সর্বশেষ

সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রধানের পদত্যাগ

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বোর্জ ব্রেন্দে পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি এই ঘোষণা দেন। এক বিবৃতিতে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, গভীরভাবে বিবেচনা করে আমি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখানে কাটানো সাড়ে আট বছর আমার জন্য খুব ফলপ্রসূ ছিল। আমি আমার সহকর্মী ও অংশীদারদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ। আমার মনে হয়, কোনো বিচ্যুতি ছাড়া ফোরামের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো চালিয়ে নেওয়ার জন্য এখনই সরে দাঁড়ানোর সঠিক সময়। ধারণা করা হচ্ছে, দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়ে স্বতন্ত্র তদন্ত শুরুর জেরে তিনি পদত্যাগ করেছেন। তবে তার বিবৃতিতে এপস্টিনের কোনো প্রসঙ্গ উল্লেখ নেই। ২০১৭ সালে ডব্লিউইএফের প্রেসিডেন্ট হন নরওয়ের এই রাজনীতিক। নরওয়ের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন তিনি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত নথিতে দেখা গেছে, এপস্টিনের সঙ্গে ব্রেন্দের তিনটি ব্যবসায়িক নৈশভোজ হয়েছিল। এ ছাড়া তিনি এই অর্থ বিনিয়োগকারীর সঙ্গে ইমেইল ও খুদে বার্তায় নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। এ নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি।

১৭ মিনিট আগে
যশোরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৯

যশোরে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জেলার অভয়নগর উপজেলাধীন বাঘুটিয়া ইউনিয়নের ভাটপাড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।   পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার পারিবারিক কবরস্থান নিয়ে বিএনপির সমর্থক আশিক ও জামায়াত সমর্থক সাত্তারের মধ্যে মারামারি হয়। এতে জামায়াত সমর্থক সাত্তার আহত হন। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি শের আলীর নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়। আসরের নামাজের পর দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় জামায়াতের মাসুদ কামাল, বুখারী, জাহাঙ্গীর হোসেন ও আহাদ মোল্লাসহ চারজন এবং বিএনপির ইকবাল, খালিদ শেখ, ইউসুফ হোসেন, ফোরকানসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

২১ মিনিট আগে
কুষ্টিয়ায় এখন আমিই ওপরওয়ালা : আমির হামজা

চিকিৎসাসেবায় জড়িত দুর্নীতিবাজদের হুঁশিয়ারি দিয়ে মুফতি আমির হামজা বলেছেন, ‘সবাই ওপরের জনকে দোষ দেয়। ওপরওয়ালা কুষ্টিয়ায় কেউ নেই, ওপরওয়ালা এখন আমি। কেউ যদি দুই নম্বর কিছু করতে চায়, তাহলে আমার কথা বলবেন। এত ক্ষমতা নিয়ে কে চলে কুষ্টিয়ায়, আমি তা দেখব।’   বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। আমির হামজা বলেন, ‘আমাদের আবেগের জায়গা কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালটি চালু করতে চাই। আগের কয়েকটি বিভাগ চালু আছে; পূর্ণাঙ্গভাবে যেন চালু হয়, সে বিষয়ে মিটিং হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথম ১০০ দিনের কর্মসূচির ভেতরে প্রত্যেকটি সরকারি অফিস আদালতগুলো জনবান্ধব করার চেষ্টা করব। বিশেষ করে মানুষ ডিসি, এসপি, ইউএনও অফিস ও থানায় অনেকই যেতে ভয় পান। সিভিল সার্জন, এলজিইডি এসব জায়গায় মানুষ যেতে চান না। আমরা চাচ্ছি, এ জায়গাগুলোতে যেন মানুষের যাতায়াত সহজ হয়ে যায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘কয়েকটি বিষয় আমি একটু উদ্যোগ নেওয়ার কারণে অনেক সহজ হয়েছে।’

২৫ মিনিট আগে
পাকিস্তানে আফগানিস্তানের হামলা, সীমান্তে ব্যাপক সংঘর্ষ

সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তানের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তান। তালেবান কর্তৃপক্ষ বলছে, গত সপ্তাহে পাকিস্তানের বিমান হামলার জবাব হিসেবেই এ অভিযান চালানো হয়েছে। তবে পাকিস্তান দাবি করেছে, তাদের বাহিনীও তাৎক্ষণিক ও কার্যকর প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।   বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কোরের মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানায়, নানগারহার ও পাকতিয়া প্রদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ‘তীব্র সংঘর্ষ’ শুরু হয়। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, পাকিস্তানের সামরিক মহলের ‘পুনঃপুন উসকানি ও সীমান্ত লঙ্ঘনের’ জবাবে ডুরান্ড লাইনের বিভিন্ন পাকিস্তানি সামরিক অবস্থান ও স্থাপনায় ব্যাপক আক্রমণাত্মক অভিযান শুরু করা হয়েছে। ২ হাজার ৬১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সীমান্ত ‘ডুরান্ড লাইন’ নামে পরিচিত, যা আফগানিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি। আফগান সামরিক একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে, সংঘর্ষে ১০ পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে এবং ১৩টি চৌকি দখল করা হয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক্সে জানায়, খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বিভিন্ন সেক্টরে তালেবান বাহিনীর গুলির জবাবে পাকিস্তানি সেনারা ‘তাৎক্ষণিক ও কার্যকর প্রতিক্রিয়া’ দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের দাবি, চিত্রাল, খাইবার, মোহমান্দ, কুররাম ও বাজাউর সেক্টরে তালেবান বাহিনীকে ‘শাস্তি’ দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক প্রতিবেদনে আফগান পক্ষের ব্যাপক হতাহতের তথ্য পাওয়া গেছে এবং একাধিক চৌকি ও সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। তবে ১০ সেনা নিহত হওয়ার আফগান দাবির বিষয়ে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। পাকিস্তান সরকারের এক মুখপাত্র এক্সে লিখেছেন, কোনো পোস্ট দখল বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। পাকিস্তানি নিরাপত্তা সূত্রও আল জাজিরাকে জানিয়েছে, ‘উসকানিবিহীন তালেবান আগ্রাসনের’ জবাবে পাকিস্তান-আফগান সীমান্তজুড়ে আফগান বাহিনীর ওপর ‘তীব্র আক্রমণ’শুরু করা হয়েছে। পৃথক এক সূত্র জানায়, পাকিস্তানের পাল্টা গোলাবর্ষণে লক্ষ্যবস্তু তিনটি স্থান থেকে কয়েকজন আফগান সেনা পালিয়ে যায়। এর আগে রোববার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী আফগান সীমান্তবর্তী এলাকায় হামলা চালিয়ে অন্তত ৭০ যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করে। তবে আফগানিস্তান এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানায়, ওই হামলায় নারী ও শিশুসহ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন বেড়েছে। গত অক্টোবরে সীমান্তে প্রাণঘাতী সংঘর্ষে উভয়পক্ষে ৭০ জনের বেশি নিহত হওয়ার পর থেকে স্থলবন্দরগুলো অধিকাংশ সময় বন্ধ রয়েছে। ইসলামাবাদ অভিযোগ করে আসছে, পাকিস্তানে হামলা চালানো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আফগানিস্তান ব্যর্থ হচ্ছে। তবে তালেবান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

৩২ মিনিট আগে
বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : পিআইডি
অন্যান্য
অমর একুশে বইমেলা নিয়ে নতুন প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

অমর একুশে বইমেলাকে আগামীতে আন্তর্জাতিক বইমেলায় আয়োজন করা যায় কি না, তা ভেবে দেখার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাংলা একাডেমিতে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রস্তাব দেন। তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলা একাডেমির সৃজনশীল কার্যক্রমের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ অমর একুশে বইমেলা। তবে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী বছরগুলোতে অমর একুশে বইমেলা, অমর এক আন্তর্জাতিক বইমেলা হিসেবে আয়োজন করার সুযোগ রয়েছে কি না সেটি আমি আপনাদের সবাইকে ভেবে দেখার অনুরোধ জানাব। অমর একুশে আন্তর্জাতিক বইমেলা অনুষ্ঠিত হলে বিশ্ব সাহিত্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি বহু ভাষা এবং সংস্কৃতি শেখা-জানা এবং বোঝার দিকে আমাদের নাগরিকদের আগ্রহী করে তুলতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করি বা মনে করি।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমান গ্লোবাল ভিলেজে এই সময় মাতৃভাষা ছাড়াও আরও একাধিক ভাষার সঙ্গে পরিচিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সমৃদ্ধি এবং সম্মানের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে জ্ঞান এবং মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার মনে হয় বিকল্প নেই আমাদের সামনে। এজন্য আমাদের জ্ঞানে বিজ্ঞানে প্রযুক্তিতে মেধায় নিজেদের সমৃদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের অফিশিয়াল ভাষা হিসেবে স্বীকৃত আদায়ের জন্য আমাদের মনে হয় কাজ শুরু করা প্রয়োজন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় ৫২-এর ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে আমরা স্বগৌরবে প্রতি বছর একুশ পালন করে থাকি। দিবসটি এখন শুধু আর বাংলাদেশের নয়, অমর একুশে এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে সারা বিশ্বেই পালিত হচ্ছে। ভাষা আন্দোলনের শহীদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে আজকের এই স্থানটি অর্থাৎ এই বাংলা একাডেমি।’ ‘বইমেলা হয়ে উঠুক প্রাণের মিলন মেলা’ তারেক রহমান বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার তার যাত্রা শুরু করেছে। জনগণের প্রতি জবাবদিহিমূলক সরকার দেশটাকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে চায়। অমর ২১ বইমেলা কেবল বই বেচাকেনার মেলা নয়, বরং এই মেলা হয়ে উঠুক। শিক্ষা এবং সংস্কৃতি বিকাশের সূতিকাগার।’ তিনি বলেন, ‘অমর একুশে বইমেলাকে কেন্দ্র করে বাংলা একাডেমি মাসব্যাপী আলোচনা অনুষ্ঠান সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন, সঙ্গীত-আবৃত্তি প্রতিযোগিতা যে আয়োজন করে এসব উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের সামনে তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করে দেয়। এভাবেই বইমেলা হয়ে উঠুক আমাদের সবার মিলনমেলা প্রাণের মেলা।’ ‘বইমেলা সারাদেশে করতে হবে’ প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘অমর একুশে বইমেলা শুধু একটি নির্দিষ্ট মাসে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে সীমাবদ্ধ না রেখে, সারা বছর দেশের সব বিভাগ জেলা ও উপজেলায় আয়োজিত করা যেতে পারে। এ ব্যাপারে বই প্রকাশকরা উদ্যোগী হয়ে ভূমিকা রাখতে পারেন বলে আমি মনে করি। সরকারের পক্ষ থেকে যদি সহযোগিতার কোনো অবকাশ থাকে, অবশ্যই বর্তমান সরকার সেখানে এগিয়ে আসবে। এ ব্যাপারে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় আপনাদের নিশ্চয়ই প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছেন।’ ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ সরকারপ্রধান বলেন, ‘জাতির মননের প্রতীক বাংলা একাডেমি আমাদের তরুণ-তরুণীদের মেধা ও মনন বিকাশের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন মেয়াদি গবেষণাবৃত্তি, তরুণ লেখক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজন…। এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে বাংলা ভাষা ও দেশজ সংস্কৃতির মূল ধারার সঙ্গে যুক্ত করা চেষ্টা ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাহিত্য, ইংরেজিসহ নানা বিদেশি ভাষায় অনুবাদের কার্যক্রম বাংলা একাডেমি পরিচালনা করছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে আশা করি, এ কার্যক্রম আরও বেগবান হবে ইনশাআল্লাহ এবং আমাদের সমৃদ্ধ সাহিত্যের সঙ্গে বিশ্ব সাহিত্যের পরিচয় আরও দৃঢ় হবে ইনশাআল্লাহ। এজন্যই আমরা বলি সবার আগে বাংলাদেশ। এই দেশকে সব প্রকার অন্ধকার ও পশ্চাৎ পদত থেকে মুক্ত করে দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য একটি নিরাপদ মানবিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমি আপনাদের সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।’ গবেষণাধর্মী বই প্রকাশ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশেই বইমেলার হয়। তবে, আমাদের বইমেলা অন্য দেশের বইমেলার মতন নয়। আমাদের বইমেলা আমাদের মাতৃভাষার ভাষার অধিকার আদায় এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার স্মারক হিসেবে চিহ্নিত।’ তিনি বলেন, ‘প্রতি বছর মেলার আকার আয়তন বাড়লেও সেই হারে মনে হয় গবেষণাধর্মী বই প্রকাশিত হচ্ছে কি না, কিংবা মানুষের বই পড়ার অভ্যাস বাড়ছে কি না। এই বিষয়গুলো নিয়ে বর্তমানে মনে হয় চিন্তাভাবনা করার অবকাশ আছে।’ জার্মান এক দার্শনিকের উক্তি উদ্ধৃতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘তিনি বলেছিলেন বই ছাড়া ঘর, আত্মা ছাড়া দেহের মতন। বিজ্ঞানী এবং গবেষকরা বলছেন, বই শুধুমাত্র বিদ্যা শিক্ষা কিংবা অবসরের সঙ্গী নয়, বরং বই পড়া মস্তিষ্কের জন্য এক ধরনের ব্যায়াম। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মস্তিষ্কের কোষগুলোর মধ্যে নতুন সংযোগ তৈরি করে। যেটি মানুষের স্মৃতিশক্তি এবং জাজমেন্ট ক্ষমতা বা বিশ্লেষণী ক্ষমতা বাড়ায়। এমনকি আলজাইমার বা ডিভেনশিয়ার মতন রোগের ঝুঁকিও ক্ষেত্র বিশেষে কমিয়ে নিয়ে আসে।’

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে গোলাগুলির ঘটনার পর কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোলদাক এলাকায় আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তের কাছে টহল দিচ্ছে তালেবান যোদ্ধারা | ছবি : রয়টার্স
পাকিস্তানে আফগানিস্তানের হামলা, সীমান্তে ব্যাপক সংঘর্ষ

সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তানের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তান। তালেবান কর্তৃপক্ষ বলছে, গত সপ্তাহে পাকিস্তানের বিমান হামলার জবাব হিসেবেই এ অভিযান চালানো হয়েছে। তবে পাকিস্তান দাবি করেছে, তাদের বাহিনীও তাৎক্ষণিক ও কার্যকর প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।   বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কোরের মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানায়, নানগারহার ও পাকতিয়া প্রদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ‘তীব্র সংঘর্ষ’ শুরু হয়। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, পাকিস্তানের সামরিক মহলের ‘পুনঃপুন উসকানি ও সীমান্ত লঙ্ঘনের’ জবাবে ডুরান্ড লাইনের বিভিন্ন পাকিস্তানি সামরিক অবস্থান ও স্থাপনায় ব্যাপক আক্রমণাত্মক অভিযান শুরু করা হয়েছে। ২ হাজার ৬১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সীমান্ত ‘ডুরান্ড লাইন’ নামে পরিচিত, যা আফগানিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি। আফগান সামরিক একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে, সংঘর্ষে ১০ পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে এবং ১৩টি চৌকি দখল করা হয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক্সে জানায়, খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বিভিন্ন সেক্টরে তালেবান বাহিনীর গুলির জবাবে পাকিস্তানি সেনারা ‘তাৎক্ষণিক ও কার্যকর প্রতিক্রিয়া’ দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের দাবি, চিত্রাল, খাইবার, মোহমান্দ, কুররাম ও বাজাউর সেক্টরে তালেবান বাহিনীকে ‘শাস্তি’ দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক প্রতিবেদনে আফগান পক্ষের ব্যাপক হতাহতের তথ্য পাওয়া গেছে এবং একাধিক চৌকি ও সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। তবে ১০ সেনা নিহত হওয়ার আফগান দাবির বিষয়ে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। পাকিস্তান সরকারের এক মুখপাত্র এক্সে লিখেছেন, কোনো পোস্ট দখল বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। পাকিস্তানি নিরাপত্তা সূত্রও আল জাজিরাকে জানিয়েছে, ‘উসকানিবিহীন তালেবান আগ্রাসনের’ জবাবে পাকিস্তান-আফগান সীমান্তজুড়ে আফগান বাহিনীর ওপর ‘তীব্র আক্রমণ’শুরু করা হয়েছে। পৃথক এক সূত্র জানায়, পাকিস্তানের পাল্টা গোলাবর্ষণে লক্ষ্যবস্তু তিনটি স্থান থেকে কয়েকজন আফগান সেনা পালিয়ে যায়। এর আগে রোববার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী আফগান সীমান্তবর্তী এলাকায় হামলা চালিয়ে অন্তত ৭০ যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করে। তবে আফগানিস্তান এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানায়, ওই হামলায় নারী ও শিশুসহ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন বেড়েছে। গত অক্টোবরে সীমান্তে প্রাণঘাতী সংঘর্ষে উভয়পক্ষে ৭০ জনের বেশি নিহত হওয়ার পর থেকে স্থলবন্দরগুলো অধিকাংশ সময় বন্ধ রয়েছে। ইসলামাবাদ অভিযোগ করে আসছে, পাকিস্তানে হামলা চালানো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আফগানিস্তান ব্যর্থ হচ্ছে। তবে তালেবান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান | ছবি : সংগৃহীত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে নতুন দায়িত্ব দিল সরকার

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে এ পদে নির্বাচনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত করেছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। আগামী ২ জুন জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে এই পদে বাংলাদেশের সঙ্গে ফিলিস্তিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা থাকলেও ফিলিস্তিন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। ফলে এখন বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে সাইপ্রাস। তার আগে, অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে প্রার্থী মনোনীত করল। প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক রোটেশন নীতিমালা অনুযায়ী, এবার সভাপতি নির্বাচিত হবেন এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অব স্টেটস থেকে। আগামী সেপ্টেম্বরে ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের মে মাসে বর্তমান ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি আনালেনা বেয়ারবক প্রার্থীদের সঙ্গে একটি অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভার আয়োজন করবেন। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, বাংলাদেশের জন্য এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত। প্রায় চার দশক পর দেশটি আবারও সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচনের সুযোগ পাচ্ছে। সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে ৪১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। সূত্র আরও জানায়, বাংলাদেশ প্রায় চার বছর আগে থেকেই এ পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করে আসছিল। তবে ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নির্ধারিত এ পদে ফিলিস্তিন শেষ মুহূর্তে প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করলে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে বাংলাদেশ নির্বাচনে থাকছে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে কিছু অস্পষ্টতা দেখা দেয়। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক বাংলাদেশকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখার জন্য বারবার অনুরোধ জানায় বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।


ছবি : সংগৃহীত
ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে মো. সরওয়ার

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে নতুন কেউ যোগদান না করা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত আইজি) মো. সরওয়ার।   বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) অ্যাডিশনাল ডিআইজি (পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১) শামিমা ইয়াছমিন খন্দকার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডিএমপির পুলিশ কমিশনার হিসেবে কোনো কর্মকর্তা যোগ না দেওয়া পর্যন্ত মো. সরওয়ার ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে থাকবেন। এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘ব্যক্তিগত ও পারিবারিক’ কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। যদিও তার চুক্তির মেয়াদ আগামী নভেম্বর পর্যন্ত ছিল। বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১৯৮৪ ব্যাচের কর্মকর্তা শেখ মো. সাজ্জাত আলী বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি থাকা অবস্থায় ২০১৬ সালের নভেম্বরে চাকরিচ্যুত হন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ভূতাপেক্ষভাবে তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করে। ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর ডিএমপির ৩৮তম পুলিশ কমিশনার পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান সাজ্জাত আলী। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, যোগদানের তারিখ থেকে দুই বছর মেয়াদে তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হল।   প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ জানুয়ারি এসবি থেকে সরওয়ারকে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়। এরপর তাকে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের প্রধান করা হয়। এরপর ১১ আগস্ট অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পদোন্নতি পান তিনি। রাজধানীতে যানজট নিরসনে সরওয়ার আলমের অবদান অনেক।

মহড়ার সংবাদে ছবিটি ব্যবহার করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি
বঙ্গোপসাগরে ৪২ যুদ্ধজাহাজ নিয়ে ভারতীয় নৌবাহিনীর মহড়া

ভারতীয় নৌবাহিনীর বহুজাতিক সামুদ্রিক মহড়া ‘মিলান ২০২৬’ বুধবার শেষ হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সপ্তাহব্যাপী এ মহড়ায় ৪২টি যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন এবং ২৯টি সামরিক উড়োজাহাজ অংশ নেয়। বন্ধুত্বপূর্ণ ১৮টি দেশের নৌজাহাজও এতে অংশগ্রহণ করে। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।   ‘ক্যামারাডারি, কো-অপারেশন, কোলাবোরেশন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত-এর ডেকে। এটি অনুষ্ঠিত হয় বিশাখাপত্তনম উপকূলের কাছে। ভারতীয় নৌবাহিনী জানায়, এবারের মিলান মহড়া অভূতপূর্ব পরিসরে আয়োজন করা হয়েছে, যার লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করা। মহড়ায় ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক নজরদারি উড়োজাহাজও অংশ নেয়। প্রথমে ‘হারবার ফেজ’-এ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সেমিনার ও বিশেষজ্ঞদের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী ‘সি ফেজ’-এ উচ্চমাত্রার সামরিক অনুশীলন পরিচালিত হয়। এতে সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা, সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধকৌশল, সামুদ্রিক বাধা অভিযান, যোগাযোগ মহড়া এবং ক্রস-ডেক ফ্লাইং অপারেশন অন্তর্ভুক্ত ছিল। লাইভ ফায়ারিং অনুশীলনে কামান ও অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট অস্ত্রের ব্যবহার করা হয়। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর নৌবাহিনী যৌথভাবে পরিকল্পনা করে বিভিন্ন মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করে। ভারতের পক্ষ থেকে আইএনএস বিক্রান্ত ছাড়াও বিশাখাপত্তনম-শ্রেণির ডেস্ট্রয়ার, নীলগিরি-শ্রেণির প্রজেক্ট ফ্রিগেট এবং ডাইভিং সাপোর্ট ভেসেল আইএনএস নিস্তারসহ বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ মহড়ায় অংশ নেয়।

রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমরা ‘বিসমিল্লাহি ওয়া বারাকাতিল্লাহ’ বলে খাবার গ্রহণ করো | ছবি : সংগৃহীত
কখন সেহরি খাওয়া ভালো? যা বলা হয়েছে হাদিসে

সেহরি খাওয়া সুন্নত। পেট ভরে খাওয়া জরুরি নয়, এক ঢোক পানি পান করলেও সেহরির সুন্নত আদায় হয়ে যাবে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও। কেননা, সেহরিতে বরকত রয়েছে।’ (মুসলিম : ১০৯৫)   অন্য হাসিছে এসেছে, ‘তোমরা সেহরি পরিত্যাগ করো না। এক ঢোক পানি দিয়ে হলেও সেহরি করো। কারণ যারা সেহরি খায় আল্লাহ তায়ালা তাদের ওপর রহমত বর্ষণ করেন এবং ফিরিশতারা তাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন।’ (মুসনাদে আহমাদ : ৩/১২, মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ৯০১০, সহিহ ইবনে হিব্বান : ৩৪৭৬) কোন সময়ে সেহরি খাওয়া ভালো? হাদিসে বলা হয়েছে, সুবহে সাদিকের কাছাকাছি সময় সেহরি খাওয়া মুস্তাহাব। তবে এত দেরি করা মাকরুহ যে, সুবহে সাদিক হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয়। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘সকল নবীকে সময় হওয়ার পরপরই ইফতার তাড়াতাড়ি করতে এবং সেহরি শেষ সময়ে খেতে আদেশ করা হয়েছে।’ (আলমুজামুল আওসাত-তবারানী : ১৮৮৪, মাজমাউয যাওয়ায়েদ : ৩/৩৬৮) আমর ইবনে মায়মুন আলআওদি (রাহ.) বলেন, সাহাবায়ে কেরাম দ্রুত ইফতার করতেন আর শেষ সময়ে সেহরি খেতেন। (মুসান্নাফে আবদুর রাজযাক : ৭৫৯১, মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা : ৯০২৫) সেহরি খাওয়ার দোয়া সেহরির শুরুতে পড়ার মতো কোনো দোয়া কোরআন-হাদিসে বর্ণিত হয়নি। সেজন্য সেহরি খেতে নির্দিষ্ট কোনো দোয়া পড়ার দরকার নেই। অবশ্য যেকোনো খাবারের শুরুতে পড়ার জন্য রাসুল (সা.) থেকে বর্ণিত একটি দোয়া রয়েছে, সেহরির শুরুতে তা পাঠ করা যেতে পারে। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা ‘বিসমিল্লাহি ওয়া বারাকাতিল্লাহ’ বলে খাবার গ্রহণ করো।’ {মুসতাদরাকে হাকেম : ৫/১৪৬, হাকেম ও হাফেজ জাহাবি (রাহ.) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন।} অবশ্য ‘আলা’ শব্দ যুক্ত করে ‘বিসমিল্লাহি ওয়া আলা বারাকাতিল্লাহ’ এভাবেও পড়া যায়। দোয়াটি ইবনুল জাযারি (রাহ.) তার আলহিসনুল হাসিন গ্রন্থে (পৃ. ২৫৫) উল্লেখ করেছেন। তিনি আলমুসতাদরাক-এর উদ্ধৃতি দিয়েছেন।  

ছবি : সংগৃহীত
বাঁচা-মরার ম্যাচে শিশির আটকাতে ভারতের ‘আমেরিকান’ কৌশল

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সন্ধ্যার ম্যাচগুলোতে শিশির তেমন কোন প্রভাব ফেলেনি। তবে এ সপ্তাহে চেন্নাইয়ে তাপমাত্রা বাড়ায় বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সুপার-আটের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চেন্নাইয়ে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত। সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে হারায় এটি টিম ইন্ডিয়ার জন্য ‘মাস্ট-উইন’।   ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন আগে থেকেই শিশিরের জন্য ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছে। টুর্নামেন্টের আগে চিপকের আউটফিল্ড নতুন করে বসানোর সময় তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘ডিউ কিউর’ নামে একটি বিশেষ রাসায়নিক আমদানি করে। মেজর লিগ বেসবলের মাঠেও এটি ব্যবহার করা হয়। আন্তর্জাতিক মানের এই কেমিক্যাল মূলত ঘাসের উপর আর্দ্রতা জমতে দেয় না এবং মাঠকে দ্রুত শুকনো রাখতে সাহায্য করে। ফলে সন্ধ্যার ম্যাচে বল ভেজার সমস্যা অনেকটাই কমে যায়।   গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে গ্রাউন্ডস্টাফ দু’দিন ধরে রাসায়নিকটি জলের সঙ্গে মিশিয়ে আউটফিল্ডে স্প্রে করেছে। স্প্রে করার কাজটি নির্দিষ্ট মাপ ও অনুপাতে করা হয়েছে, যাতে ঘাসের কোনও ক্ষতি না হয় কিন্তু কার্যকারিতা বজায় থাকে। বৃহস্পতিবার বিকেলেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, যাতে ম্যাচে শিশির প্রভাব না ফেলে। সূত্রের দাবি, একবার ‘ডিউ কিউর’ স্প্রে করলে ঘাসের পাতায় আর্দ্রতা জমতে পারে না। ভিজলেই তা শুষে নেয় এবং দ্রুত শুকিয়ে যায়।   মাঠকর্মীদের মতে, এই পদ্ধতি কার্যকর হলে ফিল্ডিং করার সময় বল হাত থেকে পিছলে যাওয়ার সম্ভাবনা কমবে, বোলাররাও গ্রিপ নিয়ে সমস্যায় পড়বেন না। বিশেষ করে রান তাড়া করার সময়ে শিশির বড় ফ্যাক্টর হয়ে ওঠে— সেই আশঙ্কা কমাতেই এই বাড়তি উদ্যোগ। সব মিলিয়ে, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে চিপকের আউটফিল্ডকে আদর্শ অবস্থায় রাখতে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না আয়োজক সংস্থা।   ভারতীয় দল মঙ্গলবার ও বুধবার চিপকে অনুশীলন করেছে। টানা দুই দিনের অনুশীলন সেশনে শুধু ব্যাটিং বা বোলিং নয়, মাঠের পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। রিপোর্ট অনুযায়ী, শিশিরমুক্ত পরিবেশে তারা সন্তুষ্ট। সন্ধ্যার দিকে বল ভেজার সমস্যা না থাকায় বোলাররা পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করতে পেরেছেন, আর ব্যাটাররাও শট খেলতে কোনও অস্বস্তিতে পড়েননি। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এমন পরিস্থিতি স্বস্তি দিচ্ছে দলকে।   বোর্ড ভবিষ্যতে সেমিফাইনাল ও ফাইনালেও এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে বলে জানা গেছে, যদিও আনুষ্ঠানিক কোন ঘোষণা করা হয়নি। বড় ম্যাচে শিশিরের প্রভাব যাতে ফলাফলে প্রভাব না ফেলে, তা নিশ্চিত করতেই এমন ভাবনা। এমন কী ২০২৬ সালের আইপিএলেও এটি প্রয়োগ করা হতে পারে, কারণ সাম্প্রতিক বছরে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শিশির বড় প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে রান তাড়া করার সময় শিশিরের কারণে বোলারদের সমস্যায় পড়তে হয়েছে বারবার। তাই এই পদ্ধতি কার্যকর প্রমাণিত হলে ভবিষ্যতে একাধিক ভেন্যুতেই তা দেখা যেতে পারে।   চিপক সাধারণত স্পিনারদের সাহায্য করলেও, এবার অবশ্য অন্য ছবি। দীর্ঘদিন ধরে এই মাঠ ধীরগতির উইকেট ও টার্নের জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু চলতি টুর্নামেন্টে এখানকার পিচ এবার ব্যাটিং স্বর্গে পরিণত হয়েছে। বল ব্যাটে ভালো ভাবে আসছে, বাউন্সও তুলনামূলক ভাবে সমান। পেসাররা তেমন সুবিধা পাচ্ছেন না, উইকেট তুলতে বাড়তি পরিশ্রম করতে হচ্ছে। স্পিনারদের জন্যও আগের মতো অতটা টার্ন মিলছে না।   সেমিফাইনালের টিকিট সামনে রেখে ভারত এখন কোন কম্বিনেশন বেছে নেয়, সেটাই দেখার। অতিরিক্ত পেসার না কি বাড়তি স্পিনার— নাকি ব্যাটিং গভীরতাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্তই হয়তো ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।

নিউজ ক্লিপস

খেলাধুলা

  • অন্যান্য খেলা
  • হকি
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট

জনপ্রিয় সংবাদ

মতামত

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় তৃতীয় দফায় বৈঠকে বসেছেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। প্রতীকী ছবি
সংঘাত এড়ানোর ‘শেষ চেষ্টার’ বৈঠকে বসেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র
মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0

ইরান পরমাণু চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে দেশটিতে হামলার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন হুমকির মধ্যেই তৃতীয় দফায় বৈঠকে বসেছে ওয়াশিংটন ও তেহরান। বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই আলোচনা শুরু হয়েছে।   বৈঠকটি এমন সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে। অন্যদিকে ইরানও অঙ্গীকার করেছে, যেকোনো হামলার জবাবে তারা শক্তি প্রয়োগ করবে। তাই বৃহস্পতিবারের আলোচনাকে সংঘাত এড়ানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা এখনো অস্পষ্ট। যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন তিনি কূটনীতির মাধ্যমে সংকটের সমাধান করতে পছন্দ করেন। তবে তিনি এও জানিয়েছেন, ইরানি নেতাদের চুক্তিতে বাধ্য করতে দেশটিতে একটি সীমিত পরিসরে হামলার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে নতুন করে বসা আলোচনায় ট্রাম্প ঠিক কী দাবি করছেন এবং কেন এখন সামরিক পদক্ষেপের প্রয়োজন হতে পারে, সে সম্পর্কে তিনি খুব বেশি ব্যাখ্যা দেননি।  ইরান তাদের ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি বন্ধ করার ব্যাপারে মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে তারা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে এবারের বৈঠকে কিছুটা ছাড় দিতে প্রস্তুত বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামিয়ে ৩ কোটি মানুষের প্রাণ বাঁচানোর দাবি ট্রাম্পের
আক্তারুজ্জামান ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য একটি পারমাণবিক যুদ্ধে তার ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপের কারণে অন্তত ৩৫ মিলিয়ন বা সাড়ে ৩ কোটি মানুষের প্রাণ রক্ষা পেয়েছে।   বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন কংগ্রেসে প্রদত্ত ‘স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে তিনি এই দাবি করেন। ট্রাম্প আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন যে, দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যকার পারমাণবিক সংঘাত এড়াতে তার প্রশাসন গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের উদ্ধৃতি দিয়ে ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, তার সম্পৃক্ততা না থাকলে এই যুদ্ধে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটত।   ভাষণ চলাকালীন ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন যে, তার প্রশাসনের প্রথম দশ মাসে তিনি অন্তত আটটি যুদ্ধ সমাপ্ত করতে সক্ষম হয়েছেন, যার মধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার পারমাণবিক উত্তেজনা প্রশমন অন্যতম। তিনি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে দাবি করেন যে, তার নেতৃত্বেই বিদেশে অবস্থানরত আমেরিকানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে শান্তি ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।    ট্রাম্পের মতে, পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তার প্রশাসন বাণিজ্য চুক্তি এবং শুল্ক ব্যবস্থা আরোপের মাধ্যমে উভয় পক্ষকে বড় ধরনের সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করেছে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের এই মধ্যস্থতার দাবিকে কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন বা স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।   ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এই সংকটের সূত্রপাত হয়েছিল গত বছরের ২২ এপ্রিল পহেলগাম হামলার মধ্য দিয়ে, যেখানে ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারান। ভারত এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ইসলামাবাদে পাল্টা আক্রমণ চালালে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘাত শুরু হয়।    যদিও পাকিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে ভারতের অভ্যন্তরে পাল্টা হামলা চালায়। কয়েক দিন ধরে চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করে যে, তাদের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিরলস আলোচনার ফলেই একটি কার্যকর যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে।   ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের পর থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়মিতভাবেই নিজেকে এই অঞ্চলের শান্তিরক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করে আসছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, তার কঠোর বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক অবস্থানই দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশকে চূড়ান্ত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে ট্রাম্পের এই দাবি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিলেও তিনি তার ভাষণে মার্কিন কূটনীতির এই সাফল্যকেই বিশ্ববাসীর সামনে বড় করে তুলে ধরেছেন।   সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস এবং এনডিটিভি

ছবি : সংগৃহীত
পাকিস্তানে পৃথক অভিযানে ৩৪ সন্ত্রাসী নিহত : আইএসপিআর
মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) ও বেলুচিস্তান প্রদেশে পৃথক গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযানে মোট ৩৪ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর)। বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। খবর ডনের। বিবৃতিতে বলা হয়, গত কয়েক দিনে নিরাপত্তা বাহিনী ভারত-সমর্থিত প্রক্সি গোষ্ঠী ‘ফিতনা আল খারিজ’ ও ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’-এর বিরুদ্ধে একাধিক গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করে। ‘ফিতনা আল খারিজ’ বলতে নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে বোঝানো হয়েছে। আর ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ বলতে বেলুচিস্তানে সক্রিয় বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনকে নির্দেশ করা হয়েছে। আইএসপিআর জানায়, ২৪ ফেব্রুয়ারি কেপিতে চারটি পৃথক সংঘর্ষে ‘ফিতনা আল খারিজ’-এর ২৬ জন সদস্য নিহত হন। একই সময়ে বেলুচিস্তানের সামবাজা এলাকায় পরিচালিত এক অভিযানে ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’-এর আটজন সদস্য নিহত হন। বিস্তারিত জানিয়ে বলা হয়, নর্থ ওয়াজিরিস্তানে পাকিস্তান-আফগান সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা একদল সন্ত্রাসীর গতিবিধি নিরাপত্তা বাহিনী শনাক্ত করে। পরে সেনারা তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে একজনকে হত্যা করেন। নিহত ওই ‘খারিজি’ একজন আফগান নাগরিক বলে শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া কেপির লাক্কি মারওয়াত জেলায় গোয়েন্দাভিত্তিক পৃথক অভিযানে সন্ত্রাসীদের অবস্থান লক্ষ্য করে তীব্র গোলাগুলির পর আরও তিনজন জঙ্গি নিহত হন বলে জানায় আইএসপিআর। এছাড়া খাইবার পাখতুনখাওয়ার বান্নু জেলার নারমি খেল এলাকায় ১০ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। আর নর্থ ওয়াজিরিস্তানের মির আলিতে অভিযানে আরও ১২ জন সন্ত্রাসী নিহত হন। এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ ও ‘ফিতনা আল খারিজ’-এর বিরুদ্ধে সফল অভিযানের জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের হত্যা এবং বিপুল অস্ত্র উদ্ধার নিরাপত্তা বাহিনীর পেশাদারিত্বের প্রতিফলন। এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীকে অভিনন্দন ও প্রশংসা জানান।

সংগৃহীত ছবি
ট্রাম্পের দাবি বহু যুদ্ধের সমাধান করেছেন—সত্যিই কি তাই?
মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, গত জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি আটটি সংঘাতে হস্তক্ষেপ করেছেন এবং এজন্য তার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত। তবে যেসব ইস্যু থেকে এসব সংঘাতের জন্ম, তার অনেকগুলোই এখনো অমীমাংসিত; এমনকি কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ও কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তসহ কিছু অঞ্চলে আবারও সহিংসতা দেখা দিয়েছে। ট্রাম্প যেসব আন্তর্জাতিক বিরোধে হস্তক্ষেপ করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে, তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো- আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান গত বছরের ৮ আগস্ট ট্রাম্প আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের নেতাদের একত্র করে একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করান, যেখানে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার অঙ্গীকার করা হয়। ১৯৮০–এর দশকের শেষ দিক থেকে দুই দেশ বিরোধে জড়িয়ে আছে। ২০২৩ সালে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও মার্চে খসড়া শান্তিচুক্তির পাঠে একমত হওয়ার পরও সেটি স্বাক্ষরিত হয়নি। হোয়াইট হাউসের মধ্যস্থতায় হওয়া ঘোষণাপত্রটি পূর্ণাঙ্গ, আইনগত বাধ্যবাধকতাসম্পন্ন শান্তিচুক্তি নয়। আর্মেনিয়ার সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজনীয়তাসহ কিছু বিষয় এখনো অমীমাংসিত। দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক চুক্তিও করে, যার মাধ্যমে দক্ষিণ আর্মেনিয়ার একটি কৌশলগত করিডোরে উন্নয়নাধিকার পায় যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, এতে জ্বালানি রপ্তানি বাড়বে। কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড দীর্ঘদিনের উত্তেজনা জুলাই মাসে পাঁচ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতে রূপ নেয়। ট্রাম্প দুদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং সংঘাত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত রাখেন। অক্টোবরে মালয়েশিয়ায় এক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও তা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ভেঙে পড়ে। পরে ২৭ ডিসেম্বর নতুন করে যুদ্ধবিরতি হয়। তবু উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। ইসরাইল, ইরান ও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় সংঘাত থামাতে ও পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ উদ্যোগের প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। অক্টোবরে ইসরাইল ও হামাস একটি ধাপে ধাপে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি বিনিময় চুক্তিতে সম্মত হয়। তবুও উভয় পক্ষ একে অপরকে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে এবং সহিংসতা পুরোপুরি থামেনি। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদের ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ সম্প্রসারণের চেষ্টাও করছেন। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার চেষ্টা চলছিল। ১৩ জুন ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা শুরু করে এবং ২২ জুন ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলায় যোগ দেন। পরে কাতারের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা আবার বেড়েছে। রুয়ান্ডা ও কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র রুয়ান্ডা-সমর্থিত এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠী পূর্ব কঙ্গোতে বড় অংশ দখল করে। ট্রাম্পের চাপে ২৭ জুন রুয়ান্ডা ও কঙ্গো একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। কঙ্গো অভিযোগ করেছে, রুয়ান্ডা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে। জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরাও রুয়ান্ডার বিরুদ্ধে এম২৩-কে সমর্থনের অভিযোগ তুলেছেন, যদিও রুয়ান্ডা তা অস্বীকার করে। সংঘাতের শিকড় ১৯৯৪ সালের রুয়ান্ডা গণহত্যার সঙ্গে সম্পর্কিত। পাকিস্তান ও ভারত মে মাসে ভারত-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে এক হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে ওঠে। চার দিনের সংঘাতের পর ১০ মে যুদ্ধবিরতি হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিয়ে তিনি চুক্তি নিশ্চিত করেছেন, যদিও ভারত এ দাবি অস্বীকার করেছে। মূল সমস্যাগুলো এখনো অমীমাংসিত রয়েছে। মিসর ও ইথিওপিয়া গ্র্যান্ড ইথিওপিয়ান রেনেসাঁ ড্যাম নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। মিসর মনে করে এটি তাদের নীলনদের পানির নিরাপত্তার জন্য হুমকি। ট্রাম্প বলেছেন, তিনি বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছেন, তবে স্পষ্ট অগ্রগতি দেখা যায়নি। সার্বিয়া ও কসোভো ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে দুদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের চুক্তি করান। তিনি দাবি করেছেন, তিনি যুদ্ধ ঠেকিয়েছেন। তবে দুই দেশের মধ্যে এখনো পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি নেই। কসোভোর স্বাধীনতাকে সার্বিয়া স্বীকৃতি দেয়নি। রাশিয়া ও ইউক্রেন নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি এক দিনের মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে পারবেন। তবে প্রায় চার বছর ধরে চলা যুদ্ধে এখনো সমাধান আসেনি। তিনি রাশিয়ার বড় দুটি তেল কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ওপর একটি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার চাপ সৃষ্টি করেন। কিন্তু আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই। দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে আবার বৈঠকের আগ্রহ দেখিয়েছেন। প্রথম মেয়াদে তিনটি শীর্ষ বৈঠক হলেও পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে অগ্রগতি হয়নি। উত্তর কোরিয়া এ সময়ে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি আরও জোরদার করেছে। তাই বলা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন সংঘাতে মধ্যস্থতার চেষ্টা করেছেন এবং কিছু ক্ষেত্রে যুদ্ধবিরতি বা আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্থায়ী ও আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক শান্তিচুক্তি এখনো হয়নি এবং অনেক অঞ্চলে সংঘাতের ঝুঁকি রয়ে গেছে। সূত্র- জিও নিউজ

আমাদের অনুসরণ করুন

ট্রেন্ডিং

হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

অক্টোবর ২২, ২০২৫
বিনোদন
অন্যান্য
সর্বশেষ
জাতীয়

বিশ্ব
অর্থনীতি
সারাদেশ
টেলিকম ও প্রযুক্তি