ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক-কে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভুটানের রাজাকে বহনকারী একটি বিশেষ বিমান সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করে। বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টার অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন। এসময় রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজাও বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি শুভকামনা জ্ঞাপন করেন। আলাপকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি বলেন, ভুটান সবসময় আমাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে আছে। কারণ, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ভুটান। বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার পিতা, রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও শুভ কামনাও রাষ্ট্রপতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে ভুটানের রাজা শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। ভুটানের রাজা তার দূরদর্শী ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং এ উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি প্রকল্পটির প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের রূপান্তরমূলক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত। সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভুটানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে।
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় অন্তত ৬৮টি নৌযানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ নাবিক ও বন্দরকর্মী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩৫ জন। একজন এখনো নিখোঁজ। ইরাকি সংবাদমাধ্যম শাফাক নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাসে গড়ে প্রতি ২ দশমিক ৬ দিনে একটি করে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার প্রায় অর্ধেকই ছিল তেলবাহী জাহাজকে ঘিরে। কনটেইনারবাহী জাহাজ আক্রান্ত হয় ২০ শতাংশ ঘটনায় এবং বাল্ক ক্যারিয়ার ১৫ শতাংশ ঘটনায়। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস বা ইউকেএমটিও ৬৮টি ঘটনার মধ্যে ৪৭টিকে হামলা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ঘটনাগুলোতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ। এসব দেশের পতাকাবাহী ১৩টি জাহাজ বিভিন্ন ঘটনায় জড়িয়েছে। পানামা ও মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী ১০টি করে জাহাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ইরানের পতাকাবাহী চারটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও অন্যান্য পণ্য পরিবহনের বড় অংশ এই পথ দিয়ে চলাচল করে। ফলে এ অঞ্চলে সামরিক সংঘাত ও নৌ-হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সূত্র: শাফাক নিউজ
চট্টগ্রাম, বরিশাল, পটুয়াখালীসহ দেশের পাঁচ অঞ্চলের ওপর দিয়ে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কতা জারি করা হয়। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত প্রদর্শন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছে চীন ও কাতার। দুই দেশই বলেছে, একতরফা নিষেধাজ্ঞা সংকটের সমাধান নয়; বরং কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখা প্রয়োজন। ইরাকি সংবাদমাধ্যম শাফাক নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বেইজিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আন্তর্জাতিক আইন বা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া কোনো একতরফা নিষেধাজ্ঞা চীন সমর্থন করে না। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে এবং বেইজিং নিজের বৈধ স্বার্থ রক্ষা করবে। চীন বর্তমানে ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রথম দফায় বড় কোনো চীনা ব্যাংককে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের সমালোচনা করে কাতারও। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেন, কাতার এখনো ওয়াশিংটন ও তেহরানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং দুই দেশের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, উত্তেজনা আরও বাড়লে তার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, পুরো বিশ্বেই পড়বে। গত ২৪ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানান, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরান এবং দেশটির অর্থনীতিকে সহায়তা করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপ বাড়ানো। এই পদক্ষেপের আওতায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ, তেল খাত ও অন্যান্য নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৬০ জন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, স্বর্ণ, বিমান পরিবহন ও নৌপরিবহন খাতেও সম্ভাব্য গৌণ নিষেধাজ্ঞার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। স্কট বেসেন্ট সতর্ক করে বলেন, যেসব দেশ বা কোম্পানি নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকবে, ভবিষ্যতে তারা মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার হারাতে পারে। তবে কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে চলার জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে। এদিকে ইরানের অর্থমন্ত্রী আলী মাদানিজাদেহ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় তেহরান পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন, চীন, রাশিয়াসহ ইরানের মিত্র দেশগুলো ওয়াশিংটনের এই চাপের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। অন্যদিকে পাকিস্তানও সমান্তরালভাবে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তেহরানে পাকিস্তান সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের বৈঠকের পর দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, উত্তেজনা কমানো এবং হরমুজ প্রণালি আবার পুরোপুরি খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক-কে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভুটানের রাজাকে বহনকারী একটি বিশেষ বিমান সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করে। বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টার অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন। এসময় রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজাও বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি শুভকামনা জ্ঞাপন করেন। আলাপকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি বলেন, ভুটান সবসময় আমাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে আছে। কারণ, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ভুটান। বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার পিতা, রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও শুভ কামনাও রাষ্ট্রপতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে ভুটানের রাজা শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। ভুটানের রাজা তার দূরদর্শী ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং এ উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি প্রকল্পটির প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের রূপান্তরমূলক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত। সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভুটানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে।
গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের উপকূল থেকে দুটি নৌকা থেকে ৭৯ অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে দেশটির কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার দক্ষিণ ক্রিটের কাল্লি লিমেনেস বন্দরের কাছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একটি ড্রোন নৌকা দুটির অবস্থান শনাক্ত করার পর তাদের উদ্ধার করা হয়। গ্রিক কোস্টগার্ডের এক কর্মকর্তা জানান, উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের মধ্যে অন্তত দুই নারী ও দুই শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদানের নাগরিকও ছিলেন। এর আগে গ্রিসের সংবাদ সংস্থা এএনএ জানিয়েছিল, ওই অভিযানে ৮৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া মানুষের সংখ্যা ৭৯ বলে নিশ্চিত করা হয়। উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়া থেকে প্রায় ৩২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ক্রিট ও কাছের গাভদোস দ্বীপ সাম্প্রতিক সময়ে গ্রিসে আশ্রয়প্রার্থীদের প্রবেশের অন্যতম প্রধান পথ হয়ে উঠেছে। তবে সামগ্রিকভাবে গ্রিসে অভিবাসী আগমনের সংখ্যা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কমেছে। এএনএর প্রতিবেদনে দেশটির অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত ১২ মাসে গ্রিসে প্রায় ৬১ হাজার অভিবাসী পৌঁছেছিলেন। পরবর্তী ১২ মাসে এ সংখ্যা কমে প্রায় ৪২ হাজারে দাঁড়িয়েছে, যা প্রায় ৩১ শতাংশ হ্রাস। ইউরোপে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন দেশ কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে। একই সময়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অভিবাসনবিরোধী ও ডানপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর জনপ্রিয়তাও বেড়েছে। অবৈধ অভিবাসন কমাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন লিবিয়ার মতো ট্রানজিট দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করেছে। গ্রিসের অভিবাসনমন্ত্রী থানস প্লেভরিসও অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আগমন ঠেকাতে কঠোর নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ ছাড়া অভিবাসীদের আবেদন প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনের বিষয়ে জার্মানি ও অন্যান্য ইইউ দেশের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে গ্রিস। সূত্র: টাইমস অফ মাল্টা
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি দেশবাসী ও বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান। মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে শুকরিয়া আদায় করে তিনি বলেন, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানবজাতির হেদায়েত, কল্যাণ ও মুক্তির জন্য সর্বশেষ নবী ও রাসূল, রহমাতুল্লিল আলামিন হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। তার প্রতি অগণিত দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন মানবজাতির ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ ও যুগান্তকারী ঘটনা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সমগ্র মানবজাতির জন্য ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ ও মুক্তির দূত হিসেবে আবির্ভূত হন। মহানবী (সা.)-এর ওপর মানবজাতির পথপ্রদর্শক ও পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান পবিত্র কুরআন নাজিল হয় এবং তার মাধ্যমে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার আদর্শে শান্তির ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়। মহান আল্লাহ মহানবী (সা.)-কে পৃথিবীতে প্রেরণ করেন ‘সমগ্র জগতের জন্য রহমত’ হিসেবে। পবিত্র কুরআনে তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রশংসা করে মহান আল্লাহ বলে ‘নিশ্চয়ই আপনি মহান চরিত্রের অধিকারী’ (সুরা আল-কলম, ৪)। মানবমুক্তির এই দিশারি তার অনুপম চরিত্র, মহান আল্লাহর প্রতি অবিচল আনুগত্য এবং ন্যায়, শান্তি ও কল্যাণের চিরন্তন আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের অনন্য মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। তার জীবন ও আদর্শ চিরকাল মানবজাতির জন্য অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, মহানবী (সা.) তার জীবন ও কর্মের মাধ্যমে সত্য, ন্যায়, ক্ষমা, সহমর্মিতা ও মানুষের মর্যাদার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি এতিম, দরিদ্র, অসহায়, বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। নারী, শিশু, প্রতিবেশী, মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ে দিয়ে গেছেন সুস্পষ্ট নির্দেশনা। বিদায় হজের ভাষণের মাধ্যমে তিনি মানবিক মার্যাদা, অধিকার, সাম্য, ন্যায় ও পারস্পরিক দায়বদ্ধতার যে শিক্ষা দিয়েছেন, তা সর্বজনীন ও সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বদা অনুসরণীয়। রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান যুদ্ধ, সংঘাত, হিংসা, বৈষম্য ও অসিহষ্ণুতায় বিপর্যন্ত বিশ্বে মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শ ততোধিক প্রাসঙ্গিক। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর এই পবিত্র ও মহিমান্বিত সময়ে আসুন, আমরা তার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করি এবং শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করার তাওফিক দান করুন। কায়মনোবাক্যে দোয়া করি, বাংলাদেশ ও পৃথিবীর সকল মানুষের উপর আল্লাহর রহমত, বরকত, অপার শান্তি ও কল্যাণ বর্ষিত হোক।
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় অন্তত ৬৮টি নৌযানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ নাবিক ও বন্দরকর্মী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩৫ জন। একজন এখনো নিখোঁজ। ইরাকি সংবাদমাধ্যম শাফাক নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাসে গড়ে প্রতি ২ দশমিক ৬ দিনে একটি করে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার প্রায় অর্ধেকই ছিল তেলবাহী জাহাজকে ঘিরে। কনটেইনারবাহী জাহাজ আক্রান্ত হয় ২০ শতাংশ ঘটনায় এবং বাল্ক ক্যারিয়ার ১৫ শতাংশ ঘটনায়। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস বা ইউকেএমটিও ৬৮টি ঘটনার মধ্যে ৪৭টিকে হামলা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ঘটনাগুলোতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ। এসব দেশের পতাকাবাহী ১৩টি জাহাজ বিভিন্ন ঘটনায় জড়িয়েছে। পানামা ও মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী ১০টি করে জাহাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ইরানের পতাকাবাহী চারটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও অন্যান্য পণ্য পরিবহনের বড় অংশ এই পথ দিয়ে চলাচল করে। ফলে এ অঞ্চলে সামরিক সংঘাত ও নৌ-হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সূত্র: শাফাক নিউজ
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছে চীন ও কাতার। দুই দেশই বলেছে, একতরফা নিষেধাজ্ঞা সংকটের সমাধান নয়; বরং কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখা প্রয়োজন। ইরাকি সংবাদমাধ্যম শাফাক নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বেইজিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আন্তর্জাতিক আইন বা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া কোনো একতরফা নিষেধাজ্ঞা চীন সমর্থন করে না। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে এবং বেইজিং নিজের বৈধ স্বার্থ রক্ষা করবে। চীন বর্তমানে ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রথম দফায় বড় কোনো চীনা ব্যাংককে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের সমালোচনা করে কাতারও। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেন, কাতার এখনো ওয়াশিংটন ও তেহরানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং দুই দেশের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, উত্তেজনা আরও বাড়লে তার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, পুরো বিশ্বেই পড়বে। গত ২৪ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানান, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরান এবং দেশটির অর্থনীতিকে সহায়তা করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপ বাড়ানো। এই পদক্ষেপের আওতায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ, তেল খাত ও অন্যান্য নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৬০ জন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, স্বর্ণ, বিমান পরিবহন ও নৌপরিবহন খাতেও সম্ভাব্য গৌণ নিষেধাজ্ঞার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। স্কট বেসেন্ট সতর্ক করে বলেন, যেসব দেশ বা কোম্পানি নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকবে, ভবিষ্যতে তারা মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার হারাতে পারে। তবে কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে চলার জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে। এদিকে ইরানের অর্থমন্ত্রী আলী মাদানিজাদেহ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় তেহরান পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন, চীন, রাশিয়াসহ ইরানের মিত্র দেশগুলো ওয়াশিংটনের এই চাপের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। অন্যদিকে পাকিস্তানও সমান্তরালভাবে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তেহরানে পাকিস্তান সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের বৈঠকের পর দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, উত্তেজনা কমানো এবং হরমুজ প্রণালি আবার পুরোপুরি খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
মোস্তফা কামাল আকন্দ
ডা. মো. শামীম হায়দার তালুকদার
ড. মোহাম্মদ রইসউদ্দিন আহমেদ
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় অন্তত ৬৮টি নৌযানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ নাবিক ও বন্দরকর্মী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩৫ জন। একজন এখনো নিখোঁজ। ইরাকি সংবাদমাধ্যম শাফাক নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাসে গড়ে প্রতি ২ দশমিক ৬ দিনে একটি করে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার প্রায় অর্ধেকই ছিল তেলবাহী জাহাজকে ঘিরে। কনটেইনারবাহী জাহাজ আক্রান্ত হয় ২০ শতাংশ ঘটনায় এবং বাল্ক ক্যারিয়ার ১৫ শতাংশ ঘটনায়। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস বা ইউকেএমটিও ৬৮টি ঘটনার মধ্যে ৪৭টিকে হামলা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ঘটনাগুলোতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ। এসব দেশের পতাকাবাহী ১৩টি জাহাজ বিভিন্ন ঘটনায় জড়িয়েছে। পানামা ও মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী ১০টি করে জাহাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ইরানের পতাকাবাহী চারটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও অন্যান্য পণ্য পরিবহনের বড় অংশ এই পথ দিয়ে চলাচল করে। ফলে এ অঞ্চলে সামরিক সংঘাত ও নৌ-হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সূত্র: শাফাক নিউজ
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছে চীন ও কাতার। দুই দেশই বলেছে, একতরফা নিষেধাজ্ঞা সংকটের সমাধান নয়; বরং কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখা প্রয়োজন। ইরাকি সংবাদমাধ্যম শাফাক নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বেইজিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আন্তর্জাতিক আইন বা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া কোনো একতরফা নিষেধাজ্ঞা চীন সমর্থন করে না। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে এবং বেইজিং নিজের বৈধ স্বার্থ রক্ষা করবে। চীন বর্তমানে ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রথম দফায় বড় কোনো চীনা ব্যাংককে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের সমালোচনা করে কাতারও। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেন, কাতার এখনো ওয়াশিংটন ও তেহরানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং দুই দেশের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, উত্তেজনা আরও বাড়লে তার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, পুরো বিশ্বেই পড়বে। গত ২৪ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানান, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরান এবং দেশটির অর্থনীতিকে সহায়তা করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপ বাড়ানো। এই পদক্ষেপের আওতায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ, তেল খাত ও অন্যান্য নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৬০ জন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, স্বর্ণ, বিমান পরিবহন ও নৌপরিবহন খাতেও সম্ভাব্য গৌণ নিষেধাজ্ঞার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। স্কট বেসেন্ট সতর্ক করে বলেন, যেসব দেশ বা কোম্পানি নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকবে, ভবিষ্যতে তারা মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার হারাতে পারে। তবে কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে চলার জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে। এদিকে ইরানের অর্থমন্ত্রী আলী মাদানিজাদেহ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় তেহরান পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন, চীন, রাশিয়াসহ ইরানের মিত্র দেশগুলো ওয়াশিংটনের এই চাপের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। অন্যদিকে পাকিস্তানও সমান্তরালভাবে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তেহরানে পাকিস্তান সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের বৈঠকের পর দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, উত্তেজনা কমানো এবং হরমুজ প্রণালি আবার পুরোপুরি খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের উপকূল থেকে দুটি নৌকা থেকে ৭৯ অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে দেশটির কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার দক্ষিণ ক্রিটের কাল্লি লিমেনেস বন্দরের কাছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একটি ড্রোন নৌকা দুটির অবস্থান শনাক্ত করার পর তাদের উদ্ধার করা হয়। গ্রিক কোস্টগার্ডের এক কর্মকর্তা জানান, উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের মধ্যে অন্তত দুই নারী ও দুই শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদানের নাগরিকও ছিলেন। এর আগে গ্রিসের সংবাদ সংস্থা এএনএ জানিয়েছিল, ওই অভিযানে ৮৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া মানুষের সংখ্যা ৭৯ বলে নিশ্চিত করা হয়। উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়া থেকে প্রায় ৩২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ক্রিট ও কাছের গাভদোস দ্বীপ সাম্প্রতিক সময়ে গ্রিসে আশ্রয়প্রার্থীদের প্রবেশের অন্যতম প্রধান পথ হয়ে উঠেছে। তবে সামগ্রিকভাবে গ্রিসে অভিবাসী আগমনের সংখ্যা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কমেছে। এএনএর প্রতিবেদনে দেশটির অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত ১২ মাসে গ্রিসে প্রায় ৬১ হাজার অভিবাসী পৌঁছেছিলেন। পরবর্তী ১২ মাসে এ সংখ্যা কমে প্রায় ৪২ হাজারে দাঁড়িয়েছে, যা প্রায় ৩১ শতাংশ হ্রাস। ইউরোপে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন দেশ কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে। একই সময়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অভিবাসনবিরোধী ও ডানপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর জনপ্রিয়তাও বেড়েছে। অবৈধ অভিবাসন কমাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন লিবিয়ার মতো ট্রানজিট দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করেছে। গ্রিসের অভিবাসনমন্ত্রী থানস প্লেভরিসও অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আগমন ঠেকাতে কঠোর নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ ছাড়া অভিবাসীদের আবেদন প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনের বিষয়ে জার্মানি ও অন্যান্য ইইউ দেশের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে গ্রিস। সূত্র: টাইমস অফ মাল্টা
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) শীর্ষ পাঁচজন কমান্ডারের বিষয়ে তথ্য দিলে বড় পুরস্কার দেবে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, কিছু শর্তের ওপর ভিত্তি করে ওই পুরস্কারের মূল্য সর্বোচ্চ ১ কোটি ডলার হতে পারে। সোমবার (২৪ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি এ ঘোষণা দেয়। শুধু তাই নয়, তথ্য প্রদানকারীদের প্রয়োজনে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে। ওই কমান্ডারগুলো হলেন—আইআরজিসির কমান্ডার আহমাদ ভাহিদি, খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের প্রধান আলী আবদোল্লাহি, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের ড্রোন ইউনিটের কমান্ডার সাঈদ আগাজানি, আইআরজিসির সাইবার-ইলেকট্রনিক কমান্ডের প্রধান হামিদরেজা লাশগারিয়ান এবং আইআরজিসির গোয়েন্দা দপ্তরের কমান্ডার মাজিদ খাদেমি। মার্কিন কর্মসূচিটির তথ্য অনুযায়ী, এসব কর্মকর্তা আইআরজিসির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখার নেতৃত্ব দেন। ওয়াশিংটনের দাবি, তাদের নেতৃত্বাধীন ইউনিটগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও স্থাপনার বিরুদ্ধে হামলা এবং মার্কিন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে সাইবার কার্যক্রমে জড়িত। যুক্তরাষ্ট্রের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি আরও জানিয়েছে, তথ্য এমন হতে হবে যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান শনাক্ত করতে সহায়তা করে। তথ্যের গুরুত্ব অনুযায়ী আর্থিক পুরস্কারের পাশাপাশি নিরাপত্তার কারণে তথ্যদাতাকে স্থানান্তরের সুবিধাও দেওয়া হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে আইআরজিসিকে ‘ফরেন টেররিস্ট অর্গানাইজেশন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। ওয়াশিংটনের ভাষ্য, ইরানের পররাষ্ট্রনীতিতে আইআরজিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এর বিভিন্ন শাখা ও নেটওয়ার্কের কার্যক্রম মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞা ও পুরস্কার কর্মসূচি ব্যবহার করে আসছে। নতুন এই পুরস্কার ঘোষণা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই এলো। একই সময়ে ওয়াশিংটন ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপও বাড়াচ্ছে। ফলে আইআরজিসির শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে এই পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী চাপের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।