআপ করতে বলা হয়েছে। সাইনআপ করার একটি ওটিপি এসএমএসে যাবে এবং আরেকটি যাবে ইমেইলে। প্রথমে ইমেইলের ওটিপি এবং পরবর্তী সময়ে মোবাইল এসএমএসের ওটিপি সাবমিট করার মাধ্যমে ইমেইল এবং মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশন করতে হবে। এরপর ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে সাইনআপ করতে হবে। বিকাল সাড়ে ৪টার আগে সাইনআপ না করলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা যাবে না।   সাইনআপ শেষ হলে মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর মোবাইলে ওটিপি পাঠানো হবে। ওটিপি দিয়ে প্রবেশ করলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাতা চলে আসবে। সেখানে প্রথমে ডকুমেন্টগুলো আপলোড করতে হবে। ডকুমেন্টগুলো থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সিস্টেমে যুক্ত হবে। আপলোড করার পর অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট খোলা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সন্ধ্যা ৬টায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট চালু হলে পুনরায় লগইন করতে হবে। লগইন করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী দিনের জন্য নির্বাচিত একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট দেখাবে। সেটি পরিবর্তন করতে চাইলে একবার বদলানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক হওয়ার পর ভিসা প্রসেসিং ফি পেমেন্ট করতে হবে।   আপলোড করা ওয়েবফাইল অবশ্যই মূল ভিসা আবেদনপত্রের পিডিএফ হতে হবে এবং ৩০ দিনের বেশি পুরোনো হওয়া চলবে না। পরিবর্তিত, সম্পাদিত বা বিকৃত ফাইল বাতিল করা হবে।   ভিসার জন্য যেসব ডকুমেন্ট লাগবে ভিসা আবেদনের সঙ্গে বেশকিছু ডকুমেন্ট বা কাগজপত্র জমা দিতে হবে।   ১. ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার সময় ছয় মাস মেয়াদসহ মূল পাসপোর্ট কমপক্ষে দুটি খালি পৃষ্ঠা থাকতে হবে। পাসপোর্টের কপি (প্রথম ৪ পাতা এবং মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন যদি থাকে) সঙ্গে দিতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার সঙ্গে পুরোনো সব পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।   ২. পূর্ণ মুখমণ্ডল দেখা যায় এমন সাম্প্রতিক তোলা (৩ মাসের অধিক পুরোনো নয়) পাসপোর্ট সাইজ (২x২) রঙিন ছবি।   ৩. জন্ম তারিখের প্রমাণ: জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।   ৪. আবাসন প্রমাণ: ইউটিলিটি বিল যেমন ইলেকট্রিসিটি, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিল (ছয় মাসের অধিক পুরোনো নয়)।   ৫. পেশার প্রমাণ: যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন সেখানকার নিয়োগকর্তার চিঠি। ছাত্রদের ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র সংগ্রহজনক করতে হবে। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স লাগবে।   ৬. আর্থিক স্বচ্ছতার প্রমাণ: প্রতিটি আবেদনপত্রের সঙ্গে ১৫০ ডলার সমমূল্যের বিদেশি মুদ্রা এনডোর্স বা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের কপি বা পর্যাপ্ত ব্যালান্স দেখানোর প্রয়োজনে হালনাগাদ ব্যাংক স্টেটমেন্ট।   ৭. রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ অনলাইন ভিসা আবেদনপত্র।   ৮. অনলাইন ভিসা আবেদনপত্রের প্রদত্ত জায়গায় আবেদনকারীর ছবি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।   ৯. ভিসা আবেদনপত্রের সঙ্গে পুরোনো সব পাসপোর্ট জমা দিতে হবে, এসব ছাড়া ভিসা আবেদন অসম্পূর্ণ বলে গণ্য হবে।   ভিসা ফি পর্যটন ভিসায় ফি নেই। তবে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ একটি চার্জ আছে। সব ধরনের ভিসা প্রক্রিয়াকরণের জন্য আইভ্যাক ১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে থাকে। এটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং করার সময় অনলাইনে পেমেন্ট করতে হয়।   পাসপোর্ট কীভাবে ফেরত পাবেন আপনার ভিসা প্রক্রিয়াকরণ হয়ে গেলে আবেদনের সঙ্গে দেওয়া মোবাইল নম্বরে একটি এসএমএস দিয়ে জানানো হবে। সেই অনুযায়ী আপনাকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।

ছবি: সংগৃহীত
ভারতে থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর সেনা সদস্যদের হামলা

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মিরের কিস্তওয়ারে থানার ভেতর ঢুকে পুলিশ সদস্যদের ব্যাপক মারধর করেছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এ ঘটনায় একজন কর্নেল, একজন মেজর ও একজন নায়েব সুবেদারসহ ৪০ সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।   অভিযোগ উঠেছে, পুলিশকে মারার পাশাপাশি থানায়ও ভাঙচুর চালিয়েছেন সেনা সদস্যরা।   পুলিশ তাদের মামলায় আসামি হিসেবে ১৭ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল এন অরুণ গান্ধী, মেজর বিকাশ শর্মা এবং নায়েব সুবেদার শঙ্কর ঘুর্খেসহ অজ্ঞাত আরও ৪০ জন সেনাকে অভিযুক্ত করেছে।   তারা বলেছে, ওই সেনা সদস্যরা থানায় ঢুকে সরকারি কর্মকর্তাদেরও মারধর করেছেন।   তাদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা এবং সরকারি সম্পদ বিনষ্টের অভিযোগ আনা হয়েছে।   সেনাবাহিনী বলেছে, তারা এ ব্যাপারে পুলিশকে সহায়তা করবে।   এদিকে সেনাবাহিনীর হামলার শিকার হওয়ার মধ্যে রয়েছেন পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট বিজয় কুমার বাঘাত, স্টেশন হাউজ অফিসার অমৃত কাটোচ।   মামলায় বলা হয়েছে, স্টেশন হাউজ অফিসার অমৃত কাটোচ সেখানকার ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। ওই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করছিলেন বিভাগীয় কমিশনার। তখন সেনা সদস্যরা থানায় হামলা চালায়।   থানায় হামলার কথা জেনে অমৃত কাটোচ দ্রুত সেখানে যান। গিয়ে দেখেন পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট বিজয় কুমার বাঘাতকে মেজর বিকাশ শর্মার নেতৃত্বে মারধর করা হচ্ছে। সেনাসদস্যরা তার পোশাক ছিঁড়ে ফেলেন।   কী নিয়ে হামলা? সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মিরের কিস্তওয়ারের সহকারী আঞ্চলিক পরিবহন অফিসার সেনাবাহিনীর একটি গাড়ি জব্দ করেন। এ ঘটনায় সেনাবাহিনী ক্ষুব্ধ হয়।   সহকারী আঞ্চলিক পরিবহন অফিসার তখন থানার ভেতর ছিলেন। সেনা সদস্যরা দেওয়াল টপকে থানায় ঢুকে তাকেও মারধর করেন। এছাড়া তার গাড়ি ভাঙচুর করেন।   সেনাবাহিনীর সদস্যরা লাঠি, লোহার রড এবং অস্ত্র নিয়ে থানায় ঢুকেছিলেন উল্লেখ করে পুলিশ বলেছে, তাদের উদ্দেশ্য ছিল পুলিশ সদস্যদের হত্যা করা। এরজন্য লাঠি ও লোহার রড নিয়ে এসেছিলেন তারা।   সূত্র: এনডিটিভি

ছবি : সংগৃহীত
ঢাবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে নিহত ঘাতক

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও বোনসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মেঝো বোন কলেজছাত্রী ইকরা আক্তারকেও কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।   এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন।    বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রায়পুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।   এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টাকালে উত্তেজিত জনতার ইটপাটকেলে পুলিশে ৬-৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে ঘটনার কারণ জানাতে পারেনি কেউ।   নিহতরা হলেন- মা শাহিনুর বেগম (৩৮), বড় মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সায়মা আক্তার (২১) ও ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯)। নিহত সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আহত ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। তাদের পিতা কামাল হোসেন ২০১৯ সালে কেরোয়া গ্রামে রাস্তায় পড়ে থাকা তারে বিদ্যুৎস্পর্শে মারা যান।   গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত যুবক নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচরের বাসিন্দা কার্তিক মজুমদারের ছেলে অন্তর মজুমদার। নিহতদের রায়পুর ও সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।   এদিকে আহত মেঝো মেয়ে কলেজছাত্রী ইকরা আক্তারকে (১৭) আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।   পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে শাহীনুর তার সন্তানদের নিয়ে ঘটনাস্থলে একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। তারা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ঘটনাস্থলে ভাড়া থাকেন।  কয়েক বছর আগে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পর্শে মারা যান। এরপর থেকে ৩ মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে শাহীনুর ওই বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।   বৃহস্পতিবার সকালে তিন মেয়েসহ শাহীনুরকে বাসায় ঢুকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে ওই যুবক। এ সময় ঘটনাস্থলেই মা ও ছোট মেয়ে মারা যান। অপর আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর বড় মেয়ে সায়মাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ইকরা নামের একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।   এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে ঘাতক যুবককে গণপিটুনি দেয় এলাকাবাসী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তির পর তার মৃত্যু হয় বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক।   পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাদের ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার আবু তারেক।   রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম বলেন, হাসপাতালে ৫ জনকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে দুই মেয়ে ও তাদের মা মারা গেছেন। এছাড়া তার এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাদের সবার শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। অভিযুক্ত একজনকে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়। তার মাথায় ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।   সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) মো. আব্দুর রাশেদ বলেন, তিনজন নিহত হয়েছেন। তাদের লাশ হাসপাতালে রয়েছে। একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এছাড়া অভিযুক্ত যুবককে গণপিটুনি দিয়েছে জনতা। তাকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হলে তিনি পথে মারা যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে উত্তেজিতরা ইটপাটকেল ছুড়লে ৭ জন সদস্য আহত হয়।   পুলিশ সুপার আবু তারেক ৪ জন নিহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এখনো ঘটনার কারণ জানা যায়নি। তবে তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।

ছবি : সংগৃহীত
এআইয়ের ‘মাস্টার কি’ ভবিষ্যৎ মহামারি ঠেকাতে পারে: গবেষকরা

কোভিড-১৯, সার্স বা ইবোলার মতো ভাইরাস মোকাবিলায় বর্তমানে প্রতিটি রোগের জন্য আলাদা টিকা তৈরি করা হয়। কিন্তু ভাইরাসের নতুন নতুন ধরন বা ভ্যারিয়েন্ট দেখা দেওয়ায় এই পদ্ধতি সব সময় কার্যকর থাকে না। এ সমস্যার সমাধানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে নতুন ধরনের একটি টিকা প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।   গবেষকদের দাবি, এই প্রযুক্তি ভাইরাসের একটি নির্দিষ্ট ধরন নয়, বরং পুরো একটি ভাইরাস পরিবারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে সক্ষম হতে পারে। ভবিষ্যতে নতুন মহামারি প্রতিরোধেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।   প্রকল্পটির প্রধান গবেষক অধ্যাপক জোনাথন হিনি এই প্রযুক্তিকে একটি ভবনের ‘মাস্টার কি’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান টিকাগুলো সাধারণত ভাইরাসের একটি নির্দিষ্ট রূপকে লক্ষ্য করে তৈরি হয়। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে টিকা অনেক সময় ভাইরাসের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে পারে না।   হিনির ভাষায়, বর্তমান টিকা সব সময় ভাইরাসের পেছনে ছুটে বেড়ায়। আমরা এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করতে চাই, যা ভাইরাসের সব ধরনের রূপকে চিনতে পারবে এবং বিস্তৃত সুরক্ষা দেবে।   ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার ইবোলা প্রাদুর্ভাবের অভিজ্ঞতা থেকেই এ গবেষণার শুরু। সে সময় রোগ শনাক্ত ও টিকা তৈরিতে দীর্ঘ সময় লেগেছিল। এর মধ্যে ইবোলা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ১১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। তখন থেকেই গবেষকরা দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম নতুন প্রযুক্তি তৈরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।   গবেষণায় এআই ব্যবহার করে বিভিন্ন ভাইরাসের বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভাইরাসের এমন কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে, যেগুলোর বিরুদ্ধে মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কাজ করতে পারে। ফলে একটি টিকা একাধিক ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।   সম্প্রতি ৩৯ জন স্বেচ্ছাসেবীর ওপর পরিচালিত প্রাথমিক পরীক্ষায় এআই-সহায়তায় তৈরি এই সার্বজনীন করোনাভাইরাস টিকার ক্ষেত্রে বড় ধরনের কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি পাওয়া যায়নি। গবেষণার ফলাফল চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী ‘জার্নাল অব ইনফেকশনে’ প্রকাশিত হয়েছে। এখন টিকাটি বৃহত্তর পরিসরে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে।   গবেষকদের মতে, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক ভ্রমণ এবং মানুষের কারণে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল কমে যাওয়ায় নতুন ভাইরাসের আবির্ভাবের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই ভবিষ্যতের মহামারি মোকাবিলায় এমন প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।   অধ্যাপক হিনি জানান, তার সবচেয়ে বড় উদ্বেগ ভবিষ্যতের সম্ভাব্য ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারি। তবে তিনি আশাবাদী যে এআই-ভিত্তিক নতুন এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আরও দ্রুত ও কার্যকর টিকা তৈরির পথ খুলে দেবে এবং বৈশ্বিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ভারতে থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর সেনা সদস্যদের হামলা
মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৫, ২০২৬

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মিরের কিস্তওয়ারে থানার ভেতর ঢুকে পুলিশ সদস্যদের ব্যাপক মারধর করেছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এ ঘটনায় একজন কর্নেল, একজন মেজর ও একজন নায়েব সুবেদারসহ ৪০ সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।   অভিযোগ উঠেছে, পুলিশকে মারার পাশাপাশি থানায়ও ভাঙচুর চালিয়েছেন সেনা সদস্যরা।   পুলিশ তাদের মামলায় আসামি হিসেবে ১৭ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল এন অরুণ গান্ধী, মেজর বিকাশ শর্মা এবং নায়েব সুবেদার শঙ্কর ঘুর্খেসহ অজ্ঞাত আরও ৪০ জন সেনাকে অভিযুক্ত করেছে।   তারা বলেছে, ওই সেনা সদস্যরা থানায় ঢুকে সরকারি কর্মকর্তাদেরও মারধর করেছেন।   তাদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা এবং সরকারি সম্পদ বিনষ্টের অভিযোগ আনা হয়েছে।   সেনাবাহিনী বলেছে, তারা এ ব্যাপারে পুলিশকে সহায়তা করবে।   এদিকে সেনাবাহিনীর হামলার শিকার হওয়ার মধ্যে রয়েছেন পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট বিজয় কুমার বাঘাত, স্টেশন হাউজ অফিসার অমৃত কাটোচ।   মামলায় বলা হয়েছে, স্টেশন হাউজ অফিসার অমৃত কাটোচ সেখানকার ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। ওই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করছিলেন বিভাগীয় কমিশনার। তখন সেনা সদস্যরা থানায় হামলা চালায়।   থানায় হামলার কথা জেনে অমৃত কাটোচ দ্রুত সেখানে যান। গিয়ে দেখেন পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট বিজয় কুমার বাঘাতকে মেজর বিকাশ শর্মার নেতৃত্বে মারধর করা হচ্ছে। সেনাসদস্যরা তার পোশাক ছিঁড়ে ফেলেন।   কী নিয়ে হামলা? সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মিরের কিস্তওয়ারের সহকারী আঞ্চলিক পরিবহন অফিসার সেনাবাহিনীর একটি গাড়ি জব্দ করেন। এ ঘটনায় সেনাবাহিনী ক্ষুব্ধ হয়।   সহকারী আঞ্চলিক পরিবহন অফিসার তখন থানার ভেতর ছিলেন। সেনা সদস্যরা দেওয়াল টপকে থানায় ঢুকে তাকেও মারধর করেন। এছাড়া তার গাড়ি ভাঙচুর করেন।   সেনাবাহিনীর সদস্যরা লাঠি, লোহার রড এবং অস্ত্র নিয়ে থানায় ঢুকেছিলেন উল্লেখ করে পুলিশ বলেছে, তাদের উদ্দেশ্য ছিল পুলিশ সদস্যদের হত্যা করা। এরজন্য লাঠি ও লোহার রড নিয়ে এসেছিলেন তারা।   সূত্র: এনডিটিভি

ছবি: সংগৃহীত
ইরানবিরোধী যুদ্ধে সহযোগিতার দায়ে ন্যাটোকে জবাবদিহির মুখে পড়তে হবে: বাকায়ি
মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৫, ২০২৬

পার্সটুডে- ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক ইরানের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধে যেকোনো ধরনের সহযোগিতার জন্য ন্যাটো এবং এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে, যার মধ্যে ইতালি ও রোমানিয়াও রয়েছে, অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। ন্যাটোর মহাসচিব ইরানের বিরুদ্ধে অবৈধ ও অপরাধমূলক হামলা চালানোর ক্ষেত্রে এই দেশগুলোর ভূমিকার কথা স্পষ্টভাবে স্বীকার করেছেন।   ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে; ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসনে সমর্থন দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউরোপের দুটি দেশের ভূমিকা থাকার ব্যাপারে ন্যাটোর মহাসচিবের স্বীকারোক্তির কথা উল্লেখ করেছেন। ইসমাইল বাকায়ি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানে ব্যাপকভাবে অবদান রাখা দুটি দেশ হিসেবে ইতালি ও রোমানিয়ার নাম উল্লেখ করার কথা উল্লেখ করে এক্স নেটওয়ার্কে লিখেছেন: "ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসী হামলা চালানোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সহযোগিতার বিষয়ে ন্যাটোর মহাসচিবের এই সুস্পষ্ট স্বীকারোক্তি হলো জাতিসংঘের সদস্য একটি স্বাধীন দেশের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন চালানোর ক্ষেত্রে এই সংস্থার সক্রিয় সহযোগিতারই প্রমাণ। এই আগ্রাসন ছিল আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতিমালার চরম লঙ্ঘন।" তিনি আরও বলেন, ন্যাটো এবং এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণকারী এর প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রকে এই আগ্রাসী যুদ্ধের সমস্ত পরিণতির জন্য অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। ইসমাইল বাকায়ি বলেন: ন্যাটোর মহাসচিব স্পষ্টভাবে ইতালি এবং রোমানিয়াকে সেই দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন যারা ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক আগ্রাসনে সহযোগিতা করেছে। এই দুটি দেশ এবং ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসনে সহায়তাকারী অন্য প্রতিটি ইউরোপীয় দেশকে তাদের জনমত এবং সমগ্র বিশ্বের কাছে ব্যাখ্যা করতে হবে যে, কেন তারা ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকারীদের সাথে ষড়যন্ত্র করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং কেন তারা ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে জঘন্য ও ব্যাপক অপরাধ সংঘটনে অংশ নিয়েছিল।

ছবি: সংগৃহীত
সরকারি হাসপাতালে জন্ম নিলেই স্বর্ণের আংটি, ঘোষণা বিজয় থালাপতির
মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৫, ২০২৬

সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রতিটি নবজাতককে এক গ্রাম ওজনের স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়ার ঘোষণা করলেন ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনযায়ী, ‘থাই মামান গোল্ড রিং স্কিম’ নামে এই প্রকল্পকে রাজ্যের অন্যতম ব্যতিক্রমী জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। জানা যায়, তামিল সমাজে ‘থাই মামান সির’ নামে একটি প্রচলিত রীতি রয়েছে। সেখানে নবজাতককে আশীর্বাদ ও উপহার দেন তার মামা। সেই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে রাজ্যটির সরকার এই প্রকল্প চালু করতে চলেছে। তামিলনাড়ু রাজ্য প্রশাসনের বক্তব্য, শিশুদের প্রতি স্নেহ ও দায়িত্ববোধের প্রতীক হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের জন্মদিন ২২ জুন ২০২৬ থেকে সরকারি হাসপাতালে জন্মানো সব শিশুই এই প্রকল্পের আওতায় আসবে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পের উদ্বোধন হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সি এন আন্নাদুরাইয়ের জন্মবার্ষিকীতে। এই কর্মসূচির জন্য বছরে ৭৫৫.৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। নবজাতকদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি তামিল সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে আরো শক্তিশালী করাও এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য। মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেট্রি কাজাঘাম’-এর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যেই ছিল এই প্রকল্প। এবার সেই প্রতিশ্রুতিই বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে ক্ষমতাসীন দলটি।

ছবি: সংগৃহীত
পশ্চিম এশিয়ায় বদলে যাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ, গুরুত্ব হারাচ্ছে সুন্নি-শিয়া বিভাজন
আক্তারুজ্জামান জুন ২৫, ২০২৬

পশ্চিম এশিয়ার রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তারকারী সুন্নি-শিয়া বিভাজনের গুরুত্ব ধীরে ধীরে কমছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তা, কৌশলগত স্বার্থ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক শক্তির ভূমিকা আগের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেন, সিরিয়া, লেবানন ও ইরাকের বিভিন্ন সংঘাতকে এতদিন প্রধানত সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করা হলেও বর্তমান বাস্তবতা সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ পশ্চিম এশিয়ার রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।   পর্যবেক্ষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, গাজা যুদ্ধ এবং লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন ও ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা আঞ্চলিক দেশগুলোকে তাদের নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে বাধ্য করেছে। এর ফলে সৌদি আরব, ইরান, কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও মিসরের মতো দেশগুলো নিজেদের কৌশলগত অবস্থান পুনর্নির্ধারণের পথে হাঁটছে।   এ প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের ভূমিকাও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও ইসলামাবাদ একই সময়ে ইরানের সঙ্গেও কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রেখেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান আঞ্চলিক কূটনীতিতে পাকিস্তানকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে এসেছে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। উপসাগরীয় দেশগুলো কয়েক দশক ধরে ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল থাকলেও সাম্প্রতিক সংঘাত ও উত্তেজনার পর অনেক দেশ বিকল্প নিরাপত্তা কাঠামো এবং বহুমুখী কূটনৈতিক সম্পর্কের দিকে নজর দিচ্ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, বৃহৎ সামরিক সক্ষমতা, পারমাণবিক শক্তি, চীনের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক এবং সৌদি আরব ও ইরানের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে পাকিস্তান ভবিষ্যতের আঞ্চলিক ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।   অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের উদ্যোগও নতুন করে মূল্যায়নের মুখে পড়েছে। আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার কারণে এ ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।   বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোকে নতুন ধরনের সহযোগিতা ও সমন্বয়ের দিকে এগিয়ে নিচ্ছে। ফলে ধর্মীয় বিভাজনের চেয়ে এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যের বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।   তাদের মতে, চলমান পরিবর্তন পশ্চিম এশিয়ার রাজনৈতিক মানচিত্রে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে, যেখানে পুরোনো বিভাজনের পরিবর্তে পারস্পরিক স্বার্থ ও নিরাপত্তা সহযোগিতাই প্রধান নিয়ামক হিসেবে আবির্ভূত হবে।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
বিশ্ব
অর্থনীতি