বিশ্ব

পরে আসা লোকদের দরকার নেই,যুক্তরাজ্যকে ট্রাম্পের বার্তা

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ০৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শুরুতে সমর্থন না দেওয়ায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী Keir Starmer-কে কটাক্ষ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump।

 

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাজ্য মধ্যপ্রাচ্যে দুটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর কথা ভাবছে। তবে এখন আর সেই সহায়তার প্রয়োজন নেই।

তিনি মন্তব্য করেন, “আমরা ইতোমধ্যে যুদ্ধ জিতে ফেলেছি। পরে এসে যুদ্ধে যোগ দেওয়া লোকদের আমাদের দরকার নেই।”

 

এর আগে যুক্তরাজ্য প্রথমে আপত্তি জানালেও পরে যুক্তরাষ্ট্রকে সীমিত প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে ব্রিটেনের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। এর মধ্যে রয়েছে গ্লুচেস্টারশায়ারের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি এবং ভারত মহাসাগরের Diego Garcia ঘাঁটি।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার ও শনিবার চারটি মার্কিন বোমারু বিমান ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের একটি ঘাঁটিতে অবতরণ করেছে। সেখান থেকেই ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সামরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

 

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় যুক্তরাজ্য তাদের বিমানবাহী রণতরী HMS Prince of Wales মোতায়েনের প্রস্তুতিও জোরদার করেছে।

তবে স্টারমারের লেবার পার্টির অনেক সদস্য ইরান যুদ্ধে সরাসরি সামরিকভাবে জড়িত হওয়ার বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। সমালোচকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঐতিহ্যগত ‘বিশেষ সম্পর্ক’ বজায় রাখার বদলে সরকার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
সত্য দীর্ঘদিন গোপন রাখতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র : ইরান

ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান Ali Larijani দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে কয়েকজন মার্কিন সেনা ইরানের হাতে বন্দি হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র এ তথ্য গোপন করার চেষ্টা করলেও তা দীর্ঘদিন আড়াল করা সম্ভব হবে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।   রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লারিজানি বলেন, তাকে জানানো হয়েছে যে কয়েকজন মার্কিন সৈন্যকে আটক করা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে তারা যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। তার ভাষায়, “সত্য বেশিদিন গোপন রাখা যাবে না।” তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে ইরান পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে।   এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’-এর ২৭তম দফা হামলা চালিয়েছে। এতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ খবর জানিয়েছে Press TV। শনিবার এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, সমন্বিত এই হামলায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। ইসরায়েলের অধিকৃত উত্তরাঞ্চলের সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।   আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, তাদের মহাকাশ বিভাগ নতুন ধরনের কঠিন জ্বালানিচালিত ‘খেইবার-শেকান’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে Haifa শহরের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্রে উন্নত লক্ষ্যভেদী নির্দেশনা ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া ড্রোন ইউনিট যুক্তরাষ্ট্রের সেনা অবস্থান করা একটি ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। তাদের মতে, ‘মেরিনা’ নামের একটি এলাকায় মার্কিন বাহিনীর অবস্থানে ড্রোন হামলা করা হয়েছে।   আইআরজিসি আরও জানায়, তাদের নৌবাহিনী Bahrain-এ অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের United States Fifth Fleet-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু স্থাপনাতেও হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে সালমান বন্দরে মার্কিন বাহিনীর সামরিক সহায়তা স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানের হামলার পর অধিকৃত অঞ্চলে বারবার সতর্কতা সাইরেন বেজে উঠছে এবং সেখানে জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ০৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

নিউজিল্যান্ড ছাড়ছেন নাগরিকরা, তালিকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীও

ছবি : সংগৃহীত

পরে আসা লোকদের দরকার নেই,যুক্তরাজ্যকে ট্রাম্পের বার্তা

ছবি : সংগৃহীত

কয়েকজন মার্কিন সেনা আটক : দাবি ইরানের

ইতালির ওই ফ্রিগেটটি ক্ষেপণাস্ত্রসহ সজ্জিত। সংগৃহীত ছবি
ক্ষেপণাস্ত্রসজ্জিত ফ্রিগেট সাইপ্রাসে পাঠাল ইতালি

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের জবাবে ইরানের পালটা-আক্রমণে আগুন জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্যে। মধ্যপ্রাচ্যের ওই সংঘাতে সাইপ্রাসও জড়িয়ে পড়েছে। তাদের রক্ষা করতেই ইতালি ফ্রিগেট পাঠাচ্ছে ইতালি।   শনিবার (৭ মার্চ) ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি সাইপ্রাসে ফ্রিগেট পাঠানোর বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন।   মেলোনি এক ভিডিওবার্তায় বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা সাইপ্রাসে একটি ইতালীয় ফ্রিগেট মোতায়েন করছি।   তিনি বলেন, এটি  ‘ইউরোপীয় সংহতির একটি পদক্ষেপ, তবে সর্বোপরি প্রতিরোধের’। তবে আমাদের অবস্থান খুবই স্পষ্ট— ইতালি এ সংঘাতের অংশ নয় এবং এর অংশ হতেও চায় না।’   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতালির ওই ফ্রিগেটটি ক্ষেপণাস্ত্রসহ সজ্জিত এবং ১৬০-এর বেশি ব্যক্তিকে বহনকারী ‘ফেডেরিকো মার্টিনেঙ্গো’ নামের ফ্রিগেট গত শুক্রবার বিকালে ইতালির দক্ষিণের তারান্টো থেকে যাত্রা শুরু করেছে।   ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের চরম অবনতি এড়াতে ইতালি, ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানি নিয়মিত ও নিবিড় কূটনৈতিক আলোচনা করছে। 

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ০৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

স্কুলে হামলার পেছনে ইরানের হাত, দাবি ট্রাম্পের

ছবি : সংগৃহীত

ইরানে বড় হামলার পর তীব্র হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

ছবি : সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধে সংকটে পাকিস্তান

সংগৃহীত ছবি
বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা আটক, দাবি ইরানের

ইরান দাবি করেছে, তারা কয়েকজন মার্কিন সেনাকে যুদ্ধবন্দি হিসেবে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। গত এক সপ্তাহের মধ্যে এসব সেনাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান Ali Larijani।   রোববার দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই আটকের বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করছে। তবে ঠিক কতজন মার্কিন সেনা আটক হয়েছেন কিংবা কোথা থেকে বা কীভাবে তাদের বন্দি করা হয়েছে—সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি তিনি। ইরানের এই দাবির পরপরই তা জোরালোভাবে নাকচ করেছে United States Central Command। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, মার্কিন সেনা আটকের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এটি ইরান সরকারের ধারাবাহিক মিথ্যাচারের অংশ।   এদিকে Benjamin Netanyahu বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বোমা হামলা অব্যাহত থাকবে। ইরানে ব্যাপক হামলার পর দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরানিদের সামনে “নতুন কিছু মুহূর্ত” আসছে। শনিবারের ওই বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলের লক্ষ্য ইরানের সরকারকে অস্থিতিশীল করা এবং পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করা। তার দাবি, ইসরায়েল ইরানকে বিভক্ত করতে চায় না, বরং দেশটিকে “মুক্ত” করতে চায়।   ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী Israel Defense Forces জানিয়েছে, তারা ইরানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো তেহরানের তেল সংরক্ষণাগার ও জ্বালানি অবকাঠামোতেও আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump সাংবাদিকদের বলেন, যুদ্ধ আরও কিছুদিন চলবে। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেননি তিনি।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ০৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ইরান–মার্কিন উত্তেজনায় জটিল পরিস্থিতিতে পাকিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধে যেভাবে চাপে পড়বে এশিয়া

ছবি : সংগৃহীত

তিন দেশে ইরানের পাল্টা হামলা, ২২০ মার্কিন সেনা হতাহত

0 Comments