সর্বশেষ
সর্বশেষ সংবাদ
শুভেন্দুকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নতুন সহযোগিতার আশা জি এম কাদেরের

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জি এম কাদের)। শুভেচ্ছা বার্তায় জি এম কাদের আশা করেন, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য, সংস্কৃতিসহ পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। গতকাল সোমবার ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারীকে এই শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান জাপা চেয়ারম্যান। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি পাঠিয়েছেন জাপা চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি শৌর্য দীপ্ত সূর্য। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুভেচ্ছা বার্তায় জি এম কাদের বলেছেন, শুভেন্দু অধিকারীর ঐতিহাসিক নির্বাচনী বিজয় ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই সাফল্য শুধু বিজেপির জন্য নয়, পশ্চিমবঙ্গের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, দৃঢ়তা ও অধ্যবসায়ের মধ্য দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন বলে শুভেচ্ছা বার্তায় উল্লেখ করেন জাপা চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারী এমন একটি রাজনৈতিক ও জনসেবামূলক ঐতিহ্যের ধারক, যা খুব কম রাজনৈতিক নেতার ক্ষেত্রে দেখা যায়। জি এম কাদের উল্লেখ করেন, শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির কুমার অধিকারী ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও দীর্ঘদিনের সংসদ সদস্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের মানুষের জন্য জীবনব্যাপী কাজ করেছেন। কাঁথি পৌরসভা থেকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত বিস্তৃত সেই পারিবারিক জনসেবার ঐতিহ্য শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। জাপা চেয়ারম্যান বলেন, নন্দীগ্রাম আন্দোলন থেকে শুরু করে বিধানসভায় ধারাবাহিক দায়িত্ব পালন এবং সংসদ সদস্য হিসেবে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় শুভেন্দু অধিকারী একদিকে যেমন দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন, তেমনি তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘ স্থলসীমান্ত থাকার কথা উল্লেখ করেন জি এম কাদের। তিনি বলেন, দুই বাংলার মানুষের মধ্যে শতাব্দীব্যাপী সাংস্কৃতিক, ভাষাগত ও মানবিক সম্পর্ক বিদ্যমান। জাপা চেয়ারম্যানের আশা, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। জাপা চেয়ারম্যান বলেন, তাঁর দল সব সময় সীমান্তের উভয় পাশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে বিশ্বাস করে। তিনি মনে করেন, শুভেন্দু অধিকারীর জনমুখী নেতৃত্ব দুই বাংলার মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে। জি এম কাদের তাঁর শুভেচ্ছা বার্তার শেষে শুভেন্দু অধিকারীর নতুন দায়িত্ব পালনে সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন। ভবিষ্যতে দুই বাংলার জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সদ্ভাব আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

১৪ মিনিট আগে
২৬ বছর ধরে আত্মগোপনে ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, অবশেষে ঢাকায় গ্রেপ্তার

দীর্ঘ ২৬ বছর আত্মগোপনে থাকা কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার একটি হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালামকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাজধানীর শাহজাহানপুরে র‍্যাব-৩ এর সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।  গ্রেপ্তার হওয়া আবুল কালাম পাকুন্দিয়া উপজেলার চরলক্ষীয়া গ্রামের মৃত শামসুদ্দীনের ছেলে। আজ সকালে তাকে কিশোরগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাকুন্দিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত তিন মাস যাবত পলাতক আসামি আবুল কালামের গতিবিধি লক্ষ্য করছিল পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঢাকায় তার অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। পরে ঢাকার শাহজাহানপুরে অবস্থিত র‍্যাব-৩ এর সহযোগীতায় পাকুন্দিয়া থানার এএসআই সঞ্জয় কুমার দাস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গভীর রাতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে। ওসি বলেন, ২৬ বছর ধরে পলাতক থাকা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এটিকে পাকুন্দিয়া থানার পুলিশের বড় অর্জন বলে দাবি করেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে উপজেলার চরলক্ষীয়া গ্রামের আবুল কালামের সঙ্গে একই গ্রামের সোহেল (১৪) এর কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে কালাম সোহেলকে গলায় ছুড়িকাঘাত করলে ঘটনাস্থলেই সোহেলের মৃত্যু হয়।  ঘটনার পর থেকেই কালাম পলাতক ছিল। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আজিজুল হক জজ মিয়া বাদী হয়ে কালামকে আসামি করে পাকুন্দিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ২০১০ সালে কালামকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয় আদালত। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ র‌্যাবের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে ঢাকার শাহজাহানপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।   

১৮ মিনিট আগে
ঈদুল আজহা ঘিরে ১৪ দিনের বিশেষ নিরাপত্তা নজরদারি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। ঈদের আগে সাত দিন এবং পরে সাত দিন পুলিশ সদর দপ্তরে বিশেষ মনিটরিং সেল চালু থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।   মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঈদুল আজহা উপলক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব তথ্য জানান।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ ছুটির সময় রাজধানী ঢাকা ও সারাদেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের বিশেষ মনিটরিং সেলের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পুলিশ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন সংস্থার হটলাইন নম্বর চালু রাখা হবে এবং তা গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।   তিনি জানান, ঈদকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, পুলিশ অধিদপ্তর, এনএসআই, ডিজিএফআই, র‌্যাব, আনসার ও ভিডিপি, হাইওয়ে পুলিশ, জেলা প্রশাসন, বিজিবি ও কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।   কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৫টি, দক্ষিণে ১১টিসহ সারাদেশে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ২৫৯টি পশুর হাটের ইজারা দেওয়া হয়েছে। এসব হাটে পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   জাল নোট প্রতিরোধে পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি হাট ইজারাদারদেরও নিজস্ব উদ্যোগে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্র সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়েছে।   তিনি বলেন, পশুবাহী যানবাহন ও নৌপথে চাঁদাবাজি ঠেকাতে বিশেষ নজরদারি থাকবে। কোথাও চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বডি ক্যামেরা ব্যবহার করবেন এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হবে।   ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে মহাসড়কে স্পিডগান ব্যবহার, রেকার প্রস্তুত রাখা এবং সড়কের খানাখন্দ দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। নৌপথের নিরাপত্তায় বিআইডব্লিউটিএ’র হটলাইন ‘১৬১১৩’ এবং ফায়ার সার্ভিসের জরুরি নম্বর ‘১০২’ সার্বক্ষণিক চালু থাকবে।   গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন-ভাতা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে যেন কোনো শ্রমিকের বেতন ও বোনাস বকেয়া না থাকে, সে বিষয়ে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বাংলাদেশ ব্যাংক, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।   কাঁচা চামড়ার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করবে বলেও জানান তিনি। এছাড়া চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে লবণ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ে লবণ সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০ কোটি টাকা অনুমোদন দিয়েছেন বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।   তিনি আরও বলেন, কোরবানির পশুর চামড়া ছাড়ানোর দুই ঘণ্টার মধ্যে লবণ দিয়ে সংরক্ষণের বিষয়ে মসজিদের ইমাম, ইসলামী ফাউন্ডেশন ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হবে।   বিরোধীদলীয় নেতার চাঁদাবাজি বৃদ্ধির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত ৩০ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে।   পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য সরকারের কাছে নেই। তবে সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-কে সতর্ক রাখা হয়েছে এবং সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

১৮ মিনিট আগে
সিলেটেই হবে দ্বিতীয় টেস্ট, অপরিবর্তিত দল ঘোষণা বিসিবির

পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের ভাগ্য নির্ধারণ হবে চায়ের দেশ সিলেটে। আবহাওয়া নিয়ে শঙ্কা ও ভেন্যু পরিবর্তনের গুঞ্জন থাকলেও বিসিবি নিশ্চিত করেছে যে, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সিলেটেই হবে ম্যাচটি। এই ম্যাচের জন্য কোনো পরিবর্তন ছাড়াই ১৫ সদস্যের স্কোয়াড চূড়ান্ত করেছে বোর্ড। মিরপুর টেস্টের মতো এই ম্যাচেও স্কোয়াডে আছেন তানজিদ হাসান তামিম এবং অমিত হাসান। মিরপুর টেস্টে তাদের অভিষেক না হলেও সিলেটের কন্ডিশনে এই দুজনের কেউ সুযোগ পেতে পারেন। সিরিজের দ্বিতীয় তথা শেষ টেস্ট মাঠে গড়াবে আগামী ১৬ মে। দ্বিতীয় টেস্টের বাংলাদেশ স্কোয়াড: নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মাহমুদুল হাসান জয়, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক সৌরভ, মুশফিকুর রহিম, লিটন কুমার দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ (সহ-অধিনায়ক), তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, এবাদত হোসেন চৌধুরী, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা, তানজিদ হাসান এবং অমিত হাসান।

২২ মিনিট আগে
ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসী
মালয়েশিয়ায় অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি, নিখোঁজ ১৪

মালয়েশিয়ার পশ্চিম উপকূলে পাংকর দ্বীপের কাছে ৩৭ জন অবৈধ অভিবাসী বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেছে। এতে অন্তত ১৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ। নিখোঁজরা সবাই ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।   পেরাক অঙ্গরাজ্যের মালয়েশিয়ান মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি (এমএমইএ) জানিয়েছে, সোমবার ভোরে এক স্থানীয় জেলে সমুদ্রে কয়েকজন মানুষকে ভাসতে দেখে তাদের খবর দেন।   পেরাক এমএমইএ’র পরিচালক মোহাম্মদ শুকরি খোতব সোমবার গভীর রাতে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, নৌকাটিতে মোট ৩৭ জন অভিবাসী ছিলেন।   এখন পর্যন্ত ২৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান চলছে।’   মোহাম্মদ শুকরি আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে অভিবাসীরা গত ৯ মে ইন্দোনেশিয়ার কিসারান থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন। তাদের গন্তব্য ছিল মালয়েশিয়ার পেনাং, তেরেঙ্গানু, সেলাঙ্গর এবং কুয়ালালামপুরসহ বিভিন্ন এলাকা।   নিখোঁজদের সন্ধানে সংস্থাটি ইতোমধ্যে উদ্ধারকারী নৌকা, একটি হেলিকপ্টার এবং নজরদারি বিমান মোতায়েন করেছে। উদ্ধারকৃতদের পরবর্তী তদন্তের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।   তুলনামূলকভাবে উন্নত অর্থনীতির দেশ মালয়েশিয়ায় এশিয়ার দরিদ্র দেশগুলোর লাখ লাখ অভিবাসী কাজ করেন। নির্মাণ ও কৃষি খাতের এসব শ্রমিকের বড় একটি অংশই সেখানে অবৈধভাবে বসবাস করছেন।   তবে মানবপাচারকারী চক্রের মাধ্যমে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের এই পথটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এর ফলে প্রায়ই নৌকাডুবির মতো ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে থাই-মালয়েশিয়া উপকূলের কাছে নৌকা ডুবিতে ৩৬ অভিবাসী মারা যায়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১২, ২০২৬ 0

ছবি: সংগৃহীত
মুখস্থ বিদ্যা থেকে বেরিয়ে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কর্মসংস্থানের নতুন বাজারে প্রবেশ করতে হলে মুখস্থ বিদ্যা ও সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে বলে জানিয়েছেন তারেক রহমান।   মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও টেকসই রূপান্তর নিয়ে ইউজিসির জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা অনুযায়ী দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত উন্নয়নের জন্য নয়, বরং প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উদ্ভাবন এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা তৈরির অন্যতম প্রধান নিয়ামক। এজন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতের মধ্যে আরও শক্তিশালী সংযোগ গড়ে তুলতে হবে এবং কারিকুলাম প্রণয়নে শিল্পখাতের চাহিদাকে গুরুত্ব দিতে হবে।   তিনি বলেন, বর্তমানে জ্ঞানের চর্চা আর কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ডাটা সায়েন্সের সঙ্গে বায়োলজি কিংবা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সঙ্গে সমাজবিজ্ঞানের সমন্বয় ঘটছে। এর ফলে জ্ঞানের পরিধি প্রতিনিয়ত বিস্তৃত ও গতিশীল হচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে শিক্ষা ব্যবস্থাকেও আধুনিক করতে হবে।   তারেক রহমান বলেন, বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবটিক্স, অটোমেশন, ইন্টারনেট অব থিংস, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োটেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বিগ ডাটা, ন্যানো টেকনোলজি ও পঞ্চম প্রজন্মের ওয়্যারলেস প্রযুক্তিসহ নানা আধুনিক প্রযুক্তি মানুষের কর্মক্ষেত্র ও জীবনধারাকে বদলে দিচ্ছে। এতে একদিকে প্রথাগত চাকরির বাজারে বেকারত্ব বাড়ছে, অন্যদিকে নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও তৈরি হচ্ছে।   তিনি বলেন, বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এখনো প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। গবেষণা প্রকাশনা, সাইটেশন ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে আরও মনোযোগী হতে হবে। শুধু পুঁথিগত শিক্ষার ওপর নির্ভর করলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।   প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা গবেষণা ও উদ্ভাবনে অর্থায়ন ও পৃষ্ঠপোষকতা করেন। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত এলামনাইদের শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।   তিনি বলেন, প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা শেষ করেও বেকার থাকছেন। এর অন্যতম কারণ হলো একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনের অভাব। নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষা ছাড়া বেকারত্ব দূর করা সম্ভব নয়।   বর্তমান সরকার শিক্ষা কারিকুলামকে সময়োপযোগী করার কাজ শুরু করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষায় অ্যাপ্রেন্টিসশিপ, ইন্টার্নশিপ ও ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   তিনি জানান, বিভাগীয় শহরগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সংযোগ স্থাপন করে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মদক্ষতা অর্জন করতে পারবেন এবং শিক্ষা শেষে বেকার থাকার সম্ভাবনা কমবে।   এছাড়া কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ধারণাকে বাণিজ্যিকীকরণ করতে প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় সিড ফান্ডিং ও ইনোভেশন গ্রান্ট দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্যাম্পাস থেকেই উদ্যোক্তা তৈরির পরিবেশ গড়ে তোলা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।   তিনি বলেন, সরকার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইনস্টিটিউট’ এবং ‘সায়েন্স পার্ক’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও করছে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় বিজ্ঞান মেলা, ইনোভেশন ফেয়ার ও প্রোডাক্ট সোর্সিং ফেয়ারের মতো আয়োজনকে উৎসাহিত করা হবে।   শুধু উচ্চশিক্ষা নয়, স্কুল পর্যায় থেকেই কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

ছবি: সংগৃহীত
সড়কে নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা দিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার

পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকারের ক্ষমতায় আসার পরই সড়কে নামাজ পড়া বন্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে। দলটির বিধায়ক অর্জুন সিং জানিয়েছেন ইতোমধ্যে এ বিষয়ে সরকারি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ‍্য  জানিয়েছেন।   বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং জানিয়েছেন, এখন থেকে রাস্তায় কোনও ধর্মীয় জমায়েত বা প্রার্থনা মেনে নেওয়া হবে না।   কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত বড় জমায়েত প্রসঙ্গে অর্জুন সিং জানান, রেড রোডের মতো জায়গায় এ ধরনের জমায়েত আর দেখা যাবে না। একে ‘আদালতের নির্দেশ’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, বিচারবিভাগীয় নির্দেশ মেনেই সরকার এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে।   নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গরু পাচারের মতো ঘটনার বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিয়েছে নতুন সরকার। অর্জুন সিং বলেন, যারা গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   প্রসঙ্গত রেড রোডে ঈদের জামাত নিয়ে গত বছর বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ওই এলাকায় প্রথমে নামাজের অনুমতি দেয়নি ভারতীয় সেনাবাহিনী। সামরিক ব্যবহারের কারণ দেখিয়ে আপত্তি জানানো হলেও পরে প্রশিক্ষণ সূচিতে পরিবর্তন এনে ঈদুল আজহার নামাজের অনুমতি দেওয়া হয়। নেতাজি মূর্তি থেকে ফোর্ট উইলিয়ামের প্রবেশপথ পর্যন্ত ওই এলাকায় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

ছবি: সংগৃহীত
লুটপাটকারীরা ফিরলে ব্যাংক খাতে নতুন সংকটের আশঙ্কা

ইসলামি ধারার পাঁচটি ব্যাংকের একীভূতকরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন মোস্তাকুর রহমান। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেছেন, নামমাত্র শর্তে পুরোনো মালিকদের ব্যাংকে ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে না।   সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকে ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে গভর্নর এ আশ্বাস দেন।   বৈঠকে ব্যাংক উদ্যোক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সংশোধিত আইনের কিছু ধারা অনুযায়ী অতীতে ব্যাংক থেকে অর্থ নিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের ফেরার সুযোগ রাখা হয়েছে, যা ব্যাংক খাতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।   বিএবির নেতারা বলেন, যেসব ব্যক্তি অতীতে অনিয়ম বা অর্থ লুটপাটের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের আবার মালিকানায় ফিরতে দেওয়া হলে ব্যাংক খাতের প্রতি জনগণের আস্থা আরও কমে যাবে।   বিএবির সভাপতি ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার বৈঠক শেষে বলেন, গভর্নর তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে সংশোধিত আইনের ১৮(ক) ধারা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হলে সাবেক মালিকদের ফেরার সুযোগ থাকবে না। একই সঙ্গে পাঁচটি ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়াও চলমান থাকবে।   তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করলে তা আরও গ্রহণযোগ্য হতো।   বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এ কে আজাদ, শরীফ জহির, মনজুরুর রহমান এবং রোমো রউফ চৌধুরী।   বিএবি তাদের লিখিত প্রস্তাবে জানায়, দেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে খেলাপি ঋণ, মূলধন ঘাটতি এবং তারল্য সংকটসহ একাধিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ‘ব্যাংক রেজোল্যুশন (সংশোধিত) আইন’ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   সংগঠনটি আরও বলে, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের স্বচ্ছতা পর্যবেক্ষণ করছে। তাই দুর্বল জবাবদিহি দেশের আর্থিক খাতের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।   বিএবি ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে জাতীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গঠন, অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধন, ফাস্ট-ট্র্যাক রিকভারি ব্যবস্থা চালু এবং সংকটাপন্ন ব্যাংকগুলোর জন্য বিশেষ নীতিগত সহায়তার সুপারিশ করেছে।

ছবি: সংগৃহীত
দেশজুড়ে ডিলার নিয়োগে টিসিবি, আবেদন অনলাইনে

দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সিটি কর্পোরেশন ওয়ার্ড, পৌরসভা ও ইউনিয়নে শূন্য পদে ডিলার নিয়োগের জন্য অনলাইনে আবেদনের আহ্বান করেছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। ১০ মে থেকে শুরু হয়ে আগামী ২৫ মে ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।   সম্প্রতি টিসিবির অতিরিক্ত পরিচালক (সিএমএস ও বিওবি) মো. আনিছুর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে- টিসিবি কর্তৃক ক্রয়কৃত ভোগ্যপণ্য নির্ধারিত উপকারভোগী পরিবার ও সাধারণ জনগণের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির লক্ষ্যে এই ডিলার নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।   বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী- ঢাকা, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুর, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, খুলনা, নড়াইল, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, ভোলা, পিরোজপুর, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, লালমনিরহাট, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, নওগাঁ, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলার নির্দিষ্ট এলাকায় শূন্য ডিলার পদে আবেদন গ্রহণ করা হবে।   টিসিবি জানিয়েছে, শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। সরাসরি, ডাকযোগে, কুরিয়ার কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে না।  এছাড়া সারাদেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন, ওয়ার্ড, পৌরসভা ও ইউনিয়নে শূন্য ডিলার পদে পর্যায়ক্রমে অনলাইন আবেদন আহ্বান করা হবে।   ডিলার আবেদন ফি বাবদ ৫ হাজার টাকা অনলাইন এক-পে (ekpay) এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে, যা অফেরতযোগ্য। বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে টিসিবির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে www.tcb.gov.bd।

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
‘ফার্মগেট কেলেঙ্কারি’ কী, এতে কীভাবে ফেঁসে যেতে পারেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১২, ২০২৬ 0

প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসাকে অভিশংসনের জন্য একটি কমিটি গঠন করতে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার পার্লামেন্ট। দেশটিতে আলোচিত ‘ফার্মগেট কেলেঙ্কারিতে’ নাম জড়িয়েছে রামাফোসার। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করবে ওই কমিটি। প্রমাণ পেলে প্রেসিডেন্ট রামাফোসা অভিশংসনের মুখোমুখি হতে পারেন।   দক্ষিণ আফ্রিকার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ গতকাল সোমবার জানায়, তদন্তের জন্য স্পিকার একটি কমিটি গঠন করে দেবেন।   গত সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ আদালত প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিশংসন কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দেন। মূলত এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির পার্লামেন্ট তদন্ত কমিটি গঠন করতে যাচ্ছে।   আলোচিত ‘ফার্মগেট কেলেঙ্কারি’ নিয়ে বছর চারেক আগে দক্ষিণ আফ্রিকার পার্লামেন্ট একটি তদন্ত আটকে দেয়। গত শুক্রবার দেশটির সাংবিধানিক আদালত বলেছেন, তদন্ত আটকে দেওয়ার উদ্যোগ দেশের সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।   প্রেসিডেন্ট রামাফোসার বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে কি না, আনুষ্ঠানিকভাবে সেই সুপারিশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে এ তদন্ত কমিটি। তার আগে কমিটির পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো যাচাই–বাছাই করে দেখা হবে।   ধারণা করা হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে পার্লামেন্টের এ কমিটি কয়েক মাস ধরে আলোচনা চালিয়ে নিতে পারে।   ‘ফার্মগেট কেলেঙ্কারি’ ঘটে ২০২০ সালে। প্রেসিডেন্ট রামাফোসার মালিকানাধীন ‘ফালা ফালা’ বাগানবাড়ি থেকে ৪০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হয়। জানা যায়, সেখানে সোফার ভেতর বিপুল পরিমাণের এই অর্থ লুকানো ছিল। ২০২২ সাল নাগাদ বিষয়টি নিয়ে তুমুল শোরগোল ওঠে। দেশটিতে প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিতর্ক দেখা দেয়।   দেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবেন—এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন প্রেসিডেন্ট রামাফোসা। কিন্তু তিনি নিজে এত বৈদেশিক মুদ্রা কোথায় পেলেন, এ কথা আগে জানিয়েছিলেন নাকি গোপন রেখেছিলেন, কেন বিপুল এই অর্থ ব্যাংকে না রেখে আসবাবে লুকিয়ে রেখেছিলেন; নানা প্রশ্ন ওঠে।   বিরোধীদের দাবি, ওই অর্থের উৎস পরিষ্কার নয়। কেলেঙ্কারি ধামাচাপা দিতে প্রেসিডেন্ট রামাফোসা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ব্যবহার করেছেন।   তুমুল আলোচনা–সমালোচনার মুখে প্রেসিডেন্ট রামাফোসা ‘কোনো অন্যায়ে জড়িত থাকার কথা’ অস্বীকার করেন। কিন্তু এরপরও বিপদ পিছু ছাড়ছে না। এত বছর পর এসে সেই কেলেঙ্কারির তদন্ত শুরু হচ্ছে, যা প্রেসিডেন্টের সামনে অভিশংসনের ঝুঁকি তৈরি করছে।   প্রেসিডেন্ট রামাফোসা গত সপ্তাহে বলেন, অভিশংসন কার্যক্রম চালু করার আদালতের রায়কে তিনি সম্মান করেন।   সংকটময় এ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গতকাল সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রেসিডেন্ট রামাফোসা। সরাসরি জানিয়ে দেন, পদত্যাগ করছেন না তিনি। বরং স্বাধীন প্যানেলের সেই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। প্রতিবেদনে রামাফোসার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার’ কথা জানানো হয়েছিল।   রাজনৈতিক দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের (এএনসি) নেতা সিরিল রামাফোসা। ২০১৮ সাল থেকে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন। এএনসির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, কেলেঙ্কারির বিষয়টি নতুন করে সামনে আসার পর করণীয় নিয়ে নির্বাহী কমিটির সভা ডেকেছে এএনসি। মঙ্গলবার (আজ) এ সভা হওয়ার কথা।   এখন তদন্ত কমিটি যদি রামাফোসার বিরুদ্ধে নেতিবাচক কিছু খুঁজেও পায়, তারপরও পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ভোটে প্রেসিডেন্টকে অভিশংসন করা কঠিন হতে পারে। কেননা প্রেসিডেন্টকে তাঁর পদ থেকে সরাতে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে দুই–তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন দরকার হবে।   ২০২৪ সালে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পরও এএনসি পার্লামেন্টে এক-তৃতীয়াংশের বেশি আসন ধরে রেখেছে।

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের ‘হিন্দুদের অবস্থা’ দেখিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রচারণা চালাচ্ছে আরএসএস
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১২, ২০২৬ 0

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ সবসময়ই উঠে আসে। তবে এবারের ভোটের অনেক আগে থেকেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস বাংলাদেশের ‘হিন্দুদের অবস্থা’ দেখিয়ে প্রচার চালিয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরাও ‘অস্তিত্বের সংকটে’ পড়তে পারেন।   পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির বিরাট সাফল্যের পিছনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএসের অবদান নিয়ে আলোচনা চলছে।   সংঘ দীর্ঘদিন ধরে বলে থাকে যে, তারা নির্বাচনী রাজনীতি থেকে দূরে থাকে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ফলাফলের পরে, আরএসএস পর্দার আড়ালে থেকেও কোনো নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।   বিজেপির মতাদর্শগত ভিত্তি হিসাবে পরিচিত আরএসএস এই নির্বাচনে আগের থেকেও বেশি সক্রিয়তা দেখিয়েছে বলে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রকাশ্যে মাঠে নামা থেকে বিরত থেকেছিল সংঘ। তবে এবারের নির্বাচনে আরএসএস ও তার সহযোগী সংগঠনগুলো তৃণমূল স্তরে সমস্ত শক্তি নিয়েই নেমেছিল।   আরএসএসের এক প্রচারক জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে শত শত স্বয়ংসেবক ও কর্মী একটাই বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন যে, এই নির্বাচনের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু সমাজের ‘অস্তিত্বের’ প্রশ্ন রয়েছে।   সমালোচকরা মনে করেন যে, নির্বাচনের সঙ্গে ‘অস্তিত্বের’ লড়াইয়ের কথা বলে ধর্মীয় মেরূকরণকে তীব্রতর করা হয়েছে।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) হিমন্ত বিশ্বশর্মা। ছবি: সংগৃহীত
দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১২, ২০২৬ 0

টানা দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) হিমন্ত বিশ্বশর্মা।  মঙ্গলবার (১২ মে) স্থানীয় সময় সাড়ে ১১টার পর খানাপাড়া এলাকার ভেটেরিনারি মাঠে এ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।     এ নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো বিজেপি আসামে সরকার গঠন করল।   হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে শপথ পাঠ করান গভর্নর লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য।  একইসঙ্গে তিনি আরও চারজন বিধায়ককে দায়িত্ব ও গোপনীয়তার শপথ পাঠ করান।   এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপির জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীন।  এছাড়াও এনডিএ জোটের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।    অনুষ্ঠানকে ঘিরে খানাপাড়া এলাকাজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সেখানে ব্যারিকেড স্থাপন, যান চলাচলে পরিবর্তন এবং বহুস্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়।   শপথ গ্রহণের পরপরই নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান, বিজেপির নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং উন্নয়নমূলক কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়াই নতুন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হবে।   প্রসঙ্গত, বিজেপি, এজিপি ও বিপিএফ নিয়ে গঠিত এনডিএ জোট আসামের বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধরনের জয় পেয়েছে। ১২৬ সদস্যের বিধানসভায় তারা রেকর্ড ১০২টি আসনে বিজয়ী হয়েছে। এর মধ্যে শুধু বিজেপিই পেয়েছে ৮২টি আসন, যা রাজ্যে দলটির প্রথম একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা। অন্যদিকে এজিপি ও বিপিএফ উভয়েই ১০টি করে আসন জিতেছে।   তথ্যসূত্র:  এনডিটিভি

ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের সম্ভাব্য চীন সফরে মাস্ক-কুকসহ যেসব সিইও থাকতে পারেন
মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১২, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহে তার চীন সফরে শীর্ষ মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।   বিবিসি লিখেছে, বেইজিংয়ে ট্রাম্পের এ সরকারি সফরে যারা যোগ দিতে যাচ্ছেন, তাদের মধ্যে অ্যাপলের টিম কুক, টেসলা ও স্পেসএক্সের ইলন মাস্ক, ব্ল্যাকরক-এর ল্যারি ফিঙ্ক এবং মেটা, ভিসা, জেপি মরগান, বোয়িং, কার্গিলসহ আরও বেশ কিছু কোম্পানি শীর্ষ কর্মকর্তারা রয়েছেন।   সফর পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেছেন, ট্রাম্পের এই সফরে মোট ১৭ জন মার্কিন নির্বাহী যোগ দেবেন।   দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত বৈরিতার মধ্যে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের এ সফরকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।   মাস্ক, কুক, ফিঙ্ক ছাড়াও আরও যেসব নির্বাহী মার্কিন প্রতিনিধি দলে থাকতে পারেন, তারা হলেন-   • ডিনা পাওয়েল ম্যাককর্মিক: প্রেসিডেন্ট ও ভাইস চেয়ারম্যান, মেটা • কেলি ওর্টবার্গ: প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী, বোয়িং • রায়ান ম্যাকলনার্নি: প্রধান নির্বাহী, ভিসা • স্টিফেন শোয়ার্জম্যান: প্রধান নির্বাহী, ব্ল্যাকস্টোন • ব্রায়ান সাইকস: প্রধান নির্বাহী ও চেয়ারম্যান, কার্গিল • জেন ফ্রেজার: প্রধান নির্বাহী, সিটি • জিম অ্যান্ডারসন: প্রধান নির্বাহী, কোহারেন্ট • হেনরি লরেন্স কাল্প: প্রধান নির্বাহী, জিই অ্যারোস্পেস • ডেভিড সলোমন: প্রধান নির্বাহী, গোল্ডম্যান স্যাকস • জ্যাকব থায়সেন: প্রধান নির্বাহী, ইলুমিনা • মাইকেল মাইব্যাখ: প্রেসিডেন্ট, মাস্টারকার্ড   বিবিসি লিখেছে, এই তালিকায় এনভিডিয়া প্রধান জেনসেন হুয়াংয়ের অনুপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। তার কোম্পানি কম্পিউটার চিপ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে মার্কিন-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতার কেন্দ্রে রয়েছে।   এ বিষয়ে এনভিডিয়ার বক্তব্য জানার চেষ্টা করছে বিবিসি।   গত সপ্তাহে হুয়াং সিএনবিসিকে বলেছিলেন, যদি তাকে এই সফরে আমন্ত্রণ জানানো হতো, তবে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে চীনে যাওয়াটা তার জন্য একটা ‘সম্মানের বিষয়’ হতো।   সিসকো’র প্রধান নির্বাহী ও চেয়ারম্যান চাক রবিন্সকে এই সফরে যেতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে আয় সংক্রান্ত হিসাব-নিকাশের কারণে তিনি যেতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন কোম্পানির মুখপাত্র।   বিবিসি লিখেছে, প্রতিনিধি দলের এ নির্বাহীরা সোশাল মিডিয়া, কনজিউমার হার্ডওয়্যার থেকে শুরু করে কম্পিউটার চিপ এবং ফিনটেকের মত মার্কিন ব্যবসায়িক স্বার্থের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্ব করছেন।   ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক বায়োটেকনোলজি কোম্পানি ইলুমিনার একজন মুখপাত্র বলেন, প্রধান নির্বাহী জ্যাকব থায়সেন “প্রতিনিধি দলের অংশ হতে পেরে সম্মানিতবোধ করছেন। কোম্পানি আশা করে, এই সফর “সম্পর্ক জোরদার করার এবং প্রিসিশন মেডিসিনের ভবিষ্যৎ গঠনের একটি সুযোগ হবে।   অন্যান্য কোম্পানির প্রতিনিধিরা মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেননি।   বিবিসি লিখেছে, ট্রাম্পের চীন সফরকে দুই দেশের মধ্যকার ভঙ্গুর বাণিজ্য চুক্তির একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে দুই দেশ পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপ করেছিল, যা কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ ছাড়িয়েছিল।   ২০২৫ সালের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের শেষ বৈঠকের পর ওই শুল্ক স্থগিত করা হয়েছিল।   এবারের বৈঠকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বড় প্রভাব ফেলছে, যে কারণে ইতোমধ্যে ট্রাম্প ও শির বৈঠক বিলম্বিত হয়েছে।   বিবিসি লিখেছে, ট্রাম্প চীনের ওপর চাপ সৃষ্টি করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতায় বেইজিং সহায়তা করে।   ইরান থেকে সস্তা দরে তেল কেনা চীনও সংঘাতের অবসান চায়। তেলের সরবরাহ সীমিত হয়ে যাওয়ায় চীনা পণ্য কিনে থাকে এমন বহু দেশের ক্রয়ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।   তবে তেলের বিশাল মজুদ এবং বহুমুখী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা থাকার কারণে চীন প্রতিবেশী অনেক দেশের তুলনায় এই যুদ্ধের প্রভাব এখন পর্যন্ত ভালোভাবে সামলে নিতে পেরেছে।

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

বিশ্ব
অর্থনীতি
সারাদেশ
টেলিকম ও প্রযুক্তি