সর্বশেষ

সর্বশেষ সংবাদ
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৩ কোটি টাকার লটারি জিতলেন বাংলাদেশি প্রবাসী

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল আইনে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী মোহাম্মদ আলওয়ার উদ্দিন হাজী আবু সৈয়দ ‘বিগ টিকিট আবু ধাবি’র সাপ্তাহিক ড্র-তে ১ মিলিয়ন দিরহাম জিতেছেন। গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ছয় বছর নিয়মিত চেষ্টা চালানোর পর এবার তার ভাগ্য সহায় হয়—যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার সমান।   প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, আলওয়ার উদ্দিন গত ২১ বছর ধরে আল আইনে বসবাস করছেন। তিনি একা নয়, ৯ বন্ধুর একটি দলের সঙ্গে যৌথভাবে প্রতি মাসে লটারির টিকিট কিনতেন। ধারাবাহিকভাবে অংশ নেওয়ার পর সিরিজ ২৮৩-তে তাদের টিকিটটি বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত হয়।   জয়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে আলওয়ার উদ্দিন বলেন, খবরটি পেয়ে তিনি মুহূর্তের জন্য ‘স্তব্ধ’ হয়ে গিয়েছিলেন এবং এতদিন চেষ্টা করেও এমন পুরস্কার জয়ের কথা কল্পনা করেননি। অর্থের ব্যবহার নিয়ে তিনি এখনো সিদ্ধান্ত নেননি, তবে এই সাফল্য তাকে ভবিষ্যতেও অংশগ্রহণে আরও উৎসাহিত করেছে বলে জানান।   এদিকে বিগ টিকিট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে বিশেষ প্রচারণা চলছে। আগামী ৩ মার্চের মেগা ড্র-তে গ্র্যান্ড প্রাইজ হিসেবে থাকছে ১৫ মিলিয়ন দিরহাম। পাশাপাশি পাঁচজন বিজয়ী পাবেন ১ লাখ দিরহাম করে সান্ত্বনা পুরস্কার, এবং পুরো মাসে সাপ্তাহিক ই-ড্র’র মাধ্যমে চারজনকে ৫০ হাজার দিরহাম করে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ১ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একসাথে দুই বা তার বেশি টিকিট কিনলে নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীরা ৩ মার্চের লাইভ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নিশ্চিত ক্যাশ পুরস্কার জেতার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে ড্রিম কার সিরিজে রেঞ্জ রোভার ও মাসেরাতির মতো বিলাসবহুল গাড়ি জয়ের সুযোগও রাখা হয়েছে।

১ ঘন্টা আগে
যুক্তরাজ্যের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা

যুক্তরাজ্যের ভিসা প্রক্রিয়ায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসছে। ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন জানিয়েছে, আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে যেতে ইচ্ছুক ভ্রমণকারীদের জন্য প্রচলিত স্টিকার ভিসার পরিবর্তে সম্পূর্ণ ডিজিটাল বা ‘ই-ভিসা’ ব্যবস্থা চালু হচ্ছে।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক বিশেষ বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বার্তায় বলা হয়, যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, দ্রুত ও যুগোপযোগী করে তোলার লক্ষ্যেই এই ডিজিটাল রূপান্তর (Digital Transformation) করা হচ্ছে। এর ফলে ভিসা প্রসেসিং আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।   নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে যাদের যুক্তরাজ্যের ভিসার প্রয়োজন হবে, তাদের পাসপোর্টে আর কোনো ফিজিক্যাল ভিসা স্টিকার বা ভিনেট যুক্ত করা হবে না। এর পরিবর্তে তাদের ভ্রমণের অনুমোদন হিসেবে ডিজিটাল ই-ভিসা প্রদান করা হবে, যা অনলাইনে যাচাইযোগ্য হবে।   ভ্রমণকারী ও আবেদনকারীদের এই নতুন ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং ই-ভিসা সংক্রান্ত নির্দেশনার জন্য ব্রিটিশ সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.gov.uk/eVisa) ভিজিট করার পরামর্শ দিয়েছে হাইকমিশন। ডিজিটাল এই পরিবর্তন অভিবাসন প্রক্রিয়াকে কাগজবিহীন ও আরও সুরক্ষিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২ ঘন্টা আগে
মালয়েশিয়ায় ক্রেনের নিচে পড়ে বাংলাদেশির মৃত্যু

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে একটি ‘স্পাইডার লিফট’ ক্রেন উল্টে গিয়ে নিচে চাপা পড়ে বাংলাদেশি এক প্রবাসী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিক নিজেই ক্রেনটির চালক ছিলেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।   কুয়ালালামপুর ট্রাফিক ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান এসিপি মোহাম্মদ জামজুরি মোহাম্মদ ইসা জানান, শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জালান পেরাক এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় রাস্তার পাশের একটি বিলবোর্ডে কাজ করছিলেন তিনি।   প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানায়, রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে পরিচালিত ক্রেনটি ফুটপাতে আটকে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং পরে উল্টে যায়। এতে ক্রেনের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই ওই বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়। পরে কুয়ালালামপুর হাসপাতালের একজন চিকিৎসক ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   দুর্ঘটনায় ক্রেনটির ভারে পাশে থাকা দুটি গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে গাড়িগুলোতে থাকা কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পুলিশ বলছে, ক্রেনটির মালিক প্রতিষ্ঠান শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং ক্রেন চালানোর প্রয়োজনীয় অনুমতি ও বিধি-বিধান মেনে চলা হয়েছিল কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

২ ঘন্টা আগে
মালয়েশিয়ায় হাসপাতালে ভর্তি অজ্ঞাত বাংলাদেশি, পরিচয় খুঁজছে হাইকমিশন

মালয়েশিয়ার পেরাক রাজ্যের একটি হাসপাতালে অজ্ঞাতপরিচয় এক বাংলাদেশি কর্মী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গুরুতর অসুস্থতা ও মানসিক বিপর্যস্ত অবস্থার কারণে তিনি নিজের নাম-পরিচয় কিংবা দেশের ঠিকানা জানাতে পারছেন না। ফলে তার পরিচয় নিশ্চিত করতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহযোগিতা চেয়েছে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন।   বাংলাদেশ হাইকমিশন শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, চিকিৎসাধীন ব্যক্তিকে কেউ চিনে থাকলে বা তার আত্মীয়-স্বজনের পরিচয়/ঠিকানা সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে দ্রুত হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ছবি/বিবরণও শেয়ার করা হয়।   হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর পেরাকের তেলোক ইনতান এলাকা থেকে তাকে স্থানীয় পুলিশ আটক করে। আটকের সময় তার কাছে বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা বা জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া যায়নি। অনাধিকার প্রবেশের অভিযোগে আটক হলেও শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে পুলিশ তাকে দ্রুত পেরাকের হাসপাতাল বাহাগিয়া উলু কিন্তায় ভর্তি করে।   পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধি দল হাসপাতালে গিয়ে ওই কর্মীকে পরিদর্শন করে। চিকিৎসকদের বরাতে জানানো হয়, তিনি বর্তমানে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় রয়েছেন এবং কথা বলা বা লিখতে না পারায় দীর্ঘ চেষ্টা করেও তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

২ ঘন্টা আগে
প্রেস ব্রিফিং। ছবি : সংগৃহীত
জাতীয়
ঢাকার দুটি আসন অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার ১৪, ১৬ ও ১৮ আসনের ১৮ শতাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরমধ্যে দুটি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর মিরপুর ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম ফুয়াদ মাসরুর। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। নির্বাচনী এলাকার তথ্য জানিয়ে মিরপুর ক্যাম্প কমান্ডার বলেন, ‘৩টি ক্যাটাগরিতে ভোটকেন্দ্রের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে, সাধারণ, মধ্যম ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র। ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে আসা-যাওয়া নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রগুলোকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, মধ্যম ও সাধারণ শ্রেণিতে ভাগ করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’ এস এম ফুয়াদ মাসরুর বলেন, ‘ঢাকা ১৪ ও ১৬ আসনকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে সেনাবাহিনী। কেউ মিথ্যা তথ্য ও গুজব রটিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকালীন যেকোনো বিশৃঙ্খলা বা নাশকতার তথ্য প্রচারের আগে সাংবাদিকদের প্রাথমিক যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে ভুল তথ্য বা উসকানিমূলক সংবাদ পরিবেশন না হয়। এ ছাড়া সাংবাদিকদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনে প্রার্থীদের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হবে। কোথাও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি মনে হলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করছি।’

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
৪ উপায়ে জানা যাবে ভোটকেন্দ্রের তথ্য

আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের ভোট প্রদান সহজ করতে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানার জন্য ৪টি পদ্ধতি চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব পদ্ধতির মাধ্যমে ভোটাররা দ্রুত ও নির্ভুলভাবে নিজেদের ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভোটাররা স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি অ্যাপ ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন। এ জন্য প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হবে। অ্যাপের ড্যাশবোর্ড থেকে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ নির্বাচন করে ‘ভোটকেন্দ্র খুঁজুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে অনুসন্ধান করলে ভোটার নম্বর, ভোটার ক্রমিক নম্বর, ভোটকেন্দ্রের নাম ও ঠিকানা দেখা যাবে। এছাড়া ভোটাররা হটলাইন নম্বর ১০৫-এ কল করেও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন। কল করার পর অপারেটরের সঙ্গে কথা বলতে ৯ চাপতে হবে। এ ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জন্মতারিখ প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এ সেবা চালু থাকবে এবং এতে কোনো খরচ লাগবে না। এসএমএসের মাধ্যমেও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে। এ জন্য মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে PC NID লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট ecs.gov.bd ব্যবহার করেও ভোটকেন্দ্রের তথ্য পাওয়া যাবে। ওয়েবসাইটের ‘ভোটকেন্দ্র’ মেনুতে ক্লিক করে নির্বাচনি এলাকা ও উপজেলা/থানা নির্বাচন করলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের তালিকা দেখা যাবে। আবার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে অনুসন্ধান করলেও ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে। ওয়েবসাইটে গুগল ম্যাপের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রের অবস্থান ও যাতায়াতের পথ দেখার সুবিধাও রয়েছে।

ছবি : সংগৃহীত
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারত, দার্জিলিং সংলগ্ন এলাকায় কেন্দ্রস্থল

রতের সিকিমে শুক্রবার সন্ধ্যায় ৩.৮ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ইউরোপীয় ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানায়, বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে ভূমিকম্পটি ঘটে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল সিকিমে, দার্জিলিং শহর থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার উত্তরে। ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের উৎপত্তি হয়। জিয়ালশিং শহরের উত্তর দিকে প্রায় ৯ কিলোমিটার এলাকাও কম্পনে প্রভাবিত হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।


ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। ছবি : সংগৃহীত
ভিজিট ভিসায় কাজ করার অনুমোদন নেই, জানাল দূতাবাস

ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কাজ করার অনুমোদন নেই বলে জা‌নিয়েছে ঢাকার মা‌র্কিন দূতাবাস। শ‌নিবার (৭ ফেব্রুয়া‌রি) এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। বার্তায় বলা হয়, বি১/বি২ ভিসা, মনে রাখুন ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কিছু ব্যবসায়িক কার্যক্রম করা যায়। যেমন, চুক্তি নিয়ে আলোচনা/দরকষাকষি করা এবং সম্মেলনে অংশগ্রহণ করা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে থেকে পারিশ্রমিক গ্রহণ করা বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিয়োগকর্তার জন্য কাজ করা অনুমোদিত নয়। এদিকে যুক্তরাজ্যে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের নতুন বার্তা দিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশন। শ‌নিবার এক বার্তাতে এই তথ্য জানিয়েছে কমিশন। এতে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ব্যবস্থা এখন ডিজিটাল ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হচ্ছে। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন ব্যবস্থায় চলবে ভিসা কার্যক্রম। সুতরাং যাদের ভ্রমণের জন্য ভিসা প্রয়োজন, তারা শুধু ই-ভিসা পাবে। পাসপোর্টে ভিসা স্টিকারের বদলে ই‌-‌ভিসা ব্যবহৃত হবে। বিস্তারিত জানতে www.gov.uk/eVisa— এই ওয়েবসাইট ভিজিট করতে ব‌লে‌ছে হাইকমিশন।

ছবি : সংগৃহীত
মাঘের শেষে তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

শীত যেন তার চিরচেনা রূপ হারাচ্ছে। প্রকৃতি থেকে যেন মাঘের শীত হারাতে বসেছে। এই অবস্থায় রাত এবং দিনের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের সই করা ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।   পূর্বাভাসে বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এদিন শনিবার সকাল ৯টায় পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়- অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়- অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়- অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়- অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়- অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, আগামী ৫ দিনে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

এম এ কাইয়ুম ও নাহিদ ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত
বিএনপি নেতা কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে আপিল বিভাগে নাহিদ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি) আবেদন করেছেন একই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এই আবেদনটি দায়ের করেন।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নাহিদ ইসলামের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা জানান, আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আগামীকাল রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) অথবা ভোটের আগেই এই আবেদনের ওপর শুনানির চেষ্টা চালানো হবে। এর আগে কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে নাহিদের করা রিট ৩ ফেব্রুয়ারি সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় ৫ ফেব্রুয়ারি লিভ টু আপিলটি দায়ের করেন নাহিদ ইসলাম। বিষয়টি জানিয়ে নাহিদ ইসলামের অন্যতম আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা শনিবার গণমাধ্যমকে বলেন, লিভ টু আপিলে কাইয়ুমের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা ও তাকে প্রতীক (ধানের শীষ) বরাদ্দের সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়েছে। আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে রোববার শুনানির চেষ্টা থাকবে, না হলে নির্বাচনের আগেই শুনানির চেষ্টা থাকবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোটের আর মাত্র চারদিন বাকি আছে। এর আগে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে গত ৩ জানুয়ারি কাইয়ুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে তা গ্রহণ করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গত ২২ জানুয়ারি কাইয়ুমকে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দ দেন।   তবে কাইয়ুম ভানুয়াতু নামের একটি দেশের নাগরিক অর্থাৎ দ্বৈত নাগরিক- এমন অভিযোগ তুলে রিটার্নিং কর্মকর্তার ওই দুই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে ২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন একই আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। কাইয়ুম দ্বৈত নাগরিক এবং এই তথ্য তিনি হলফনামায় গোপন করেছেন বলে রিটে অভিযোগ করা হয়। শুনানি নিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেন, যার বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছেন নাহিদ ইসলাম।

ছবি : সংগৃহীত
ভারতের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

পারল না বাংলাদেশ। নেপালের পোখরায় সাফ অনুর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। ফাইনালে আজ ভারত ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশকে। ম্যাচের প্রথমার্ধে ভারত ১-০ গোলে এগিয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে কোনরকম প্রতিরোধই গড়তে পারেনি লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। বরং এই সময়ে ৩ গোল হজম করে বাংলাদেশ। আর তাতেই স্বপ্নভঙ্গের বেদনা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশের মেয়েদের।   অথচ, টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে দাপুটে ফুটবল খেলেছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে ১৮ গোল করলেও বাংলাদেশের জালে কেউ বল পাঠাতে পারেনি। তবে আজ ফাইনালে ঘটেছে উল্টো ঘটনা। বাংলাদেশ কোনো গোল করতে পারেনি। ভারত বাংলাদেশের জালে চার বার বল পাঠিয়েছে। ভারত বাংলাদেশের বিপক্ষে নিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিত ফুটবল খেলেছে। সেখানে বাংলাদেশ একেবারে ছন্নছাড়া। গ্রুপ পর্যায়ের খেলায় বাংলাদেশ ২-০ গোলে ভারতকে হারায়। ঐ ম্যাচে প্রথমার্ধে বাংলাদেশ জোড়া গোল করেছিল। পুরো ম্যাচই ছিল বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ। আজ ফাইনালে বাংলাদেশ সেই খেলা খেলতে পারেনি। কোচ বাটলারের রক্ষণ বারবার পরাস্ত হয়েছে। গোলরক্ষক ইয়ারজান দুই বার শিশুসুলভ ভুল করেছেন। ম্যাচের ৪২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণের ভুলে ভারতীয় অধিনায়ক বক্সে পুরো আনমার্কড ছিলেন। প্লেসিংয়ে গোল করতে কোনো সমস্যা হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ে। ৬১ মিনিটে ভারতের একটি লং বল বক্সের সামনে ধরতে এসে ব্যর্থ হন গোলরক্ষক ইয়ারজান। গোলরক্ষক ভারতের ফরোয়ার্ডকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করেন। ভারতের ফরোয়ার্ড বলের পেছনে ছুটে না পেয়ে ডাইভ দিয়ে পড়ে যান। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। পেনাল্টি থেকে ভারত ব্যবধান দ্বিগুণ করে।   মিনিট কয়েক পর প্রতীমার ব্যাক পাসে ইয়ারজান শট নিতে গেলে সামনে দৌড়ে আসেন পার্ল ফার্নান্দেজ। ইয়ারজানের শট নেন প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়েরর শরীর বরাবর। এরপর আলতো টোকায় গোল করেন ভারতীয় স্ট্রাইকার। ৮৩ মিনিটে ডিফেন্সের ভুলে ৪ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাটলারের দল।

নিউজ ক্লিপস

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল ও পেট্রোলিয়াম বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ১৪টি জাহাজ, ১৫টি প্রতিষ্ঠান এবং দুই ব্যক্তির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। শুক্রবার মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এ ঘোষণা দেয়।   ট্রেজারি বিভাগের বক্তব্য অনুযায়ী, এসব জাহাজ ইরানের কোটি কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিবহনে জড়িত ছিল এবং তারা গোপন ও বিভ্রান্তিকর শিপিং কার্যক্রম চালিয়ে বৈধ বাণিজ্য ও অন্যান্য জাহাজের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।   নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সব সম্পদ জব্দ করা হবে। পাশাপাশি, অনুমতি ছাড়া কোনো মার্কিন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের সঙ্গে লেনদেন করতে পারবে না।   এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। ওমানের মাসকাটে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনা আপাতত শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। তবে ভবিষ্যতে আবার আলোচনা হতে পারে।   এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সমর্থন বন্ধের দাবি জানালেও ইরান এসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রকে কি হারাতে পারবে ইরান?
মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধে ইরানের কৌশল নিয়ে সম্প্রতি দেশটির রাষ্ট্রঘনিষ্ঠ তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণ আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-ঘনিষ্ঠ এ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সরাসরি সামরিক শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করা সম্ভব না হলেও, দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের মাধ্যমে বিশ্ব অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতাকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে সক্ষম তেহরান। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের এই দৃষ্টিভঙ্গি নতুন নয়। তবে এতে আত্মবিশ্বাসের মাত্রা চোখে পড়ার মতো। প্রতিবেদনে একটি ধাপে ধাপে যুদ্ধ কৌশলের কথা বলা হয়েছে, যেখানে লক্ষ্য হলো সরাসরি বিজয় নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য যুদ্ধের খরচ অসহনীয় করে তোলা। টিকে থাকাকেই বিজয় হিসেবে দেখছে তেহরান ইরানের কৌশলের মূল ভিত্তি হলো ‘সহনশীলতা ও বিঘ্ন সৃষ্টি’। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্রের আঘাত সহ্য করা, আঞ্চলিক সংঘাত ছড়িয়ে দেওয়া এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় অস্থিরতা তৈরি করা। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এটিকে প্রকৃত বিজয় বলা যায় না। ইরান যেখানে রাষ্ট্রব্যবস্থার টিকে থাকাকেই জয় হিসেবে তুলে ধরে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধলক্ষ্য তুলনামূলকভাবে সীমিত। ওয়াশিংটনের প্রধান উদ্দেশ্য সাধারণত প্রতিপক্ষের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা, প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা ও পারমাণবিক বিস্তার ঠেকানো। কোনো দেশ দখল করা বা সরকার উৎখাত করা নয়। এই ভিন্ন মানদণ্ডের কারণে এমন পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে, যেখানে ইরান অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল, সামরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও কূটনৈতিকভাবে একঘরে হয়ে পড়লেও নিজ দেশে বিজয়ের ঘোষণা দিতে পারবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাস্তবতায় এ ধরনের ঘোষণার তেমন কোনো মূল্য থাকে না বলে মত বিশ্লেষকদের। তাদের মতে, ইরানের এই বয়ান মূলত অভ্যন্তরীণ জনমত ধরে রাখার কৌশল। বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পূর্ণমাত্রার সংঘাতে গেলে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি হবে বহুগুণ বেশি। বিশ্ব অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে হারাতে না পারলেও, মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি, জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত করা এবং আঞ্চলিক প্রক্সি সংঘাত বাড়িয়ে দিয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বড় ধাক্কা দিতে পারে। এ কারণেই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা গোটা বিশ্বের জন্য উদ্বেগের।

ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ–পাকিস্তান ঘনিষ্ঠতা নিয়ে যা বলল ভারত
মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬ 0

ভারতের সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সময় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে বাংলাদেশ সম্পর্কিত একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়, যার লিখিত উত্তর পাঠ করে শোনানো হয়। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ বিষয়ক প্রশ্নগুলোর উত্তর দেন ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। তাকে প্রশ্ন করা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক স্পর্শকাতর অবস্থায় রয়েছে কি না এবং সেই পরিস্থিতির সুযোগ পাকিস্তান নিচ্ছে কি না—যা ভারতের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। জবাবে কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অত্যন্ত গভীর ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক, সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত সম্পর্ক রয়েছে। এমনকি দুই দেশের সামাজিক বন্ধনও অভিন্ন। তিনি বলেন, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন। বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় নিয়মিত বৈঠক ও পারস্পরিক মতবিনিময় অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তান এই পরিস্থিতির কোনো সুযোগ নিচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ওপর নির্ভরশীল নয় এবং তা সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন। এ ছাড়া বাংলাদেশের যেসব বিষয়ে ভারতের জাতীয় স্বার্থ জড়িত রয়েছে, সেগুলোর ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে এবং স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। আরেক প্রশ্নে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের (কথিত) প্রকাশ্যে হত্যার বিষয়ে ভারত সরকার আলোচনা করেছে কি না জানতে চাওয়া হয়। উত্তরে কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, ভারত ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ পর্যায়সহ সব প্রাসঙ্গিক পরিবেশে উত্থাপন করে আসছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজে এই বিষয়টি তুলেছেন এবং গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। আলাদা আরেক প্রশ্নে ‘বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান জোট’ বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, সরকার ভারতের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থের ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং এসব স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর মধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোর বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত। তিনি আরও বলেন, ‘সবার আগে প্রতিবেশি’ নীতির আওতায় ভারত সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত কূটনৈতিক আলোচনা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে সম্পর্ক বজায় রেখে চলছে। নিজস্ব নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি এই অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে ভারত সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও উল্লেখ করেন ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

ছবি : সংগৃহীত
সাতটি হাই-স্পিড রেল করিডর নির্মাণের পরিকল্পনা করছে ভারত
মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬ 0

ভারত আন্তঃনগর যোগাযোগ উন্নত করতে ৭টি হাই-স্পিড রেল করিডর নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো শহরের যানজট কমানো, পরিবেশবান্ধব পরিবহন গড়ে তোলা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানো। নতুন এই রেল নেটওয়ার্ক বড় শহর ও আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোকে দ্রুতগতির ট্রেনের মাধ্যমে যুক্ত করবে, ফলে ভ্রমণ সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই করিডরগুলো চালু হলে শহর ও গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। ছোট শহরগুলো বড় শহরের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় অর্থনৈতিক কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ হবে, অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ কমবে এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। পরিকল্পনায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎচালিত দ্রুতগতির ট্রেন, উন্নত সিগন্যালিং ব্যবস্থা এবং উঁচু ট্র্যাক নির্মাণের মাধ্যমে জমির ব্যবহার কমানো ও পরিবেশের ক্ষতি সীমিত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এই নেটওয়ার্ককে গণপরিবহন, সাইকেল চলাচল ও পথচারীবান্ধব অবকাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করার পরিকল্পনাও রয়েছে। অর্থনৈতিক দিক থেকেও এই প্রকল্প বড় ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দ্রুত যাতায়াতের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হবে, নতুন বিনিয়োগ বাড়বে এবং করিডরের আশপাশের এলাকায় আবাসন ও বাণিজ্যিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন ও স্থানীয় পরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মতো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব এবং জনগণের সঙ্গে পরামর্শের মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে এটি টেকসই ও আধুনিক নগর পরিবহনের একটি উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে। তথ্যসূত্র : আরবান একরস

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

বিশ্ব
অর্থনীতি
সারাদেশ
টেলিকম ও প্রযুক্তি