বিনোদন

স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্রধান আসামি আলভী ও তিথি

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ০২, ২০২৬ 0
স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা প্রধান আসামি আলভী ও তিথি | ছবি : সংগৃহীত
স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা প্রধান আসামি আলভী ও তিথি | ছবি : সংগৃহীত

ছোট পর্দার অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় এবার মামলা দায়ের করা হয়েছে। আত্মহত্যার প্ররোচনার এই মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে স্বামী যাহের আলভী এবং তার কথিত প্রেমিকা ও সহ-অভিনেত্রী তিথিকে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টায় পল্লবী থানায় মামলাটি রুজু হয়।

 

ইকরার মর্মান্তিক আত্মহত্যার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নতুন নতুন রহস্যের জন্ম হচ্ছিল। ঘটনার পর থেকে আলভীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে দ্রুত ঢাকায় ছুটে আসেন ইকরার পরিবারের সদস্যরা। এরপর রাতেই ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলায় শুধু আলভী এবং তিথিই নন, তার পরিবারের আরও কয়েকজনের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে অভিনেতার মাকেও আসামি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

পারিবারিক কলহ, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক এবং দীর্ঘদিনের মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ইকরার স্বজনরা আগে থেকেই আলভীর পরিবারের বিচার দাবি করে আসছিলেন। এবার বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করল। মামলার পরিণতি সম্পর্কে পল্লবী থানার ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান জানান, তদন্ত শেষে আদালতে যদি আত্মহত্যার প্ররোচনার বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়, তবে এই মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের এমন মর্মান্তিক পরিণতি এবং এরপর মামলা দায়েরের খবরে বিনোদন অঙ্গনসহ সারা দেশে এখন ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ এরই মধ্যে মামলার তদন্ত এবং আসামিদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিনোদন

আরও দেখুন
আফজাল সুজন, জান্নাত দীপ্তি ও সুমাইয়া খন্দকার তৃষ্ণা | ছবি : সংগৃহীত
আলভীর ঘটনার রেশ কাটতেই সুজনের বিরুদ্ধে পরকীয়া ও নির্যাতনের অভিযোগ

ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই শোবিজ অঙ্গনে আবারও সামনে এলো পরকীয়া ও নারী নির্যাতনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। এবার ছোট পর্দার পরিচিত মুখ অভিনেতা আফজাল সুজনের বিরুদ্ধে পরকীয়া, মাদকাসক্তি এবং অমানবিক শারীরিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তার স্ত্রী জান্নাত দীপ্তি।   সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বামীর অন্ধকার জীবনের নানা দিক তুলে ধরে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন জান্নাত দীপ্তি। তার দাবি, আফজাল সুজন বর্তমানে মডেল সুমাইয়া খন্দকার তৃষ্ণার সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত। প্রমাণ হিসেবে তৃষ্ণার সঙ্গে সুজনের বেশ কিছু অশালীন কথোপকথন ও আপত্তিকর ছবির স্ক্রিনশট জনসমক্ষে এনেছেন তিনি। একই সঙ্গে নিজের শরীরে আঘাতের চিহ্ন সংবলিত ছবি পোস্ট করে দীপ্তি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ছয় বছরের সংসার জীবনে তাকে প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। এমনকি অসুস্থ বাবার সামনে এবং নিজের বাড়িতেও সুজন তাকে মারধর করতেন। সুজনের বিরুদ্ধে চরম অমানবিকতার চিত্র তুলে ধরে দীপ্তি জানান, তার চোখের সামনেই সুজন মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন নেশায় ডুবে থাকতেন। সবচেয়ে মর্মান্তিক তথ্য হলো, দীপ্তি যখন গর্ভবতী ছিলেন, তখন সুজন অন্য এক নারীর সঙ্গে প্রায় ৪-৫ মাস লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এতদিন চুপ থাকলেও, সুজনের মিথ্যা অপবাদ সহ্য করতে না পেরে অবশেষে মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। বর্তমানে আফজাল সুজন উল্টো তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে ‘টাকার লোভে সংসার ছাড়ার’ অভিযোগ তুলছেন। এর কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে দীপ্তি প্রশ্ন তুলেছেন, “একজন জালিমের ঘর ছেড়ে শান্তিতে বাঁচার চেষ্টা করা কি চরিত্রের দোষ? আত্মহত্যা করলেই কি সমাজ আমাকে ভালো বলত?” জানা গেছে, নির্যাতনের শিকার হয়ে দীপ্তি বিচ্ছেদ চাইলেও মিডিয়াতে নিজের ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার ভয়ে সুজন তাকে তালাক দিচ্ছেন না, উল্টো স্ত্রীর সামাজিক স্বীকৃতি বা মর্যাদাও দিচ্ছেন না। এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে অভিনেতা আফজাল সুজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এসব বিষয় নিয়ে এখন কিছু বলতে চাই না। এ বিষয়ে আমি নিজেই সবার সঙ্গে কথা বলব, ওইটুকু পর্যন্ত সময় আমাকে দিন। আপনারা এক পাশ থেকে শুনেছেন, এ বিষয়ে আমারও বলার আছে, আমি এইটার জন্য একটু সময় চাচ্ছি। এমন একটা সময়ের মধ্যে আছি, কিছু বলার মতো পরিস্থিতি নেই।” অন্যদিকে, মডেল তৃষ্ণাকে কয়েকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ঈগল মিউজিকের ব্যানারে ক্যারিয়ার শুরু করা তরুণ অভিনেতা আফজাল সুজন বর্তমানে নিয়মিত নাটকে অভিনয় করছেন। স্ত্রীর এমন বিস্ফোরক অভিযোগের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এখন ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ০২, ২০২৬ 0
স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা প্রধান আসামি আলভী ও তিথি | ছবি : সংগৃহীত

স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্রধান আসামি আলভী ও তিথি

ফাঁস হলো আলভীর স্ত্রীর আত্মহত্যার বিস্ফোরক তথ্য । ছবি : সংগৃহীত

ফাঁস হলো আলভীর স্ত্রীর আত্মহত্যার বিস্ফোরক তথ্য

আলভীর স্ত্রীর আত্মহত্যা নিয়ে যা বললেন পুলিশ । ছবি : সংগৃহীত

আলভীর স্ত্রীর আত্মহত্যা নিয়ে যা বলছে পুলিশ

আলভীর স্ত্রীর আত্মহত্যা, শুটিং ফেলে ঢাকা ফিরছেন অভিনেতা। ছবি : সংগৃহীত
আলভীর স্ত্রীর আত্মহত্যা, শুটিং ফেলে ঢাকা ফিরছেন অভিনেতা

ছোটপর্দায় জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এই ঘটনা ঘটে। অভিনেতার শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ঘটনার সময় আলভী শুটিংয়ের প্রয়োজনে নেপালে অবস্থান করছিলেন।   ঈদুল ফিতরের বিশেষ নাটক ‘দেখা হলো নেপালে’-এর শুটিংয়ে বর্তমানে নেপালে রয়েছেন জাহের আলভী। সেখান থেকেই স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পান তিনি। শোকাতুর এই অভিনেতা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, “খবরটা শোনার পর থেকে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। আমি বুঝতে পারছি না আমাদের সন্তান আর আমার কথা না ভেবে সে কেন এভাবে চলে গেল”। তিনি আরও জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিনি ঢাকা ফেরার চেষ্টা করছেন। ইকরার মরদেহ বর্তমানে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া ও পুলিশের ছাড়পত্র পাওয়ার পর পারিবারিকভাবে দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইকরার চাচা বিপু খান জানান, খবর পেয়ে পরিবারের সবাই ময়মনসিংহ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে ইকরাকে বিয়ে করেছিলেন জাহের আলভী। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময়ের দাম্পত্য জীবনে তাদের ‘ইকরা’ (মতান্তরে রিজিক) নামে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। শোকের এই মুহূর্তে বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ানোর জন্য সাংবাদিক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন অভিনেতা। শোকসন্তপ্ত পরিবারের পক্ষ থেকে ইকরার বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
অভিনেতা জাহের আলভীর সঙ্গে স্ত্রী ইকরা। ছবি : সংগৃহীত

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর আত্মহত্যা

২ বছরের পরিশ্রম শেষে বলিউডে আরিফিন শুভ। ছবি : সংগৃহীত

২ বছরের পরিশ্রম শেষে বলিউডে আরিফিন শুভ

থালাপতি বিজয় ও তার স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গম | ছবি : সংগৃহীত

থালাপতির ২৫ বছরের দাম্পত্যে ফাটল, তামিল চলচ্চিত্রাঙ্গনে তোলপাড়

নীলাঞ্জনা নীলা ও নিলয় আলমগীর । ছবি - সংগৃহীত
দেশে এসেই নীলাঞ্জনার সঙ্গে ব্যস্ত নিলয়

নাটকের শুটিং নিয়েই ব্যস্ত থাকেন নিলয় আলমগীর। নিজেকে বা পরিবারকে খুব একটা সময় দেওয়ার সুযোগও হয়ে উঠে না তার। একটানা কাজে হাঁপিয়ে উঠেছিলেন এ অভিনেতা। তাই নিজেদের মতো একটু সময় কাটাতে স্ত্রী তাসনুভা তাবাসসুমকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান তিনি। তবে সেখানে যাওয়ার আরও একটি কারণও রয়েছে। গত বছরের নভেম্বরে বাবা হন এই অভিনেতা। নিজেই বাবা হওয়ার খবর সামাজিক মাধ্যমে জানান নিলয়। সন্তান জন্ম হয় যুক্তরাষ্ট্রে। আর এ কারণে গত বছরের সেপ্টেম্বরে স্ত্রীকে নিয়ে সেখানে পাড়ি জমান এ অভিনেতা। কন্যাসন্তানের নাম রেখেছেন রুশদা মাইমানাহ। বিরতি শেষে সাত মাস পর স্ত্রী-সন্তানসহ ১৯ ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরেছেন নিলয়। দুই দিন বিশ্রাম নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন শুটিং নিয়ে। অভিনয় করছেন অনামিকা মণ্ডলের রচনায় ও নাজমুল রনির পরিচালনায় একটি নাটকের। তবে এর নাম এখনো ঠিক হয়নি। ঢাকার উত্তরায় চলছে শুটিং। পরিচালক নাজমুল বলেন, ‘নিলয় ভাইয়ের নাটকের আলাদা একটা দর্শক রয়েছে। গল্পের মধ্য দিয়ে কমেডির সঙ্গে সামাজিক একটা বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। মূলত ঈদে দর্শক যে ধরনের গল্প পছন্দ করেন, তেমন গল্প নিয়েই আমাদের নাটক। এটি কমেডি নাটক। দর্শক পছন্দ করবেন।’ নাটকে নিলয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন সহশিল্পী নীলাঞ্জনা নীলা। তাদের খুব একটা জুটি হিসেবে দেখা যায় না। নাজমুল জানালেন, এই নাটকের শুটিং শেষে তার আরও দুটি নাটকে টানা শুটিংয়ে অংশ নেবেন নিলয় আলমগীর। বাকি নাটক দুটিতে নিলয়ের সঙ্গে জুটি হিসেবে দেখা যাবে জান্নাতুল সুমাইয়া হিমিকে। পরিচালক জানান, টানা ঈদ পর্যন্ত শুটিং করবেন এই অভিনেতা। দেশের বাইরে থাকলেও এ সময় নিলয় অভিনীত ‘মায়াবনের হরিণ’, ‘অন্য মানুষ’, ‘বাঁচবো না’, ‘পিতাপুত্রের বয়স’, ‘ঘরের নেত্রী’সহ বেশ কিছু নাটক প্রচার হয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
খেজুর

খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা কেন উপকারী

রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবরাকোন্ডা।

স্বামী-স্ত্রী হিসেবে প্রথম প্রকাশ্যে বিজয়-রাশমিকা

সংগৃহীত ছবি

ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে উপকারী যেসব খাবার

0 Comments