প্রবাসী

সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, বাংলাদেশিসহ নিহত ২

মারিয়া রহমান মার্চ ০৮, ২০২৬ 0
সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। ছবি : সংগৃহীত
সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। ছবি : সংগৃহীত

 

সৌদি আরবে একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। নিহতদের একজন বাংলাদেশি অন্যজন ভারতীয়।

রোববার (৮ মার্চ) সৌদি আরবের আল-খার্জ গভর্নরেটের একটি কমপাউন্ডের ওই ভবনে হামলা চালানো হয়।

সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স—এ এক পোস্টেও এ তথ্য জানিয়েছে।


এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। তবে, এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

এর আগে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছিল, তারা সৌদি আরবের আল খার্জসহ বিভিন্ন স্থানের রাডার ব্যবস্থা নিশানা করে হামলা চালিয়েছে। সেই আল–খার্জে দুইজন নিহত হওয়ার কথা জানা গেল।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

প্রবাসী

আরও দেখুন
প্রবাসীসহ ১৫১৯ কারাবন্দিকে মুক্তি দিল ওমান

ওমানে চলতি বছরে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ৫১৯ জন কারাবন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে দেশটির নাগরিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের প্রবাসী কর্মীরাও রয়েছেন।   মঙ্গলবার ওমানি লয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। ‘ফাক কুরবাহ’ নামে পরিচিত এই উদ্যোগটি ২০১২ সালে চালু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৯ হাজার ৭১৭ জন বন্দি মুক্তি পেয়েছেন।   সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মূলত স্বল্প পরিমাণ ঋণের দায়ে আটক ব্যক্তিদের জরিমানা বা ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে মুক্তির ব্যবস্থা করা হয়। দেওয়ানি, বাণিজ্যিক ও শ্রম সংক্রান্ত মামলায় আটক ব্যক্তিরাই এই সহায়তায় অগ্রাধিকার পেয়ে থাকেন।   চলতি বছরে এই উদ্যোগের আওতায় মাসকাট থেকেই সর্বোচ্চ ৫৬৭ জন বন্দি মুক্তি পেয়েছেন। একই সঙ্গে ‘ফাক কুরবাহ’ তহবিলে এবার প্রায় ১০ লাখ ওমানি রিয়াল সংগ্রহ হয়েছে, যা উদ্যোগটির প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি এই তহবিলে অনুদান দিয়ে ওমানের সুলতানের স্ত্রীও আলোচনায় আসেন।   উদ্যোগটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, “প্রত্যেক মানুষেরই জীবনে দ্বিতীয় সুযোগ পাওয়া উচিত”—এই বিশ্বাস থেকেই সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের অংশগ্রহণে কর্মসূচিটি এগিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি টেকসই করতে এবং বছরজুড়ে বন্দিদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে একটি বাণিজ্যিক প্রকল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ৩০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

দেশে ফেরার আগমুহূর্তে মৃত্যু: মাস্কাট বিমানবন্দরে প্রবাসী বেলালের শেষ যাত্রা

ছবি: সংগৃহীত

ওমানে পুলিশের ধাওয়ায় ধরা ২৫ প্রবাসী, ব্যর্থ হলো পালানোর চেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

মালদ্বীপে বাংলাদেশি শ্রমিকদের দুর্দশা: কাজ হারিয়ে অনিশ্চয়তায় হাজারো প্রবাসী

ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় অবৈধদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু আজ, দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশি প্রবাসীরা

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের জন্য ঘোষিত স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার কর্মসূচির সময়সীমা আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) শেষ হচ্ছে। নির্ধারিত সময় পার হতেই দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ অবৈধ প্রবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান শুরু করবে বলে জানিয়েছে, যা সেখানে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।   ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে বলেছে, যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের সুযোগ নেবেন না, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় না দিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   ২০২৫ সালের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মেয়াদ কয়েক দফা বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত পেনিনসুলার মালয়েশিয়া ও লাবুয়ানের জন্য ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, এ পর্যন্ত ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন অভিবাসী কোনো আইনি জটিলতা ছাড়াই নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশিরা দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশ।   এই কর্মসূচির আওতায় অবৈধ অভিবাসীরা মাত্র ৩০০ থেকে ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা এবং ২০ রিঙ্গিতের বিশেষ পাস ফি দিয়ে সহজে দেশে ফেরার সুযোগ পেয়েছিলেন। ফলে এটি অনেকের জন্যই একটি সুবিধাজনক সমাধান হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। সময়সীমার শেষ মুহূর্তেও অনেকে দেশে ফেরার জন্য নিবন্ধন করছেন।   এদিকে, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের চাহিদা থাকলেও ২০২৪ সাল থেকে নতুন করে ওয়ার্ক ভিসা বন্ধ থাকায় জনশক্তি রপ্তানি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে অবৈধ কর্মীদের বৈধতা দেওয়া বা শ্রমবাজার পুনরায় চালুর লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। সম্প্রতি প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন মালয়েশিয়া সফর করে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করেন।   কমিউনিটি নেতারাও দাবি জানিয়েছেন, নিয়মিত রেমিট্যান্স পাঠানো এসব কর্মীর স্বার্থে প্রত্যাবাসন কর্মসূচির মেয়াদ বাড়ানো বা বৈধতার সুযোগ তৈরিতে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।   বাংলাদেশি শ্রমিকরা মালয়েশিয়ার অর্থনীতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। পাশাপাশি দেশের রেমিট্যান্স আয়ের ক্ষেত্রেও তাদের অবদান উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মালয়েশিয়া থেকে ২৩৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৬ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।   তবে বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে কঠোর ইমিগ্রেশন অভিযান এবং অন্যদিকে শ্রমবাজার বন্ধ থাকার বাস্তবতা—এই দুইয়ের মধ্যে পড়ে বাংলাদেশি প্রবাসীরা এখন বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে রয়েছেন। দ্রুত কূটনৈতিক সমাধান না হলে হাজারো শ্রমিক কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ৩০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

রোমানিয়ায় অবৈধ কর্মীদের বৈধতার সুযোগ, জরুরি নির্দেশনা বাংলাদেশ দূতাবাসের

জামিল লিমন। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে লিমনের প্রথম জানাজা আজ, মরদেহ দেশে ফিরবে ৪ মে

মস্কোতে ‘বাংলা বর্ষবরণ’ উদযাপিত। ছবি : সংগৃহীত

মস্কোতে বাঙালির প্রাণের উৎসব ‘বাংলা বর্ষবরণ’-এর বর্ণিল উদযাপন

ছবি: সংগৃহীত
হজ পালনে কর্মীদের জন্য সবেতন ছুটি: নতুন নির্দেশনা দিল সৌদি আরব

সৌদি আরবে কর্মরত চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর দিয়েছে দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। পবিত্র হজ পালনের সুবিধার্থে কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট শর্তে সবেতন ছুটির সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।   মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোনো কর্মী যদি একই প্রতিষ্ঠানে টানা দুই বছর চাকরি সম্পন্ন করেন, তাহলে তিনি হজ পালনের জন্য ১০ থেকে ১৫ দিনের সবেতন ছুটি পাওয়ার যোগ্য হবেন। এই সময়ের মধ্যেই ঈদুল আজহার সরকারি ছুটিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।   তবে এই সুবিধা জীবনে মাত্র একবার গ্রহণ করা যাবে বলে স্পষ্ট করা হয়েছে। অর্থাৎ, যারা আগে কখনো হজ পালন করেননি, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার লক্ষ্যেই এই বিধান রাখা হয়েছে।   একই সঙ্গে মন্ত্রণালয় জানায়, কোনো প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে কতজন কর্মীকে বা বছরে কতবার এই ছুটি দেওয়া হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তা। প্রতিষ্ঠানের কাজের চাপ ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় রেখে কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ২৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার শীর্ষ গবেষকদের তালিকায় স্থান পেলেন বাংলাদেশি ড. সাইদুর রহমান

ছবি : সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় বিশেষ অভিযানে ৩৩৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ, ৪৯ জন আটক

ছবি : সংগৃহীত

২৪ জন বাংলাদেশিসহ ৯৭ জন বন্দিকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

0 Comments