বিনোদন

রম্যা নয়, রজনীকান্তের প্রথম পছন্দ ছিলেন ঐশ্বরিয়া

মোঃ ইমরান হোসেন ডিসেম্বর ১১, ২০২৫

দক্ষিণী সিনেমার ইতিহাসের অন্যতম আইকনিক খলনায়িকা ‘নীলাম্বরি’। ১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পডিয়াপ্পা’ সিনেমায় এই চরিত্রে রম্যা কৃষ্ণানের দাপুটে অভিনয় আজও দর্শকের মনে গেঁথে আছে। তবে ২৬ বছর পর সিনেমাটি পুনরায় মুক্তির ঠিক আগ মুহূর্তে এক বিস্ফোরক তথ্য জানালেন সুপারস্টার রজনীকান্ত। জানালেন, এই কালজয়ী চরিত্রের জন্য নির্মাতাদের প্রথম পছন্দ রম্যা ছিলেন না, বরং তারা চেয়েছিলেন বলিউড সুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে!

 

আগামীকাল ১২ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে পুনরায় মুক্তি পাচ্ছে কে. এস. রবিকুমার নির্মিত ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘পডিয়াপ্পা’। এ উপলক্ষে ‘দ্য রিটার্ন অব পডিয়াপ্পা’ শিরোনামে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন রজনীকান্ত। সেখানেই তিনি এই গোপন তথ্য প্রকাশ্যে আনেন।

রজনীকান্ত জানান, ‘নীলাম্বরি’ চরিত্রটি যখন কল্পনা করা হয়েছিল, তখন তার মনে কেবল ঐশ্বরিয়া রাইয়ের ছবিই ভেসে উঠেছিল। কারণ চরিত্রটি ছিল তামিল সিনেমার অন্যতম শক্তিশালী নারী চরিত্র। তিনি বলেন, “চরিত্রটিতে কাস্ট করার জন্য আমাদের টিম ৩ মাস চেষ্টা করেছিল। এমনকি, ঐশ্বরিয়ার আত্মীয়স্বজনদের মাধ্যমেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল।”

থালাইভা আরও জানান, ঐশ্বরিয়া যদি রাজি হতেন, তবে তারা সিনেমাটির জন্য এক বছর অপেক্ষা করতেও প্রস্তুত ছিলেন। রজনীকান্ত বলেন, যদি তিনি (ঐশ্বরিয়া) বলতেন যে, ‘চরিত্রটি ভালো এবং আমাদের অপেক্ষা করতে হবে’, তবে আমরা এক বছর অপেক্ষা করতাম। কারণ এই চরিত্রটি সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলা দরকার ছিল। না হলে সিনেমাটা ভালো চলত না। কিন্তু আমরা পরে বুঝতে পারি এই চরিত্রে আগ্রহী নন তিনি।

ঐশ্বরিয়া প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার পর রজনীকান্ত পরিচালককে বলেছিলেন, ‘নীলাম্বরি’ চরিত্রে এমন কাউকে নিতে হবে যার চোখে শক্তি আছে এবং যার উপস্থিতি দাপুটে। উপযুক্ত অভিনেত্রী না পাওয়া গেলে প্রজেক্টটি স্থগিত রাখার কথাও ভাবা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত পরিচালকের প্রস্তাবে রম্যা কৃষ্ণানকে নেওয়া হয় এবং বাকিটা ইতিহাস।

আসছে কি ‘পডিয়াপ্পা ২’? পুরনো স্মৃতিচারণের পাশাপাশি ভক্তদের জন্য নতুন আশার আলোও দেখিয়েছেন রজনীকান্ত। ভিডিও বার্তায় তিনি কালজয়ী সিনেমাটির সিক্যুয়েল নির্মাণের প্রস্তাব দেন। তিনি নামও প্রস্তাব করেন—‘নীলাম্বরি: পডিয়াপ্পা টু’। তবে নির্মাতারা এ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেননি।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
অপদার্থদের কথায় কান দেওয়ার সময় নেই’, বিচ্ছেদের গুঞ্জনে ফারুকী

বিভিন্ন মাধ্যমে স্ত্রী অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে ছড়ানো খবরের ‘ভিত্তি নেই’ বলে দাবি করেছেন নির্মাতা ও সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।   পাশাপাশি তার ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার তথ্য তুলে ধরে একটি সাইবার অপরাধী গ্রুপ ‘উল্লাস’ করছে বলেও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন তিনি।   শনিবার সকাল থেকে ফেইসবুক একাউন্ট হ্যাক হয়েছে জানিয়ে ফারুকী বলেন, “আজ সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে দেখলাম এই ঘটনা। অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার চেষ্টা করে ডিঅ্যাক্টিভেট করে রেখেছে। বাংলাদেশের একটা সাইবার অপরাধী গ্রুপ, তারা এটা করে বিভিন্ন গ্রুপে সেলিব্রেট করছে। আমার কাছে স্ক্রিনশট আছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এগুলো নিয়ে তৎপর হওয়া দরকার, এগুলোতো নাগরিক নিরাপত্তার বিষয়।   অনলাইনে ছড়ানো বিচ্ছেদের গুজব ও কিছু সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এ বিষয়ক সংবাদে কান দেওয়ার মত সময় তার নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার পক্ষে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর দেওয়া স্ক্রিনশট।   ক্ষোভ প্রকাশ করে এই নির্মাতা বলেন, “ওই নিউজের ওপর কথা বলার কোনো টাইম নাই, হ্যাভ নো ইন্টারেস্ট। এসবের কোনো ভিত্তি নেই। এসব অপদার্থদের কথায় কান দেওয়ার মত সময় আমার নেই।”   বিদেশে স্থাবর সম্পত্তি থাকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনাকে ‘কৌতুকপ্রদ’ আখ্যা দিয়ে ফারুকী বলেন, “সবচেয়ে কৌতুকপ্রদ বিষয় হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ডে একটা লোকের বাড়ি থাকা, এটা তো যে কেউ সার্চ দিলেই বের করে ফেলতে পারে। এসব অপপ্রচার আমাকে নিয়ে আগেও ছিল। বরং এসব অপ্রাসঙ্গিক বিতর্ক এড়িয়ে আমার কাজের খবর নিয়ে নিয়ে লিখুন।”   বর্তমানে দুটি বিজ্ঞাপনের কাজ শেষ করেছেন তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, “একটা বিজ্ঞাপন হচ্ছে সফটওয়্যার নিয়ে, আর একটা বিজ্ঞাপন হচ্ছে বিল্ডিং মেটেরিয়ালস এর। এই দুইটার শুটিং হয়েছে ঢাকা, ময়মনসিংহ এবং দক্ষিণ কোরিয়ায়।”   অচিরেই তৃতীয় আরেকটি বিজ্ঞাপন তৈরি করবেন জানিয়ে ফারুকী বলেন, “আরেকটা বিজ্ঞাপনের শুটিং শুরু হবে সামনে। সেখানে একজন সেলিব্রেটি থাকবেন। সেটা কে হয়তো আগামী একদিনের মধ্যে বলতে পারব।”   দুইটি চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ করেছেন তথ্য দিয়ে এই নির্মাতা বলেন, “চলচ্চিত্রের স্ক্রিপ্টের একটা হচ্ছে প্রেমের গল্প, থ্রিলার টাইপের না। প্রেমের সংজ্ঞাও বদলে যাচ্ছে এখন নতুন জেনারেশনের। এই নতুন নতুন সংজ্ঞার প্রেম ধরার চেষ্টা করছি। জেন-জি জেনারেশন আরকি। তাদের প্রেমের ব্যাপারটা কি দাঁড়ায় সেটা দেখার চেষ্টা করছি এই সিনেমাতে। এটার স্ক্রিপ্ট প্রায় লেখা শেষ। এটার আপাতত নাম রেখেছি ‘টু হেল, উইথ লাভ’।   “আরেকটা হচ্ছে পলেটিক্যাল ব্যাকড্রপের স্টোরি, সেটাও আমরা শেষ করতেছি। কোনটি আগে শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেইনি।”   এদিকে ‘বিচ্ছেদ গুঞ্জন’ প্রসঙ্গে জানতে নুসরাত ইমরোজ তিশাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।   দীর্ঘদিন ধরে শোবিজে পরিচিত ফারুকী ও তিশা দম্পতি ২০১০ সালের ১৬ জুলাই বিয়ে করেন। ২০২২ সালে জন্ম নেয় তাদের কন্যাসন্তান ইলহাম নুসরাত ফারুকী।   দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিশা টিভি নাটক ছাড়াও ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’, ‘টেলিভিশন’, ‘অস্তিত্ব’, ‘ডুব’, ‘হালদা’, ‘মায়াবতী’ ও ‘ফাগুন হাওয়ায়’ সহ বেশ কিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তৌকির আহমেদের পরিচালনায় ‘হালদা’ ও অনন্য মামুন পরিচালিত ‘অস্তিত্ব’ সিনেমার জন্য দুইবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।   অন্যদিকে ১৯৯৯ সালে নির্মাণ শুরু করা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ‘ছবিয়াল’ এর ব্যানারে ‘স্পার্টাকাস ৭১’, ‘একান্নবর্তী’, ‘সিক্সটিনাইন’ ও ‘৪২০’- সহ একক ও ধারাবাহিক নাটক তৈরি করেছেন। পরবর্তীতে ‘ব্যাচেলর’, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’, ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’, ‘টেলিভিশন’, ও ‘ডুব’-এর মত আলোচিত চলচ্চিত্র তৈরি করেছেন।   সবশেষ তিনি ‘৮৪০: ডেমোক্রেসি প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে একটি সিনেমা তৈরি করেন; যেটি ২০২৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল। এরপর আর চলচ্চিত্রে পাওয়া যায়নি তাকে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মাত্র ৩৯ বছর বয়সে ক্যানসারে না ফেরার দেশে অভিনেত্রী তুলনা আল হারুন

ছবি: সংগৃহীত

ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে মারা গেলেন উপস্থাপিকা তুলনা

ছবি: সংগৃহীত

আসিফকে লক্ষ্য করে গুলি, স্বামীর নিরাপত্তা চেয়ে স্ত্রীর পোস্ট

ভাঙনের গুঞ্জন নাকচ করে ফারুকী জানালেন নতুন কাজের খবর

শোবিজ অঙ্গনে সরব গুঞ্জন—ভাঙনের মুখে ফারুকী-তিশার সংসার। বেশ কয়েক দিন ধরে অনলাইন কিংবা অফলাইনে উড়ছে এই খবর। গতকাল দেশ-বিদেশের একাধিক গণমাধ্যমে নতুন করে এসেছে খবরটি। তবে কি সত্যিই ভেঙে যাচ্ছে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সংসার! এ বিষয়ে জানতে সরাসরি কথা হয় সরয়ার ফারুকীর সঙ্গে। ভাঙনের গুঞ্জনকে উড়ো খবর বলে উড়িয়ে দিয়ে তিনি জানালেন দুজনের নতুন কাজের খবর।   সংসার ভাঙনের খবর প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘আমাকে নিয়ে তো নানা প্রোপাগান্ডা, মিথ্যা নিউজ প্রচার শুরু হয়েছে আরও আগে থেকে। এখন চলছে ব্যক্তিগত আক্রমণ। আসলে মিথ্যা নিউজে তো ঘটনা সত্য হয় না। আর এসব নিয়ে কথা বলা মানে আরও প্রশ্রয় দেওয়া। তাই এ বিষয়ে আমি বা তিশা কেউই কোনো মন্তব্য করতে চাই না। এর চেয়ে বরং নতুন কাজ করছি, আসুন নতুন কাজ নিয়ে কথা বলি।’   কাজের খবর জানতে চাইলে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জানালেন, ১০ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়া গিয়েছিলেন বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আমন্ত্রণে। সেখানে ফিল্ম নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। বুসানে যাওয়ার আগেই শেষ করেছেন একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের কাজ। ১৭ অক্টোবর বুসান থেকে দেশে ফিরে শুরু করেছেন নতুন বিজ্ঞাপনের কাজ। সিনেমার কাজে হাত দিয়েছেন আরও আগেই। ইতিমধ্যে একটি সিনেমার গল্প লেখা শেষ করে হাত দিয়েছেন নতুন সিনেমার গল্পে।   নতুন বিজ্ঞাপন নির্মাণ প্রসঙ্গে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘আমি এই মুহূর্তে ব‍্যস্ত তিনটা বিজ্ঞাপন নিয়ে। একটা স্বাস্থ্যসেবার; বাকি দুটি বিল্ডিং ম‍্যাটেরিয়ালের। একটার শুটিং শেষ। এটার শুটিং হয়েছে ঢাকা, ময়মনসিংহ এবং দক্ষিণ কোরিয়ায়।’   নতুন সিনেমার কাজ নিয়ে জানতে চাইলে ফারুকী বলেন, ‘ফিল্মের স্ক্রিপ্ট লিখছি। একটা নতুন দিনের প্রেমের গল্প অথবা বলা যায় প্রেম আর বন্ধুত্বের বাইরে যে নো ম‍্যানস ল‍্যান্ড থাকে, সেটার গল্প। অথবা সেটাও প্রেমই। প্রেমের বর্ধিত মানচিত্রের গল্প। আপাতত নাম রেখেছি “টু হেল, উইথ লাভ”। আরেকটা স্ক্রিপ্ট লেখা আছে, সেটা আমাদের সময়ের রাজনৈতিক মানচিত্রের গল্প। এটার নাম এখনো ঠিক হয়নি। রাজনীতি বললে পলিটিক্যাল স‍্যাটায়ার ভাবতে পারে অনেকে, যেহেতু আমি আগেও স‍্যাটায়ার করেছি। এটা আসলে ভীষণ হার্ট ব্রেকিং একটা স্টোরি।’   ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গুঞ্জনের মধ্যেও কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিশা। সম্প্রতি ফুলস্ক্রিন নামের একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গড়েছেন তিনি। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ফুলস্ক্রিন নামের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে আরশ খান ও প্রিয়ন্তী উর্বি অভিনীত নাটকটি। কথা বলার জন্য তিশাকে একাধিকবার কল করা হলেও ধরেননি। পুনরায় সরয়ার ফারুকীকে কল করলে তিনি জানান, নতুন একটি আন্তর্জাতিক সিনেমায় অভিনয়ের বিষয়ে মিটিংয়ে আছেন তিশা। তাই কল ধরতে পারেননি। সিনেমাটি নিয়ে এখনই বিস্তারিত জানাতে চাননি, সবকিছু চূড়ান্ত হলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানান।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ২৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বলিউডে অবমূল্যায়িত হয়েছে বহু অভিনেতার প্রতিভা, আক্ষেপ মনোজ বাজপেয়ীর

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী আয় ৬০০ কোটি ছাড়াল রজনীকান্তের ‘জেলার ২’

মডেল ও অভিনেত্রী মেঘনা আলম। ছবি: সংগৃহীত

খালেদা জিয়ার মতো আমিও বিনাবিচারে কারাগারে ছিলাম: মেঘনা আলম

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামীর মঞ্চ মাতাতে যাচ্ছেন ঢালিউড অভিনেতা জায়েদ খান

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মায়ামীতে আয়োজিত হতে যাচ্ছে জমকালো সাংস্কৃতিক উৎসব ‘এশিয়ান ফুড ফেয়ার অ্যান্ড কালচারাল শো’। আন্তর্জাতিক এই আয়োজনে প্রথমবারের মতো মঞ্চে পারফর্ম করতে যাচ্ছেন ঢালিউডের আলোচিত অভিনেতা জায়েদ খান।   আগামী ২৬ ও ২৭ ডিসেম্বর দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে এই উৎসব। এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জনপ্রিয় শিল্পী ও তারকাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন জায়েদ খান।   আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে বাংলা চলচ্চিত্রের একাধিক জনপ্রিয় গানের সঙ্গে মঞ্চ পরিবেশনায় অংশ নেবেন এই অভিনেতা। তাঁর পারফরম্যান্সের মাধ্যমে প্রবাসী দর্শকদের বিনোদন দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।   প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে উৎসাহ মায়ামীতে জায়েদ খানের অংশগ্রহণের খবর প্রকাশের পর সেখানকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের পরিচিত এই অভিনেতাকে সরাসরি মঞ্চে দেখার পাশাপাশি তাঁর পরিবেশনা উপভোগ করার অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয় ভক্ত ও দর্শকেরা।   এক মঞ্চে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের তারকারা ‘এশিয়ান ফুড ফেয়ার অ্যান্ড কালচারাল শো’তে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শিল্পীরা অংশ নেবেন। সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি এই আয়োজনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জায়েদ খানের অংশগ্রহণ উৎসবটিতে প্রবাসী বাংলাদেশি দর্শকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে। আগামী ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় এই আয়োজনকে ঘিরে এখন থেকেই প্রস্তুতি চলছে। মায়ামীর আন্তর্জাতিক মঞ্চে জায়েদ খানের পরিবেশনা কেমন সাড়া ফেলে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ২৩, ২০২৬

দিলজিতের কনসার্ট ঘিরে অনিশ্চয়তা, অনুমতি দিলো না পুলিশ

টম ক্রুজ। ফাইল ছবি

চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন টম ক্রুজ

চিকিৎসকের পরামর্শে বিশ্রাম, ক্ষমা চাইলেন অমিতাভ

0 Comments