সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
পুলিশ সদর দপ্তরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন আইজিপি

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও দেশের বৃক্ষসম্পদ বাড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশের কেন্দ্রীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।   সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে পুলিশ সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে তিনি এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।   প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ এ উদ্যোগ নিয়েছে।   পুলিশের সব ইউনিটে চারা রোপণের পরিকল্পনা পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ পুলিশের সব ইউনিট, পুলিশ ব্যারাক, আবাসিক এলাকা ও কার্যালয় প্রাঙ্গণের খালি এবং উপযুক্ত জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে। কর্মসূচির আওতায় ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের পাশাপাশি সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষও লাগানো হবে।   পরিবেশ সুরক্ষায় অংশগ্রহণের আহ্বান বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং দেশের বনজ সম্পদ সমৃদ্ধ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। সরকারের বৃক্ষরোপণ উদ্যোগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে উৎসাহিত করাও এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১৫ মিনিট আগে
প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারে উদ্যোগ, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার সঙ্গে ইপসার চুক্তি

প্লাস্টিক বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এন্টারপ্রাইজ। এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় সংগৃহীত প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন ও পুনর্ব্যবহারের বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।   সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।   সমঝোতা স্মারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষে স্বাক্ষর করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি পাঠান মো. সাইদুজ্জামান। অন্যদিকে, ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এন্টারপ্রাইজের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (অর্থ) পলাশ কুমার চৌধুরী।   যেভাবে পরিচালিত হবে কার্যক্রম চুক্তি অনুযায়ী, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা নিয়মিত প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করবে। সংগৃহীত এসব বর্জ্য পরিবহন, ব্যবস্থাপনা ও পুনর্ব্যবহারের দায়িত্ব পালন করবে ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এন্টারপ্রাইজ। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি চিড়িয়াখানায় বর্জ্য ফেলার পাত্র ও প্রয়োজনীয় সুরক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করবে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হবে।   প্লাস্টিকের বিনিময়ে বিনামূল্যে প্রবেশ চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় প্লাস্টিক জমা দেওয়ার বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব আচরণ গড়ে তোলা এবং প্লাস্টিক বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে জমা দেওয়ার অভ্যাস তৈরির লক্ষ্য রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, নতুন সমঝোতার ফলে চিড়িয়াখানার প্লাস্টিক বর্জ্য আরও পরিকল্পিতভাবে ব্যবস্থাপনা ও পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষা এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতা বাড়বে। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন, ইপসা এবং চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১৬ মিনিট আগে
আগামী অর্থবছরের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে বড় পরিবর্তনের লক্ষ্য সরকারের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগামী অর্থবছরের মধ্যে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি, ক্যানসার চিকিৎসার আধুনিক সুযোগ তৈরি এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।   সোমবার (২৬ অক্টোবর) ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার থিয়েটারে আয়োজিত ‘মেডিকেল ফিজিক্স কার্যক্রমের উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।   উপজেলা হাসপাতালে বাড়বে শয্যাসংখ্যা স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সরকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫১ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরের পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রতি তিনটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে ফ্যামিলি ওয়েলবিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বর্তমান কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে হেলথ ওয়েলবিং সেন্টারে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এসব কেন্দ্রে মানুষের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণের জন্য কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে রোগের ইতিহাস, জন্মসংক্রান্ত তথ্য, ওজন ও উচ্চ রক্তচাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যতথ্য নথিভুক্ত থাকবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আশা, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী অর্থবছরের মধ্যে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে।   ক্যানসার চিকিৎসায় যুক্ত হচ্ছে ১৭টি রেডিওথেরাপি মেশিন দেশে ক্যানসার চিকিৎসার সুযোগ বাড়াতে ১৭টি লিনিয়ার অ্যাক্সিলারেটর বা রেডিওথেরাপি মেশিন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এসব যন্ত্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় বাংকার প্রস্তুত ও সংস্কারের কাজ চলছে। আগামী অর্থবছরে আরও বাংকার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। তিনি বলেন, আটটি বিভাগে রেডিওথেরাপি সেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি জেলা পর্যায়েও এ চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।   মেডিকেল ফিজিসিস্ট ও দক্ষ জনবল নিয়োগ রেডিওথেরাপি সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। তাঁর মতে, ক্যানসার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপির ডোজ নির্ধারণে মেডিকেল ফিজিসিস্টের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডোজ নির্ধারণে ভুল হলে রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে পারে। এ কারণে প্রয়োজনীয় মেডিকেল ফিজিসিস্টের সংখ্যা নির্ধারণ করে দ্রুত নিয়োগপ্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি আরও জানান, রেডিওথেরাপি মেশিন পরিচালনার জন্য প্রযুক্তিবিদ, টেকনিশিয়ান ও নার্সদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দক্ষ জনবল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   দেশে আসবে পাঁচটি রোবোটিক সার্জারি মেশিন অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, দেশে প্রথমবারের মতো পাঁচটি রোবোটিক সার্জারি মেশিন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব আধুনিক প্রযুক্তি চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল ফিজিক্স প্রোগ্রামের প্রশংসা করে তিনি বলেন, চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে এ বিষয়ে দক্ষ জনবল তৈরি করা জরুরি। মেডিকেল ফিজিসিস্টের সংখ্যা বাড়াতে প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে নিয়োগের উদ্যোগেও সরকার সহযোগিতা করবে।

১৮ মিনিট আগে
সাফের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে বাফুফেতে অসন্তোষ, মিডিয়া ম্যানেজারের ভূমিকায় আমের খান

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) জাতীয় দলের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। আসিয়ান কাপের পর এবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে দলের মিডিয়া ম্যানেজারের দায়িত্বও পেয়েছেন আমের খান। দীর্ঘদিন জাতীয় দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করা এই কর্মকর্তার নতুন ভূমিকা নিয়ে ফুটবলাঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই বছরের বেশি সময় জাতীয় দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আমের খান। আসিয়ান কাপে তাঁকে টিম কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবার সাফের জন্য টিম কো-অর্ডিনেটরের পাশাপাশি মিডিয়া ম্যানেজারের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে তাঁকে।   বাফুফেতে মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাদমান সাকিব। তাঁর বিভাগের ডেপুটি মিডিয়া ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ নওমী বিভিন্ন সময়ে নারী দলের টিম ম্যানেজারের দায়িত্বও পালন করেছেন। তবে সিনিয়র পুরুষ দলের ক্ষেত্রে মিডিয়া ম্যানেজারের দায়িত্ব অন্য একজন কর্মকর্তাকে দেওয়ায় ফেডারেশনের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।   সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে আমের খান জানান, ফুটবলের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা থাকলেও মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই। জাতীয় দল কমিটির আগের সভায় সংশ্লিষ্ট কমিটির চেয়ারম্যানসহ একাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন এবং সম্মিলিতভাবেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি ধারণা করেন। তবে জাতীয় দল কমিটির সদস্য ও জাতীয় দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বাবু একই সঙ্গে বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান হওয়ায় তাঁর অধীনস্থ বিভাগের মিডিয়া ম্যানেজারের দায়িত্ব পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় দল কমিটির চেয়ারম্যান ও বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালই দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আসিয়ান কাপের আগে আমের খানকে ম্যানেজারের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে আমিরুল ইসলাম বাবুকে ম্যানেজার করা হয়। নির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেনকে দেওয়া হয় দলনেতার দায়িত্ব এবং আমের খানকে টিম কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সাফের জন্য আমের খানকে আরও একটি দায়িত্ব দেওয়া হলেও ইকবাল হোসেন নতুন কোনো দায়িত্বের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি বা নির্দেশনা পাননি বলে জানিয়েছেন।   আসিয়ান কাপের অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা আসিয়ান কাপে দলের শৃঙ্খলা ও ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। টিম কো-অর্ডিনেটর হিসেবে আমের খানের প্রতিবেদনেও এসব বিষয় উঠে এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরও জাতীয় দলের ম্যানেজার হিসেবে আমিরুল ইসলাম বাবুর ওপর আস্থা রেখেছে বাফুফে কর্তৃপক্ষ। এদিকে, জাতীয় দল কমিটির কয়েকজন সদস্য সাদ ও সোহেলের বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, এসব বিষয় আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন ছিল এবং সাফ ক্যাম্প শুরুর আগে এ নিয়ে একটি সভা হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। জাতীয় দলের ক্যাম্পে শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে আমিরুল ইসলাম বাবু বলেছেন, সাফ ক্যাম্পে শৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তবে আসিয়ান কাপের সময় দলের শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন ছিল এবং সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

২০ মিনিট আগে
ছবি: সংগৃহীত
স্বাস্থ্য
আগামী অর্থবছরের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে বড় পরিবর্তনের লক্ষ্য সরকারের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগামী অর্থবছরের মধ্যে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি, ক্যানসার চিকিৎসার আধুনিক সুযোগ তৈরি এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।   সোমবার (২৬ অক্টোবর) ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার থিয়েটারে আয়োজিত ‘মেডিকেল ফিজিক্স কার্যক্রমের উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।   উপজেলা হাসপাতালে বাড়বে শয্যাসংখ্যা স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সরকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫১ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরের পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রতি তিনটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে ফ্যামিলি ওয়েলবিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বর্তমান কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে হেলথ ওয়েলবিং সেন্টারে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এসব কেন্দ্রে মানুষের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণের জন্য কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে রোগের ইতিহাস, জন্মসংক্রান্ত তথ্য, ওজন ও উচ্চ রক্তচাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যতথ্য নথিভুক্ত থাকবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আশা, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী অর্থবছরের মধ্যে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে।   ক্যানসার চিকিৎসায় যুক্ত হচ্ছে ১৭টি রেডিওথেরাপি মেশিন দেশে ক্যানসার চিকিৎসার সুযোগ বাড়াতে ১৭টি লিনিয়ার অ্যাক্সিলারেটর বা রেডিওথেরাপি মেশিন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এসব যন্ত্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় বাংকার প্রস্তুত ও সংস্কারের কাজ চলছে। আগামী অর্থবছরে আরও বাংকার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। তিনি বলেন, আটটি বিভাগে রেডিওথেরাপি সেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি জেলা পর্যায়েও এ চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।   মেডিকেল ফিজিসিস্ট ও দক্ষ জনবল নিয়োগ রেডিওথেরাপি সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। তাঁর মতে, ক্যানসার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপির ডোজ নির্ধারণে মেডিকেল ফিজিসিস্টের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডোজ নির্ধারণে ভুল হলে রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে পারে। এ কারণে প্রয়োজনীয় মেডিকেল ফিজিসিস্টের সংখ্যা নির্ধারণ করে দ্রুত নিয়োগপ্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি আরও জানান, রেডিওথেরাপি মেশিন পরিচালনার জন্য প্রযুক্তিবিদ, টেকনিশিয়ান ও নার্সদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দক্ষ জনবল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   দেশে আসবে পাঁচটি রোবোটিক সার্জারি মেশিন অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, দেশে প্রথমবারের মতো পাঁচটি রোবোটিক সার্জারি মেশিন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব আধুনিক প্রযুক্তি চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল ফিজিক্স প্রোগ্রামের প্রশংসা করে তিনি বলেন, চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে এ বিষয়ে দক্ষ জনবল তৈরি করা জরুরি। মেডিকেল ফিজিসিস্টের সংখ্যা বাড়াতে প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে নিয়োগের উদ্যোগেও সরকার সহযোগিতা করবে।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ২৬, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারে উদ্যোগ, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার সঙ্গে ইপসার চুক্তি

প্লাস্টিক বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এন্টারপ্রাইজ। এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় সংগৃহীত প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন ও পুনর্ব্যবহারের বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।   সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।   সমঝোতা স্মারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষে স্বাক্ষর করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি পাঠান মো. সাইদুজ্জামান। অন্যদিকে, ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এন্টারপ্রাইজের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (অর্থ) পলাশ কুমার চৌধুরী।   যেভাবে পরিচালিত হবে কার্যক্রম চুক্তি অনুযায়ী, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা নিয়মিত প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করবে। সংগৃহীত এসব বর্জ্য পরিবহন, ব্যবস্থাপনা ও পুনর্ব্যবহারের দায়িত্ব পালন করবে ইপসা ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এন্টারপ্রাইজ। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি চিড়িয়াখানায় বর্জ্য ফেলার পাত্র ও প্রয়োজনীয় সুরক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করবে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হবে।   প্লাস্টিকের বিনিময়ে বিনামূল্যে প্রবেশ চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় প্লাস্টিক জমা দেওয়ার বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব আচরণ গড়ে তোলা এবং প্লাস্টিক বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে জমা দেওয়ার অভ্যাস তৈরির লক্ষ্য রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, নতুন সমঝোতার ফলে চিড়িয়াখানার প্লাস্টিক বর্জ্য আরও পরিকল্পিতভাবে ব্যবস্থাপনা ও পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষা এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতা বাড়বে। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন, ইপসা এবং চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি: সংগৃহীত
চুয়াডাঙ্গায় নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি, সংসারের ব্যয় সামলাতে হিমশিম সাধারণ মানুষ

চুয়াডাঙ্গার বাজারে চাল, ডাল ও বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সংসারের দৈনন্দিন ব্যয় মেটানো ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। গত কয়েক দিনে বিভিন্ন ধরনের ডালের দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ২০ টাকা এবং চালের ২৫ কেজির বস্তায় ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।   চুয়াডাঙ্গা শহরের বড় বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চাল-ডালের পাশাপাশি মুরগি, মসলা ও কয়েক ধরনের সবজির দামও বেড়েছে। তবে মাছ এবং কিছু মৌসুমি সবজির দাম কমায় বাজারে মিশ্র পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে।   ডালের বাজারে বাড়তি চাপ স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, মুগের ডাল প্রতি কেজি ১৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১৭০ টাকা, কলাইয়ের ডাল ১৬০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা এবং ভালো মানের মসুর ডাল ১৩০ টাকা থেকে ১৫০ টাকায় পৌঁছেছে। ছোলার ডালের দামও ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকা হয়েছে। বড় বাজারের ব্যবসায়ী হাসানুজ্জামান হাসান জানান, ডালের পাশাপাশি মসলা, শিশুখাদ্যসহ বেশ কিছু প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। ফলে ক্রেতারা আগের তুলনায় কম পণ্য কিনছেন। এতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।   চালের দামেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা চালের বাজারেও দেখা দিয়েছে মূল্যবৃদ্ধি। ব্যবসায়ীদের হিসাবে, বিভিন্ন ধরনের চালের ২৫ কেজির বস্তায় প্রায় ৫০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে ভালো মানের বাসমতি চাল খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৮০ টাকা, মিনিকেট ৬৬ টাকা এবং রড মিনিকেট ৫৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।   আয় অপরিবর্তিত, বাড়ছে জীবনযাত্রার ব্যয় নিত্যপণ্যের বাড়তি দাম সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে দিনমজুর, রিকশাচালক ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর। রিকশাচালক শাহাজান জানান, প্রতিদিনের আয় আগের মতো থাকলেও বাজার খরচ বেড়েছে। ফলে পরিবারের খাবারসহ অন্যান্য প্রয়োজন মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আরেক রিকশাচালক জালাল উদ্দিন বলেন, ইজিবাইকের কারণে রিকশায় যাত্রী কমেছে। অন্যদিকে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় সংসার চালাতে আরও বেশি সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।   মুরগির দাম বাড়লেও মাছের বাজারে কিছুটা স্বস্তি চুয়াডাঙ্গার বড় বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দাম বেড়ে ৩২০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩৭০ টাকা এবং পেরেন্স মুরগি ৩৮০ টাকায় পৌঁছেছে। অন্যদিকে, মাছের বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। বড় রুই মাছ প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, ছোট রুই ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং পাঙাশ ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গলদা চিংড়ির দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। ব্যবসায়ীদের দাবি, গত এক মাসে বিভিন্ন মাছের দাম উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমলেও ক্রেতাদের উপস্থিতি ও কেনাকাটার পরিমাণ আশানুরূপ নয়।   সবজির বাজারে মিশ্র চিত্র সবজির বাজারে আলু প্রতি কেজি ২৫ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ টাকা, রসুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, টমেটো ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, ফুলকপি ৬০ টাকা, বাঁধাকপি ৫০ টাকা এবং শিম ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। কয়েক ধরনের সবজির দাম কমলেও অন্যান্য নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ক্রেতারা পুরোপুরি স্বস্তি পাচ্ছেন না।   মাংস ও ডিমের দামেও চাপ বর্তমানে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি হালি ডিমের দাম ৪৪ টাকা। এসব পণ্যের মূল্য সীমিত আয়ের পরিবারগুলোর খাদ্যব্যয়ের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।   ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দাম রাখার দাবি বাজারে আসা ক্রেতাদের অভিযোগ, আগের সমপরিমাণ টাকা দিয়ে এখন প্রয়োজনীয় সব পণ্য কেনা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেকেই কেনাকাটার তালিকা ছোট করছেন অথবা প্রয়োজনের তুলনায় কম পরিমাণে পণ্য কিনছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও জানিয়েছেন, পণ্যের দাম বাড়ায় বিক্রি কমছে। একই সঙ্গে দোকানভাড়া, বিদ্যুৎ বিল এবং অন্যান্য পরিচালন ব্যয় মেটাতে সমস্যায় পড়ছেন তারা। সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
ইয়েমেনে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলা, ধ্বংসের দাবি সৌদি জোটের

ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে অভিযান চালানোর দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। জোটের দাবি অনুযায়ী, অভিযানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণের পাঁচটি সুড়ঙ্গ এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের চারটি প্ল্যাটফর্ম ধ্বংস করা হয়েছে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জোট জানায়, সৌদি আরব ও ইয়েমেনে হুথিদের অবকাঠামোতে হামলার পর সম্ভাব্য হুমকির উৎস নিষ্ক্রিয় করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।   বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অভিযানে হুথিদের একটি ক্ষেপণাস্ত্রের গুদাম লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন এলাকার মধ্যে সামরিক সরবরাহব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।   সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের ভাষ্য অনুযায়ী, ইয়েমেনের সম্মুখসারিতে হুথিদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, সদস্যদের সমাবেশস্থল এবং সামরিক সরঞ্জামও অভিযানের লক্ষ্যবস্তু ছিল।   তবে অভিযানে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এবং হতাহতের বিষয়ে বিবৃতিতে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

ছবি: সংগৃহীত
সাফের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে বাফুফেতে অসন্তোষ, মিডিয়া ম্যানেজারের ভূমিকায় আমের খান

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) জাতীয় দলের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। আসিয়ান কাপের পর এবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে দলের মিডিয়া ম্যানেজারের দায়িত্বও পেয়েছেন আমের খান। দীর্ঘদিন জাতীয় দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করা এই কর্মকর্তার নতুন ভূমিকা নিয়ে ফুটবলাঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই বছরের বেশি সময় জাতীয় দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আমের খান। আসিয়ান কাপে তাঁকে টিম কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবার সাফের জন্য টিম কো-অর্ডিনেটরের পাশাপাশি মিডিয়া ম্যানেজারের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে তাঁকে।   বাফুফেতে মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাদমান সাকিব। তাঁর বিভাগের ডেপুটি মিডিয়া ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ নওমী বিভিন্ন সময়ে নারী দলের টিম ম্যানেজারের দায়িত্বও পালন করেছেন। তবে সিনিয়র পুরুষ দলের ক্ষেত্রে মিডিয়া ম্যানেজারের দায়িত্ব অন্য একজন কর্মকর্তাকে দেওয়ায় ফেডারেশনের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।   সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে আমের খান জানান, ফুটবলের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা থাকলেও মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই। জাতীয় দল কমিটির আগের সভায় সংশ্লিষ্ট কমিটির চেয়ারম্যানসহ একাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন এবং সম্মিলিতভাবেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি ধারণা করেন। তবে জাতীয় দল কমিটির সদস্য ও জাতীয় দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বাবু একই সঙ্গে বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান হওয়ায় তাঁর অধীনস্থ বিভাগের মিডিয়া ম্যানেজারের দায়িত্ব পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় দল কমিটির চেয়ারম্যান ও বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালই দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আসিয়ান কাপের আগে আমের খানকে ম্যানেজারের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে আমিরুল ইসলাম বাবুকে ম্যানেজার করা হয়। নির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেনকে দেওয়া হয় দলনেতার দায়িত্ব এবং আমের খানকে টিম কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সাফের জন্য আমের খানকে আরও একটি দায়িত্ব দেওয়া হলেও ইকবাল হোসেন নতুন কোনো দায়িত্বের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি বা নির্দেশনা পাননি বলে জানিয়েছেন।   আসিয়ান কাপের অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা আসিয়ান কাপে দলের শৃঙ্খলা ও ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। টিম কো-অর্ডিনেটর হিসেবে আমের খানের প্রতিবেদনেও এসব বিষয় উঠে এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরও জাতীয় দলের ম্যানেজার হিসেবে আমিরুল ইসলাম বাবুর ওপর আস্থা রেখেছে বাফুফে কর্তৃপক্ষ। এদিকে, জাতীয় দল কমিটির কয়েকজন সদস্য সাদ ও সোহেলের বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, এসব বিষয় আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন ছিল এবং সাফ ক্যাম্প শুরুর আগে এ নিয়ে একটি সভা হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। জাতীয় দলের ক্যাম্পে শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে আমিরুল ইসলাম বাবু বলেছেন, সাফ ক্যাম্পে শৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তবে আসিয়ান কাপের সময় দলের শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন ছিল এবং সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

জাতীয়

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
লুলার পুনর্নির্বাচনে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন, ভোটের সময় বাড়ানো নিয়ে বিতর্ক
আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ২৬, ২০২৬

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার পুনর্নির্বাচনের খবরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কানাডা, মেক্সিকো, কিউবা, চিলিসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তবে ভোটগ্রহণের সময় দুই ঘণ্টা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (২৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ডানপন্থি সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারোকে পরাজিত করে চতুর্থবারের মতো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন লুলা। ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে নির্বাচন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বলসোনারো।   বিচারপতি ক্রিস্তিয়ানো জানিন ভোটগ্রহণের সময় দুই ঘণ্টা বাড়ানোর অনুমতি দেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই প্রার্থীই অতিরিক্ত সময় চেয়েছিলেন।   বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লুলাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, গণতন্ত্রের জয় হয়েছে এবং ব্রাজিলের জনগণ বিজয়ী হয়েছেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেন, লুলার নেতৃত্বে কানাডা ও ব্রাজিলের সম্পর্ক এগিয়েছে। বাণিজ্য সম্প্রসারণ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং দুই দেশের জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল লুলার বিজয়কে ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেন। তাঁর মতে, এ জয় শান্তি, সার্বভৌমত্ব ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পথে ব্রাজিলের অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নেবে। লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে ঐক্য জোরদারেও ব্রাজিলের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা জানান তিনি। বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ দুই দেশকে প্রতিবেশী ও ভ্রাতৃপ্রতিম হিসেবে উল্লেখ করে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পানামার প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনোও ব্রাজিলের জনগণকে নির্বাচন এবং লুলাকে বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানান। চিলির প্রেসিডেন্ট হোসে আন্তোনিও কাস্ত লুলাকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে একসঙ্গে কাজ করার কথাও জানান তিনি।   ভোটের সময় বাড়ানো নিয়ে সমালোচনা ভোটগ্রহণের সময় দুই ঘণ্টা বাড়ানোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। তাঁর অভিযোগ, কোনো রক্ষণশীল প্রার্থীর বিজয়ের ক্ষেত্রে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হতো। কিন্তু লুলার জয়ের ঘটনায় সংবাদমাধ্যম নীরব রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রগতিশীল সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স লুলার পুনর্নির্বাচনকে অসাধারণ বিজয় হিসেবে উল্লেখ করে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, লুলা শ্রমিক ও গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এবং আগামী চার বছরও এ অবস্থান বজায় রাখবেন বলে আশা করেন। কংগ্রেসম্যান রো খান্না বলেন, বিশ্বজুড়ে মানুষ চরমপন্থার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে এবং ব্রাজিলে লুলার জয় সেই প্রচেষ্টার অংশ। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নির্বাচনের ফল মেনে নেওয়া এবং ব্রাজিলের নির্বাচনকে দুর্বল করার চেষ্টা না করার আহ্বান জানান।   নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি জনগণের ঐক্যের শক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে তাদের পরাজিত করা কঠিন। এ ছাড়া ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমের প্রেস দপ্তরের এক বিবৃতিতে গণতন্ত্র রক্ষা, পরিবেশ সুরক্ষা, শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং কর্মজীবী পরিবারের উপযোগী অর্থনীতি গড়ে তোলার বিষয়ে ব্রাজিলের পাশে থাকার কথা জানানো হয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
ইয়েমেনে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলা, ধ্বংসের দাবি সৌদি জোটের
আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ২৬, ২০২৬

ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে অভিযান চালানোর দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। জোটের দাবি অনুযায়ী, অভিযানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণের পাঁচটি সুড়ঙ্গ এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের চারটি প্ল্যাটফর্ম ধ্বংস করা হয়েছে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জোট জানায়, সৌদি আরব ও ইয়েমেনে হুথিদের অবকাঠামোতে হামলার পর সম্ভাব্য হুমকির উৎস নিষ্ক্রিয় করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।   বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অভিযানে হুথিদের একটি ক্ষেপণাস্ত্রের গুদাম লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন এলাকার মধ্যে সামরিক সরবরাহব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।   সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের ভাষ্য অনুযায়ী, ইয়েমেনের সম্মুখসারিতে হুথিদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, সদস্যদের সমাবেশস্থল এবং সামরিক সরঞ্জামও অভিযানের লক্ষ্যবস্তু ছিল।   তবে অভিযানে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এবং হতাহতের বিষয়ে বিবৃতিতে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তান-আফগানিস্তানে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প, তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই
আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ২৬, ২০২৬

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে দুই দেশের একাধিক এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রাণহানি বা উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।   বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.২। প্রাথমিকভাবে এর মাত্রা ৫.৮ বলে ধারণা করা হলেও পরে তা সংশোধন করা হয়।   ইএমএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১১০ কিলোমিটার গভীরে।   আফগান সংবাদমাধ্যম টোলো নিউজ জানিয়েছে, ভূমিকম্পে দেশটির রাজধানী কাবুল, নানগারহারসহ আশপাশের কয়েকটি প্রদেশে কম্পন অনুভূত হয়। তবে দেশটিতে হতাহত বা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির কোনো তাৎক্ষণিক তথ্য পাওয়া যায়নি।   অন্যদিকে, পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা এবং উত্তরের গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলেও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।   দক্ষিণ এশিয়ার ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলগুলোর মধ্যে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান অন্যতম। তবে এই ভূমিকম্পের পর দুই দেশে সার্বিক পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আরও তথ্যের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।

ছবি: সংগৃহীত
ট্যাংকার থেকে তেল ছড়িয়ে পড়ায় আমিরাতের তিন অঞ্চলের সৈকতে বিধিনিষেধ
মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ২৬, ২০২৬

আরব আমিরাতের সাগরে একটি তেলের জাহাজ থেকে প্রচুর তেল ছড়িয়ে পড়েছে। তাই মানুষের নিরাপত্তার জন্য রাস আল খাইমা, উম্ম আল কুয়াইন এবং শারজাহ এলাকার সমুদ্রসৈকতগুলোতে সাধারণ মানুষের যাওয়া অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে সরকার।   বিশেষজ্ঞরা দেখছেন সাগরের ঠিক কতটুকু জায়গায় এই তেল ছড়িয়েছে। সাগরের পরিবেশ বাঁচাতে এখন দ্রুত এই তেল পরিষ্কারের কাজ চলছে। এছাড়া জেলে ও নৌকার মাঝিদের ওই এলাকা থেকে নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়েছে এবং সরকারি নিয়ম মেনে চলতে বলা হয়েছে।   শারজাহ ও উম্ম আল কুয়াইনের পাশাপাশি আজমান এলাকার মানুষও বাতাসে তেলের কড়া গন্ধ পাচ্ছেন। তবে সরকার জানিয়েছে, এই গন্ধে মানুষের স্বাস্থ্যের বড় কোনো ক্ষতির ভয় নেই।   ঠিক কোন জাহাজ থেকে, কেন এবং কতটুকু তেল সাগরে পড়ল, তা এখনো জানা যায়নি। সাগরের পানি পুরোপুরি পরিষ্কার ও নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত সৈকতগুলো সবার জন্য বন্ধই থাকবে।   সৈকত বন্ধ থাকায় রাস আল খাইমার মতো পর্যটন এলাকাগুলোতে এর খারাপ প্রভাব পড়ছে। কারণ সেখানে অনেক দামি হোটেল আছে এবং নতুন রিসোর্ট তৈরির কাজ চলছে। এছাড়া, সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঝামেলার কারণে ওই সাগরে জাহাজ চলাচলেও এখন বেশ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
সারাদেশ
অর্থনীতি

শিক্ষা
স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
সর্বশেষ