খেলাধুলা

মেসির বিদায়ী ম্যাচের তারিখসহ তিন ম্যাচের সূচি প্রকাশ

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক বিরতিতে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। বলিভিয়া, বুরকিনা ফাসো ও বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচগুলোর সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)।

 

আগামী বৃহস্পতিবার (১লা অক্টোবর) বলিভিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। লিওনেল স্কালোনির দল। কর্ডোবার মারিও আলবার্তো কেম্পেস স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায়। এরপর ৪ অক্টোবর বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বুরকিনা ফাসোকে আতিথেয়তা দেবে আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচটিও শুরু হবে ভোর ৬টায়।

 

শেষ ম্যাচটিকে ঘিরেই থাকছে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ। ৭ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টিনা। মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে ভোর ৫টায়। এটাই হবে আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ।

 

আগস্টে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন মেসি। পরে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন তাকে বিদায়ী ম্যাচ খেলার জন্য দলে ফেরায়। এএফএ সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া বলেছিলেন, মেসিকে প্রাপ্য বিদায় দেওয়ার জন্যই তাকে আর্জেন্টিনায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

 

বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটি জাতীয় দলের হয়ে মেসির ২০৮তম। আর্জেন্টিনার হয়ে এখন পর্যন্ত ২০৭ ম্যাচে ১২৫ গোল করেছেন ইতিহাসের সেরা ফুটবলারদের একজন।

 

মেসির বিদায়কে সামনে রেখে মনুমেন্টালে ম্যাচটির জন্য ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বলিভিয়া ও বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে ম্যাচ দুটি শেষ করে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই আর্জেন্টিনা অধিনায়কের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানার প্রস্তুতি চলছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ইমন-সাইফের জুটির পরও স্বস্তি নেই বাংলাদেশের, দ্রুত ফিরলেন মিরাজ

শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া বাংলাদেশকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখিয়েছিলেন সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন। চতুর্থ উইকেট হারানোর পর দুজনের প্রতিরোধে গড়ে ওঠে ৯৩ রানের জুটি। তবে সাইফের বিদায়ের পর দ্রুতই সাজঘরে ফিরেছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। ফলে আবারও চাপে পড়েছে বাংলাদেশ।   আফগানিস্তানের বিপক্ষে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বুধবার (২১ অক্টোবর) ৩২.৫ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২৪ রান। একদিকে নিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ফিফটি তুলে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন ইমন, অন্যদিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে রয়েছে দল।   ৮২ বলে ৪১ রান করে সাইফ হাসান মোহাম্মদ নবির বলে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তার ইনিংসে ছিল দুটি চার ও একটি ছক্কা। এরপর ক্রিজে এসে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মিরাজও। বিলাল সামির বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন তিনি। আগের ম্যাচে জ্বরের কারণে খেলতে না পারা এই অলরাউন্ডারের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ২ রান।   এক প্রান্তে লড়ছেন ইমন শুরুতেই ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বড় বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। সেই পরিস্থিতিতে সাইফকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন ইমন। সাইফের বিদায়ে জুটি ভাঙলেও ব্যক্তিগতভাবে দারুণ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। ৭৪ বলে নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অর্ধশতক পূর্ণ করেন ইমন। এখন টেলএন্ডারদের নিয়ে দলীয় সংগ্রহ বাড়ানোর দায়িত্ব অনেকটাই তার কাঁধে। বড় সংগ্রহ গড়তে হলে শেষ দিকের ব্যাটারদের কাছ থেকেও কার্যকর অবদান প্রয়োজন বাংলাদেশের।   শুরুতেই ধস, চাপে বাংলাদেশ দুবাইয়ের শারজাহ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ইয়ামিন আহমদজাইয়ের বলে সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। তানজিদ ১ রান করে ক্যাচ দেন, আর সৌম্য কোনো রান না করেই বোল্ড হন। এরপর সপ্তম ওভারে বাংলাদেশ আরও দুটি উইকেট হারায়। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের বলে ১৫ রান করে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্ত। পরের বলেই কোনো রান না করে বিদায় নেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। মাত্র ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশকে এরপর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন সাইফ ও ইমন। কিন্তু তাদের জুটি ভাঙার পর আবারও বিপাকে পড়ে দল।   ফাইনালে উঠতে কঠিন সমীকরণ ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জায়গা করে নিতে বাংলাদেশের সামনে কঠিন সমীকরণ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুধু জয় পেলেই হবে না, জিততে হবে অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে। ফলে ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে বড় সংগ্রহ গড়া বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইমনের ব্যাটে লড়াইয়ের আশা জিইয়ে থাকলেও বাকি ব্যাটাররা কতটা সহায়তা করতে পারেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আর্সেনালের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বিপাকে বায়ার্ন, নেই অধিনায়ক কিমিচ

এল ক্লাসিকোর আগে রদ্রিকে বিশ্রাম দেওয়া প্রয়োজন ছিল : ফ্লিক

সংগৃহীত ছবি

আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে তাসকিন ও শরিফুল

মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ট্রফি। ছবি: আইসিসি
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করল আইসিসি

মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক এবার বাংলাদেশ ও নেপাল। আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টের পূর্ণাঙ্গ সূচি আজ প্রকাশ করেছে আইসিসি।     সিলেটে উদ্বোধনী দিনে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ৬ ফেব্রুয়ারি ফাইনাল হবে চট্টগ্রামে।   নেপালের কীর্তিপুর ও মূলপানিতে গ্রুপ পর্ব ও সুপার সিক্সের কিছু ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের দুটি ভেন্যু এবং নেপালের দুটি ভেন্যুতে এই বিশ্বকাপের মোট ৪১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।       ১৬ দিনের এই টুর্নামেন্টে সিলেট ১২ ও চট্টগ্রামে হবে ১৪টি ম্যাচ। মূলপানিতে ৮টি ও কীর্তিপুরে ৭টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।   ফাইনালের পাশাপাশি ৪ ফেব্রুয়ারি দুটি সেমিফাইনালও চট্টগ্রামে হবে। রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে শুধু ফাইনাল ও সেমিফাইনালের জন্য।     টুর্নামেন্টে উদ্বোধনী দিনে মোট ৮টি দল মাঠে নামবে। সিলেটে ও মূলপানিতে দুটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে উদ্বোধনী দিনে। স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩০ মিনিট এবং দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে খেলা শুরু হবে।     টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া ১৬টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়া, আরব আমিরাত ও নাইজেরিয়া।     প্রথম দুটি আসরের চ্যাম্পিয়ন ভারত পড়েছে ‘এ’ গ্রুপে। সেখানে আয়ারল্যান্ড, নেপাল এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী।    ‘বি’ গ্রুপে পাকিস্তানের প্রতিদ্বন্দ্বী নিউজিল্যান্ড, সামোয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা। যুক্তরাষ্ট্র, স্কটল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ‘ডি’ গ্রুপে।       প্রতিটি গ্রুপ থেকে তিনটি করে দল পাবে সুপার সিক্সের টিকিট। ‘এ’ ও ‘ডি’ গ্রুপে তিনটি করে মোট ছয় দল নিয়ে হবে সুপার সিক্সে একটি গ্রুপ। ‘বি’ ও ‘সি’ গ্রুপে তিনটি করে মোট ছয় দল নিয়ে হবে সুপার সিক্সের আরেকটি গ্রুপ। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুই দল উঠবে সেমিফাইনালে। সুপার সিক্সে দুটি করে ম্যাচ খেলবে সব দল।     ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের তিন ম্যাচই হবে সিলেটে। আরব আমিরাতের মুখোমুখি হওয়ার পর ২৩ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। ২৫ জানুয়ারি গ্রুপে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ নাইজেরিয়ার বিপক্ষে। ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে গ্রুপ পর্বের খেলা।

মারিয়া রহমান অক্টোবর ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দিল্লি ক্যাপিটালসে ফিরছেন অমিত মিশ্র, স্পিন কোচের দায়িত্বে আইপিএলের রেকর্ডধারী

ছবি: সংগৃহীত

ফাইনালের টিকিট পেতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের

ছবি: সংগৃহীত

ফাইনালের আশা বাঁচাতে আফগানিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ, একাদশে তিন পরিবর্তন

ছবি: সংগৃহীত
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা বিসিবির

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য ১৩ সদস্যের বিসিবি একাদশ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বুধবার ঘোষিত দলে রয়েছেন জাতীয় দলের বাইরে থাকা উইকেটকিপার ব্যাটার জাকের আলী অনিক।   আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে এসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মূল সিরিজ শুরুর আগে সফরকারীদের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বিসিবি একাদশ।   আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর বসুন্ধরার আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। শুরুতে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অনুরোধে তা কমিয়ে দুই দিন করা হয়েছে। ২৪ অক্টোবর সফরকারী দলের জন্য বিশ্রামের দিন রাখা হয়েছে।   বিসিবি একাদশে রয়েছেন মাহফিজুল ইসলাম রবিন, জিশান আলম, কালাম সিদ্দিকী অলিন, ইফতেখার আহমেদ ইফতি, জাকের আলী অনিক, এস এম মেহেরব, চৌধুরী মো. রিজওয়ান, আইচ মোল্লা, মো. শামীম হোসেন, আব্দুল হালিম, অনীক দেব বর্মা, ফাহাদ হোসেন ও হোসেন সান।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ব্যালন ডি’অর ঘিরে বায়ার্নের রহস্যময় পোস্ট, আলোচনার কেন্দ্রে কেইন

ছবি: সংগৃহীত

সর্বকালের সেরা ব্যালন ডি’অরের মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পিএসজি-বার্সেলোনা মহারণ, যে কারণে বাড়ছে রোমাঞ্চ

0 Comments