জাতীয়

মিয়ানমারে পাচারের আগে ৭০০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ আটক ২

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে কার্গো বোটে তোলার সময় ৭০০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ দুইজনকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ সময় সার পরিবহনে ব্যবহৃত তিনটি ট্রাকও জব্দ করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।

 

কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে সীতাকুণ্ড থানার বাঁশবাড়িয়া ঘাটসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড স্টেশন ভাটিয়ারী। এ সময় তিনটি ট্রাক থেকে কার্গো বোটে ইউরিয়া সার স্থানান্তর করা হচ্ছিল।

 

অভিযানকালে মিয়ানমারে অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে সার স্থানান্তরের সময় ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭০০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।

 

জব্দ করা সারের মোট পরিমাণ ৩৫ হাজার কেজি। একই সঙ্গে পাচারের কাজে ব্যবহৃত তিনটি ট্রাকও জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড।

 

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জব্দ করা সার ও ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

রয়টার্স ছবি
টেকসই প্রবৃদ্ধি নেই, বৈদেশিক ঋণের ওপরই ভাসছে পাকিস্তান

পাকিস্তানের বৈদেশিক তারল্য এখন মূলত দুটি ভঙ্গুর অবলম্বনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে—বারবার নেওয়া আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ এবং মিত্র রাষ্ট্রগুলোর আমানত পুনঃতফসিল বা মেয়াদ বাড়ানো। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক—দুই দিক থেকেই এসব ব্যবস্থার বড় মূল্য দিতে হচ্ছে দেশটিকে।       দেশটির রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ এবং গবেষক ড. নিয়াজ মুর্তাজার মতে, পাকিস্তানের শাসকেরা অর্থনৈতিক সক্ষমতার চেয়ে ভূরাজনৈতিক গুরুত্বকে কাজে লাগিয়ে মিত্র রাষ্ট্রগুলোকে প্রায় দেউলিয়া রাষ্ট্রটির অর্থায়নে আগ্রহী করে তুলছেন। কিন্তু এসব সহায়তাকে টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলেও ব্যক্তিগত স্বার্থে তা ব্যবহারে তারা সফল। ফলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি রপ্তানিনির্ভর না হয়ে আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছে। ডলার আয় করার চেয়ে দ্রুত ব্যয় করায় বারবার বৈদেশিক মুদ্রার সংকট তৈরি হচ্ছে।     চলতি শতকে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় সুযোগ নষ্ট করেছিলেন পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান পারভেজ মোশাররফ—এমন দাবি করে মুর্তাজা বলেন, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর তার শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা, ঋণ পুনর্গঠন, বিদেশি বিনিয়োগ ও পোর্টফোলিও বিনিয়োগ মিলিয়ে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রবাহিত হয়েছিল। কিন্তু শক্তিশালী রপ্তানি ভিত্তি তৈরি হয়নি। বরং এসব অর্থ ভোগ, আমদানি ও আবাসন খাতে ব্যয় হয়ে সম্পদের মূল্যবৃদ্ধি ঘটায়। ২০০৮ সালে জিডিপির ৮ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছে যায় চলতি হিসাবে ঘাটতি, যা বড় ধরনের সংকট তৈরি করে।     পরবর্তীতে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (সিপিইসি) জ্বালানি ও সড়ক খাতে ২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থায়ন করে। এতে জ্বালানি সংকট কিছুটা কমলেও টেকসই রপ্তানি ভিত্তি গড়ে ওঠেনি। ২০১৮ সালে আমদানি বৃদ্ধির ফলে চলতি হিসাবের ঘাটতি জিডিপির প্রায় ৬ শতাংশে পৌঁছে যায়। মূলত এরপর পাকিস্তান আইএমএফ ঋণ ও বিভিন্ন রাষ্ট্রের আমানতের ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।       মুর্তাজার মতে, ২০১৬ সালে স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের রিজার্ভের ৩৬ শতাংশের সমপরিমাণ বিদেশি রাষ্ট্রের আমানত ছিল, যা ২০২৩ সালের শুরুতে প্রায় ৬০০ শতাংশে পৌঁছে যায়।       বর্তমানে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার আইএমএফ ঋণ, সৌদি আরবের ৮ বিলিয়ন ডলার এবং চীনের ৪ বিলিয়ন ডলারের আমানত রয়েছে বলে তার লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এসব আমানত বা ঋণ সরাসরি উৎপাদন, কর্মসংস্থান কিংবা রাজস্ব আয়ের প্রকল্পে ব্যবহৃত হয় না। বরং বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবিলায় এগুলো নেওয়া হয়। ফলে রিজার্ভ বাড়লেও অর্থনীতির কাঠামোগত দুর্বলতা দূর হচ্ছে না।       তবে পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে বলেও মনে করেন পাকিস্তানি এই গবেষক। তার মতে, বাংলাদেশের বিদেশি রাষ্ট্রের এমন আমানত নেই এবং আইএমএফের ঋণ রিজার্ভের তুলনায় অনেক কম। একই সময়ে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের রপ্তানি প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।       সংবাদ মাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে তিনি দাবি করেন, গত চার বছরে পাকিস্তানের বর্তমান ব্যবস্থার প্রধান অর্জন স্থিতিশীলতা ধরে রাখা। কিন্তু শক্তিশালী রপ্তানি ভিত্তি ও টেকসই প্রবৃদ্ধি না থাকায় সেই স্থিতিশীলতাই শেষ পর্যন্ত স্থবিরতায় পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।       আইএমএফের শর্ত এবং বিদেশি রাষ্ট্রের আমানতের ওপর নির্ভরতা পাকিস্তানের অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে বলেও তিনি মনে করেন।       সব মিলিয়ে পাকিস্তানের সামনে দুটি কঠিন পথ রয়েছে—ধীর প্রবৃদ্ধি নিয়ে এগিয়ে গিয়ে সামাজিক অস্থিরতার ঝুঁকি নেওয়া, অথবা আমদানিনির্ভর প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে আবারও বৈদেশিক মুদ্রার সংকটে পড়া। এই দুই ভঙ্গুর অবলম্বনের ওপর দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের ‘বেইলআউট রাষ্ট্র’ আর কতদিন টিকে থাকতে পারবে বলেও প্রশ্ন রাখলেন তিনি।

মারিয়া রহমান অক্টোবর ০২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

উচ্চশিক্ষার্থীদের কনস্যুলার সেবা দিতে ঢাকায় আসছে রোমানিয়া দূতাবাস

ছবি: সংগৃহীত

হজে ২০ হাজার কোটা বাড়ানোর আবেদন বাংলাদেশের

ছবি: সংগৃহীত

২০ ইউনিটের বিল ২৯ হাজার টাকা, মাগুরায় ফের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত
সমাজ বদলাতে শুধু প্রশাসনের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না: চট্টগ্রামের ডিসি

দেশ ও সমাজে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে শুধু প্রশাসনের দিকে তাকিয়ে না থেকে প্রত্যেক নাগরিককে নিজের দায়িত্ব ও অবদানের বিষয়ে ভাবতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।   তিনি বলেছেন, উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য গবেষণা ও উদ্ভাবনের পাশাপাশি বাজার ও ভোক্তার পরিবর্তিত চাহিদা সম্পর্কে আগাম ধারণা নিতে হবে। ভবিষ্যতের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে এখন থেকেই পরিকল্পনা করা জরুরি।   শুক্রবার (২ অক্টোবর) জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   জেলা প্রশাসক বলেন, দেশের উন্নয়ন সবাই চায়। কিন্তু সেই উন্নয়নে নিজের ভূমিকা কী—প্রত্যেকেরই এই প্রশ্ন করা প্রয়োজন। শুধু অন্যের কাজের সমালোচনা না করে দেশ ও সমাজের জন্য নিজের অবদান কী, তা নিয়ে ভাবতে হবে।   উৎপাদনশীলতার সঙ্গে গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ভোক্তার চাহিদা বুঝতে না পারলে এবং সে অনুযায়ী গবেষণা না থাকলে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকা কঠিন। সফল প্রতিষ্ঠানগুলো ভবিষ্যতের ক্রেতাদের পছন্দ ও প্রয়োজন নিয়ে আগেই গবেষণা করে।   তরুণদের পরিবর্তনশীল রুচির বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী দিনের ভোক্তারা কী ধরনের পণ্য বা সেবা চাইবে, তা বিবেচনায় নিয়েই ব্যবসায়িক পরিকল্পনা করতে হবে।   পরিবর্তনকে স্বাগত জানানোর আহ্বান পরিবর্তনের প্রতি অনীহাকে অগ্রগতির অন্যতম বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তার মতে, প্রচলিত ব্যবস্থাকে ধরে রাখার প্রবণতা থাকলে নতুন কিছু সৃষ্টি করা সম্ভব নয়। পরিবর্তনের সঙ্গে সমালোচনা ও চ্যালেঞ্জ থাকলেও বড় অর্জনের জন্য এসব মোকাবিলা করতে হয়। তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে প্রচলিত চিন্তার বাইরে গিয়ে নতুন ধারণা ও সৃষ্টিশীলতার চর্চা বাড়াতে হবে। চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্যের ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ তুলে জেলা প্রশাসক বলেন, দেশের অর্থনীতিতে চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ঐতিহাসিকভাবেই এ অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যের বিস্তার ঘটেছে। তাই চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নতুন ধারণা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের প্রত্যাশাও বেশি।   শুধু প্রশাসনকে দায়ী করে পরিবর্তন সম্ভব নয় সমাজের বিভিন্ন সমস্যার জন্য শুধু প্রশাসনকে দায়ী করার মানসিকতা পরিবর্তনের আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, সমাজের প্রতি নিজের দায়িত্ব ও অবদান নিয়ে না ভেবে শুধু ডিসি বা এসপি কী করেননি—এভাবে প্রশ্ন তুললে সমাজের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না। পরিবর্তনের জন্য প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।   বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও সম্ভাবনার যথাযথ ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তার বক্তব্য, বিশ্বের অনেক দেশের মানুষ প্রতিকূল আবহাওয়া ও পরিবেশের মধ্যেও উন্নতি করেছে। বাংলাদেশের তুলনামূলক অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশ ও উর্বর ভূমির সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো প্রয়োজন।   ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ রাষ্ট্রের প্রত্যাশা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও উন্নত দেশ রেখে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, আগামী প্রজন্ম যেন মনে না করে আগের প্রজন্ম রাষ্ট্রের সব সম্পদ ভোগ করে তাদের জন্য অনিরাপদ পরিবেশ রেখে গেছে। হানাহানি, রাহাজানি, নিরাপত্তাহীনতা এবং নিরাপদ খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটমুক্ত একটি রাষ্ট্র গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।   আলোচনা সভার শেষে দেশ ও সমাজের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ০২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বাকিতে সিগারেট না দেওয়ায় দোকানিকে পেট্রোল ঢেলে আগুন, গ্রেপ্তার ১

শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ২ কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ ২ জনকে আটক

ছবি: সংগৃহীত

বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

ছবি: সংগৃহীত
বরগুনায় আবারও বাড়ছে ডেঙ্গু, হাসপাতালে শয্যা সংকট

বছরের প্রথম আট মাসে পরিস্থিতি তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সেপ্টেম্বর থেকে বরগুনায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ফের বাড়তে শুরু করেছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫৬৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ৭৫ জন চিকিৎসাধীন।   বরগুনায় ডেঙ্গুর প্রকোপ নতুন করে বাড়ায় হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপও বেড়েছে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৭০ থেকে ৮০ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। নির্ধারিত শয্যার তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেককে মেঝেতেও চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।   জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বরগুনায় মোট ১ হাজার ৫৬৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ৮৮৫ জন, পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩২১ জন, বেতাগীতে ১০৯ জন, বামনায় ৭৬ জন, তালতলীতে ৯৪ জন এবং আমতলীতে ৮৩ জন চিকিৎসা নিয়েছেন।   আক্রান্তদের মধ্যে ১ হাজার ৪৯৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৭৫ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১৬ জন। এখন পর্যন্ত চলতি বছরে ডেঙ্গুতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।   ইউনিয়ন পর্যায়ে মশক নিধন নিয়ে অভিযোগ ডেঙ্গু আক্রান্তদের বড় একটি অংশ বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দা হলেও ইউনিয়ন পর্যায়ে মশক নিধন কার্যক্রম যথেষ্ট নয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাদের ভাষ্য, বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকলেও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধনের কার্যক্রম দেখা যায় না। বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, ঘনবসতির পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। বিভিন্ন স্থানে ডোবা-নালা ও নিচু জায়গায় বৃষ্টির পানি জমে থাকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, চলতি বছরে ইউনিয়নের মাত্র একটি ওয়ার্ডে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।   লাকুরতলা এলাকার বাসিন্দা মলয় বিশ্বাস বলেন, এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। তার মতে, নিয়মিত মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। আরেক বাসিন্দা মাওলানা আহমাদ উল্লাহ বলেন, শহরের কাছাকাছি হওয়ায় এলাকায় মানুষের ঘনত্ব বেশি। বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে থাকায় মশার প্রজনন বাড়ছে। তার পরিবারের সদস্যসহ তিনিও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে জানান।   পর্যাপ্ত ওষুধ না পাওয়ার দাবি গৌরীচন্না ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান বলেন, গত বছর ইউনিয়ন পরিষদে পাওয়া ওষুধ দিয়ে মশক নিধন কার্যক্রম চালানো সম্ভব হয়েছিল। তবে এ বছর যে পরিমাণ ওষুধ পাওয়া গেছে, তা দিয়ে একটি ওয়ার্ডের কার্যক্রমও পুরোপুরি করা কঠিন। পর্যাপ্ত ওষুধ পাওয়া গেলে ইউনিয়নের সব ওয়ার্ডে কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।   হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়লেও চিকিৎসক সংকট রয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালে ৮৩টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ১৬ জন। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রেজওয়ানুর আলম বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন ও পরীক্ষার কিট পর্যাপ্ত রয়েছে। তবে চিকিৎসক সংকটই বড় সমস্যা। একজন মেডিকেল কনসালটেন্টকে সীমিত জনবল নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এরপরও হাসপাতালে আসা কোনো রোগীকে চিকিৎসাসেবা ছাড়া ফেরত পাঠানো হচ্ছে না বলে জানান তিনি।   তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে মশার প্রজনন বেড়েছে। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ডেঙ্গুর প্রাথমিক পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলেও পরবর্তী সময়ে দুর্বলতা ও প্লাটিলেট কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। তাই উপসর্গের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শহিদুল ইসলাম জানান, দুই দিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। কিন্তু শয্যা না পাওয়ায় স্যালাইন দেওয়ার পরও তা রাখার স্ট্যান্ড পাননি। বাধ্য হয়ে স্বজনকে স্যালাইন ধরে রাখতে হয়েছে বলে জানান তিনি।   পাথরঘাটার কাকচিড়া থেকে ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে আসা মো. আলমগীরও শয্যা না পাওয়ার কথা জানান।   গত বছর ছিল ভয়াবহ পরিস্থিতি গত বছর বরগুনায় ডেঙ্গুর প্রকোপ ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল। জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হন এবং বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন ১৫০ থেকে ১৮০ জন পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্য বিভাগ তখন বরগুনাকে ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করে। হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা জোরদারে চিকিৎসক ও নার্সও পদায়ন করা হয়েছিল। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে আইইডিসিআর একটি বিশেষজ্ঞ দল পাঠায়। পরে দলটি স্থানীয়দের অসচেতনতা এবং খোলা অবস্থায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের কারণে মশার প্রজনন বৃদ্ধিকে ঝুঁকির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করে।   স্বাস্থ্য বিভাগের দাবি, প্রস্তুতি রয়েছে বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, গত বছরের অভিজ্ঞতার কারণে এবার জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ আগে থেকেই প্রস্তুত রয়েছে। গত বছর বিপুলসংখ্যক ডেঙ্গু রোগীকে চিকিৎসা দেওয়ার অভিজ্ঞতা এবার কাজে লাগানো হচ্ছে। তার দাবি, সরকারি নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বিত কার্যক্রমের কারণে চলতি বছর এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।   অন্যদিকে ইউনিয়ন পর্যায়ে কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়—স্থানীয়দের এমন অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার সব উপজেলায় সমন্বিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি জানান, প্রতি শনিবার নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মন্দির, বাজার, খাল এবং প্রত্যেক ইউনিয়নের একটি করে ওয়ার্ডে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানোর নির্দেশনা রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌর প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মশক নিধনে ব্যবহৃত ওষুধ প্রয়োগের তথ্যও নিয়মিত মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে বলে জানান তিনি। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা জানানো হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ০২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ডেঙ্গু-হাম মোকাবিলায় নগর পরিকল্পনাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান

ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ গুলশানে টস বন্ডের চার ওয়্যারহাউস সিলগালা

ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরে কিশোর অপরাধবিরোধী অভিযান, তিন দিনে আটক ৫৪৯

0 Comments