সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
এইচএসসির ফলাফলে নিম্নমুখী ধারা, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা—দুটিই কমেছে। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।   শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।   প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬.৭১ শতাংশ পয়েন্ট। এর আগে ২০২৪ সালে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭৭.৭৮ শতাংশ। ফলে দুই বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ২৫.৬৬ শতাংশ পয়েন্ট।   জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৪ সালে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৬৯ হাজার ৯৭ জনে। আর চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন। দুই বছরের ব্যবধানে কমেছে ১ লাখ ৫ হাজার ৮২৭ জন।   এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন ছাত্রী। সারা দেশে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।   চলতি বছরের ২ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।

২ ঘন্টা আগে
এইচএসসিতে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে ২৯৩

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। গত বছর এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। ফলে এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।   শনিবার (৩১ অক্টোবর) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষা বোর্ডগুলোর দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।   প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এ বছর ৯টি সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৯ হাজার ৩৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। অন্যদিকে, শতভাগ পাস করেছে ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।   গত বছর মোট ৯ হাজার ৩০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। সে বছর ২০২টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। একই সময়ে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৩৪৫টি।   তুলনামূলক হিসাবে দেখা যায়, এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ৮৮টি বেড়েছে। তবে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ২০৬টি। বিপরীতে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।   এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। সার্বিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে।   গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।

২ ঘন্টা আগে
এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে এগিয়ে ঢাকা, সবচেয়ে পিছিয়ে বরিশাল

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে পাসের হারে শীর্ষস্থান দখল করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বিপরীতে সবচেয়ে কম পাসের হার নিয়ে তালিকার সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে বরিশাল বোর্ড। প্রকাশিত ফলাফলে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে পাসের হারে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা গেছে।   পাসের হারে সবার ওপরে ঢাকা সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। এ বোর্ডে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৬২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৯৩০ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম বোর্ড। এ বোর্ডে ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫০ হাজার ১৬৬ জন। পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। এ ছাড়া ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং সিলেট বোর্ডে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে এই চারটি বোর্ডে পাসের হার ৫০ শতাংশের বেশি।   সবচেয়ে কম পাস বরিশাল বোর্ডে ফলাফলে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে ৫৭ হাজার ৯১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৫ হাজার ৯৭০ জন। অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৩১ হাজার ৯৪২ জন। বোর্ডটিতে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, আর অকৃতকার্য হওয়ার হার ৫৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। বরিশালের পর কম পাসের হারের তালিকায় রয়েছে যশোর ও রাজশাহী বোর্ড। যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ। সেখানে ১ লাখ ১২ হাজার ৭৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫০ হাজার ৬৬৮ জন। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ। এ বোর্ডে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৫৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৬১ হাজার ৮৭৪ জন এবং ফেল করেছে ৭৫ হাজার ৪৮২ জন।   দিনাজপুর ও কুমিল্লা বোর্ডেও পাসের হার কম দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এ বোর্ডে ১ লাখ ১১ হাজার ৭৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫১ হাজার ৩৯৮ জন। অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৬০ হাজার ৩৮৯ জন। অন্যদিকে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৪৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ। মোট ৯২ হাজার ১৯২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৪৪ হাজার ২৭২ জন এবং ফেল করেছে ৪৭ হাজার ৯২০ জন।   ৯টি সাধারণ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৬২ শতাংশ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৫ লাখ ৭ হাজার ২৮১ জন। সামগ্রিক পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে ঢাকা এগিয়ে থাকলেও বরিশাল, যশোর, রাজশাহী ও দিনাজপুরে পাসের হার ৪৬ শতাংশের নিচে রয়েছে। বিশেষ করে বরিশাল বোর্ডে ছেলেদের ফলাফল তুলনামূলকভাবে খারাপ ছিল। সেখানে ছাত্রদের অকৃতকার্য হওয়ার হার প্রায় ৬৪ দশমিক ৬২ শতাংশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২ ঘন্টা আগে
এসএসসিতে এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আগামী এক মাসের মধ্যে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষার্থীদের যেন অতিরিক্ত আরও একটি বছর অপেক্ষা করতে না হয়, সে লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।   শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।   শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারের পরীক্ষায় এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন। সব মিলিয়ে এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫। এবার মোট অকৃতকার্য হয়েছে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৪১৩ জন।   তিনি জানান, এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে পরীক্ষার নির্দিষ্ট সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হবে। সাত বা ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা নিলে প্রস্তুতির ঘাটতি থাকতে পারে। আবার বেশি দেরি হলে ভর্তি কার্যক্রমে সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই এক মাসের বেশি সময় দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।   শিক্ষামন্ত্রী জানান, এসএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আবেদন পাওয়ার পর খাতা পুনর্নিরীক্ষণ করা হবে।   তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছর প্রায় ১৩ লাখ খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য জমা পড়েছিল। যাচাই শেষে ৪৫ হাজার শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়। তাদের মধ্যে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করে এবং ৩ হাজার ৭৯ জন নতুন করে জিপিএ-৫ পায়।   পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন ও ফল প্রকাশে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং খাতা মূল্যায়নে গুরুতর ভুল হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন তার প্রাপ্য ফল পায়, তা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে।   এবার এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার কমে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ হয়েছে। গত বছর এ হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। পাসের হার কমে যাওয়াকে সন্তোষজনক মনে করেন না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।   তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শেখার পদ্ধতি, অভিভাবকদের ভূমিকা ও শিক্ষার পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষক ও অভিভাবকদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।   বিষয়ভিত্তিক ফলাফল সম্পর্কে তিনি জানান, ইংরেজিতে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে ১৩ হাজার ৮৪৯ জন অকৃতকার্য হয়েছে। ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা কমাতে শিক্ষক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বেড়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অবস্থা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে আশপাশের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। তবে এতে শিক্ষকদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা নেই বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।   শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকা, বাড়িতে পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং মোবাইল আসক্তি ও মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান তিনি।   আগের বছরগুলোতে পাসের হার বেশি থাকার বিষয়টি নিয়েও পর্যালোচনা করা হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। খাতা মূল্যায়ন, পরীক্ষক ও শিক্ষকদের ভূমিকা এবং ফল প্রকাশের প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।   বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ মিলিয়ে এবার প্রায় ১৩ লাখ ৪০ হাজার আসন রয়েছে, যেখানে পাস করেছে প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থী। ভর্তি নীতিমালা ও শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা নির্ধারণ সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বিষয় হলেও শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ নিশ্চিত করার কথা জানান তিনি।   এ ছাড়া প্রশ্নপত্র পরিবর্তন এবং সংঘবদ্ধভাবে ফল পরিবর্তনের অপচেষ্টার কিছু ঘটনা শনাক্ত হয়েছে বলে দাবি করেন শিক্ষামন্ত্রী। এসব অভিযোগের পাশাপাশি পরীক্ষা পদ্ধতি, শিক্ষা বোর্ড ও খাতা মূল্যায়নের দুর্বলতাগুলোও পর্যায়ক্রমে খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

২ ঘন্টা আগে
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ
শিক্ষা
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আজ শনিবার সকাল ১১টায় প্রকাশ করা হয়েছে।   এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন পরীক্ষার্থী।   গত বছর পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬৯ হাজার ৯৭ জন। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার ৬.৭১ শতাংশ কমেছে এবং জিপিএ-৫ ২৯ হাজার ১৩ জন কম পেয়েছে।   আজ শনিবার সকাল ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।   সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন।   সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বছর দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন।   উত্তীর্ণদের মধ্যে ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন ছাত্র এবং ছাত্রী ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন। অর্থাৎ, সকল শিক্ষা বোর্ডে উত্তীর্ণ মোট ছাত্রদের চেয়ে ৬৬ হাজার ৩৭১ জন বেশি ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে।   ৯টি সাধারণ বোর্ডের ফলাফলের চিত্র:   ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন। পাসের হার ৫১.৬২ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন।   ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডেও ছাত্রদের চেয়ে ৮৫ হাজার ৬৭১ জন বেশি ছাত্রী পাসের সাফল্য দেখিয়েছে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৯ জন এবং ছাত্রী ৩ লাখ ১৩ হাজার ৪৬০জন।   এ বছর মোট কেন্দ্র সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৭৬০টি এবং মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯ হাজার ৩৯০টি।    গত বছরের তুলনায় মোট প্রতিষ্ঠান ৮৮টি বাড়লেও কেন্দ্র কমেছে ৪০টি। এছাড়া শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবার ১৩৯টি এবং শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৯৩টি। গত বছরের চেয়ে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯১টি বেড়েছে।     অন্যদিকে, ৮টি বিদেশ কেন্দ্রে মোট ২৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০৯ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯০.৮৭ শতাংশ।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ৩১, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
এইচএসসিতে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে ২৯৩

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। গত বছর এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। ফলে এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।   শনিবার (৩১ অক্টোবর) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষা বোর্ডগুলোর দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।   প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এ বছর ৯টি সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৯ হাজার ৩৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। অন্যদিকে, শতভাগ পাস করেছে ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।   গত বছর মোট ৯ হাজার ৩০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। সে বছর ২০২টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। একই সময়ে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৩৪৫টি।   তুলনামূলক হিসাবে দেখা যায়, এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ৮৮টি বেড়েছে। তবে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ২০৬টি। বিপরীতে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।   এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। সার্বিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে।   গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।

ছবি: সংগৃহীত
মাত্র ২৮ পয়েন্টের ব্যবধানে এমবাপেকে পেছনে ফেললেন কেইন, ব্যালন ডি’অরে কে কত পেলেন

ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অর জয়ের লড়াইয়ে এবার হ্যারি কেইন ও কিলিয়ান এমবাপের মধ্যে হয়েছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। শেষ পর্যন্ত মাত্র ২৮ পয়েন্টের ব্যবধানে ফরাসি তারকাকে পেছনে ফেলে পুরস্কার জিতেছেন ইংল্যান্ডের স্ট্রাইকার কেইন। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, কেইন পেয়েছেন ১ হাজার ৫৫৫ পয়েন্ট এবং এমবাপের ঝুলিতে জমা হয়েছে ১ হাজার ২৭ পয়েন্ট।   ২০২৫-২৬ মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন কেইন। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৭৩ গোল করে ব্যালন ডি’অর জয়ের অন্যতম দাবিদার হয়ে ওঠেন বায়ার্ন মিউনিখের এই ফরোয়ার্ড। ইউরোপের সেরা গোলদাতাদের তালিকায়ও ছিলেন তিনি। ২০২৬ বিশ্বকাপে ছয় গোল করে টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতাও হন কেইন।   অন্যদিকে, রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ৪২ গোল করার পাশাপাশি বিশ্বকাপে ১০ গোল করেন এমবাপে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২২ গোলের রেকর্ডও এখন ফরাসি তারকার দখলে। তবে ব্যক্তিগত এসব সাফল্য সত্ত্বেও ব্যালন ডি’অরের ভোটে অল্প ব্যবধানে পিছিয়ে থাকতে হয়েছে তাকে।   ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘লে’কিপ’ প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, তৃতীয় স্থানে থাকা বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল পেয়েছেন ৮৮১ পয়েন্ট। এমবাপের চেয়ে তার পয়েন্ট কম ১৪৬। ইয়ামাল প্রথম পছন্দের ভোট পেয়েছেন ১৩টি। বার্সেলোনার হয়ে সাফল্যের পাশাপাশি স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুবাদে আলোচনায় ছিলেন এই তরুণ ফুটবলার।   চতুর্থ স্থানে থাকা স্পেনের রদ্রি পেয়েছেন ৭২৬ পয়েন্ট এবং প্রথম পছন্দের ভোট পেয়েছেন ১০টি। তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, তার পয়েন্ট ৬১২।   ব্যালন ডি’অরের ভোটে অংশ নেন ১০০ জন আন্তর্জাতিক সাংবাদিক। নিয়ম অনুযায়ী, ভোটে প্রথম স্থান পাওয়া খেলোয়াড় পান ১৫ পয়েন্ট, দ্বিতীয় স্থান পান ১২ এবং তৃতীয় স্থান পান ১০ পয়েন্ট। এরপর ক্রমানুসারে পরবর্তী স্থানগুলোর জন্য ৮, ৭, ৫, ৪, ৩, ২ ও ১ পয়েন্ট দেওয়া হয়।   পুরুষদের ব্যালন ডি’অরে শীর্ষ ১০-এর পয়েন্ট ১. হ্যারি কেইন — ইংল্যান্ড ও বায়ার্ন মিউনিখ: ১,০৫৫ পয়েন্ট ২. কিলিয়ান এমবাপে — ফ্রান্স ও রিয়াল মাদ্রিদ: ১,০২৭ পয়েন্ট ৩. লামিনে ইয়ামাল — স্পেন ও বার্সেলোনা: ৮৮১ পয়েন্ট ৪. রদ্রি — স্পেন: ৭২৬ পয়েন্ট ৫. লিওনেল মেসি — আর্জেন্টিনা ও ইন্টার মায়ামি: ৬১২ পয়েন্ট ৬. খিচা কাভারৎস্খেলিয়া — জর্জিয়া ও পিএসজি: ৫৪১ পয়েন্ট ৭. উসমান দেম্বেলে — ফ্রান্স ও পিএসজি: ৪১৮ পয়েন্ট ৮. আর্লিং হালান্ড — নরওয়ে ও ম্যানচেস্টার সিটি: ৩৭৮ পয়েন্ট ৯. মাইকেল ওলিসে — ফ্রান্স ও বায়ার্ন মিউনিখ: ২৯৬ পয়েন্ট ১০. ফ্যাবিয়ান রুইজ — স্পেন ও পিএসজি: ২০১ পয়েন্ট   ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে অল্প ব্যবধানে জয় অবশ্য নতুন নয়। ১৯৬৬ সালে ববি চার্লটন মাত্র এক পয়েন্টে এউসেবিওকে হারিয়ে পুরস্কার জিতেছিলেন। ১৯৯৬ সালেও ম্যাথিয়াস সামার এক পয়েন্টের ব্যবধানে রোনালদো নাজারিওকে পেছনে ফেলেছিলেন। ২০১৯ সালে লিওনেল মেসি ভার্জিল ফন ডাইককে হারিয়েছিলেন মাত্র সাত পয়েন্টে।

ছবি: সংগৃহীত
এইচএসসির ফলাফলে নিম্নমুখী ধারা, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা—দুটিই কমেছে। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।   শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।   প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬.৭১ শতাংশ পয়েন্ট। এর আগে ২০২৪ সালে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭৭.৭৮ শতাংশ। ফলে দুই বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ২৫.৬৬ শতাংশ পয়েন্ট।   জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৪ সালে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৬৯ হাজার ৯৭ জনে। আর চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন। দুই বছরের ব্যবধানে কমেছে ১ লাখ ৫ হাজার ৮২৭ জন।   এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন ছাত্রী। সারা দেশে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।   চলতি বছরের ২ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।

ছবি: সংগৃহীত
সাংস্কৃতিক কূটনীতিতে নতুন উদ্যোগ, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি দেশের শিল্পী ও সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। দুই দেশের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, শিল্পকলা বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশি শিল্পীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।   শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাশমোলিয়ান জাদুঘর পরিদর্শনকালে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।   জাদুঘর কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এ সফরে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবদুল মুহিতসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।   বাংলাদেশি শিল্পীর প্রদর্শনী পরিদর্শন সফরের অংশ হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশি শিল্পী সোমা সুরভী জান্নাতের ‘ক্লাইমেট, কালচার, কেয়ার’ শীর্ষক একক শিল্পপ্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের কোনো জাদুঘরে বাংলাদেশে অবস্থানরত একজন শিল্পীর এটিই প্রথম একক প্রদর্শনী। প্রদর্শনীতে শিল্পীর সৃজনশীলতা, শিল্পকর্মের বৈচিত্র্য এবং বিষয়বস্তুর গভীরতার প্রশংসা করেন শামা ওবায়েদ ইসলাম। পাশাপাশি জাদুঘরের কিউরেটরিয়াল দলের সদস্যদের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শিল্পসংগ্রহও পরিদর্শন করেন তিনি।   সাংস্কৃতিক বিনিময় ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতায় গুরুত্ব পরিদর্শনকালে অ্যাশমোলিয়ান জাদুঘরের পূর্বাঞ্চলীয় শিল্পকলা বিভাগের প্রধান ও কিউরেটর ড. মালিকা কুম্বেরা ল্যান্ড্রুসের সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। আলোচনায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তোলা, যৌথ কার্যক্রম পরিচালনা এবং শিল্পীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা গুরুত্ব পায়। এ ছাড়া বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক দর্শকদের কাছে তুলে ধরা এবং সৃজনশীল খাতের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর বিষয়েও মতবিনিময় হয়।   আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শিল্পকলার পরিচিতি বাড়ানোর প্রচেষ্টা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অ্যাশমোলিয়ান জাদুঘরে এই সফর বাংলাদেশের সমকালীন শিল্পকলার আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধির একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। সাংস্কৃতিক কূটনীতিকে পররাষ্ট্র সম্পর্ক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগাতে সরকার আগ্রহী। শিল্পকলা, ঐতিহ্য ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের পরিচিতি আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং দীর্ঘমেয়াদি যোগাযোগ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের নতুন সম্ভাবনা তৈরিতে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

জাতীয়

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ইউক্রেনের কাছে ৫০০ প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের
জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ৩১, ২০২৬

ইউক্রেনের কাছে ৫০০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।    তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনে পৌঁছাতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।   শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এ তথ্য জানায়। তবে বিক্রির অনুমোদন চূড়ান্ত করতে প্রস্তাবটি পর্যালোচনার জন্য মার্কিন কংগ্রেসে পাঠানো হবে।   খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।   গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইউক্রেনের কর্মকর্তারা অভিযোগ করে আসছেন, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলায় ব্যবহৃত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য তাদের কাছে থাকা প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে আসছে।   মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত এ বিক্রির ফলে ইউক্রেনের সমন্বিত আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়বে। এর মাধ্যমে দেশটি বর্তমান ও ভবিষ্যতের হুমকি মোকাবিলায় আরও সক্ষম হবে।   তবে এসব অস্ত্র কবে নাগাদ ইউক্রেনে সরবরাহ করা হতে পারে, সে বিষয়ে বিবৃতিতে কোনো সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।   এদিকে, শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ‘এই ক্ষেপণাস্ত্রের সরবরাহ শুরু হতে কয়েক বছরও লেগে যেতে পারে।’   তিনি বলেন, ‘যে সময় প্রকৃত বিপদ তৈরি হবে এবং পিএসি-৩ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের জরুরি প্রয়োজন দেখা দেবে, সেই সময়ের জন্য একটি সমাধান খুঁজে বের করতে আমরা আমাদের মার্কিন অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’   জেলেনস্কির বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্ররা চাইলে নিজেদের বর্তমান মজুত থেকে ইউক্রেনকে এসব ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করতে পারে। পরে নতুন করে কেনা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে তাদের মজুত পূরণ করা সম্ভব।   রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে ইউক্রেনের হাতে থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাগুলোর একটি হলো প্যাট্রিয়ট। বিশেষ করে আকাশ থেকে ছোড়া বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে এ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।   মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘প্রস্তাবিত এ অস্ত্র বিক্রি ইউরোপে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখা একটি অংশীদার দেশের নিরাপত্তা জোরদার করবে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্যও এগিয়ে যাবে।’   চলতি মাসের শুরুতে রাশিয়ার সঙ্গে ডিজেল জ্বালানি সরবরাহসংক্রান্ত একটি চুক্তি করে ওয়াশিংটন। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের মধ্যে সম্পর্কে উত্তেজনা দেখা দেয়।   এ ছাড়া ইউক্রেনের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সীমিত করছে এবং গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের কিছু কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে।   তবে গত ২০ অক্টোবর নরওয়ের রাজধানী অসলোতে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠকের পর দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা উত্তেজনা কমে আসে।   মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির পুরো ব্যয় ইউক্রেনের মিত্রদেশগুলোর দেওয়া অর্থায়ন থেকে মেটানো হবে। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব তহবিল ব্যবহার করা হবে না।

ক্রিপ্টোকারেন্সির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হ্যাকিং, ৬৩০ কোটি ডলার চুরি
জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ৩১, ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্সে বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।    শুক্রবার বাইন্যান্সে জানিয়েছে, ‘জটিল ধরনের এ হামলায়’ প্রায় ৬৩০ কোটি ডলারের তহবিল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হ্যাকাররা এ হামলার সঙ্গে জড়িত। একে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।   খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।   ব্লকচেইনভিত্তিক তদন্তকারী প্রতিষ্ঠান টিআরএম ল্যাবস জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়াসংশ্লিষ্ট ‘ট্রেডারট্রেইটর’ নামের একটি হ্যাকার গোষ্ঠী এ হামলা চালিয়েছে বলে তাদের দৃঢ় ধারণা রয়েছে।  গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ক্রিপ্টো প্ল্যাটফর্ম বাইবিট থেকে ১৫০ কোটি ডলার চুরির জন্যও একই গোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়েছিল।   ক্রিপ্টো খাতের সংবাদমাধ্যম কয়েনডেস্কের তথ্য অনুযায়ী, আরেকটি বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান এলিপটিকও এ হামলার জন্য উত্তর কোরিয়াসংশ্লিষ্ট হ্যাকারদের দায়ী করেছে।   ধারণা করা হয়, ট্রেডারট্রেইটর গোষ্ঠীটি ‘লাজারাস গ্রুপ’-এর অংশ। ২০১৪ সালে সনি পিকচার্সে সাইবার হামলার অভিযোগ ওঠার পর এ গোষ্ঠী আলোচনায় আসে।    উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনকে ব্যঙ্গ করে নির্মিত ‘দ্য ইন্টারভিউ’ চলচ্চিত্রের প্রতিশোধ হিসেবে ওই হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।   দৈনিক লেনদেনের পরিমাণের হিসাবে বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ বিন্যান্স জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, একটি ল্যাপটপ হ্যাক হওয়ার মাধ্যমেই পুরো ঘটনা ঘটেছে।   সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিন্যান্স জানায়, ‘এটি ছিল একটি জটিল হামলা। পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সমস্যার সমাধানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’   লাতিন আমেরিকার জন্য পরিচালিত বিন্যান্সের এক্স অ্যাকাউন্টে জানানো হয়, ‘ক্ষয়ক্ষতির মোট আনুমানিক পরিমাণ প্রায় ৬৩০ কোটি ডলার।’   এ পরিমাণ বাইবিটে সংঘটিত আগের সাইবার হামলায় চুরি হওয়া অর্থের প্রায় চার গুণ।   বাইন্যান্স বড় সতর্ক করে বলেছে, ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদের সন্ধান ও উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, ক্রিপ্টোকারেন্সি ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান, ব্লকচেইন বিশ্লেষণকারী সংস্থা ও খাতসংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে কাজ চলছে। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।   প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদের মধ্যে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার ইতোমধ্যেই জব্দ করা হয়েছে।   শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার এ সাইবার হামলার ঘটনা খতিয়ে দেখছে।    এফবিআই জানিয়েছে, হামলার ব্যাপ্তি ও প্রকৃতি বুঝতে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি অংশীদারদের সঙ্গে তারা কাজ করছে এবং প্রয়োজন হলে তদন্তে প্রস্তুত রয়েছে।   এর আগে বাইন্যান্স এক্সে জানিয়েছিল, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, প্রতিষ্ঠানটির একজন ‘ডেভঅপস ইঞ্জিনিয়ার’-এর ব্যবহৃত ল্যাপটপ হ্যাক হওয়ার মাধ্যমে হামলাকারীরা সিস্টেমে প্রবেশের সুযোগ পায়। এর ফলে তারা অনুমতি ছাড়াই অর্থ উত্তোলনের লেনদেন সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়।   প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, তাদের ডিজিটাল ওয়ালেটের কোনো ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চাবি (প্রাইভেট কি) ফাঁস হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষ হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত কারিগরি প্রতিবেদন প্রকাশের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে তারা।   বাইন্যান্স একাধিকবার পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দেয়। একদিকে প্রতিষ্ঠানটি দাবি করে, ‘ব্যবহারকারীদের অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ’, অন্যদিকে জানায়, হামলায় হওয়া ‘সব ধরনের ক্ষতি তারা পুষিয়ে দেবে’।   ক্রিপ্টোকারেন্সি ইউএসডিটি ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান টেথারের প্রধান পাওলো আরদোইনো জানান, বাইন্যান্সে সম্ভাব্য সাইবার হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ১৬০ কোটি ডলারের সম্পদ তারা জব্দ করেছেন।   ক্রিপ্টো প্ল্যাটফর্ম সার্কেলের প্রধান জেরেমি আলেয়ার জানান, তাদের প্রতিষ্ঠান ৮০ কোটি ডলারের বেশি ইউএসডিসি জব্দ করেছে।   ইউএসডিটি ও ইউএসডিসি উভয়ই ‘স্টেবলকয়েন’। অর্থাৎ এগুলো এমন ডিজিটাল মুদ্রা, যার মূল্য মার্কিন ডলারের মতো প্রচলিত মুদ্রার সঙ্গে নির্দিষ্ট অনুপাতে যুক্ত থাকে। ফলে এসব মুদ্রার দামে সাধারণত বড় ধরনের ওঠানামা হয় না।   বাইন্যান্স হামলার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করার কয়েক ঘণ্টা আগেই ক্রিপ্টো খাতের পর্যবেক্ষকেরা জানিয়েছিলেন, হ্যাকাররা প্ল্যাটফর্মটিতে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে।   সাইবার হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্টেবলকয়েন ছাড়া অধিকাংশ বড় ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম কমে যায়। স্বাভাবিকভাবেই স্টেবলকয়েনের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি।   বিটকয়েনের দাম প্রায় ৫ শতাংশ কমে যায়। রাতের দিকে এর দাম নেমে প্রায় ৭৬ হাজার ৪০০ ডলারে দাঁড়ায়, যা সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের পর সর্বনিম্ন।    পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রতি বিটকয়েনের দাম প্রায় ৭৭ হাজার ৩০০ ডলারে লেনদেন হয়।   এ ছাড়া ইথেরিয়ামের দাম প্রায় ৬ শতাংশ ও বিন্যান্সের নিজস্ব ক্রিপ্টোকারেন্সি বিএনবির দাম প্রায় ১০ শতাংশ কমে যায়।

নেসেটে প্রথম দিনই স্পিকার ওহানাকে হাটাতে একমত নেতানিয়াহু বিরোধীরা
জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ৩১, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরোধী দলগুলো বর্তমান নেসেট স্পিকার লিকুদ পার্টির আমির ওহানাকে দ্রুত পদ থেকে সরানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। আগামী মাসে নতুন নেসেটের শপথ গ্রহণের পরপরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। খবর টাইমস অব ইসরায়েল।    বিরোধী ‘চেঞ্জ ব্লক’ (যেশার, বি’ইয়াহাদ, দ্য ডেমোক্রেটস এবং ইিসরায়েল বেইতেনু) এবং আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর (জয়েন্ট লিস্ট ও রাম) হাতে ১২০টি নেসেট আসনের মধ্যে মোট ৬৭টি আসন রয়েছে। এর ফলে সহজেই স্পিকার ওহানাকে অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে তাদের হাতে।    চ্যানেল ১২-এর রাজনৈতিক বিশ্লেষক বারাক সেরি জানিয়েছেন, ওহানাকে সরানোর বিষয়ে ইতিমধ্যে একটি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং নতুন স্পিকার হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়ায়র লাপিডের নামও বিবেচনায় রয়েছে।   দ্য ডেমোক্রেটস দলের চেয়ারম্যান ইয়ায়র গোলান চ্যানেল ১২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ২৬তম নেসেটের শপথ নেওয়ার পর তাদের ‘প্রথম কাজ’ হবে একজন নতুন স্পিকার এবং নেসেট কমিটির প্রধানগণকে নিয়োগ দেওয়া। এরপর ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন গণহত্যার ঘটনায় একটি রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হবে। আগামী ১০ নভেম্বর নতুন নেসেটের শপথের দিনই স্পিকার পদের ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হতে পারে।   কান নিউজ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিরোধী জোট দ্রুত ওহানাকে সরানোর পক্ষে থাকলেও ‘ইসরায়েল বেইতেনু’ দলের প্রধান আভিগদর লিবারম্যান আরব দলগুলোর সাথে সহযোগিতার বিষয়ে কিছুটা অনিচ্ছুক। স্পিকার বদল করতে হলে আরব দলগুলোর সমর্থন প্রয়োজন, যা লিবারম্যানের জন্য আপত্তিজনক। তবে লিবারম্যান ভোটদানে বিরত থাকলেও বিরোধী দলগুলোর সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় থাকবে।   এদিকে লিবারম্যান শুক্রবার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে কোনও জোটে যাবেন না। অপরদিকে ডেমোক্রেটস প্রধান ইয়ায়র গোলান বিশ্বাস করেন যে, আরব দলগুলোর বাইরে বা তাদের সমর্থনে একটি স্থিতিশীল সরকার গঠন করা সম্ভব, যা ইসরায়েলের গণতন্ত্র ও নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করবে। এছাড়া সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোশে ইয়ালনও আরব দল ‘রাম’-এর প্রধান মনসুর আব্বাসকে সরকারে মন্ত্রী করার পক্ষে জোরালো সমর্থন জানিয়েছেন।    উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ইসরায়েলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন শেষে প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী, ১২০ আসনের পার্লামেন্টে নেতানিয়াহুর কট্টর ডানপন্থি জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৮টি। আরব জোট ও দল জয়েন্ট লিস্ট এবং রাআম পেয়েছে ১৯ আসন।

ছবি: সংগৃহীত
ইউরোপে ৮৭ কোটি ডলারের বেশি অস্ত্র রপ্তানি করেছে ভারত
মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ৩১, ২০২৬

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ইউরোপের দেশগুলোতে ভারতের অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর চার বছরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ৮৭ কোটি ২০ লাখ ডলারের গোলাবারুদ ও সংশ্লিষ্ট পণ্য রপ্তানি করেছে ভারত।   আগের চার বছরে এ রপ্তানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৪ কোটি ৯২ লাখ ডলার।   ভারতের প্রতিরক্ষা খাতের এই অগ্রগতির পেছনে ইউরোপের দেশগুলোর সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদের চাহিদা বৃদ্ধি বড় ভূমিকা রেখেছে। রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণের পর নিজেদের সামরিক মজুত বাড়াতে এবং ইউক্রেনকে সহায়তা অব্যাহত রাখতে ইউরোপের দেশগুলো অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহ বাড়িয়েছে।   টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।   এতে বলা হয়েছে, ব্লুমবার্গের প্রকাশিত বাণিজ্যসংক্রান্ত তথ্যের বরাতে ডিফেন্স নিউজ এ পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে।   পূর্ব ও মধ্য ইউরোপে বড় সরবরাহকারী ভারত ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের ১৩টি দেশে গোলাবারুদ ও সংশ্লিষ্ট পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার পরই ভারতের অবস্থান। ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানির এই সম্প্রসারণ ইউরোপের অস্ত্র বাজারে দেশটির উপস্থিতি বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।   ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার হামলা শুরুর পর ইউরোপের দেশগুলো সামরিক প্রস্তুতি জোরদারে মনোযোগ দেয়।   এতে কামানের গোলা ও অন্যান্য গোলাবারুদের চাহিদা বেড়েছে। একই সঙ্গে নিজেদের মজুত পুনর্গঠন এবং ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজনও রয়েছে।   ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘রিআর্ম ইউরোপ’ উদ্যোগ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টাকে আরো গতি দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিরক্ষা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন রপ্তানি বাজার তৈরি হয়েছে।   প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে ভারতের রেকর্ড ভারতের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা রপ্তানিও বেড়েছে।   দেশটির প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিংয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতের প্রতিরক্ষা পণ্য রপ্তানি বেড়ে রেকর্ড ৩৮ হাজার ৪২৪ কোটি রুপি হয়েছে। আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ২৩ হাজার ৬২২ কোটি রুপি।   বর্তমানে ৮০টির বেশি দেশে প্রতিরক্ষা পণ্য রপ্তানি করে ভারত। দেশটির নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতার সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে এই সম্প্রসারণের সম্পর্ক রয়েছে।   রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপে সামরিক সরঞ্জামের চাহিদা বৃদ্ধি ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য বড় রপ্তানি সুযোগ তৈরি করেছে। তবে এই বাজারে ভারতের অবস্থান কতটা শক্ত হবে, তা নির্ভর করবে উৎপাদন সক্ষমতা, সরবরাহের ধারাবাহিকতা এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চাহিদা ধরে রাখার ওপর।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
সারাদেশ

চাকরি
ব্যাবসা-বাণিজ্য
বিনোদন
শিক্ষা