সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো : রিজভী

অতীতের তুলনায় দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন অনেক ভালো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, এবার গরুর হাটে কঠোরভাবে চাঁদাবাজি দমন করা হয়েছে।   শুক্রবার (২৯ মে) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, রাতারাতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব নয়। বিদেশেও এমনটা হয় না। তবে সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে তৎপর কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।   কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশংসা করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, দুই সিটি কর্পোরেশন খুব ভালোভাবে কাজ করেছে। বিকালের মধ্যেই বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ও সড়ক থেকে কোরবানির বর্জ্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অতীতে এমন দৃশ্য দেখা যায়নি। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, সরকার বিষয়গুলো দৃঢ়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সমস্যা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে।   রিজভী বলেন, রামিসাকে নির্যাতনের পর হত্যার ঘটনাও সবাই জানেন। প্রধানমন্ত্রী সেখানে গিয়েছেন, পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়েছেন এবং অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আদালতও দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে। বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকার কোথাও ভুল করলে তা তুলে ধরা যেতে পারে। তবে চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র বা উসকানিমূলক ইঙ্গিত দেশের মানুষ ভালোভাবে নেয় না এবং ভবিষ্যতেও নেবে না। এ সময় তিনি বিরোধী দলকে গঠনমূলক সমালোচনার আহ্বান জানান।   এদিকে, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল শনিবার সকাল ১১টায় তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে বলে জানান রিজভী। তিনি বলেন, এতে নেতৃত্ব দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দলটির পক্ষ থেকে বস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে।

১ মিনিট আগে
কিউইদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ আয়ারল্যান্ডের

আয়ারল্যান্ড সফরের একমাত্র টেস্টে সহজ জয় পেল নিউ জিল্যান্ড। বেলফাস্টে মাত্র সাড়ে তিন দিনের মধ্যে আইরিশদের ইনিংস ও ৭৯ রানে হারিয়েছে কিউইরা। এ নিয়ে নিজেদের ১৩ টেস্টের মধ্যে ১০টিই হারল আয়ারল্যান্ড।    ম্যাচে টস জিতে নিউ জিল্যান্ডকে ব্যাটিং করতে পাঠায় স্বাগতিকরা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেট হারিয়ে ৪৯০ রান করে টম ল্যাথামের নেতৃত্বাধীন দল। এরপর তাদের আর ব্যাট করতে নামতে হয়নি। নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৩৮ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর ঘুরে দাঁড়িয়ে ২৩২ রান পর্যন্ত করতে পারে আয়ারল্যান্ড। পরে তাদের ফলো-অন করায় নিউ জিল্যান্ড। দ্বিতীয়বার ব্যাট করতে নেমে ১৭৯ রানের বেশি করতে পারেনি স্বাগতিক দল। কিউইদের হয়ে ২২ চার ও ৩ ছক্কায় ২৯২ বলে ১৮৬ রানের ইনিংস খেলেন টম ব্লান্ডেল। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরিতে ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জেতেন তিনি। একমাত্র ইনিংসের একপর্যায়ে ৮৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে নিউ জিল্যান্ড। পরে রাচিন রবীন্দ্রকে নিয়ে ২১৭ রানের জুটি গড়েন ব্লান্ডেল। ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরিতে ১১ চার ও ৪ ছক্কায় ১৯৪ বলে ১২১ রানের ইনিংস খেলেন রবীন্দ্র। পরে আবার ডিন ফক্সক্রফটের সঙ্গে ১৫৮ রান যোগ করেন ব্লান্ডেল। টেস্ট অভিষেকে মাত্র ২ রানের জন্য সেঞ্চুরি করতে পারেননি ফক্সক্রফট। ৬ চার ও ১ ছক্কায় ১২৯ বলে ৯৮ রান করে আউট হন অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার। আয়ারল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন মার্ক অ্যাডায়ার। পরে নাথান স্মিথের তোপে পড়ে মাত্র ৩৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে আয়ারল্যান্ড। সেখান থেকে অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ও মার্ক অ্যাডায়ার মিলে গড়েন ১১৬ রানের জুটি। অ্যাডায়ার আউট হন ৪০ রান। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৭৩ রানের ইনিংস খেলেন ম্যাকব্রাইন। সব মিলিয়ে ৪০ রানে ৬ উইকেট নেন স্মিথ। আয়ারল্যান্ডের প্রথম ছয় ব্যাটারের মধ্যে চারজনকে তিনি ফেরান শূন্য রানে। দীর্ঘ টেস্ট ইতিহাসে এর আগে যা করতে পারেননি আর কোনো বোলার। ফলো-অনে পড়ে দ্বিতীয়বার ব্যাট করতে নেমেও তেমন উন্নতি হয়নি আইরিশদের। এবার ওপেনার স্টিফেন ডোহেনি খেলেন সর্বোচ্চ ৫৭ রানের ইনিংস। এছাড়া লরকান টাকারের ব্যাট থেকে আসে ঠিক ৫০ রান। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয়টিতেও দারুণ ব্যাটিং করে ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন মার্ক অ্যাডায়ার। দ্বিতীয় ইনিংসে নিউ জিল্যান্ডের হয়ে ৭৬ রানে ৫ উইকেট নেন ব্লেয়ার টিকনার।

২ মিনিট আগে
বিক্রি না হওয়ায় মাটিতে পুঁতে ফেলা হলো দেড়শতাধিক চামড়া

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিক্রি না হওয়ায় দেড়শতাধিক কোরবানির পশুর চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের রামনগর মাদিনাতুল উলুম দাখিল মাদরাসায় এমন ঘটনা ঘটে।   মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে মাদরাসার পক্ষ থেকে বিভিন্ন বাড়ি থেকে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করা হয়। তবে কাঙ্ক্ষিত মূল্য না পাওয়া এবং পাইকারি ক্রেতার সংকটের কারণে চামড়াগুলো বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। এতে সংরক্ষণে রাখতে না পেরে দুর্গন্ধ ও পঁচে যাওয়ার আশঙ্কায় চামড়াগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলতে বাধ্য হয় সংশ্লিষ্টরা।   স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, যথাযথ সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও কার্যকর বাজার ব্যবস্থাপনার অভাবে প্রতি বছরই চামড়া নিয়ে এমন সংকট তৈরি হচ্ছে। এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।   মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, প্রতি বছর মাদরাসার পক্ষ থেকে চামড়া সংগ্রহ করা হয়। এবারও শ্রমিক নিয়োগ ও গাড়ি ভাড়া করে বিভিন্ন বাড়ি থেকে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করা হয়। বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। চামড়া বিক্রির জন্য কোনো পাইকারি আড়তদার না পাওয়ায় চামড়াগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এতে পরিবেশ রক্ষায় প্রায় ১৫০টি চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। এতে মাদরাসাটির বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে।   মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান বলেন, মাদরাসার ফান্ড থেকে অর্থ ব্যয় করে শ্রমিকের মাধ্যমে চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছিল। বিক্রির জন্য অপেক্ষা করেও কোনো পাইকার পাওয়া যায়নি। এতে বাধ্য হয়ে চামড়াগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলতে হয়েছে। এ ঘটনায় মাদরাসার বড় ধরনের লোকসান হয়েছে।   নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নেই। চামড়া সংরক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল। এমনটি হওয়ার কথা নয়। খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

৭ মিনিট আগে
মরিনহোর সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ফেরা, রিয়ালের সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর সেই চিরচেনা ডাগআউটে আবারও ফিরছেন হোসে মরিনহো। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি স্পোর্টস এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করেছে যে, রিয়াল মাদ্রিদের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে তিন বছরের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন এই ৬৩ বছর বয়সী পর্তুগিজ মাস্টারমাইন্ড।   তবে আগামী ৭ জুন ক্লাবের আসন্ন সভাপতি নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদমাধ্যমের সামনে আনা হবে না।   রিয়াল মাদ্রিদের জন্য সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ মৌসুমটি ছিল একেবারেই হতাশার ও ট্রফিশূন্য। গত জানুয়ারি মাসে জাবি আলোনসোর আকস্মিক বিদায়ের পর অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব নেওয়া আলভারো আরবেলোয়ার অধীনে নিজেদের ছন্দ হারিয়ে ফেলে লস ব্লাঙ্কোসরা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার কাছে এল ক্লাসিকোতে ২-০ ব্যবধানে হেরে লা লিগার শিরোপা হাতছাড়া করার পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখের কাছে সামগ্রিকভাবে ৬-৪ ব্যবধানে হেরে বিদায় নেয় রিয়াল।   এই চরম ব্যর্থতার পর ক্লাবের চেনা ঐতিহ্য ও জয়ী মানসিকতা ফিরিয়ে আনতেই পর্তুগিজ ক্লাব বেনফিকা থেকে মরিনহোকে ফিরিয়ে আনছে রিয়াল মাদ্রিদ ম্যানেজমেন্ট। গত সেপ্টেম্বরে বেনফিকার দায়িত্ব নিয়ে দলটিকে পর্তুগিজ লিগে তৃতীয় স্থানে রেখে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ফিরছেন তিনি।   ফুটবল বিশ্বে হোসে মরিনহো এবং রিয়াল মাদ্রিদের রসায়ন সবসময়ই ছিল চরম উত্তেজনাপূর্ণ ও নাটকীয়তায় ভরা। চেলসি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ইন্টার মিলান ও রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইউরোপের প্রায় সব বড় ট্রফি জেতা এই কোচের রিয়ালে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতভাবেই স্প্যানিশ ফুটবলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিতার পারদকে আবার তুঙ্গে নিয়ে যাবে।

১৫ মিনিট আগে
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়
১ জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে স্কেল

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের নবম জাতীয় বেতন কাঠামো। নতুন এই পে স্কেলে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেতে যাচ্ছেন নিম্ন আয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্তদের পেনশনেও আসছে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত।   গত ২১ মে সচিবালয়ে নবম জাতীয় পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামোর বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এবার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের তুলনায় নিম্নস্তরের কর্মচারীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।   নতুন পে স্কেলের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য কমিয়ে আনা এবং কম বেতনে কর্মরতদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।   নতুন কাঠামোর আওতায় প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিচার বিভাগসহ সরকারি চাকরির সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। একই সঙ্গে আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও এই সুবিধার আওতায় আসবেন বলে জানা গেছে।   এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন ব্যবস্থায়ও বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব এসেছে। বিশেষ করে কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।   সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে যেসব পেনশনার ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পাচ্ছেন, নতুন পে স্কেল চালু হলে তারাই সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবেন।   সরকার আগামী ১ জুলাইয়ের মধ্যে পুরো বেতন কাঠামো কার্যকর করতে দ্রুত কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, নতুন এই পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে নিম্ন আয়ের সরকারি চাকরিজীবীদের আর্থিক স্বস্তি বাড়বে এবং দীর্ঘদিনের বৈষম্য অনেকটাই কমে আসবে।  

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৯, ২০২৬

রুহুল কবির রিজভী
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো : রিজভী

অতীতের তুলনায় দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন অনেক ভালো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, এবার গরুর হাটে কঠোরভাবে চাঁদাবাজি দমন করা হয়েছে।   শুক্রবার (২৯ মে) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, রাতারাতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব নয়। বিদেশেও এমনটা হয় না। তবে সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে তৎপর কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।   কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশংসা করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, দুই সিটি কর্পোরেশন খুব ভালোভাবে কাজ করেছে। বিকালের মধ্যেই বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ও সড়ক থেকে কোরবানির বর্জ্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অতীতে এমন দৃশ্য দেখা যায়নি। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, সরকার বিষয়গুলো দৃঢ়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সমস্যা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে।   রিজভী বলেন, রামিসাকে নির্যাতনের পর হত্যার ঘটনাও সবাই জানেন। প্রধানমন্ত্রী সেখানে গিয়েছেন, পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়েছেন এবং অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আদালতও দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে। বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকার কোথাও ভুল করলে তা তুলে ধরা যেতে পারে। তবে চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র বা উসকানিমূলক ইঙ্গিত দেশের মানুষ ভালোভাবে নেয় না এবং ভবিষ্যতেও নেবে না। এ সময় তিনি বিরোধী দলকে গঠনমূলক সমালোচনার আহ্বান জানান।   এদিকে, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল শনিবার সকাল ১১টায় তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে বলে জানান রিজভী। তিনি বলেন, এতে নেতৃত্ব দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দলটির পক্ষ থেকে বস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে।

বিক্রি না হওয়ায় মাটিতে পুঁতে ফেলা হলো দেড়শতাধিক চামড়া

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিক্রি না হওয়ায় দেড়শতাধিক কোরবানির পশুর চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের রামনগর মাদিনাতুল উলুম দাখিল মাদরাসায় এমন ঘটনা ঘটে।   মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে মাদরাসার পক্ষ থেকে বিভিন্ন বাড়ি থেকে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করা হয়। তবে কাঙ্ক্ষিত মূল্য না পাওয়া এবং পাইকারি ক্রেতার সংকটের কারণে চামড়াগুলো বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। এতে সংরক্ষণে রাখতে না পেরে দুর্গন্ধ ও পঁচে যাওয়ার আশঙ্কায় চামড়াগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলতে বাধ্য হয় সংশ্লিষ্টরা।   স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, যথাযথ সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও কার্যকর বাজার ব্যবস্থাপনার অভাবে প্রতি বছরই চামড়া নিয়ে এমন সংকট তৈরি হচ্ছে। এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।   মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, প্রতি বছর মাদরাসার পক্ষ থেকে চামড়া সংগ্রহ করা হয়। এবারও শ্রমিক নিয়োগ ও গাড়ি ভাড়া করে বিভিন্ন বাড়ি থেকে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করা হয়। বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। চামড়া বিক্রির জন্য কোনো পাইকারি আড়তদার না পাওয়ায় চামড়াগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এতে পরিবেশ রক্ষায় প্রায় ১৫০টি চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। এতে মাদরাসাটির বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে।   মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান বলেন, মাদরাসার ফান্ড থেকে অর্থ ব্যয় করে শ্রমিকের মাধ্যমে চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছিল। বিক্রির জন্য অপেক্ষা করেও কোনো পাইকার পাওয়া যায়নি। এতে বাধ্য হয়ে চামড়াগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলতে হয়েছে। এ ঘটনায় মাদরাসার বড় ধরনের লোকসান হয়েছে।   নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নেই। চামড়া সংরক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল। এমনটি হওয়ার কথা নয়। খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

সামান্য ঝড়েই বিদ্যুৎ বিভ্রাট, পল্লী বিদ্যুতে গ্রাহকদের ক্ষোভ

একটু ঝড়-বৃষ্টি হলেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এ নিয়ে সারা বছর ধরে পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে কম-বেশি অভিযোগ লেগেই থাকে। এছাড়া রাজধানীসহ শহর এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে গিয়ে গ্রামে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং চলে।   এদিকে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় শুক্রবার (২৯ মে) বিকালে ঝড় হয়। ঝড় শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উপজেলা সদর ছাড়াও পদ্মপুকুর, চাঁপাতলা ও কাশিপুরসহ আশপাশের সব এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়। রাত ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।   এ বিষয়ে ভুক্তভোগীদের অনেকেই তাদের ক্ষোভ ও অসন্তোষের কথা জানান।   এদিকে বিদ্যুৎ না থাকার কারণে কুরবানির মাংস নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ভুক্তভোগী উপজেলাবাসী। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে ফ্রিজের ভেতরে থাকা মাংস নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।   গ্রাহকদের অভিযোগ, সামান্য বাতাস কিংবা হালকা বৃষ্টিতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, ফলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।   ভুক্তভোগীরা আরও জানান, ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে বাসাবাড়িতে দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে মারাত্মক সমস্যা দেখা দিয়েছে।   গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট আরও বেড়ে যায় বলে তারা জানান।   গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর অনেক সময় পল্লী বিদ্যুতের অভিযোগ নম্বরে যোগাযোগ করলেও সাধারণ গ্রাহকদের ফোন ধরেন না তারা। কিন্তু বিদ্যুৎ বিলে কোনো ছাড় দেওয়া হয় না। আর এসব অভিযোগ শোনার মতো কেউ নেই।   আবার অনেক এলাকায় লাইন মেরামতে দীর্ঘ সময় লাগায় ক্ষোভ বাড়ছে গ্রাহকদের মধ্যে।   তারা আরও জানান, বৃহস্পতিবার ঈদুল আজহা ছিল। অনেকের বাসা-বাড়িতে কুরবানি হয়েছে। মাংস বিলি-বণ্টনও সম্পন্ন হয়েছে। প্রচুর পরিমাণে মাংস ফ্রিজে রাখা হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে থাকা মাংস নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সবাই।   এ বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ ঝিকরগাছার ডিজিএম ইমাম হাসান যুগান্তরের যশোর ব্যুরোকে বলেন, ঝড়ে বেশ কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের উপর গাছ পড়েছে। এছাড়াও কয়েকটি জায়গায় তার ছিঁড়ে গেছে। এজন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। গাছ ও ডাল অপসারণের কাজ চলছে। গাছের ডাল অপসারণ ও মেরামতে সময় লাগছে। দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা চলছে।

সরকারি দর কাগজে, বাজারে ধস: কোরবানির চামড়ায় বঞ্চিত গরিব-এতিমরা

সরকার কাগজে-কলমে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করলেও বাস্তব বাজারে তার প্রতিফলন ঘটেনি। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পানির দামে বিক্রি হয়েছে কাঁচা চামড়া। ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এতিমখানা, মাদ্রাসা ও গরিব মানুষ। কারণ প্রতি বছর কোরবানির চামড়ার টাকাই হয়ে ওঠে বহু এতিম শিক্ষার্থীর খাবার, শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অন্যতম ভরসা। কিন্তু এবার কম দামে চামড়া বিক্রি হওয়ায় সেই অর্থও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। মৌসুমি ব্যবসায়ীদের লোকসানের পাশাপাশি বঞ্চিত হয়েছেন গরিব ও এতিমরাও।   ঈদুল আজহা এলেই কোরবানির পশুর চামড়া ঘিরে নতুন আশায় বুক বাঁধেন মৌসুমি ব্যবসায়ী, মাদ্রাসা ও এতিমখানার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। বছরের এই একটি সময়েই কিছু বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হয় তাদের জন্য। কিন্তু এবারও সেই আশায় বড় ধাক্কা লেগেছে। সরকার মূল্য নির্ধারণ করলেও বাজারে তার কোনো কার্যকর প্রতিফলন দেখা যায়নি।   রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক কমে বিক্রি হয়েছে কাঁচা চামড়া। ফলে চামড়া সংগ্রহ করে বড় আড়ত ও ট্যানারিতে বিক্রি করতে গিয়ে লোকসানে পড়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।   একই সঙ্গে প্রত্যাশিত দাম না পেয়ে হতাশ মাদ্রাসা ও এতিমখানার কর্তৃপক্ষও। কোথাও কোথাও কম দামে বিক্রি করতে না পেরে কাঁচা চামড়া ফেলে দিতেও দেখা গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ডাস্টবিন ও নর্দমায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া।   কোরবানির পশুর চামড়া শুধু একটি পণ্যের নাম নয়, এটি দীর্ঘদিন ধরে গরিব, এতিম ও মাদ্রাসাভিত্তিক সামাজিক সহায়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। প্রতি বছর কোরবানিদাতাদের বড় একটি অংশ পশুর চামড়া মাদ্রাসা, এতিমখানা কিংবা অসচ্ছল মানুষের কল্যাণে দান করেন। সেই চামড়া বিক্রির টাকায় বছরের বিভিন্ন সময় এতিমদের খাবার, শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার খরচের একটি অংশ জোগাড় হয়। ফলে চামড়ার দাম যত কমে, সরাসরি ততটাই কমে যায় গরিব ও এতিমদের প্রাপ্য অর্থ। বাজারে চামড়ার দরপতন মানে শুধু একটি শিল্পখাতের সংকট নয়, এর প্রভাব গিয়ে পড়ে সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষের ওপর।   এদিকে কোরবানির সময় কাঁচা চামড়ার দাম ঠিক রাখতে এবারও সরকার দাম নির্ধারণ করেছিল। কিন্তু নির্ধারিত দামের প্রতিফলন বাজারে দেখা যায়নি। ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি এতিমখানা ও মাদ্রাসাগুলো।   অনেক প্রতিষ্ঠান প্রত্যাশার তুলনায় অর্ধেকেরও কম অর্থ পেয়েছে, কোথাও কোথাও চামড়া বিক্রি করতেই পারেননি সংশ্লিষ্টরা।   রাজধানীর মগবাজারের বাসিন্দা হাসানুর রহমান বলেন, কেউ কিনতে আসেনি, আমরা চামড়া মাদ্রাসায় দিয়ে দিয়েছি। আমার মামার প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকার গরুর চামড়াও গতকাল রাত পর্যন্ত কেউ নেয়নি। পরে সেটাও মাদ্রাসায় দেওয়া হয়েছে। আর পুরান ঢাকায় আমার ভাই ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকার গরুর চামড়া মাত্র ৩০০ টাকায় বিক্রি করেছে।   সরকার এবার ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম ৬২ থেকে ৬৭ টাকা নির্ধারণ করে দেয়, যা গত বছরের তুলনায় ২ টাকা বেশি। কিন্তু বাস্তবে সেই দাম কাগজেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। শুধু তাই নয়, গত বছরের চেয়েও এবার কম দামে বিক্রি হয়েছে কোরবানির পশুর চামড়া।   রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকার বাজারে গত বছরের তুলনায় প্রতি পিস গরুর চামড়া ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কমে বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া এবারও ছাগলের চামড়া কিনতে তেমন আগ্রহ দেখাননি ব্যবসায়ীরা।   সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কাঁচা চামড়ার বাজার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করছে ট্যানারি মালিক ও বড় আড়তদারদের একটি শক্তিশালী চক্র। মাঠপর্যায়ের ব্যবসায়ীরা তাদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বাধ্য হয়েই কম দামে চামড়া কিনছেন এবং পরে আরও কম দামে বিক্রি করছেন।   রাজধানীর মুগদা এলাকার মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী জালাল উদ্দিন বলেন, দাম কম পাওয়া যায় এই জন্য এবার কম দামে চামড়া কিনেছি। তারপরেও দাম পাইনি। ছোট গরুর চামড়া ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়, মাঝারি ৩০০ থেকে ৫০০ আর বড় গরুর চামড়া ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় কিনেছি। কিন্তু বিক্রি করেছি গড়ে ৪৫০ টাকায়। কম দামে কিনেও লোকসান করেছি।   তিনি বলেন, অনেকে কালকে ফোন দিয়েছিল চামড়া নেওয়ার জন্য। দাম না পাওয়ায় তাদের চামড়াও আনিনি। এনে লোকসান করার কোনো মানে আছে?   চামড়ার বাজার নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন পুরোনো ব্যবসায়ী আবুল হাসান। তিনি বলেন, ২৫-৩০ বছর আগে একটা চামড়া বিক্রি করেছি ২৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। ওই সাইজের গরুর চামড়া এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। ৪০০ টাকার চামড়া কিনে শ্রমিকের খরচও ওঠে না। এই ব্যবসা করবে কে? এই খাত ধ্বংস করা হচ্ছে।   পাশেই থাকা আরেক মৌসুমি ব্যবসায়ী প্রশ্ন তুলে বলেন, চামড়ার জুতার দাম কি কমেছে? কমেনি। তাহলে গরুর চামড়ার দাম এত কম কেন? এখানে কোনো সিন্ডিকেট কাজ করছে, অথবা এই শিল্পটা ধ্বংস করার পাঁয়তারা চলছে।   কম দামের প্রভাব পড়েছে মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলোতেও। রাজধানীর জামিয়া কোরআনিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক হাফেজ ফয়জুল্লাহ বলেন, এতিমখানার জন্য ২০ জন মাদ্রাসার ছাত্র বিভিন্ন এলাকায় বাসায় ঘুরে ঘুরে চামড়া সংগ্রহ করেছে। প্রায় ৮০টি চামড়া সংগ্রহ হয়েছিল। বিক্রি করেছি মাত্র ৩২ হাজার টাকায়। পুরো দিনের কষ্টটাই বৃথা গেছে। তাই আজ আর চামড়া আনতে যাইনি। রাজধানীর লালবাগ পোস্তার ব্যবসায়ীরা জানান, সন্ধ্যার আগে যারা চামড়া নিয়ে এসেছেন তাদের কাছ থেকে গড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় চামড়া কেনা হয়েছে। তবে রাতে চামড়ার মান নষ্ট হতে শুরু করায় দামও অর্ধেকে নেমে আসে। ফলে পরে যারা চামড়া নিয়ে এসেছেন, তাদের কাছ থেকে মান অনুযায়ী কম দামে কিনতে হয়েছে।   যদিও ট্যানারি মালিকরা বলছেন, বাজারে খুব বেশি সমস্যা হয়নি। বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, এই ধরনের বিচ্ছিন্ন ঘটনা প্রতি বছরই ঘটে। তবে এখন পর্যন্ত যতটুকু চামড়া সংগ্রহ হয়েছে, তাতে আমরা মনে করি গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ব্যবস্থাপনা ভালো ছিল। গতকাল পর্যন্ত ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায় চামড়া কেনা হয়েছে। এর সঙ্গে লবণ ও আড়তের খরচ যোগ করলে সরকার নির্ধারিত দামের মধ্যেই পড়ে।   তবে মাঠপর্যায়ের ব্যবসায়ী ও মাদ্রাসা সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ ভিন্ন চিত্রই তুলে ধরছে। তাদের দাবি, সরকার প্রতিবছর দাম নির্ধারণ করলেও বাস্তব বাজারে সেই দামের কোনো কার্যকর বাস্তবায়ন নেই। ফলে কোরবানির চামড়া ঘিরে যে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার কথা ছিল, তা বরাবরের মতোই চলে যাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগী ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে। আর এর সবচেয়ে বড় খেসারত দিতে হচ্ছে গরিব, এতিম ও ছোট ব্যবসায়ীদের।

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা চূড়ান্ত, এখন ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষা
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২৯, ২০২৬

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যস্থতাকারীরা একটি ৬০ দিনের সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) একমত হয়েছেন।তবে এতে এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন এমন তথ্য উঠে এসেছে।      মধ্যস্থতার সঙ্গে যুক্ত দুই মার্কিন কর্মকর্তা এবং আঞ্চলিক একটি সূত্র অ্যাক্সিওসকে এই তথ্য জানিয়েছে। তবে ইরানও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এই সমঝোতা স্মারক মেনে নেওয়ার কথা নিশ্চিত করেনি। এই সমঝোতা স্মারক সই হলে তা হবে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক সাফল্য। তবে ট্রাম্পের পরমাণু শর্ত মেনে চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে সামনে আরও দীর্ঘ আলোচনার দরকার হবে। এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, এটি সবাইকে আলোচনার টেবিলে আনার একটি চুক্তি মাত্র। চুক্তির বিস্তারিত বিষয়গুলো আমরা আলোচনার মাধ্যমেই ঠিক করব। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার পর্যন্ত চুক্তির প্রায় সব শর্তেই দু’পক্ষ একমত হয়েছিল। তবে উভয় পক্ষেরই নিজ নিজ শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ইরানিরা পরে ফিরে এসে জানায় যে তাদের কাছে প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে এবং তারা চুক্তি সই করতে প্রস্তুত। তবে ইরান নিজে থেকে এই দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেনি। অন্যদিকে মার্কিন আলোচকেরা চূড়ান্ত চুক্তির বিস্তারিত ট্রাম্পকে জানালেও তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এতে সই করেননি। এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, প্রেসিডেন্ট মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়েছেন যে, তিনি এটি নিয়ে ভাবতে আরও কয়েক দিন সময় চান। এর আগে যুদ্ধের বিভিন্ন পর্যায়ে ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টারা বেশ কয়েকবার ভেবেছিলেন যে তারা চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছেন, কিন্তু বারবারই আলোচনা ভেস্তে গিয়েছিল। কী আছে এই সমঝোতা স্মারকে? মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৬০ দিনের এই এমওইউতে স্পষ্ট বলা থাকবে যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে 'কোনো বাধা থাকবে না। এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, এর মানে হলো প্রণালি পার হতে কোনো টোল বা ফি লাগবে না এবং কোনো ধরনের হয়রানি করা হবে না। এ ছাড়া ইরানকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে প্রণালি থেকে সব মাইন অপসারণ করতে হবে। একই সঙ্গে মার্কিন নৌ-অবরোধও তুলে নেওয়া হবে। তবে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার হারের ওপর ভিত্তি করেই ধাপে ধাপে এই অবরোধ উঠবে বলে জানান এক মার্কিন কর্মকর্তা। এ ছাড়া ইরানকে অবাধে তেল বিক্রির সুযোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র কিছু নিষেধাজ্ঞাও শিথিল করবে। কর্মকর্তারা জানান, এই এমওইউতে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি দেবে। ৬০ দিনের এই সময়সীমার মধ্যে সবার আগে আলোচনা হবে—কীভাবে ইরানের উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ধ্বংস বা স্থানান্তর করা যায় এবং তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানি তহবিল ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে কথা বলতে রাজি হবে। এমওইউতে ইরানে পণ্য ও মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর একটি মেকানিজম বা ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা থাকবে। এ ছাড়া লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধ শেষ করার বিষয়টিও এই স্মারকে থাকবে। এই ইস্যুটি নিয়ে ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এর আগে অন্তত একবার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছিল। তবে এসব আলোচনা চূড়ান্ত হওয়ার মুহূর্তেও গত কয়েক ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুবার ছোটখাটো সংঘর্ষ হয়েছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ইরানের সামনে এখন তাদের অর্থনীতিকে শৃঙ্খলমুক্ত করার সুযোগ এসেছে। তিনি বলেন, 'তাদের (ইরান) ব্যবস্থার ভেতরেও এমন মানুষ আছেন, যারা বোঝেন যে এটি ভিন্ন পথে হাঁটার একটি দারুণ সুযোগ। ৬০ দিনের এই আলোচনাতেই আমরা বুঝতে পারব যে আসলেই তারা এমনটা চায় কি না।' মার্কিন কর্মকর্তারা আরও দাবি করেন, নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা বা ইরানকে তহবিল দেওয়ার বিষয়ে কোনো 'গোপন চুক্তি' থাকবে না। এক কর্মকর্তা বলেন, 'ইরানিরা যত বেশি ছাড় দিতে রাজি হবে, তারা তত বেশি সুবিধা পাবে।' দুই মার্কিন কর্মকর্তা দাবি করেন, আলোচনা চলাকালে পারমাণবিক বিষয়ে ছাড় দেওয়ার ব্যাপারে ইরানিরা মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু তারা বলেন, 'আমরা যতক্ষণ না এক ঘরে বসে আলোচনা করছি, ততক্ষণ কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাবে না। আর এ জন্যই আমরা এই এমওইউ করতে চাই। এর মাধ্যমে দুই পক্ষই সরাসরি এক ঘরে বসে আলোচনা করার সুযোগ পাবে। এমওইউতে আঞ্চলিক শান্তির বিষয়েও কথাও বলা হয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, এই সুযোগে ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রক্সি বা ছায়াগোষ্ঠীগুলোকে সমর্থনের বিষয়েও আলোচনা করতে চায়। তারা বলেন, আলোচনার সময় যদি এটা স্পষ্ট হয় যে ইরান পারমাণবিক বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি রাখতে পারছে না, তবে ট্রাম্পের হাতে অর্থনৈতিক ও সামরিক—সব ধরনের বিকল্পই খোলা থাকবে।  তেহরান এখনো এই এমওইউ মেনে নেওয়ার কথা নিশ্চিত করেনি। অন্যদিকে ট্রাম্পও বুধবার জানিয়েছেন, চুক্তি সই করার ক্ষেত্রে তার কোনো তাড়া নেই।

ছবি : সংগৃহীত
আফগানিস্তানকে আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিচ্ছে রাশিয়া
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২৯, ২০২৬

রাশিয়ার কাছ থেকে আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামসহ সামরিক সহায়তা পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পেয়েছে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বিবিসিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।   রাশিয়াকে আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রদানে রাজি করানোর এই কাজটি করতে সফল ভূমিকা রেখেছেন তালেবান সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ। সূত্রটি জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম দেওয়ার বিষয়ে মস্কোর সঙ্গে তালেবানের আগেই আলোচনা হয়েছিল এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সফরের সময় রাশিয়ার করা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   এই চুক্তিতে কেবল আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রয়েছে, নাকি ড্রোনের মতো হামলার সরঞ্জামও অন্তর্ভুক্ত আছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে বিবিসিকে সূত্রগুলো জানিয়েছে, দুই পক্ষ একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের পাশাপাশি স্থল সামরিক সরঞ্জাম এবং তালেবান সরকারের সামরিক বাহিনীকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রাজধানী মস্কোতে রাশিয়া এবং তালেবান সরকারের মধ্যে এই নথিতে স্বাক্ষর করা হয় বলে জানা গেছে। এসময় রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সের্গেই শোইগু এবং তালেবান সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোল্লা মোহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ উপস্থিতি ছিলেন। আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসার পর থেকে তালেবান সরকারের সঙ্গে রাশিয়ার সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে এবং আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রতিনিধিদল নিয়মিত দেশটিতে সফর করেছে। কাবুলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই চুক্তিটি প্রতিরক্ষা খাতে তালেবান সরকারের সঙ্গে রাশিয়ার বোঝাপড়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিল। গত মঙ্গলবার আফগান প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিতে মস্কো সফর করেন। ওই সময় তালেবান সরকারের একটি সূত্র বিবিসিকে বলেছিল, জনাব মুজাহিদের এই রাশিয়া সফর আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল এবং সফরের প্রস্তুতির জন্য একটি প্রতিনিধিদলও আগেই মস্কো গিয়েছিল। মোল্লা মোহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের উপদেষ্টা সের্গেই শোইগুর সাথে এক বৈঠকে বলেন, রাশিয়া এই অঞ্চল এবং বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। রাশিয়ান ফেডারেশনের সাথে যোগাযোগ এবং সম্পর্ক আমাদের কাছে বিশেষ গুরুত্বের। আমরা আশা করি এই সম্পর্ক আরও বিস্তৃত, শক্তিশালী এবং ব্যাপক হবে। আফগানিস্তান থেকে ২০২১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর এবং তালেবান পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর যেসব দেশ কাবুলে নিজেদের দূতাবাস বন্ধ করেনি, রাশিয়া তাদের মধ্যে অন্যতম। ২০২২ সালে তালেবান সরকারের সাথে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক চুক্তিও স্বাক্ষর করেছিল রাশিয়া, যার অধীনে তারা আফগানিস্তানে তেল, গ্যাস ও গম সরবরাহ করে। রাশিয়া এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলো বারবার আফগানিস্তানে জঙ্গি গোষ্ঠীর উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, তবে জনাব মুজাহিদ জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে তাদের লড়াইয়ের প্রচেষ্টার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা বিদ্রোহী নেটওয়ার্কগুলোকে দমনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছি। তালেবান সরকারের কর্মকর্তারা বারবার আশ্বস্ত করেছেন যে, তারা আফগানিস্তানের মাটিতে কাউকে অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে কাজ করার সুযোগ দেবে না। তবে মনে হচ্ছে যে, এই আশ্বাসেও তাদের (প্রতিবেশী দেশগুলোর) দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ পুরোপুরি দূর হয়নি। গত বছরের শেষের দিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তালেবান সরকারের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখাকে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, আফগানিস্তান পুরোপুরি তালেবানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং কাবুলের বর্তমান নেতৃত্বের সাথে সম্পর্ক না রেখে কোনো দেশই আফগানিস্তানের বিষয়ে প্রকৃত প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না। রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সের্গেই শোইগুও কিছুদিন আগে বলেছিলেন যে, তার দেশ তালেবান সরকারের সাথে একটি পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোকেও কাবুলের সাথে সহযোগিতা বাড়াতে উৎসাহিত করছেন তিনি। পাকিস্তানের সঙ্গে কদিন আগেই সংঘাতে জড়িয়েছিল আফগানিস্তান। ওই সময় আকাশ প্রতিরক্ষা খাতে আফগানিস্তানের দুর্বলতার বিষয়টি বড় ভাবে সামনে আসে। তখন থেকেই তালেবান সরকার আকাশ প্রতিরক্ষাসহ আধুনিক সামরিক সরঞ্জামের বিষয়ে বেশি আগ্রহী হয়ে ওঠে বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রথম তালেবান সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ ইয়াকুব কোনো আঞ্চলিক দেশের সাথে সামরিক ও কারিগরি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করলেন। সূত্র: বিবিসি

ছবি: সংগৃহীত
ভারতের আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিল জাপান
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২৯, ২০২৬

জাপান ভারত থেকে আম আমদানি স্থগিত করেছে। এর কারণ চলতি বছরের শুরুতে জাপানের কোয়ারেন্টাইন কর্মকর্তারা ভারতের আম প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রগুলোতে পোকা নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে ত্রুটি খুঁজে পেয়েছেন।   এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রীষ্মকালীন আমের মৌসুমে রফতানি ব্যাহত হয়েছে। আলফনসো, কেসর, ল্যাংড়া ও বাঙ্গানাপল্লীর মতো ভারতের উন্নতমানের আমগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।     ২০ বছর পর প্রথম নিষেধাজ্ঞা প্রায় ২০ বছর পর এটাই জাপানের প্রথম এমন নিষেধাজ্ঞা। এর আগে ফলের মাছি নিয়ে উদ্বেগের কারণে জাপান ভারতীয় আম নিষিদ্ধ করেছিল। ২০০৬ সালে ভারত চিকিৎসা প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করার পর সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়। এখন জাপান আবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, ভারত থেকে পাঠানো আম তাদের কঠোর উদ্ভিদ স্বাস্থ্য মান পূরণ করছে কি না।   জাপান ফলের মাছির মতো আক্রমণাত্মক পোকার ব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ তথা ‘শূন্য সহনশীলতা নীতি’ অনুসরণ করে। এই পোকাগুলোকে তাদের দেশের কৃষির জন্য বড় হুমকি মনে করা হয়।     জাপানি পরিদর্শকরা কী পেয়েছেন   প্রতি আম রফতানি মৌসুমের আগে জাপান কোয়ারেন্টাইন কর্মকর্তাদের ভারতে পাঠায় ভেপার হিট ট্রিটমেন্ট বা ভিএইচটি আম প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করতে। রফতানির আগে এসব কেন্দ্রে আমকে জীবাণুমুক্ত করা হয়।   ভিএইচটি হলো একটি রাসায়নিকবিহীন প্রক্রিয়া। এতে আমকে নিয়ন্ত্রিত গরম ও আর্দ্র বাতাসে রাখা হয় যাতে পোকা ও ফলের মাছির লার্ভা মরে যায়। দুই দেশের চুক্তি অনুসারে এই চিকিৎসা বাধ্যতামূলক।   চলতি বছর মার্চ মাসে উত্তরপ্রদেশের রহমানপুরের ভিএইচটি কেন্দ্রে পরিদর্শন হয়। খবর অনুসারে, জাপানি কর্মকর্তারা সেখানে ফিউমিগেশন ও জীবাণুমুক্তকরণ প্রক্রিয়ায় ত্রুটি পেয়েছেন।  ভারতীয় ও জাপানি কর্তৃপক্ষ কোনো বিস্তারিত ত্রুটির কথা এখনও প্রকাশ্যে জানায়নি।   পরিদর্শনের পর জাপানের ইয়োকোহামা প্ল্যান্ট প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, ২৫ মার্চ ২০২৬-এর পর যেসব সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে, সেসব আম আর গ্রহণ করা হবে না।     রফতানিকারকদের জন্য বড় ধাক্কা   জাপান ভারতের সবচেয়ে বড় আমের বাজার নয়। তবে রফতানিকারকরা বলছেন, সেখানে ভারতীয় আম অনেক বেশি দামে বিক্রি হয় বলে এই স্থগিতাদেশ বড় ধাক্কা।   ভারত প্রতি বছর প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদন করে, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। বেশিরভাগ আম দেশের ভেতরেই খাওয়া হয়। কিন্তু জাপানের মতো উন্নত বাজারে রফতানি করলে চাষি ও ব্যবসায়ীরা অনেক বেশি লাভ করেন।   রফতানিকারকরা এখন আশঙ্কা করছেন, এই নিষেধাজ্ঞা ভারতের কৃষি মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে আস্থা কমিয়ে দিতে পারে এবং অন্য দেশগুলোও উদ্বিগ্ন হয়ে উঠতে পারে।     চাষিদের ওপর নতুন চাপ   এই সময়ে নিষেধাজ্ঞা আসায় মহারাষ্ট্রের আলফানসো অঞ্চলের চাষিদের সমস্যা আরও বেড়েছে।   রাজ্যের চাষিরা এ বছর তীব্র গরম ও অনিয়মিত আবহাওয়ার (এল নিনো) কারণে বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। সরকারি জরিপ অনুসারে কোনো কোনো এলাকায় উৎপাদন ৮৫-৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।   উৎপাদন ইতিমধ্যেই অনেক কমে গেছে। এর ওপর জাপানের নিষেধাজ্ঞা আমের বাণিজ্য মৌসুমের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আয় কমিয়ে দেবে বলে রফতানিকারকরা জানিয়েছেন। 

ছবি: সংগৃহীত
পদত্যাগ করলেন সিদ্দারামাইয়া, কর্নাটকের নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে?
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২৯, ২০২৬

কংগ্রেস হাইকমান্ডের নির্দেশ মেনে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন ভারতের কর্নাটক রাজ্যের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) তার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে গত কয়েকদিন ধরে চলা রাজনৈতিক জল্পনা-কল্পনার অবসান হলো। এর ফলে সিদ্দারামাইয়ার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ডিকে শিবকুমারের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথ সুগম হলো। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এ খবর জানিয়েছে।     গত কয়েক মাস ধরে রাজ্যের শীর্ষ পদ নিয়ে সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমারের মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল। নতুন সরকারে জাতিগত ভারসাম্য বজায় রাখতে শিবকুমারের সঙ্গে দুই থেকে তিনজন উপমুখ্যমন্ত্রীও থাকতে পারেন বলে জানা গেছে।   পদত্যাগের পর সংবাদ সম্মেলনে সিদ্দারামাইয়া বলেন, আমি আগেও বহুবার বলেছি, হাইকমান্ড যখন আমাকে পদত্যাগ করতে বলবে, আমি তা করবো। দুই দিন আগে হাইকমান্ড আমাকে সরে দাঁড়াতে বলেছে। তাই আমি পদত্যাগ করেছি।   ২০০৬ সালে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া সিদ্দারামাইয়া দলটির কর্নাটকের অন্যতম প্রভাবশালী ওবিসি নেতা হিসেবে পরিচিত। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে রাজ্যে কংগ্রেসের দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সমাপ্তি ঘটলো। দলীয় বিরোধের জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আমি সবসময় বিশ্বাস করেছি, আমাদের এক পরিবার হিসেবে থাকতে হবে। আমার মেয়াদকালে সমতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি। এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা সহকর্মীদের জানান সিদ্দারামাইয়া। বৈঠকে উপস্থিত শিবকুমারকে তাকে আলিঙ্গন করতে এবং আশীর্বাদ নিতে পা ছুঁতে দেখা যায়। এতে নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়। সংবাদ সম্মেলনের আগে সিদ্দারামাইয়া রাজ্যের রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলটের সচিবের কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাজ্যপাল বর্তমানে রাজ্যের বাইরে রয়েছেন এবং দিনের শেষ নাগাদ তার ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
বিশ্ব
অর্থনীতি