সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিতে কালো কাপড় পরানোকে ঘিরে উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া শহরে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তির মুখ ও হাতে কালো কাপড় বেঁধে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটিকে ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্র’ বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস। একই সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে দলটি।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১ জুলাই) সকালে স্টেশন বাজার এলাকায় স্থানীয়রা মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিটি কালো কাপড় বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান। ১৯৯৬ সালে তৎকালীন কংগ্রেস পরিচালিত কাটোয়া পৌরসভা মূর্তিটি স্থাপন করেছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কালো কাপড় সরিয়ে ফেলে। পরে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।   কাটোয়ার মহকুমা শাসক রীনা ঘোষ জানান, মূর্তির ওপর স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, রাত প্রায় সাড়ে ১২টার দিকে এক গৃহহীন ব্যক্তি মূর্তিটির মুখ ও হাতে কালো কাপড় বেঁধে দেন।   ঘটনার নিন্দা জানিয়ে কাটোয়ার সাবেক বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, যারা এ কাজ করেছে তারা দেশবিরোধী। তাদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলা বিজেপির সহসভাপতি অনিল দত্তও ঘটনাটিকে জঘন্য উল্লেখ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার আহ্বান জানান।   এদিকে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার দাবি করেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ। তিনি বলেন, মহাত্মা গান্ধীর মূর্তির মুখে কালো কাপড় বেঁধে তাঁর আদর্শ বা নীতিকে মুছে ফেলা যাবে না। তাঁর ভাষায়, গান্ধী শুধু ভারতের নয়, সারা বিশ্বের পথপ্রদর্শক।   তিনি আরও অভিযোগ করেন, যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তারা আসলে গান্ধীর আদর্শকে ভয় পায়। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত শেষ করে দায়ীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।   পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষ হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৭ মিনিট আগে
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে মাহান এয়ারে ইরানে গেলেন স্পিকার

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নিতে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে তেহরানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।   ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের আমন্ত্রণে তিনি এ সফর করছেন। সকাল সাড়ে ৭টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্পিকার ইরানের এই নেতার জানাজার নামাজে অংশ নিতে ঢাকা ত্যাগ করেন। ওমানের রাজধানী মাস্কাট থেকে মাহান এয়ারের একটি ফ্লাইটে তিনি ইরানের রাজধানী তেহরান পৌঁছাবেন বলে জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বাংলাদেশের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সেই আমন্ত্রণের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি তেহরান সফর এবং ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় অংশ নিচ্ছেন। খবরটি নিশ্চিত করে বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেছেন, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য ও জানাজার নামাজ ৪ থেকে ৯ জুলাই তেহরান, কোম ও মাশহাদ শহরে অনুষ্ঠিত হবে। ওই জানাজায় বাংলাদেশ সরকার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অংশ নেবেন। এদিকে, বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে ইরানে যাবার সরাসরি ফ্লাইট নেই। সব রুটে অন্তত ১টি স্টপ (কানেকশন) লাগে। তাই খামেনির জানাজায় অংশ নিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ঢাকা থেকে কানেকশন রুট হিসেবে মাস্কাট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যাবহার করে ইরানের শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন্স 'মাহান এয়ার' এর একটি ফ্লাইটে তেহরান-ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন বলে জানা গেছে। ইরান সম্প্রতি ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব দিয়েছে। বন্ধুপ্রতিম মুসলিম দেশটি বাংলাদেশে বাণিজ্য, পর্যটন ও জনগণের যোগাযোগ বাড়াতে চায়। তবে এখনো সরাসরি ফ্লাইট চালুর সরকারি অনুমোদন মেলেনি। একই কারণে মাহান এয়ারও ঢাকা থেকে সরাসরি ফ্লাইট অপারেশন শুরু করার অপেক্ষায় আছে। মাহান এয়ার সুত্রে জানা যায়, ইরানের শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন্সটি আরও আগেই বাংলাদেশ থেকে ফ্লাইট চালুর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করেছে। এমনকি তারা ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে দুবাই, মাস্কাট, ইসলামাবাদ ও করাচির সাথে সংযোগ ফ্লাইট চালু করার ঘোষণাও দিয়ে রেখেছে। সমস্ত প্রস্তুতি শেষ, শিগগিরই ঢাকা থেকে সরাসরি মাহান এয়ারের কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ৮৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির নতুন রাজনৈতিক কাঠামোতে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮০ সালে কিছু সময়ের জন্য ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।  ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর খামেনি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) তদারকির দায়িত্ব নেন এবং পরে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস আয়াতুল্লাহ খামেনিকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ এ নেতার জানাজায় অংশ নিয়ে আগামী ৪ জুলাই স্পিকারের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। সফরসূচি অনুযায়ী জানা গেছে, তেহরান-ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মাহান এয়ারের একটি ফ্লাইটে মাস্কাট হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি

২ ঘন্টা আগে
প্যারিসের মেয়রের স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি

বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনির আলোকচিত্রভিত্তিক গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন স্বীকৃতি অর্জন করেছে। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের টাউন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্যারিসের বর্তমান মেয়র ইমানুয়েল গ্রেগোয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে বইটি গ্রহণ করেন এবং এর শিল্পগুণ ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের প্রশংসা করেন।   স্থানীয় সময় ৩০ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে মেয়রের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন ফরিদ আহাম্মদ রনি। এ সময় প্যারিসকে কেন্দ্র করে নির্মিত তার আলোকচিত্রভিত্তিক প্রকাশনা, এর নান্দনিক উপস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক বিনিময়ে বইটির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে মেয়র ভবিষ্যতে রনিকে বিশেষভাবে সম্মানিত করার আগ্রহও প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে।   একজন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী হিসেবে প্যারিস সিটি প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এমন স্বীকৃতি পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে প্যারিসের সাবেক মেয়র আন্নে ইদালগোর সঙ্গেও তার সাক্ষাৎ হয়েছিল। সে সময়ও তিনি ‘প্যারিসের ছবি’ গ্রন্থটি উপহার দেন এবং ইতিবাচক সাড়া পান।   বাংলা, ইংরেজি ও ফরাসি—এই তিন ভাষায় প্রকাশিত ‘প্যারিসের ছবি’ গ্রন্থে প্যারিসের ঐতিহাসিক স্থাপত্য, শিল্প-ঐতিহ্য, নগরজীবন এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আলোকচিত্র ও বর্ণনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। বইটি শুধু একটি ফটোবুক নয়, বরং শিল্প, ইতিহাস ও নগরসংস্কৃতির একটি সৃজনশীল দলিল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বইটি প্রশংসিত হয়েছে। ফ্রান্সের ঐতিহাসিক গ্রঁ পালে-এ অনুষ্ঠিত ChangeNOW Summit-এ ফরিদ আহাম্মদ রনি তার গ্রন্থ মোনাকোর যুবরাজ প্রিন্স আলবার্ট দ্বিতীয়, ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লরাঁ ফাবিউস এবং জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মেলিসা ফ্লেমিংয়ের হাতে তুলে দেন। এছাড়া ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর কাছেও বইটি পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ পান তিনি। পরে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে পাওয়া প্রশংসাপত্র তার কাজের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে আরও শক্তিশালী করে।   দীর্ঘ গবেষণা, পরিকল্পনা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রকাশিত এই গ্রন্থ বাস্তবায়নে ফ্রান্স ও বাংলাদেশের গবেষক, শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতা ছিল উল্লেখযোগ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, ‘প্যারিসের ছবি’ শুধু একটি শহরভিত্তিক আলোকচিত্র সংকলন নয়; এটি বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।   ফরিদ আহাম্মদ রনির ভাষায়, আলোকচিত্র কেবল সৌন্দর্য তুলে ধরার মাধ্যম নয়, এটি ইতিহাস সংরক্ষণ ও সময়কে ধারণ করারও একটি শক্তিশালী উপকরণ। মানুষের জীবন, সংস্কৃতি এবং সমাজের পরিবর্তনকে ক্যামেরায় তুলে ধরার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতিই প্যারিসের মেয়রের এই সম্মাননা।

৩ ঘন্টা আগে
ইউএইতে ভিসা ও এমআরপি পাসপোর্ট সংকট নিয়ে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের মতবিনিময়

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের ভিসা জটিলতা এবং এমআরপি পাসপোর্ট সংকট নিরসনের দাবি নিয়ে দেশটির বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউএই রাষ্ট্রদূত তারেক আহমদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে। সভায় প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি ও সংকটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।   মঙ্গলবার (৩০ জুন) আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠিত এ সভায় সাংবাদিক নেতারা জানান, নতুন ভিসা পাওয়া এবং সময়মতো এমআরপি পাসপোর্ট নবায়ন করতে না পারায় অনেক বাংলাদেশি প্রবাসী বৈধতার সংকটে পড়েছেন। এতে তারা জরিমানা, চাকরি হারানো এবং অন্যান্য প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছেন।   সভায় আরও বলা হয়, পাসপোর্ট জটিলতার কারণে অনেকেই ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ, চিকিৎসা সুবিধা এবং বৈধভাবে দেশে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রেও সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এসব কারণে প্রবাসীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপ বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন বক্তারা।   সাংবাদিক নেতারা সরকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবাসীদের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন।   রাষ্ট্রদূত তারেক আহমদ প্রবাসীদের উদ্বেগের বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের সমস্যার সমাধানে সরকারের আন্তরিকতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভিসা ও পাসপোর্টসংক্রান্ত জটিলতার কারণগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং দূতাবাস সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে বিষয়গুলো সমাধানে কাজ করছে।   তিনি আরও জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। অচিরেই প্রবাসীরা চলমান সংকট থেকে মুক্তি পাবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।   মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউএইর সভাপতি মামুনুর রশীদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল শাহীন নেতৃত্ব দেন। এছাড়া সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শাফায়াত উল্লাহ, অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহজাহান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ইরফানুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক আশিকুর ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোশাররফ হোসেন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য এস এম করিম, শামসুল হক ও কাজী নাজিম উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

৪ ঘন্টা আগে
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে মাহান এয়ারে ইরানে গেলেন স্পিকার

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নিতে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে তেহরানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।   ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের আমন্ত্রণে তিনি এ সফর করছেন। সকাল সাড়ে ৭টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্পিকার ইরানের এই নেতার জানাজার নামাজে অংশ নিতে ঢাকা ত্যাগ করেন। ওমানের রাজধানী মাস্কাট থেকে মাহান এয়ারের একটি ফ্লাইটে তিনি ইরানের রাজধানী তেহরান পৌঁছাবেন বলে জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বাংলাদেশের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সেই আমন্ত্রণের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি তেহরান সফর এবং ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় অংশ নিচ্ছেন। খবরটি নিশ্চিত করে বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেছেন, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য ও জানাজার নামাজ ৪ থেকে ৯ জুলাই তেহরান, কোম ও মাশহাদ শহরে অনুষ্ঠিত হবে। ওই জানাজায় বাংলাদেশ সরকার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অংশ নেবেন। এদিকে, বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে ইরানে যাবার সরাসরি ফ্লাইট নেই। সব রুটে অন্তত ১টি স্টপ (কানেকশন) লাগে। তাই খামেনির জানাজায় অংশ নিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ঢাকা থেকে কানেকশন রুট হিসেবে মাস্কাট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যাবহার করে ইরানের শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন্স 'মাহান এয়ার' এর একটি ফ্লাইটে তেহরান-ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন বলে জানা গেছে। ইরান সম্প্রতি ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব দিয়েছে। বন্ধুপ্রতিম মুসলিম দেশটি বাংলাদেশে বাণিজ্য, পর্যটন ও জনগণের যোগাযোগ বাড়াতে চায়। তবে এখনো সরাসরি ফ্লাইট চালুর সরকারি অনুমোদন মেলেনি। একই কারণে মাহান এয়ারও ঢাকা থেকে সরাসরি ফ্লাইট অপারেশন শুরু করার অপেক্ষায় আছে। মাহান এয়ার সুত্রে জানা যায়, ইরানের শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন্সটি আরও আগেই বাংলাদেশ থেকে ফ্লাইট চালুর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করেছে। এমনকি তারা ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে দুবাই, মাস্কাট, ইসলামাবাদ ও করাচির সাথে সংযোগ ফ্লাইট চালু করার ঘোষণাও দিয়ে রেখেছে। সমস্ত প্রস্তুতি শেষ, শিগগিরই ঢাকা থেকে সরাসরি মাহান এয়ারের কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ৮৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির নতুন রাজনৈতিক কাঠামোতে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮০ সালে কিছু সময়ের জন্য ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।  ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর খামেনি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) তদারকির দায়িত্ব নেন এবং পরে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস আয়াতুল্লাহ খামেনিকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ এ নেতার জানাজায় অংশ নিয়ে আগামী ৪ জুলাই স্পিকারের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। সফরসূচি অনুযায়ী জানা গেছে, তেহরান-ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মাহান এয়ারের একটি ফ্লাইটে মাস্কাট হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি

মোঃ নাহিদ হোসেন জুলাই ০২, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
ইউএইতে ভিসা ও এমআরপি পাসপোর্ট সংকট নিয়ে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের মতবিনিময়

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের ভিসা জটিলতা এবং এমআরপি পাসপোর্ট সংকট নিরসনের দাবি নিয়ে দেশটির বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউএই রাষ্ট্রদূত তারেক আহমদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে। সভায় প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি ও সংকটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।   মঙ্গলবার (৩০ জুন) আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠিত এ সভায় সাংবাদিক নেতারা জানান, নতুন ভিসা পাওয়া এবং সময়মতো এমআরপি পাসপোর্ট নবায়ন করতে না পারায় অনেক বাংলাদেশি প্রবাসী বৈধতার সংকটে পড়েছেন। এতে তারা জরিমানা, চাকরি হারানো এবং অন্যান্য প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছেন।   সভায় আরও বলা হয়, পাসপোর্ট জটিলতার কারণে অনেকেই ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ, চিকিৎসা সুবিধা এবং বৈধভাবে দেশে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রেও সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এসব কারণে প্রবাসীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপ বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন বক্তারা।   সাংবাদিক নেতারা সরকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবাসীদের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন।   রাষ্ট্রদূত তারেক আহমদ প্রবাসীদের উদ্বেগের বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের সমস্যার সমাধানে সরকারের আন্তরিকতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভিসা ও পাসপোর্টসংক্রান্ত জটিলতার কারণগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং দূতাবাস সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে বিষয়গুলো সমাধানে কাজ করছে।   তিনি আরও জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। অচিরেই প্রবাসীরা চলমান সংকট থেকে মুক্তি পাবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।   মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইউএইর সভাপতি মামুনুর রশীদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল শাহীন নেতৃত্ব দেন। এছাড়া সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শাফায়াত উল্লাহ, অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহজাহান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ইরফানুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক আশিকুর ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোশাররফ হোসেন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য এস এম করিম, শামসুল হক ও কাজী নাজিম উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

ছবি: সংগৃহীত
কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন দিগন্ত, চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাকৃবির সমঝোতা

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৃষি শিক্ষা, গবেষণা এবং একাডেমিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এবং চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি (সিএইউ)। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে সিএইউ হাব ফর কান্ট্রি অ্যান্ড রিজিয়ন স্টাডিজ।   বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় বাকৃবির উপাচার্যের কার্যালয়ে সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। পরে কৃষি অনুষদের ডিন কার্যালয়ের তৃতীয় তলায় নবগঠিত সিএইউ হাব উদ্বোধন করেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া এবং চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিদল।   এই চুক্তির মাধ্যমে চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির কলেজ অব ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড গ্লোবাল অ্যাগ্রিকালচার এবং বাকৃবির কৃষি অনুষদ ও কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণাভিত্তিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হলো।   সমঝোতা কার্যক্রমের স্থানীয় সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাদের এবং কৃষিব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।   অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, এই চুক্তির আওতায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়, যৌথ গবেষণা, গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, আন্তর্জাতিক সেমিনার এবং সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। এছাড়া বাকৃবির চারজন শিক্ষার্থী চীনে পিএইচডি করার সুযোগ পাবেন। নবপ্রতিষ্ঠিত সিএইউ হাব এসব কার্যক্রমের সমন্বয় ও বাস্তবায়নের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।   চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। এছাড়া ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলামসহ বাকৃবির বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং চায়না এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. শিওলি জু ও অধ্যাপক ড. চুয়ানহং ঝাং অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।   অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, এই সমঝোতা চুক্তি বাংলাদেশের কৃষিকে আরও আধুনিক, টেকসই ও সহনশীল করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারিত হবে।   তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো মানসম্মত গবেষণা। এই সমঝোতা স্মারক সেই গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পথ সুগম করবে। প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য চুক্তি হলেও ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ছবি: সংগৃহীত
ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর নিয়ে বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধে যানজট

চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার প্রশাসনিক সদর ভৌগোলিকভাবে উপযুক্ত ও জনসেবাবান্ধব স্থানে নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তারা ফেনী-খাগড়াছড়ি মহাসড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।   বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার হেয়াঁকো এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।   স্থানীয় সূত্র জানায়, বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাদের হাতে দাবি-সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন ছিল। বক্তারা বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের সেবা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে নতুন উপজেলার সদর দপ্তর নির্ধারণ করতে হবে।   মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভকারীরা মিছিল নিয়ে ফেনী-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের হেয়াঁকো এলাকায় অবস্থান নেন। এ সময় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করলে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল ব্যাহত হয়। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয় এবং শত শত যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েন।   আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, নবগঠিত উপজেলার সদর দপ্তর নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের মতামত এবং বাস্তব পরিস্থিতিকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তারা দ্রুত বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।   ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা নাগরিক ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট রাসেল আহমদ ভূঁইয়া বলেন, অতীতেও উত্তরাঞ্চলের মানুষের দাবি উপেক্ষা করে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবারও যদি একইভাবে ভূজপুরে সদর দপ্তর স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়, তবে তা মেনে নেওয়া হবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন তিনি।   পরে নতুন কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে দিনের অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়।   এ বিষয়ে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, আন্দোলনকারীরা তাদের দাবির পক্ষে কর্মসূচি পালন করছেন। প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

ছবি : সংগৃহীত
ভেনেজুয়েলায় ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, নিহত বেড়ে ২,২৯৫ জন

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ দুটি ভূমিকম্পের এক সপ্তাহ পর জীবিত কাউকে উদ্ধারের আশা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে এসেছে।  এদিকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া হাজারো মানুষ এখন তীব্র খাদ্য ও পানির সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।  এ পর্যন্ত ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৯৫ জনে। আহত হয়েছেন ১১ হাজারের বেশি মানুষ।  এ ছাড়া এখনও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।    নিহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ সাত দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, এত প্রাণহানিতে দেশের ‘আত্মা ক্ষতবিক্ষত’ হয়ে গেছে। রাজধানী কারাকাসের উত্তরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শহর লা গুয়াইরার অধিকাংশ ধসে পড়া ভবনে ‘ডি (ডিসিস্ট)’ চিহ্ন দিয়ে রাখা হয়েছে। এর অর্থ, সেখানে তল্লাশি চালিয়ে জীবিত কাউকে পাওয়া যায়নি। এদিকে, স্পেনের একটি উদ্ধারকারী দলের সমন্বয়কারী হাভিয়ের রোদেস বলেন, ‘যেখানে জীবিত কাউকে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই, সেখানে সময় নষ্ট করা হয় না।’  তার দলের প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী কুকুর নালাও ধ্বংসস্তূপে জীবনের কোনো চিহ্ন খুঁজে পায়নি বলে জানান তিনি।  তবে এর মধ্যেও অলৌকিক কিছু ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ছয় দিন পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তিন বছর বয়সি এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্পের ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কমে যায়। ভেনেজুয়েলার জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ জানান, প্রায় ১৩ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।   খাদ্যের জন্য সংগ্রাম ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলার বহু এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকটে আগে থেকেই দেশটির অবকাঠামো ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা দুর্বল ছিল। দুর্যোগের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে উদ্ধারকারী দল এলেও অনেক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করছেন, সরকারের সহায়তা যথেষ্ট নয়। এখন সবচেয়ে বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা। লা গুয়াইরার ১৮ বছর বয়সি বিক্রেতা দানিয়েলা আরমাস বলেন, ‘ত্রাণ দেওয়া হয়, কিন্তু খাবারের জন্য মানুষ প্রায় মারামারি করে। পরিস্থিতি যেন মোরগ লড়াইয়ের মতো।’ চুরি ও লুটপাটের ঘটনাও বেড়েছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে মূল্যবান জিনিস চুরির অভিযোগে বুধবার চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।  আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ভেনেজুয়েলা প্রধান লিয়া পোজ্জিও বলেন, ‘পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপন্ন।’ ত্রাণের জন্য মানুষের দীর্ঘ লাইন দিন দিন আরও বাড়ছে। অনেকেই স্বেচ্ছাসেবক ও সাধারণ মানুষের সহায়তার ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়া তরুণী আইসমার লোপেজ বলেন, ‘আমি যখন খাই, তখন মনে হয় কোথাও না কোথাও কেউ না খেয়ে আছে। তাই অপরাধবোধ হয়।’ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) আগামী তিন মাসে পাঁচ লাখ মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিতে ৫ কোটি ডলার জরুরি তহবিলের আবেদন জানিয়েছে।   রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা ভূমিকম্পের পর সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও বেড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, দেশটির স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখন চরম চাপের মধ্যে রয়েছে। সংস্থাটির মুখপাত্র ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডমেয়ার বলেন, হাম ও ডিপথেরিয়ার মতো টিকায় প্রতিরোধযোগ্য রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেড়েছে, কারণ ভূমিকম্পের আগেই টিকাদানের হার ছিল কম। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা আগামী ছয় মাসে ৩০ হাজার মানুষের জন্য জরুরি আশ্রয় ও সহায়তা নিশ্চিত করতে ১ কোটি ৪৯ লাখ ডলার তহবিলের আবেদন করেছে। এদিকে নাসার প্রাথমিক স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ভূমিকম্পে প্রায় ৫৮ হাজার ৮৭০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও স্বজনদের খুঁজছেন অনেক মানুষ। লা গুয়াইরার বাসিন্দা হেলেন গুয়েদেজ ও তার ভাই ধসে পড়া একটি ভবনে বাবা, বোন ও দাদিকে খুঁজে চলেছেন। হেলেন বলেন, ‘আমরা খোঁজ চালিয়ে যাব। যদি জীবিত না-ও পাই, অন্তত তাদের মরদেহ উদ্ধার করে সম্মানের সঙ্গে দাফন করতে চাই।’

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
ভেনেজুয়েলায় ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, নিহত বেড়ে ২,২৯৫ জন
মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০২, ২০২৬

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ দুটি ভূমিকম্পের এক সপ্তাহ পর জীবিত কাউকে উদ্ধারের আশা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে এসেছে।  এদিকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া হাজারো মানুষ এখন তীব্র খাদ্য ও পানির সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।  এ পর্যন্ত ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৯৫ জনে। আহত হয়েছেন ১১ হাজারের বেশি মানুষ।  এ ছাড়া এখনও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।    নিহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ সাত দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, এত প্রাণহানিতে দেশের ‘আত্মা ক্ষতবিক্ষত’ হয়ে গেছে। রাজধানী কারাকাসের উত্তরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শহর লা গুয়াইরার অধিকাংশ ধসে পড়া ভবনে ‘ডি (ডিসিস্ট)’ চিহ্ন দিয়ে রাখা হয়েছে। এর অর্থ, সেখানে তল্লাশি চালিয়ে জীবিত কাউকে পাওয়া যায়নি। এদিকে, স্পেনের একটি উদ্ধারকারী দলের সমন্বয়কারী হাভিয়ের রোদেস বলেন, ‘যেখানে জীবিত কাউকে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই, সেখানে সময় নষ্ট করা হয় না।’  তার দলের প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী কুকুর নালাও ধ্বংসস্তূপে জীবনের কোনো চিহ্ন খুঁজে পায়নি বলে জানান তিনি।  তবে এর মধ্যেও অলৌকিক কিছু ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ছয় দিন পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তিন বছর বয়সি এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্পের ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কমে যায়। ভেনেজুয়েলার জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ জানান, প্রায় ১৩ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।   খাদ্যের জন্য সংগ্রাম ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলার বহু এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকটে আগে থেকেই দেশটির অবকাঠামো ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা দুর্বল ছিল। দুর্যোগের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে উদ্ধারকারী দল এলেও অনেক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করছেন, সরকারের সহায়তা যথেষ্ট নয়। এখন সবচেয়ে বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা। লা গুয়াইরার ১৮ বছর বয়সি বিক্রেতা দানিয়েলা আরমাস বলেন, ‘ত্রাণ দেওয়া হয়, কিন্তু খাবারের জন্য মানুষ প্রায় মারামারি করে। পরিস্থিতি যেন মোরগ লড়াইয়ের মতো।’ চুরি ও লুটপাটের ঘটনাও বেড়েছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে মূল্যবান জিনিস চুরির অভিযোগে বুধবার চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।  আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ভেনেজুয়েলা প্রধান লিয়া পোজ্জিও বলেন, ‘পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপন্ন।’ ত্রাণের জন্য মানুষের দীর্ঘ লাইন দিন দিন আরও বাড়ছে। অনেকেই স্বেচ্ছাসেবক ও সাধারণ মানুষের সহায়তার ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়া তরুণী আইসমার লোপেজ বলেন, ‘আমি যখন খাই, তখন মনে হয় কোথাও না কোথাও কেউ না খেয়ে আছে। তাই অপরাধবোধ হয়।’ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) আগামী তিন মাসে পাঁচ লাখ মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিতে ৫ কোটি ডলার জরুরি তহবিলের আবেদন জানিয়েছে।   রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা ভূমিকম্পের পর সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও বেড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, দেশটির স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখন চরম চাপের মধ্যে রয়েছে। সংস্থাটির মুখপাত্র ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডমেয়ার বলেন, হাম ও ডিপথেরিয়ার মতো টিকায় প্রতিরোধযোগ্য রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেড়েছে, কারণ ভূমিকম্পের আগেই টিকাদানের হার ছিল কম। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা আগামী ছয় মাসে ৩০ হাজার মানুষের জন্য জরুরি আশ্রয় ও সহায়তা নিশ্চিত করতে ১ কোটি ৪৯ লাখ ডলার তহবিলের আবেদন করেছে। এদিকে নাসার প্রাথমিক স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ভূমিকম্পে প্রায় ৫৮ হাজার ৮৭০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও স্বজনদের খুঁজছেন অনেক মানুষ। লা গুয়াইরার বাসিন্দা হেলেন গুয়েদেজ ও তার ভাই ধসে পড়া একটি ভবনে বাবা, বোন ও দাদিকে খুঁজে চলেছেন। হেলেন বলেন, ‘আমরা খোঁজ চালিয়ে যাব। যদি জীবিত না-ও পাই, অন্তত তাদের মরদেহ উদ্ধার করে সম্মানের সঙ্গে দাফন করতে চাই।’

ছবি: সংগৃহীত
মোদীর মুখোশ পরে মোবাইলের দোকানে চুরির চেষ্টা, সিসিটিভি ভিডিও ভাইরাল
আক্তারুজ্জামান জুলাই ০১, ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখাবয়বের আদলে তৈরি একটি মুখোশ পরে মোবাইল ফোনের দোকানে চুরির চেষ্টা করেছেন এক ব্যক্তি। ভারতের রাজস্থানের ভিলওয়ারা জেলার কারেদা থানার এলাকায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হওয়ার পর ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, রোববার গভীর রাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি লোহার রড দিয়ে দোকানের তালা ভাঙার চেষ্টা করেন। এ সময় তার মুখ ঢাকা ছিল প্রধানমন্ত্রী মোদীর মুখাবয়বসংবলিত একটি মুখোশে, যা সাধারণত রাজনৈতিক সমাবেশে ব্যবহৃত হতে দেখা যায়।   তবে একাধিকবার চেষ্টা করেও তালা ভাঙতে ব্যর্থ হন তিনি। পরে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পুরো ঘটনাটি দোকানের বাইরে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরায় রেকর্ড হয়।   কারেদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুরণমল মিনা জানান, চুরির সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তি মোদীর মুখোশ পরে থাকলেও আশপাশের অন্যান্য সিসিটিভি ফুটেজে তার প্রকৃত মুখ দেখা গেছে। সেই ফুটেজের ভিত্তিতে তাকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।   পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার আগেই একই ব্যক্তিকে মুখোশ ছাড়া একই পোশাকে ওই এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছিল। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৮০০ মিটার দূরের আরেকটি মোবাইল ফোনের দোকানেও একই রাতে চুরির ঘটনা ঘটে। তবে দুটি ঘটনার সঙ্গে একই ব্যক্তি জড়িত কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   এদিকে, ঘটনাটির সিসিটিভি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।   সূত্র: পিটিআই

ছবি: সংগৃহীত
সুইডেনে বাড়ছে দক্ষ মুসলিম পেশাজীবী, তবে সামনে রয়ে গেছে নানা সামাজিক চ্যালেঞ্জ
আক্তারুজ্জামান জুলাই ০১, ২০২৬

সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের দক্ষিণে অবস্থিত সোডারটেলিয়া শহরে গত এক দশকে মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে এই বৃদ্ধি শরণার্থী প্রবাহের কারণে নয়; বরং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ মুসলিম পেশাজীবীদের স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করার ফলেই এ পরিবর্তন এসেছে।   স্থানীয় ইসলামিক কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, গত দশ বছরে মসজিদের সঙ্গে যুক্ত মুসলিম পরিবারের সংখ্যা প্রায় তিন গুণ বেড়ে ১০০ থেকে ৩০০-তে পৌঁছেছে। স্ক্যানিয়া ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়া প্রকৌশলী, গবেষক ও অন্যান্য পেশাজীবীরাই এ সম্প্রদায়ের সম্প্রসারণে বড় ভূমিকা রাখছেন।   কর্মসংস্থানের মাধ্যমে নতুন বাস্তবতা: স্ক্যানিয়ার কোয়ালিটি ইঞ্জিনিয়ার আফিফ আসালি জানান, ২০০৮ সালের পর থেকে ধীরে ধীরে এই পরিবর্তন শুরু হয় এবং ২০১৫ সালের অভিবাসন সংকটের পর এর গতি আরও বাড়ে। বর্তমানে অনেক মুসলিম পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় স্থানীয় মুসলিম সমাজও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। আরেক প্রকৌশলী মোহাম্মদ অসীম ফিরোজ বলেন, সুসংগঠিত মুসলিম সমাজ ও ধর্মীয় পরিবেশের কারণেই তিনি সোডারটেলিয়াকে বসবাসের জন্য বেছে নিয়েছেন। তার মতে, বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন।   রাজনৈতিক বিতর্ক ও সামাজিক বাস্তবতা: সুইডেনে মুসলিমদের একীভূত হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে দেশটির কিছু রাজনৈতিক মহলে ইসলাম ও মুসলিমদের নিয়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য নতুন নয়। তবে সোডারটেলিয়ার বাস্তব চিত্র কিছুটা ভিন্ন। এখানকার মুসলিম পেশাজীবীরা কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিয়মিত ধর্মীয় কর্মকাণ্ডেও অংশ নিচ্ছেন এবং পরিবার নিয়ে স্থানীয় সমাজে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছেন।   ইসলামভীতি নিয়ে উদ্বেগ: স্থানীয় মুসলিম নেতারা বলছেন, মুসলিম সমাজের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে কিছু মানুষের মধ্যে ইসলামভীতিও বেড়েছে। ঈদের জামাতের মতো বড় ধর্মীয় আয়োজনের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের ঘটনাও সামনে এসেছে। অ্যাসোসিয়েশনের অপারেশন প্রধান দাউদ ওমর আলীর মতে, ধর্ম সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাব থেকেই অনেক ক্ষেত্রে ভুল ধারণা ও অযৌক্তিক ভয় তৈরি হয়। তিনি বলেন, পারস্পরিক পরিচয় ও সংলাপ বাড়ানো গেলে এসব ভুল বোঝাবুঝি কমানো সম্ভব।   স্থায়ী ভিত্তি গড়ার লক্ষ্য: স্থানীয় মুসলিম সংগঠনগুলো এখন শিশু-কিশোরদের জন্য শিক্ষামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, রমজানের আয়োজন আরও সুশৃঙ্খল করা এবং সমাজের সঙ্গে ইতিবাচক যোগাযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তাদের লক্ষ্য, শুধু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়—শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সুইডিশ সমাজের একটি স্বাভাবিক ও স্থায়ী অংশ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা। বিশ্লেষকদের মতে, সোডারটেলিয়ার অভিজ্ঞতা দেখাচ্ছে যে দক্ষ কর্মসংস্থান ও সামাজিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে মুসলিম কমিউনিটি সুইডেনে নতুন একটি বাস্তবতা তৈরি করছে। তবে এই অগ্রযাত্রার পাশাপাশি সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, ইসলামভীতি মোকাবিলা এবং সফল একীভূতকরণ ভবিষ্যতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে।

ছবি: সংগৃহীত
রাজস্থানে এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ বাস-ট্রেইলার সংঘর্ষ, আগুনে নিহত ৭
আক্তারুজ্জামান জুলাই ০১, ২০২৬

ভারতের রাজস্থানে দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে একটি স্লিপার বাস ও ট্রেইলারের মুখোমুখি সংঘর্ষের পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ২২ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার গভীর রাতে দৌসা জেলার কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ঋষিকেশ থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরগামী বাসটি রাত প্রায় আড়াইটার দিকে একটি ট্রেইলারের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের পরপরই বাস ও ট্রেইলার—উভয় যানবাহনেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, আগুনে দাউদাউ করে জ্বলছে দুটি যানবাহন এবং ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীরা সাহায্যের জন্য চিৎকার করছেন।   কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, দুর্ঘটনার সময় বাসের ওপরের তলায় থাকা কয়েকজন যাত্রী নিচে ছিটকে পড়েন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন অগ্নিদগ্ধ হয়ে এবং দুজন মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে প্রাণ হারান।   প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। খবর পেয়ে দমকল ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে। আহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। তাদের দৌসা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।   পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বাসচালকের তন্দ্রা বা ঘুমিয়ে পড়া এবং অতিরিক্ত গতি—দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।   এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বিলম্ব করায় আগুনে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় লেগে যায়।   স্থানীয়দের আরও দাবি, বাসের লাগেজ রাখার অংশে বিপুল পরিমাণ সিগারেটের প্যাকেট থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।   কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি নিহত ও আহতদের পরিচয় নিশ্চিত করার কাজ চলছে।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
বিশ্ব
অর্থনীতি