সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
উজানে বৃষ্টির পূর্বাভাস, বাড়তে পারে গঙ্গা-পদ্মাসহ কয়েক নদীর পানি

উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় দেশের কয়েকটি নদ-নদীর পানি আগামী কয়েক দিনে বাড়তে পারে। তবে বর্তমানে দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।   শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত বৃষ্টিপাত, নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসসংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   পূর্বাভাসে বলা হয়, আগামী তিন দিন রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগ এবং এসব এলাকার উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর প্রভাবে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টাতেও এ দুই নদ-নদীর পানি বেড়েছে। পরবর্তী দুই দিন পানি মোটামুটি স্থিতিশীল থাকতে পারে।   এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় গঙ্গা নদীর পানিও বেড়েছে। তবে পদ্মা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী পাঁচ দিন গঙ্গা ও পদ্মার পানি বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা বিপৎসীমার নিচে অবস্থান করতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।   উত্তরাঞ্চলের তিস্তা ও ধরলা নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। বিপরীতে দুধকুমার নদীর পানি কিছুটা কমেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন দিনে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমারের পানি বাড়তে পারে।   উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী এক দিন এ দুই নদীর পানি স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনে পানি বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।   বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, এই মুহূর্তে দেশের কোনো প্রধান নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে উজানে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা এবং কয়েকটি নদীতে পানি বৃদ্ধির পূর্বাভাস থাকায় নদ-নদীর পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

৩৩ মিনিট আগে
ছয় দফা দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন এক দফায় যাবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ছয় দফা দাবি সরকার মেনে না নিলে আন্দোলন এক দফায় রূপ নেবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, তখন একমাত্র দাবি হবে সরকারের পদত্যাগ।   শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ছয় দফা দাবি আদায়ে ১১ দলীয় ঐক্যের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন আন্দোলন শুরু হয়েছে। সরকারকে তিনি দ্রুত দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।   তিনি বলেন, ছয় দফা বাস্তবায়ন না হলে তা এক দফায় পরিণত হবে। সেই এক দফা হবে সরকারের পদত্যাগ।   লংমার্চে অংশ নেওয়া নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির এই নেতা বলেন, অনেকে জানতে চান, এত অর্থ ব্যয় করে কেন লংমার্চে অংশ নেওয়া হচ্ছে। তার দাবি, সরকারের অবস্থান নড়বড়ে হয়ে গেছে। তিনি নেতাকর্মীদের আন্দোলনের মাঠে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।   এ সময় তিনি শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।   কুমিল্লার মানুষের প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ আল্লাহর ওপর আস্থা রেখে চলেন এবং অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেন না। চাঁদাবাজদের কাছেও তারা কোনো ধরনের আপস করবেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।   কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।   অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ এবং খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।

৩৪ মিনিট আগে
ছয় দফা দাবিতে ১১ দলের লং মার্চ, চট্টগ্রামে লালদিঘিতে সমাবেশ

ছয় দফা দাবি আদায়ে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চের সমাপনী সমাবেশ আজ শনিবার চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৫টায় সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।   সমাবেশকে ঘিরে লালদিঘি ময়দানে মঞ্চ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জোটের চট্টগ্রাম নগরের নেতারা। নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে জোটের নেতাকর্মীরা ইতোমধ্যে সমাবেশস্থলের দিকে আসতে শুরু করেছেন।   এর আগে শনিবার সকালে ঢাকার শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লং মার্চ শুরু হয়। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত যাত্রাপথে বিভিন্ন স্থানে পথসভা, সংবর্ধনা ও অভ্যর্থনা কর্মসূচি পালন করা হয়। চট্টগ্রামে পৌঁছানোর পর লালদিঘি ময়দানের সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হবে।   জোটের নেতারা জানিয়েছেন, সমাবেশে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি হতে পারে। তাদের পক্ষ থেকে প্রায় ৩০ লাখ মানুষের সমাগমের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।   ১১ দলীয় জোটের ঘোষিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে নির্বাচনপূর্ব সংস্কার ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতি বন্ধ করা।   জোট নেতাদের দাবি, এসব বিষয়ে সংসদে একাধিকবার আলোচনা ও দাবি জানানো হলেও কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাওয়া যায়নি। এ কারণে জনগণের দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য রাজপথে আন্দোলনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।   চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী জানান, দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী লালদিঘির সমাবেশে যোগ দেবেন। তার দাবি, জনগণের দাবি উপেক্ষা করে দেশ পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তিনি লং মার্চকে কোনো নির্দিষ্ট দলের কর্মসূচি নয়, বরং জনগণের অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের দাবির কর্মসূচি হিসেবে উল্লেখ করেন।   লং মার্চে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এতে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ জোটের অন্যান্য নেতারা অংশ নিয়েছেন।   জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালনের জন্য নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সমাবেশ ও লং মার্চকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না করারও অনুরোধ করা হয়েছে।   নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান হেলালী বলেন, লং মার্চ ও লালদিঘির সমাবেশের মাধ্যমে সরকারের কাছে জনগণের দাবিগুলো আবারও তুলে ধরা হবে। এসব দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

৩৬ মিনিট আগে
সংশোধনসহ ব্যাংক রেজল্যুশন বিল পাসের সুপারিশ স্থায়ী কমিটির

‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ প্রয়োজনীয় পর্যালোচনা ও যাচাই শেষে সংশোধিত আকারে জাতীয় সংসদে পাসের সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।   শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমান।   বৈঠকে ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিলটির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিটির সদস্যরা বিলের প্রস্তাবিত বিধানগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের বিষয়ে মতামত দেন। পরে সংশোধিত বিলটি জাতীয় সংসদে উত্থাপন ও পাসের জন্য সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়।   বৈঠকে কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অংশ নেন। এছাড়া জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি এবং কমিটির সদস্য মঈনুল ইসলাম খান, মো. শাহাদাত হোসেন, মো. সাইফুল আলম ও সৈয়দ জয়নুল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন।   এ সময় ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলোর কারিগরি ও আইনি বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করা হয়।   বৈঠকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও অর্থ বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অর্থ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   স্থায়ী কমিটির সুপারিশের পর বিলটি জাতীয় সংসদের পরবর্তী কার্যক্রমের মাধ্যমে পাসের জন্য এগিয়ে যাবে।

৩৮ মিনিট আগে
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়
সংশোধনসহ ব্যাংক রেজল্যুশন বিল পাসের সুপারিশ স্থায়ী কমিটির

‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ প্রয়োজনীয় পর্যালোচনা ও যাচাই শেষে সংশোধিত আকারে জাতীয় সংসদে পাসের সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।   শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমান।   বৈঠকে ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিলটির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিটির সদস্যরা বিলের প্রস্তাবিত বিধানগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের বিষয়ে মতামত দেন। পরে সংশোধিত বিলটি জাতীয় সংসদে উত্থাপন ও পাসের জন্য সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়।   বৈঠকে কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অংশ নেন। এছাড়া জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি এবং কমিটির সদস্য মঈনুল ইসলাম খান, মো. শাহাদাত হোসেন, মো. সাইফুল আলম ও সৈয়দ জয়নুল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন।   এ সময় ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলোর কারিগরি ও আইনি বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করা হয়।   বৈঠকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও অর্থ বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অর্থ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   স্থায়ী কমিটির সুপারিশের পর বিলটি জাতীয় সংসদের পরবর্তী কার্যক্রমের মাধ্যমে পাসের জন্য এগিয়ে যাবে।

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
ছয় দফা দাবিতে ১১ দলের লং মার্চ, চট্টগ্রামে লালদিঘিতে সমাবেশ

ছয় দফা দাবি আদায়ে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চের সমাপনী সমাবেশ আজ শনিবার চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৫টায় সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।   সমাবেশকে ঘিরে লালদিঘি ময়দানে মঞ্চ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জোটের চট্টগ্রাম নগরের নেতারা। নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে জোটের নেতাকর্মীরা ইতোমধ্যে সমাবেশস্থলের দিকে আসতে শুরু করেছেন।   এর আগে শনিবার সকালে ঢাকার শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লং মার্চ শুরু হয়। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত যাত্রাপথে বিভিন্ন স্থানে পথসভা, সংবর্ধনা ও অভ্যর্থনা কর্মসূচি পালন করা হয়। চট্টগ্রামে পৌঁছানোর পর লালদিঘি ময়দানের সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হবে।   জোটের নেতারা জানিয়েছেন, সমাবেশে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি হতে পারে। তাদের পক্ষ থেকে প্রায় ৩০ লাখ মানুষের সমাগমের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।   ১১ দলীয় জোটের ঘোষিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে নির্বাচনপূর্ব সংস্কার ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতি বন্ধ করা।   জোট নেতাদের দাবি, এসব বিষয়ে সংসদে একাধিকবার আলোচনা ও দাবি জানানো হলেও কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাওয়া যায়নি। এ কারণে জনগণের দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য রাজপথে আন্দোলনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।   চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী জানান, দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী লালদিঘির সমাবেশে যোগ দেবেন। তার দাবি, জনগণের দাবি উপেক্ষা করে দেশ পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তিনি লং মার্চকে কোনো নির্দিষ্ট দলের কর্মসূচি নয়, বরং জনগণের অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের দাবির কর্মসূচি হিসেবে উল্লেখ করেন।   লং মার্চে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এতে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ জোটের অন্যান্য নেতারা অংশ নিয়েছেন।   জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালনের জন্য নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সমাবেশ ও লং মার্চকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না করারও অনুরোধ করা হয়েছে।   নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান হেলালী বলেন, লং মার্চ ও লালদিঘির সমাবেশের মাধ্যমে সরকারের কাছে জনগণের দাবিগুলো আবারও তুলে ধরা হবে। এসব দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

ছবি: সংগৃহীত
ইপোহতে ইমিগ্রেশন অভিযান, বাংলাদেশিসহ আটক ১৭৫

মালয়েশিয়ার ইপোহ এলাকায় অবৈধ অভিবাসীবিরোধী অভিযানে বাংলাদেশিসহ ১৭৫ জনকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিকের সংখ্যাই বেশি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।   শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ইপোহ ও আশপাশের এলাকায় কাঠ কারখানা, গ্লাভস কারখানা, ফুড কোর্টসহ বিদেশি শ্রমিকদের উপস্থিতি বেশি—এমন বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়।   ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা জানান, অভিযানের সময় ইপোহের একটি দরজা তৈরির কারখানার কাছে পৌঁছালে কয়েকজন শ্রমিক পালিয়ে বা আত্মগোপনের চেষ্টা করেন। এ সময় কয়েকজন আহত হন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ এড়াতে কেউ কাঠের তক্তার স্তূপের মধ্যে, কেউ শিল্পবর্জ্যের পাত্র ও আলমারিতে লুকানোর চেষ্টা করেন।   এ ছাড়া কয়েকজন কারখানার সীমানাপ্রাচীর টপকে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে প্রাচীর উঁচু হওয়া এবং কাঁটাতার থাকায় তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পালানোর সময় কয়েকজনের পোশাকও ছিঁড়ে যায় বলে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।   দেশটির ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে চেমোরের বারচাম ও কানথান এলাকায় অভিযান শুরু করা হয়। কাঠের কারখানা, গ্লাভস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও ফুড কোর্টকে অভিযানের আওতায় আনা হয়।   তিনি বলেন, অভিযানে মোট ৩০৫ জন শ্রমিককে যাচাই করা হয়। এর মধ্যে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের সন্দেহে ১৭৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি নাগরিক। এছাড়া মিয়ানমার ও ভিয়েতনামের নাগরিকও আটক হয়েছেন।   জাকারিয়া শাবান বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা, বৈধ অনুমতিপত্র ছাড়া অবস্থান ও কাজ করা। কারও কারও কাছে এমন কর্মসংস্থান অনুমতিপত্র পাওয়া গেছে, যা তারা যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছিলেন সেটির জন্য প্রযোজ্য নয়। কয়েকটি ঘটনায় জাল অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভ্রমণ পাস ব্যবহারেরও তথ্য পাওয়া গেছে।

ছবি: সংগৃহীত
ভোলায় এক ইলিশের দাম উঠল ১২ হাজার ৯০০ টাকা

ভোলার মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের সংযোগস্থল সাগর মোহনায় জেলেদের জালে ২ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় ‘রাজা ইলিশ’ ধরা পড়েছে। মাছটি আড়তে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ১২ হাজার ৯০০ টাকা বিক্রি হয়েছে।   শুক্রবার (৪ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার ইলিশা তালতলি মাছঘাটে নাগর হাজারির আড়তে মাছটির নিলাম হয়। এসময় সর্বোচ্চ দামে মাছটি ক্রয় করেন মৎস্য ব্যবসায়ী লোকমান হোসেন ব্যাপারী।   আড়তদার ও স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে বঙ্গোপসাগর মোহনায় স্থানীয় জেলে মিরাজ মাঝির জালে অন্যান্য মাছের সাথে রাজা ইলিশ মাছটিও ধরা পড়ে। পরে মাছ ধরা শেষে শুক্রবার তারা ভোলা সদর উপজেলা ফিরে আসেন এবং মাছটি আড়তে আনার পর পর বড় আকৃতির ইলিশটি দেখতে তালতলি ঘাটে ভিড় করে জেলে, মাছ ব্যবসায়ীসহ উৎসুক মানুষ। পরে উন্মুক্ত নিলামে ১২ হাজার ৯০০ টাকায় মৎস্য ব্যবসায়ী লোকমান হোসেন ব্যাপারী সর্বোচ্চ দামে রাজা ইলিশটি কিনে নেন।   আড়তদার নাগর হাজারি বলেন, আড়তে সাধারণত এত বড় ইলিশ সচরাচর দেখা যায় না। আমার মনে হচ্ছে আড়াই কেজি ওজনের ইলিশটি এই মৌসুমের সবচেয়ে বড় ইলিশ। স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঘাটের সব আড়তদাররা মাছটি কেনার জন্য নিলামে অংশ নিয়েছিল।   মাছটির ক্রেতা লোকমান হোসেন ব্যাপারী বলেন, রাজা ইলিশটি সর্বোচ্চ দামে কিনেও মনে হচ্ছে জিতেছি। অন্যান্য মাছের সাথে রাজা ইলিশটি ঢাকার মাওয়া ঘাটে বা অন্য কোনো বাজারে বিক্রির জন্য পাঠাবো। আশা করি ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারব।   ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হুসাইন বলেন, এটি অন্যান্য জেলেদের জন্য আনন্দের খবর। মৌসুমের শেষ দিকে এসে নদীতে ও সাগরে বড় ইলিশ ধরা পড়া অবশ্যই ভালো। আড়াই কেজির রাজা ইলিশটির বয়স আনুমানিক দুই থেকে আড়াই বছর হতে পারে। সামনে যেহেতু ইলিশের ডিম দেওয়ার মৌসুম, তাই ধারণা করা যায় বড় ইলিশ নদীতে আসছে।

ছবি: সংগৃহীত
লেবাননের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলায় ৩ জন নিহত, আহত ২৩

লেবাননের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে। এছাড়া, আহত হয়েছেন আরও ২৩ জন।    লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের টাইর ও নাবাতিয়েহ অঞ্চলের পাশাপাশি পূর্বাঞ্চলের বেকা এলাকায় হামলা চালানো হয়। মোট পাঁচটি স্থানে এসব হামলা হয়েছে।   হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে নিহত ও আহতদের পরিচয় এবং হামলায় ঠিক কী ধরনের স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।   লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল ও বেকা উপত্যকা দীর্ঘদিন ধরেই ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর সংঘাতের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এসব এলাকায় ইসরায়েলি হামলার ঘটনা প্রায়ই উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয় এবং বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করে।   সর্বশেষ হামলার পর লেবাননে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে কিনা, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।    এই হামলার ফলে লেবাননের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোতে উত্তেজনা নতুন করে তুঙ্গে উঠেছে।   সূত্র : আল-জাজিরা 

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ইহুদি উগ্রপন্থীদের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে
মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি উগ্রপন্থীদের হামলা ও ঘৃণাজনিত অপরাধ যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের ভাবমূর্তিকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে সতর্ক করেছেন ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি।   ইসরায়েলি সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান-এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।   হাকাবি বলেন, ইসরায়েলের এখন যত বেশি সম্ভব বন্ধুর প্রয়োজন, নতুন করে শত্রু তৈরি করার কোনো প্রয়োজন নেই। পশ্চিম তীরে ইহুদি উগ্রপন্থীদের সহিংস কর্মকাণ্ডের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের ভাবমূর্তির যে ক্ষতি হচ্ছে, তা তিনি গুরুতর বলে উল্লেখ করেন।   তিনি সতর্ক করে বলেন, বিষয়টি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এমনকি রিপাবলিকানদের মধ্যেও ইসরায়েলকে ঘিরে নেতিবাচক ধারণার প্রভাব গভীর হচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ আমেরিকানরা ইসরায়েল সম্পর্কে কী শুনছে, তা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।   সম্প্রতি অধিকৃত গাজার পশ্চিম তীরের বাজরিয়া গ্রামের একটি মসজিদে আগুন দেওয়ার ঘটনার পর হাকাবিকে লক্ষ্য করে দেয়ালে আপত্তিকর গ্রাফিতি লেখা হয়।   এর আগে গত মাসে পশ্চিম তীরের কুসরা গ্রামে ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের ওপর হামলা চালানো ইহুদি দাঙ্গাকারীদের ইসরায়েলি সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন হাকাবি। তার ওই মন্তব্যের পর বাজরিয়ার মসজিদে আগুন দেওয়ার ঘটনায় হামলাকারীরা দেয়ালে লেখে— ‘হাকাবি, সন্ত্রাসীদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা।’   হাকাবি জানান, ওই গ্রাফিতি তাকে ব্যক্তিগতভাবে বিচলিত করেনি। তবে এ ধরনের ঘটনার সামগ্রিক প্রবণতা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। তার মতে, পশ্চিম তীরে সহিংসতা ও ঘৃণাজনিত অপরাধের ঘটনা ক্রমেই ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।   সাক্ষাৎকারে ইরান প্রসঙ্গেও কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। হাকাবির দাবি, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির কারণে ইরান সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে।    হাকাবি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইরানের হুমকি দীর্ঘদিনের এবং এটিকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।   ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার পাশাপাশি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি উগ্রপন্থীদের সহিংসতার বিষয়টি এখন ওয়াশিংটনের জন্যও ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। হাকাবির সর্বশেষ মন্তব্যে সেই উদ্বেগই আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মনে করা হচ্ছে।   সূত্র : আল-জাজিরা

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে শিগগির হামলার হুমকি ট্রাম্পের
মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬

ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু এবং মাটির গভীরে তৈরি অত্যন্ত সুরক্ষিত সামরিক স্থাপনা পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে খুব শিগগিরই হামলা চালানো হতে পারে বলে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।   হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ হুমকি দেন তিনি।    ট্রাম্প বলেন, ইরানের ওই স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা খুব শিগগিরই হতে পারে। তবে সম্ভাব্য হামলার নির্দিষ্ট সময় বা এর ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।   ইরানের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে অবস্থিত পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের অবস্থান নাতাঞ্জের কাছে। নাতাঞ্জে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা রয়েছে। সাম্প্রতিক সংঘাতে এটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।   পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা জল্পনা রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পাহাড়টির গভীরে অত্যন্ত সুরক্ষিত দুটি টানেল কমপ্লেক্স রয়েছে। এসব স্থাপনা মাটির অনেক নিচে নির্মিত হওয়ায় এগুলোকে প্রচলিত বিমান হামলার জন্য কঠিন লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।   তবে ওই স্থাপনার প্রকৃত ব্যবহার, সেখানে কী ধরনের অবকাঠামো রয়েছে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে এর সুনির্দিষ্ট সম্পর্ক কতটা— এসব বিষয়ে প্রকাশ্য তথ্য সীমিত।   ট্রাম্পের সর্বশেষ হুমকির ফলে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা আবারও সামনে এসেছে। বিশেষ করে নাতাঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনার কাছাকাছি কোনো শক্তিশালী ও ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় হামলা হলে তা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।   পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত বিস্তারিত সামরিক পরিকল্পনা প্রকাশ করেনি। ফলে ট্রাম্পের বক্তব্যের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে এবং সেটি ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো ও সামগ্রিক আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কী প্রভাব ফেলবে, তা এখন নজরদারিতে রয়েছে।   সূত্র : আল-জাজিরা

ছবি: সংগৃহীত
লেবাননের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলায় ৩ জন নিহত, আহত ২৩
মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬

লেবাননের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে। এছাড়া, আহত হয়েছেন আরও ২৩ জন।    লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের টাইর ও নাবাতিয়েহ অঞ্চলের পাশাপাশি পূর্বাঞ্চলের বেকা এলাকায় হামলা চালানো হয়। মোট পাঁচটি স্থানে এসব হামলা হয়েছে।   হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে নিহত ও আহতদের পরিচয় এবং হামলায় ঠিক কী ধরনের স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।   লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল ও বেকা উপত্যকা দীর্ঘদিন ধরেই ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর সংঘাতের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এসব এলাকায় ইসরায়েলি হামলার ঘটনা প্রায়ই উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয় এবং বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করে।   সর্বশেষ হামলার পর লেবাননে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে কিনা, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।    এই হামলার ফলে লেবাননের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোতে উত্তেজনা নতুন করে তুঙ্গে উঠেছে।   সূত্র : আল-জাজিরা 

ছবি: সংগৃহীত
মিয়ানমারে ড্রোন হামলায় ইউক্রেইন-মার্কিন নাগরিকদের সম্পৃক্ত: এনআইএ
মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬

সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া সাত বিদেশি নাগরিক মিয়ানমারে বেসামরিক বিমানে ড্রোন হামলায় সম্পৃক্ত ছিলেন বলে দাবি করেছে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা— এনআইএ।   দিল্লির একটি আদালতে এনআইএয়ের তরফে এমন দাবি জানানো হয় বলে শুক্রবার ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে।   সাত বিদেশির মধ্যে ছয়জন ইউক্রেইনের নাগরিক; আরেকজন যুক্তরাষ্ট্রের। তারা বর্তমানে তিহার কারাগারে আছেন।   ওই সাতজনের মধ্যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে সম্প্রতি আদালতে আবেদন করে এনআইএ। গত ৩১ অগাস্ট আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।   এর আগে ১৯ অগাস্ট আদালতে জমা দেওয়া আবেদনে এনআইএ বলেছে, “কিছু ইউক্রেইনীয় ও মার্কিন নাগরিক মিয়ানমারে একটি বেসামরিক বিমানে ড্রোন হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পেয়েছে।”   আবেদনে আরও বলা হয়, “এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউক্রেনের ১৪ নাগরিক বিভিন্ন সময়ে পর্যটন ভিসায় ভারতে প্রবেশ করেন। তারা বিমানে গুয়াহাটি যান এবং রেস্ট্রিকটেড এরিয়া পারমিট (আরএপি) বা প্রোটেক্টেড এরিয়া পারমিটের (পিএপি) মতো নথি ছাড়াই তারা মিজোরামে যান। এরপর তারা অবৈধভাবে মিয়ানমারে প্রবেশ করেন।”   তারা মিয়ানমারের জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ড্রোনের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে সেখানে গিয়েছিলেন বলে এনআইএর ভাষ্য।   মিয়ানমারের জাতিগত লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত এক লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। গৃহযুদ্ধের ফলে দেশটি কার্যত বিভক্ত হয়ে পড়েছে। একেক সশস্ত্র একেক এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে।   সংখ্যালঘুদের হয়ে কাজ করা গণমাধ্যম সংগঠনগুলোর নেটওয়ার্ক— বার্মা নিউজ ইন্টারন্যাশনাল গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দাবি করে, কাচিন রাজ্যের মিতকিনা বিমানবন্দরে ওই সময় মিয়ানমার ন্যাশনাল এয়ারলাইনসের যাত্রীবাহী বিমানে আত্মঘাতী ড্রোন হামলা হয়েছিল। বিমানটি মান্দালয়ের উদ্দেশে উড্ডয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।   তবে এনআইএর আবেদনে এই হামলার কথাই বলা হয়েছে কিনা, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে।   এনআইএ তাদের আবেদনে বলেছে, “ওই সাত বিদেশি নাগরিক এর আগেও একইভাবে মিজোরাম হয়ে মিয়ানমারে গিয়েছিলেন এবং সেখানে আরও দুই দফায় প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেছিলেন। এ ছাড়া ইউরোপ থেকে ভারত হয়ে মিয়ানমারে ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছে বিপুল পরিমাণ ড্রোন ও এর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ অবৈধভাবে আমদানি করেছিলেন।”

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

স্বাস্থ্য
আবহাওয়া
বিশ্ব
অর্থনীতি