খেলাধুলা

Social Media Platforms Face New Challenges Amid Changing User Habits

Admin জুন ২৮, ২০২৫

In 2025, social media continues to be an integral part of daily life for billions worldwide, but the landscape is rapidly evolving as users demand more privacy, authenticity, and control over their online experiences. Leading platforms like Facebook (Meta), Twitter (now X), Instagram, TikTok, and Snapchat are adapting to these shifting user behaviors, while new competitors rise to challenge the status quo.

 

Experts note that the rise of “micro-communities” and niche social networks reflects a growing desire for meaningful interactions over broad, impersonal feeds. Platforms like Discord, Clubhouse, and emerging decentralized apps are capitalizing on this trend by offering smaller groups and topic-specific discussions where users feel safer and more engaged.

Privacy concerns remain at the forefront. Following numerous high-profile data breaches and controversies over data usage, regulators in the U.S. and Europe have increased scrutiny of social media companies. New regulations require platforms to offer users clearer options to manage their data and protect against misuse. Meta recently rolled out updated privacy tools, including enhanced encryption on messaging apps and more granular controls over ad targeting.

 

Meanwhile, the battle against misinformation and harmful content continues to challenge social networks. Platforms have invested heavily in artificial intelligence systems to detect and remove false information, hate speech, and cyberbullying. However, critics argue that content moderation is still inconsistent and sometimes biased, leading to calls for greater transparency and independent oversight.

Monetization models on social media are also diversifying. Subscription-based features, such as Twitter Blue and Instagram’s “Close Friends” exclusive content, have gained traction, allowing influencers and creators to earn income directly from their audiences. Additionally, live shopping and social commerce are booming, especially on platforms like TikTok and Instagram, where users can browse and purchase products without leaving the app.

 

Short-form video content remains dominant, with TikTok’s format influencing competitors to create similar features, such as Instagram Reels and YouTube Shorts. These bite-sized videos are driving engagement, especially among Gen Z and younger millennials, shaping trends in music, fashion, and language.

Despite its widespread popularity, social media faces criticism for its impact on mental health. Studies link heavy usage to increased anxiety, depression, and social comparison among teenagers and young adults. In response, some platforms have introduced wellness features like screen time reminders, content filters, and digital detox campaigns to encourage healthier habits.

Looking ahead, experts predict that augmented reality (AR) and virtual reality (VR) will play an increasingly important role in social media. Meta’s investment in the metaverse aims to create immersive environments where users can socialize, work, and play, but mainstream adoption is still in early stages. Other companies are exploring AI-driven content creation and personalization to keep users engaged.

 

Brands and marketers continue to adapt to these changes by focusing on authentic storytelling and influencer partnerships that resonate with niche audiences. Data analytics tools help them better understand consumer preferences and optimize campaigns in real time.

As social media matures, the balance between innovation, user well-being, and regulation will shape the future of digital interaction. Users are becoming more discerning about the platforms they choose and how they participate, signaling a shift towards more purposeful and controlled online engagement.

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
আল নাসরে ফিরেই গোল রোনালদোর, পেশাদার ক্যারিয়ারে ৯৮০তম মাইলফলক

পর্তুগাল জাতীয় দলকে ঘিরে নানা আলোচনার মধ্যেই ক্লাব ফুটবলে ফিরেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের হয়ে মাঠে নেমেই গোলের দেখা পেয়েছেন এই পর্তুগিজ তারকা। আল দিরিয়াহর বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে দলের প্রথম গোলটি করেন তিনি। এটি পেশাদার ফুটবলে রোনালদোর ৯৮০তম গোল।   সৌদি প্রো লিগের ম্যাচে কিংসলে কোম্যানের নেওয়া শট গোলরক্ষক ওয়ালিদ আলী পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। ফিরতি বল পেয়ে সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি রোনালদো। সহজ ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।   ম্যাচের ৩৫ মিনিটে আরেক পর্তুগিজ ফুটবলার সামু কস্তা আল নাসরের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। পরে ৭৭ মিনিটে কোম্যান গোল করলে ৩-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয়।   এই জয়ের ফলে লিগের শীর্ষে থাকা আল কাদসিয়ার সমান ১৯ পয়েন্ট অর্জন করেছে আল নাসর। তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রোনালদোর দল।   ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের গোল উদ্‌যাপনের ছবি প্রকাশ করেন রোনালদো। সেখানে তিনি লেখেন, ‘কাজ শেষ। এবার পরের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে!’   ক্লাবের হয়ে গোল পেলেও পর্তুগাল জাতীয় দলকে ঘিরে তৈরি হওয়া আলোচনা এখনও শেষ হয়নি। কোচ জর্জে জেসুসের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে আসার ঘটনায় বিতর্কে জড়িয়েছেন রোনালদো। তাঁর অভিযোগ, কোচ তাঁকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি। গত মৌসুমে জেসুসের অধীনেই সৌদি আরবের শিরোপা জিতেছিল আল নাসর।   পর্তুগালের হয়ে এখন পর্যন্ত ২৩৪ ম্যাচে ১৪৬ গোল করেছেন রোনালদো, যা আন্তর্জাতিক ফুটবলে পুরুষদের মধ্যে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। চলতি সপ্তাহের শুরুতে দেওয়াএক বিবৃতিতে তিনি জানান, জাতীয় দলের হয়ে খেলার জন্য এখনও প্রস্তুত। তবে দলের ক্যাম্প ছেড়ে আসার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।   জাতীয় দলকে ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যেও ক্লাবের হয়ে গোল করে নিজের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার বার্তা দিলেন ৪১ বছর বয়সী এই তারকা।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ১০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

হোপের শতকে ভারতের বিপক্ষে রেকর্ড রান তাড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়

ছবি: সংগৃহীত

ভিসা জটিলতায় ওমানযাত্রা পেছাল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের

ছবি: সংগৃহীত

হোপের সেঞ্চুরিতে ভারতের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দাপুটে জয়

ছবি: সংগৃহীত
এবিজি স্পোর্টস সিটিতে বসুন্ধরা কিংসের গোল উৎসব

এবিজি স্পোর্টস সিটির কিংস অ্যারিনায় গোল উৎসব করল বসুন্ধরা কিংস। গতকাল ঘরের মাঠে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের ম্যাচে ওয়ান্ডারার্সকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। দলের পক্ষে হ্যাটট্রিক করেছেন সাব্বির হোসেন। এ ছাড়া রাকিব হোসেন দুটি এবং মানিশ দাঙ্গি ও আবদুল্লাহ একটি করে গোল করেছেন। এই ওয়ান্ডারার্সকে গত মঙ্গলবারও গোলবন্যায় ভাসিয়েছিল কিংস। ফেডারেশন কাপের সেই ম্যাচে দলটা জয় পেয়েছিল ৫-০ ব্যবধানে।   গতকাল মুষলধারে বৃষ্টি ছিল। সেই বৃষ্টির মধ্যেই খেলা হলো কিংস অ্যারিনায়। মাঠের উন্নত ড্রেনেজ সিস্টেম দ্রুত পানি শুষে নেওয়ায় খেলা হতে কোনো সমস্যা হয়নি। আর গ্যালারিতে হাজার হাজার সমর্থক ‘বসুন্ধরা, বসুন্ধরা’ চিৎকার করে দলকে উৎসাহ দিয়েছেন। এর মধ্যেই গোল উৎসব করল বসুন্ধরা কিংস।    ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা শুরু করে ৬ বারের চ্যাম্পিয়নরা। ওয়ান্ডারার্সের রক্ষণভাগকে শুরুতেই চেপে ধরে তারা। খেলা শুরুর মাত্র প্রথম মিনিটেই গোলের খাতা খোলে বসুন্ধরা (১-০)। ডি-বক্সের ডান দিক থেকে রাকিবের মাপা ক্রসে বল পান সোহেল। তিনি সরাসরি শট নিতে না পারলেও বল পেয়ে যান ছোট ডি-বক্সে থাকা মানিশ দাঙ্গি। নেপালি এই ফুটবলার সহজেই লক্ষ্যভেদ করেন। এর মাত্র তিন মিনিট পর, ম্যাচের ৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সাব্বির (২-০)। মাঠের নিচ থেকে আসা একটি দীর্ঘ লং বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের পরাস্ত করে জোরালো শটে গোল করেন তিনি। দুই গোল করার পরও আক্রমণের তোড় বাড়াতে থাকে বসুন্ধরা কিংস। ৪৫ মিনিটে ম্যাচের পরিস্থিতি পুরোপুরি বসুন্ধরার অনুকূলে চলে যায়। কিংসের উইঙ্গার রাকিবের একটি বিপজ্জনক শট ডি-বক্সের বাইরে এসে হাত দিয়ে আটকান ওয়ান্ডারার্সের গোলরক্ষক। রেফারি তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখালে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ঢাকা ওয়ান্ডারার্স।   একজন কম নিয়ে খেলতে থাকা ওয়ান্ডারার্সের ওপর দ্বিতীয়ার্ধে আরও চড়াও হয় বসুন্ধরা কিংস। ৪৯ মিনিটে ডি-বক্সের ভিতর থেকে দৃষ্টিনন্দন এক চিপ শটে দলের তৃতীয় এবং নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন সাব্বির (৩-০)। ৭০ মিনিটে ডি-বক্সের ভিতরে রাকিব ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পট কিক থেকে নিখুঁত শটে ব্যবধান ৪-০ করেন রাকিব। ৮০ মিনিটে রবসনের সহায়তায় আসে পঞ্চম গোল। ডি-বক্সের ভিতর ডান দিক থেকে রবসনের বাড়ানো চমৎকার ক্রস প্লেসিং শটে জালে জড়ান আবদুল্লাহ (৫-০)। ম্যাচের শেষভাগে আরও দুটি গোল করে কিংস। ৮৯ মিনিটে ডি-বক্সের ভিতর থেকে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোল করেন রাকিব (৬-০)। এর কিছুক্ষণ পরই রাকিবের পাস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের ভিতর থেকে ফিনিশিং টেনে নিজের হ্যাটট্রিক ও দলের ৭-০ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত করেন সাব্বির।   ঢাকা ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে এই বিশাল জয়ের পর বাংলাদেশ ফুটবল লিগের পয়েন্ট টেবিলে বসুন্ধরা কিংসের অবস্থান আরও সুসংহত হলো। ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে তারা। এক ম্যাচ বেশি খেলে ৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে ফর্টিস এফসি। সমান পয়েন্ট রয়েছে সিটি ক্লাবেরও।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ১০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সাহিবজাদা ও সাদাকাতের ঝড়ে পাকিস্তানের জয়

ছবি: সংগৃহীত

টানা ৪ ম্যাচ হেরে বরখাস্ত তুরস্কের কোচ

ছবি: সংগৃহীত

গম্ভীরের ভারতকে ‘অধারাবাহিক’ বললেন শেন ওয়াটসন

ছবি: সংগৃহীত
রেকর্ডের আনন্দ আর অতৃপ্তির দিন বাংলাদেশের

‘উইকেটে তেমন কিছুই নেই, বড় ইনিংস খেলা জরুরি’- ধারাভাষ্যে রমিজ রাজা যখন এই কথা বলছেন, ৬৫ রানে অপরাজিত সাদমান ইসলাম। তার ব্যাটেই হয়তো বড় কিছুর সম্ভাবনার কথা বলছিলেন রমিজ। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই শর্ট বলের ফাঁদে পা দিয়ে বসেন অভিজ্ঞ ওপেনার।   সাদমান একাই নন, একই পথের পথিক তানজিদ হাসান, লিটন কুমার দাস, মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ভালো শুরুর পরও কেউ পারেননি ইনিংস টেনে নিতে। তাই প্রথম দিন শেষে বড় ইনিংস খেলতে না পারার আক্ষেপ রইল বাংলাদেশের।   আবু ধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে এমনিতে খুব বেশি খারাপ অবস্থায় নেই বাংলাদেশ। দিন শেষে তাদের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩১৭ রান। আবু ধাবির মাঠে টেস্টের প্রথম দিনে যা সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।   ২০১০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম দিনে ৩ উইকেটে ৩০৭ রান করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রায় ১৬ বছর পর সেটি ছাড়িয়ে গেলেও বাংলাদেশের কোনো ব্যাটার তিন অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। সম্ভাবনাময় সব ইনিংসের অপমৃত্যু ঘটে আলসে ব্যাটিংয়ে।   তীব্র গরমে ম্যাচের শেষ দিকে স্পিনের প্রভাব থাকবে বেশি, সেই ভাবনায় হয়তো টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে নেন শান্ত। স্পিনে শক্তি বাড়াতে সফরসঙ্গী রিজার্ভ হিসেবে যাওয়া নাঈম হাসানকে প্রায় ১৬ মাস পর একাদশেই জায়গা করে দেয় বাংলাদেশ।   বিপরীতে আফগানিস্তানের বোলিং লাইনআপে অভিজ্ঞতার অভাব স্পষ্ট। তাদের পাঁচ বিশেষজ্ঞ বোলার মিলে খেলেছেন মোটে ১৮টি টেস্ট। তুলনামূলক আনকোড়া এই বোলিংয়ের বিরুদ্ধে তাণ্ডব চালান তানজিদ।   দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মদ সালিমের বলে গ্লান্স করে মারা বাউন্ডারিতে শুরু। ইয়ামিন আহমাদজাইয়ের বলে তিনি হাঁকান জোড়া চার। একই বোলারের বল ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে কভারের ওপর দিয়ে ওড়ান ছক্কায়।   ছন্দ ধরে রেখে হাশমতউল্লাহ শাহিদির স্পিনে চারের পর তিনি মারেন ছক্কা। দশম ওভারেই পূর্ণ হয়ে যায় বাংলাদেশের পঞ্চাশ রান। ৪১ বলে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পঞ্চাশ করেন তানজিদ।   এর ফাঁকেই অবশ্য ব্যক্তিগত পাঁচ রানে জীবন পান সাদমান। এরপর আরও সাবধানী হয়ে এগিয়ে যান ৩১ বছর বয়সী ওপেনার।   লাঞ্চ বিরতির আগেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করার বিরল কীর্তির সম্ভাবনা জাগান তানজিদ। কিন্তু হঠাৎ সরে যায় মনোযোগ। ইসমাত আলমের অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে দূর থেকে আয়েশি ভঙ্গিতে ড্রাইভের চেষ্টায় কট বিহাইন্ড হন ৮ চার ও ৪ ছক্কায় ৭১ বলে ৮৩ রান করা ওপেনার।   ১২৪ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর দলকে এগিয়ে নেন সাদমান-মুমিনুল। দুজন মিলে গড়েন ৯০ বলে ৬০ রানের জুটি। ৮ ইনিংস পর পঞ্চাশ ছুঁয়ে বড় কিছুর আশা জাগিয়ে তোলেন সাদমান।   তবে লাঞ্চ বিরতির পর সালিমের শর্ট বলের ফাঁদে আটকা পড়েন অভিজ্ঞ ওপেনার। পুল করার চেষ্টায় শর্ট মিড উইকেটে ধরা পড়েন সাদমান। ক্যারিয়ারের নবম ফিফটিতে ৬৭ রান করেন তিনি।   ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে থিতু হতে সময় নেননি মুমিনুল ও শান্ত। কাইস আহমাদের বল ছক্কায় উড়িয়ে যাত্রা শুরু করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। মনে হচ্ছিল, দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের জুটিতে বড় সংগ্রহের দিকে ছুটবে বাংলাদেশ।   তবে তাদের নিজেদের ভুলেই সেটি হয়নি। চা বিরতির আগে চার ওভারের এক ঝড়ে শেষ হয় সেই আশা। ইয়ামিনের বলে আলতো ড্রাইভে শর্ট কভারে ক্যাচ দেন ৩৯ রান করা মুমিনুল। এক ওভার পর ইয়র্কার ধরনের ডেলিভারিতে মন্থর রিফ্লেক্সে বোল্ড হন মুশফিকুর রহিম।   শুরু থেকেই কাইসকে সাবলীলভাবে খেলতে থাকা শান্ত হঠাৎই এক লেগ স্পিনে বোকা বনে যান। তার ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল স্লিপে ফিল্ডারের হাতে জমা পড়ে।   চার রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন লিটন ও মেহেদী হাসান মিরাজ। নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ে আরও একবার পঞ্চাশছোঁয়া জুটি গড়েন তারা দুজন।   লিটন-মিরাজের আগের তিনটি পঞ্চাশছোঁয়া জুটিই শেষ পর্যন্ত পৌঁছেছিল শতরানে। এবার আর তা হয়নি। ইসমাতের অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারি জায়গায় দাঁড়িয়ে খেলে স্টাম্পে টেনে আনেন মিরাজ। তার বিদায়ে ভাঙে ৬২ রানের জুটি।   অন্য প্রান্তে লিটন ছিলেন অবিচল। অস্ট্রেলিয়া সফরে টানা তিনবার শূন্য রানে আউট হওয়া স্টাইলিশ এই ব্যাটার এদিন চমৎকার ব্যাটিংয়ে পান ফিফটির দেখা। তবে তানজিদ, সাদমানের মতো তিনিও ইনিংস টেনে নিতে পারেননি।   সালিমের শর্ট বল পুল করে ডিপ ফাইন লেগে ধরা পড়েন বাংলাদেশের উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। এতে অবশ্য বোলারের চেয়ে বেশি কৃতিত্ব দাবি করতেই পারেন বাম দিকে ঝাঁপিয়ে চমৎকার ক্যাচ নেওয়া ইয়ামিন। ৪টি চারে ৮৯ বলে ৫৩ রান করেন লিটন।   একই ওভারে নিখুঁত ইয়র্কারে হাসান মাহমুদকে বোল্ড করেন সালিম। পরে দিনের বাকি চার ওভারে আর বিপদ ঘটতে দেননি নাঈম হাসান ও তাইজুল ইসলাম। অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ১২ রান নিয়ে নতুন দিনের খেলা শুরু করবেন শেষ দিকের এই দুই ব্যাটসম্যান।   সংক্ষিপ্ত স্কোর (প্রথম দিন শেষে)   বাংলাদেশ: ৮৪ ওভারে ৩১৭/৮ (সাদমান ৬৭, তানজিদ ৮৩, মুমিনুল ৩৯, শান্ত ২৯, মুশফিক ০, লিটন ৫৩, মিরাজ ২৪, নাঈম ১১*, হাসান ২, তাইজুল ৪*; ইয়ামিন ১৬-৩-৬২-২, সালিম ১৯-১-৭০-৩, শাহিদি ৩-০-২৪-০, ইসমাত ১২.৪-৫-২০-২, জিয়া ১৯-১-৭৭-০, কাইস ১৪.২-১-৬০-১)

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ০৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

রোনালদোর সঙ্গে বিতর্ক, শাস্তির মুখে পর্তুগাল কোচ জর্জ জেসুস

ছবি: সংগৃহীত

৩৩ বল খেলে শূন্য, এক দশক পর টেস্টে ফিরে বিব্রতকর রেকর্ড ম্যাডিনসনের

ছবি: সংগৃহীত

এসএ টোয়েন্টির নিলামে রেকর্ড দাম, মাত্র এক টি-টোয়েন্টি খেলা ১৮ বছরের রোলসকে দলে নিল জোবার্গ

0 Comments